Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ক্রিকেট

ক্রিকেটে বাংলাদেশের পথচলা এবং আমাদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন

Nisat Anzum

Published

on

যদি ম্যাচ জেতার পর বাংলাদেশ বাংলাদেশ বলে রাস্তায় মিছিল দেখা হয়েছে কখনো আপনার, তাহলে ধরে নিতে হবে অবশ্যই আপনি দেখেছেন হাজার হাজার ভক্তকে রাস্তায় নেমে আসতে ,এক খেলার প্রতি ভালোবাসা থেকে। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের শত শত সমস্যার মাঝে , একটা ম্যাচ জেতার আনন্দ যে কতটা তা রাস্তায় ছোট্ট ছোট্ট ছেলে থেকে বুড়ো রিকশা ওয়ালার হাসিমুখ ই বোঝার জন্য যথেষ্ট। হ্যা বলছি, ক্রিকেট নামক এক খেলার কথা ,যা দেশীয় খেলা না হওয়া স্বত্ত্বেও প্রতিটি বাঙালির যেনো এক অন্যরকম আবেগের জায়গা এই ভিনদেশী খেলা।
যদিও মাঠে দেশের হয়ে এগারো জন খেলে কিন্তু প্রতিটি বাঙালি প্রার্থনারত থাকে কখন আমাদের দামাল ছেলেরা ছিনিয়ে আনবে বিজয়।
অজো পাড়গায়ের কৃষক এর ছেলেটার এখন হতে চায় সাকিব আল হাসান এর মতো বড় ক্রিকেটার। মেয়েরাও পিছিয়ে থাকে না এখন, সালমার মতো উদ্দ্যেমী প্রাণচঞ্চল ক্রিকেটার হয়ে দেশের জন্য জয় ছিনিয়ে আনতে চায়। স্বপ্ন দেখার এক নতুন দরজা খুলে গিয়েছে যেনো নতুন প্রজন্মের কাছে। যে ছোট ছেলে আগে শচীন টেন্ডুলকারের মতো হতে চাইতো এখন সে তামিম ইকবালকে অনুপ্রেরণা নেয় , কারণ এখন যে আমাদের ছেলেরা ভালো ক্রিকেট খেলে। একটা সময় ছিলো আমরা কাল ভদ্রে ম্যাচ জিততাম। কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় দলগুলোর বিপক্ষে জিতে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি , হ্যা আমরাও পারি।
আইসিসির জনপ্রিয় তিনটি ক্রিকেট ফরম্যাটেই আমাদের পদচারণা রয়েছে।যদি একটু পিছনে ফিরে তাকাই , প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ ছিলো পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩১ মার্চ ১৯৮৬ সালে, তারপর ২০০০ সালে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলার মাধ্যমে শুরু হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের দশম টেস্ট ক্রিকেট খেলা দেশ হিসেবে পথচলা। ক্রিকেটের আরেক জনপ্রিয় ফরম্যাট টি-২০ ক্রিকেট এ অভিষেক হয় ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেট এ পদযাত্রা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপ এ পাকিস্তান বধের সেই তাজা স্মৃতি এখনো মনে করে এদেশের ক্রিকেট ভক্তরা।
সময়ের সাথে সাথে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অনেক উথান পতন এর সাক্ষী হয়েছে এদেশের ক্রিকেট প্রেমীরা তবে তাদের আশার পারদ পুরোপুরি পূর্ণ করতে পারি নি সোনার ছেলেরা। টেস্ট ক্রিকেট এ এখনো বাংলাদেশের অবস্থান খুব একটা ভালো নয়। হালের জনপ্রিয় টি-২০ ফরম্যাটেও খুব ভালো অবস্থান নেই আমাদের।
ওয়ানডে ক্রিকেটের ভয় তুলনামূলক কাটিয়ে উঠেছে আমাদের দল তাই সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতা হয়েছে এখানেই। বিশ্বকাপ নিয়েও বরাবরই আমরা বেশি আশা করেছি যার ফলাফল দেখেছি ২০১৫ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
শুরু করেছিলেন যেসব পুরাতন ক্রিকেটাররা তাদের দেখানো পথে এগিয়ে এসেছে আর পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট এ এখন। সেরা অলরাউন্ডার হয়ে সাকিব আল হাসান বিশ্বের বুকে বরাবরই আমাদের দেশকে চিনিয়েছেন। মাশরাফি,তামিম, মুশফিক,রিয়াদ সবাই দলে নতুন ভাবে নিজেকে মেলে ধরার কারণেই কালভদ্রে আগে যে জয় আসতো এখন সেখানে আমরা প্রায়শই জয় রথ দেখি। কয়েকবার ফাইনালে গিয়েও রানার্সআপ হয়ে ফিরতে হয়েছে বাংলাদেশকে, যেমন নিজ ঘরের মাঠে ২০১২ সালের হৃদয় বিদারক ফাইনাল যেখানে বাংলাদেশ ২ রানে পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরে যায়।
কিন্তু হতাশ করেনি আমাদের তরুণ অনুর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের দামাল ছেলেরা।এইতো সেদিন আইসিসি অনুর্ধ্ব-১৯‌বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ান হয়ে পৃথিবীর বুকে লিখেছে বাংলাদেশ নতুন ইতিহাস।
একসময় ছিলো বাংলাদেশ এ ফুটবল খেলার জনপ্রিয়তা বেশি , বিশেষ করে ৯০ দশকে কিন্তু এখন ক্রিকেট বাংলাদেশের আমজনতার কাছে এক ভালোবাসার জায়গা। একদিন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ও বিশ্বকাপ জিতবে আর প্রতিটি ক্রিকেট প্রেমীদের ঘরে হবে উৎসব কমবেশী আমার মতো ,সব ক্রিকেট প্রেমী এই স্বপ্ন দেখে।

Advertisement
36 Comments

36 Comments

  1. Maria Hasin

    Maria Hasin

    May 22, 2020 at 8:16 pm

    Valo

  2. Zillur Rahman

    Zillur Rahman

    May 22, 2020 at 8:36 pm

    ধন্যবা! অসাধারণ পোস্টের জন্য।

  3. Arshia joya

    Arshia joya

    May 22, 2020 at 9:12 pm

    Love cricket

  4. Md Ebrahim

    Md Ebrahim

    May 22, 2020 at 9:14 pm

    Good

  5. Muktadir Hasan

    Muktadir Hasan

    May 22, 2020 at 9:19 pm

    hmm

  6. Rajib Saha

    Rajib Saha

    May 22, 2020 at 9:33 pm

    Samne aro egobo Bangladesh😍

  7. Md Ahsan Habib

    Md Ahsan Habib

    May 22, 2020 at 9:48 pm

    Nice

  8. Sakib khan

    Sakib khan

    May 22, 2020 at 11:54 pm

    Gd

  9. Mojammal Haque

    Mojammal Haque

    May 23, 2020 at 12:07 am

    Tigers

  10. Hridoy Khan

    Hridoy Khan

    May 23, 2020 at 2:23 am

    rhyr

  11. Liyana Rasa

    Liyana Rasa

    May 23, 2020 at 4:34 am

    Gs

  12. Fatiha tus ilma

    Fatiha tus ilma

    May 23, 2020 at 8:40 am

    Good

  13. Md Ruhul Amin

    Md Ruhul Amin

    May 23, 2020 at 8:48 am

    good

  14. Md Rakib

    Md Rakib

    May 23, 2020 at 10:04 am

    hhhmm

  15. Tanvir hossen

    Tanvir hossen

    May 23, 2020 at 10:51 am

    good

  16. Riad Hasan

    Riad Hasan

    May 23, 2020 at 12:01 pm

    Love Bangladesh

  17. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    May 23, 2020 at 12:28 pm

    Sundor

  18. Riad Hasan

    Riad Hasan

    May 23, 2020 at 12:35 pm

    Nice

  19. Sabina Akter

    Sabina Akter

    May 23, 2020 at 2:28 pm

    Wow

  20. Anisur Rahman

    Anisur Rahman

    May 23, 2020 at 2:29 pm

    wow

  21. Shahin Shan

    Shahin Shan

    May 23, 2020 at 3:14 pm

    gd

  22. Shahed Ahamed

    Shahed Ahamed

    May 23, 2020 at 5:05 pm

    Joss

  23. firoz alam niloy

    firoz alam niloy

    May 23, 2020 at 6:03 pm

    Good

  24. Emon Rafiq

    Emon Rafiq

    May 23, 2020 at 8:26 pm

    Best wishes

  25. Mehedi Islam Noman

    Mehedi Islam Noman

    May 23, 2020 at 8:53 pm

    Nice post

  26. Trisad Saha

    Trisad Saha

    May 23, 2020 at 10:13 pm

    Gd

  27. Kamal Chy

    Kamal Chy

    May 23, 2020 at 11:18 pm

    সুন্দর পোস্ট।ধন্যবাদ

  28. Khairul Kabir

    Khairul Kabir

    May 24, 2020 at 1:27 am

    agiye jao bangladesh

  29. Humayun Kabir

    Humayun Kabir

    May 24, 2020 at 9:13 am

    Gd

  30. Musa Khan

    Musa Khan

    May 24, 2020 at 6:42 pm

    lovly

  31. Avijit Sharma

    Avijit Sharma

    May 24, 2020 at 11:52 pm

    nice

  32. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    June 2, 2020 at 7:09 pm

    nice

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

ক্রিকেট

শাহীদ আফ্রিদি:‌তারকার আড়ালে এক সমাজসেবক

Nisat Anzum

Published

on

নব্বইয়ের দশকে একটি অল্প বয়সী ছেলে ক্রিকেট মাঠে নেমে মাত্র 37 বলে ওয়ানডে ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করে গড়েছিল বিশ্বরেকর্ড সে আর কেউ নয় শাহিদ আফ্রিদি যিনি বর্তমানে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক ক্রিকেটার। শুধুমাত্র ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরি নয় সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড ও আফ্রিদির দখলে। একজন সফল অলরাউন্ডার হিসেবে ক্রিকেট মাঠে আফ্রিদি ছিলেন সবসময় সমাদৃত।
ডানহাতি এই লেগ স্পিনার বুমবুম আফ্রিদি নামে সুপরিচিত ক্রিকেট দুনিয়ায়। তার ক্রিকেট দুনিয়ার অনেক অনেক রেকর্ড এর খবরই হয়তো আমরা জানি অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও রয়েছে শাহীদ আফ্রিদির লাখো ভক্ত। কিন্তু আজকের এই লেখায় আমরা ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি সম্পর্কে যতটা না জানবো তারচেয়ে বরং জানবো আফ্রিদির আরেক জীবন সম্পর্কে।
হ্যাঁ ,মানবতার পাশে শাহীদ আফ্রীদি বহুদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন অত্যন্ত যত্নসহকারে, সেই ধারাবাহিকতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন। বিভিন্ন ধরনের সেবামূলক কর্মকাণ্ডে শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে দিনের পর দিন যেমন বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা বিশ্ব অস্থিতিশীল করোনা ভাইরাসের কারণে এবং এই দুঃসময়ে শাহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন কাজ করছে মাঠ পর্যায়ে।
শাহীদ আফ্রীদি সশরীরে উপস্থিত হয়েছে বিভিন্ন জায়গায় এবং বিভিন্ন ধরনের সচেতন মূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গায়।
এছাড়া বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত যে ঘটনা তা হলো বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম তার প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ঐতিহাসিক ব্যাটটি নিলামে তুলেন করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের এই সময়ে দুঃস্থদের সহায়তার জন্য। মুশফিকুর রহিমের এই ব্যাটটি কিনে নিয়েছে শাহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন। 20 হাজার ডলার বা প্রায় 17 লাখ টাকা দিয়ে শাহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন কিনে নেন মুশফিকুর রহিমের ঐতিহাসিক ব্যাটটি যার পুরো অর্থ ব্যয় হবে করোনায় যারা অসহায় দুঃস্থ তাদের জন্য।
ইতিমধ্যে শাহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন করনা মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছিল এবং এরই মধ্যে মুশফিকুর রহিমের পাশে দাঁড়ায় শাহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন এবং শাহীদ আফ্রিদি উচ্ছাস প্রকাশ করেন করোনা ভাইরাসের এই দুঃসময়ে মুশফিকুর রহিম এর পাশে দাঁড়াতে পেরে এবং প্রশংসা করেন তার এই মহৎ উদ্যোগের। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের মানুষের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
মূলত শাহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করে এবং তাদের প্রধান মিশন। শাহীদ আফ্রীদি বিশ্বাস করেন আশার কখনো মৃত্যু হয় না অর্থাৎ Hope Is not out.
একজন তারকা খেলোয়াড় হয়েও এভাবে অসহায়দের জন্য শাহীদ আফ্রিদি এবং তার এই ফাউন্ডেশন যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তা নিশ্চয়ই এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ মানুষের জন্য কাজ করার।
আমরাও তার জীবন থেকে নিতে পারি শিক্ষা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি নিজ অবস্থান থেকে।

Continue Reading

ক্রিকেট

গ্রায়েম স্মিথ সৌরভ গাঙ্গুলিকে আইসিসির প্রধান দেখতে চায়!!

Zillur Rahman

Published

on

আসসালামুআলাইকুম। বন্ধুরা স্বাগত জানাচ্ছি ক্রিকেটের নতুন আপডেট খবর নিয়ে। তাহলে চলো শুরু করা যাক।

দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটের পরিচালক গ্রামীণ স্মিথ বৃহস্পতিবার ভারতের সৌরভ গাঙ্গুলিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পরবর্তী চেয়ারম্যান হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্মিথ বলেছিলেন যে তিনি বিশ্বাস করেন, সহকর্মী সাবেক টেস্ট অধিনায়ক এবং বর্তমান ভারতীয় বোর্ডের সভাপতি, কোভিড -১৯ মহামারীজনিত সঙ্কটের সময়ে এই খেলায় নেতৃত্ব দেওয়ার সঠিক ব্যক্তি ছিলেন।
স্মিথ বলেছিলেন, “আইসিসির প্রধান হিসাবে সঠিক ব্যক্তি হওয়া খুব জরুরি।”
“কোভিড-পরবর্তী, ক্রিকেটের শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রয়োজন হবে এবং নেতৃত্বের শংসাপত্রগুলির সাথে আধুনিক গেমের খুব কাছের কেউ এই অবস্থানে আসার সময় এসেছে।”

ভারত থেকেও আইসিসির বর্তমান চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর গত ডিসেম্বরে বলেছিলেন যে মে মাসের শেষের দিকে তার মেয়াদ শেষ হলে তিনি পুনরায় নির্বাচন করবেন না।

এক টেলি-সম্মেলনে বক্তব্যে স্মিথ গাঙ্গুলির নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার অন্তর্বর্তী প্রধান পরিচালক জ্যাক ফাউল বলেছেন যে আগস্টের শেষদিকে ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের দক্ষিণ আফ্রিকার পরিকল্পনা এখনও অব্যাহত রয়েছেে, যদিও এটি কোভিট-১৯ এর দৃষ্টিভঙ্গিতে উভয় সরকারের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। ফাউল বলেছিল যে তারিখগুলি পরিবর্তিত হতে পারে এবং “যদি প্রয়োজন হয়” ম্যাচগুলি দর্শকদের ছাড়াই খেলতে পারে।
ফাউল বলেছিলেন যে তিনি স্মিথের গাঙ্গুলির আইসিসির প্রধান হওয়ার আহ্বানকে স্বাগত জানিয়েছিলেন, কিন্তু সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে সিএসএ বোর্ড কর্তৃক এটি এখনও সরকারী নীতি অনুমোদন করেনি।
সিএসএর চিফ মেডিকেল অফিসার ডাঃ শুয়াইব মাঞ্জরা বলেছিলেন যে টি-টোয়েন্টি সিরিজটি দর্শকদের মুক্ত “বায়ো বুদবুদ” হিসাবে বর্ণনা করেছেন যা খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের স্বাস্থ্যকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে তৈরি করার একটি আদর্শ সুযোগ হবে।
তিনি স্বীকার করেছেন যে বর্তমান অবস্থার অধীনে, একটি সফরের আগে এবং পরে উভয়ই ১৪ দিনের পৃথকীকরণের সময়কাল অবশ্যই খেলোয়াড়দের জন্য প্রয়োজনীয় হবে।
স্মিথ বলেছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইংল্যান্ড সফরের পরিকল্পনার চূড়ান্তকরণের উপর নির্ভর করে জুলাই মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরিকল্পিত দক্ষিণ আফ্রিকার সফরটি বিলম্ব হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেছিলেন যে নিরপেক্ষ স্থানগুলিতে ম্যাচগুলি খেলতে পারার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে কোনও কিছুই পাথরে নিক্ষেপ করা হচ্ছে না।”

বন্ধুরা! আমার এই নিউজটি যদি ভালোলাগে তাহলে অবশ্যই  কমেন্ট করে জানাবে। ধন্যবাদ।

Continue Reading

ক্রিকেট

হোম ক্রিকেট বুলি উপাধি পাওয়া মুমিনুল!

নাঈম হাসান

Published

on

ভদ্র লোকের খেলা ক্রিকেটে অনন্য সুন্দর এবং গৌরবের ব্যাপার সেঞ্চুরি শব্দটা৷ শব্দের আড়ালে খুব নির্দয় গগনার বেড়াজালে ক্রিকেট পরিসংখ্যানবিদরা খুঁজেন দেশ এবং দেশের বাইরে এর সংখ্যা কতো! এই হিসেবে কেউ কেউ নিজের কর্মে কিংবা সেঞ্চুরির গননায় নিজের গায়ে তকমা পেয়ে বসেন হোম বুলি ক্রিকেটার আর কেউবা যেকোনো মাঠের রাজা হিসেবে। তথা আপনার-আমার কাছে সেই হিসেবে বেশ ভালো ভাবেই বর্তমান সময়ে ঘরের মাঠের বুলি হিসেবে পরিচিত হচ্ছে টাইগার অধিনায়ক মুমিনুল হক এর নাম! তবে আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু মুমিনুলের সতীর্থরা এই জায়গায় কেমন? তাদের কেনো এই তকমা দেওয়া হয় না?

image source: http://gettyimage.com

  • মুমিনুলের হিসেব নিকাশ; মুমিনুল দেশের আভিজাত্যের পোশক গায়ে চাপিয়েছেন ৪০ বার। তার মধ্যে ২৩ বার এই ছিলো দেশের মাটিতে। আর বাকি ১৭ বার ছিলো প্রতিপক্ষের আপন ডেরায়! ক্যারিয়ারে ৪০ ম্যাচে মুমিনুলের রয়েছে ৯ সেঞ্চুরির বিপরীতে ১৩ অর্ধশত! সেঞ্চুরির ৯ টিই দেশের মাটিতে এবং অর্ধশত এত ৭ টি দেশের মাটিতে। বাকি ৬ টি কিন্তু বাইরের দেশের ২২ গজের রণাঙ্গনে!

 

  • বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে মুমিনুলের অভিষেকের পর থেকে সেঞ্চুরি এসেছে ৩৪। যেখানে একা মুমিনুলের অবদান ৯ টি সেঞ্চুরি। মুমিনুলের অভিষেকের পর থেকে দেশের বাইরের মাটিতে ২০ টেস্ট ম্যাচ মোট ৪৩ জন প্লেয়ার খেলেছে। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের বাইরে বাংলাদেশের টেস্ট পরিসংখ্যানে সেঞ্চুরি এসেছে ১০ টি। যা ঐ সময়ে মুমিনুলের সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ টি বেশি।

 

  • এখন আসি দেশীয় ব্যাটসম্যানের দিকে; দেশের বাইরে সেঞ্চুরির দিকে এই সময়ে সবচেয়ে বেশি সফল মুশফিকুর রহিম। গেলো ৭ বছরে অর্থাৎ মুমিনুলের অভিষেকের পর থেকে মুশফিকের ৬ সেঞ্চুরির মধ্যে ৪ টিই দেশের বাইরে। এরপর সাকিবের ৩ টির মধ্যে ২ টি দেশের বাইরে। জেনে অবাক হবেন ঠিক এই সময়ে তামিমের করা ৫ সেঞ্চুরির মধ্যে ৪ টিই দেশের মাটিতে। অর্থাৎ দেশের বাইরে এই সময়ে তামিমের সেঞ্চুরি মাত্র ১ টি।

 

  • দেশের বাইরে রান; মুমিনুলের অভিষেকের পর থেকে বাংলাদেশের দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত টেস্ট ম্যাচে সবচেয়ে বেশি রান পেয়েছে মুশফিকুর রহিম (১৪৩৭)। আপনি জেনে অবাক হলেও হতে পারেন তালিকায় রয়েছে মুমিনুল হক এর নামও। মুমিনুলের অভিষেকের পর থেকে দেশের বাইরে টেস্টে ম্যাচে রান সংগ্রহে ৫ম স্থানে মুমিনুলের রান ৭৩৬। এই সময়ে দেশের বাইরে মুমিনুলের অর্ধশত এর সংখ্যা যৌথভাবে ২য় সর্বোচ্চ।

ক্যারিয়ারে শুরু তে রান উৎসবের পরিচয়ে নিজেকে চেনাতে না পারা ক্রিকেটার খুঁজ নিলে অনেক পাওয়া যাবে। তেমনি মুমিনুল ক্যারিয়ারে এখনো পর্যন্ত দেশের ন্যায় দেশের বাইরে দাপুটে কিছুই উপহার দিতে পারে নাই। এই কথা অকপটে স্বীকার করা বিন্দুমাত্র কারণ নেই। তবে যেখানে বাংলাদেশ ক্রিকেট কিংবা দলের সকল খেলোয়াড় নিজেত পারফরম্যান্সে বাইরের দেশে ম্লান সেখানে একা মুমিনুল কিভাবে হতে পারে হোম বুলি ক্রিকেটার?

দেশেত বাইরে কিছু হাফসেঞ্চুরি এসেছে, সেগুলো যদি শতরানে রূপ দিতে পারতেন তাহলে গল্প টা বদলে যেতো। বদলে যেতো ঘরের বাঘ নাম দেওয়া মুমিনুলের গল্প। তা হয়তোবা এখনো পর্যন্ত পেরে উঠেননি মুমিনুল তবে সামনে যে পারবে না এমনটা ধারণা করা নেহাত অন্যায় এই বটে। হোম বুলি ক্রিকেটার বলতে গেলে তামিম ইকবাল কি দোষ করেছে? আর তাই আশা এবং প্রত্যাশার আড়ালে মোদের ধোয়াঁসা মোড়ানো চাওয়া একটাই মুমিনুল সবার প্রশ্ন এবং এই উপাধির জবাব ২২ গজে উইলো হাতে দিক! তার জন্যে রইলো নিতান্তর শুভকামনা!

Continue Reading