Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

এন্ড্রয়েড টিপস

ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই অনুবাদ করুন যেকোনো ভাষাকে!

Md Rifat Hossain

Published

on

আসসালামু আলাইকুম।

আশা করি আপনারা সকলেই অনেক অনেক ভালো আছেন। আল্লাহ্‌র রহমতে আমিও অনেক ভালো আছি। আমি আজকে আরও একটি ট্রিকস নিয়ে এসেছি। যেটা আপনাদের দৈনন্দিন সোসাল নেটওয়ার্কিং ও পড়াশোনার কাজে খুবই প্রয়োজন হবে বলে আমি মনে করি। তো কথা না বাড়িয়ে চলুন আজকের ট্রিকটা জেনে নেওয়া যাক।

 

আমাদের অনেক সময় বিভিন্ন কাজে আনুবাদ করার প্রয়োজন হয়। এজন্য আমরা গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে এরকম কিছু সার্চ দিলেই আমাদের চোখের সামনে হাজারটা অ্যাপ্লিকেশন খুলে যায়। কিন্তু সেগুলো ডাউনলোড করার পর আমরা দেখি অনুবাদ করতে ইন্টারনেট কানেকশনের প্রয়োজন হচ্ছে।

 

আজকে আমি আপনাদের মাঝে যেই ট্রিকসটি শেয়ার করছি তার মাধ্যমে আপনি সহজেই কোনা ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই বাংলা – ইংরেজি / ইংরেজি থেকে বাংলায় যেকোনো বাক্য ট্রান্সলেট করতে পারবেন।

 

কাজটি করার জন্য প্রথমেই আপনাকে ” Google Translate ” নামক অ্যাপটি ইন্সটল করতে হবে। অ্যাপসটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ইন্সটল করতে পারবেন। প্লে স্টোরে অ্যাপটির সাইজ        এম বি।

 

অ্যাপটি ইন্সটল হয়ে গেলে অ্যাপ্লিকেশনটি ওপেন করুন। এখন আপনি অ্যাপিটির মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে বাংলা – ইংলিশ ট্রান্সলেট করতে পারবেন।

 

কিন্তু শিরোনামে আপনি দেখেছেন কিভাবে কোনা রকম ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়া বা অফলাইনে ট্রান্সলেট করতে হয়। চিন্তার কোনো কারণ নাই আর একটা কাজ করলেই অ্যাপ্লিকেশনটি অফলাইন ট্রান্সলেটের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।

 

এজন্য আপনাকে গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপে প্রবেশ করে হোম ইন্টারফেস স্ক্রিনের উপরে – বাম দিকে অবস্থিত ” থ্রি ডট লাইন নামক ” আইকনটিতে চাপ দিতে হবে। তারপর আপনাকে একটা পেইজে নিয়ে যাবে। যেখানে আপনি বিভিন্ন ভাষা দেখতে পাবেন। ওই ভাষা গুলোর মধ্যে বাংলা ভাষার ডান দিকে অবস্থিত ডাউনলোড আইকনে ক্লিক দিন। এর পর আপনাকে আপনার স্ক্রিনে আসা ডাউনলোড অপশনে আবার ক্লিক করতে হবে।

 

এখন ডাউনলোড হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।ডাউনলোড হয়ে গেলে সেটি ইন্সটল হয়ে যাবে।

 

ব্যাস্ কাজ শেষ অ্যাপটিকে পুনরায় চালু করুন।

অ্যাপসের হোম স্ক্রিনের উপরে বাম পাশে যেই ভাষার বাক্যকে ট্রান্সলেট করতে চান সেই ভাষা এবং ডান দিকে যেই ভাষাতে রূপান্তর করতে চান ওই ভাষাটিকে নির্বাচন করুন।

 

এবার আপনার যা খুশি তাই ভাষান্তর করতে পারবেন।

( উদাহরণ : হোম স্ক্রিনের বাম দিকে যদি বাংলা এবং ডান দিকে ইংরেজি সিলেক্ট করে থাকলে আপনাকে ট্রান্সলেটের জন্য বক্সে বাংলা বাক্য লিখতে হবে তাহলে তারা সেটার ইংরেজি অনুবাদ করে দিবে।)

 

যেহেতু অফলাইনে অনুবাদ করা যায় সেহেতু আমরা সচরাচর পড়াশোনার কাজে এটিকে খুব সজজেই ব্যাবহার করতে পারব।

 

আজ এই পর্যন্তই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি।

আসসালামু আলাইকুম।

এন্ড্রয়েড টিপস

মোবাইল অতিরিক্ত গরম হলে যা করবেন . নিয়ে নিন সমাধান

MD SALIM HOSSAIN

Published

on

মোবাইল অতিরিক্ত গরম হলে যা করবেন

দিন যত যাচ্ছে মোবাইল কোম্পানি এর সংখ্যা দিনদিন ততই বাড়ছে এবং মোবাইল গুলো আগের থেকে অনেক বেশি সমস্যা দেখা দিচ্ছে মোবাইল ফোনে অনেক ধরনের সমস্যা বর্তমান সময়ে কিন্তু আমি আজকে আপনাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে কথা বলব ।

দিন দিন মোবাইলের আবিষ্কার এর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে এবং সবথেকে কমন একটি প্রবলেম দেখা দিচ্ছে সেটি হচ্ছে মোবাইল অতিরিক্ত পরিমাণে গরম হয়ে যায় । ইন্টারনেট কানেকশন দিলে অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় এবং যদি ইন্টারনেট কানেকশন না দেন তাতেও অনেকটাই গরম হয়ে যায় । জানেন কি এর সমস্যা থেকে কিভাবে সমাধান পেতে পারবেন ।

মোবাইল ফোন অতিরিক্ত গরম হলে যা করবেনঃ

বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ফোন গুলা এখন অতিরিক্ত পরিমাণে গরম হয়। তাই , এই গরম থেকে বাঁচার জন্য নিচে আপনাদের জন্য কিছু নিয়মাবলী বলে দিচ্ছি যদি । আপনি এগুলো পালন করতে পারেন তাহলে আশা করা যায় । যে আপনি অনেকটাই লাভবান হবেন ।

মোবাইল ফোন থেকে অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলো ডিলিট করে দিন । যেগুলো খুব প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সেগুলো বাদে যেগুলো আপনি ব্যবহার করেন না , কিন্তু কোন এক সময় ইন্সটল করেছিলেন সেই সফটওয়্যার গুলো ডিলিট করে দেন । এই কথাটি বলার এটাই কারণ ,। যে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী রয়েছে যারা নিজেরাই জানেনা । যে তাদের এন্ড্রয়েড ফোনে কতগুলো সফটওয়্যার ইন্সটল করা রয়েছে এবং তারা কতগুলো সফটওয়্যার ব্যবহার করে ।

যদি আপনি আপনার মোবাইল থেকে অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলো আনইন্সটল করে থাকেন তাহলে আপনি এখন আপনার মোবাইলে থাকা যে সমস্ত সফটওয়্যার আপডেট এসেছে সেগুলো আপডেট করে নিন । কারণ – সফটওয়্যার আপডেট না করলে প্রতিনিয়ত সফটওয়্যার গুলো আপডেট এর জন্য লোড নিতে থাকে , যার কারণে মোবাইলের চার্জ যেমন ফুরিয়ে যায় তেমন মোবাইল গরম হয়ে যায় । তাই সফটওয়্যার আপডেট করে রাখুন ।

মোবাইলে এমন কভার সেট করুন যেগুলো গরম শুষে নেইয় । কারণ বাইরের আবহাওয়া গরম থাকার কারণে বেশিরভাগ সময় মোবাইল গরম হয়ে যায় তাই ভালো মানের একটি কভার আপনার মোবাইলে সেট করে দিন ।

এন্টিভাইরাস ইন্সটল করুন । কিছু কিছু সময় মোবাইল ফোনে ভাইরাস ঢুকে যায় এবং ম্যালওয়ার ঢুকে যায় যার কারণে মোবাইল অনেকটাই গরম হয়ে যায় তাই , এন্টিভাইরাস ইন্সটল করুন ।

মোবাইলের রেম এবং স্টুরেজ সব সময় খালি রাখার চেষ্টা করুন অনেক সময় দেখা যায় যে অনেক মোবাইল ব্যবহারকারী মোবাইল এ প্রচুর জায়গা থাকার কারণে আলাদা করে কোন মেমোরি কার্ড লাগায় না যার কারণে তারা সমস্ত কিছু তাদের মোবাইল এর ইন্টার্নাল স্তরেজ অপশনে রেখে থাকে এটিও মোবাইল গরম হওয়ার এবং চার্জ অতিরিক্ত পরিমাণে শুষে নেয়ার কারণ হতে পারে ।

Continue Reading

এন্ড্রয়েড টিপস

মোবাইলের চার্জ দ্বিগুণ ধরে রাখার সেরা পদ্ধতি

MD SALIM HOSSAIN

Published

on

প্রত্যেক মানুষের হাতে হাতে অ্যাণ্ড্রয়েড ফোন চলে এসেছে । তাই এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা সবথেকে বেশি যে বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করে সেটি হচ্ছে - কিভাবে তারা খুব সহজে তাদের ব্যাটারি এর কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারে । কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ফোন গুলোতে অ্যান্ড্রয়েড এর ব্যাটারি কার্যক্ষমতা দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং এক পর্যায়ে দেখা যায় যে তাদের এন্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারির চার্জ মাত্র 1 ঘন্টা বা 40 মিনিট এর মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে । আজকে কথা বলব কিভাবে এই সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও সমাধান পাবেন । সম্প্রতি অ্যাপলের নতুন আইওএস ১১ আপডেট হওয়ার পর থেকে অ্যাপল ব্যবহারকারী প্রায় 70 পার্সেন্ট লোক এই সমস্যা নিয়ে ভুগছেন । যে , তাদের ব্যাটারি আগের থেকে কার্যক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে । তাহলে কথা না বাড়িয়ে আমরা কাজে নেমে পরি কিভাবে সহজে আমরা আমাদের এন্ড্রয়েড বা অ্যাপল এর ব্যাটারির চার্জ এর কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারি । চার্জ থেকো অ্যাপ সনাক্ত করুনঃ অনেক ধরনের সফটওয়্যার বর্তমানে বিদ্যমান যেকোনো মোবাইল থেকে অতিরিক্ত পরিমাণে চার্জ চুষে নেয় । আপনি সর্বপ্রথম এমন এক গুলাকে শনাক্ত করুন যেগুলো আপনার মোবাইল থেকে অতিরিক্ত পরিমাণে চার্জ গ্রহণ করছে । অতিরিক্ত চার্জ গ্রহণ করছে এমন সফটওয়্যার গুলো দেখার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে সেটিংস অপশনে যেতে হবে আপনার মোবাইল থেকে । রপর ব্যাটারি অপশনে গিয়ে নিজেই দেখে নিন কোন অ্যাপটি আপনার ফোনের ব্যাটারি লাইফ শুষে নিচ্ছে । তারপর এমন অ্যাপ গুলোকে ব্যবহার করা বন্ধ করে দিবে । চার্জ কমে গেলেঃ মোবাইলের চার্জ যখন 20% এর নিচে আসবে তখন আপনি ব্যাটারি সেভ অপশনটা চালু করে রাখতে পারেন । যদি আপনি ব্যাটারি সেভিং মোড অপশনটি চালু করে রাখেন তাহলে আপনার মোবাইল থেকে অনেকটাই চার্জ বেঁচে যাবে । কতগুলো অ্যাপ ইন্সটল করবেনঃ বর্তমান এন্ড্রয়েড ফোন গুলোতে রেম এবং ইন্টারনাল স্টোরেজ বেশি থাকার কারণে বেশিরভাগ ব্যবহারকারী প্রচুর পরিমাণে সফটওয়্যার ইন্সটল করে থাকে । আপনি যদি আপনার ব্যাটারি কে রক্ষা করতে চান , তাহলে আপনি অবশ্যই প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ব্যতীত অন্য কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা বন্ধ করে দিন । তাতে আপনি ভালো ফল লাভ করতে পারবেন । অটো লকঃ যেহেতু এন্ড্রয়েড ফোন বা যেকোনো মোবাইল এর স্ক্রীন চালু করা মাত্রই দেখা যায় চার্জ খরচ হচ্ছে । তাই আপনি যখন স্ক্রিন লক চালু করবেন , যাতে খুব তাড়াতাড়ি আপনার কাজ শেষ হওয়া মাত্রই স্ক্রিন অফ হয়ে যায় ।সে কারণে আপনি অটো স্ক্রিন লক অপশনটি চালু করতে পারেন । এটা চালু করার জন্য আপনি আপনার মোবাইল থেকে সেটিংস অপশনে চলে যান এবং সিকিউরিটি থেকে এই অপশনটি চালু করে নিতে পারবেন । লোকেশন সার্ভিসঃ অনেক অনেক সফটওয়্যার রয়েছে মোবাইলে জন্য এর জন্য যেগুলো লোকেশন চালু থাকার কারণে সফটওয়্যার গুলো আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে তাদেরকে লোকেশন পাঠাতে থাকে এবং আপনি যদি সফটওয়্যার গুলো ব্যাবহার নাও করেন তাহলেও তারা লোকেশন পাঠাতে থাকে আপনি যদি আপনার ফোন এর লোকেশন সার্ভিস অফ করে রাখেন তাহলে আপনার মোবাইলের চার্জ অনেকটাই বেঁচে যাবে । ওয়াইফাই: ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়ে গেলে ওয়াইফাই কানেকশন অফ করে রাখতে পারেন । কারন - যদি ওয়াইফাই কানেকশন অফ করে না রাখেন । তাহলে প্রতিনিয়ত ওয়াইফাই আপনার মোবাইল থেকে চার্জ কেড়ে নিবে কারন । ওয়াইফাই প্রতিনিয়ত সার্চ অপশনে থাকে । অটো ব্রাইটনেসঃ চার্জ কে সুরক্ষা করার জন্য আপনি অটো ব্রাইটনেস অপশন টি চালু রাখতে পারেন এতে করে আপনি যখন অন্ধকারে থাকবেন , তখন আটমে টিকলি কমে যাবে এবং আপনি যখন আলোতে আসবেন তখন বেড়ে যাবে । এভাবে কিছুটা হলেও আপনি আপনার চার্জ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন । উপরে যে লেখাগুলো লেখা হয়েছে সেগুলো যদি আপনি ভালভাবে পড়ে থাকেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করে থাকেন তাহলে আপনার ব্যাটারি চার্জ আগের থেকে দ্বিগুন হয়ে যাবে এবং আপনি অনেক সময় ধরে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করতে পারবেন ।

প্রত্যেক মানুষের হাতে হাতে অ্যাণ্ড্রয়েড ফোন চলে এসেছে । তাই এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা সবথেকে বেশি যে বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করে সেটি হচ্ছে – কিভাবে তারা খুব সহজে তাদের ব্যাটারি এর কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারে । কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ফোন গুলোতে অ্যান্ড্রয়েড এর ব্যাটারি কার্যক্ষমতা দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং এক পর্যায়ে দেখা যায় যে তাদের এন্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারির চার্জ মাত্র 1 ঘন্টা বা 40 মিনিট এর মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে । আজকে কথা বলব কিভাবে এই সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও সমাধান পাবেন ।

সম্প্রতি অ্যাপলের নতুন আইওএস ১১ আপডেট হওয়ার পর থেকে অ্যাপল ব্যবহারকারী প্রায় 70 পার্সেন্ট লোক এই সমস্যা নিয়ে ভুগছেন । যে , তাদের ব্যাটারি আগের থেকে কার্যক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে । তাহলে কথা না বাড়িয়ে আমরা কাজে নেমে পরি কিভাবে সহজে আমরা আমাদের এন্ড্রয়েড বা অ্যাপল এর ব্যাটারির চার্জ এর কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারি ।

চার্জ থেকো অ্যাপ সনাক্ত করুনঃ

অনেক ধরনের সফটওয়্যার বর্তমানে বিদ্যমান যেকোনো মোবাইল থেকে অতিরিক্ত পরিমাণে চার্জ চুষে নেয় । আপনি সর্বপ্রথম এমন এক গুলাকে শনাক্ত করুন যেগুলো আপনার মোবাইল থেকে অতিরিক্ত পরিমাণে চার্জ গ্রহণ করছে । অতিরিক্ত চার্জ গ্রহণ করছে এমন সফটওয়্যার গুলো দেখার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে সেটিংস অপশনে যেতে হবে আপনার মোবাইল থেকে । রপর ব্যাটারি অপশনে গিয়ে নিজেই দেখে নিন কোন অ্যাপটি আপনার ফোনের ব্যাটারি লাইফ শুষে নিচ্ছে । তারপর এমন অ্যাপ গুলোকে ব্যবহার করা বন্ধ করে দিবে ।

চার্জ কমে গেলেঃ

মোবাইলের চার্জ যখন 20% এর নিচে আসবে তখন আপনি ব্যাটারি সেভ অপশনটা চালু করে রাখতে পারেন । যদি আপনি ব্যাটারি সেভিং মোড অপশনটি চালু করে রাখেন তাহলে আপনার মোবাইল থেকে অনেকটাই চার্জ বেঁচে যাবে ।

কতগুলো অ্যাপ ইন্সটল করবেনঃ

বর্তমান এন্ড্রয়েড ফোন গুলোতে রেম এবং ইন্টারনাল স্টোরেজ বেশি থাকার কারণে বেশিরভাগ ব্যবহারকারী প্রচুর পরিমাণে সফটওয়্যার ইন্সটল করে থাকে । আপনি যদি আপনার ব্যাটারি কে রক্ষা করতে চান , তাহলে আপনি অবশ্যই প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ব্যতীত অন্য কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা বন্ধ করে দিন । তাতে আপনি ভালো ফল লাভ করতে পারবেন ।

অটো লকঃ

যেহেতু এন্ড্রয়েড ফোন বা যেকোনো মোবাইল এর স্ক্রীন চালু করা মাত্রই দেখা যায় চার্জ খরচ হচ্ছে । তাই আপনি যখন স্ক্রিন লক চালু করবেন , যাতে খুব তাড়াতাড়ি আপনার কাজ শেষ হওয়া মাত্রই স্ক্রিন অফ হয়ে যায় ।সে কারণে আপনি অটো স্ক্রিন লক অপশনটি চালু করতে পারেন । এটা চালু করার জন্য আপনি আপনার মোবাইল থেকে সেটিংস অপশনে চলে যান এবং সিকিউরিটি থেকে এই অপশনটি চালু করে নিতে পারবেন ।

লোকেশন সার্ভিসঃ

অনেক অনেক সফটওয়্যার রয়েছে মোবাইলে জন্য এর জন্য যেগুলো লোকেশন চালু থাকার কারণে সফটওয়্যার গুলো আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে তাদেরকে লোকেশন পাঠাতে থাকে এবং আপনি যদি সফটওয়্যার গুলো ব্যাবহার নাও করেন তাহলেও তারা লোকেশন পাঠাতে থাকে আপনি যদি আপনার ফোন এর লোকেশন সার্ভিস অফ করে রাখেন তাহলে আপনার মোবাইলের চার্জ অনেকটাই বেঁচে যাবে ।
ওয়াইফাই:

ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়ে গেলে ওয়াইফাই কানেকশন অফ করে রাখতে পারেন । কারন – যদি ওয়াইফাই কানেকশন অফ করে না রাখেন । তাহলে প্রতিনিয়ত ওয়াইফাই আপনার মোবাইল থেকে চার্জ কেড়ে নিবে কারন । ওয়াইফাই প্রতিনিয়ত সার্চ অপশনে থাকে ।

অটো ব্রাইটনেসঃ

চার্জ কে সুরক্ষা করার জন্য আপনি অটো ব্রাইটনেস অপশন টি চালু রাখতে পারেন এতে করে আপনি যখন অন্ধকারে থাকবেন , তখন আটমে টিকলি কমে যাবে এবং আপনি যখন আলোতে আসবেন তখন বেড়ে যাবে । এভাবে কিছুটা হলেও আপনি আপনার চার্জ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ।

উপরে যে লেখাগুলো লেখা হয়েছে সেগুলো যদি আপনি ভালভাবে পড়ে থাকেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করে থাকেন তাহলে আপনার ব্যাটারি চার্জ আগের থেকে দ্বিগুন হয়ে যাবে এবং আপনি অনেক সময় ধরে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করতে পারবেন ।

Continue Reading

এন্ড্রয়েড টিপস

আলাদা কোনো সফটওয়ার ব্যবহার না করেই ফাইল লুকিয়ে ফেলুন মাত্র ১০ সেকেন্ডে!

Md Rifat Hossain

Published

on

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন। কারন ভালো না থাকলে হয়তো এখন এই পোস্ট পড়তেন না। আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে আমিও অনেক ভালো আছি। আচ্ছা যাই হোক আজকে আমি আপনাদের মাঝে নিয়ে এসেছি চমৎকার একটি অ্যান্ড্রয়েড ট্রিকস। এই ট্রিক টা অনুসরণ করে আপনি সহজেই যেকোনো ভিডিও, অডিও, পিকচার, ডকুমেন্ট ফাইল লুকিয়ে ফেলতে পারবেন। এবং লুকিয়ে ফেলা ফাইল গ্যালারি / যেকোনো প্লেয়ার থেকে খুজে পাওয়া যাবে না। শুধু ফাইল ম্যানেজার থেকে খুজে পাবেন ফাইনটি।

 

সবচেয়ে বড় কথা এই ট্রিক অনুসরণ করে ফাইল হাইড করতে কোনো আলাদা অ্যাপের প্রয়োজন হয় না। তো আর কোনো রকম কথা না বাড়িয়ে ট্রিক জেনে নেওয়া যাক।

 

কাজটি কিন্তু খুবই সহজ মাত্র ২/৩ লাইনেই বোঝানো যায়। ফাইল লুকানোর জন্য প্রথমেই আপনাকে চলে যেতে হবে ফাইল ম্যানেজার এ। তারপর আপনি যেই ফাইলটি লুকাতে চান সেটিকে সিলেক্ট করুন। এবার সিলেক্ট করা ফাইলটি আপনাকে কাট করতে হবে। কপি করলে হবে না। মোবাইলের কাট অপশনে ক্লিক করার পর এটিকে অ্যান্ড্রয়েড নামক ফোল্ডারে পেস্ট করতে হবে। অ্যান্ড্রয়েড ফোল্ডারটি আপনার ইন্টার্নাল স্টোরেজ বা এসডি কার্ডে প্রবেশ করলে প্রথমেই খুজে পাবেন। তারপর অ্যান্ড্রয়েড ফোল্ডারটিতে প্রবেশ করুন। তারপর আপনাকে একটি ইন্টারফেইজে নিয়ে যাবে যেখানে আপনি তিন বা চারটি ফোল্ডার দেখতে পাবেন। সেই ফোল্ডারগুলোর মধ্যে ” data ” নামক ফোল্ডারটি ওপেন করলে আরও কিছু ফোল্ডার দেখতে পাবেন। এই ফোল্ডার গুলোর মধ্যে যেকোনো একটিতে ফাইলটি পেস্ট করে দিলেই আপনার কাজ শেষ।

 

খুব সহজেই শিখে ফেললেন যেকোনো ফাইল লুকানো। এই ফাইলটি মোবাইলের গ্যালারি বা প্লেয়ারে খুঁজে পাবেন না। ফাইলটি বের করতে পারবেন শুধু অ্যান্ড্রয়েডের মধ্যে গিয়ে এবং সেখান থেকে যেকোনো ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।

 

 

এভাবে ফাইল লুকানোর সুবিধা :

 

আমাদের অনেক সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বা পার্সোনাল ইনফরমেশন, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি মোবাইলে সংরক্ষন করতে হয়। কিন্তু সাধারণ ভাবে সেই তথ্যগুলো সংরক্ষণ করলে বিভিন্ন ভাবে সেগুলো বিকৃত বা মুছে যেতে পারে। সেজন্য এই ক্ষতি থেকে বাচতে আমরা ফাইলটিকে লুকিয়ে রাখি। লুকানোর জন্য প্রয়োজন হয় একটি আলাদা অ্যাপ্লিকেশান। তো আমার আজকের ট্রিকের মাধ্যমে আপনি সহজেই কোনো সফটওয়্যার ব্যবহার না করে ফাইল লুকাতে পারবেন। যার ফলে আপনি কোনো ধরনের অ্যাপ ইন্সটল না করে আপনার মোবাইলের স্টোরেজ বাচাতে পারছেন। এর জন্য আপনার মোবাইলটির কাজের গতি কিছুটা হলেও ঠিক থাকছে।

 

আশা করি যারা ট্রিকসটা জানেন না তারা অনেক উপকৃত হয়েছেন।

সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। আজ এই পর্যন্তই। সবাই দোয়া করবেন যেন আগামিতে আরও ভালো কোনো পোস্ট নিয়ে হাজির হতে পারি।

আসসালামু আলাইকুম।

Continue Reading