★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

অ্যাপেলের জাদুকরের জীবনযাত্রা সম্পর্কে কিছু কথা-১

আসসালামুয়ালাইকুম সবাইকে।

আশা করি সবাই ভাল আছেন।

উপরের লোগোটির সাথে কি আপনি পরিচিত? অবশ্যই পরিচিত তাই না? হ্যাঁ, কারণ এটা অ্যাপল কোম্পানির লোগো যা আমরা সবাই চিনি।

স্টিভেন পল জবস যিনি স্টিভ জবস নামে সর্বাধিক পরিচিত,তিনি ছিলেন অ্যাপল কোম্পানির সহ প্রতিষ্ঠাতা,চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

তিনি পার্সোনাল কম্পিউটার বিপ্লবের পথিকৃৎ ছিলেন।

তিনি কম্পিউটার এবং ক্রেতাদের নিয়ে গঠিত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির জগতে তার  পেশার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।

এটি অ্যাপল কম্পিউটার বাজারজাতকরণের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছিল।

১৯৮৫ সালে পরিচালক পর্ষদের সাথে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে হেরে জবস অ্যাপল ত্যাগ করেন।

তিনি তার পর উচ্চশিক্ষা ও ব্যবসা বাজারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে একটি কম্পিউটার প্লাটফর্ম উন্নয়ন কোম্পানি ‘নেক্সট’প্রতিষ্ঠা করেন।

জবসের অনুপস্থিতিতে অ্যাপল কোন নতুন পরিচালনা পদ্ধতি আনতে ব্যর্থ হয়।

এরপর জবস একজন উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাপেলে ফিরলেন এবং অন্তবর্তীকালীন সিইও হিসেবে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করলেন।

১৯৯৮ সালের মধ্যে অ্যাপেলকে দেউলিয়ার কিনারা থেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে ফেরালেন।

তিনি আইম্যাক, আইটিউনস ,আইপড ,আইফোন ও আইপ্যাড এর উন্নয়নের তত্ত্বাবধান করতেন।

তিনি কোম্পানির অ্যাপেল স্টোর আইটিউনস স্টোর এবং অ্যাপ স্টোর ও তত্ত্বাবধান করতেন।

এ সমস্ত পণ্যের সাফল্য ও সেবা কয়েক বছরের মধ্যে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে আর্থিক পুনরুদ্ধার ঘটাল এবং অ্যাপলকে ২০১১ সালে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান জনসেবামূলক ব্যবসায় কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করল।

এই বিজয়কে ব্যবসার ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা বড় পরিবর্তন হিসেবে মনে করা হয়।

স্টিভ জবস একজন স্বাপ্নিক নেতা হিসেবে অত্যন্ত উঁচু মাত্রায় প্রশংসিত হন।

জবস ল্যাপটপে ওয়াইফাই (তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগ) এর প্রয়োজনীয়তা দেখলেন ও অনুধাবন করলেন।

তিনিই বিশ্বব্যাপী প্রত্যেক ল্যাপটপের ও অন্যান্য যন্ত্রাদির জন্য ওয়াইফাই কে একটি মানসম্মত উপায় হিসেবে তৈরি করেছেন।

তাই জবসের যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় থাকার স্বপ্নটির বাস্তব রূপ লাভ করে।

জবস পিক্সার এনিমেশন স্টুডিও সহ প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং এর প্রধান নির্বাহী হিসেবে কাজ করেন।

২০০৬ সালে যখন ডিজনি পিক্সার এর মালিকানা অর্জন করে তখন তিনি দ্য ওয়ার্ল্ড ডিজনি  কোম্পানির পরিচালক পরিষদের সদস্য হন।

এককথায় স্টিভ জবস তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে আধুনিকীকরণের সবকিছুই করেছেন।

আশা করি সবার ভালো লেগেছে।

সবাই ভালো থাকবেন ,সুস্থ থাকবেন

আল্লাহ হাফেজ।।