Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

এই গরমে অতিরিক্ত ঘাম হতে পরিত্রান পাওয়ার কিছু উপায় জেনে নিন

Shat rong

Published

on

এই গরমের সিজনে অতিরিক্ত ঘাম হতে পরিত্রান পাওয়ার কিছু উপায়

চলছে গ্রীষ্মকাল । গ্রীষ্মকালে গরমের প্রকোপ থাকে সবচেয়ে বেশী।
গরমের এই সিজনে অনেকের অতিরিক্ত ঘাম হয়। যা খুবই অস্বস্থিদায়ক ও বিরক্তিকর। ঘাম কমাতে অনেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কক্ষে আশ্রয় নেন। তবে এটি ঘাম কমানোর কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। তবে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলেই এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে। তাহলে জেনে নিন অতিরিক্ত ঘাম কমানোর কিছু উপায় আজকের এই পোস্ট এ—

✴ অতিরিক্ত ঘাম এড়ানোর জন্য প্রচুর পানি পানের বিকল্প নেই। কারণ ঘাম হলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এ জন্য কিছু সময় পরপর পর্যাপ্ত পানি পান করা  উচিত।

✴অতিরিক্ত ঘাম কমাতে বিভিন্ন ফলের জুস  ও পানিজাতীয় ফল যেমন শসা , তরমুজ প্রভৃতি পান করতে পারেন। এছাড়া লেবুর শরবত কিংবা ডাবের পানি ও পান করতে পারেন ।

✴ যাদের রোজ কফি পান করার অভ্যাস আছে তাদেরকে কফি পান করা কমাতে হবে। কেননা কফি পান করলে তা শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ঘাম বাড়ে এবং অতিরিক্ত ঘাম হয় ।

✴ নাইলন ও পলিস্টার জাতীয় কাপড় পরিহার করুন। কেননা এ কাপড় আপনার দেহের সাথে লেগে থাকে। ফলে শরীর উত্তপ্ত হয়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত ঘাম বের হয়।  অতিরিক্ত ঘাম হতে রেহাই পেতে সুতির পোশাক ব্যবহার করুন। সুতির পোশাক আরামদায়কও বটে ।

✴দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপও অতিরিক্ত ঘামের জন্য দায়ী। তাই মনসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমান, দেখবেন অতিরিক্ত ঘাম কমে গেছে। কাজেই যতটা সম্ভব মনকে স্থির রাখুন ।

✴গরমে কোনো ধরনের পারফিউম ব্যবহার করা উচিত নয় । কারণ এতে এরোসোল থাকে, যা আপনার শরীরকে গরম রাখে। তাই অতিরিক্ত ঘাম হয়। তবে প্রয়োজনে টেলকম পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে ।

✴ঘরের বাইরে বের হলে যতটা সম্ভব রোদ এড়িয়ে চলুন । প্রয়োজনে ছাতা ব্যবহার করুন।

✴গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। এটা আপনার দেহ ও মনকে শীতল রাখতে সহায়ক।

গরমের সিজনে নিজেদের যত্ন নিন ও সুস্থ থাকুন ।
ধন্যবাদ।

Advertisement
28 Comments

28 Comments

  1. Maria Hasin

    Maria Hasin

    May 22, 2020 at 8:19 pm

    Helpful post

  2. Muktadir Hasan

    Muktadir Hasan

    May 22, 2020 at 9:24 pm

    great

  3. Shat rong

    Shat rong

    May 23, 2020 at 12:06 am

    Thanks..

  4. Mojammal Haque

    Mojammal Haque

    May 23, 2020 at 12:14 am

    Informative

  5. Ibna Mezan

    Ibna Mezan

    May 23, 2020 at 12:23 am

    Helpful post

  6. Md Ruhul Amin

    Md Ruhul Amin

    May 23, 2020 at 8:51 am

    good

  7. Md Rakib

    Md Rakib

    May 23, 2020 at 10:23 am

    gd

  8. Md jahidul islam shakil

    Md jahidul islam shakil

    May 23, 2020 at 10:43 am

    ধন্যবাদ

  9. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    May 23, 2020 at 12:33 pm

    Helpful post

  10. Liyana Rasa

    Liyana Rasa

    May 23, 2020 at 2:14 pm

    Nice post

  11. Anisur Rahman

    Anisur Rahman

    May 23, 2020 at 2:35 pm

    good

  12. Shahin Shan

    Shahin Shan

    May 23, 2020 at 3:17 pm

    gd post

  13. Shat rong

    Shat rong

    May 23, 2020 at 3:44 pm

    Thanks to all.

  14. Fahema Akter

    Fahema Akter

    May 23, 2020 at 6:41 pm

    Gd

  15. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    May 23, 2020 at 7:12 pm

    nice

  16. Sakib khan

    Sakib khan

    May 23, 2020 at 7:15 pm

    Gd

  17. Trisad Saha

    Trisad Saha

    May 23, 2020 at 10:17 pm

    Gd

  18. Md Ahsan Habib

    Md Ahsan Habib

    May 23, 2020 at 10:31 pm

    Nice

  19. Albi Chy

    Albi Chy

    May 23, 2020 at 10:51 pm

    ভালো পোস্ট। ধন্যবাদ

  20. Kamal Chy

    Kamal Chy

    May 23, 2020 at 11:23 pm

    সুন্দর পোস্ট।ধন্যবাদ

  21. Shat rong

    Shat rong

    May 23, 2020 at 11:44 pm

    Thanks….

  22. Khairul Kabir

    Khairul Kabir

    May 24, 2020 at 1:30 am

    prochondo gorom aebar !

  23. Emon Rafiq

    Emon Rafiq

    May 24, 2020 at 3:35 am

    Thank you

  24. Shat rong

    Shat rong

    May 24, 2020 at 3:16 pm

    Thanks

  25. Asadullah Jilani

    Asadullah Jilani

    May 24, 2020 at 8:50 pm

    Valo

  26. Avijit Sharma

    Avijit Sharma

    May 25, 2020 at 12:01 am

    good

  27. Mawon Biswas

    Mawon Biswas

    May 29, 2020 at 10:40 pm

    NC

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

আপনার মুখের বাষ্পের শীর্ষ 10 টি সুবিধা

MD Rahul

Published

on

আপনার মুখের বাষ্পের শীর্ষ 10 টি সুবিধা

সবাই কেমন আছেন।আশাকরি সবাই ভালো আছেন।আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম।আপনার মুখের বাষ্পের শীর্ষ সুবিধা গুলো সম্পর্কে ধারনা দিতে।চলুন শুরু করি

ফেসিয়াল স্টিমিং কী?

ফেসিয়াল স্টিমিং ত্বকের স্বাস্থ্য পরিষ্কার এবং উন্নত করার জন্য একটি ব্যয়-সাশ্রয় এবং সহজ উপায়। এটি একটি ত্বকের যত্নের একটি সাধারণ রুটিন যাতে আপনি আপনার মুখটি আপনার মুখের ত্বককে আর্দ্রতা এবং পরিষ্কার করার জন্য একটি গরম বাটি জল থেকে বাষ্প শুষে নিতে দেন। বহু বছর থেকে, ফেসিয়াল স্টিম বা সানা স্পা বা স্বাস্থ্য ক্লাবগুলির বিভিন্ন সৌন্দর্য চিকিৎসার একটি বিশিষ্ট অঙ্গ। গত কয়েক বছরে, এই জনপ্রিয় পদ্ধতিটি উন্নত হয়েছে এবং আরও সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে, কারণ আপনি সাশ্রয়ী মূল্যে নিজের স্টিমারটি কিনতে পারেন। যাইহোক, কিছু লোক এখনও পুরাতন বাটি পদ্ধতি পছন্দ করেন, যা সমান কার্যকর।

১. গভীর সাফাই

আপনার মুখের বাষ্প ছিদ্রগুলি খোলে এবং ত্বককে ময়লা থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে। মুখটি যখন গরম বাষ্পের সংস্পর্শে আসে তখন ময়লা এবং মৃত কোষগুলি বাইরে বের হয়ে যায়, যার ফলে আপনার ত্বক পরিষ্কার হয়।এই কৌশলটি ব্ল্যাকহেডস বা হোয়াইটহেডগুলিও নরম করে এবং তাদের দ্রুত অপসারণকে বাড়িয়ে তোলে। ফেসিয়াল স্টিমিং আরও ত্বকের জ্বালা এবং আটকে থাকা ছিদ্রগুলির কারণে সংক্রমণ থেকে বাঁচায়।

২. ত্বককে হাইড্রেট করে

শুষ্ক ত্বক প্রায়শই নিস্তেজ এবং ক্লান্ত দেখায়। ফেস স্টিমিং ত্বকের কোমলতা বাড়ায় এবং শুষ্ক ত্বককে প্রতিরোধ করে। এটি প্রাকৃতিক তেলের উত্পাদন বাড়ায় যা ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে। বাষ্প আরও ত্বকের ব্যাপ্তিযোগ্যতা বৃদ্ধি করে, এটি ত্বকের যত্নের পণ্যগুলি আরও ভালভাবে শোষিত করতে সক্ষম করে। তবে আপনার ঘন ঘন মুখের বাষ্পের বিপরীত প্রভাব পড়তে পারে এবং সুবিধার বিপরীত হতে পারে। মনে রাখবেন সপ্তাহে একাধিকবার আপনার মুখটি বাষ্প না করা।

৩. স্বাস্থ্যকর সংবহন

আপনি যখন আপনার মুখটি বাষ্প করবেন তখন উষ্ণ বাষ্প থার্মোরোগুলারিটি প্রতিক্রিয়া শুরু করে এবং ঘাম বাড়ায়। এর ফলে ত্বকে রক্তনালীগুলি প্রশস্ত হয়। এটি মুখের দিকে অক্সিজেন এবং পুষ্টিকর সমৃদ্ধ রক্তের প্রবাহকে বাড়িয়ে তোলে। এ জাতীয় রক্ত ​​সঞ্চালন বর্ণকে উন্নত করে এবং ত্বকে পুষ্টি জোগায়।

৪. টক্সিন অপসারণ করে

ত্বক ক্রমাগত রাসায়নিক, দূষক এবং টক্সিনের সংস্পর্শে থাকে যা ত্বকের বর্ণের পাশাপাশি বর্ণকেও প্রভাবিত করতে পারে। আপনার মুখকে ত্বকের ডিটক্স দেওয়ার জন্য স্টিমিং একটি প্রাকৃতিক উপায়। আপনার ত্বকে বাষ্পে প্রকাশ করা মৃত ত্বক, টক্সিন এবং ব্যাকটেরিয়া অপসারণের অনুমতি দেয়। এটি ত্বকের কোষগুলিকে পুনর্নবীকরণ এবং পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করে। এই কৌশলটি ত্বকে পুষ্টি জোগায় এবং আপনাকে পরিষ্কার চেহারা দেয়। আপনার মুখটি বাষ্প থেকে উত্তাপের সংস্পর্শে এলে আপনি ঘামতে শুরু করেন। এই জাতীয় ক্রিয়া ত্বক থেকে বিষাক্ত পদার্থগুলি দ্রুত সরিয়ে ফেলতে সহায়তা করে।

৫.ব্রণ রোধ করে

বদ্ধ ছিদ্রগুলি মূল কারণ যা ব্রণর ব্রেকআউটগুলিতে অবদান রাখে। ময়লা, টক্সিন, অপরিষ্কার এবং ব্যাকটেরিয়া ত্বকের পৃষ্ঠে জমা হতে পারে এবং এই সমস্ত ক্রমবর্ধমান ব্রণ হতে পারে। ফেসিয়াল স্টিমিং ব্রণ প্রতিরোধের একটি সহায়ক এবং সহজ উপায়। ফেসিয়াল স্টিমিং ছিদ্রগুলি খোলা করে ত্বককে অমেধ্য এবং ময়লা থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে। এবং ব্রণর ওষুধ বা মলমগুলির শোষণকে বাড়িয়ে তোলে।

৬.রিল্যাক্স সাহায্য করে

ফেসিয়াল বাষ্প সম্পূর্ণরূপে শিথিল এবং মনোরম। ত্বকের স্বাস্থ্য বাড়ানোর পাশাপাশি এটি আপনাকে স্বাচ্ছন্দ্য এবং সতেজ বোধ করতে সহায়তা করে। জলে প্রাকৃতিক।ষধি বা প্রয়োজনীয় তেল যোগ করা ফলাফল আরও বাড়ায়। এটি স্নায়ুগুলিকে শিথিল করতে সহায়তা করে এবং আপনার সংবেদনকেও প্রশান্ত করে। সর্বোত্তম অংশটি হ’ল আপনি ঘরে বসে সহজেই এই অ্যারোমাথেরাপি সেশনটি উপভোগ করতে পারেন।

৭.সাইনাসের সমস্যাগুলি প্রতিরোধ করে

সাইনাস প্রায়শই যানজট এবং মাথা ব্যথার সাথে থাকে। ফেসিয়াল স্টিমিং সাইনাসের লক্ষণগুলি উপশম করতে পারে এবং আপনাকে আরও ভাল বোধ করতে সহায়তা করে। বাষ্পে শ্বাস ফেলা আপনার সাইনাসগুলিতে শুকনো বাতাসকে লড়াই করে। এটি আপনার সংবেদনশীল সাইনাসগুলিতে একটি প্রাকৃতিক ম্যাসেজ দেয় যা সহজে ইনহেলেশন এবং শ্বাসকষ্টকে সহায়তা করে। জলে প্রয়োজনীয় তেল যুক্ত করে আপনি কিছু অতিরিক্ত বেনিফিট সংগ্রহ করতে পারেন। আপনি অনুনাসিক এবং সাইনাস ভিড় পরিষ্কার করতে ইউক্যালিপটাস তেল যোগ করতে পারেন।

৮.বৃদ্ধ বয়স রোধ করে

ফেসিয়াল স্টিমিং আপনাকে আপনার বয়সের জন্য আরও তরুণ দেখায় look রাসায়নিক এবং টক্সিনের সাথে ত্বকের এক্সপোজার তার আর্দ্রতা ধরে রাখার ক্ষমতা হ্রাস করে। এর ফলস্বরূপ, ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস পায় এবং ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে শুরু করে। সপ্তাহে একবার বা দু’বার আপনার মুখের বাষ্প আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে এবং আপনার ত্বককে পরিষ্কার এবং তাজা করে তোলে। এটি ত্বকের দিকে রক্ত ​​প্রবাহকে বাড়িয়ে তোলে যা কোলাজেন উত্পাদন বাড়ায় এবং ত্বকে আর

৯.অন্যান্য চিকিৎসা গ্রহণযোগ্য

ফেসিয়াল স্টিমিং ত্বককে ত্বকের যত্নের পণ্যগুলি আরও ভালভাবে শোষিত করতে সহায়তা করে। এটি ব্যাপ্তিযোগ্যতা বাড়ে, ত্বকের টিস্যুগুলি টপিকগুলি আরও সহজে শোষণ করতে সক্ষম করে। এই বর্ধিত প্রভাবটি মুখের স্টিমিং দ্বারা সৃষ্ট পরিষ্কার ছিদ্রগুলির কারণে। ক্লোরড ছিদ্রগুলির তুলনায় পরিষ্কার ছিদ্রগুলি ত্বকের যত্নের পণ্যগুলি আরও দ্রুত গ্রহণ করে। অতএব, আরও ভাল এবং উন্নত প্রভাবের জন্য মুখের বাষ্পের পরে ত্বকের যত্নের পণ্যগুলি প্রয়োগ করুন।

১০.অর্থ সাশ্রয়

সৌন্দর্য চিকিত্সা এবং সৌন্দর্য পণ্যগুলি আপনার অর্থ ব্যয় বাড়িয়ে তুলতে পারে। সেলুন বা স্পাতে আপনার মুখের বাষ্পের জন্য বড় বড় অর্থ ব্যয় করতে হবে না। আপনি খুব বেশি প্রচেষ্টা না করে বাড়িতে সহজে ফেসিয়াল স্টিমের সুবিধা উপভোগ করতে পারেন। এটি লাভজনক পাশাপাশি সুবিধাজনক এবং আপনার কোনও বিশেষ সরঞ্জামের প্রয়োজন নেই। আপনার মুখটি বাটিটির উপরে রাখুন এবং জলের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার দূরে একটি দূরত্ব বজায় রাখুন। আলতো করে আপনার মুখটি সমস্ত দিকে ঘুরিয়ে নিন এবং আপনার মুখের সমস্ত অংশে বাষ্পটি ফুঁকতে দিন। তোয়ালে দিয়ে আপনার মাথাটি। রাখুন যাতে বাষ্পটি এড়ায় না।

আরাম করুন এবং ৫-১০ মিনিটের জন্য এই অবস্থানে বসুন। সংবেদনশীল ত্বকযুক্ত ব্যক্তিদের ৫ মিনিটের বেশি নয় বাষ্প করা উচিত। বাষ্পের পরে, আপনার মুখটি একটি পরিষ্কার মুখ তোয়ালে দিয়ে মুছুন এবং আর্দ্রতা এবং নমনীয়তা পুনরুদ্ধার করতে একটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার লাগান।

পোষ্টটি ভালো লাগলে কমেন্ট করে জানাবেন।এবং আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

বিশেষ কোনো ওষুধ অতিরিক্ত সেবন করাকে মাদকাসক্তি ঐ বলে। মাদকাসক্তি একটি মারাত্মক সমস্যা

Sujon Islam

Published

on

বিশেষ কোনো ওষুধ অতিরিক্ত সেবন করাকে মাদকাসক্তি বলে। মাদকাসক্তি একটি মারাত্মক সমস্যা।মানুষ বিভিন্ন কারণে মাদকাসক্ত হয়ে যায়।হতাশ হয়ে এদের মধ্যে অন্যতম। আবার বেকারত্ব সমস্যা,রাজনৈতিক অস্থিরতা, পারিবারিক দ্বন্দ্ব,সাম সামাজিক অবক্ষয়,স্নেহ ও মমতার অভাব হতাশার দিকে ঠেলে দেয়।মাদক মাদকাসক্তি আমাদেরকে নৈতিক ভাবে,শারীরিক ভাবে ও অর্থনৈতিক ভাবে ধ্বংস করে।এটি মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।এটি ক্যান্সার হৃদরোগ ও অন্যান্য শ্বাস প্রশ্বাস জনিত রোগের সৃষ্টি করে।এটা মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র ধ্বংস করে দেয়।এ কারনে একজন মাদক সেবক স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে না।সে তার ক্ষুধা হারায়,হারায় স্বাভাবিক মনুষ্যত্ব,ফলে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খলা।মাদকাসক্তির প্রভাবে দেশ হারাচ্ছে তার কর্মক্ষম যুব সমাজ, অকালেই ঝরে যাচ্ছে হাজারো প্রান।

দেশে মাদকাসক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার প্রধান কারণ।যে দেশে মাদকদ্রব্য সহজ প্রাপ্য,সে দেশে মাদকাসক্তির ভয়াবহতা ব্যাপক।কোনো ধর্মেই মাদকদ্রব্য অনুমোদন করে না।

পৃথিবীর বহু দেশে মাদকদ্রব্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে পৃথিবীর বহু দেশে তা স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।ফলে তা পুরো পৃথিবী ছড়িয়ে পড়ছে।মাদক মাদকাসক্তি সমস্যাটি আন্তর্জাতিক। বিভিন্ন চোরাকারবারি চক্র এর সাথে জড়িত। তাদের এই ঘৃর্নিত কাজের কারনে অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়ছে, নষ্ট হাজারো মেধাবী তরুন তরুণীরা।এই সমস্যা মোকাবেলায় প্রত্যেক দেশকে সতর্ক হতে হবে,হতে হবে আরো কঠোর। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনকে হতে হবে আরো কঠোর।বেকার যুবসমাজকে আত্তকর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে হবে।সমাজকে শিক্ষার আরোও আলোকিত করতে হবে।মাদক মাদকদ্রব্য এর কুফল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও প্রিন্ট মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। যেহেতু এটা আন্তর্জাতিক সমস্যা, তাই এটা নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিকভাবে বিশেষ সংগঠন করা যেতে পারে। আবার যেহেতু ধর্ম এগুলোকে অনুমোদন করে না সেহেতু ধর্ম চর্চা বেশি বেশি করে বাড়াতে হবে এবং মানুষকে তাতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।রাষ্টের উচিত প্রতিটা মাদকদ্রব্য এর সম্রাটকে ধরে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এর ব্যাবস্থা করা।যাতে কেউ আর সাহস না পায়।আবা আবার মানুষ সচেতন না হলে তাদেরকে ধরে লাভ নেই, কেননা তাদের মধ্যে থেকেই আবার মাদকসম্রাট বের হয়ে আসতে পারে।তাই সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে যাাা্থ চালিয়ে যেতে হবে।

  1. সর্বশেষ যে কথাটি বলা যায় তা হলো মাদকের ক্ষতি সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে হবে।এ ব্যাপারে গনমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ধর্মীয় বিধি বিধান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এটার বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। নয়তো এটা আমাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে।তাই আসুন আমরা সকলে সচেতন হই,আমা আমাদের সুন্দর সমাজ টাকে বাঁচাতে।

(more…)

Continue Reading

লাইফস্টাইল

নিম এর অনেকগুলো ঔষধি গুণাগুন ও ব্যবহার জেনে নিন

Shat rong

Published

on

‘নিম’আমাদের কাছে অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদ। নিম গাছের অসাধরণ সব গুণাগুণের জন্য বলা হয়ে থাকে,” যে বাড়িতে নিম গাছ আছে, রোগবালাই সে বাড়ি থেকে দূরে থাকে”। নিম গাছের পাতা , ডাল , রস , ছাল, ফুল প্রভৃতি সকল অংশই ভেষজ ঔষধ তৈরিতে অনেক কাজে লাগে।

আজকের এই পোস্টে নিমের অনেকগুলো ঔষধি গুণাগুন ও ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো—

🔳 অ্যান্টি-ড্যান্ড্রাফ হিসবে নিম এর ব্যবহার: বেশীর ভাগ মানুষই খুশকীর সমস্যায় ভোগে থাকেন । খুশকির সমস্যা সমাধানে নিম এর ব্যবহার ব্যাপক । পরিমাণ মতো পানি ও নিম পাতা নিয়ে সেদ্ধ করুন।  এরপর তা ঠাণ্ডা করে রাখুন। গোসলের সময় চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধোয়ার পর এই জল দিয়ে মাথা পরিষ্কার করুন। মাথার খুশকী তাড়াতে এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি প্রক্রিয়া। এছাড়া মাথার ত্বকে অনেকেরই চুল্কানি ভাব হয়, নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে।

🔳 দাঁতের সমস্যায় নিম এর ব্যবহার: প্রাচীনকাল থেকেই দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজার প্রচলন রয়েছে। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাঁত  মজবুত হয় এবং রক্ষা পায় নানারকম দন্ত রোগ থেকেও। কচি নিম ডাল দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত ভাল থাকে। নিম পাতার নির্যাস জলতে মিশিয়ে বা নিম দিয়ে মুখ আলতোভাবে ধুয়ে ফেললে দাঁতের আক্রমণ, দাঁতের পচন, রক্তপাত ও মাড়ির ব্যথা কমে যায়। যেকোন রকম দাঁতের সমস্যা সমাধানে নিম কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

🔳 খোসপাঁচড়া কমাতে নিমের ব্যবহার : অনেকের ত্বকে খোসপাঁচড়ার সমস্যা হয়ে থাকে ।খোসপাচড়া হতে মুক্তি পেতে নিমপাতা সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলে খোসপাঁচড়া চলে যায়। আবার নিমপাতা  বেটে গায়ে কয়েক দিন লাগালে চুুলকানির সমস্যা হতেে মুুক্ত হওয়া যায় ।

🔳 ব্রণ এর সমস্যা সমাধানে নিম এর ব্যবহার: ব্রণ এর সমস্যায় ভুগে থাকলে কিছু নিম পাতা বেটে পেস্ট বানিয়ে ব্রণে লাগিয়ে দিন। যতদিন ব্রণ না শুকোচ্ছে ততদিন পর্যন্ত এভাবে লাগাতে থাকুন । মুখের যেকোনো ধরনের ফুসকুড়ি, ডার্ক স্পট এবং দীর্ঘমেয়াদি ঘা দূর করে নিম। তাইতও বর্তমানে নিম দিয়ে বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি করা হয় ।

🔳 ত্বক এর যত্নে নিমের ব্যবহার: বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিম ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের যেকোনো দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও এর ব্যবহার পরিলক্ষিত হয় । নিমপাতা ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর তুলনা নেই।  নিমপাতা সিদ্ধ পানি গোসলের পানির সাথে মিশিয়ে নিন। এই পানি দিয়ে গোসল করলে ঘামের দূর্গন্ধ দূর হবে এবং ত্বকে হবে জীবাণু মুক্ত।

🔳 ডায়বেটিস ও হাইপ্রেশার নিয়ন্ত্রণে নিমের ব্যবহার: নিমপাতার রস রক্ত পরিষ্কার করে ও রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়। ডায়বেটিস রোগীদের জন্য নিমপাতার রস অত্যন্ত উপকারী । এছাড়াও রক্তচলাচল বাড়িয়ে হৃৎপিণ্ডের গতি স্বাভাবিক রাখে। হাই প্রেশার নিয়ন্ত্রণেও নিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

🔳 উকুন নাশক হিসেবে নিমের ব্যবহার : অনেকের মাথার ত্বকে উকুনের প্রাদুর্ভাব দেখা যায় । উকুনের সমস্যা হতে মুক্তি পেতে নিমের পাতা বেটে হালকা করে মাথায় লাগান। ঘণ্টাখানেক পর মাথা ধুয়ে ফেলুন। কয়েক দিন এভাবে লাগালে উকুন  মরে যাবে। এক্ষেত্রে নিমপাতা অত্যন্ত কার্যকর।

🔳 পেটের সমস্যায় নিমের ব্যবহার: নিমপাতা বেটে বড়ি করে রোদে শুকিয়ে  রাখুন। নিমপাতার বড়ি পেটের যেকোন সমস্যা সমাধানে খুবই উপকারী।

🔳 পোকামাকড়ের কামড়ে ব্যথানাশক হিসেবে নিমের ব্যবহার :  পোকামাকড় 
কামড় দিলে বা হুঁল ফোটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষতস্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে। পোকা মাকড়ের দংশনে নিমপাতাকে ঘরোয়া ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন ।

এছাড়াও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে, কৃমিনাশক হিসেবে , চুলের যত্নে সহ নানাবিধ সমস্যার সমাধানে নিম এর ব্যবহার ব্যাপক ।
সবদিক বিবেচনায় নিম এর গুণাগুন ও ব্যবহার সত্যিই অতুলনীয়।

আশা করি এই পোস্টটি আপনাদের কাজে আসবে । পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

Continue Reading