Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

উইন্ডোজ টিপস

কম্পিউটার হটাৎ করেই অন হচ্ছে না, কি করতে পারি??

rimu Begum

Published

on

কম্পিউটার এর নানাবিধ সমস্যা ফেস করতে হয় আমাদের আর এই সমস্যা সমাধান করতে বার বার কম্পিউটার এক্সপার্ট এর কাছে যাওয়ার সময় হাতে সব সময় থাকে না।তাই আমরা কি ভাবে ঘরে বসেই কিছু সমস্যা নিজে নিজেই সমাধান করতে পারি তাই নিয়ে আলোচনা করি।
আশা করছি সবার ভালো লাগবে।
কম্পিউটার অন হয় না বা
কম্পিউটার অন হওয়ার আগেই শব্দ হয় কিন্তু অন হয় না।

এমন সমস্যা হলে আমরা কি ভাবে কম্পিউটার ঠিক করতে পারি তা নিশে এখন আমারা আলোচনা করবো।

এই সমস্যার সম্ভাব্য কারণ : বেশির ভাগ সময় RAM এর সমস্যার কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান : নিচে এর কিছু সম্ভাব্য সমাধান দেয়া হল।



১. RAM টি মাদারবোর্ড থেকে খুলুন। ভালো ভাবে RAM এবং RAM slot টি পরিষ্কার করুন। আবার RAM মাদারবোর্ডে লাগিয়ে কম্পিউটার অন করে দেখেন সমস্যার সমাধান হতে পারে। ( RAM ভালোভাবে লেগেছে কিনা খেয়াল করুন। RAM এর এক বা একাধিক ছিদ্র আকৃতির দাগ রয়েছে সেই দাগটি মাদারবোর্ড এর দাগের সাথে মিলিয়ে নিন এর পর হালকা ভাবে চাপ দিয়ে RAM টি লাগান।)

২. যদি তার পরও সমস্যার সমাধান না হয় তাইলে RAM নষ্ট হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অন্য কোনো একই জাতীয় RAM লাগিয়ে দেখতে পারেন বা অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ নিন। সব শেষ উপায় হল RAM টির যদি ওয়ারেন্টি থাকে তবে ওয়ারেন্টিতে পাঠান অন্যথায় RAM টি পরিবর্তন করতে হতে পারে।

কম্পিউটার অন হয় কিন্তু কোন ডিসপ্লে দেখায় না :

সম্ভাব্য কারণ :

কম্পিউটার অন হয় কিন্তু কোন ডিসপ্লে দেখায় না বলতে অনেক সময় দেখা যায় কম্পিউটার এর মাদারবোর্ড এর কুলিং ফ্যান চলতে থাকে প্রত্যেকটি ইন্ডিকেটর লাইট জলে এই সমস্যা কে বুঝানো হয়েছে । এর অনেক কারণ থাকতে পারে। তবে সচরাচর দেখা যায় RAM এবংCOMS Battery এর কারণে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

 

সম্ভাব্য সমাধান :

১.RAM টি মাদারবোর্ড থেকে খুলুন। ভালো ভাবে RAM এবং RAM slot টি পরিষ্কার করুন। আবার RAM মাদারবোর্ডে লাগিয়ে কম্পিউটার অন করে দেখেন সমস্যার সমাধান হতে পারে।

২. মাদারবোর্ডের COMS battery টি খুলুন। ব্যাটারি খোলা অবস্থায় ৫/১০ মিনিট মাদারবোর্ডটিকে রাখুন। এর পর আবার ব্যাটারি লাগিয়ে কম্পিউটার অন করে দেখেন সমস্যার সমাধান হতে পারে।

৩. যদি এর পরও সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে পাওয়ার সাপ্লাইটি পরিবর্তন করে দেখুন। অনেক সময় পাওয়ার সাপ্লাই এর সাহায্য কারী পাওয়ারের সমস্যা হলে এরকম হতে পারে।

৪.এতো কিছুর পরও যদি একই সমস্যা থাকে তবে মাদারবোর্ডটি ক্যাসিং থেকে আলাদা করে ফেলুন।
মাদারবোর্ড থেকে RAM, processor ইত্যাদি খুলে ফেলুন।এখন মাদারবোর্ডটি বাইরে কোনো এক শুকনো বিদ্যুৎ অপরিবাহী জায়গায় বসিয়ে সমস্ত ইকুইপমেন্ট গুলো আবার স্হাপন করেন তার পর লাইন গুলো লাগিয়ে মেশিনটি অন করুন। যদি অন হয় তাহলে বুঝতে হবে হয়ত কোনো কারণে মাদারবোর্ড টি বডির সাথে লেগে গিয়ে থাকতে পারে। এ অবস্থায় বডিতে লাগানো নাট গুলো চেক করুন এবং মাদারবোর্ড টি আবার ক্যাসিং করে দেখুন। যদি ঠিক না হয় যে দোকান থেকে কিনেছেন সেই দোকান এ নিয়ে যান।

ইন্টারনেট

তার ছাড়া ইন্টারনেট সংযোগ নিন

Kazi Akash

Published

on

আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি আপনারা যে যেই অবস্থানে আছেন সুস্থ দেহে সুস্থ মনে বেশ ভালো আছেন । আমিও বেশ ভালো আছি । আপনারা যে যেই অবস্থানে আছেন সে সেই অবস্থানে থেকে সর্বদা সুস্থ দেহে সুস্থ মনে বেশ ভালো থাকুন এ প্রত্যাশাই ব্যক্ত করি সব সময়।

রাউটার এডাপ্টারটির নাম আমরা অনেকে শুনেছি আবার অনেকে শুনিনি (পকেট ওয়াইফাই রাউটার এর মত)। আমরা সকলে যানি একটি কম্পিউটার ইন্টারনেট ছাড়া অচল। ইন্টারনেট ছাড়া আমরা কম্পিউটার তেমন কোনো কাছে লাগাতে পারিনা। কিন্তু আমাদের সকলের বাড়িতে Wifi থাকে না যেটা একটা বড়ো সমস্যা। কিন্তু এই রাউটার অ্যাটেপটার দিয়ে আমরা সহজে কম্পিউটারে ইন্টারনেট নিতে পারি। এটি খুবই একটি উপকারি জিনিস।

উপকারিতা:

এই রাউটার দিয়ে আমরা অনেক উপকার পেতে পারি। আমরা এই রাউটার দিয়ে অনেক দূরের Wifi আমাদের কম্পিউটারে সংযোগ দিতে পারি। তাছাড়া আমাদের মোবাইলের হটস্পট দিয়ে আমরা আমাদের কম্পিউটার চালাতে পারি। এতে কোনো তারের প্রয়োজন পরেনা।

একটা কথা সকলে মনে রাখবেন আমরা কখনো আমাদের মোবাইলের ডাটা কেবল দিয়ে সরাসরি কম্পিউটারে ইন্টারনেট চালাবো না। এতে করে আমাদেয মোবাইলে যদি কোনো ভাইরাস থেকে থাকে তবে তা সরাসরি আমাদের কম্পিউটারে চলে যাবে। তাই এটি থেকে আমরা বিরত থাকবো না হলে আমাদের কম্পিউটার নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই সেটি থেকে রক্ষা পেতে আমাদের এই রাউটার খুব সাহায্য করবে।



কিভাবে সেটাপ দিবো:

আমরা যখন এই রাউটার কিনবো তখন এর সাথে আমাদের একটি সিডি ডিস্ক দিবে। আমরা সেই ডিস্ক কম্পিউটারে ওন করবো এবং ঐ ডিস্কের ফাইলে ঢুকবো। তারপর সেটাপ নামে একটি ওপশন থাকবে সেখানে ঢুকে সেটাপ দিতে হবে। সেটাপ শেষ হলে কম্পিউটার আপনাআপনি রিস্টাট নিবে। এবং আমাদের যে রাউটারটি থাকবে সেটি কম্পিউটারের যেকোন একটি USB পোর্টে ঢুকিয়ে দিবো। তারপর আমাদের নির্দিষ্ট Wifi টি পাসওয়ার্ড দিয়ে কানেট করে নিবো।

কোথায় পাবো এবং দাম কতো:

এই রাউটারটি যেকোনো কম্পিউটারের পার্স এর দোকানে পাবেন। এর দাম সর্ব নিম্ন ২৫০ টাকা থেকে ৬৫০ টাকা নিবে।

“তো বন্ধুরা এখনি কিনে নিন আপনার পছন্দের রাউটারটি। আর ইন্টারনেট সংযোগ দিন আপনার কম্পিউটারে”।

Continue Reading

উইন্ডোজ টিপস

কিভাবে খুব দ্রুত কম্পিউটারে টাইপিং ওস্তাদ হবেন দেখে নিন।

Shuvo Bhattacharjee

Published

on

আসসালামুআলাইকুম ,আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। আমি অনেক ভালো আছি।কম্পিউটার আমাদের বিভিন্ন কাজের মাধ্যম হিসেবে আজকাল বহুল ব্যবহৃত একটি যন্ত্র।এ কম্পিউটার মাধ্যমে আমরা আমাদের নানান কাজ করে থাকি। এক্ষেত্রে টাইপিং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি কতটা দ্রুত বেশ ভালোভাবে টাইপিং করতে পারছেন সেটার উপর নির্ভর করে আপনার অনেক কাজ। সুতরাং আমাদের সবার এই তাড়াতাড়ি টাইপিং করাটা শিখে নিতে হবে।

আজকের এপিসোড আমরা জানবো:

  • টাইপিং মূলত কি?
  • টাইপিং এর কিছু নিয়ম?
  • দ্রুত টাইপিং করার সিক্রেট উপায়?
  • শেষ কথা

টাইপিং মূলত কি?

সহজ ভাষায় আমরা কম্পিউটারে আমাদের কিবোর্ড এর মাধ্যমে যে সমস্ত শব্দ কিংবা বাক্য টাইপ করি এটাই মূলত টাইপিং। এ টাইপিং এর উপর আমাদের অনেক কিছু নির্ভর করে থাকে।যেমন আপনি কাজের জন্য টাইপিং করে কতটা সময় নষ্ট করছেন। এক্ষেত্রে আপনার টাইপিং যত দ্রুত হবে ততো আপনার কাজের সময় বেচে যাবে।

টাইপিং করার কিছু নিয়ম

১.টাইপিং হয়তো আমরা অনেকে অনেক ভাবে করে থাকি। কিন্তু কম্পিউটার টাইপিং এর ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম রয়েছে। যেমন: A-S-D-F ও সেমিকোলন-L-K-J

একই গুলোর ওপর সঠিক ভাবে হাত থেকে আমাদের টাইপিং করতে হবে। তবেই আমাদের টাইপিং করার সঠিক হবে। সম্পূর্ণ হাত বসিয়ে টাইপ করতে হবে আমাদের।



প্রথমত আমি নিয়মটি অনুসরন করে আপনার হাত বসানো শিখুন। তারপর ধীরে ধীরে অনুশীলনের মাধ্যমে দ্রুত করে তুলতে পারেন।

২. টাইপিং করার সময় একদম সোজা হয়ে বসবেন। কম্পিউটারের সোজা বসে কি বোর্ডের মধ্যে হাতগুলো রাখবেন নিয়মানুযায়ী। তারপর টাইপ করা শুরু করবেন।

৩. প্রতিদিন কমপক্ষে 15-20 মিনিট প্যারাগ্রাফ টাইপ করবেন। আর টাইপ করা শেষ হলে সেগুলো কে প্যারাগ্রাফ কমান্ড গ্রুপের মাধ্যমে প্রফেশনাল করে তুলবেন।

দ্রুত টাইপিং করার সিক্রেট টিপস

দ্রুত টাইপিং করার সিক্রেট টিপস বলতে আমি বলছি না যে আপনি আর্টিকেলটা পড়া মাত্রই দ্রুত টাইপিং করতে পারবেন। দ্রুত টাইপিং করার জন্য অবশ্যই আপনাকে বেশি বেশি অনুশীলন করতে হবে। পরবর্তীতে আপনি এর সুফলতা পাবেন।

দ্রুত টাইপিং করার সিক্রেট টিপস হলো: সোজা হয়ে বসে, সুন্দরভাবে হাতগুলো কিবোর্ড এর উপর রেখে আপনি টাইপ করবেন আস্তে আস্তে প্রথমত। প্রথমত দেখে দেখে ভালোভাবে টাইপ করবেন। তারপর আস্তে আস্তে না দেখে টাইপ করার চেষ্টা করবেন। এভাবে ভুল হতে হতে একসময় না দেখে খুব দ্রুত টাইপ করতে পারবেন।

এ সিক্রেট টিপস এর মাধ্যমে আপনি খুব দ্রুত টাইপিং করতে পারবেন।

শেষ কথা

আপনি যদি এই নিয়মগুলো ভালোভাবে চেষ্টা করেন খুব তাড়াতাড়ি আপনি কম্পিউটারে দ্রুত টাইপিং করতে পারবেন।প্রতিদিন আপনি 15 থেকে 20 মিনিট সময় এভাবে নিয়মগুলো মেনে টাইপিং করুন। খুব সহজে আপনি এর সুফলতা পাবেন। এরপর আপনার অনেক লাভ হবে। কোথায় চাকরির ক্ষেত্রে হয়তো আপনার টাইপিং এর জন্য আপনি অনেক সুবিধা পেতে পারেন।

আজকে ছিল এই পর্যন্ত, আসা করি এই নিয়মগুলো ফলো করলে আপনি খুব দ্রুত কম্পিউটার টাইপিং করতে পারবেন। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ।

Continue Reading

উইন্ডোজ টিপস

ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহার করে নতুন ফাইল খোলা ও লেখা নিয়ম

abdullah al minhaj

Published

on

আসসালামু আলাইকুম,প্রিয় পাঠকগন,আশা করি ভালো আছেন।আপনাদের দোয়া ও আল্লাহর রহমতে আমিও ভালো আছি। আপনারা অনেকেই ওয়ার্ড প্রসেসরে মাইক্রোসফট ব্যবহার করে নতুন ফাইল খুলতে পারেননা।

তাই আপনাদেরকে আমি আজকে ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহার করে কিভাবে নতুন ফাইল খুলবে ও কিভাবে লিখবেন সে সম্পর্কে বিস্তাররিত বলবো। ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহার করে লেখার সুবিধা কি সেটাও আজকে আপনাদের সামনে তুলে ধরব যদি পুরো পোস্ট টা মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে আশা কি সবকিছু বুঝতে পারবেন।

বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার আছে যেমন -মাইক্রোসফট ও্য়ার্ড,ওপেন অফিস রাইটার তবে আজকে আমি মাইক্রো সফট ওয়্যার দিয়ে কিভাবে লেখালেখি করবেন তা সমম্পর্কে বিস্তাররিত বলব।তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক-

প্রথমে কম্পিউটার অন করতে হবে তারপর মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর অপশন গিয়ে ক্লিক করতে হবে তারপর ফাইলে ক্লিক করার পর ব্ল্যাক ডকুমেন্ট ক্লিক করতে হবে তারপর ক্রিয়েট এ ক্লিক করলেই নতুন ফাইল ক্রিয়েট হয়ে যাবে।



তারপর পুরো মনিটর জুড়ে একটা সাদা কাগজের মতো পৃষ্ঠা খুলে যাবে এবং তার শুরুতে একটা ছোট খাড়া লাইইন জ্বলতে নিভতে থাকবে যা কারছার নামে পরিচিত। এখন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড লেখালেখির জন্য প্রস্তুত। মাইক্রো সফট্ওয়ারে লেখালেখি করার জন্য কম্পিউটারের কিবোর্ড কোনটা দিয়ে কি হয় তা জানা খুবই জরুরী। তাই আমি গুরুত্বপূর্ন কয়েকটা কি নিয়ে আলোচনা করব।সেগুলো হচ্ছে-

১/বড় হাতের অক্ষর লেখার জন্য শিফট কী চেপে ধরতে হবে, না হলে ছোট হাতের হবে।

২/লেখার মাঝখানে ফাঁকা রাখার জন্য স্পেস বার টিপ দিতে হবে।

৩/ নতুন প্যারাগ্রাফ শুরু করার জন্য এন্টার বাটনে চাপ দিতে।

৪/যখন লেখা হয় তখনকার কারছারটি লেখার শেষে থাকে মাউস নাড়িয়ে অন্য জায়গায় নিয়ে গেলে কার কারছারটিও সেখানে যায়,মাউসটিকে ক্লিক সেখান থেকে লেখা শুরু হবে।

৫/ডিলিট বোতামটি চাপ দিয়ে কারছার এর আগের অংশ মোছা যায়।আগের অশ মোছার জন্য ব্যাক স্পেস বোতামটি চাপ দিয়ে তারপর ডিলিট বোতাম টি চাপ দিলে আগের অংশ মোছা যাবে।

এছাড়াও কি-বোর্ড এ অনেক বোতাম আছে তবে উপরের পাঁচটি বিষয় জানা থাকলে ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহার করলে সবকিছুই লেখা সম্ভব।

এবার লেখা সেব করার জন্য ওয়ার্ড প্রসেসর এর উপরের দিকে তাকালে ফাইল মেনু দেখা যাবে দেখা যাবে সেখানে ক্লিক করে সেখান থেকে সেব অপশনটা ক্লিক করলে লেখাগুলো সেভ হয়ে যাবে। লেখাটি চাইলে একটা নাম দিয়েও সেভ করা যাবে।

ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহার কাজ করে আমরা অনেক সুবিধা পেয়ে থাকি।যেমন-

১/নির্ভুল ভাবে লেখালেখি করতে পারি।

২/ভুল সংশোধন করা যায়।

৩/লেখা সংরক্ষন করে তা যেকোনো সময় ব্যবহার করা যায়।ফলে একই কাজ বারবার করার প্রয়োজন হয় না।

৪/নানা ভাবে লেখাকে উপস্থাপন করা যায়।যেমন-লেখার আকার ছোট বড় করা যায়,বক্স আকারে প্রকাশ করা যায়,লেখা রঙিন করা যায়।

৫/ছবি,চার্ট ইত্যাদি সংযোজন করা যায়।

৬/ইনসার্ট ট্যাব থেকে লেখা বিভিন্ন স্টাইল করা যায়।

৭/পৃষ্ঠার নাম্বার দেওয়া যায়। ইত্যাদি

আশা করি আপনারা মাইক্রো সফটওয়্যার ব্যবহার করে কিভাবে নতুন ফাইল খোলে ও লেখে বুঝতে পেরেছেন।

Continue Reading