Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

দেশের খবর

নতুন বছর উদযাপনে আনন্দের বন্যা

Eshrad Ahmed

Published

on

শেষ হয়ে গেলো আরেকটি বছর। অবশেষে বিদায় নিলো ২০২০। অনেকে একে অঘটনের বছরও বলছেন। সে যাই হোক, নতুন বছর চলে এসেছে। প্রতিবারের মতো এবারও আনন্দের ছাপ ছিলো চারদিকে। যদিও সীমিত পর্যায়ে সব আয়োজন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
 
বলা হয়ে থাকে, নতুন মঙ্গলের বার্তা বয়ে আনে। সেই সুন্দর দিনের আশাতেই সবাই মিলে বরণ করে নিয়েছে ইংরেজি নতুন বছর ২০২১কে। সময়টা কেমন যাবে, ভালো কি মন্দ, সেই হিসেব আপাতত তোলা থাক। তবে জনসমাগম নিষিদ্ধ করাসহ ইংরেজি নববর্ষ পালনে বেশ কিছু নিয়ম জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। তা সত্ত্বেও আনন্দ করতে তো আর বাঁধা নেই! ফানুস, আতশবাজি, পটকাসহ আলোর ঝলকানিতে সারা আকাশ ঝলমল করছিলো!
 
বিভিন্ন পাবলিক এরিয়া বা জায়গাগুলোতে জনসমাগম আর উৎসব, অনুষ্ঠান পালনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বাড়ির ছাদ তো রয়েছে। সেখানে থেকেই রাজধানী শহরের বেশিরভাগ বাসিন্দাদের আনন্দ করতে দেখা গেছে। তবে তাদের বক্তব্য ছিলো- এবার অন্যবারের তুলনায় কম শোরগোল ছিলো। বিগত বছরগুলোতে নাকি আরও বেশি মজা হতো। সেটা হতেই পারে কারণ মহামারির আতঙ্ক এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তাছাড়া সাবধানতা অবলম্বনের কোনো বিকল্প হতে পারে না।
 
সীমিত পর্যায়ে হলেও একটা খুব বাজে সময় পার করার পর সবার মনই যেন একটুখানি আনন্দ করতে চাইছিলো। খুশি হতে চাইছিলো। তাই এবারে যে যার যার মতো করে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে।এছাড়া বারবিকিউ পার্টি, নাচ, আড্ডা, চড়ুইভাতি, বনভোজন আর বছর শেষে ঘুরতে যাওয়া তো আছেই। বড় বড় হোটেল, রেষ্টুরেন্ট, কফিশপ আর ফুডকোর্টগুলোতে আজকে লোকসমাগম ছিলো। তারাও বলছেন- বিগত বছরগুলোতে আরও বড় করে আয়োজন করা হতো। এবারে স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে স্বল্প পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে। এমনকি বছর শেষে বিক্রি নিয়ে খুব বেশি সন্তুষ্ট নয় বিক্রেতারা। যদিও গত বছর অনেকটা সময় ছুটি বা বন্ধের মধ্য দিয়ে কেটেছে। তাই নতুন করে শীতের ছুটির আমেজ এবার আর পাওয়া যাচ্ছে না। তাছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাতে বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হবার পর ছুটির মজা, গ্রামে যাওয়া, নতুন ক্লাস, নতুন বই এসবের আনন্দ কিছুটা মলিন হয়ে গেছে। তবুও স্বস্তি পেতে চাইছে যেন সবার মন।
 
কথায় আছে- সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। অনেকগুলো দুঃসংবাদ আর অনেক খারাপ সময় পেরোনোর পর অবশেষে নতুন বছর এসেছে। এই বছরে যাতে মহামারির প্রকোপ থেকে পৃথিবী মুক্তি পেতে পারে এটাই সবার চাওয়া। অনেকে বলছে- মানুষ সামাজিক জীব। সেই হিসেবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাটা কারোর জন্যেই সহজ নয়। এমনকি স্বাভাবিক জীবনের ধারাটাও বদলে গেছে এই চলমান মহামারির কারণে। পুরো বছর জুড়েই চাকরি হারানো, লোকসান আর মৃত্যুর খবরে সয়লাব ছিলো পত্রিকার পৃষ্ঠাগুলো!
 
সবশেষে এতকিছুর পরেও সবার চাওয়া এটাই যে, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক পৃথিবী আর আমরা সবাই যেন আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারি!
 
সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।

Advertisement
10 Comments

10 Comments

  1. Jibon Roy

    Jibon Roy

    January 1, 2021 at 3:38 pm

    Nc

  2. Eshrad Ahmed

    Eshrad Ahmed

    January 1, 2021 at 5:18 pm

    Thank you

  3. Tanvir Ahmed

    Tanvir Ahmed

    January 1, 2021 at 7:37 pm

    Thumbs up

  4. Mahfuzur Rahman

    Mahfuzur Rahman

    January 1, 2021 at 8:29 pm

    Hummm

  5. Masud rana

    Masud rana

    January 2, 2021 at 12:18 pm

    Nice

  6. Eshrad Ahmed

    Eshrad Ahmed

    January 2, 2021 at 1:18 pm

    Thanks

  7. Eshrad Ahmed

    Eshrad Ahmed

    January 2, 2021 at 1:18 pm

    অনেক ধন্যবাদ

  8. Ariful Islam Arif

    Ariful Islam Arif

    January 12, 2021 at 1:38 pm

    Nice post

  9. Eshrad Ahmed

    Eshrad Ahmed

    January 12, 2021 at 9:22 pm

    মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

  10. Alisha Haque

    Alisha Haque

    January 13, 2021 at 8:46 pm

    Hmm

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

দেশের খবর

করোনা মোকাবেলায় টিকা আনার উদ্যোগ নিয়েছে দূতাবাসগুলো

Eshrad Ahmed

Published

on

গত বছরের শেষে এখনো আলোচনায় করোনা এবং করোনা টিকা। এখনো দেশে টিকা এসে পৌছায়নি। স্কুল- কলেজ বন্ধ রয়েছে অনেক দিন হলো। এর মধ্যে ঢাকায় অবস্থিত বিদেশী দূতাবাসগুলো টিকা আনার অনুমতি চেয়ে চিঠি দিয়েছে সরকারকে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- নিয়ম মেনে টিকা আনলে কোনো বাঁধা প্রদান করা হবে না।

 

এদিকে রাশিয়ার সরকার ঢাকায় অবস্থানরত রাশিয়ান নাগরিকদের টিকা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যে রুশ দূতাবাস এই তথ্য নিশ্চিত করে সরকারকে চিঠি দিয়েছে। যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসও একই ধরণের পদক্ষেপ নিতে সরকারের অনুমতি চেয়েছে। এছাড়া বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের কর্মচারীদের জন্যেও টিকা আনার উদ্যোগ নিয়েছে।

 

এসব টিকা বা ওষুধ আনার অনুমতি দিয়ে থাকে ওষুধ অধিদপ্তর। তারা জানিয়েছে- স্বাস্থ্য ভন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রুশ দূতাবাসের আবেদনপত্র তারা পেয়েছেন। এখন নিয়ম মানার শর্তে তারা টিকা আনার বিষয়ে আপত্তি করবেন না বলে জানান ওষুধ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

 

অন্যদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে- দূতাবাসে কর্মরত এবং রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অবস্থানরত রাশিয়ান নাগরিকদের জন্যে রুশ দূতাবাস রাশিয়ায় উদ্ভাবিত স্পুতনিক ভি টিকা আনাতে চায়। এইজন্য তারা আবেদন করেছেন।

 

সাধারণত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদনপ্রাপ্ত টিকা আনাতে সহজেই অনুমোদন দিয়ে থাকে ওষুধ প্রশাসন। কিন্তু রুশ বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত টিকা সেই অনুমোদন পায়নি। যদিও রাশিয়া, বেলারুশসহ একাধিক দেশে এই টিকা ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানা গেছে। তাহলে এই টিকা আদৌ এই দেশে অনুমোদন পাবে কিনা সেটা এখনো স্পষ্ট নয়।

 

রুপপুর পারমানবিক কেন্দ্রে আনুমানিক ১২ হাজারের মধ্যে চার হাজার রাশিয়ান, পাঁচ হাজার বাংলাদেশি আর বাকি ভারতীয় নাগরিক নিয়োজিত আছেন। এখন রুশ সরকার কি সবার জন্যই টিকা দিতে চায় নাকি শুধু রাশিয়ানদের জন্যে সেটা এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।

 

এদিকে টিকা এলে তা কিভাবে সংরক্ষণ করা হবে এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তা মোকাবেলায় কি উদ্যোগ নেয়া হবে, কি ব্যবস্থা রাখা হবে সেই বিষয়ে সরকারের সাথে আলোচনায় বসতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়া চীন দেশের অনেক নাগরিক বড় বড় প্রকল্পে এই দেশে কাজ করছেন। তাদের জন্যে চীনা দূতাবাসও টিকা আনাতে চায় কিনা সেই বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। এছাড়া ব্রাক তার কর্মীদের জন্যে টিকা আনার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে সরকারের কাছে। এই পর্যন্ত অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকা ভারত থেকে আনার অনুমতি পেয়েছে বেক্সিমকো যা দেড় কোটি মানুষকে দেবার পরিকল্পনা আছে সরকারের।

 

বেসরকারিভাবে টিকা আনার নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। নীতিমালায় টিকা দেয়ার প্রক্রিয়া এবং দামসহ উল্লেখ থাকবে। টিকা আমদানি করা নিয়ে নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। সবকিছু নিয়ম মেনেই পরিচালনা করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

Continue Reading

দেশের খবর

চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনা “কোরাইলার মুখ” যেন এক ভয়ংকর মৃত্যুফাঁদ

Kahhar Siddiquee Nayeem

Published

on

“চাঁদপুর ট্রায়াঙ্গেল” এই ভয়ঙ্কর মৃত্যুকূপে পড়লে আর হদিস মেলে না। ছোটবেলা থেকেই শুনেছিলাম বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের কথা। যাওয়া হয়নি কখনো আটলান্টিক মহাসাগরে। কিন্তু দেখলাম চাঁদপুর ট্রায়াঙ্গেল চারপাশ থেকে প্রবাহিত তীব্র স্রোত মাঝে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণপাক। ভয়ঙ্কর  এই ঘূর্ণিপাকে কিছু পড়লে তার হদিস মেলে না। এমনকি বড় বড় যাত্রীবাহী লঞ্চও তলিয়ে গেছে এখানে। যেগুলো সন্ধান কোনদিনই আর পাওয়া যায়নি।

তিন নদীর মোহনা

বলছি চাঁদপুর তিন নদীর সঙ্গমস্থলের কথা। স্থানীয়ভাবে “কোরাইলার মুখ” নামে পরিচিত। পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদী এসে মিলেছে এখানে। নদীগুলো তিন দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে মিশে যায়; সেখানে পানির বিশাল এক গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই ট্রাইএংগেলে পড়ে নিখোঁজ হয়েছে শত শত মানুষ, লঞ্চ, মালবাহী ট্রলার। তিন নদীর সঙ্গমস্থল যেন এক ভয়ঙ্কর মৃত্যুফাঁদ। মোহনাটি নদীর একেবারে তীরে অবস্থিত। সাধারণত নদীর তীর ওতটা গভীর হয়না।  তবে আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, নদীর তীরে হওয়া সত্ত্বেও এই মোহনা অনেক গভীর। বর্ষাকালে এটি রূপান্তরিত হয় মৃত্যুকূপে। এই মোহনা নিয়ে লোকমুখে অনেক গল্প প্রচলিত রয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কাউন্সিলর বলেন, দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। জেলে নৌকা, মাল বোঝাই ট্রলার ও যাত্রীবাহী ট্রলার দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। আমরা এসব দুর্ঘটনা এড়াতে সর্বদা কাজ করছি। তিনি বলেন, যতদিন নদীর বিপরীত পাশগুলো খনন করা না হবে ;ততদিন এখানে স্রোত কমবে না. স্রোতের কারণে শহররক্ষা বাঁধও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। স্রোতের গতিপথ পরিবর্তন হলে এখানে দুর্ঘটনা কমে আসবে। এদিকে বিপরীত পাশে চর জেগে উঠায় পদ্মা নদীতে ইঁলিশ ঢুকতে পারছে না। ইঁলিশের চাহিদা হুমকিতে রয়েছে। সব সময় প্রবল ঘূর্ণিঝড় যেতে থাকে, যার কারণে নৌযানগুলো দুর্ঘটনার শিকার হয়। এখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলেই আমরা সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করি। ঝুঁকি কমাতে এই স্থানের সর্তকতা জারি করা হয়। 

সর্বোপরি, বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী-বন্দর চাঁদপুরের এই “কোরাইলার মুখ” টি জনগণের জন্য এক আতঙ্কের নাম,  তা বলাই যায়। 

আগের আর্টিকেলটি পড়তে ক্লিক করুন।

Continue Reading

দেশের খবর

পাবজি তে দেশ সেরা খেতাব পেল বাংলাদেশি টিম এ ওয়ান ই স্পোর্টস এবং সাথে জিতে নিল ছয় লাখ টাকা

Mainul islam Robin

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক গান। সবাই ভাল আছেন। আমিও ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের মাঝে কোন প্রকার ট্রিকস শেয়ার করতে আসিনি। আজ আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি খবর নিয়ে এসেছি। খবরটি আপনারা অনেকেই শুনেছেন । যারা শুনেছেন তো ভালো আর যারা শুনেননি তার আমার এই পোস্টটি পড়ে জেনে নিন। আজ আমি যে খবরটি নিয়ে আসলাম সেটি হল পাবজি খেলে বাংলাদেশি টিম দেশ সেরা খেতাব জিতলো।

 

আমরা সবাই জানি পাবজি হচ্ছে সর্বাধিক বিক্রিত অনলাইন গেমস এর মধ্যে একটি। এটির জনপ্রিয়তা ছাড়িয়ে গেছে সারা পৃথিবীতে। এটি এমন একটি গেমস যেটাতে খেলোয়ার ও তাদের নিজের পরিচয় গোপন রেখে যুদ্ধ ময়দানে নামতে পারে এবং 100 জনের মধ্যে যে এই যেমন সর্বশেষে টিকে থাকে সেই জনই হয় বিজয়ী। তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে প্লেয়ার আননোন ব্যাটেল গ্রাউন্ড। তাই এই অনলাইন গেমস বাংলাদেশে ও এক অনন্য জনপ্রিয়তার জায়গা করে নিয়েছে।

 

ছোট্ট ছোট্ট পায়ে চলতে চলতে ঠিক পৌঁছে যাব। এই কথাটাই যেন তারা স্মরণে রেখে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে এখন অন্য উচ্চতায়। অনলাইন গেম পাবজি মোবাইল টুনামেন্ট ফাইনালে গিয়ে তারা দেশ সেরা খেতাব জিতল। তাদের টিমের নাম ছিল এ ওয়ান ই স্পোর্টস 1952। তাদের খেলতে হয়েছে মোট ছয়টি ম্যাচ। তালিকার শীর্ষে থাকা এ ওয়ান ই স্পোর্টস 1952 মোট 233 পয়েন্ট নিয়ে জিতে নিল 6 লাখ টাকা। যেখানে মোট প্রাইজ মানি ছিল 17 লাখ টাকা। দলটির নির্মাতা ছিল কাজী আরাফাত হোসেন। দলটিতে যারা অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদের নাম গুলো হলো

 

1. নাওমান আল রাফি।

2. মোঃ শাকিল

3. শাহ হাসানুজ্জামান অভি

4. সিরাজউদ্দৌলা

 

এই চারজন ছিল এ ওয়ান ই স্পোর্টস এর প্রধান সদস্য। তারাই খেলেছিল গ্লোবাল চ্যাম্পিয়নশিপ সারভাইভাল রাউন্ড। এবং শত বাধা পেরিয়ে তারা ফাইনাল রাউন্ডে জিতে নিল দেশ সেরা খেতাব।

2021 সালের জানুয়ারির 21 থেকে 25 তারিখে দুবাইয়ের পিএমডিসির গ্রান্ড ফাইনালে লড়বে এ ওয়ান ই স্পোর্টস 1952। তার আগে দেশ সেরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় অনেকটা আত্নবিশ্বাসী হয়েছে এই দল।

 

আশা করি বুঝতে পারছেন বাংলাদেশের তরুণদের কাছে কতটা জনপ্রিয় হয়েছে এই গেম । আশা করি তাঁরা যেন সামনে বিজয়ী হয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারে। পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ সবাইকে ভাল লাগলে শেয়ার করতে পারেন।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট