Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

প্রোগ্রামিং

এইচটিএমএল এর সুবিধা এবং অসুবিধা গুলো কি কি দেখে নিন এখান থেকে

Mainul islam Robin

Published

on

সুপ্রিয় পাঠক ভাই ও বোনেরা। আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমি আজ আপনাদের মাঝে নতুন আরো একটি পোস্ট শেয়ার করব। আমি আজ যে পোস্টটা শেয়ার করবো সেটি হচ্ছে এইচটিএমএল এর সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে। আমি এর আগে আরো দুইটি পোস্ট করেছিলাম একটি হচ্ছে এইচটিএমএল এর মৌলিক বিষয়সমূহ আরেকটি হচ্ছে এইচটিএমএল এর ধারণা সম্পর্কে। আপনারা চাইলে সেগুলো দেখে নিতে পারেন। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে আজকের টপিক এ ফিরে আসি।

 

এইচটিএমএল সম্পর্কে আমাদের মোটামুটি সবারই ধারণা আছে। এইচটিএমএল এর ধারণা না জানা থাকলে আপনি অনেক পিছিয়ে পড়বেন। তাই এইচটিএমএল প্রোগ্রামিং ইত্যাদি যেসব বিষয় গুলো আছে সেগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকা ভালো। আমরা জানি সব কিছুরই দুইটি দিক থেকে সুবিধা এবং অসুবিধা। তেমনি এইচটিএমএল এর সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে। এইচটিএমএল এর ব্যবহারের ফলে আমরা অনেক সুবিধা পেয়ে থাকি। নিচে এর কয়েকটি দিক উল্লেখ করা হলো।

 



প্রথমত আমি এইচটিএমএল এর সুবিধা গুলো তুলে ধরি।

সুবিধাসমূহ:

১.এইচটিএমএল সহজে ব্যবহার করা যায় এবং সহজে অনুধাবন করা যায়।

২.সকল ব্রাউজার html কে সমর্থন করে।

৩.এইচটিএমএল এর সাথে এক্সএমএল এর অনেক সাদৃশ্য রয়েছে।

৪. এটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।

৫. বেশিরভাগ ডেভলপমেন্ট টুলস এইচটিএমএল কে সমর্থন করে।

৬. বেশিরভাগ সার্চ ইঞ্জিন এইচটিএমএল বান্ধব।

৭. ভুলের পরিমাণ কম হয়।

 

আপনারা দেখলেন এইচটিএমএল এর সুবিধা সমূহ এবার চলুন এইচটিএমএল এর অসুবিধা নিয়ে কথায় আসি।

এইচটিএমএল এর অসুবিধা সমূহ:

১. নিরাপত্তা তুলনামূলকভাবে কম হয়ে থাকে

২. ওয়েব পেজ তৈরিতে বেশি পরিমাণ কোড লিখতে হয়।

৩. কোড লিখতে Syntax মনে রাখতে হয়।

 

তো আপনারা দেখলে এইচটিএমএল এর কি কি সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ রয়েছে। এছাড়াও আরো অনেক সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ এইচটিএমএল এর রয়েছে। আপনারা গুগলে সার্চ করলেই তার অনেক দেখতে পেয়ে যাবেন। যারা এইচটিএমএল সম্পর্কে অনেক ভালো জানেন তাদের হয়তো এগুলো সম্পর্কে অনেক জ্ঞান রয়েছে। বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে এর ক্ষেত্রে এইচটিএমএল কোডিং প্রোগ্রামিং ইত্যাদি বিষয়গুলো না জানা থাকলে কোন ভাবে এগিয়ে আসা সম্ভব নয়। তাই সবার উচিত উক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা।

 

ধন্যবাদ সবাইকে মূল্যবান সময় দিয়ে পোস্টটি পড়ার জন্য।

প্রোগ্রামিং

এইচটিএমএল কোডিং করতে কি কি প্রয়োজন এবং কিভাবে শুরু করবেন।

Faisal Ahmmed

Published

on

আমরা যারা এইচটিএমএল এর কোডিং শিখতে চাই তাদেরকে কোডিং শুরু করার আগে জানতে হবে এইচটিএমএল কোডিং করতে আমাদের কি কি প্রয়োজন। আর তাই এখন আমরা জনবো এইচটিএমএল কোডিং করতে আমাদের কি কি প্রয়োজন।

কি কি প্রয়োজন?

আমাদের প্রয়োজন হবে একটি স্বক্রিয় কম্পিউিটার সেট, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং উপযুক্ত পরিবেশ অর্থাৎ চেয়ার টেবিল। আশা করি যারা এইচটিএমএল শিখতে চান তাদের প্রত্যেকেরই জিনিসগুলো রয়েছে।

এই জিনিসগুলো থাকলেই আমরা এইচটিএমএল কোডিং করতে পারবো। আর প্রতিটা প্রগ্রাম লেখার জন্য আমাদেরকে কোন না কোন একটা কোড এডিটর ব্যবহার করে কোডিং করতে হয়। তাই এইচটিএমএল কোডিং করতেও আমাদেরকে একটা কোড এডিটর ব্যবহার করতে হবে। নিচের চিত্র-০১. এ কয়েকটি কোড এডিটর সফটওয়্যার এর সাথে পরিচিত হবো। আর এখানের যেকোন একটি ব্যবহার করে আমরা কোডিং করতে পারবো।



এখানের নোাটপ্যাড কোড এডিটরটি আমাদের কম্পিউটারে বাই ডিফল্ট দেওয়া আছে। প্রাথমিকভাবে এটি দিয়েই কাজ শুরু করা যায়। তাহলে আমাদের আগে নোটপ্যাড এডিটর সফটওয়্যারটি ওপেন করতে হবে।

নোটপ্যাড ওপেন করা

প্রথমে কম্পিউটার এর স্টাট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর কম্পিউটার এর সার্চ অপশনে ইংরেজীতে নোটপ্যাড লিখে সার্চ করলো চিত্র-০১ এ দেওয়া নোটপ্যাড এর মত একটা সফটওয়্যার পেয়ে যাবো। নিচে চিত্র-০২ এ দেখানো হলো।

এরপর নোডপ্যাড এ ডাবল ক্লিক করলেই আমরা আমাদের কাঙ্খিত সফটওয়্যারটি পেয়ে যাবো। চিএ-০৩ এ দেখানো হলো।

নোটপ্যাড ওপেনকরলে আমরা চিত্র-০৩. এ দেখানো উইন্ডো এর মতো খুব সাধারণ একটি উইন্ডো দেখেেত পাবো। এই কোড এডিটরটি খুব সহজ একটি এডিটর যা সকলেই সহজে বুঝতে পারে। তাই নতুনদের এই এডিটরেই কয়েক সপ্তাহ কাজ করা উচিত । তারপর এইচটিএমএল সম্পর্কে প্রাইমারী লেভেলের ধারণা হয়ে গেলে নোটপ্যাড++ ব্যবহার করলে ভালো হবে।

কোডিং শুরু করা :

আশা করি আপনারা সকলেই কম্পিউটারে নোটপ্যাড ওপেন করা শিখে গেছেন। এখন আমরা কোডিং শুরু করবো। আমরা চিত্র-০৪ এর মতো লেখা একটি ওয়েবপেজ তৈরি করবো ।

এখন আমরা আমদের কম্পিউটারে নোটপ্যাড ওপেন করো চিত্র-০৫. এর মতো করে কোডিং শুরু করবো এবং কোডগুলো নোটপ্যাড এডিটরে লিখেবো।

কোডটি লেখা শেষ হলে চিএ-০৬. এর মতো করো হলুদ মার্ক করা ফাইল অপশনে ক্লিক করো পপ আপ মেনু থেকে সেভ অ্যাস এ ক্লিক করবো।

এরপর চিত্র-০৭. এ দেখানো পদ্ধতিতে ০১। ফাইলের লোকেশন সেট করতে হবে, ২। ফাইলের নাম ও এক্সটেনশন দিতে হবে , ৩। ফাইল সেভ করতে হবে।

এরপর ফাইলটি আমাদের কম্পিউটার এর ডেক্সটপ এ খুজে পাবো। চিত্র-৮. লাল বৃত্ত দিয়ে ঘেরা ফাইলের মতো একটা ফাইল আমদের ডেক্সটপ এ পেয়ে যাবো ।

ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করলেই চিএ-০৪. এর মতো একটি ওয়েবপেজ ওপেন হবে।

আজ এখানেই শেষ করছি। ধন্যবাদ সবাইকে ।

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

এইচটিএমএল ট্যাগ, এলিমেন্ট ও এট্রিবিউট কাকে বলে ? কত প্রকার ও কী কী?

Faisal Ahmmed

Published

on

কেমন আছেন সবাই । আশা করি সকলেই ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। আজকে আমরা শিখবো  এইচটিএমএল ট্যাগ, এলিমেন্ট ও এট্রিবিউট সম্পর্কে। 

এইচটিএমএল ট্যাগ :

এইচটিএমএল  ট্যাগ হচ্ছে এইচটিএমএম অনুমদিত এঙ্গেল ব্রাকেট (<,>) দিয়ে ঘেরা নির্দিষ্ট কিছু কীওয়ার্ড যা নির্ধারন করে ওয়েব ব্রাউজারে বিষয়বস্তুকে কিভাবে বিন্যাস করবে এবং প্রদর্শন করবে। চিত্র-১ এ এইচটিএমএল ট্যাগ দেখানো হলো। 

এই ট্যাগগুলোর সাহায্যেই একটি ব্রাউজার একটি এইচটিএমএল ডকুমেন্ট এবং একটি সাধারণ ডকুমেন্টের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে। এমন কিছু মার্কআপ ট্যাগ এর সমন্বয়েই এইচটিএমএল তৈরি হয়েছে।



এইচটিএমএল ট্যাগ দুই প্রকার । যথা- ১. সিঙ্গেল ট্যাগ, ২. কনটেইনার ট্যাগ।

১. সিঙ্গেল ট্যাগ :

যে সকল এইচটিএমএল ট্যাগ এর কোন ক্লোজিং ট্যাগ থাকে না শুধু ওপেনিং ট্যাগেই শেষ হয় তাকে সিঙ্গেল ট্যাগ বলে। চিত্র-২ এ সিঙ্গেল ট্যাগ দেখানো হলো।

২. কনটেইনার ট্যাগ :

যে সকল এইচটিএমএল ট্যাগ ওপেনিং ট্যাগে শুরু হয় এবং ক্লোজিং ট্যাগে শেষ হয় সে সমস্ত ট্যাগ সমূহকে কনটেইনার ট্যাগ বলে। চিত্র-৩ এ কনটেইনার ট্যাগ দেখানো হলো।

কনটেইনার ট্যাগ এর তিনটি অংশ থাকে । যথা-০১.ওপেনিং ট্যাগ, ০২. কনটেন্ট, ০৩। ক্লোজিং ট্যাগ। চিত্র-৪ এ কনটেইনার ট্যাগ এর তিনটি অংশ দেখানো হলে।

ওপেনিং ট্যাগ এঙ্গেল ব্রাকেট দিয়ে শুরু হয়ে এঙ্গেল ব্রাকেটে শেষ হয়। আর ক্লোজিং ট্যাগ এ এঙ্গেল ব্রাকেটের পরে একটি ফরওয়ার্ড শ্লাস থাকে ।

এইচটিএমএল এলিমেন্ট :

একটি ওপেনিং ট্যাগ এবং ক্লোজিং ট্যাগ এর মাঝে যা কিছু থাকে তা সম্পূর্নটি একটি এলিমেন্ট। একটা এলিমেন্ট এর মধ্যে এক বা একাধিক এলিমেন্ট থাকতে পারে। এ ধরনের এলিমেন্টকে নেস্টেড এলিমেন্ট বলে। এলিমেন্ট দুই প্রকার যাথা-

১। ব্লক লেভেল এলিমেন্ট :

যে এলিমেন্টগুলো বাই ডিফল্ট তার ডানে বামের জায়গা দখল করে একটি নতুন নাইন সৃষ্টি করে তাকে বøক লেভেল এলিমেন্ট বলে। চিত্র-৫ এ বøক লেভেল এলিমেন্ট দেখানো হলো।

২। ইন লাইন এলিমেন্ট:

যে এলিমেন্টগুলো ব্যবহার করলে নতুন লাইন সৃষ্টি হয় না তাকে ইন লাইন এলিমেন্ট বলে। চিত্র-৬. এ ইন লাইন এলিমেন্ট দেখানো হলো।

এইচটিএমএল এট্রিবিউট :

এইচটিএমএল ট্যাগ এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এইচটিএমএল এলিমেন্ট সম্পর্কে অতিরিক্ত কিছু তথ্য প্রদান করার জন্য পূর্ব নির্দিষ্ট কিছু কীওয়ার্ড ব্যবহার করা হয় । এ সমস্ত কীওয়ার্ড কে এইচটিএমএল এট্রিবিউট বলা হয়। এট্রিবিউটটি টি সব সময় ওপেনিং ট্যাগ এর ভিতর লেখা হয়।

ওপেনিং ট্যাগ এর ভিতরে প্রথমে এট্রিবিউট এর নাম লিখতে হয়। তারপর সমান (=) চিহ্ন দিতে হবে । এরপর ডাবল কোটেশন (“…”) এর ভিতরে এট্রিবিউট এর ভেলু লিখতে হয়। চিত্র-৭ এ এইচটিএমএল এট্রিবিউট দেখানো হলো।

সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সেই প্রত্যয়ে শেষ করছি । পরবর্তীতে এইচটিএমএল সম্পর্কে আরও বিস্তারিত আলোচনা করবো।

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

এইচটিএমএল এর বেসিক ডকুমেন্ট, ইন্টারনেট ব্রাউজার ও ওয়েবপেজ। এইচটিএমএল বেসিক ডকুমেন্ট এর বিভিন্ন অংশ।

Faisal Ahmmed

Published

on

এখন আমরা এইটিএমএল এর একটি বেসিক ডকুমেন্ট সম্পর্কে ধারনা লাভ করবো এবং তার বিভিন্ন অংশ সম্পর্কে ।

উপরের ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি  ১। এইচটিএমএল এর বেসিক একটি ডকুমেন্ট, ২। ইন্টারনেট ব্রউজার, ৩। আউটপুট বা ওয়েবপেজ ।

এইচটিএমএল এর বেসিক ডকুমেন্ট সম্পর্কে জানতে হলে তার আগে আমদের ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং ওয়েবপেজ সম্পর্কে ধারনা লাভ করতে হবে। তাহলে আমদের এইচটিএমএল এর বেসিক ডকুমেন্ট বুঝতে সুবিধা হবে।



ইন্টারনেট ব্রাউজার :

ইন্টারনেট ব্রউজার হলো এমন একটি এ্যাপ্লিকেশন যার মাধ্যমে আমরা ইন্টারনেট এর বিভিন্ন সাইট এ ব্রাউজ করেতে পারি। যেমন- গুগল ক্রম, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মজিলা ফায়ারফক্স, ইউসি মিনি, ওপেরা মিনি ইত্যাদি (ছবির ২। ইন্টারনেট ব্রাউজার )।

ওয়েবপেজ :

ওয়েবপেজ হলো কোন ওয়েবসাইটের একটি পেজ। এরকম একধিক পেজের সমন্বয়ে একটি ওয়েসাইট তৈরি হয়। (ছবির ৩। ওয়েবপেজ বা আউটপুট)।

মনে করুন আপনি পৃথিবীর মোট আয়তন জানতে চাচ্ছেন । আর তার জন্য আপনি গুগল ক্রম এ গিয়ে গুগল সার্চ এ গিয়ে পৃথিবীর মোট আয়তন কত? লিখে সার্চ দিলেন। তারপর দেখলেন অনেকগুলো ফলাফল আপনার সামনে চলে এসেছে । এরপর আপনি একটি ফলাফলে ক্লিক করলেন। সাথে সাথে আপনি কম্পিউটার বা মোবাইল স্কিনে একটা পেজে দেখলে পৃথিবীর আয়তন।

আজকের টিওটোরিয়ালে আমি যা বোঝাতে চাচ্ছি আপনি এই কাজটার মাধ্যমে তা সহজে বুঝতে পারবেন। এখানে আপনি যে গুগল ক্রম এ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করেছেন সেটিই হচ্ছে ইন্টারনেট ব্রাউজার। আর যে পেজ থেকে আপনি পৃথিবীর আয়তন জানতে পেরেছেন সেটিই হল ওয়েবপেজ।আর আপনি যে সাজানো গোছানো ওয়েবপেজটি দেখতে পেয়েছেন সেটি কোন ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার দিয়ে লেখা হয়নি। সেটি কোডিং করা হয়েছে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ও মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ দিয়ে । আর এইচটিএমএল হচ্ছে একটি মার্কআপ ল্যাগুয়েজ। আর এই মার্কআপ ল্যাগুয়েজ দিয়ে লেখা একটি বেসিক ডকুমেন্ট সম্পর্কে ও তার বিভিন্ন অংশ সম্পর্কে আমরা ধারনা লাভ করবো ।

এইচটিএমএল ডকুমেন্ট :

নির্দিষ্ট নিয়ামে এইচটিএমএল ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে লিখা ডকুমেন্ট কে এইচটিএমএল ডকুমেন্ট বলে।

(ছবির ১) এ আমরা যে এইচটিএমএল ডকুমেন্ট দেখেতে পাচ্ছি সেটি খুব সাধারন একটি ডকুমেন্ট যা লেখা হয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী । আর এই ডকুমেন্টটি যখন অমরা (ছবির ২) ইন্টারনেট ব্রউজার দিয়ে ওপেন করবো তখন ইন্টারনেট ব্রাউজার সম্পূর্ন ডকুমেন্টটি পড়বে ।

আর পড়া শেষে (ছবির ৩) আউটপুট দেখাবে একটা ওয়েবপেজ হিসাবে।লক্ষণীয় যে এই এইচটিএমএল ডকুমেন্ট এর কয়েকটি অংশ রয়েছে। যেগুলো না থাকলে ইন্টারনেট ব্রাউজার এই ডকুমেন্টটি পড়ে আউটপুট দেখাবে না। এখন আমরা এইচটিএমএল ডকুমেন্ট এর বিভিন্ন অংশ সমূহ সম্পর্কে জানবো । নিচের চিত্রের মাধ্যমে আমরা এই ডকুমেন্ট এর বিভিন্ন অংশ সমূহ সম্পর্কে জানবো।

উপরের চিত্রে লক্ষ্য করলে আমরা এইচটিএমএল ডকুমেন্ট এর বিভিন্ন অংশ লালা মার্ক করা দেখতে পাচ্ছি। পরবর্তীতে আমি এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত অলোচনা করবো

Continue Reading