Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

টিপস এন্ড ট্রিকস

কিভাবে ভালো মানের পোস্ট অথবা ইউনিক আর্টিকেল লিখবেন? আর্টিকেল লিখে ইনকাম।

Online Desk

Published

on

আজ আমি আপনাদেরকে বলবো কিভাবে ভাল মানের আর্টিকেল অথবা পোস্ট লিখতে হয়। আশা করি পুরো পোস্টটি কষ্ট করে শেষ পর্যন্ত পড়বেন।

বর্তমানে ইন্টারনেটের বাজারে একজন আর্টিকেল লেখক এর মূল্য অনেক। একজন আর্টিকেল লেখক  হতে গেলে আর্টিকেল এর বিষয় অনেক কিছু জ্ঞান থাকতে হয় – মনে যা চাইল তাই লিখে পোস্ট করে দিলাম এভাবে কখনোই আর্টিকেল লেখক হওয়া যায় না,  সবকিছুর মতোই আর্টিকেল লেখার ও একটা নিয়ম রয়েছে। একটি ওয়েবসাইটের বা ব্লগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আর্টিকেল। তার জন্য দরকার একজন দক্ষ লেখক।

আর অনলাইনে আর্টিকেল লেখকদের মাঝে সবসময় প্রতিদ্বন্দ্বিতা লেগেই থাকে।কার পোস্ট বেশি ইউনিক এবং ভালো করতে পারে? কে বেশি পাঠক পাচ্ছে? কেউ কাউকে জায়গা করে দেয় না বরং এখানে নিজের জায়গা নিজেকেই করে নিতে হয়।

তাই নিজেকে একজন দক্ষ আর্টিকেল লেখক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে নিচের পয়েন্ট গুলোর দিকে ভালোভাবে নজর দিতে হবে।

* ক্যাটাগরি অথবা বিভাগ নির্বাচন:

একজন দক্ষ আর্টিকেল লেখক প্রথমে তার ক্যাটাগরি নির্বাচন করে। আর্টিকেল বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন: নিউজ, ইন্টারনেট, আউটসোর্সিং, ফ্রিল্যান্সিং, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, টিউটোরিয়াল, বায়োগ্রাফী, রিভিউ, অভিজ্ঞতা শেয়ার ইত্যাদি।



* বিষয়ের উপর সুস্পষ্ট ধারনা:

আপনি যেই বিষয়ে লিখবেন তার উপর সুস্পষ্ট ধারনা থাকা আবশ্যক, যদি স্পষ্ট ধারনা না থাকে তবে জেনে নিবেন, কেননা আপনার লেখার সাহায্যেই আরেক জন বুঝবে। তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন থাকতে পারে সেগুলোর সমাধান আপনাকেই দিতে হবে, তাই বিষয়ের উপর বিস্তারিত ধারনা নিয়েই লিখতে বসবেন।

* ব্যাকরণ, বানান, বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যাবহার:

ইংরেজী আর্টিকেল লিখতে গ্রামার তো অবশ্যই প্রয়োজন আর বাংলায় লিখার জন্যও বাক্যের আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি, যোগ্যতা, চলিত ও সাধু রীতির মিশ্রন এসব বিষয় ঠিক রাখতে হবে। আমরা ইচ্ছেমত বাংলা লিখে থাকি কিন্তু বানান অনেকেই ঠিক মতো জানি না, যেমন: বাধা আর বাঁধা, পরা আর পড়া, জা আর যা এসব কিন্তু এক নয় আবার অনেক দেখা যায় – বড় উপন্যাস লিখেই চলেছি কিন্তু কোথাও দাড়ি কমা নেই, এমন লিখা বুঝতে অবশ্যই সকলের সমস্যায় পড়তে হয়, তাই এসব বিষয় জেনেই লেখা শুরু করা উচিত। সহজ ভাষায় শুদ্ধ বাক্য এবং সহজ শব্দের হতে হবে, তাহলেই সহজেই বুঝতে পারবে আপনার আর্টিকেল।

* প্যারা করে লিখা:

আর্টিকেল লিখার সময় একটানা 10-12 লাইন না লিখে প্যারা প্যারা করে লিখবেন, এতে বিষয় বস্তু বুঝতে সুবিধা হয় পাঠকেরা পড়তে স্বস্তি বোধ করে। তাই বলে অতিরিক্ত লাইন স্পেস দিবেন না।

* ছবির ব্যবহার:

আর্টিকেল যে বিষয়ে লিখবেন সেই সম্পর্কিত এক বা ততোধিক ছবি আপলোড করে দিবেন, মনে রাখবেন ছবি যেন অন্য কোন  ব্লগ থেকে কপি করা যাবে না। যদি বাধ্যতামূলক কপি করা লাগে তাহলে আপলোড করার আগে অবশ্যই ছবিটি কে নিজের মতো করে এডিট করে নিবেন ।

* ভুল তথ্য এবং অপ্রয়োজনীয় লিখা বর্জন:

পুর্বেই পয়েন্টে বলেছি যেই বিষয়ের উপরে লিখবেন তা সম্পর্কে জেনে নিবেন, তাহলে ভুল হবার সম্ভাবনা থাকে না, যদি কোনো ইনফরমেশন ভুল দিয়েও ফেলেন তাহলে কমেন্টে স্বীকার করে নিন, এতে আপনার লেখার প্রতি পাঠকের বিশ্বাস বাড়বে। আর প্রয়োজন ছাড়া কোন প্রকার তথ্য লিখবেন না যেটি আপনার ক্যাটাগরির সঙ্গে কোনো সম্পর্কই নেই।

* শর্টফর্ম ত্যাগ করা:

অলসতা আর টেক্সট এর যুগে সকলেই শর্ট ফর্ম ব্যাবহার করে অভ্যস্ত তাই বলে আর্টিকেলে শর্টভাবে লিখতে যাবেন না, হয়তো এমন অনেক পাঠকেই আছে যারা আপনার শর্ট ফর্ম বুঝবে না। তাই আর্টিকেলগুলো একটু সময় নিয়ে সুন্দর ভাবে গুছিয়ে লিখবেন।

হ্যাপি আর্টিকেল রাইটিং। গ্রাথর ডট কম এ পোস্ট লিখে ইনকাম করতে চান?

ধন্যবাদ সবাইকে।

টিপস এন্ড ট্রিকস

মোবাইলের লক ভুলে গেলে কি করবেন

Yousuf Ratul

Published

on

আসসালামু আলাইকুম আশা করি সকলেই ভাল আছেন।

আজাকাল বেশির ভাগ মানুষ ই দেখা যাচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করছে, তাই আজকের এই পোস্ট টির লক্ষ্য হচ্ছে একটি ছোট সমস্যার সমাধান করা। আমরা যারা এই অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে থাকি তারা দেখে থাকবেন যে এই ফোনে স্ক্রীন লক করে রাখার জন্য একটি সিস্টেম আছে আর সেটি হচ্ছে প্যাটার্ন লক । এই লক টি ব্যবহার করা খুবি নিরাপদ এবং সহজ তর হওয়ায় প্রায় বেশির ভাগ মানুষ ই এই প্যাটার্ন লকটি ব্যবহার করে থাকেন ।

তা প্রায়শয়ই দেখা যায় যে পরিবারের ছোটো ভাই বোন আপনার ফোনে গেমস বা অন্য কিছু করার জন্যে, তারা ফোনের প্যাটার্ন লক টি খুল তে চায় । ফলে অনেক বার ভুল প্যাটার্ন ট্রাই করার কারনে আপনার প্রিয় ফোন টি একে বারেই লক হয়ে যায় । তখন দেখা যায় যে আপনি অনেক চেষ্টা করার পরেও আপনার ফোন টির লক খুলতে পারছেন না, তাই তারা খুবি চিন্তিত হয়ে পরেন ।

তাই পুনরায় আপনার ফোন টি ব্যবহার উপযোগী করার জন্য যা যা করতে হবে তা আমি নিম্নে আলোচনা করছি ।



১. প্রথমেই আপনার ফোন টি সুইচ অফ করুন ।

২. ফোনের লক কি + সাউন্ড বাড়ানোর কি + হোম/মেইন মেনু কি এক সাথে প্রেস করুন ।

৩. কিছু খনের মধ্যেই দেখবেন ফোন টি অন হয়েছে এবং ৪-৫ টি অপশন ও এসেছে ।

৪. প্রাপ্ত অপশন গুলো থেকে ওয়াইপ ডেটা/ফেক্টরি রিসেট অপশনে ক্লিক করুন ।

৫. পরবর্তী স্ক্রীনে যদি ইংরেজিতে ইয়েস এবং নো চায় তবে ইয়েস  বাটনে ক্লিক করুন ।

৬. দেখবেন ফোন টি রিস্টার্ট হবে এবং আপনি আগের মত আপনার প্রিয় ফোন টি ব্যবহার করতে পারবেন।

বিশেষ দ্রস্টাব্য:

১.উপরে বর্ণিত কাজ গুলো করার ফলে আপনার ফোন মেমরিতে থাকা সকল ফাইল + ফোন মেমরিতে থাকা কন্টাক্ট নাম্বার গুলো মুছে যাবে । তাই প্রয়োজন অনুসারে ব্যাকআপ নিয়ে নিন । ২. উক্ত কাজ গুলো করার সময় ফোনের টাচ স্ক্রীন টি কাজ করবে না । ভয়ের কিছু নেই, তখন সাউন্ড বাড়ানো কমানোর কি দিয়ে উপরে বা নিচে যেতে হবে এবং হোম কি এর মাধ্যমে কোন অপশন কে সিলেক্ট করতে হবে ।

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

কিভাবে গুগল এডসেন্স এর পিন ভেরিফাই করবেন। কখন ও কিভাবে পিন পাব ২০২১ আপডেট।

Md Jahidul Islam Shakil

Published

on

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ

আপনারা যারা অনলাইনে ইউটিউব চ্যানেল কিংবা ওয়েব সাইটের কনটেন্ট তৈরি করার কাজ করেন। তাদের ইনকাম করার জন্য সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে গুগল এডসেন্স। আপনারা যখন আপনাদের ওয়েবসাইট কিংবা ইউটিউব চ্যানেল ভালো একটা পর্যায়ে চলে যায়। এডসেন্স এর জন্য উপযুক্ত হয়ে পড়ে তখন আপনার জন্য এপ্লাই করেন। এডসেন্স যদি অ্যাপ্রভ করে সেক্ষেত্রে সেখানে অ্যাড প্লেস করার মাধ্যমে আমরা ইনকাম করতে পারি।

আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব যে আমাদের যেই এডসেন্স এর পিন ভেরিফাই করা লাগে। এটা আমরা কিভাবে করব এবং আমাদের এই পিনটা কখন আসবে এবং কিভাবে আসবে। সেই বিষয়ে বিস্তর আলোচনা করার চেষ্টা করব। তাই যারা গুগল এডসেন্স নিয়ে কাজ করেন তারা এই পোস্ট পরলে একদম সবকিছু সহজভাবে বুঝতে পারবেন। কেননা এটা আমি নিজেট পিন ভেরিফাই করার প্রসেস চলছে। তাই আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আপনাদের শেয়ার করব।

সবার প্রথমে সে যে আমাদের পিনটা কখন গুগল এডসেন্স আমাদের পাঠাবে। আর এই পিনটা হচ্ছে আমাদের পাঠাবে ডাক টিকিটের মাধ্যমে আমাদের যেই পোস্ট অফিস আছে সেখানে তারা পিনটা প্রেরণ করবে। এখন কথা হল কখন এটা পাঠাবে। আপনি যদি ইউটিউব নিয়ে কাজ করেন তাহলে আপনার ইউটিউবে। অর্থাৎ আপনার ইউটিউব এর যেই স্টুডিও রয়েছে সেখানে যখন আপনার আয় 10 ডলারের উপর চলে যাবে তখন আপনাকে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে এই পিনটা পাঠাবে। আর আপনি যদি ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করেন সেক্ষেত্রে আপনার যখন 10 ডলার ইনকাম হবে তখন কিন্তু আপনাকে পিনটা পাঠাবে।



এখানে একটা বিষয় লক্ষণীয় সেটা হচ্ছে আপনি যখন ইউটিউব নিয়ে কাজ করবেন। তখন অনেক সময় দেখা যায় যে ইউটিউবে যে আয় আছে সেটা কিন্তু মাস শেষে এডসেন্সের যোগ হয়। কিন্তু আমি ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করি। সে ক্ষেত্রে আমি ওয়েবসাইট থেকে যে আয় করি প্রতিদিন এটা কিন্তু আমার অ্যাডসেন্স দেখায়। ইউটিউব এতে অনেক সময় দেখায় না তাই ইউটিউব এর ক্ষেত্রে আপনার যখন স্টুডিওতে আর্নিং 10 ডলার হবে তখনই কিন্তু পিনটা পাঠিয়ে দেবে।

পিনটা পাঠানো হয়েছে কিনা এটা বোঝার আরেকটা সহজ উপায় হচ্ছে আপনি যখন অ্যাডসেন্সে লগইন করবেন। তখন কিন্তু নতুন একটা অপশন যোগ হবে। সেখানে আপনাকে একটা মেইল করে দেওয়া হবে এবং একটা অপশন দেখাবে। যেখানে বলা হয় যে আমরা অলরেডি আপনার একটা পিন পাঠিয়েছি। দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে আপনার কাছে পৌঁছে যাবে। আপনি এটা সংগ্রহ করে এর মধ্যে ভেরিফাই করে নেবেন। আমি নিচে তার স্কেনসর্ট দিচ্ছি।

চার মাসের মধ্যে যদি আপনার এই পিন ভেরিফাই না করেন। তাহলে কিন্তু আপনি গুগল এডসেন্স ব্যবহার করতে পারবেন না। গুগল এডসেন্সের কোন এড আপনার চ্যানেল কিংবা ওয়েবসাইটে দেখাবেনা। তো আপনার এটা সতর্কতার সাথে করে নেবেন। যখন পাঠানো হবে তার দুই সপ্তাহ পর আপনারা পোস্ট অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করবেন। তাদের সাথে কন্টাক্ট করবেন এবং তাদের মোবাইল নাম্বার টা রেখে দিতে পারেন। ভালো থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

নিজের ফেসবুক পেজকে নিজেই প্রমোট করার মাধ্যমে জনপ্রিয় করে তুলুন

Shuvo Bhattacharjee

Published

on

আসসালামুআলাইকুম, আসা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। আজকালকার এই দিনে আমরা সবাই চাই সবকিছু করে নিজেকে এগিয়ে রাখতে সেক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে আপনি আপনার ক্রিয়েটিভিটির মাধ্যমে হয়ে যেতে পারেন রাতারাতি জনপ্রিয়। আর জনপ্রিয় হতে কে না চায়।

সেক্ষেত্রে প্রফেশনাল ফেসবুক পেজ অনেক জনপ্রিয় একটি উপায়। আপনার যদি একটি ফেসবুক পেজ থাকে তাহলে সেটিতে কয়েক হাজার ফলোয়ার থাকলেই আপনি মোটামুটি ভাবে ভালোই জনপ্রিয় হয়ে উঠবেন অনেকের কাছে। তো ফেসবুকে পেজ হয়তো অনেকের আছে, কিন্তু হয়তো নেই পোস্ট , ভিডিওতে লাইক অথবা পেজে ফলোয়ার। এক্ষেত্রে অনেকে তার ফেসবুক পেজ বুস্ট অথবা প্রমোট এর সিদ্ধান্ত নেই।কেও কেও আবার টাকার জন্য পারে না।

তো আজকের এপিসোড মূলত ফেসবুক পেজ কিভাবে। নিজেই প্রমোট করবেন এইটা নিয়ে। মোট কথা ফেসবুক পেজে কিভাবে লাইক ,ফলোয়ার নিয়ে আসা যায় সেটাই জানবেন আজকের আর্টিকেল এর মাধ্যমে।

ফেসবুক পেজ কিভাবে প্রমোট করবেন?

ফেসবুক পেজ প্রমোট বলতে বুঝায় আপনার ফেসবুক পেজকে রাঙ্ক করানোর জন্য বা ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য প্রচার মাধ্যম।সেটি আপনি টাকা দিয়ে করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমে, কিংবা করতে পারেন পরিশ্রমের মাধ্যমে। টাকা খরচ করে করার চেয়ে নিজেই একটু পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের ফেসবুক পেজ টিকে প্রমোট করতে পারেন।



কিভাবে ফেসবুক পেজটিকে ভাইরাল করবেন?

১. আপনি আপনার ফেসবুক পেজ টিতে রেগুলার পোস্ট করুন। পোস্ট গুলো চেষ্টা করবেন একটু ইউনিক করে তোলার। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ টা করবেন। এতে আপনার ফেসবুক পেজ এক্টিভ থাকবে।

২. যত বড় পেজ আছে প্রথম অবস্থায় কিন্তু কোনো পেজ বড় হয়নি। অবশ্যই সকলেই ধাপে ধাপে বড় হয়েছে। সুতরাং আপনাকেও ধৈর্য সহকারে কাজ করতে হবে।

৩. আপনার বন্ধুদের বলুন আপনার পেজে তার বন্ধুদের ইনভাইট পাঠাতে। আর আপনি নিজেও আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট এর সবাইকে ইনভাইট পাঠান এতে কমপক্ষে ২০০ থেকে ৩০০ ফলোয়ার এমনিতেই হয়ে যাবে আপনার পেজটিতে।

এরপর আরো কয়েকটি আইডি থেকে সব ফ্রেন্ডদের ইনভাইট পাঠান। এইভাবে অনেকে আপনার পেজ লাইক করবে।

৪. ফেসবুকে অসংখ্য বড় বড় গ্রুপ রয়েছে সেখানে ডাইরেক্ট পেজ থেকে পোস্ট করুন। ভালো হলে অবশ্যই সেখান থেকে ভিজিটর আপনার পেজে এসে ফলো করবে। এইটা অনেক ভালো একটি উপায় পেজে ফলোয়ার বাড়ানোর ক্ষেত্রে।

৫. আপনার পেজে ভাইরাল অথবা ট্রেন্ড কিছু আপলোড করুন। মাঝে মাঝে বিভিন্ন ভিডিও পোস্ট করতে পারেন। বিভিন্ন ক্যাটাগরির পোস্ট আপনি আপনার পেজে করুন। যাতে সবাই আপনার পেজটিকে লাইক করে।

৬. এমন সময় পোস্ট করুন যখন সবাই এক্টিভ থাকবে।যেমন ধরুন সন্ধ্যা ৬টা, রাত ৯-১০টা, অন্যদিকে সকাল ১০-১১টা এমন সময়ে পোস্ট করতে পারেন।

৭. আপনি আপনার প্রত্যেক পোষ্ট অনুযায়ী hashtag ব্যবহার করুন।যেমন ধরুন আপনি অনলাইনে ইনকাম নিয়ে পোস্ট করেছেন।

তাহলে হ্যাশট্যাগ দিবেন: #Onlineincome #Earnmoneyononline ইত্যাদি এইভাবে হ্যাশট্যাগ দিবেন।এতে আপনার পোস্ট ভিউ আর লাইক এর সংখ্যা বাড়বে।

৮. আপনি আপনার ফেসবুক পেজটি অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রমোট করতে পারেন। এতে করে অল্প হলেও আপনার পেজে লাইক বা ফলোয়ার আসবে।

৯. আপনার যদি একটি ব্লগ, ওয়েবসাইট, অথবা ইউটিউব চ্যানেল থাকে তাহলে সেখানে আপনার ফেসবুক পেজ কে প্রমোট করার মাধ্যমে খুব সহজে ভাইরাল করতে পারবেন আপনার ফেসবুক পেজ কে।

১০. সর্বশেষ যে টিপস সেটি হলো, আপনি যদি চান অনেক দ্রুত আপনার পেজকে প্রমোট করতে, সেক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকে সরাসরি বুস্ট বা প্রমোট করতে পারবেন। তবে সেখানে কিছু টাকা আপনাকে দিতে হবে ফেসবুক এড কোম্পানিকে।

ফেইসবুক এডভার্টাইজিং পরিপূর্ণ কোর্স [Premium] মূল্য : 200 টাকা

তবে আমি সাজেস্ট করবো, টাকা দিয়ে না করতে নিজেই নিজের পেজকে প্রমোট করুন উপরের টিপস অনুযায়ী। এতে খুব তাড়াতাড়ি আপনার পেজ রেঙ্ক করবে।

আসা করি আর্টিকেল টি আপনার অনেক উপকারে এসেছে। ভালো লাগল শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ

Continue Reading