Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস – পৃথিবীতে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা

Bipon 360

Published

on

পৃথিবীতে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা এতো বেশি যে, বলে শেষ করা যায়নাএকজনের কাছে বন্ধুত্ব একরকমতো অন্যজনের কাছে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা অন্যরকমবন্ধুত্বের একটি সংজ্ঞা নিয়েই হতে পারে বিশালবইআবার হতে পারে দীর্ঘ বক্তৃতাহতে পারে আমার বিরক্তিকর লেখাতবে মনে হয় জনহেএর এই সংজ্ঞাটা না দিলে বন্ধুত্ব বুঝা যায়নাবন্ধুত্ব হলো জীবনের সূর্যোদয়
সত্যি অবাক করার বিষয়, তিনি তার বন্ধুদের কতো বড় করে দেখছেনগোটা পৃথিবীর কাছে তুমি একজন মানুষ মাত্রবন্ধুর কাছে তুমি গোটা পৃথিবীভালো বন্ধু সেযে মনে করে, তুমি একটা ভালো ডিম, যদিও সে জানে ডিমটা খানিকটা ফাটা
আবার বন্ধুত্ব হচ্ছে চুইংগামের মতো হৃদয়ের কাছাকাছি, যা একবার মনে স্থান করে নিলেই হলো, ছাড়তে চাইলেও তা সম্ভব হয় না।
বন্ধুত্ব তিন ধরনের
(১) খাবারের মত, যাদের ছাড়া চলে না।
(২) ঔষধের মত, যাদের মাঝে মাঝে দরকার হয়।
(৩) অসুখের মত, যাদের কেউ চায় না।
‘তুমি যদি ৫শ’ বছর বেঁচে থাকো, আমি যেনো একদিন কম বাঁচি, যাতে তোমায় একদিনের জন্যেও মিস না করি।’বন্ধুত্ব নিয়ে সুবচনের শেষ নেই। আবার বন্ধুত্বের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞাও নেই। তবে এটা অস্বীকার করার কোনো জো নেই যে, বেঁচে থাকতে হলে অবশ্যই ভালো বন্ধু প্রয়োজন।
ভালো বন্ধুর মাধ্যমে তুমি আর কিছু না বুঝ বা না পাও কিন্তু তুমি কেমন, তোমার ভুলটা সে দেখাবে, আবার তোমাকে তোমার ভালো কাজের প্রশংসাও সেই করবে।
“তোমার ভালো বন্ধু সে-ই যে তোমার মধ্যকার সর্বোত্তম গুণটা বের করে আনবে।”-হেনরি ফোর্ড। বন্ধুত্ব হচ্ছে দু’জনের পরস্পরের প্রতি গ্রহণযোগ্য ও প্রত্যাশিত আচরণ। বন্ধুত্ব হচ্ছে ‘বিশ্বাস’। বন্ধুত্ব হচ্ছে ‘দু’দেহ একমন।’ — এরিস্টটল।
বন্ধুরা জানে এবং মানে তারা পরস্পরের ক্ষতি করবে না। এটা সত্যি যে, বন্ধুত্ব গড়ে উঠে কিছু প্রদর্শিত মূল্যবোধের ওপর, যার মধ্যে রয়েছে বন্ধুর বেলায় সবচেয়ে ভালোটাই ঘটুক এ প্রত্যাশার লালন, সহানুভূতি ও একাগ্রতা, সত্যবাদিতা, সততা ও পারস্পরিক সমঝোতা। মানব সভ্যতাই গড়ে উঠেছে বন্ধুত্বের ছায়ায়। একজন ভালো বন্ধু সবারই কাম্য। একজন সৎ বন্ধুর কাছে বা তার সানিধ্য পেতে সবাই ব্যাকুল থাকে।
কবি এ এস বলেছেন
“সত্যিকার বন্ধুত্বে সত্যবাদিতা চাই-ই চাই।” একজন সত্যিকার ও সত্যবাদী বন্ধু তোমাকে ভালোবাসবে আবার তোমার মন্দ কাজগুলোর সরাসরি সমালোচনাও করবে। তবে অনেক বন্ধুই আছে সুদিনের!! যাদের দুর্দিনে খুঁজে পাওয়া যায় না বা চাইলে ও পাওয় যায় না। সত্যিকারের বন্ধু সম্পর্কে অস্কার ওয়াইল্ড লিখেছেন, “যে তোমাকে পেছনে থেকে নয়, সামনে থেকে ছুরি মারতে পারে সে-ই।” কী ভয়ানক উক্তি। তবে এই কথার অন্তরালে অনেক ভালো কথা লুকিয়ে আছে। বন্ধুত্বের রশিটা সব সময়ই জৈব সীমার উর্ধে রাখা উচিত।
বয়স ও অর্থ দিয়ে বন্ধুকে পরিমাপ করা উচিত নয়। বন্ধুত্বের জায়গাটা মনের মধ্যে বিশাল করা দরকার। বর্তমান সময়ের বন্ধুত্ব কেমন এবার তা নিয়ে একটু আলোচনা করি। যুগ বদলাচ্ছে। এটা বেশ পুরোনো কথা। যুগের সঙ্গে বদলাচ্ছে সবকিছু এটাও সবার জানা।
তেমনি বদলে যাচ্ছে বন্ধুত্বের আবেগ-অনুভূতি, গতি-প্রকৃতি। নদীর নাব্যতার মতো কমে যাচ্ছে বন্ধুর গভীরতা। বন্ধুত্বে সৃষ্টি হয়েছে অনেক বিভাজন। আমাদের এখন অনেক বন্ধু। স্কুলের বন্ধু, কলেজের বন্ধু, অফিসের বন্ধু, ক্লাবের বন্ধু, কিংবা পার্টির বন্ধু, এফ বির বন্ধু। অনেক ধরনের বন্ধু আমাদের। যার কাছে স্বার্থ নেই সেই আমাদের বন্ধু। কিন্তু প্রকৃত বন্ধু? কমে যাচ্ছে সেই সংখ্যা। কারও কারও নেই বললেই চলে।
এই সময়ে শিশু-কিশোরদের বড় বন্ধু কে?সরাসরি উত্তর-কম্পিউটার। শতকরা ৮৫ ভাগ শহুরে শিশুর ক্ষেত্রে এটা সত্যি। তাদের প্রিয় বন্ধুর নাম মহান কম্পিউটার। হবেই তো কম্পিউটার, কারণ এর সঙ্গেই তো তারা বেশি সময় কাটাচ্ছে। তারা খেলতে পারছে না। ঘুরতে পারছে না। বাবা মাও বন্ধু হচ্ছে না। কারণ বাবা-মাকে ঠিকমত কাছে পাচ্ছে না তারা। আর তাদের এসব চাহিদা পূরণে সর্বদাই নিয়োজিত মহান বন্ধু কম্পিউটার।
কম্পিউটারে খেলছে, গান শুনছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘুরছে পৃথিবী। কম্পিউটারই তাদের প্রকৃত বন্ধু। বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। আমাদের আবেগ কোন্ স্তরে তা উদাহরণ দিয়ে বুঝতে হবে না। অপরদিকে বন্ধুত্ব পুরোটাই আবেগ নির্ভর। সুতরাং বর্তমানে প্রকৃত বন্ধুত্বের অস্তিত্ব যে হুমকির মুখে এটা সবারই জানা। প্রযুক্তি নির্ভর সময়ে এসে আমাদের বন্ধুত্ব বাড়ছে কিন্তু গুণ ও মান কমছে। ফেস বুক সবারই পরিচিত। বন্ধু বানানোর বিশাল ফ্যাক্টরী হলো ফেসবুক বা বন্ধু বানানোর মেশিন। এই মেশিনটি এমনই ক্ষমতাধর যে, রোজ লক্ষ কোটি বন্ধু তৈরি হচ্ছে। একবার ঢুকলেই আপনার বন্ধুর সংখ্যা হবে অগণিত। ছোট-বড়, ধনী-গরিব ভেদাভেদহীন। সবাই সবার বন্ধু হচ্ছে। হাত বাড়ালেই বন্ধু।
মার্ক টোয়েনের একটি উক্তি হলো
“যে কোনো মানুষের ক্ষেত্রে তার বন্ধু তার জন্য সম্পদ স্বরূপ।” সে হিসেবে ফেসবুকের সবাই বিশাল সম্পদশালী। এজন্যে তারা সম্পদশালী কারণ তাদের অনেক বন্ধু। বিষয়টি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু বিপত্তিটা এখানে যে, অনেকের অভিযোগ ফেস বুকের বন্ধুত্ব প্রকৃতপক্ষে কোনো বন্ধুত্বই নয়। বিষয়টি শুধুই মজা করা।
দুএকটি ব্যতিক্রম বাদে ফেস বুকের বন্ধুত্ব ফেসবুকেই সীমাবদ্ধ থাকে।
ফেসবুক , মোবাইল ও ইমেই মাধ্যামে প্রতিনিয়তই বন্ধুত্বের পাল্লা ভারী হচ্ছে। কিন্তু আগের বন্ধুর মতো প্রকৃত বন্ধু এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন মানুষের বন্ধুর অভাব হয় না। অভাব হয় প্রকৃত বন্ধুর। যতোই আমরা প্রযুক্তির দিকে ধাবিত হচ্ছি, ততোই আমাদের মাঝে রোবটিকতা কাজ করছে। আর কমে যাচ্ছে প্রকৃত বন্ধু। সঙ্কুচিত হচ্ছে আমাদের আবেগ। ‘গোলাপ যেমন একটি বিশেষ জাতের ফুল, বন্ধুও তেমন একটি বিশেষ জাতের মানুষ।’-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাস্তবিকভাবে একজন বন্ধুর কাছে একজন বন্ধুর অবস্থান এমনই হওয়া উচিত!!!
Keyword:
বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস, স্বার্থপর বন্ধু স্ট্যাটাস, বন্ধুত্ব ও স্বার্থপরতা, বন্ধুত্ব কি, বেইমান বন্ধু উক্তি, স্বার্থপর বন্ধু চেনার উপায়, স্বার্থপর বন্ধু উক্তি, প্রকৃত বন্ধু, স্বার্থপর বন্ধু নিয়ে উক্তি, বন্ধু নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস, বন্ধু নিয়ে কিছু উক্তি, বন্ধুত্ব নিয়ে কবিতা, বন্ধু নিয়ে ছন্দ, বন্ধু নিয়ে কিছু কথা, বন্ধুত্বের ছোট কবিতা, স্বার্থপর বন্ধু কবিতা, স্বার্থপর বন্ধু sms, বন্ধুদের নিয়ে কিছু কথা, বন্ধুদের নিয়ে কবিতা|

লাইফস্টাইল

ভালোবাসাতে হোক না দুষ্টামি !

Shahed Ahamed

Published

on

ভালোবাসা অদ্ভূত, একটা জিনিস কেউ বাসতে চায় কেউ বাসতে চায় না।কিন্তু যারা ভালবাসতে পছন্দ করে না দেখা যায় তারা একসময় মনের অজান্তেই কাউকে ভালোবেসে ফেলে। ভালোবাসার ভিতরে লুকিয়ে থাকে অনেক অনুভূতি। প্রথমে হয় ভালোলাগা আর এই ভাললাগা থেকেই আস্তে আস্তে হয়ে ওঠে ভালোবাসা। শুধু কি ভালোবাসাই যথেষ্ট এটা একদমই ভুল। শুধু ভালবাসলে হবেনা ভালোবাসার মানুষটির সাথে আপনার আচরণ হতে হবে একটু ভিন্ন যা সবার থেকে আলাদা। আপনি যে মানুষটাকে খুব বেশি ভালোবাসবেন তার সাথে আপনার কথাবার্তা চালচলন আচার-ব্যবহার অন্য সবার থেকে একটু ভিন্ন। কারণ ভালোবাসার মানুষটা অন্য সব মানুষের থেকে একটু স্পেশাল ব্যক্তি। ভালোবাসার মানুষের সাথে মিষ্টি আলাপ, দুষ্টু আলাপ এগুলো হতেই পারে এটা একটা একদম স্বাভাবিক বিষয়।।
সময় কাটানোর জন্য সবথেকে ঘনিষ্ঠ লোক হলো বন্ধু। কারণ বন্ধুর সাথে আপনি অনায়াসেই ঘণ্টাকে ঘন্টা সময় পার করে দিতে পারেন এতে আপনার কোন কিছু মনে হবে না বা অসস্তিও লাগবেনা। বন্ধু থেকেও বেশি হলো ভালোবাসার মানুষ নিজের ভালোবাসার মানুষের পাশে বসে কার হাতে হাত রেখে তার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে বলতে আরো বেশি সময় পার হয়ে গেল আপনার কিছু মনে হবে না বা অসস্তিও লাগবেনা। ভালোবাসার মানুষই একমাত্র মানুষ তার সাথে কথা বলতে বলতে আপনার অস্বস্তি লাগলেও আপনি বলতে পারেন না যে আপনার ভালো লাগছে না। কথাগুলো শুনতে খারাপ লাগছে অস্বস্তি লাগছে এমন কথা কখনোই আপনি ভালবাসার মানুষটার পাশে বসে কখনোই বলবেন না।
আসলে ভালোবাসার মানুষের পাশে বসে তার সাথে মিষ্টি আলাপ, খুনসুটি একটু একটু ঝগড়া করতেই ভালো লাগে। তার পাশে বসে শুধু প্রেমের আলাপ করলেই হবে না তার সাথে ছোটখাটো ঝগড়া তার, চোখে চোখ রেখে একটু মিষ্টি হাসি, দেওয়া তাকে একটু একটু রাগিয়ে তোলা এসব করলে প্রিয় মানুষটির যদিও একটু অস্বস্তি লাগে তবে তা সব থেকে এমনটা করলেই বেশি ভালো লাগে। কারণ একঘেয়েমি প্রেমের থেকে তার সাথে ছোট ছোট ঝগড়া,খুনসুটি করাই সবথেকে বেশি বেটার। তবে সম্পর্কের ভিতরে সব সময় হাসি ঠাট্টা তামাশা করা ঠিক নয় সব সময় এরকম হাসি তামাশা খুনসুটি করতে গেলে আপনি পড়তে পারেন মহাবিপদে। অর্থাৎ আপনার প্রিয় মানুষটা এসব যদি পছন্দ না লাগে সবসময় এটা তাহলে এটা থেকে বিরত থাকুন নাহলে আপনার প্রিয় মানুষটাকে হারাতে হবে।।
প্রিয় মানুষটাকে মাঝে মাঝে ছোট খাটো উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবেন মাঝে মাঝে তাকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যেতে পারেন যেমন পার্কে, অথবা সুন্দর কোন মনোরম জায়গায়, তাহলে দেখবেন প্রিয় মানুষটার আপনার প্রতি আরও বেশি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে এবং আপনার অনেক কাছের লোক হয়ে যাবে।। ভালোবাসার মানুষটা হয়ে উঠুক বন্ধুত্বের মত তাহলে দেখবেন আপনাদের সম্পর্কের ভিতরে কোন ফাঁক থাকবে না। সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে এবং মধুময় করতে মাঝে মাঝে প্রিয় মানুষটাকে একটি হঠাৎ করেই ফুল দিয়ে দিতে পারেন হাতে গুঁজে এবং তার সাথে সাথে আই লাভ ইউ শব্দটা বলাটাও কিন্তু একদম ভুললে চলবে না। প্রতিটা মানুষের তার প্রিয় মানুষ তার মনের মতো হলে সম্পর্কে কোনো বাধা থাকে না আর আজীবন ভালোবাসাও থাকবে অমর।।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

বাংলাদেশের আয়কারী দশটি সিনেমা।

Utsa Kumer

Published

on

যদি আপনি বাংলাদেশি হয়ে থাকেন, তবে আজকের পোষ্ট টি আপনার জন্য। বন্ধুরা আমরা সবাই চলচিত্র বা সিনেমা দেখতে পছন্দ করি। তবে বর্তমান সময়ে সিনেমা বলতে হলিওড, বলিওড অথবা তামিল বা টলিওড সিনেমা কে বুঝি।কারণ আমাদের দেশের সিনেমার যে পরিস্থিতি সেটা আমাদের দেশে নির্মিত নাটকগুলোর থেকেও বাজে মানের।আপাতদৃষ্টিতে দেখলে আমাদের দেশে নির্মিত নাটক গুলো দেখে যতটা আবেগ নাড়া দেয় সিনেমা দেখলে ততটায় হাসতে ইচ্ছে করে।কারন না আছে ভালো কোন কাহিনী আর না আছে গ্রাফিক্স এর মজা।সিনেমা গুলো টেলিফিল্ম এর মতো।
হয়তো অনেকে ভাবছেন আমি সিনেমাকে ছোট করার চেষ্টা করছি,আসলে সেটা না।আমাদের দেশের সুপারহিট সিনেমাগুলো আজ থেকে প্রায় ২৫-৩০ বছর আগের।
হ্যাঁ আপনি ঠিকই পড়েছেন ২৫-৩০ বছর আগের।সে সময় না এত টেকনোলজি ছিল আর না ছিল বিগ বাজেট।তখনকার সিনেমার অভিনয় ছিল বাস্তব ভিত্তিক। আজ আপনাদের সাথে বাংলাদেশের ১০ টি সুপারহিট সিনেমার কথা বলব।আর পোষ্ট টি পড়লে আপনিও আমার সাথে একমত হবেন।

১০. দশ নম্বরে আছে কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমা।যেটি আমির খানের কেয়ামত সে কেয়ামত তাক সিনেমার রিমেক। এই সিনেমাতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ্‌ এবং নায়িকা মৌসুমি। ১৯৯১ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এখন থেকে প্রায় ৩০ বছর আগে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটি নয় কোটি টাকা আয় করে।

০৯.নবম স্থানে আছে ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শাকিব খানের নবাব সিনেমাটি।সিনেমাটি নির্মাণে খরচ হয়েছিল ৪ কোটি টাকা এবং ৯ কোটি ১০ লাখ টাকা আয় করে।তবে একটা না বললেই নয়,বাংলাদেশের যুবকসমাজ শাকিব কে নিয়ে পাগলা।কিন্তু এই সিনেমাটি ভারত এবং বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজিত সিনেমা।আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন আমি কি বলতে চেয়েছি।

০৮.অষ্টম স্থানে আছে ২২ বছর আগের একটি সিনেমা,শান্ত কেন মাস্তান। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন মান্না।সিনেমাটি ১০ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা আয় করে।

০৭.সপ্তম স্থানে আছে বিগ বাজেটে তৈরি সিনেমা ঢাকা এটাক।৫ কোটি টাকায় নির্মিত এই সিনেমা টি ১০ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা আয় করে।

০৬.ষষ্ট স্থানে যেই সিনেমাটি আছে এটি আমি ৩০ বারের বেশি দেখেছি।আর সিনেমা টি হল আম্মাজান। ১৯৯৯ সালে মুক্তপ্রান্ত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন মহানায়ক মান্না।এই সিনেমাটি ১১ কোটি টাকা আয় করে।

০৫.পাঁচ নম্বরে আছে পাসওয়ার্ড সিনেমা।১১ কোটি টাকা আয় করে।

০৪.চতুর্থ স্থানে আছে ২৫ বছর আগের সিনেমা সত্যের মৃত্যু নেই। এই সিনেমাতে অভিনয় করেছেন সালমান শাহ্।তৎকালীন সময়ে এই সিনেনা টি ছিল মাস্টারপিস সিনেমা।সিনেমা টি ১১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা আয় করে।

০৩. অবিশ্বাস্য ভাবে তৃতীয় স্থানে আছে আয়নাবাজী সিনেমাটি।সিনেমাটি ১২ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা আয় করে।

০২.দ্বিতীয় স্থানে আছে সালমানশাহ্ এবং শাবনুর অভিনিত সিনেমা স্বপ্নের ঠিকানা।২৬ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৯৫ সালে এই সিনেমাটি ছিল ব্লকবাস্টার সিনেমা।সেই সময়ে বলিউডের সুপারস্টার সালমানের সিনেমা ভীর গতি মাত্র নয় কোটি টাকা আয় করে এবং শাহরুখ খানের সিনেমা মাত্র ৫ কোটি টাকা আয় করেছিল।আর স্বপ্নের ঠিকিনা সিনেমাটি ১৯ কোটি টাকা আয় করে।ভাবতে পারেন অতীতে আমাদের দেশের সিমেমা ইন্ডাস্ট্রি কতটা নামকরা ছিল ।

০১. এবার জানিয়ে দেওয়ার পালা বাংলাদেশের সবচেয়ে আয়কারী সিনেমার নাম।আপনি কি অনুমান করতে পারেন এই সিনেমা টি? ১৯৮৯ সালে অর্থাৎ প্রায় ৩২ বছর আগে নির্মিত সিনেমা বেদের মেয়ে জোসনা যেখানে অভিনয় করেছিল ইলিয়াস কাঞ্চন এবং অন্জু ঘোষ। এই সিনেমাটি এত সুপারহিট সিনেমা ছিল, যার কারনে কলকাতায় এই সিনেমার রিমেক করা হয়েছিল।

আপনি কি জানেন ১৯৮৯ সালে এই সিনেমাটি কত কোটি টাকা আয় করেছিল,,, ২২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।
আপনার কাছে হয়তো এটা ছোট মনে হতে পারে কিন্তু দাদা সিনেমাটি কত পুরানো সেটা একটু বিবেচনা করুন।

ধন্যবাদ আপনাকে।দয়া করে একটি কমেন্ট করলে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

সন্তানকে দেয়া একজন আদর্শ বাবার সেরা উপদেশ।

Md Golam Mostàfa

Published

on

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন, সুস্থ আছেন। বন্ধুরা আমরা সবাই জানি যে, পিতা মাতা সব সময় তাদের মঙ্গল কামনায় ব্যাস্ত থাকেন। তাদের অবর্তমানে সন্তান যাতে কোনোও সমস্যায় না পড়ে সেই চিন্তাও তাদের মাথায় সব সময় কাজ করে। তাই সকল পিতা মাতাই তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ চলার পথ মসৃণ করার জন্য যা যা করনীয় সব করার চেষ্টা করেন। সেই সাথে তাদের জন্য কিছু দিক নির্দেশনা মূলক উপদেশও দিয়ে থাকেন।

আজ আমি এমনই একজন পিতার তার সন্তানের প্রতি দেয়া কিছু উপদেশ আপনাদের জন্য সংকলন করার চেষ্টা করলাম। ভাল লাগলে মতামত জানানোর অনুরোধ রইলো।

একজন বাবা তার সন্তানকে সাধারণত যে উপদেশগুলো দেনঃ-

১। কখনো কাউকে ছোট করে দেখবে না, নইলে তুমি নিজেই ছোট হয়ে যাবে।

২। কাউকে কখনো কামলা, কাজের লোক, বুয়া এসব বলে ডেকো না। মনে রেখো, তারাও কারো না কারো ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদের ভাই, আপা, চাচা, চাচী বলে ডেকো।

৩। জীবন উন্নত করতে হলে পড়াশুনা ও পরিশ্রম করতে হবে। কারো ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।

৪। কখনো কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেয়ো না, এতে সে লজ্জা পেতে পারে।

৫। সবসময় শুধু দেওয়ার চেষ্টা করবে। মনে রাখবে দান কারির হাত সর্বদা উপরেই থাকে।

৬। এমন কোনোও কাজ করো না যার জন্য তোমার কিংবা তোমার পরিবারের কারো উপর আঙুল উঠে।

৭। ছেলে হয়ে জন্মেছো তাই কখনো দায়িত্ব এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করো না।

৮। তোমার কি আছে বা কি নেই তা তোমার গায়ে লিখা নেই, কিন্তু তোমার ব্যবহারে তা প্রকাশ পাবে।

৯। কখনো মায়ের কথা শুনে স্ত্রীকে কিংবা স্ত্রীর কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। মনে রেখো তুমি কাউকেই ফেলতে পারবে না।

১০। যখন রাস্তায় হাটবে দেখে হাটবে, তোমার কারনে কেউ ব্যাথা পায় কিনা।

১১। কারো বাসায় নিমন্ত্রণে গেলেও বাসা থেকে এক মুঠো ভাত খেয়ে যাবে। কারো বাড়ির ভাতের অপেক্ষায় যেন তোমাকে না থাকতে হয়।

১২। কারো বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করবে না। কেউই চায় না তার বাড়ির খাবার বিস্বাদ হোক।

১৩। মজলিশে বড়দের মাঝে তোমার জন্য চেয়ার বরাদ্দ নেই, আছে ছোটদের মাঝে।

১৪। বড় নয়, মানুষ হবার চেষ্টা করবে, তবেই তুমি বড় হতে পারবে।

১৫। শ্বশুড় কিংবা শাশুড়িকে এই পরিমাণ সম্মান দিয়ো যাতে তারা তার মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে।

১৬। জুতো ছিঁড়ে গেলে, সেলাইয়ের জন্য মুচির সামনে পা বাড়িয়ে দিয়ো না, বরং জুতোটা নিজে একবার মুছে দিয়ো। জুতো কিনতে গেলে নিজেই ট্রায়েল দিয়ো।

১৭। বাইক কখনো জোড়ে চালিও না। তাতে তোমার কলিজার কাপুনি বেড়ে না গেলেও রাস্তার পাশে থাকা মানুষদের কাপুনি বেড়ে যেতে পারে।

আপনাদের জানা মতে আরোও অনেক উপদেশ থাকতে পারে। কমেন্টে জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।

সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহ্‌ হাফিজ।

Continue Reading