Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

প্রোগ্রামিং

জেনে নিন ফাইল সিস্টেম এর সম্পর্কে

Shadhin Ali

Published

on

আসসালামুয়ালাইকুম, কেমন আছেন সবাই আশা করি ভাল আছেন।আজ আমি আপনাদের মাঝে এমন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি যেখানে আপনারা জানতে পারবেন ফাইল সিস্টেম কি এবং এ সর্ম্পকিত নানা তথ্য। তো চলুন শুরু করা যাক।

কম্পিউটারের বিভিন্ন তথ্য ও ডাটা নিয়ে ফাইল তৈরি হয়। ফাইল হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ হতে পারে। অসংখ্য ফাইলসমূহ স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক এ সংরক্ষিত থাকে। হার্ডডিস্ক ফাইলসমূহ একটি নির্দিষ্ট রীতিতে নিয়ম তান্ত্রিক তালিকায় বিন্যস্ত থাকে। ইউনিয়ন তান্ত্রিক সুবিন্যাস্ত তালিকায় হচ্ছে ফাইল সিস্টেম। এ ফাইল সিস্টেম তৈরি হচ্ছে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এর দ্বারাই। একটি অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন টাইপের ফাইল সিস্টেম প্রয়োজন । একটি সদ্য কোন হার্ডডিস্কে শুরুতেই পার্টিশন করা হয়। একটি নতুন হার্ডডিস্কে যতগুলো প্রয়োজন ততগুলো পার্টিশনের বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি পার্টিশন একটি ডাটা সেটের মতো কাজ করে। উক্ত পার্টিশনকে অপারেটিং সিস্টেম ছোট ছোট সেগমেন্টে বিভক্ত করে। একে একটি সেগমেন্ট কে ক্লাস্টার বলা হয়। প্লাস্টারে বিভক্ত করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম একটি ডিরেক্টরি স্ট্রাকচার গঠন করে যা ফাইল সমূহ ধারণ করে। যখন কোন হার্ডডিস্ক পার্টিশন ফরম্যাট করা হয় এখন উক্ত পার্টিশনকে একটি নির্দিষ্ট ফাইল সিস্টেমে ফরম্যাট করা হয়। একটি হার্ডডিস্ক বিভিন্ন পার্টিশনের ভিন্ন ভিন্ন ফাইল সিস্টেম সহ ফরম্যাট করা যায়। একাধিক ফাইল সিস্টেম সহ হার্ডডিস্ক পার্টিশন সম্ভব বিধায় একটি হার্ডডিস্ক একাধিক অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা সম্ভব হয়।

উইন্ডোজের ফাইল সিস্টেম সময় হচ্ছে:

Fat সিস্টেম.

Fat32 সিস্টেম.

NTFS সিস্টেম।

Fat সিস্টেম: fat এর পূর্ণরূপ হচ্ছে ফাইল লোকেশন টেবিল (file allocation table)। এটি ১৬ বিট ফাইল সিস্টেম বাfat ১৬ নামে পরিচিত ‌। এর ফাইল সিস্টেম যখন ২ গিগাবাইটের উপরের হার্ডডিস্কে যেমন ১০ গিগাবাইট, ২০ গিগাবাইট ইত্যাদি। Fat সিস্টেমে পার্টিশন করা হয় তখন সেটি সর্বোচ্চ ৬৫,৫৩৫ পর্যন্ত ক্লাস্টার নাম্বার সাপোর্ট করে। হার্ডডিস্ক এর আকার বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্লাস টেন সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তাই বিভিন্ন সাইজের হার্ডডিস্কের ক্লাসটা সাইজ ওর টেবিলের দুটি ডিস্ক কপি ডিস্কের ভলিউম স্ট্রাকচারের পরে  সংরক্ষিত অবস্থায় থাকে।

Fat32 সিস্টেম: Fat সিস্টেমকে উন্নত করেFat32 তৈরি করা হয়েছে। Fat32 সিস্টেমে পূর্বেFat সিস্টেমের ২ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক সাপোর্টের সীমাবদ্ধতা নেই। এ ফাইল সিস্টেম এক একটি পার্টিশন ২ গিগাবাইটের উপরেও হার্ডডিস্ক সাপোর্ট করতে পারে। এর ফাইল সিস্টেম ৩২বিট সম্পন্ন। একটি ২ টেরাবাইট আকারের একটি পার্টিশনের সাপোর্ট করে। Fat32 সিস্টেমে ক্লাস্টারের নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বা স্ল্যাক স্পেসFat16 এর তুলনায় কম হয়। হলে হার্ডডিস্কের জায়গা অপচয় কমে যায়। Fat32 সিস্টেমেFat টেবিলের ব্যাকআপ কপি ব্যবহার করা যায় এবং এই ফাইল সিস্টেম সীমাহীন রুট ডিরেক্টরি সাপোর্ট করে।

NTFS সিস্টেম: new technology file systemবা NT file system এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে NTFS। নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে NTFS একটি বহুল ব্যবহৃত ফাইল সিস্টেম। উইন্ডোজ এনটি জন্যই মূলত ntfs ফাইল সিষ্টেম তৈরি করা হয়। Fat সিস্টেমের এর দ্রুততর NTFS system। NTFS যেসব সুবিধা প্রদান করে যা fat সিস্টেম দিতে পারেনা। NTFS বিশেষ সেকুরিটি ফিচার। যেমন ফাইল লেভেল সিকিউরিটি প্রদান করে যা fat পারেনা। Fat এর মত NTFS দীর্ঘ ফাইল নেম বজায় রাখতে পারে। এটি ২৫৬ টি ইউনিকোড ক্যারেক্টার ব্যবহার করতে পারে। সকল বিদেশী ভাষার অক্ষর সমূহকে একটি একক ক্যারেক্টার সাথে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে ইউনিকোড বলা হয়। NTFS ডসের৮.৩ প্রোফাইল নেমও বজায় রাখতে পারে।

আজকের পোস্ট এখানে শেষ করছি কেমন হল তা কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

খোদা হাফেজ।

আর্নিং প্রোগ্রাম | অনলাইনে আয় করার মাধ্যম

Advertisement
7 Comments

7 Comments

  1. Maria Hasin Mim

    Maria Hasin Mim

    May 17, 2020 at 9:21 pm

    Valo post

  2. Fahema Akter

    Fahema Akter

    May 17, 2020 at 10:11 pm

    Gd

  3. Mojammal Haque

    Mojammal Haque

    May 18, 2020 at 12:32 am

    গুড

  4. Maruf Ahmed

    Maruf Ahmed

    May 18, 2020 at 1:07 am

    এটা

  5. Romana akter

    Romana akter

    May 18, 2020 at 5:12 am

    useful post

  6. Trisad Saha

    Trisad Saha

    May 18, 2020 at 5:27 am

    Gd post

  7. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    May 29, 2020 at 9:01 am

    good

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

প্রোগ্রামিং

নেটওয়ার্ক টপোলজি এর সকল বর্ণনা বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো এই পোষ্টের মাধ্যমে।

Mehedi Hassan

Published

on

আসসালামু আলাইকুম

ধন্যবাদ সকলকে আমার পোস্টটি তে agree করার জন্য,,,,

আমরা জানি প্রত্যেকটি নেটওয়ার্ক কিছু কম্পিউটার বা হোস্ট এর সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে যারা একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে তথ্য আদান প্রদান করে । নেটওয়ার্ক টপোলজি হল এমন একটি বিষয়, যাতে নেটওয়ার্ক প্রত্যেকটি হোস্ট বা ডিভাইস সমুহ কিভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকবে সেই সিস্টেমকে বুঝায় ।

টপোলজিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায় যথা:
বাস টপোলজি (Bus Topology)
স্টার টপোলজি (Star Topology)
রিং টপোলজি (Ring Topology)
মেশ টপোলজি (Mesh Topology)
ট্রি টপোলজি (Tree Topology)
হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology)
নিন্মে এই টপোলজি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

বাস টপোলজি (Bus Topology): বাস টপোলজিতে একটি ব্যাকবোন ক্যাবল থাকে এবং এই ব্যাকবোন ক্যাবল এর সাথে সকল হোস্ট সমুহ যুক্ত থাকে । এই প্রকার নেটওয়ার্ক গঠন করা থুব সহজ এবং এত থরচ কম হয় । এই প্রকার নেটওয়ার্কএ যখন কোন কম্পিউটার ডাটা পাঠায় তখন, যে কম্পিউটার এর কাছে ডাটা পাঠানো হয়েছে, সে ডাটা গ্রহন করবে। এই সময় অন্য কোন কম্পিউটার ডাটা আদান প্রদান করতে পারবে না । এই ব্যাকবোন ক্যাবল এর দুই পাশে দুটি টারমিনেশন ব্যবহার করা হয় যাতে করে ডাটা কলিশন না ঘটে।
রাইহান
স্টার টপোলজি (Star Topology): স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রয়ন অংশ থাকে যাকে বলা হয় হাব বা সুইচ। এ্রর সাথে সকল হোস্ট সমুহ যুক্ত।স্টার টপোলজিতে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ বা বর্ধিত করা সহজ কিন্তু কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি নষ্ট হয়ে হয়ে গেলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে পড়ে।
রাইহান

রিং টপোলজি (Ring Topology): রিং টপোলজিতে প্রত্যেকটি কম্পিউটার একটি বৃত্তের ন্যায় একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে । এখানে প্রত্যেকটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে এমন ভাবে যুক্ত থাকে যে তারা একটি রিং বা লুপের সৃষ্টি করে । এই টপোলজিতে কোন শুরু বা শেষ প্রান্ত থাকে না । এই নেটওয়ার্কএ হোস্ট সমুহ একটি বৃত্তকার পথে পরস্পর এর সাথে যুক্ত হয়ে নেটওয়ার্ক গঠন করে । এখানে কোন হোস্ট অন্য কোন হোস্ট এর কাছে ডাটা পাঠালে পরের হোস্ট এর কাছে যাবে, ডাটাটি যদি তার কাছে না পাঠানে হয় তবে সে ডাটাটিকে পরের হোস্ট এর কাছে পাঠায়ে দিবে । এভাবে ডাটাটি প্রত্যেকটি হোস্ট এর কাছে যেতে খাকবে যতক্ষন না তা নির্ধারিত হোস্ট এর কাছে না যায় ।
রাইহান
মেশ টপোলজি (Mesh Topology): মেষ টপোলজিতে নেটওয়ার্কএ যুক্ত প্রত্যেকটি হোস্ট একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে । যেকোন হোস্ট সরাসরি যে কোন হোস্ট এর কাছে ডাটা পাঠাতে পারে ।এই ধরনের টপোলজি ইন্সটলেশন ও কনফিগারেশন বেশ জটিল। ব্যস্তবে এই ধরনের টপোলজি থাকে না বললেই চলে ।
রাইহান

ট্রি টপোলজি (Tree Topology): স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ হচ্ছে ট্রি টপোলজি। এই টপোলজিতে একাধিক কানেক্টিং ডিভাইস হিসেবে হাব বা সুইচ ব্যবহার করে নেটওয়ার্কভুক্ত সকল কম্পিউটারকে একটি বিশেষ স্থানে সংযুক্ত করা হয়। একে বলা হয় সার্ভার ভা রুট। ট্রি সংগঠনে এক বা একাধিক স্তরে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো রুট এর সাথে যুক্ত থাকে।
রাইহান
হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology): হাইব্রিড টপোলজি হল বিভিন্ন ধরনের টপোলজির সংমিশ্রন । এই টপোলজি স্টার, রিং, বাস ইত্যাদি নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত হয় বলে একে হাইব্রিড টপোলজি বলে। ইন্টারনেট একটি হাইব্রিড নেটওয়ার্ক, কেননা এতে প্রায় সব ধরণের নেটওয়ার্কই সংযুক্ত আছে।
রাইহান

thanks for you….

wach my post……

thank you vary much.

 

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

সি প্রোগ্রামিং ভাষা টিউটোরিয়াল পার্ট(৫)

Arman Hossan

Published

on

আমরা সি প্রোগ্রামের মৌলিক বিষয়সমূহ জেনেছি।আজ আমরা সি প্রোগ্রামিং ভাষার আরেকটু গভীরে যাব।প্রোগ্রাম রচনা করার জন্য প্রথমেই একটি খসরা প্রোগ্রাম করে নিতে হয়।একে অ্যালগরিদম বলে। আজ আমরা সি প্রোগ্রামিং ভাষার বিভিন্ন প্রোগ্রামের অ্যালগরিদম নিয়ে আলোচনা করব।প্রথমেই আমি যে প্রোগ্রামটি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে তিনটি ধনাত্নক পূর্ণ সংখ্যার যোগফল নির্ণয়।তো চলুন কথা না বাড়িয়ে অ্যালগরিদমে চলে যাই।
অ্যালগরিদমঃঃ-
১।শুরু করি।
২।ইনপুট হিসেবে তিনটি সংখ্যার মান গ্রহন করি এবং তা তিনটি চলকে রাখি।
৩।তিনটি চলকের মান যোগ করি এবং তা নতুন চলকে রাখি।
৪।ফলাফল হিসেবে নতুন চলকের মান প্রদর্শন করি।
৫।প্রোগ্রাম শেষ করি।
তিনটি ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যার গড় নির্ণয় করার অ্যালগরিদমঃ-
১। শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে তিনটি সংখ্যা গ্রহণ করে এবং তা তিনটি চালকে রাখি।
৩। তিনটি চলকের মান যোগ করি এবং আরেকটি নতুন চলকে রাখি।
৪। নতুন চলককে 3 দ্বারা ভাগ করি তা আরেকটি চালকে রাখি।
৫। ফল হিসেবে নতুন চলক এর মান প্রদর্শন করি।
৬।শেষ করি।
বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার আলগরিদমঃ-
১।শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে বৃত্তের ব্যাসার্ধ r এর মান গ্রহণ করি।
৩।Area=π*r*r ব্যবহার করেArea এর মান গ্রহণ করি।
৪। ফলাফল হিসেবে Area এর মান প্রদর্শন করি।
৫।শেষ করি।
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার অ্যালগরিদমঃ-
১। শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে ত্রিভুজের ভূমি এবং উচ্চতা এর মান গ্রহণ করে এবং তা দুইটি ভিন্ন চালক b,h এ রাখি।
৩।Area=1/2*b*h
৪। ফলাফল হিসেবে Area এর মান প্রদর্শন করি।
৫।শেষ করি।

বি.দ্রঃ দয়া করে কেউ রিয়েক্ট করবেন না।আমি প্রথমে অ্যালগরিদম সম্পর্কে আলোচনা করছি পরবর্তীতে এদের সি প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করবো এবং ইহার ব্যাখ্যা করব।কারণ সি প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করার আগে অ্যালগরিদ, প্রোগ্রামের বিভিন্ন ফাংশন, কিওয়ার্ড, এক্সপ্রেশন, স্টেটমেন্ট,অপারেটর, অপারেন্ড ইত্যাদি জানা প্রয়োজন।তাই ধারাবাহিকভাবে আমরা সব গুলোই শিখবো।

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

প্রোগ্রামিং শেখার দুটি জায়গা

Shahriair Lemon

Published

on

আমরা অনেকেই প্রোগ্রামিং বিষয়টা শুনলেই কেমন জানি মনে পড়ে থাকি যে এটা অনেক কঠিন, অনেক গভীর বিষয়। হে আসলেই প্রোগ্রামিং কিন্তু একটা গভীর বিষয়। আমরা যে অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ল্যাপটপ টা ইউজ করি সেটাও কিন্তু প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে তৈরি করা। আমরা পিসিতে যে উইন্ডোজ ব্যবহার করি ওটাও কিন্তু কোন না কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে লেখা। আসলে আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে এই প্রোগ্রামিং।

প্রোগ্রামিং শেখাটা অনেক ধৈর্যের একটা বিষয়। অনেকেই কিছুদূর শিখে আবার হাল ছেড়ে দেয়। আজকে কথা বলব আমরা প্রোগ্রামিং কেমন করে শিখতে পারি এবং কোন কোন জায়গায় শিখতে পারি।আসলে অনেক প্রোগ্রামিং ভাষা রয়েছে আপনি ইচ্ছে করলেই আপনার পছন্দমত প্রোগ্রামিং ভাষা সিলেক্ট করে তারপর শিখতে পারেন। প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে হল C programming, C sharp, python, java, C++, JavaScript etc.

আচ্ছা শুরু করি…

১. আমরা যারা লেখাপড়া খুব বেশি পছন্দ করি না তারা যদি প্রোগ্রামিং শিখতে চায় তাহলে তারা বিভিন্ন আইটি সেন্টারে গিয়ে শিখতে পারে বিভিন্ন কোর্স করে শিখতে পারে।

২.আর একটা মাধ্যম আছে আমাদের যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করি যেমন Duet,Buet,kuet ইত্যাদি। সেখানে আমরা প্রফেশনালি কোন প্রোগ্রামার হতে পারি বা সেখান থেকে শিখতে পারি।

৩. আর একটা মাধ্যম আছে টিউটেরিয়াল । আসলে টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে আমরা প্রফেশনালি কোন প্রোগ্রামিং শিখতে পারবো না। শুধুমাত্র কোন বিষয়ে সাহায্য নেওয়ার জন্য আমরা টিউটোরিয়াল গুলো দেখতে পারবো। কিন্তু শুধু টিউটোরিয়াল দেখে কোনো প্রফেশনাল প্রোগ্রামার হয়ে যাব এটা চিন্তা করা আসলে আদৌ কোন ভাল মানুষের কাজ হতে পারেনা।

আসলে প্রোগ্রামিং বিষয়টা আসলেই একটা মজার বিষয় যদি আপনি ভালো করে শিখতে পারেন। আরও যদি ভালো করে শিখতে না পারেন তাহলে বুঝবেন যে আসলে খুবই কঠিন।আল্লাহ রব্বুল আলামিন পৃথিবীতে আমাদের কষ্ট হবে এবং শিখতে পারবো না এমন কোন কাজ দিয়ে পাঠান নি। তাই আমাদের উচিত সব কাজেই একেবারেই সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। তাহলে কেবল সফলতা অর্জিত হবে। আসলে চেষ্টা ছাড়া কোন কিছুই হয় না।

আমরা যদি সত্যি কারের কোন প্রোগ্রামিং সেক্টরে কাজ বা প্রোগ্রামার হতে চাই । তাহলে উপরের দুটি সিস্টেম ছাড়া অন্য কোন সিস্টেমে আপনারা ভালো কোন প্রোগ্রামার হতে পারবেন না। আর কেউ যদি বলে যে আমরা খুব তাড়াতাড়ি অল্প সময়ের মধ্যেই আপনাকে ভালো কোন প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য সাহায্য করব । আসলে যারা কিন্তু ভুল বলে থাকে। তারা কিন্তু আপনাকে ঠকাবে । তাই খুব সতর্ক থাকবেন সবদিক দিয়ে। যা কিছু করবেন কনফার্ম হয় করবেন। তবে হ্যাঁ আপনি পরামর্শ নেবেন সবার কাছ থেকেই কিন্তু সিদ্ধান্তটা হবে আপনার।

আশা করি বুঝতে পারছেন। আবারো হাজির হব অন্য কোন টিপস নিয়ে । সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন , সুস্থ থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।

Continue Reading