Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

চলুন স্বার্থপর মানুষদের মেজাজ সম্পর্কে কিছু ধারণা করি

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই?আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।

বর্তমান সময়টা খুবই অদ্ভুত যাচ্ছে। মহামারী করোনায় ছেয়ে গেছে সর্বএ।এই মহামারীই আমাদের সবাইকে স্বার্থপরতা মানুষকে কতটুকু নিচে নেয়ে যেতে পারে তা আঙ্গুল দিয়ে আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে। কারণ মানুষ এখন অপরের থেকে নিজের চিন্তায় বেশি ব্যস্ত।পরিবারের আপন লোকেরাই থাকছেনা পাশে অন্য কারো উদাহরণ টানা সেখানে বেমানান নয় কি?

চলুন স্বার্থপর মানুষদের মেজাজ সম্পর্কে কিছু ধারণা করি – দয়া করে কেউ সিরিয়াসলি নিবেন না। 

এই পৃথিবীতে চারদিকে স্বার্থপর মানুষ ছেয়ে গেছে। এখন আর কেউ কারো বিপদে এগিয়ে আসে না সবাই নিজের স্বার্থটাই বুঝে।

স্বার্থপরতার এক উৎকৃষ্ঠ উদাহরণ আমরা এই মহামারীতে দেখেছি সবচেয়ে বেশি।কারণ এই করোনাই আমাদের আঙুল দেখিয়ে দিয়েছে এই সমাজে, পরিবারে কেউ কারো আপন নয়।পরিবারের একজনের করোনা হয়েছে বলে তাকে গেইটের বাইরে রেখে আসতে দেখেছি।আবার সেই সাথে যখন সেই ব্যক্তিটির আবার করোনা হয়েছে তখন প্লাজমার জন্য আগের সেই আক্রান্ত ব্যক্তির কাছে হাত পাততে দেখিছি।তাই বলা যায় স্বার্থপর মানুষের স্বভাব বড়ই বিচিত্র জিনিস।চলুন জেনে আসি সেই সকল স্বার্থপর মানুষদের সম্পর্কেঃ

১.স্বার্থপর মানুষগুলো খুব বেশি আত্নকেন্দ্রীক হয়। এরা নিজেরা ছাড়া কারো চিন্তা করেই না।

২.স্বার্থপর মানুষেরা কখনোই কারো উপকার করে না।

৩.স্বার্থপর মানুষেরা মূহুর্তের মধ্যেই আপনার রং বদলায়।

৪. স্বার্থপর মানুষেরা কখনো কারো আপনজন হতে পারে না। এরা না হয়ে পরিবারের আপনজন, না হতে পারে দেশের আপন।

৫.এদের মনে সবসময় হিংসা কাজ করে।

৬.এরা সবসময় নিজে ভালো থাকার প্রতি খেয়াল থাকে।সমাজে কে কেমন আছেন,কিভাবে তাদের এই অবস্থা হলো সেইসব নিয়ে তাদের কোন চিন্তাই মাথায় থাকে না।

এতক্ষন আলোচনা করলাম এদের অভ্যাস নিয়ে এখন আসি চলুন দেখে আসি এরা কেমন মেজাজের হয়ঃ

১.এরা খুব শান্ত মেজাজের অধিকারী হয়। কারণ শান্ত থেকেই এরা নিজের স্বার্থ আদায় করে নেয়।

২.এরা শুধু নিজের চিন্তা করে বিধায় সেই পরিস্থিতিতে এরা পড়ুক না কেন কখনো এরা অন্যের ব্যাপারে ভাবে না।

৩.এরা এমন এক মেজাজ যে অন্য কেউ সাহায্য চাইলেও তাকে যেমন ফিরিয়ে দেয় না আবার তার উপকারও করে না।

৪.এরা কোন কথা মুখের উপরই অগ্রাহ্য করে দেয়।

৫.এরা নিজেদের এগিয়ে রাখতে চায় সবকিছুতে।তাই এরা বন্ধু থেকে শত্রু হতে কোন সময় নেয় না।

এমন আরও নানান মেজাজের হয়ে থাকে সমাজের নামধারী স্বার্থপর মানুষজন।এদের কাছে প্রতিকথায় স্বার্থ ছাড়া অন্য কোন কথা নেই৷ তাই যদি পারেন এই সকল মানুষ থেকে যথা সম্ভব দূরে থাকবেন।নিজে ভালো থাকবেন ঠিক তেমনি নিজের পরিবারকেও ভালো রাখবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Advertisement
8 Comments

8 Comments

  1. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    August 2, 2020 at 3:07 pm

    Valoi bolechen.

  2. Md Ahasan Habib

    Md Ahasan Habib

    August 3, 2020 at 9:43 am

    সুন্দর।

  3. Sayem Ahmed

    Sayem Ahmed

    August 3, 2020 at 4:01 pm

    good

  4. Sayem Ahmed

    August 4, 2020 at 5:52 pm

    nice

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

ভালোবাসা কী চিনে নাও

Trimiti Chakma

Published

on

ভালবাসা কে না চায়। আমরা সবাই ভালবাসার পিপাসু। প্রত্যেক ভালবাসার আলাদা আলাদা রূপ আছে। সব ভালোবাসার সম্পর্ক আলাদা।
মা-বাবার ভালোবাসা যেমন একরকম, ভাই বোনের সম্পর্কে আলাদা ভালোবাসা। মা বাবার পর আমাদের সবচেয়ে যে কাছের মানুষ সে হল আমাদেরকে লাইফ পার্টনার। আসলে লাইফ পার্টনার মানে কী! তোমরা কেউ কী এখনও লাইফ পার্টনারের আসল অর্থ বুঝতে পেরছো! লাইফ পার্টনার হল সে যে জীবনের প্রত্যেক খারাপ সময়ে পাশে থাকবে সাহস হয়ে। খুশির দিনকে করে তুলবে রঙ্গিন। কষ্টে কাছে এসে হাত ধরে বলবে আমি আছি,আমি থাকব।
কিন্তু বর্তমান ইয়াং জেনারেশন লাইফ পার্টনার খুজে না। খুজে টাইম পাস করার জন্য কাউকে। এইতো বোরিং লাগছে ওর সাথে একটু টাইম পাস করি। কেন বোরিং লাগলে অন্যের ফিলিংস নিয়ে খেলা এইটা কি ঠিক! ভুলতা আমাদেরই সবাইকে এক ভাবি আমরা। দেখেও না দেখার ভান করে থাকি। কারণ সামনের মানুষতার প্রতি আমরা অতি বেশি দূর্বল হয়ে যায়।
কাউকে ভলোবাসার আগে একটুও ভেবে দেখি না যে যাকে এতটুকু ভালোবাসা দিচ্ছি সেও কী সেভাবে ভালোবাসে।

আরে পাগল কাউকে ভালোবেসে পাগল হওয়ার আগে জেনে তো নাও সে তোমাকে কতটুকু ভালবাসে। তুমি তার জন্য এতটা দূর্বল হচ্ছ সেও কী তোমরা জন্য অতটা দূর্বল। সত্যি কারের ভালোবাসা চিনে নাও। প্রতিদিন আই লাভ ইউ বলা ভালোবাসা না।ভালোবাসা হল সেটা, যে তোমার চুপচাপ দেখে তোমার মন খারাপ এইতা বুঝে যাবে। ভালোবাসা হল সেটা যেখানা একে অপরের ফোন চেক করতে হবে না। ভালোবাসা হল একটু কেয়ার। ভালোবাসা হল তোমার প্রেমিক/প্রমিকার স্পেশাল ডে মনে রাখা।রোজ দেখা করা ভালোবাসা। ভালোবাসা হল তোমার প্রেমিকার পিরিয়ডের ডেট মনে রেখে তাকে একটু যত্ন নেওয়া।

কাউকে টকিও না প্লিজ সামনের মানুষটা হয়তো তোমাকে নিয়ে তার জীবনের রঙ্গিন স্বপ্ন সাজিয়ে ফেলেছে। যদি ভাল নাই বেসে থাকে তাহলে বলে দাও। নিজের টাইম পাসের জন্য সামনের মানুষের মন নিয়ে খেলো না। ভালোবাসার সঠিক দাম দিতে শেখো। নাহলে তুমি একদিন হয়তো সে কাষ্টাই পাবে।

আর মনে রাখবে কাউকে ভালোবাসার আগে সিউর হয়ে নাও সেওকি তোমাকে ততটা ভালবাসে! এরকম কষ্ট জীবনে কেউ যদি পেয়ে থাকে তাকে বলছি দুঃখ করনা লোকসান তোমার হয়নি তার হয়েছে,কারণ সে একজন সত্যিকারের ভালাবসা পেয়েও রাখতে জানেনি।

কিছু ভুল বললে মাপ করবেন।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

প্রতারণা নিজে না করি, অন্যকে না শিখাই।

Md Golam Mostàfa

Published

on

আসসালামু আলাইকুম, বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন, সুস্থ আছেন। সুস্থতার কথা যেহেতু আসলোই, তাহলে একটি কথা না বললেই নয়। সুস্থতা হচ্ছে বান্দার প্রতি আল্লাহ তায়ালার এক বিশেষ নিয়ামত। এখন কথা হচ্ছে, সুস্থতা বলতে আমরা কি বুঝি? শারীরিক সুস্থতাই কি আসল সুস্থতা?

শারীরিক সুস্থতা বলতে আমরা শরীর রোগ মুক্ত থাকার পাশাপাশি সুঠাম দেহ, কর্মঠ ও উদ্যমকেই বুঝি। এর পাশাপাশি মনেরও সুস্থতা বলতে একটা ব্যাপার আছে, যা আমরা অনেকেই চিন্তা করি না। শরীর ঠিক আছে কিন্তু মন ঠিক নাই, এমন পরিস্থিতিতে পড়লে কি যে একটা অবস্থা হয় তা ভুক্তভোগীরাই টের পান।

আজ আমি এমনই একটি বিষয় নিয়ে আপনাদের সাথে কিছু কথা বলতে চাই। আজকাল ফেসবুক, টুইটার, ইন্সট্রাগ্রাম, লিংকদিন, এমন কি গ্রাথোরেও এমন কিছু পোষ্ট দেখি, যা দেখলে নিজের কাছেই নিজেকে অসহায় মনে হয়।

একটু খোলাসা করেই বলি। আজ একটি পোষ্ট দেখলাম, “কিভাবে বন্ধুর মেসেজ আপনার মোবাইলে নিয়ে আসবেন”।

আচ্ছা, বলুন তো বন্ধুর মেসেজ আপনার মোবাইলে কেন নিয়ে আসতে হবে? কেনই বা সেটা অন্যকে প্রকাশ্যে শিক্ষা দিতে হবে? বন্ধুর ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে আপনাকে কেন টানাটানি করতে হবে? এই ধরনের নোংরা মানসিকতা সম্পন্ন লোকদেরকেই আমরা বলি মানসিকভাবে অসুস্থ লোক। এরা দেখতে সুস্থ হলেও আসলে এরা ভীষণ অসুস্থ। শুধু অসুস্থই নয় এরা সমাজ তথা দেশের জন্য ক্ষতিকর।

কিভাবে অন্যের ফেসবুক আইডি হ্যাক করবেন।

কিভাবে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করবেন।

অন্যের ওয়াইফাই ব্যাবহার করুন পাসওয়ার্ড ছাড়াই।

নিজের নম্বর গোপন করে বন্ধুকে মেসেজ দিয়ে চমকে দিন।

কিভাবে মেইল  বা মোবাইল নম্বর ছাড়াই আনলিমিটেড ফেসবুক আইডি তৈরী করবেন। ইত্যাদি ইত্যাদি চটকদার শিরোনামে আজকাল ছেলে মেয়েদের কি শিখানো হচ্ছে সেটা কি একবারও ভেবে দেখেছেন। আশা করি এরপরে অন্তত একবার হলেও ভেবে দেখবেন। আমি নিজে অন্যের সাথে প্রতারণা করছি। শুধু তাই নয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে সেই প্রতারণা সমাজ এবং রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছে দিচ্ছি!! এর জন্য দায়ী কে? দায়ী আমাদের অসুস্থ নোংরা মানসিকতা।

আর আমরা এমনই এক হতভাগা জাতি যে, কোন কিছুর ভাল মন্দ বিচার না করেই এসব চাটুকারিতা পূর্ণ লেখাগুলো হাভাতের মত গোগ্রাসে গিলছি। একটি বারের জন্যও ভাবছি না, আমি কি করছি বা অন্যকে দিয়ে কি করাচ্ছি!! কালের বিবর্তনে নিজের বিবেক, বুদ্ধি, সততা, বিনয়, নম্রতাকে বিসর্জন দিয়ে কোন ডিজিটাল সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা? আপনার বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইলো।

কাউকে আঘাত দেয়ার জন্য এই পোষ্ট নয়। তারপরেও কেউ যদি এটি পড়ে মনে কষ্ট পান, তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুক শারীরিক ও মানসিকভাবে। আল্লাহ হাফিজ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

প্রিয় বান্ধবীকে নিয়ে স্ট্যাটাস

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই ?আশা করি সকলে যে যার অবস্থানে সুস্থ আছেন এবং ভালো আছেন। সবাই যে যার অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় করি।

প্রিয় বান্ধবীকে নিয়ে স্ট্যাটাস

বন্ধু ছাড়া আমাদের এক মূহুর্ত থাকা অসম্ভব। কারণ আমাদের জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে একজন বন্ধুর খুব বেশি প্রয়োজন। একজন বন্ধু থাকে ছায়ার মতন। যে আপনাকে ভালোবাসা ,শাসন এবং দিক নির্দেশনার মাধ্যমে সাহায্য করবে। আপনাকে খারাপ দিনে আপনার পাশে থাকবে। আপনার সুখের দিনে আপনার খুশিতে শামিল হবে। প্রকৃত বন্ধুর লক্ষণ কিন্তু এটাই।

এমনিতে ছেলেদের জীবন তা অগোছালো থাকে। তারা ছোটবেলা থেকে একটু বেখেয়ালি ধরণের হয়। খুব কম  ছেলে একদম ছোট বেলা ঠেকে নিজের কাজ নিজে করতে পারে। আর সেই জন্যই হয়তো প্রত্যেক ছেলের জীবনে একজন বন্ধুর খুব বেশি প্রয়োজন।

আজ আমি আমার জীবনের সেই একজনের কথাই তুলে ধরবো আপনাদের  সামনে। আশা করি আপনারা আমার সাথে থাকেবন। আমার নাম রিদোয়ান। ফেনীতে জন্ম হলেও বের হয়ে উঠা আমার চট্টগ্রাম এ। সেই সুবাদে আমার শিক্ষাজীবন শুরু হয় চট্টগ্ৰাম শহরে। চট্টগ্রাম সান শাইন  এ শুরু হয় আমার শিক্ষাজীবন। সেই সুবাদে কিছু বন্ধু গড়ে উঠে। তার মধ্যে স্নৃতি ছিল একজন। যে মেয়ে সেই ছেলেবেলা থেকেই আমাকে পড়াশোনার বেপারে নানান ধরণের সাহায্য করতে থাকে।আমার জন্য জায়গা রাখা ,বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বেপারে খবর নেয়া সেই সাথে সেইগুলোতে অংশগ্রহণ এর জন্য পেরে দেয়া। এমন আরো নানান ধরণের অসাধারণ কাজের মাদ্ধমে খুব প্রায় মানুষ হয়ে উঠে।

আমার প্রতিটি ভালো অভ্যাসে  আমাকে অনুপ্রাণিত করা এবং সেই সাথে আমার প্রতিটি খারাপ অভ্যাসে আমাকে শাসন করে ছিল তার স্বভাব। এভাবে আমাদের দিনগুলো খুব ভালোই কাটছিলো সেই সাথে পড়াশোনা এবং আমাদের বন্ধুত্ব ভালো চলছিল। কিন্তু হটাৎ একদিন আমার সেই বান্ধবীটি পড়াশোনার জন্য বিদেশ চলে যায়। শুরু হয় আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিনতম অধ্যায়। কারণ মিমি যাওয়ার পর আমার জীবন এর গতিটি পাল্টে সেটে থাকলো। আমি চেষ্টা করেও কোনো কাজে যেমন নিয়ে যেমন ব্যাস্ত থাকতে পারছোনা সেই সাথে পারছিনা  পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে।

চারপাশটা যেন  অন্ধকার হতে লাগলো। কারণ আমি শুধু আমার বন্ধু কেনা আমার মেন্টর ,আমার গাইড, আমার সুখ দুঃখের সাথী হারিয়ে ফেলেছিলাম। এভাবেই দিন কাটছিলো। কলেজে তেমন সুবিধার রেজাল্ট না থাকায় ভর্তি হলাম  প্রথম শাড়ির এক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঘটনা চক্রে মিমিও সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়।আবার সেই আগের মতো আমাদের বন্ধুত্ত শুরু হয়। মিমির অনুপ্রেরণায় আমি এখানেও ভালো ফলাফল করতে লাগলাম। মিমি আমার জীবনের একটা আশীর্বাদ স্বরূপ। সব সময় তেমন এ থাকুক সেটাই চাওয়া। আজ তাহলে এই পর্যন্তই। ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading