Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

এন্ড্রয়েড টিপস

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অ্যান্টিভাইরাস অকার্যকর

Masum Khan

Published

on

অনেকেই মোবাইল ডিভাইসের জন্য এখন অ্যান্টিভাইরাস জরুরি বলে মনে করেন। তবে অ্যান্ড্রয়েডচালিত মোবাইল ফোনের জন্য ব্যবহৃত অধিকাংশ অ্যান্টিভাইরাস ও অ্যান্টি ম্যালওয়্যার অকার্যকর ও অনির্ভরযোগ্য। সম্প্রতি অস্ট্রিয়ান অ্যান্টিভাইরস পরীক্ষক প্রতিষ্ঠান এভি-কমপারিটিভসের এক সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
এভি-কমপারিটিভসের তথ্য অনুযায়ী, তারা ২৫০টি অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ নিয়ে জরিপ করেছে। এর মধ্যে মাত্র ৮০টি অ্যাপ ৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে ক্ষতিকর অ্যাপ শনাক্ত করতে পেরেছে। ২ হাজার ক্ষতিকর অ্যাপ যাচাই করার সক্ষমতা পরীক্ষায় দেখা গেছে, অধিকাংশ অ্যাপ ভুয়া সতর্কতা দেখায়।

গুগল প্লেস্টোরে থাকা জনপ্রিয় ১৩৮টি অ্যাপ পরীক্ষার তালিকায় রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে অ্যাভাস্ট, এভিজি, বিটডিফেন্ডার, চিতা মোবাইল, ডিইউ মাস্টার, ইসেট, ফ্যালকন সিকিউরিটি ল্যাব, এফ-সিকিউর, গুগল প্লে প্রটেক্ট, ম্যালওয়্যারবাইটস, ম্যাকাফি, সিমানটেক, ভিএসএআরের নাম রয়েছে।

জেডডিনেটের প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকেরা প্রতিটি অ্যাপ পৃথকভাবে পরীক্ষা করে দেখেছেন। ওই অ্যাপ ইনস্টল করে তারপর ক্ষতিকর অ্যাপ ডাউনলোডের সময় এগুলোর কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখা হয়।
এভি কমপারিটিভসের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০১৮ সালের ২ হাজার পরিচিত অ্যান্ড্রয়েড ম্যালওয়্যার হুমকি তারা পরীক্ষা করেছেন। কিন্তু জনপ্রিয় অ্যাপগুলোর তা ৯০ বা ১০০ ভাগ ধরতে পারার কথা। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ২৫০টি অ্যাপের মধ্যে ১৭০টি অ্যাপে কোনো ম্যালওয়্যার ধরতে পারেনি। ২৩টি অ্যাপে শতভাগ ম্যালওয়্যার শনাক্তের দাবি করে। ১৬টি অ্যাপ রয়েছে যা অ্যান্ড্রয়েড ওরিও বা তার পরের সংস্করণের জন্য তৈরি করা হয়নি।
গুগল প্লেস্টোরে প্লে প্রটেক্ট নামে ম্যালওয়্যার সুরক্ষা ডিফল্ট আকারে রয়েছে। কিন্তু অনেক স্মার্টফোন ব্যবহারকারী অপরিচিত উৎস থেকে এপিকে ফাইল বা থার্ড পার্টি স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করেন। গুগল প্লে স্টোরেও ক্ষতিকর অ্যাপ রয়েছে বলে বিভিন্ন সময় খবর পাওয়া যায়।

এন্ড্রয়েড টিপস

মেমোরি হষ্ট হয়ে গেলে ও হারিয়ে যাবে না আপনার ফটো

Albi Chy

Published

on

কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন।আজকে একটা গুরুত্বপূর্ণ টিপস দিবো। আপনারা কমবেশি প্রায় সবাই এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন।আবার আশ্চর্যজনক বিষয় হলেও সত্য যে আপনারা বেশিরভাগ ব্যবহারকারী একটা সমস্যায় প্রায় প্রতিনিয়তই ভোগেন সেটা হলো ফোনে জায়গা ফুল হয়ে যায় অর্থাৎ মোবাইলে স্টোরেজে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্পেস থাকে না। ফলে আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় এ্যাপ্স গুলো ঠিক মতো চালাতে পারি না,বিশেষ করে ওয়াটসএ্যাপের ফটো,ভিডিও আমরা ডাউনলোড করতে পারি না। তার জন্য অনেকেই এ্যাপ্স ডিলেট দেয় কেউবা তার প্রিয় ফটো,ভিডিও ডিলেট দিয়ে জায়গা খালি করে। কিন্ত আজকে আমি এমন পদ্ধতি শিখিয়ে দিবো যার মাধ্যমে আপনাদের কোনো কিছু ডিলেট করতে হবে না বরং ইচ্ছেমতো সবকিছু পেন্ড্রাইভের মতো করে সেভ করতে পারবেন এবং ইচ্চেমতো সবাই আবার ফোনে নিয়ে আসতে পারবেন। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে সরাসরি সমাধানে চলে যাই।

#সমাধানঃ

সবার ফোনেই গুগল ড্রাইভ নামে একটা এ্যাপ থাকে। অথচ কি অদ্ভুত ব্যাপার আমরা বেশিরভাগ এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরাই এই এ্যাপ সম্পর্কে তেমন কিছু জানি না। অথচ প্রায় প্রত্যেক ফোনের শুরু থেকেই এই এ্যাপটি ইন্সটল করা থাকে। তাই সমাধান হলো এই এ্যাপ সম্পর্কে জানা এবং ব্যবহার করা।

#কীভাবে ব্যবহার করবেন?

আপনাকে প্রথমে এই এ্যাপটি অপেন করতে হবে।তারপর আপনার যেকোনো একটা ইমেইল এর সাথে কানেক্ট থাকতে হবে। তবে বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায় আগে থেকেই ইমেইল এড থাকে।তারপর আপনি আপনার ইচ্চামতো ফোল্ডার তৈরী করে নিতে পারেন।এজন্য আপনাকে প্লাস(+) চিহ্ন-তে ক্লিক করতে হবে।আমি ব্যাক্তিগত ভাবে আপনাদেরকে সাজেস্ট করবো আপনারা ফোল্ডার করে নিবেন।এতে আপনার ফটো বা ভিডিও খুজে পাওয়া সহজ হবে। যেমনঃ ওয়াটসএ্যাপ ইমেজগুলোর জন্য আপনি ওয়াটসএ্যাপ ইমেজ নামে একটি ফোল্ডার করলেন এতে এই ফাইলে আপনার সব ইমেজ গুলো রাখলেন। আবার ক্যামেরা নাম দিয়ে একটা ফোল্ডার করলেন এতে ক্যামেরার সকল ছবি,ভিডিও সেখানে রাখলেন।
যাইহোক ফোল্ডার করার পর আপনি সেই ফোল্ডারে প্রবেশ করবেন তারপর আবার একটি প্লাস(+) চিহ্ন পাবেন।সেই প্লাস(+) চিহ্ন-তে ক্লিক করে আপনি চলে যাবেন সরাসরি গ্যালারিতে তারপর আপনি যে ফাইলটি আপলোড করতে চান সেটি আপলোড করে নিবেন।এভাবে খুব সহজেই আপনার ফোনের যেকোন জিনিস ড্রাইভে আপলোড করে রাখতে পারবেন।

#ড্রাইভের স্ট্রোরেজ কতটুকু?

ড্রাইভের স্টুরেজ মূলত নির্ভর করে ইমেইল এর উপর অর্থাৎ আপনি যদি একটি ইমেইল এড করেন তাহলে আপনি পাবেন ১৫ জিবি আমি আবারও বলছি আপনি পাবেন ১৫ জিবি ফ্রি স্টোরেজ। এভাবে আপনার যদি দুইটা বা তিনটা ইমেইল থাকে আর সেগুলো এ্যাড করেন তাহলে আপনি পাবেন ৩০জিবি বা ৪৫ জিবি একদম ফ্রি। তাহলে আপনি একবার ভেবে দেখুন একটি পেনড্রাইভের সমান একটি ইমেইল দিয়ে আপনি ফ্রিতে নিচ্ছেন ১৫/৩০/৪৫ জিবি।

#ড্রাইবের সুবিধা কি?

১/ উপরে যেগুলো বললাম তার প্রত্যেকটি হল ড্রাইভের সুবিধাসমূহ। তারপরে ও কিছু নির্দিষ্ট করে বলা যায় যেমন আপনার যতটি ইমেইল থাকবে আপনি 15 জিবি করে এভাবে জায়গা পেতে থাকবেন এজন্য আনলিমিটেড।

২/আপনার ফোন বা মেমোরি কার্ড হারিয়ে গেলে বা কোন কারণে নষ্ট হয়ে গেলে আপনার ফটো/ভিডিও গুলো যদি চলে যায় বা যেকোন ভাবে যদি হারিয়ে যায় তারপরেও এটি হারবে না কারণ আপনার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড যতদিন পর্যন্ত আপনি মনে রেখেছেন আপনার আছে ততদিন পর্যন্ত এই ফটোগুলো আপনার থাকবে যেগুলো আপনি আপলোড করে রেখেছেন এটি হলো এর একটি অন্যতম সুবিধা।

আশা করি আমার এই পোস্ট থেকে আপনারা অনেক উপকৃত হবেন।

Continue Reading

এন্ড্রয়েড টিপস

Apps Developing শুরুর আগে আপনার ৫ টি জিনিস জানা উচিত।

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

স্মার্টফোনগুলির পরিচিতি অন্যদের মধ্যে আইটি শিল্পে একটি বিপ্লব এনেছে। অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের তুলনায় মোবাইল ফোন থেকে ট্র্যাফিক পুনঃনির্দেশিত হওয়ার শতাংশের পরিমাণ বেশি। বর্তমানে অ্যাপ স্টোরগুলি প্রায় ২.৫ মিলিয়নেরও বেশি মোবাইল-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন সহ রয়েছে এবং সংখ্যাগুলি প্রতিদিন বাড়ছে। এটি বিভিন্ন ব্যবসায়ের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি করেছে যাইহোক, মোবাইল-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন বিকাশকারী স্টার্টআপগুলি শুধু ১% সফল। এটি বিস্তৃত বাজার গবেষণা, পরিকল্পনা এবং পুরো মস্তিষ্কে জ্বলনের অভাবের কারণে। আপনি দুবাইতে সেরা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভলপমেন্ট কোম্পানী নিয়োগ করে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে একটি অ্যাপ্লিকেশন বিকাশ কাজ পেতে পারেন।

 অ্যাপ্লিকেশন বিকাশ প্রক্রিয়া শুরু করার আগে সেরা ফলাফল পাওয়ার জন্য কয়েকটি বিষয় অনুশীলন করতে হবে। এগুলি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হয়েছে:

একটি যথাযোগ্য স্থান চয়ন করুন

প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপটি আপনার মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটির জন্য একটি একক যথাযোগ্য স্থান পছন্দ করতে মনোনিবেশ করা। আপনি যদি কোনও টার্গেট  যথাযোগ্য স্থানে মনোনিবেশ করতে এবং একাধিক বিকল্প চয়ন করতে ব্যর্থ হন তবে অ্যাপ্লিকেশন প্রয়োজনীয়তা এবং বৈশিষ্ট্যগুলির স্পষ্টতার অভাব হবে। সুতরাং, প্রাথমিকভাবে, আপনাকে অবশ্যই একটি লক্ষ্য যথাযোগ্য স্থানে আটকে থাকতে হবে এবং আপনার সম্ভাব্য ব্যবহারকারী, যুক্ত হওয়া বৈশিষ্ট্য, ফোকাস দেওয়ার জন্য প্ল্যাটফর্ম এবং এই জাতীয় অন্যান্য বিশদ সম্পর্কে ব্যাপক গবেষণা করতে হবে।

সর্বশেষ শিল্পের প্রবণতাগুলি চিহ্নিত করুন

পরবর্তী পদক্ষেপটি হ’ল দুবাইয়ের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভলপমেন্ট সংস্থাগুলি অনুসরণ করা সর্বশেষ শিল্পের প্রবণতা এবং কৌশলগুলির বিস্তারিত গবেষণা করা। আপনার প্রতিযোগীরা কী অনুসরণ করছেন তা অধ্যয়ন করতে হবে এবং প্লে স্টোরটিতে ইতিমধ্যে বিদ্যমান অ্যাপ্লিকেশনগুলির চেয়ে ভাল এমন বৈশিষ্ট্য এবং কার্যকারিতা যুক্ত করতে হবে। ব্যবহারকারীদের কী প্রয়োজন সে সম্পর্কে আপনার সচেতন হওয়া উচিত এবং তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য তাদের সমস্যার সমাধান এবং তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য তাদের প্রস্তাব দেওয়া উচিত। বাজার গবেষণা আপনাকে কোন ধরণের অ্যাপ্লিকেশনগুলি ব্যবহারকারীদের দ্বারা সর্বাধিক ডাউনলোড করা হয় এবং তাদের আগ্রহের ক্ষেত্রগুলি ইত্যাদি ইত্যাদি সনাক্ত করতে সহায়তা করবে ইত্যাদি.

একটি অ্যাপ্লিকেশন বিকাশ সংস্থা সন্ধান করুন

আপনি আপনার মোবাইল-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশনটির যথাযোগ্য স্থান এবং প্রয়োজনীয়তাগুলি চূড়ান্ত করার পরে, পরবর্তী পদক্ষেপটি একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বিকাশকারী সংস্থার সন্ধান করা। আউটসোর্সিং আপনাকে কম উন্নয়ন ব্যয় করে সাফল্যের সাথে শেষ পণ্যটি পেতে সহায়তা করে। দুবাইতে অসংখ্য অসামান্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বিকাশ ছাড়াও অত্যন্ত দক্ষ ও পেশাদার মোবাইল অ্যাপ বিকাশকারীদের একটি বড় পুল পাওয়া যায়। আপনি প্রকল্পের আকার, উপলব্ধ বাজেট এবং সময়রেখা অনুসারে এগুলির যে কোনও ভাড়া নিতে পারেন। আপনার অ্যাপ্লিকেশন বিকাশের জন্য আউটসোর্সিং সংস্থাকে নিয়োগের সময় নির্দিষ্ট মানদণ্ড এবং মেট্রিকগুলি হ’ল কোম্পানির প্রোফাইল, পোর্টফোলিও, সাফল্যের হার, প্রস্তাবনা, ক্লায়েন্ট প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি।

আপনার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য একটি টাইমলাইন প্রস্তুত করুন

আপনার অবশ্যই বিকাশের অধীন অ্যাপ্লিকেশনগুলির একটি সম্ভাব্য এবং বিস্তারিত চতুর সময়রেখা প্রস্তুত করতে হবে। এটি অবশ্যই এটি বিভিন্ন মাইলফলক ভাঙতে এবং প্রতিটি মাইলফলকটি সম্পূর্ণ করতে প্রয়োজনীয় সময় এবং ব্যয় নির্ধারণ করেই করা উচিত। এই ক্রিয়াকলাপটি নিশ্চিত করবে যে আপনার মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি লঞ্চ-রেডি হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময় সম্পর্কে সচেতন।

নগদীকরণ পরিকল্পনা চয়ন করুন

 প্রতিটি ব্যবসায় রাজস্ব আয়ের দিকে মনোনিবেশ করে। মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে বিনিয়োগ করা বেশ কয়েকটি শিল্পের উদ্দেশ্য হ’ল আরও বেশি লিড তৈরি এবং আরও বেশি লোকের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যমে তাদের আরওআইকে উত্সাহ দেওয়া। আপনার অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য আপনি কী নগদীকরণ পরিকল্পনা অনুসরণ করবেন তা আগেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এটি অর্থ প্রদত্ত অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোডগুলি, অ্যাপ্লিকেশন ক্রিয়াকলাপ বা সম্পদগুলি, অ্যাপ্লিকেশন বিজ্ঞাপন ইত্যাদির মাধ্যমে হতে পারে আপনার লক্ষ্য দর্শকের পছন্দ অনুসারে নগদীকরণ পরিকল্পনাটি বেছে নেওয়া হয়।

উপসংহার সমস্ত মোবাইল-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্মগুলির প্লে স্টোরগুলিতে প্রতিদিন বিভিন্ন জেনারগুলির অ্যাপ্লিকেশনগুলি প্লাবিত হয়। তাদের মধ্যে দাঁড়ানোর জন্য, উল্লিখিত মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বিকাশের অনুরোধগুলি মানিয়ে নিতে হবে।

Continue Reading

এন্ড্রয়েড টিপস

ফেইসবুকের মাধ্যমে কিছু প্রতারণাসমূহ

Maria Hasin

Published

on

By

আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই? সবাইকে রামজান কারীম এর শুভেচ্ছা।বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এর ফলে সকলে লকডাইনে রয়েছে।এর ফলে এই সময়ে মানুষের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পদচারণা সবচেয়ে বেশি।তাই এই সময়ে সতর্কতা মেনে চলা সবচেয়ে বেশি জরুরি।

ফেইসবুক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষের সরব উপস্থিতি দিনদিন বেড়েই চলেছে।আমাদের তাই এখনই সচেতন হওয়া খুবই জরুরি। আজকের পোস্টটির মাধ্যমে আমার একধরণের সতর্ক বার্তা থাকবে বিশেষ করে মেয়েদের প্রতি।

***আজকাল এক ধরণের প্রতারণা চক্রের উপস্তিতি ফেইসবুকে সরব রয়েছে।তারা বিভিন্ন মানুষের ছবি সংগ্রহ করে ফেইক আইডি খুলে। সেই ফেইক আইডির মাধ্যমে মেয়েদের বোকা বানিয়ে প্রেমের ফাঁদে পেলে।পরে নানা ধরণের হয়রানি করে সেইসব মেয়েদের থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেবার চেষ্টা করছে।এই ধরণের ঘটনা অহরহ ঘটছে।অনেক মেয়ে সেই অপমান সইতে না পেরে মৃত্যুর পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে।অনেকে আবার দিনের পর দিন টাকা দিয়েই যাচ্ছে।

***কিছু প্রতারক সাহায্যের নাম করে কোটি কোটি টাকা লুট করতেছে।ফেইসবুকে আপনি প্রায়শই সাহায্যের জন্য টাকা চাই এমন পোস্ট পাবেন।যদি পেয়ে থাকেন টাকা দেবার আগে অবশ্যই যাচাই বাছাই করে নিবেন।কারণ অনেকেই ভন্ড হয়ে থাকেন।তারা মানুষের মানবতাকে অপব্যবহার করে। সেই সাথে মানুষের সহজ সরল বিশ্বাস এর বদলে মানুষকে ঠকানোর পরিকল্পনা করে।

***আরেক ধরনের প্রতারণা চক্র রয়েছে যারা ফেইসবুকের মাধ্যমে বিভিন্ন আয়ের পোস্ট করে থাকে।যার মধ্যে তারা বোকা বানিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকায় বিনিময়ে কাজ দিবেন বলে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়।পরবর্তীতে আর কোন কাজ দেওয়া হয় না।

***অনেক স্পেমার লিংক রয়েছে।যারা বিভিন্ন লিংকে প্রবেশ করে ফেইসবুক আইডি হ্যাক করে থাকে স্প্যামাররা। এতে করে আপনার গোপনীয়তা সেই সাথে আপনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও হানি হতে পারে।

***ফেইসবুকে অপরিচিত মানুষদের এড করা থেকে সাবধান থাকবেন। অনেকেই আপনার পিক নিয়ে ফেইক আইডি খুলে পরবর্তীতে আপনাকে নিয়ে হ্যারেস করবে।

***আপনার সবকিছু ফ্রেন্ডস করে দিন।চিনা ছাড়া অন্য কাউকে এড করবেন না।

***ফেইসবুকের কিছু নিয়ম কানুন আছে।চালানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই সেইসব দিকগুলোকে মাথায় রাখুন।

মনে রাখবেন সাইবার জগতে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব একমাত্র আপনার।কারণ ক্ষয়ক্ষতি হলে পাশে কাউকে পাবেন না।তাই নিরাপদ থাকবেন।






Continue Reading