Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

শিক্ষা

অষ্টম শ্রেণীর গণিত এসাইনমেন্ট উত্তর

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগণ। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই ব্যক্ত করি।

স্কুল গুলো ব্যস্ত তাদের প্রশ্নপত্র দেওয়া নিয়ে।শিক্ষার্থীরা ব্যস্ত তাদের এসাইনমেন্ট সমাধান করা নিয়ে।আর তাই সেইজন্য আমি নিয়ে এলাম বহুল প্রতীক্ষিত অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য গণিত এসাইনমেন্ট উত্তর। আশা করি শিক্ষার্থী উপকার হবে।
প্রশ্নঃসমবায় সমিতির সঞয় কিসের ক্ষেত্রে সকল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার তুলনামূলক তারতম্যের জন্য।
সরল মুনাফার ক্ষেত্রেঃ
১.সঞ্চয় স্কিমের মূলধন p=১৫,০০০ টাকা।
২.সঞ্চয় স্কিম পূর্ণ হওয়ার সময়কাল n=৩ বছর।
৩.সঞ্চয় স্কিমের মূনাফার হারr=৯%
হলো
(ক)সঞ্চয় স্কিমের সময়কাল(৩ বছর)পর হলে ও মুনাফার পরিমাণ I =?
উত্তরঃদেওয়া আছে,
সঞ্চয় স্কিমের মুলধন p=১৫,০০০ টাকা
স্কিম পূর্ণ হওয়ার সময়কাল n= ৩ বছর
স্কিমের মনাফার হার =৯%=৯/১০০=০.৯
আমরা জানি
সঞ্চয় মুনাফার পরিমান I=pnr(১৫০০০*০.৯*৩)
=৪০৫০ টাকা
উত্তরঃ৪০৫০ টাকা।
(খ)২ নং ধাপের নির্দিষ্ট সময়কাল পর সরল মুনাফার, মুনাফা -আসল A= কত?
উত্তরঃ
দেওয়া আছে,
সঞ্চয় স্কিমের মূলধন P=১৫,০০০ টাকা
“ক” হতে প্রাপ্ত সঞ্চয় স্কিমের মুনাফা
I=৪০৫০ টাকা
সুতরাং
৩ বছর পর মুনাফা-আসলA =p+I
(১৫০০০+৪০৫০)টাকা
=১৯০৫০ টাকা
নির্দিষ্ট সময়কাল পর সকল মুনাফা মুনাফা আসল=১৯০৫০ টাকা
চক্রবৃদ্ধি স্কিমের মূলধন p=১৫০০০ টাকা
সঞ্চয় স্কিম পূর্ণ করার সময়কাল n=৩ বছর
সঞ্চয় স্কিমের মুনাফার হার r=৯%
ক্ষেত্রে
(ক)প্রথম বছরান্তে চক্রবৃদ্ধি মুনাফা (সুত্র উল্লেখ করে)?
(খ)দ্বিতীয় বছরান্তে চক্রবৃদ্ধি মুনাফা(সুত্র উল্লেখ করে)?
(গ)তৃতীয় বছরান্তে চক্রবৃদ্ধি মুনাফা (সুত্র উল্লেখ করে)
(ঘ)নির্দিষ্ট সময়কাল (৩বছর পর ) চক্রবৃদ্ধি মুনাফা কত?
(ঙ)নির্দিষ্ট সময়কাল (৩ বছর পর)মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফা নিয়ে আলোচনা কর।
(ক)আমরা জানি,চক্রবৃদ্ধি মুনাফা,
c=p(১+n)
C=১৫০০০(১+০.৯)^1
c= ১৬৩৫০ টাকা
(খ)২য় বছরান্তে চক্রবৃদ্ধি মুনাফা,
c=p(১+r)^2
C=১৫০০০(১+০.৯)^২
c=১৭৮২১ টাকা
(গ)আমরা জানি, চক্রবৃদ্ধি মূলধন C = p(১+r)^n
৩য় বছরান্তে চক্রবৃদ্ধি মূলধন বৃদ্ধি
C=১৫০০০(১+০.৯)^৩
c=১৯,৪২৫.৪৩৫ টাকা
(গ) গ হতে প্রাপ্ত,
৩ বছর পর চক্রবৃদ্ধির মূলধন C=১৯৪২৫টাকা
দেওয়া আছে,
মূলধন p=১৫০০০ টাকা
সুতরাং চক্রবৃদ্ধি মুনাফা
=c-p
=১৯৪২৫.৪৩৫-১৫০০০
=৪৪২৫.৪৩৫ টাকা
(ঘ)
৩ বছর পর
চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ৪৪২৫.৪৩৫ টাকা
সরল মুনাফা I=pnr
= ১৫০০০*৩*০.৯
=৪০৫০ টাকা
মুনাফার পার্থক্য
=(৪৪২৫.৪৩৫-৪০৫০)টাকা
=৩৭৫.৪৩৫ টাকা
৩ বছর পর সরল মুনাফা এবং চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য হলো ৩৭৫.৪৩৫ টাকা
যেহেতু চক্রবৃদ্ধি মুনাফার ক্ষেত্রে সরল মুনাফা ক্ষেত্রের অধিক মুনাফা পাওয়া যায় সেহেতু আমি চক্রবৃদ্ধি মুনাফা সুবিধাজনক বলে মনে করি। অতএব সমবায় সমিতির স্কিমের ক্ষেত্রেই চক্রবৃদ্ধি মুনাফা পদ্ধতিই উত্তম।
#সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তরঃ
১.এখানে পাশাপাশি দুইটি সংখ্যার পার্থক্য হচ্ছে=৫
প্যাটার্নটির প্রথম পদ হলো
=৬
=(৫*১)+১
২য় পদ
=১১
=(৫*২)+১
তয় পদ
=১৬
=(৫*৩)+১
চতুর্থ পদ
=২১
=(৫*৪)+১
ধরি ক্রমিক সংখ্যাটি=ক
অতএব প্যাটার্নটির বিজগনিতিক রাশি=৫ক+১
২.প্রথম চিত্রের সংখ্যা=৫ টি
দ্বিতীয় চিত্রের সংখ্যা=৭ টি
তৃতীয় চিত্রের সংখ্যা=৯ টি
পাশাপাশি দুইটি চিত্রটির মধ্যের পার্থক্য=(৭-৫)=২
আবার ৯-৭=২
তাহলে চতুর্থ চিত্রের কাঠির সংখ্যা হবে =(৯+২)=১১
৩.শুন্য স্থানে এক সেকেন্ড=১/২৯৯৭৯২৪৫৮ ভাগ সময়ে আলো যে দুরুত্ত অতিক্রম করে তাকে ১ মিটার বলে। দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক হলো মিটার।
৪.অধিক পরিমান বস্তুর ওজন পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত মেট্রিক পদ্ধতির দুটি এককের নাম হলোঃ
১।মেট্রিক
২.কুইন্টাল।
৫.আমরা জানি,
এক একর=৪০৪৬.৮৬ বর্গ মিটার
১০ একর =(৪০৪৬.৮৬*১০)
=৪০৪৬৮.৬
অতএব ১০ একর=৪০৪৫৮.৬ বর্গমিটার।
৬.আমরা জানি,
২.৫৪ সেন্টিমিটার =১ ইঞ্চি
১ ” =১/২.৫৪
১৬০ ” =(১*১৬০/২.৫৪)
=৬২.৯৯২১ ইঞ্চি

ধন্যবাদ সবাইকে।

Related keyphrase: অষ্টম শ্রেণীর গণিত এসাইনমেন্ট উত্তর, অষ্টম শ্রেণীর গণিতের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর, গণিত অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর, গণিতের এসাইনমেন্ট ৮ম শ্রেণির উত্তর,   গণিতের অ্যাসাইনমেন্ট ৮ম শ্রেণির উত্তর

Advertisement
6 Comments

6 Comments

  1. md safin ahmed

    md safin ahmed

    November 25, 2020 at 4:57 pm

    good job

  2. TAHMID KHAN

    TAHMID KHAN

    December 2, 2020 at 3:40 pm

    Goood

  3. HM Shifatullah

    HM Shifatullah

    December 15, 2020 at 11:25 am

    tnx

  4. Nuhash Polly

    Nuhash Polly

    December 16, 2020 at 9:45 am

    good

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

শিক্ষা

বেজি যে কারণে ঝগড়ায় জড়ায় সাপ সাথে

Bd Blogger

Published

on

বেজি এবং সাপের দ্বৈরথের সম্পর্কে সকলেই জানেন। বেজি এবং সাপের লড়াইয়ে বেজি সর্বদা জয়লাভ করে। বেজি বিভিন্ন গল্পে নায়ক হিসেবে এবং সাপটিকে ভিলেন হিসাবে রাখা হয়।কোবরার মতো বিষধর সাপও বেজির কাছে প্রাণ হারায়। অনেকে সে কারণে বাড়ির পাশে বেজি থাকলে সাপের ভয় কম পান। কারণ, যেখানে বেজি থাকে, সেই এলাকায় বিষধর গোখরা সাপও থাকার সাহস করে না।অনেকে বিশ্বাস করেন যে বেজির কোবরার বিষকে ধ্বংস করার জন্য অ্যান্টিবডি রয়েছে। যাইহোক, এটি সত্য নয়। আসলে, বেজি নিজেকে কোবরা কামড় থেকে রক্ষা করতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। বেজির দেহের আকার এবং তার বিভিন্ন কৌশলগুলির কারণে যে কোন ধরণের সাপ তাকে পরাস্ত করতে পারে না। অন্যদিকে কৌশল অবলম্বন করে বেজিরা কোবড়াকে কামড়ে মেরে ফেলতে পারে।বাড়ির আশেপাশে বেজি থাকার সুবিধা হলো, ইঁদুর ও সাপের উৎপাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তবে মুরগির বাচ্চা থেকে শুরু করে হাঁসের বাচ্চা এরা খেয়ে ফেলে।বেজি বছরে দুই থেকে তিনবার বাচ্চা দেয়। এক সাথে দুই থেকে পাঁচটি বাচ্চা হয়।মাটির নিচের গর্তে এসব বাচ্চার দেখভাল করে মা বেজিরা। বেজি সর্বদা সাপকে বাচ্চাদের এবং তাদের নিজের খাবারের জন্য শত্রু হিসাবে দেখেন। এই কারণে, বেজি যখনই সাপটিকে দেখবে তখন তাড়া করতে বা মেরে ফেলার উঠেপড়ে লাগে বেজি।

Continue Reading

শিক্ষা

সাপের কামড়ের পরে কী করবেন এবং কী করবেন না

Bd Blogger

Published

on

অনেক দেশে সাপের কামড় দারুণ সমস্যা তৈরি করে। ভারতে প্রতি বছর এক মিলিয়ন মানুষ সাপের কামড়ে মারা যায়। আমাদের দেশেও মাদারীপুরের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ অদৃশ্য সাপের ভয়ে জীবন যাপন করছে। আমাদের দেশে প্রচুর বিষাক্ত সাপ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কামড় দিয়ে বেঁচে থাকার অনেক উপায় রয়েছে।এ সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের বিজে মেডিক্যাল কলেজের সর্প বিশেষজ্ঞ ড. ভিজে মুরালিধর।
ভারত উপমহাদেশে প্রায় ২৫০ প্রজাতির সাপ পাওয়া যায়। এর মধ্যে প্রায় ৫০ টি প্রজাতি বিষাক্ত। কোবরা, ভাইপার, ক্রেট এবং রাসেলের ভাইপার কামড় মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটে। অবশ্যই, অনেক আগে এই সাপগুলি আরও হিংস্র ছিল। এখন তাদের সংখ্যা অনেক কমেছে। এছাড়াও, একই প্রজাতির বিভিন্ন সাপ রয়েছে যার বিষগুলি মৃত্যুর পক্ষে যথেষ্ট নয়। যেমন হ্যাম্পনোজড পিট ভাইপার। তাদের কামড় রক্তপাত এবং কিডনি বিকল হতে পারে।আবার উজ্জ্বল বর্ণের ক্রেইট কামড়ালে লক্ষণ অন্য সাপের কামড়ের সঙ্গে মেলানো যাবে না। এর কামড়ে রক্ত ঝরে না বা ব্যথাও অনুভূত হয় না। এমনকি অনেক সময় এর কামড়ের চিহ্নও বোঝা যায় না।
তবে যে কোন সাপ কামড়েছে তা বিবেচনা না করেই প্রথমে ডাক্তারের কাছে নেওয়া উচিত। তবে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে রোগীকে দ্রুত বিপদমুক্ত করা যায়।

যা করা উচিত :
প্রথমেই সাপে কামড়ানো রোগীকে আশ্বস্ত করতে হবে যে তার কোনো বিপদ হবে না। উত্তেজনায় রোগীর হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। এতে বিষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।রোগীর এমনভাবে শুয়ে থাকা উচিত যাতে কামড়ানোর জায়গাটি হৃদপিণ্ডের সাথে কিছুটা কম থাকে। আঁট পোশাক, গহনা ইত্যাদি মুছে ফেলুন একটি কামড়কে একটি ফিতা বা দড়ি দিয়ে শক্তভাবে বেঁধে রাখুন।বিষক্রিয়ায় রোগীর হৃদস্পন্দন অনেক সময় বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়।সে ক্ষেত্রে সিপিআর দিন।যদি কেউ ডুবে থাকে বা অন্য কোনও ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়, শুইয়ে বুকে দুই হাত দিয়ে চাপ দিতে থাকুন। এভাবে হার হৃদযন্ত্র সচল করে ফেলুন।
যা করবেন না :
কামড়ের জায়গাটি সাবান দিয়ে ধুয়ে নেবেন না। কাটা এবং প্রভাবিত অঞ্চলের চারপাশে রক্তপাত করবেন না। বৈদ্যুতিক শক দেবেন না। ঠান্ডা জলে বা বরফের কামড়ে ধরে রাখবেন না।
সাপের বিষক্রিয়া দূর করতে এভিএস অ্যান্টডোট ব্যবহার করা হয়। এভিএসের আবার মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। এটি অ্যানাফিল্যাক্সিস নামে মাঝারি থেকে গুরুতর অ্যালার্জির কারণ হয়ে থাকে। সুতরাং, শরীরে এভিএস প্রয়োগ করার আগে, এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলি নিষ্ক্রিয় করার অ্যান্টিডোটসহ ব্যবহার করতে হবে। আবার কেউ যদি কোনও বিষাক্ত বা সামান্য বিষাক্ত সাপের কামড় থেকে বেঁচে থাকে তবে তাদের দ্বিতীয় কামড় থেকে বাঁচাতে শক্তিশালী এভিএস ব্যবহার করা প্রয়োজন। কারণ প্রথম কামড়ানোর পরে অ্যান্টিজেন তার শরীরে থেকে যায়। দ্বিতীয় কামড় অ্যান্টিজেনের সাথে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

Continue Reading

শিক্ষা

মহাবন আমাজনের অজানা তথ্য

Bd Blogger

Published

on

আমরা যতই চাঁদ ও মহাকাশ জয় করি না কেন, পৃথিবীর অনেক রহস্য অজানা থেকে যায়। অ্যামাজন রেইনফরেস্ট এমন একটি রহস্য খুব কম লোকই আছেন যারা অ্যামাজন জঙ্গলে আগ্রহী নন। আর কেন আগ্রহী হবেন না! এই পুরো জঙ্গলটি রহস্য এবং বিস্ময়ের একটি প্যাকেট।যখন এটি অ্যামাজন বা অ্যামাজন রেইন ফরেস্টের কথা আসে, তখন একটি জিনিস বারবার বলা হয় তা হ’ল “বিশ্বের বৃহত্তম…।” উদাহরণস্বরূপ, এটি বিশ্বের বৃহত্তম বন, বিশ্বের বৃহত্তম নদী অববাহিকা, এই অঞ্চলের বৃহত্তম নদী।এই উষ্ণ আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত এবং আর্দ্রতার কারণে বনটিতে উদ্ভিদ এবং প্রাণিকুলের বিচিত্র সংমিশ্রণ রয়েছে। এখানে রয়েছে ১২০ ফুট লম্বা গাছ, ৪০০০০ প্রজাতির গাছপালা,২.৫ মিলিয়ন প্রজাতির পোকামাকড়, ১২৯৪ প্রজাতির পাখি, ৩৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪২৬ প্রজাতির উভচর এবং ৪২৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী সহ হাজার হাজার প্রজাতির অজানা জীব রয়েছে। এখানকার জীববৈচিত্র্য অতুলনীয়। মজার বিষয় হ’ল কয়েক হাজার প্রজাতির প্রাণীর সংমিশ্রণ সত্তেওর বাস্তুতন্ত্র খুব শক্তিশালী যা কয়েক মিলিয়ন বছর ধরে টিকে আছে।বিভিন্ন প্রাণীর পাশাপাশি অ্যামাজনে কিছু ক্ষতিকারক প্রাণীও রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাইরাণাস, ভ্যাম্পায়ার, বিষাক্ত ব্যাঙ, বৈদ্যুতিক মাছ, রেবিস, ম্যালেরিয়া, হলুদ জ্বর এবং ডেঙ্গু জ্বর। তদুপরি, জাগুয়ারস এবং অ্যানাকোন্ডা প্রায়শই বিপদের কারণ হতে পারে।

আমাজন একটি বিস্তৃত এবং জটিল জায়গা যেখানে প্রকৃতি একটি অনন্য ভৌগলিক এবং জৈবিক সংমিশ্রণ তৈরি করেছে যা পৃথিবীর অন্য কোথাও অনুপস্থিত। আমাদের অবশ্যই একই সাথে অ্যামাজনের রহস্য এবং ভয়কে জয় করতে হবে এবং একই সাথে তাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। অন্যথায় বিশ্বায়নের এই যুগে আমরা আর অ্যামাজনের রহস্য নিয়ে গর্ব করতে পারব না।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট