Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

চিকিৎসা ক্ষেএে বিঙ্গান ও প্রযুক্তির অবদান

Tuktuki islam

Published

on

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (Science and Technology)  একটি সমৃদ্ধ সংস্কৃতির লালনভূমি হিসেবে বাংলাদেশ অতি প্রাচীনকাল থেকেই সুপরিচিত। মৌসুমি জলবায়ু আর উর্বর বদ্বীপীয় পাললিক ভূমিসমৃদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের এ অঞ্চলে বিজ্ঞান ও ললিতকলারও বিকাশ ঘটে। আবার ভৌগোলিক সুবিধাও এ অঞ্চলের ছিল, অর্থাৎ ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশ তথা ভারতে বৈদেশিক আক্রমণের প্রচলিত পথ থেকে অনেক দূরে ছিল বাংলাদেশের অবস্থান। বিজ্ঞান শব্দের ইংরেজী প্রতিশব্দ ‘Science ‘ যা ল্যাটিন শব্দ ‘Scio’  থেকে এসেছে,যার অর্থ জানা বা শিক্ষা করা। আভিধানিক অর্থে বিশেষ জ্ঞানই হলো বিজ্ঞান।

আধুনিক যুগ বিজ্ঞানের যুগ। প্রয়োজনই উদ্ভবনের প্রেরনা যোগায়।

মানবজীনের অফুরন্ত সুখে গড়ে তুলার সাধনায় সদা নিয়োজিত বিজ্ঞান তার বিস্ময়কর আবিষ্কার চালিয়ে যাচ্ছে অবিরত। বিজ্ঞান আজ মৃত্যু কে জয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবদান: উনিশ শতকে উদ্ভব ঘটলেও চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কারগুলোর বেশিরভাগই হয়েছে বিশ শতকে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের উল্লেখযোগ্য অবদানগুলোর মধ্যে আছে- কালাজ্বরের জীবাণু আবিষ্কার (১৯০০), সহযোগী হৃৎপি- আবিষ্কার (১৯০৮), কোলেস্টেরল (১৯১২), পেনিসিলিন (১৯২৮), রক্তরস আবিষ্কার (১৯৪০), কিডনী ডায়ালাইসিস মেশিন (১৯৪৩), ডিএনএ (১৯৫৩), পেসমেকার (১৯৫৩) ইত্যাদি। এ ছাড়াও ক্লোরোমাইসিন, স্ট্রেপটোমাইসিন, ওপেন হার্ট সার্জারি ও বাইপাসের সহযোগী যন্ত্রপাতি আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান। শব্দ তরঙ্গ ও আলোকরশ্মির সাহায্যে অস্ত্রোপচার না করেই মূত্রথলি ও পিত্তকোষের পাথর চূর্ণ করা চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অভাবনীয় সাফল্য। দূরারোগ্য ঘাতক ব্যাধি এইডসএর জীবাণু আবিষ্কার (১৯৮৪), আধুনিক কন্টাক্ট লেন্স (১৯৫৬) ছাড়াও ১৯৭৮ সালে সর্বপ্রথম টেস্টটিউবের মাধ্যমে মানব শিশুর জন্ম এবং ১৯৯৭ সালে ভেড়ার দেহকোষের সাহায্যে পূর্ণাঙ্গ শিশু ভেড়া ডলির জন্মগ্রহণের মাধ্যমে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিপ্লব ঘটিয়েছে। এতো সবের পরেও বিজ্ঞান থেমে থাকেনি বরং উত্তরোত্তর চিকিৎসা ক্ষেত্রে নানা আবিষ্কার অব্যাহত রেখেছে।

 

রোগ নির্ণয়ে বিজ্ঞান: রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান অনবদ্য সাফল্যের দাবিদার। রঞ্জনরশ্মি, এক্সরে, আলট্রাসনোগ্রাফি, ইসিজি, সিটি স্ক্যান, লেজার, মাইক্রোস্কোপ প্রভৃতি যন্ত্র আবিষ্কারের ফলে রোগ নির্ণয় অনেক সহজ হয়ে গেছে। আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে যকৃত, কিডনি, পিত্তথলিসহ শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অবস্থা নিরুপণ করা সম্ভব। আলোক তন্তু বা ফাইবার অপটিকস্ এর সাহায্যে ফুসফুস, পাকস্থলী, শিরা, ধমনী, বৃহদন্ত, ক্ষুদ্রান্ত্র প্রভৃতির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সঠিক রোগ নির্ণয় করা যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের যুগান্তকারী পরিবর্তনের ফলে ক্যান্সার, টিউমার প্রভৃতি দূরারোগ্য ব্যাধি সহজেই ধরা পড়ছে, যথাসাধ্য চিকিৎসা প্রদান সম্ভব হচ্ছে। রক্ত এবং মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ রোগ নির্ণয় করা যাচ্ছে।

 

রোগ প্রতিরোধে বিজ্ঞান: বিজ্ঞানের সহায়তায় রোগ প্রতিরোধেরও বিভিন্ন পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে। শিশুদের আটটি মারাত্মক রোগ পোলিও, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হেপাটাইটিস-বি, যক্ষ্মা, হাম, হুপিং কাশি, ডিপথেরিয়া এবং ধনুষ্টংকারের প্রতিরোধক টীকা আবিষ্কারের ফলে শিশু মৃত্যুর হার অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া বসন্ত, জরায়ু ক্যান্সার প্রভৃতি জটিল রোগের প্রতিরোধক টীকা আবিষ্কার মানুষকে স্বস্তি দিয়েছে। অন্যদিকে, মাতৃত্বকালীন বিভিন্ন টীকা মাতৃ মৃত্যু হ্রাস ও নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে।

 

রোগ নিরাময়ে বিজ্ঞান: চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের আর্শীবাদেই অনেক দূরারোগ্য ও জটিল রোগ থেকে মানুষ মুক্তি লাভ করছে। এমনকি অধ্যাপক কুরি ও মাদাম কুরি আবিষ্কৃত রেডিয়ামের সাহায্যে ক্যান্সারের মতো ঘাতক ব্যাধিরও চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছে। আগুনে পোড়া কিংবা অ্যাসিড দগ্ধ মানুষকেও প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে স্বাভাবিক আকৃতি দেয়া সম্ভব হচ্ছে বিজ্ঞানেরই অবদানের ফলে। অন্যদিকে দুর্ঘটনায় অঙ্গহানি ঘটলেও বর্তমানে মানুষকে আর পঙ্গু হয়ে জীবনযাপন করতে হচ্ছে না কেননা বিজ্ঞানের আর্শীবাদে মানবদেহে কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযো জন করার মতো অবিশ্বাস্য কাজটিও সম্ভব হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে কোনো রোগই চিকিৎসা বিজ্ঞানের আওতার বাইরে থাকবে না।

 

ওষুধ শিল্পে বিজ্ঞান: চিকিৎসার অপরিহার্য অঙ্গ হলো ওষুধ। বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলেই পেনিসিলিনের মতো মহৌষধ আবিষ্কৃত হয়েছে। এছাড়াও জ্বর, কাশি, সর্দি, মাথাব্যাথা, গ্যাসট্রিক প্রভৃতি সাধারণ অসুখ-বিসুখের জন্যেও নানা ধরণের ওষুধ আবিষ্কার করেছে বিজ্ঞান। বর্তমানে বিভিন্ন ধরণের ওষুধ আবিষ্কারের ফলে চিকিৎসাক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উম্মোচিত হয়েছে। ওষুধ আবিষ্কারে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ফলে অনেক জটিল রোগে অস্ত্রোপচার না করে কেবল ওষুধের মাধ্যমে রোগ নিরাময় করা যাচ্ছে। বর্তমানে সবচেয়ে আলোচ্য বিষয় covid-19 এর পক্ষে লড়াই করে যাচ্ছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।

ভ্যাকসিন আবিষ্কার এর জন্য বিজ্ঞান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Advertisement
10 Comments

10 Comments

  1. Maria Hasin Mim

    Maria Hasin Mim

    July 1, 2020 at 1:11 pm

    অনেক অবদান বলে শেষ করা যাবে না

  2. Abdullah Khan

    Abdullah Khan

    July 1, 2020 at 6:07 pm

    Nice

  3. Marzia Rahman

    Marzia Rahman

    July 2, 2020 at 11:42 am

    valo lekha

  4. Tanvir Hossin

    Tanvir Hossin

    July 8, 2020 at 2:11 am

    GURUTOPURRNO

  5. Abdur Rahman Sadik

    Abdur Rahman Sadik

    July 9, 2020 at 10:08 am

    ভালো

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বিশ্ব জগত বলতে কি বুঝায় ?বিশ্বজগৎ সম্পর্কে আলোচনা

mis sumi aktar

Published

on

আসসালামু আলইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ মহাবিশ্ব নিয়ে কিছু আলোচনা করব।আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি জগতে যা কিছু সৃষ্টি করেছেন। এই সব কিছু নিয়েই মহাবিশ্ব।
মহাবিশ্বে এমন যার সীমা আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ক্ষুদ্র একটি ধূলিকণা থেকে শুরু করে বিশ্বজগতের যা আছে যেমন -দূর দূরান্তে, গ্রহ, নক্ষত্র ,গ্যালাক্সি ,চন্দ্র-সূর্য আরো না জানা অনেক কিছু এই সব কিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। মহাবিশ্ব যে কত বড় তা মহান আল্লাহ তাআলা ছাড়া আর কেউ জানে না। এখন বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করে নিয়েছে মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই। কিন্তু কেউ কেউ বিশ্বাস করে মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি রয়েছে। আসলে এটি কুসংস্কার ছাড়া আর কিছুই নয়। মানুষ প্রতিনিয়ত মহাবিশ্বের গবেষণা করে যাচ্ছেন। তবে কখনো মহাবিশ্বের গবেষণা শেষ করতে পারবে বলে মনে হয় না।

তবে অনেক কিছু অজানা থাকলেও মানুষ জানতে পেরেছে মহাবিশ্বের এমন এমন জায়গা রয়েছে যা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। মহাবিশ্বে কোন কোন অংশে বস্তু অনেক বেশি ঘনীভূত রয়েছে। আর তাদেরকে বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগত। গ্যালাক্সি হচ্ছে গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। আমাদের বসবাসরত পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম হচ্ছে ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে। মহাবিশ্বে এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে, যেখানে কোটি কোটি নক্ষত্র।

গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে যাক বেঁধে ঘুরে বেড়ায়। ঠিক বাতাসে উড়ে বেড়ানোর পাখির মতন। মহাকাশের দূরত্ব এর তুলনায় গ্যালাক্সি নক্ষত্রগুলোকে খুব কাছাকাছি দেখায়। আসলে এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। এদের মধ্যে দূরত্বের কিছু ধারণা দেওয়া যাক।

বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন, সূর্যের আলো এক সেকেন্ডে প্রায় 3 লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় 15 কোটি কিলোমিটার অবস্থিত। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় আট মিনিট 20 সেকেন্ড। আবার সূর্য থেকে সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরি। সেখান থেকে সূর্যের আলো পৌঁছাতে সময় লাগে চার বছরের চেয়েও বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য নক্ষত্রের দূরত্বে সূর্যের আলো পৌঁছাতে সময় লাগে কয়েক মিলিয়ন বছর। এইবার ভাবা যাক নক্ষত্র গুলোর দূরত্ব কত বেশি এবং মহাবিশ্ব কত বিশাল।

সৌরজগত মিল্কিওয়ে নামক গ্যালাক্সিতে অন্তর্গত। এই পৃথিবীতে নক্ষত্র গুলো দেখতে ঝলমল করে জ্বলতে দেখা যায়। এক একটি নক্ষত্র এক একটি গ্যাসপিন্ড বলে। এদের সবার আলো উত্তাপ আছে। মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলোর রং সাধারণত তিন রকমের হয়ে থাকে। লাল, নীল ,হলুদ, বর্ণের। সবচেয়ে বড় নক্ষত্রের রং লাল মাঝারি নক্ষত্রের রং হলুদ সবচেয়ে ছোট ছোট নক্ষত্রগুলো নীল হয়ে থাকে।

আমরা যে গ্যালাক্সিতে বাস করি। সেই গ্যালাক্সির নাম ছায়াপথ। এই ছায়াপথে রয়েছে সূর্য যাকে সৌরজগত বলা হয়। সৌরজগতের রয়েছে সূর্য আর সূর্যকে ঘিরে রেখেছে আরও আটটি গ্রহ। সেই আটটি গ্রহের নাম হচ্ছে।
বুধ ,শুক্র পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি ,শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। সুতরাং বিশ্বজগতের আলোচনা করে শেষ করা যাবেনা। আজ এখানেই শেষ করছি। সবাই ভালো থাকবেন।আল্লাহাফেজ।

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বিজ্ঞানের সেরা আবিষ্কার কমপিউটার তৈরির ইতিহাস

Abdur Rahman Sadik

Published

on

কম্পিউটার তৈরির ইতিহাস :

কম্পিউটার এমন একটি মেশিন যা কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাটিগণিত বা লজিক্যাল অপারেশনগুলির ক্রম পরিচালনা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে। আধুনিক কম্পিউটারগুলিতে প্রোগ্রামগুলির নামক ক্রিয়াকলাপগুলি অনুসরণ করার ক্ষমতা রয়েছে called এই প্রোগ্রামগুলি কম্পিউটারগুলিকে অত্যন্ত বিস্তৃত কাজগুলি সম্পাদন করতে সক্ষম করে। একটি “সম্পূর্ণ” কম্পিউটার সহ হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম (মূল সফ্টওয়্যার), এবং পেরিফেরিয়াল সরঞ্জামগুলি প্রয়োজনীয় এবং “পূর্ণ” অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত হয় কম্পিউটার সিস্টেম হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে। এই শব্দটি পাশাপাশি সংযুক্ত এবং একসাথে কাজ করা কম্পিউটারগুলির একটি গ্রুপের জন্যও ব্যবহৃত হতে পারে, বিশেষত একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা কম্পিউটার ক্লাস্টার।কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ধরণের শিল্প ও ভোক্তা ডিভাইসের জন্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে মাইক্রোওয়েভ ওভেন এবং রিমোট কন্ট্রোলগুলির মতো সাধারণ বিশেষ উদ্দেশ্যে ডিভাইসগুলি রয়েছে, শিল্প রোবট এবং কম্পিউটার-সহায়ক নকশার মতো কারখানা ডিভাইস এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটার এবং স্মার্টফোনগুলির মতো মোবাইল ডিভাইসের মতো সাধারণ উদ্দেশ্য ডিভাইসগুলি অন্তর্ভুক্ত। ইন্টারনেট কম্পিউটারে চালিত হয় এবং এটি কয়েক মিলিয়ন অন্যান্য কম্পিউটার এবং তাদের ব্যবহারকারীদের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।প্রারম্ভিক কম্পিউটারগুলি কেবল গণনা ডিভাইস হিসাবে ধারণা করা হত। প্রাচীন কাল থেকে, অ্যাবাকাসের মতো সরল ম্যানুয়াল ডিভাইসগুলি গণনা করতে লোকদের সহায়তা করে। শিল্প বিপ্লবের শুরুর দিকে, কিছু যন্ত্র যান্ত্রিক ডিভাইসগুলি দীর্ঘ ক্লান্তিকর কাজগুলি যেমন স্বয়ং তাঁতের জন্য গাইডের নিদর্শনগুলির জন্য তৈরি করা হয়েছিল। আরও পরিশীলিত বৈদ্যুতিক মেশিনগুলি বিশ শতকের গোড়ার দিকে বিশেষায়িত এনালগ গণনা করেছিল। দ্বিতীয় ডিজিটাল বৈদ্যুতিন গণনা মেশিনগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তৈরি হয়েছিল। 1940 এর দশকের শেষের দিকে প্রথম সেমিকন্ডাক্টর ট্রানজিস্টর পরে সিলিকন ভিত্তিক এমওএসএফইটি (এমওএস ট্রানজিস্টর) এবং 1950 এর দশকের শেষভাগে মোনোলিথিক ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) চিপ প্রযুক্তি অনুসরণ করে, যার ফলে মাইক্রোপ্রসেসর এবং মাইক্রো কম্পিউটারের বিপ্লব ঘটে 1970 এর দশকে। কম্পিউটারের গতি, শক্তি এবং বহুমুখীতা তখন থেকেই নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, এমওএস ট্রানজিস্টর গণনা দ্রুত গতিতে বেড়েছে (মুরের আইন অনুসারে) 20 তম শতাব্দীর শেষের থেকে 21 শতকের গোড়ার দিকে ডিজিটাল বিপ্লব ঘটিয়েছে।প্রচলিতভাবে, একটি আধুনিক কম্পিউটারে কমপক্ষে একটি প্রসেসিং উপাদান থাকে, সাধারণত একটি ধাতব-অক্সাইড-সেমিকন্ডাক্টর (এমওএস) মাইক্রোপ্রসেসর আকারে একটি কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট (সিপিইউ) এবং কিছু ধরণের কম্পিউটার মেমোরি, সাধারণত এমওএস সেমিকন্ডাক্টর মেমরি চিপ থাকে। প্রক্রিয়াজাতকরণ উপাদান গাণিতিক এবং লজিকাল অপারেশনগুলি পরিচালনা করে এবং একটি সিকোয়েন্সিং এবং নিয়ন্ত্রণ ইউনিট সঞ্চিত তথ্যের প্রতিক্রিয়াতে ক্রিয়াকলাপের ক্রম পরিবর্তন করতে পারে। পেরিফেরাল ডিভাইসগুলির মধ্যে ইনপুট ডিভাইসগুলি (কীবোর্ডস, ইঁদুর, জৌস্টিক, ইত্যাদি), আউটপুট ডিভাইস (মনিটরের স্ক্রিন, প্রিন্টার, ইত্যাদি) এবং ইনপুট / আউটপুট ডিভাইসগুলি উভয় ফাংশন সম্পাদন করে (যেমন, 2000-এর-যুগের টাচস্ক্রিন)। পেরিফেরাল ডিভাইসগুলি কোনও বাহ্যিক উত্স থেকে তথ্য পুনরুদ্ধারের অনুমতি দেয় এবং তারা ক্রিয়াকলাপগুলির ফলাফল সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধারে সক্ষম করে।

Etymology (ব্যাকরণ)

অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুসারে, ইংরেজী লেখক রিচার্ড ব্রেথওয়েটের দ্য ইয়ং ম্যানস গ্লানিংস নামে একটি বইতে “কম্পিউটার” শব্দের প্রথম পরিচিত ব্যবহার ছিল ১ “১৩ সালে: “আমি টাইমসের সত্যবাদী কম্পিউটারটি পড়েছি [সেরা] গণিতবিদ যে ইউয়ার [sic] নিঃশ্বাস ফেলেছিল এবং সে আপনার দিনগুলি কম সংখ্যায় কমিয়ে দিয়েছে “” এই শব্দটির ব্যবহারটি একটি মানব কম্পিউটারকে বোঝায়, এমন ব্যক্তি যিনি গণনা বা গণনা পরিচালনা করেছিলেন। 20 শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত শব্দটি একই অর্থ দিয়ে চলেছিল। এই সময়ের শেষভাগে মহিলাদের প্রায়শই কম্পিউটার হিসাবে ভাড়া দেওয়া হত কারণ তাদের পুরুষ সহকর্মীদের চেয়ে কম বেতন দেওয়া হত। 1943 সালের মধ্যে, বেশিরভাগ মানব কম্পিউটার কম্পিউটার ছিল। অনলাইন ব্যুৎপত্তি অভিধান অভিধান 1640 এর দশকে “কম্পিউটার” এর প্রথম সত্যায়িত ব্যবহার দেয়, যার অর্থ “যিনি গণনা করেন”; এটি একটি “গণনা (v।) থেকে এজেন্ট বিশেষ্য”। অনলাইন ব্যুৎপত্তি অভিধানে বলা হয়েছে যে “” গণনাকারী মেশিন “(যে কোনও প্রকারের) বোঝাতে এই শব্দটির ব্যবহার 1897 সাল থেকে।” অনলাইন ব্যুৎপত্তি অভিধানটি নির্দেশ করে যে এই শব্দটির “আধুনিক ব্যবহার”, যার অর্থ “প্রোগ্রামেবল ডিজিটাল ইলেকট্রনিক কম্পিউটার” এই নাম অনুসারে “1945 সাল থেকে [একটি ভাষায়] তাত্ত্বিক [অর্থে] ১৯ from37 সাল থেকে টুরিং মেশিন হিসাবে”।

History(ইতিহাস)

বিশ শতকের পূর্ববর্তী

ডিভাইসগুলি হাজার হাজার বছর ধরে গণনা সহায়তা করার জন্য ব্যবহৃত হয়, বেশিরভাগই আঙুলের সাহায্যে এক থেকে এক করে চিঠিপত্র ব্যবহার করে। প্রাচীনতম গণনা ডিভাইস সম্ভবত টালি স্টিকের একটি ফর্ম ছিল। পরবর্তীতে উর্বর ক্রিসেন্ট জুড়ে রেকর্ডিং এইডগুলির মধ্যে ক্যালকুলি (মাটির গোলক, শঙ্কু ইত্যাদি) অন্তর্ভুক্ত ছিল যা ফাঁকা অনাবৃত মাটির পাত্রে সিল করা আইটেমগুলি, সম্ভবত পশুপাল বা শস্যের প্রতিনিধিত্ব করে। গণনা রডের ব্যবহার একটি উদাহরণ।অ্যাবাকাস প্রাথমিকভাবে গাণিতিক কাজে ব্যবহৃত হত। রোমান অ্যাবাকাসটি খ্রিস্টপূর্ব 2400 খ্রিস্টাব্দের দিকে ব্যাবিলোনিয়ায় ব্যবহৃত ডিভাইস থেকে তৈরি হয়েছিল। সেই থেকে, গণনা বোর্ড বা টেবিলগুলির আরও অনেকগুলি ফর্ম আবিষ্কার করা হয়েছিল। একটি মধ্যযুগীয় ইউরোপীয় গণনা বাড়িতে, একটি চেক কাপড় একটি টেবিলের উপর স্থাপন করা হত, এবং চিহ্নিতকারীরা নির্দিষ্ট বিধি অনুসারে এটিতে অর্থের অঙ্কের গণনার জন্য সহায়তা হিসাবে ঘুরে বেড়াত ।ডেরেক জে ডি সোল্লা প্রাইস অনুসারে অ্যান্টিকিথের প্রক্রিয়াটিকে প্রথমতম যান্ত্রিক এনালগ “কম্পিউটার” বলে মনে করা হয়। এটি জ্যোতির্বিদ্যার অবস্থানগুলি গণনা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। এটি 1901 সালে কিথেরা এবং ক্রিটের মধ্যবর্তী গ্রীক দ্বীপ অ্যান্টিকিথেরায় অ্যান্টিকিথেরার ধ্বংসাবশেষে আবিষ্কৃত হয়েছিল এবং খ্রিস্টপূর্বের তারিখ হয়েছে। 100 বিসি। অ্যান্টিকিথের প্রক্রিয়াটির সাথে তুলনামূলক জটিল স্তরের ডিভাইসগুলি এক হাজার বছর পরে পুনরায় প্রদর্শিত হবে না।জ্যোতির্বিদ্যা এবং নেভিগেশন ব্যবহারের জন্য গণনা এবং পরিমাপের অনেকগুলি যান্ত্রিক সহায়িকা নির্মিত হয়েছিল। পরিকল্পনাগুলি একাদশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে আব রায়হান আল-বারানী দ্বারা উদ্ভাবিত একটি স্টার চার্ট ছিল।জ্যোতির্বিজ্ঞান হেলেনিস্টিক বিশ্বে খ্রিস্টপূর্ব প্রথম বা দ্বিতীয় শতাব্দীর মধ্যে আবিষ্কার হয়েছিল এবং প্রায়শই হিপার্কাসকে দায়ী করা হয়। প্ল্যানিস্ফিয়ার এবং ডায়োপট্রার সংমিশ্রণে জ্যোতির্বিজ্ঞানটি কার্যকরভাবে এমন একটি এনালগ কম্পিউটার ছিল যা গোলক জ্যোতির্বিদ্যায় বিভিন্ন ধরণের সমস্যা সমাধানে সক্ষম ছিল। একটি জ্যোতির্বিজ্ঞান একটি যান্ত্রিক ক্যালেন্ডার কম্পিউটার এবং গিয়ার-চাকার সমন্বয় করে পারস্যের ইসফাহানের আবী বকর 1235 সালে আবিষ্কার করেছিলেন।আবু রায়হান আল-বারানী প্রথম যান্ত্রিক গিয়ার্ড লুনিসোলার ক্যালেন্ডার অ্যাস্ট্রোলেব আবিষ্কার করেছিলেন, একটি প্রাথমিক গতির ট্রেন এবং গিয়ার-হুইল সহ একটি জ্ঞাত প্রসেসিং মেশিন [১৩], [১৪] সি। 1000 খ্রি।এই সেক্টরটি অনুপাত, ত্রিকোণমিতি, গুণ এবং বিভাগের সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য এবং স্কোয়ার এবং কিউব শিকড়ের মতো বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের জন্য 16 ম শতাব্দীর শেষদিকে উন্নত হয়েছিল এবং এটি গানেরি, জরিপ এবং নেভিগেশনে প্রয়োগ পেয়েছিল।প্ল্যানিমিটারটি একটি যান্ত্রিক সংযোগের সাহায্যে এটি চিহ্নিত করে একটি বদ্ধ চিত্রের ক্ষেত্রফল গণনা করার জন্য একটি ম্যানুয়াল যন্ত্র ছিল।একটি স্লাইড নিয়ম।স্লাইড রুলটি লগারিদম ধারণার প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই 1620-11630 সালের দিকে আবিষ্কার করা হয়েছিল। এটি গুণ এবং বিভাগ করার জন্য একটি হস্তচালিত এনালগ কম্পিউটার। স্লাইড রুলের বিকাশের সাথে সাথে যুক্ত স্কেলগুলি রেসিপ্রোকল, স্কোয়ার এবং স্কোয়ার শিকড়, কিউবস এবং কিউব শিকড়গুলির পাশাপাশি লসারিদমস এবং এক্সপোশনিয়ালস, বৃত্তাকার এবং হাইপারবারলিক ত্রিকোণমিতি এবং অন্যান্য ফাংশনগুলির মতো ট্রান্সসেন্টেন্টাল ফাংশন সরবরাহ করে। বিশেষ স্কেল সহ স্লাইড বিধিগুলি এখনও রুটিন গণনার দ্রুত সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন হালকা বিমানের সময় এবং দূরত্ব গণনার জন্য ব্যবহৃত E6B বিজ্ঞপ্তি স্লাইড নিয়ম।১70s০-এর দশকে পিয়ের জ্যাকেট-ড্রোজ নামে একজন সুইস প্রহরী নির্মাতা একটি যান্ত্রিক পুতুল (অটোমেটন) তৈরি করেছিলেন যা কোয়েল কলম ধারণ করে লিখতে পারে। এর অভ্যন্তরীণ চাকার সংখ্যা এবং ক্রমটি স্যুইচ করে বিভিন্ন বর্ণ এবং এর ফলে বিভিন্ন বার্তা তৈরি করা যেতে পারে। কার্যত, নির্দেশাবলী পড়ার জন্য এটি যান্ত্রিকভাবে “প্রোগ্রামযুক্ত” হতে পারে। দুটি আরও জটিল মেশিনের সাথে, পুতুলটি সুইজারল্যান্ডের নিউচিটেলের মুসিয়ে ডি আর্ট এস্ট ডি’ইস্টোয়ারে রয়েছে এবং এখনও চলছে ।১৮72২ সালে স্যার উইলিয়াম থমসন উদ্ভাবিত জোয়ার-ভবিষ্যদ্বাণীকারী মেশিনটি অগভীর জলে নৌ-পরিবহণের দুর্দান্ত উপযোগী ছিল। এটি একটি নির্দিষ্ট স্থানে একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য পূর্বাভাসের জোয়ারের স্তরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনার জন্য পালি এবং তারগুলির একটি সিস্টেম ব্যবহার করে।ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার, একটি ইন্টিগ্রেশন দ্বারা ডিফারেনশিয়াল সমীকরণ সমাধানের জন্য ডিজাইন করা একটি মেকানিকাল অ্যানালগ কম্পিউটার, ইন্টিগ্রেশনটি সম্পাদন করতে হুইল এবং ডিস্ক পদ্ধতি ব্যবহার করে। ১৮7676 সালে, লর্ড কেলভিন ইতিমধ্যে এরূপ ক্যালকুলেটরগুলির সম্ভাব্য নির্মাণ সম্পর্কে আলোচনা করেছিলেন, তবে তিনি বল এবং ডিস্ক ইন্টিগ্রেটারগুলির সীমিত আউটপুট টর্ক দ্বারা স্তিমিত হয়ে পড়েছিলেন। একটি ডিফারেনশিয়াল বিশ্লেষকটিতে, একটি ইন্টিগ্রেটারের আউটপুট পরবর্তী সংস্থাপকের ইনপুট, বা একটি গ্রাফিং আউটপুট চালিত করে। টর্ক অ্যামপ্লিফায়ার ছিল অগ্রিম যা এই মেশিনগুলিকে কাজ করতে দেয়। 1920 এর দশকে শুরু করে ভ্যানেভার বুশ এবং অন্যান্যরা যান্ত্রিক ডিফারেনশিয়াল বিশ্লেষক তৈরি করেছিলেন।

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

stephen hawking এর জীবনী

Abdur Rahman Sadik

Published

on

স্টিফেন হকিং এর জীবনী

স্টিফেন উইলিয়াম হকিং সিএইচই এফআরএস এফআরএসএ (8 জানুয়ারী 1942 – 14 মার্চ 2018) ছিলেন একজন ইংরেজ তাত্ত্বিক পদার্থবিদ, কসমোলজিস্ট, এবং লেখক যিনি মৃত্যুর সময় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর থিওরিটিকাল কসমোলজির গবেষণা পরিচালক ছিলেন। তিনি ১৯৯ 1979 থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের লুকাশিয়ান অধ্যাপক ছিলেন।হকিং অক্সফোর্ডে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে চিকিৎসকদের একটি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। হকিং ১৯৫৯ সালের অক্টোবর মাসে ১ College বছর বয়সে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শুরু করেছিলেন, যেখানে তিনি পদার্থবিদ্যায় প্রথম শ্রেণির বিএ (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেছিলেন। তিনি ১৯62২ সালের অক্টোবরে কেমব্রিজের ট্রিনিটি হলে স্নাতক কাজ শুরু করেন, যেখানে তিনি ১৯66 সালের মার্চ মাসে সাধারণ আপেক্ষিকতা এবং মহাজাগতিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, প্রয়োগিত গণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। মোটর নিউরোন ডিজিজের ক্রমবর্ধমান রূপ (এটি অ্যামোট্রোফিক ল্যাট্রাল স্ক্লেরোসিস (এএলএস) বা লু গেরিগের রোগ হিসাবেও পরিচিত) যা কয়েক দশক ধরে ধীরে ধীরে তাকে পঙ্গু করে দেয়।তার বক্তব্য ক্ষয়ের পরে, তিনি একটি স্পিচ-উত্পাদনকারী ডিভাইসের মাধ্যমে – প্রথমদিকে হ্যান্ডহেল্ড স্যুইচ ব্যবহারের মাধ্যমে এবং শেষ পর্যন্ত একক গালের পেশী ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন।হকিংয়ের বৈজ্ঞানিক কাজগুলির মধ্যে সাধারণ আপেক্ষিকতার কাঠামোয় মহাকর্ষীয় এককত্বের তত্ত্বগুলিতে রজার পেনরোজের সাথে সহযোগিতা এবং তাত্ত্বিক ভবিষ্যদ্বাণী যে ব্ল্যাক হোলগুলি বিকিরণ নির্গত করে, প্রায়শই হকিং বিকিরণ বলে।সর্বপ্রথম আপেক্ষিকতা এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সাধারণ তত্ত্বের একটি ইউনিয়ন দ্বারা ব্যাখ্যা করা মহাজাগতিক তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি কোয়ান্টাম মেকানিক্সের বহুবিশ্বে ব্যাখ্যার এক প্রবল সমর্থক ছিলেন।হকিং বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় বিজ্ঞানের সাথে ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করেছিলেন যেখানে তিনি সাধারণভাবে তাঁর তত্ত্ব এবং মহাজাগতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তাঁর বই এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম রবিবার টাইমস বেস্টসেলার তালিকায় 237 সপ্তাহ রেকর্ড ব্রেকিংয়ের জন্য উপস্থিত হয়েছিল। হকিং রয়েল সোসাইটির ফেলো ছিলেন, পন্টিফিকাল একাডেমি অফ সায়েন্সেসের আজীবন সদস্য এবং আমেরিকার সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরষ্কারের জন্য প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম প্রাপ্ত। ২০০২ সালে, বিবিসি’র 100 গ্রেটেস্ট ব্রিটেনের সমীক্ষায় হকিং 25 নম্বরে ছিলেন। 50 বছরেরও বেশি সময় ধরে মোটর নিউরোন ডিজিজের সাথে বেঁচে থাকার পরে 76 মার্চ 2018 এ 14 বছর বয়সে তিনি মারা যান।

স্টিফেন হকিং এর পরিবার

হকিংয়ের জন্ম 8 জানুয়ারী 1942 অক্সফোর্ডে ফ্র্যাঙ্কের (১৯০৫-১৯86) এবং আইসোবেল আইলিন হকিং (১৯ Wal১-২০১৩)। হকিংয়ের মা স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে চিকিৎসকদের একটি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ইয়র্কশায়ার থেকে তাঁর ধনী পিতামহ-পিতামহ, খামারের জমি কিনে নিজেকে বাড়িয়ে তোলেন এবং তার পরে বিশ শতকের গোড়ার দিকে মহা কৃষি হতাশায় দেউলিয়া হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর পিতামহী-ঠাকুরদা তাদের বাড়িতে একটি স্কুল খোলার মাধ্যমে পরিবারকে আর্থিক ধ্বংস থেকে রক্ষা করেছিলেন। তাদের পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, উভয়ের বাবা-মা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন, যেখানে ফ্রাঙ্ক চিকিত্সা এবং আইসোবেল দর্শন, রাজনীতি এবং অর্থনীতি পড়েছিলেন। আইসোবেল একটি মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সেক্রেটারি হিসাবে কাজ করেছিলেন এবং ফ্রাঙ্ক ছিলেন একজন মেডিকেল রিসার্চার। হকিংয়ের দুটি ছোট বোন, ফিলিপা এবং মেরি এবং একটি দত্তক ভাই, এডওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্ক ডেভিড (১৯৫৫-২০০৩) ছিল। ১৯৫০ সালে, যখন হকিংয়ের বাবা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর মেডিকেল রিসার্চ-এ পরজীবীবিদ্যার বিভাগের প্রধান হয়েছিলেন, তখন পরিবার হার্টফোর্ডশায়ার সেন্ট অ্যালব্যানসে চলে এসেছিল।সেন্ট অ্যালব্যান্সে পরিবারটি অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং কিছুটা মজাদার হিসাবে বিবেচিত হত; প্রায়শই প্রতিটি ব্যক্তির সাথে চুপচাপ একটি বই পড়ার জন্য খাবারটি ব্যয় করা হত। তারা একটি বৃহত্তর, বিশৃঙ্খল এবং দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ করা বাড়িতে একটি সাফল্যময় অস্তিত্ব বাস করত এবং একটি লন্ডন রূপান্তরিত লন্ডন ট্যাক্সিক্যাব ভ্রমণ করেছিল। হকিংয়ের পিতার এক আফ্রিকার ঘন ঘন অনুপস্থিতির সময়, পরিবারের বাকী চার মাস তিনি তার মায়ের বন্ধু বেরিল এবং তার স্বামী কবি রবার্ট গ্রাভের সাথে মেজরকাতে কাটিয়েছিলেন।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা বছর

হকিং তাঁর স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন লন্ডনের হাইগেটের বায়রন হাউস স্কুলে। পরে স্কুলে পড়তে না শেখার জন্য তার “প্রগতিশীল পদ্ধতিগুলি” এর জন্য তিনি দোষ দিয়েছিলেন। সেন্ট আলবান্সে, আট বছর বয়সী হকিং কয়েক মাস ধরে সেন্ট অ্যালবানস হাই স্কুলে গার্লস পড়ত। সেই সময়ে, ছোট ছেলেরা যে কোনও একটি বাড়িতে উপস্থিত হতে পারে।হকিং দুটি স্বতন্ত্র (অর্থাত্ বেতন-ভাতা) বিদ্যালয়ে অংশ নিয়েছিল, প্রথম র‌্যাডলেট স্কুল এবং সেপ্টেম্বর ১৯৫২ থেকে সেন্ট অ্যালব্যান্স স্কুল, একাদশ বছরের প্রথম দিকে এগারোটি বেশি পাস করার পরে।পরিবার শিক্ষার উপর একটি উচ্চ মূল্য রেখেছিল হকিংয়ের বাবা চেয়েছিলেন যে তার ছেলে সুপরিচিত ওয়েস্টমিনস্টার স্কুলে পড়ুক, কিন্তু ১৩ বছর বয়সী হকিং বৃত্তি পরীক্ষার দিন অসুস্থ ছিলেন। তাঁর পরিবার স্কলারশিপের আর্থিক সহায়তা ব্যতীত স্কুল ফি বহন করতে পারত না, তাই হকিং সেন্ট অ্যালবান্সে রয়ে গেলেন।একটি ইতিবাচক পরিণতি হ’ল যে হকিং একদল বন্ধুর সাথে ঘনিষ্ঠ ছিলেন যার সাথে তিনি বোর্ড গেমস, আতশবাজি তৈরির কাজ, মডেল বিমান এবং নৌকা তৈরি, এবং খ্রিস্টান ও বহিরাগত ধারণা সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। ১৯৫৮ সাল থেকে গণিতের শিক্ষক ডিকরান তাহতার সহায়তায় তারা ক্লক পার্টস, একটি পুরানো টেলিফোনের সুইচবোর্ড এবং অন্যান্য পুনর্ব্যক্ত উপাদানগুলির একটি কম্পিউটার তৈরি করেছিলেন।

যদিও স্কুলে “আইনস্টাইন” নামে পরিচিত, তবে হক্কিং প্রাথমিকভাবে একাডেমিকভাবে সফল ছিলেন না। সময়ের সাথে সাথে, তিনি বৈজ্ঞানিক বিষয়গুলির জন্য যথেষ্ট প্রবণতা দেখাতে শুরু করেন এবং তাহা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত পড়ার সিদ্ধান্ত নেন। হকিংয়ের বাবা তাকে ওষুধ অধ্যয়নের পরামর্শ দিয়েছিলেন, উদ্বিগ্ন যে গণিত স্নাতকদের জন্য খুব কম চাকরি ছিল।  তিনি চেয়েছিলেন যে তার ছেলে তার নিজস্ব আলমা ম্যাটার, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পড়ুক। যেহেতু সে সময় সেখানে গণিত পড়া সম্ভব ছিল না, তাই হকিং পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়ন পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পরের বছর অবধি অপেক্ষা করার জন্য তাঁর প্রধান শিক্ষকের পরামর্শ সত্ত্বেও, হকিংকে ১৯৫৯ সালের মার্চ মাসে পরীক্ষা দেওয়ার পরে বৃত্তি দেওয়া হয়।

স্নাতকের বছর

হকিং ১৯৫৯ সালের অক্টোবরে ১ College বছর বয়সে অক্সফোর্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজ থেকে তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার সূচনা করেছিলেন। প্রথম 18 মাস ধরে, তিনি উদাস এবং একাকী ছিলেন – তিনি একাডেমিক কাজটি “হাস্যকরভাবে সহজ” পেয়েছিলেন। তার পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক রবার্ট বার্মান পরে বলেছিলেন, “অন্য কিছু কীভাবে করা যায় তা তাঁর জানা দরকার ছিল এবং অন্যান্য লোকেরা কীভাবে এটি করেছিল তা না দেখে তিনি তা করতে পারতেন।” তার দ্বিতীয় সময়ে একটি পরিবর্তন ঘটেছিল এবং তৃতীয় বছর, বার্মানের মতে, হকিং “ছেলেদের মধ্যে একজন হওয়ার জন্য” আরও চেষ্টা করেছিলেন। তিনি ক্লাসিকাল সংগীত এবং বিজ্ঞান কল্পকাহিনীতে আগ্রহী, একটি জনপ্রিয়, সজীব ও মজাদার কলেজ সদস্য হিসাবে বিকশিত হন। পরিবর্তনের একটি অংশ কলেজ বোট ক্লাব, ইউনিভার্সিটি কলেজ বোট ক্লাবের যোগদানের সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ হয়েছিল, যেখানে তিনি একজন রোয়েিং ক্রু ছিলেন। রোয়িং কোচ সেই সময়ে উল্লেখ করেছিলেন যে হকিং একটি সাহসী চিত্রের চাষ করেছিলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কোর্সে তাঁর ক্রুদের চালিত করেছিলেন, যার ফলে নৌকাগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। হকিং অনুমান করেছিলেন যে তিনি অক্সফোর্ডে তাঁর তিন বছরে প্রায় এক হাজার ঘন্টা অধ্যয়ন করেছিলেন। অমনোযোগী অধ্যয়নের এই অভ্যাসগুলি তার ফাইনালগুলি বসাকে একটি চ্যালেঞ্জ করে তুলেছে এবং তিনি সত্যবাদী জ্ঞানের প্রয়োজনের চেয়ে কেবল তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কসমোলজিতে তার পরিকল্পিত স্নাতক অধ্যয়নের জন্য প্রথম শ্রেণির অনার্স ডিগ্রি গ্রহণযোগ্যতার শর্ত ছিল। উদ্বিগ্ন, তিনি পরীক্ষার আগের রাতে খারাপভাবে ঘুমিয়েছিলেন, এবং চূড়ান্ত ফলাফলটি প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির সম্মানের মধ্যে সীমান্তরেখা ছিল, যার ফলে অক্সফোর্ড পরীক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় একটি ভিভা (মৌখিক পরীক্ষা) করা হয়েছিল। হকিং উদ্বিগ্ন ছিলেন যে তাঁকে একজন অলস ও কঠিন ছাত্র হিসাবে দেখা হয়েছিল। সুতরাং, ভিভাতে তাঁর পরিকল্পনাগুলি বর্ণনা করার জন্য জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছিলেন, “আপনি যদি আমাকে প্রথমে পুরষ্কার দেন, আমি কেমব্রিজ যাব  আমি যদি দ্বিতীয়টি পাই, তবে আমি অক্সফোর্ডে থাকব, তাই আমি আশা করি আপনি আমাকে প্রথম দিন give । তিনি তাঁর বিশ্বাসের চেয়েও বেশি সম্মানিত ন; বার্মান যেমন মন্তব্য করেছিলেন, পরীক্ষকরা “তারা বুঝতে পেরেছিলেন যে তারা বেশিরভাগ চতুরের সাথে নিজের চেয়ে অনেক বেশি চালাকের সাথে কথা বলছেন” তারা যথেষ্ট বুদ্ধিমান ছিল।পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম শ্রেণির বিএ (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন এবং বন্ধুর সাথে ইরানের ভ্রমণ শেষ করার পর ১৯ 19২ সালের অক্টোবরে তিনি ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি হলে স্নাতক কাজ শুরু করেন।

মৃত্যুর বছর

হকিং 76 বছর বয়সে ১৪ ই মার্চ, 2018 ইংল্যান্ডের কেমব্রিজে তাঁর বাড়িতে মারা যান। তার পরিবার জানিয়েছে যে তিনি “শান্তিতে মারা গেছেন”। তিনি বিজ্ঞান, বিনোদন, রাজনীতি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রের ব্যক্তিত্ব দ্বারা প্রশংসিত হন। গনভিল ও কায়স কলেজ পতাকা অর্ধ-মাস্ত্রে উড়েছিল এবং শিক্ষার্থী এবং দর্শনার্থীদের দ্বারা শোকের একটি বই স্বাক্ষরিত হয়েছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার পিয়ংচাংয়ে প্যারালিম্পিক শীতকালীন গেমসের সমাপনী অনুষ্ঠানে আইপিসির সভাপতি অ্যান্ড্রু পার্সনসের সমাপনী বক্তব্যে হকিংকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছিল।তাঁর ব্যক্তিগত জানাজাটি ৩১ শে মার্চ 2018, বিকেলে গ্রেট সেন্ট মেরি চার্চ, কেমব্রিজে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জানাজায় অতিথিদের মধ্যে থিওরি অফ অলথিং অ্যাক্টর অভিনেতা এডি রেডমায়েন এবং ফেলিসিটি জোনস, কুইন গিটারিস্ট এবং অ্যাস্ট্রো ফিজিসিস্ট ব্রায়ান মে এবং মডেল লিলি কোল অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।এছাড়াও, অভিনেতা বেনেডিক্ট কম্বারবাচ, যিনি হকিংয়ে হকিংয়ের ভূমিকা পালন করেছিলেন, নভোচারী টিম পিকে, জ্যোতির্বিজ্ঞানী রয়েল মার্টিন রিস এবং পদার্থবিদ কিপ থর্ন সেবার পাঠক সরবরাহ করেছিলেন। হকিং যদিও নাস্তিক ছিলেন তবুও ঐতিহ্যবাহী অ্যাংলিকান পরিষেবা নিয়ে শেষকৃত্য হয়েছিল। শ্মশানের পরে, ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে 15 জুন 2018 তে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের একটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তারপরে তাঁর ছাই অ্যাবিয়ের নাভীতে স্যার আইজ্যাক নিউটন এবং চার্লস ডারউইনের কবরের মধ্যে হস্তক্ষেপ করা হয়েছিল।তাঁর স্মৃতিস্তম্ভের গায়ে লেখা এই শব্দগুলি হ’ল “এখানেই রয়েছে যা স্টিফেন হকিংয়ের প্রাণঘাতী ছিল 1942–2018” এবং তার সর্বাধিক খ্যাতিযুক্ত সমীকরণ তিনি তাঁর মৃত্যুর কমপক্ষে পনেরো বছর আগে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে বেকেনস্টাইন – হকিং এন্ট্রপি সমীকরণটি তাঁর এপিটাফ হতে পারে।  জুন 2018 সালে ঘোষণা করা হয়েছিল যে গ্রীক সুরকার ভ্যাঙ্গেলিসের সংগীতায়োপিত হকিংয়ের কথা , স্পেনের একটি ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা স্যাটেলাইট ডিশ থেকে মহাকাশে ডাকা হবে নিকটতম ব্ল্যাকহোল, 1 এ 0620-00 পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে।

Continue Reading