Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

জেনে নিন টাইল গ্যাজেটের ব্যবহার

Rajib Saha

Published

on

টেকনোলজি রিলেটেড আজকে যেই টপিকটি নিয়ে আলোচনা করব সেটি খুবই মজার একটি টপিক।একটি গ্যাজেট নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করব।যেটির নাম হচ্ছে টাইল গ্যাজেট।তো  কীভাবে কাজ করে এই টাইল গ্যাজেট,কী জন্য ব্যবহার করা হয় এটি? এসব জানতে পারবেন আজকে।তো চলুন শুরু করা যাক।

টাইল  গ্যাজেট এমন একটি গ্যাজেট যেটি হারিয়ে যাওয়া বা ঘরের মধ্যেই কোন বস্তু খুঁজে পাচ্ছেন না,সেই বস্তুটিই খুঁজে বের করতে সক্ষম।  মূলত আমেরিকান একটি কোম্পানি এটি তৈরি করে থাকে। ডিভাইসগুলি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস সহ একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করে, যা ব্যবহারকারীদের ব্লুটুথের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া আইটেমগুলি সনাক্ত করে। 2016 সালের মধ্যে ৪.৫ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রিত হয় এই টাইল। টাইলের দুটি নতুন সংস্করণ, টাইল স্পোর্ট এবং টাইল স্টাইল।
টাইল গ্যাজেড কিভাবে কাজ করে?
এই টাইল গ্যাজেট সিস্টেমটি ডিভাইসে সংযোগ করতে BLE ব্যবহার করে – এটির জন্য প্রয়োজন ব্লুটুথ এবং  ব্যাটারি। ডিভাইসটি  রেঞ্জের মধ্যে থাকলে, আপনি কেবল আপনার ফোনে অ্যাপটি খুলতে পারেন, প্যানেলটি ট্যাপ করে এটি সন্ধান করতে পারেন – তারপর আপনি  রিংটোন বাজাতে পারেন।
টাইল গ্যাজেট কীভাবে Active করতে হয়?
আসলে প্রথমেই বলেছি টাইল মূলত বিভিন্ন ধরণের জিনিস খুঁজতে ব্যবহার করা হয়।অর্থাৎ এমনকি আপনার প্রয়োজনীয় চাবিতেও টাইল গ্যাজেট ব্যবহার করতে পারেন।টাইল গ্যাজেটে Key Hole এর মতো থাকে যা সহজেই যেকোন চাবির সাথে যুক্ত করা যায়। এছাড়াও আপনি চাইলে আপনার ঘড়ির সাথেও এটি লাগাতে পারেন।মূল কথা বিভিন্ন জিনিসপত্র খুঁজতেই এটি ব্যবহার করা হয়।টাইল গ্যাজেট Activation এর জন্য এর কোম্পানির  দ্বারা ডিজাইন করা একটি App থাকে। এই অ্যাপটি দ্বারা টাইল গ্যাজেট ব্যবহার করার যোগ্য হয় অন্যথায় এটি ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।প্রথমে টাইল  Account খুলতে হবে।এবার ধরুন আপনার বাসায় খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি চাবি আছে।আর স্বাভাবিক ভাবেই চাবির কোন ঠিক ঠিকানা থাকে না যেখানে সেখানেই আমরা ফেলে রাখি। এখন চাবিতে আপনি একটি টাইল গ্যাজেট লাগালেন, তারপর App এ ঢুকলেন, সেখানে কিছু প্রসেস থাকবে আপনার টাইল গ্যাজেট টিতেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডেটা থাকবে।সেই ডেটার সাহায্যে এবং কিছু প্রসেস কম্পলিট করলে আপনার চাবির সাথে লাগানো টাইল গ্যাজেটটি আপনার ফোনের অ্যাপের সাথে যুক্ত হয়ে যাবে। এখন টাইল অ্যাপ খুললেই অনেক গুলো অপশন থাকবে যে,কোন বস্তুতে আপনি টাইল গ্যাজেটটি লাগিয়েছেন,যেহেতু আপনি চাবিতে লাগিয়েছেন সেহেতু টাইল অ্যাপেও সেই গ্যাজেটের ডেটাটি থাকবে।সেই ডেটাতে ঢুকলেই আপনি কিছু অপশন দেখতে পারবেন আর টাইল গ্যাজেটে রিংটোন বাজাতে পারবেন।ধরুন আপনার চাবি খাটের তলায় পড়ে আছে, এখন টাইল অ্যাপ থেকে যদি রিংটোন বাজান তাহলে খাটের তলা হতে রিংটোনের শব্দ  আসবে এবং সহজেই যে চাবিটি খাটের তলায় পড়ে ছিলো সেটি পেতে পারবেন। চিন্তা করুন টাইল গ্যাজেটটি যদি ওই গুরুত্বপূর্ণ চাবিটির সাথে না সংযুক্ত করতেন তাহলে চাবিটি যে খাটের তলায় ছিল সে সন্ধান পেতে হয়তো অনেক সময়ের অপচয় হতে পারত।কিন্তু টাইল গ্যাজেট আর টাইল অ্যাপের মাধ্যমে সেই হারানো চাবি মুহূর্তেই খুঁজে পাচ্ছেন, ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং না?এবার চলুন চাবিটিকে হারানো যাক। আপনি রাস্তায় হাটঁছেন কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখলেন সেই চাবিটি আপনি হাত থেকে কোথাও ভুলবশত ফেলে দিয়েছেন বা হাত থেকে পড়ে গেছে আর বাসা থেকেও আপনি অনেক দূরে চলে এসেছেন এবার কী করবেন?এবারও আপনাকে চিন্তা করতে হবে না টাইল গ্যাজেটে লোকেশন ফাইন্ডার সিস্টেম ও থাকে।আপনি যদি লোকেশন অপশনটি Enable করে থাকেন তাহলে চাবিটি কোথায় পড়ে আছে সেটি টাইল অ্যাপের ভিতরে গুগুল ম্যাপ দ্বারা দেখতে পারেন।  ফলে চাবিটি যেই এলাকাতে আছে সেই এলাকাতে লোকেশন অনুযায়ী যেয়ে চাবিটি সহজেই খুঁজে নিতে পারেন। অথচ টাইল গ্যাজেট যদি না থাকত তাহলে কী হতো ভাবুন তো?চাবিটি কী খুঁজে পেতেন সহজে?হয়তো নাও পেতে পারতেন।
আবার টাইল গ্যাজেটের সাহায্যে মোবাইল ও খোঁজা যায়।তবে এক্ষেত্রে প্রসেসটি উল্টো অর্থাৎ স্মার্টফোনের সাথে যুক্ত যেই টাইল গ্যাজেটটি আপনার হাতে থাকে সে টাইল গ্যাজেটের বাটনে ক্লিক করলে আপনার ফোন বেজে উঠবে এমনি কী আপনার ফোন সাইলেন্ট থাকলেও।সুতরাং বুঝতেই পারছেন টাইল গ্যাজেটটি কতটুকু উপকারী।
আশা করি পুরো আর্টিকেলটি পড়ে আপনাদের ভালো লেগেছে এবং টাইল গ্যাজেটটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।
সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন,ধন্যবাদ।

Advertisement
20 Comments

20 Comments

  1. Koli Talukder

    Koli Talukder

    May 22, 2020 at 7:49 pm

    Ok

  2. Maria Hasin

    Maria Hasin

    May 22, 2020 at 8:18 pm

    Okay

  3. Muktadir Hasan

    Muktadir Hasan

    May 22, 2020 at 9:22 pm

    thanks

  4. Md Ahsan Habib

    Md Ahsan Habib

    May 22, 2020 at 9:55 pm

    Nice

  5. Mojammal Haque

    Mojammal Haque

    May 23, 2020 at 12:12 am

    That’s right

  6. Ibna Mezan

    Ibna Mezan

    May 23, 2020 at 2:06 am

    good info

  7. Md Ruhul Amin

    Md Ruhul Amin

    May 23, 2020 at 8:50 am

    good

  8. Md Rakib

    Md Rakib

    May 23, 2020 at 10:16 am

    valo

  9. Asadullah Jilani

    Asadullah Jilani

    May 23, 2020 at 12:11 pm

    Gd

  10. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    May 23, 2020 at 12:30 pm

    Darun!

  11. Liyana Rasa

    Liyana Rasa

    May 23, 2020 at 2:07 pm

    Hmm

  12. Anisur Rahman

    Anisur Rahman

    May 23, 2020 at 2:33 pm

    good

  13. Shahed Ahamed

    Shahed Ahamed

    May 23, 2020 at 5:04 pm

    Bro good

  14. Trisad Saha

    Trisad Saha

    May 23, 2020 at 10:16 pm

    Gd

  15. Albi Chy

    Albi Chy

    May 23, 2020 at 10:48 pm

    ভালো পোস্ট। ধন্যবাদ

  16. Emon Rafiq

    Emon Rafiq

    May 23, 2020 at 11:49 pm

    Wow, nice

  17. Khairul Kabir

    Khairul Kabir

    May 24, 2020 at 1:29 am

    গ্যাজেটের কল্যাণে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি

  18. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    May 24, 2020 at 7:07 am

    nice

  19. Avijit Sharma

    Avijit Sharma

    May 24, 2020 at 11:59 pm

    good

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আবাহাওয়া বিপদ সংকেত সম্পর্কে জেনে নিন

Rajib Saha

Published

on

আজ একটি অন্যরকম টপিক নিয়ে কথা বলব আজ আমি যে টপিকটি নিয়ে কথা বলবো তা আবহাওয়া সম্পর্কিত আর শিরোনাম দেখেই আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে,কী নিয়ে আজ আমি কথা বলতে চাচ্ছি।আজকের আর্টিকেলটি তাই অনেকেরই জানা প্রয়োজন।তো চলুন শুরু করা যাক।

আমরা অনেকেই টিভিতে আবহাওয়ার বিপদ সংকেত দেখতে পাই যেমন ১ নম্বর, ২ নম্বর,৩ নম্বর ইত্যাদি।কিন্তু আমরা হয়তো অনেকেই এই বিষয়টি সম্পর্কে এতটা জানি না যে কী এই আবহাওয়া বিপদ সংকেত ।অনেকেই হয়তো বিষয়টি জানতে আগ্রহী।গত কয়েকদিন আগে  ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ভয়াবহতার কথা আমরা সবাই জানি।আর ওইসময়টাতে টিভি খুললেই দেখা যেত যে ৯ নম্বর বিপদ সংকেত, ৯ নম্বর বিপদ সংকেত।আসলে কী  এই  ৯ নম্বর বিপদ সংকেত?সেটাই জানবেন ক্রমে ক্রমে,তো ১ নম্বর বিপদ সংকেত থেকে শুরু করা যাকঃ

১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত :- এর অর্থ বঙ্গোপসাগরের কোন একটা অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বইছে এবং সেখানে ঝড় সৃষ্টি হতে পারে৷অর্থাৎ এটি ভয়াবহ বিপদ সংকেতের প্রকাশক নয়।সাধারণ ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে এটি ভবিষ্যৎদ্বানী দেয়  এক্ষেত্রে একটি লাল পতাকা চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত :-  এই সংকেত দ্বারা বোঝায় যে সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে৷ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলেই  বার্তা হিসেবে এউ সংকেত দেয়া হয়।

৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত :- এটি দ্বারা বোঝায় যে দমকা হাওয়া সম্মুখীন ৷অর্থাৎ দমকা হাওয়া বন্দর বা সৈকতের দিকে ধেয়ে আসছে  এক্ষেত্রে সংকেত হিসেবে দুইটি লাল পতাকা ব্যবহৃত হয়।

৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত :- এটি দ্বারা বন্দর ঝড়ের সম্মুখীন হচ্ছে বোঝায়, তবে এটি ততটা বিপদজনক হয়  অর্থাৎ এমন নয় যে চরম নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে,আর সবাইকে ঘরবাড়ি ফেলে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হবে।

৫ নম্বর বিপদ সংকেত :- এর অর্থ হচ্ছে অল্প বা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঝড়টি  বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে(চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে)। অন্য বন্দরের বেলায় অন্য দিক থেকেও আসতে পারে।

৬ নম্বর বিপদ সংকেত :- এটি দ্বারা অল্প বা মাঝারী ধরনের ঝড় হবে এবং আবহাওয়া দুযোগপূর্ণ থাকবে তা বোঝায়৷ ঝড়টি উপকূল অতিক্রম করতে পারে এমন বোঝায়।

৭নম্বর বিপদ সংকেত :- এটি দ্বারা অল্প অথবা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড় হবে এবং এজন্য আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে, তা নির্দেশ করে৷ ঘূর্ণিঝড়টি সমুদ্রবন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷ সংকেত হিসেবে তিনটি লাল পতাকা ব্যবহৃত হয়।আর বাতাসের গতিবেগ হবে ৬২-৮৮ K.M per hour.

৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত :- যখন প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় হবে এবং বন্দরের আবহাওয়া খুবই দুর্যোগপূর্ণ থাকবে,তখনই এই সংকেত ব্যবহৃত হয়৷

৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত :- এটি দ্বারা বোঝায় যে প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করবে।এইক্ষেত্রে  ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে।

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত :- এর অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া ভয়ানকভাবে দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঘূর্ণিঝড়টির বন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷

১১ নম্বর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত :- ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাথে সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে এই সংকেত ব্যবহৃত হয়। আবহাওয়া সর্বোচ্চ চরম পর্যায়ে পৌঁছে  গেলে এই সংকেত দেওয়া যায়।এক্ষেত্রে আবহওয়া খুবই, খুবই খারাপ থাকবে।

আশা করি বিপদ সংকেত সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।কোথাও ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাদৃষ্টিতে দেখবেন।
সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন,ধন্যবাদ।

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

কাগজের দিন শেষ এখন মোটর ইন্সুরেন করে হাতে নিন স্মার্ট কার্ড, আয় করুন প্রতি দিন।

Md Sayful Islam

Published

on

বর্তমান সড়ক পরিবহন আইন অমান্য করার শাস্তি পূর্বের চেয়ে একট ভিন্ন । বিআরটিএ সড়ক পরিবহন আইন এর আওতায় মোটর ইন্সুরেন্স করা বাধ্যতামূলক। যদি কোন মোটর গাড়ির ইন্সুরেন্ না থাকে তাহলে জেল জরিমানা ছাড়াও নানা রকম ঝামেলায় পড়তে পারেন। তাই মোটর রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনি অবশ্যই মোটর গাড়িটির ইন্সুরেন্স করে নিবেন।

এখন আসি কিভাবে করবো ইন্সুরেন্সঃ- 

আপনি ঘরে বসেই আপনার ইন্সুরেন্সটি করে নিতে পারবেন। বাংলাদেশে এই প্রথম নিটল ইন্সুরেন্স কম্পানি অনলাইন ভিত্তিক ডিজিটাল ইন্সুরেন্স ফরম ফিলআপ সম্পন্ন করার পর স্মার্টকার্ড প্রদান করে আসছেন। অন্যান্য কম্পানি কাগজের হার্ডকপি দরিয়ে দিয়ে থাকে কিন্তু নিটল কম্পানি আপনাকে দিচ্ছে স্মার্ট কার্ড। যাহা আপনি আপনার মনি ব্যাগে রাখতে পারবেন। বৃষ্টিতে বেজঁবে না।

ইন্সুরেন্স স্মার্ট কার্ড ফিঃ –

এই সেবায় আপনি www.nitol insurance এ লগিং করে আপনার গাড়ির   প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফরম ফিলআপ করে সাবমিট দিলে আপনার কাছ থেকে বিকাশ কিংবা রকেটে টাকা পেমেন্ট দিতে বলবে। আপনি বিকাশে টাকা পেমেন্ট করার পর একটি হার্ড কপির পিডিএফ ফাইল অপেন হবে। কপিটি প্রিন্ট করে নিবেন। এবং ফরম পূরনের সময় অবশ্যই প্রয়োজনীয় সব তথ্য যেন সঠিক ভাবে লিখা হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। আপনার ঠিকানা ৩টি কর্ম দিবসের মধ্যে কম্পানি কুরিয়ারের মাধ্যম একটি স্মার্ট পাটাবে । আপনি অবশ্যই   নিকটবর্তী কুরিয়ারে যোগাযোগ রাখতে হবে। কাম্পানি আপনার বা ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে স্মার্টকার্ডের জন্য আলাদা কোন ফি নিবে না।

ঘরে বসে ইন্সুরেন্স করে আয়ঃ-

কেউ ইচ্ছা করলে একটি কম্পিউটার ও নেটকানেকশন থাকলে এই সেবাটিকে আয়ের রাস্তা হিসেবে নিজেকে কাজে লাগাতে পারেন। প্রতিদিন ৫টি করেও যদি ইন্সুরেন্স করেন তাহলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজের বিনিময় হিসেবে কমপক্ষে ৫০ টাকা করে দিলেও ২৫০ টাকা ইনকাম হবে। আপনি হয়তো ভাবছেন কাস্টমার আপনাকে কেন দিবে ৫০ টাকা। হে দেওয়ার কারন আছে। ক্লায়েন্ট যদি কোন একটি ইন্সুরেন্স অফিসে গিয়ে ইন্সুরেন্সটি করে তাহলে উনাকে লাইনে দাড়াতে হবে এবং অফিসে আসা যাওয়া সময় দিতে হবে। কিন্তু আপনারে এখানে তিনি খুব কম সময়ে লাইনে না দাড়িয়ে উনার কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন। আরও একটি বিষয় হলো বাংলাদের সকল ইন্সুরেন্স কম্পানি কিন্তু এখনো স্মার্টকার্ড দিতে পারে না।  যেহতু কম্পানি স্মার্ট কার্ডে র জন্য আলাদা কোন ফি নেন নাই সেহতু  কাস্টমার আপনার কাছ থেকেই ইন্সুরেন্সটি করবে ।

প্রচার প্রসারঃ- 

কাস্টমারকে বুঝাতে হবে আপনার সেবা গুলি। এরই সাথে স্যোসাল মিডিয়া ব্যবহার করে আপনি আপনার প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাবেন। তাহলে অর্ডার আরও বেশি বেশি পেতে থাকবেন।

নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ সর্ব তথ্য পেতে সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

 

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ওয়্যারলেস চার্জারেরও ব্যবস্থা আছে এই সাউন্ড বক্সে

Rajib Saha

Published

on

টেকনোলজি রিলেটেড এখন একটি খুব ইন্টারেস্টিং ডিভাইস নিয়ে কথা বলব।কী সেই ডিভাইস আর কেন এটি ইন্টারেস্টিং এই নিয়েই আজকের লেখালেখি।তো শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেল।

আমরা সবাই সবকিছুতেই বেশী বেশী সুবিধা চাই,আবার অনেক সময় সুবিধা পেয়েও যাই,অনেক সময় পাই না। আবার এমন সুবিধা চাই যেটা হয়তো কল্পনাতেই থাকে আবার এমন অনেক সুবিধা আছে যা আমরা ভাবতেও পারিও না।যাহোক,আজকে যেই ডিভাইসটির কথা বলব সেটি আর কিছুই না সেটি একটি সাউন্ডবক্স।তবে এটাকে যদি নরমাল সাউন্ড বক্স বলে উড়িয়ে দেন তাহলে সেটা অবশ্যই ঠিক না।অর্থাৎ এই সাউন্ডবক্সের কিছু দিক আছে যার জন্য এই বক্সটিকে নিয়ে আজকের লেখা,যদি নরমাল সাউন্ড বক্স হতো তাহলে তো আর শুধু শুধু কষ্ট
করে আর্টিকেল লিখতে বসতাম না। তো কী এটার এমন বিশেষত্ব?সরাসরি উত্তরটা পরে দেই, ধরুন আপনি চাচ্ছেন আপনার সাউন্ড বক্সটি বাজাতে কিন্তু ফোনেও চার্জ নেই এখন কী করবেন?

খুবই সহজ আরেকটি প্লাগে চার্জ দেবেন আর আরেকটিতে সাউন্ড বক্সের কানেকশন দেবেন। তবে কেমন হতো যদি এই দুটি কাজই একসাথে করা যেত?অর্থাৎ আপনি সাউন্ড বক্স বাজাচ্ছেন আর ওই বক্স থেকেই চার্জও দিচ্ছেন।

,ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং না?এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো। আর যে ডিভাইসটির জন্য এটি সম্ভব হচ্ছে তা হলো SOUNDFORM ELITE SMART SPEAKER যেটি Belkin কোম্পানি তৈরি করেছে।এটির মাধ্যমে আপনি আবার ওয়্যারলেস ব্যবস্থায়ও চার্জ দিতে পারবেন। আর চার্জ ও হবে অতি দ্রুত এবং আপনার ফোনও সেফ থাকবে।

এবার আসি সাউন্ডবক্সটির কিছু খুঁটিনাটি নিয়ে কথা বলব,সাউন্ডবক্সটি Wireless,ব্লুটুথ এবং ওয়াইফাই ব্যবস্থা আছে।এটির মাধ্যমে খুব Smooth আর High Quality’র মিউজিক বা অডিও শুনতে পারবেন।এটি ৬.৪ ইঞ্চি প্রশ্বস্তবিশিষ্ট,লম্বায় ৬.৬৩ ইঞ্চি এবং এটির ওজন ১ কেজি ২৫০ গ্রাম।ওজনেও এটি ওতটা ভারী নয়।এটি বাজারে সাদা আর কালো রঙে পাওয়া যাচ্ছে।

এটিতে আরও ফিচার যুক্ত আছ যেমন এটির সাথে Voice assistant হিসেবে Google Assistant কে যুক্ত করা হয়েছে,ফলে এই সাউন্ডবক্সের মাধ্যমে আপনি গুগলকে নানান প্রশ্ন করতে পারবে,অর্থাৎ এই বক্সে আবার Google Assistant এর সুবিধাও পাচ্ছেন।

সুতরাং বোঝই যাচ্ছে যে, এই সাউন্ডবক্সটি অন্যান্য সাউন্ড বক্সের থেকে আলাদা আর বিশেষ ফিচারযুক্ত।তবে একটি বিষয় জেনে রাখা দরকার,সেটি হচ্ছে এই স্মার্ট ফাস্ট চার্জিং এর সুবিধা আপনি আইফোন,গুগলফোন আর স্যামস্যং এ পাবেন,অন্যান্য ফোনে খুব সম্ভবত নাও পেতে পারেন।

আশা করি আজকের আর্টিকেলটি ভালো লেগেছে।কোথাও ভুল হলে ক্ষমাদৃষ্টিতে দেখবেন।মনযোগ দিয়ে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন।

Continue Reading