Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

এই পাঁচটি অভ্যেস আপনার জীবনে সাফল্য নিয়ে আসবে।

Md Ahasan Habib

Published

on

আপনি কি আপনার  জীবনে সাফল্য পেতে চান? আপনার অভ্যেসের মধ্যেই কিন্তু তা লুকিয়ে রয়েছে৷ অভ্যেসের মধ্যে সামান্য রদবদল করুন৷ তাহলেই দেখবেন যেকোনও কাজেই সাফল্য পাওয়া আপনার একেবারে হাতের মুঠোয় থাকবে৷ ছোট থেকেই যদি সঠিক অভ্যেসে বড় হয়ে ওঠেন, তাহলে কিন্তু আপনি আপনার ইচ্ছে খুব সহজেই পূরণ করতে পারবেন৷

ঘুরে আসুনঃhttps://bit.ly/39YfYGH

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিছু ছোট ছোট সাফল্য জীবন কিভাবে বদলে দিতে পারে৷ এমনই কিছু ছোট ছোট অভ্যেসের মধ্যে রয়েছে-

১) ভোরে ঘুম থেকে উঠুন৷ এতে আপনি সারাদিনের কাজের এনার্জি পাবেন খুব চটজলদি৷ ঘুম থেকে উঠেই সারাদিন কিভাবে কখন কি কাজ করবেন সেটির একটি ছক কষে নিন৷ প্রথমে আপনার সমস্যা হলেও পরে আপনি এটার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠবেন ধীরে ধীরে৷ উল্লখ্যে, টিম কুক(অ্যাপেল সিইও), বব এলজার(ডিজনি সিইও), রিচার্ড ব্রানসন(ভার্জিন গ্রুপ) এরা প্রত্যকেই এই ধরণের লাইফস্টাইলের সঙ্গে অভ্যস্ত৷

২) প্রতিদিন কুঁড়ি মিনিট করে বই পড়ার অভ্যেস করুন৷ সকালে ঘুম থেকে উঠেই কোনও গুণী ব্যক্তির বই পড়ার অভ্যেস করুন৷ সকালে এবং রাতে শুতে যাওয়ার আগে বই পড়ার অভ্যেস করুন৷ এতে আপনার নিজের জ্ঞান বাড়বে৷ যেকোনও ধরণের বই পড়ার অভ্যেস করতে পারেন আপনি৷

৩) জীবনে কোনও একটি লক্ষ্য স্থির করুন৷ এরপর সেই লক্ষ্য স্থির করেই ধীরে ধীরে এগিয়ে যান৷ আপনার জীবনের লক্ষ্য যা তা সম্পর্কিত পাঁচটি জিনিসের নাম লিখুন৷ সেই জিনিসগুলি পূরণ করার চেষ্টা করুন সারাদিনে৷ এরপর রাতে ঘুমানোর আগে ফের খাতায় লিখুন কোন কোন কাজগুলি আপনি করতে পারলেন না সেদিন৷ সেগুলি ফের খাতায় নথিভুক্ত করুন৷

৪) জীবনে কোনও লক্ষ্য পূরণ করতে বেশ কিছু প্রতিজ্ঞা নিতে হয় আমাদের৷ সেই সমস্ত প্রতিজ্ঞাগুলি গ্রহণ করার পাশাপাশি পূরণ করার চেষ্টা করুন৷

৫) জীবনে কখনও একা কেউ সাফল্য পেতে পারে না৷ সবাইকে নিয়েই চলতে হয়৷ উদাহরণ হিসেবে প্রথমেই বলা যায়, মা বাবার কথা৷ মা বাবা আমাদের খুশি এবং কেরিয়ারের কথা ভেবে অনেক ত্যাগ করেছে৷ তাই এদের সকলকে সম্মান দিয়ে, সকলের সঙ্গে মিলেমিশে এগিয়ে চলুন৷ তাহলেই আপনি সাফল্যের শীর্ষে উঠতে পারবেন৷

ঘুরে আসুনঃhttps://bit.ly/39YfYGH
ঘুরে আসুনঃhttps://bit.ly/39YfYGH

Advertisement
14 Comments

14 Comments

  1. HM Shifatullah

    HM Shifatullah

    December 11, 2020 at 10:52 am

    posetive thing

  2. Pingky Akther

    Pingky Akther

    December 13, 2020 at 8:59 pm

    দারুন

  3. Kahhar Siddiquee Nayeem

    Kahhar Siddiquee Nayeem

    December 13, 2020 at 10:28 pm

    good

  4. Md. Mashum Ali

    Md. Mashum Ali

    December 14, 2020 at 4:29 pm

    ই-মেইল পড়ে ইনকাম করুন। Link https://volutic.com/register.aspx?u=217599
    ১. এই লিঙ্ক এ সাইন আপ অপশনে যান। ওখানে আপনাকে মেইল এবং একটি পাসওয়ার্ড দিতে হতে পারে। মেইল এবং পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর আপনি মেইলটি ভ্যারিফ্যাই করে নিন। এরপর সাইন ইন করে আপনার অ্যাকাউন্ট এ প্রবেশ করুন। আপনি এখানে আপনার অ্যাকাউন্ট এর সব বিষয় দেখতে পারবেন।এখানে আপনি আপনার রেফারেল লিঙ্ক ও পেয়ে যাবেন।

    ২.যেভাবে কাজ করবেন: ওয়েবসাইট এ ঢুকে আপনার কোনো কাজ নেই।যখন সময় হবে আপনাআপনি ই ওরা আপনার জিমেইল এ ওদের মেইল পাঠাবে। আপনি জিমেইলটি খুলবেন এবং ত্রিশ সেকেন্ড ধরে পড়তে হবে। মনে রাখবেন ত্রিশ সেকেন্ডের আগে কখনোই বন্ধ করবেন না ইমেইল টি। ইমেইল এর ভিতরে অনেক লিঙ্ক থাকতে পারে। লিঙ্ক এ প্রবেশ করার দরকার নেই।
    * টাইমার আপনার ফোণে শো করবে তাই আপনাকে শুধু ত্রিশ সেকেন্ড অপেক্ষা করা ছাড়া কোন কাজ নেই।

  5. Md Khorshed Ali

    Md Khorshed Ali

    December 15, 2020 at 1:44 pm

    খুব সুন্দর কথা

  6. Khairul Basher

    Khairul Basher

    December 21, 2020 at 10:54 am

    Good advise.

  7. Khairul Basher

    Khairul Basher

    December 21, 2020 at 10:58 am

    excellent.

  8. MD Shihab

    MD Shihab

    December 23, 2020 at 11:11 am

    Woww

  9. MD Shihab

    MD Shihab

    December 23, 2020 at 11:12 am

    Wow

  10. MD HOSSINE

    MD HOSSINE

    December 24, 2020 at 12:24 pm

    Good

  11. Arafat Rahman

    Arafat Rahman

    January 1, 2021 at 8:55 am

    Sundor kotha bolsen

  12. Masud rana

    Masud rana

    January 7, 2021 at 5:21 pm

    Thanks

  13. Farhana liza Farhana liza

    Farhana liza Farhana liza

    January 7, 2021 at 8:22 pm

    Nice post

  14. Soikot Ali

    Soikot Ali

    January 18, 2021 at 5:42 pm

    Good

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

সে দিনের কথা মনে পড়লে আজও কান্না চলে আসে

sijan Ahammed

Published

on

শৈশবের সেই সুখ মাখা স্বৃতি গুলো এখন দীর্ঘশ্বাস হয়ে বেরিয়ে আসে,, চলো আর একটি রার ফিরে আসি সেইদিন গুলো থেকে

চলো একবার ক্লাসরুমে বসে উদগ্রীব হয়ে কান পেতে থাকি দপ্তরির হাতের হাতুড়ি আর পেতলের থালার সংঘর্ষের অপেক্ষায়।
চলো এক মুহুর্তের জন্য ভুলে যাই মার্কার পেনের কালো রক্তে ক্ষতবিক্ষত হোয়াইট বোর্ডের উপর ভেসে উঠা বিদঘুটে গাণিতিক সমীকরণ।
চলো ব্ল্যাক বোর্ডের উপর আগের মতো ভাঙ্গা চক চালাই, আর কাঠের ডাস্টার দিয়ে ভুল গুলো মুছে মুছে সরল অংক সমাধান করি।
চলো সাদা রঙ্গের ময়লা কামিজে বল পয়েন্টের আঁকিবুঁকি নিয়ে ভয়ে ভয়ে আরো একবার মায়ের সামনে দাড়াই।
চলো নীল ডাউন হই, চলো আরেকবার মিথ্যে শপথ বাক্যটি পাঠ করি “দেশ ও জাতির মঙ্গলে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিবো”
চলো স্কুল পালাই,
চলো নতুন বই এর মসৃণ পৃষ্ঠায় নাক গুঁজি, নতুন বছরের, নতুন বৈশাখী আমের মুকুল আর নতুন বই এর সুঘ্রাণে মাখামাখি হই।
চলো সন্ধ্যেরাতে ঢুলুঢুলু চোখে পড়া মুখস্ত করতে করতে রবের কাছে লোডশেডিং এর বায়না ধরি।
চলো রস,কষ,সিঙ্গারা বুলবুলি খেলি কিংবা নিউজপ্রিন্ট কাগজের উপর কাটাকাটি।
চলো বিকেল বেলা, বই কাঁধে ক্লান্ত শরীরে বাড়ি ফিরি।
চলো আগামি ডিসেম্বরের শেষ দিনে মার্কসীড হাতে নিয়ে ফাঁসীর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মতো নতজানু হয়ে বাবার সামনে দাড়াই।
চলো মনে মনে এই অতৃপ্ত জীবনকে অস্বীকার করে নিয়ে,মিথ্যে করে হলেও একবার ভাবি “শৈশবের প্রিয় সহপাঠীদের মুখ।চলো শীতের সময় চড়ুইভাতি খাওয়ার আনন্দে মেতে উঠি আবার খেলার সাথীদের সাথে, চলো ২ টাকার হাওয়াই মিঠাই খাওয়ার জন্য ন্যাকা কান্না করে মায়ের হাতের সেই থাপ্পড় টা আবার খাই,চলো বউ পুতুলের বিয়ে দিয়ে নিজেকে জাহির করি কনের মা হিসেবে আর একটি রার,
শৈশব প্রত্যেকটা মানুষেরি সুন্দর হয় নির্ভেজাল এই জিবন টা আমরা সবাই খুব মিস করি, কখনো এই দিন গুলোকে মনে করে হাসি পায় আবার কখনো এই দিন গুলো কে মনে করে আবার স্বৃতির পাতায় ফিরে যাওয়ার জন্য আকুল হয়ে মন কষ্টের কালো মেঘে ছেয়ে যায়, শৈশবের দিনের কথা মনে হলে একটি গানি বেজে ওঠে প্রাণে,,পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়,
ও সে চোখের দেখা মনের কথা সে কি ভোলা যায়

আজ এ পর্যন্ত আবার আবার আসবো কোনো লেখোনি নিয়ে আপনাদের মাঝে
আল্লাহ হাফিজ

Continue Reading

লাইফস্টাইল

মশা কেন মানুষের রক্ত খায়

Bd Blogger

Published

on

আপনি কি জানেন মশা রক্ত খায় কেন? মানবদেহের রক্ত পান করার বিষয়টি মশার এলই বা কোথায়? বিজ্ঞানীরা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছেন। তবে কারণটি বেশ অবাক। বলা হচ্ছে, প্রথমদিকে মশারা রক্ত পান করতে অভ্যস্ত ছিল না। পরে এটি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।
বলা হচ্ছে, মশা শুকনো অঞ্চলে বসবাস করার কারণে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের রক্ত পান শুরু করে। যখনই আবহাওয়া শুষ্ক থাকে এবং মশা তাদের পুনরুত্থানের জন্য জল পান না, তারা মানব বা পশুর রক্ত খেতে শুরু করে।নিউ জার্সির প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা আফ্রিকার অ্যাডিস এজিপ্টি-এর মশা নিয়ে গবেষণা করেন। এই মশার কারণে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এর কারণেই ডেঙ্গু এবং পীত জ্বরও হয়।
নিউ সায়েন্টিস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে আফ্রিকার মশার মধ্যে নানান ধরনের এডিস এজিপ্টি মশা রয়েছে। সব মশা প্রজাতির মশা রক্ত পান করে না। তাঁরা অন্য কিছু খেয়ে বা পান করে বেঁচে থাকে।তারপরে তারা কীভাবে রক্ত পান করে তা বোঝার জন্য তাদের একটি ল্যাব বক্সে রেখে দেওয়া হয়। তারপরে দেখা যায় বিভিন্ন প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি মশার খাবার সম্পূর্ণ আলাদা।নোহ জানিয়েছেন, সমস্ত মশাই যে রক্ত খায়, এধারনা ভুল। যে অঞ্চলে বেশি খরা বা উত্তাপ রয়েছে বা জল কম রয়েছে সেখানকার মহাই রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রজননের জন্য আর্দ্রতার প্রয়োজন মেটাতেই তাঁরা রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ই পরিবর্তনটি কয়েক হাজার বছর ধরে মশার মধ্যে রয়েছে। শহরটি বিকাশ অব্যাহত রেখে বিপুল সংখ্যক জলের মশা কমতে শুরু করে এবং তারা মানবদেহ এবং অন্যান্য প্রাণী থেকে রক্ত খেতে শুরু করে।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

ব্যর্থতাকে এড়ানো যাবে না। বরং মেনে নেয়া শিখতে হবে

Eshrad Ahmed

Published

on

ব্যর্থতা আমাদের লাইফস্টাইলেরই অন্তর্গত। আমাদের জীবনে সফলতার বিপরীতে ব্যর্থতা আছে বলেই তার গুরুত্ব বেড়ে গেছে। যদি তুলনা করার জন্যে ব্যর্থতা না থাকতো, তাহলে মানুষ সফলতার পেছনে এতখানি ব্যস্ত হয়ে ছুটতো না!

 

এই ব্যর্থতাকে মেনে নিতে আমাদেরকে অনেকেই বলেছেন। বিখ্যাত মানুষেরা সফল হবার আগে ব্যর্থ হতে বলেন। কারণ ব্যর্থ না হলে কোথায় ভুল হচ্ছে বা ঘাটতি আছে সেটা শেখা যাবে না। কিন্তু এখানে একটা ব্যপার আছে। ছোটবেলা থেকেই আমাদের এমনভাবে বড় করা হয় যে, আমরা শুধু সফল হতেই শিখি। মুদ্রার উল্টো পিঠে ব্যর্থতাকে চিনতে পারি না। মেনে নিতে পারি না।

 

অনেকেই বলেন- সফল হবার পূর্বশর্ত হচ্ছে ব্যর্থ হতে হবে। একবার ব্যর্থ হওয়া মানে কাজ ছেড়ে দেয়া যাবে না। বরং আরও বেশি পরিশ্রম আর বুদ্ধি প্রয়োগ করতে হবে। লেগে থাকতে হবে। ধৈর্য্য ধরতে হবে। এই অসফলতা সবাইকেই ভোগ করতে হয়। এর উর্দ্ধে আমরা কেউ নই। একটা সময়ের পর মনে হবে এই ব্যর্থতা থেকে অনেক কিছু শিখেছি। একবারেই সফল হয়ে গেলে সমস্যা বা ঝামেলাগুলোর সাথে হয়তো পরিচয় ঘটতো না।

 

ব্যর্থতাকে এড়ানো যাবে না এটা ধ্রুব সত্য। কিন্তু হতাশ হলে বা থেমে গেলে চলবে না। সবসময় মুদ্রার অপর পিঠটা দেখার বা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। জীবনধারণ করতে গিয়ে প্রতিটি জায়গায় কেউই কখনো সফল হতে পারে না! কিছু কিছু জায়গায় অথবা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থতা থেকেই শিখতে হয়। এর মানে পিছিয়ে পড়া নয় বরং নতুন করে শেখার দ্বার উন্মুক্ত হওয়া।

 

কি করতে পারেন?

১। ব্যর্থ হলেও নিজেকে উৎসাহ দিন।
২। কিছুটা সময় নিয়ে আবার কাজে লেগে পড়ুন।
৩। লিপিবদ্ধ করতে পারেন ব্যর্থতার ঘটনাগুলো এবং তার কারণ খোঁজার চেষ্টা করুন।
৪। আশাহত হবেন না। অন্ধকার কাটিয়েই ভোর হয়। তেমনি ব্যর্থ হওয়া মানে আপনি সফলতার খুব কাছাকাছি আছেন।

 

মনস্তাত্বিক এক গবেষণায় দেখা গেছে- বর্তমানে মানুষ খুব বেশি বিচার করতে চায়। বিচারের মাপকাঠিও বদলে গেছে। এখন প্রতিযোগিতা এত বেশি যে, আরেকজনকে দমানোর জন্যে তার ব্যর্থতার ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি করে। উৎসাহ দেয়ার বদলে নিরুৎসাহিত করছে।

 

আমাদের জীবনযাত্রা অনেক জটিল হয়ে গেছে একথা সত্য। আর সেইসাথে আমাদের চিন্তাধারাও বদলে যাচ্ছে। ব্যর্থতা আর হতাশার দুঃখ কাটাতে অনেকেই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছেন সাময়িক প্রশান্তির জন্যে। কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান বের করতে পারছেন না।

 

তাহলে উপায় কি? উপায় হলো- প্রতিদিনের কাজের তালিকা রাখুন আর নিজেকে নিজেই বিচার করুন। আপনার সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করুন। আর কোনো কাজে ব্যর্থ হলে তার কারণ খুঁজতে চেষ্টা করুন। দেখবেন অনেক কিছু শিখতে পারবেন। এরপর সফলতা অর্জন করাটা সহজ হয়ে যাবে।

 

আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট