Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস – পৃথিবীতে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা

Published

on

পৃথিবীতে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা এতো বেশি যে, বলে শেষ করা যায়নাএকজনের কাছে বন্ধুত্ব একরকমতো অন্যজনের কাছে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা অন্যরকমবন্ধুত্বের একটি সংজ্ঞা নিয়েই হতে পারে বিশালবইআবার হতে পারে দীর্ঘ বক্তৃতাহতে পারে আমার বিরক্তিকর লেখাতবে মনে হয় জনহেএর এই সংজ্ঞাটা না দিলে বন্ধুত্ব বুঝা যায়নাবন্ধুত্ব হলো জীবনের সূর্যোদয়
সত্যি অবাক করার বিষয়, তিনি তার বন্ধুদের কতো বড় করে দেখছেনগোটা পৃথিবীর কাছে তুমি একজন মানুষ মাত্রবন্ধুর কাছে তুমি গোটা পৃথিবীভালো বন্ধু সেযে মনে করে, তুমি একটা ভালো ডিম, যদিও সে জানে ডিমটা খানিকটা ফাটা
আবার বন্ধুত্ব হচ্ছে চুইংগামের মতো হৃদয়ের কাছাকাছি, যা একবার মনে স্থান করে নিলেই হলো, ছাড়তে চাইলেও তা সম্ভব হয় না।
বন্ধুত্ব তিন ধরনের
(১) খাবারের মত, যাদের ছাড়া চলে না।
(২) ঔষধের মত, যাদের মাঝে মাঝে দরকার হয়।
(৩) অসুখের মত, যাদের কেউ চায় না।
‘তুমি যদি ৫শ’ বছর বেঁচে থাকো, আমি যেনো একদিন কম বাঁচি, যাতে তোমায় একদিনের জন্যেও মিস না করি।’বন্ধুত্ব নিয়ে সুবচনের শেষ নেই। আবার বন্ধুত্বের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞাও নেই। তবে এটা অস্বীকার করার কোনো জো নেই যে, বেঁচে থাকতে হলে অবশ্যই ভালো বন্ধু প্রয়োজন।
ভালো বন্ধুর মাধ্যমে তুমি আর কিছু না বুঝ বা না পাও কিন্তু তুমি কেমন, তোমার ভুলটা সে দেখাবে, আবার তোমাকে তোমার ভালো কাজের প্রশংসাও সেই করবে।
“তোমার ভালো বন্ধু সে-ই যে তোমার মধ্যকার সর্বোত্তম গুণটা বের করে আনবে।”-হেনরি ফোর্ড। বন্ধুত্ব হচ্ছে দু’জনের পরস্পরের প্রতি গ্রহণযোগ্য ও প্রত্যাশিত আচরণ। বন্ধুত্ব হচ্ছে ‘বিশ্বাস’। বন্ধুত্ব হচ্ছে ‘দু’দেহ একমন।’ — এরিস্টটল।
বন্ধুরা জানে এবং মানে তারা পরস্পরের ক্ষতি করবে না। এটা সত্যি যে, বন্ধুত্ব গড়ে উঠে কিছু প্রদর্শিত মূল্যবোধের ওপর, যার মধ্যে রয়েছে বন্ধুর বেলায় সবচেয়ে ভালোটাই ঘটুক এ প্রত্যাশার লালন, সহানুভূতি ও একাগ্রতা, সত্যবাদিতা, সততা ও পারস্পরিক সমঝোতা। মানব সভ্যতাই গড়ে উঠেছে বন্ধুত্বের ছায়ায়। একজন ভালো বন্ধু সবারই কাম্য। একজন সৎ বন্ধুর কাছে বা তার সানিধ্য পেতে সবাই ব্যাকুল থাকে।
কবি এ এস বলেছেন
“সত্যিকার বন্ধুত্বে সত্যবাদিতা চাই-ই চাই।” একজন সত্যিকার ও সত্যবাদী বন্ধু তোমাকে ভালোবাসবে আবার তোমার মন্দ কাজগুলোর সরাসরি সমালোচনাও করবে। তবে অনেক বন্ধুই আছে সুদিনের!! যাদের দুর্দিনে খুঁজে পাওয়া যায় না বা চাইলে ও পাওয় যায় না। সত্যিকারের বন্ধু সম্পর্কে অস্কার ওয়াইল্ড লিখেছেন, “যে তোমাকে পেছনে থেকে নয়, সামনে থেকে ছুরি মারতে পারে সে-ই।” কী ভয়ানক উক্তি। তবে এই কথার অন্তরালে অনেক ভালো কথা লুকিয়ে আছে। বন্ধুত্বের রশিটা সব সময়ই জৈব সীমার উর্ধে রাখা উচিত।
বয়স ও অর্থ দিয়ে বন্ধুকে পরিমাপ করা উচিত নয়। বন্ধুত্বের জায়গাটা মনের মধ্যে বিশাল করা দরকার। বর্তমান সময়ের বন্ধুত্ব কেমন এবার তা নিয়ে একটু আলোচনা করি। যুগ বদলাচ্ছে। এটা বেশ পুরোনো কথা। যুগের সঙ্গে বদলাচ্ছে সবকিছু এটাও সবার জানা।
তেমনি বদলে যাচ্ছে বন্ধুত্বের আবেগ-অনুভূতি, গতি-প্রকৃতি। নদীর নাব্যতার মতো কমে যাচ্ছে বন্ধুর গভীরতা। বন্ধুত্বে সৃষ্টি হয়েছে অনেক বিভাজন। আমাদের এখন অনেক বন্ধু। স্কুলের বন্ধু, কলেজের বন্ধু, অফিসের বন্ধু, ক্লাবের বন্ধু, কিংবা পার্টির বন্ধু, এফ বির বন্ধু। অনেক ধরনের বন্ধু আমাদের। যার কাছে স্বার্থ নেই সেই আমাদের বন্ধু। কিন্তু প্রকৃত বন্ধু? কমে যাচ্ছে সেই সংখ্যা। কারও কারও নেই বললেই চলে।
এই সময়ে শিশু-কিশোরদের বড় বন্ধু কে?সরাসরি উত্তর-কম্পিউটার। শতকরা ৮৫ ভাগ শহুরে শিশুর ক্ষেত্রে এটা সত্যি। তাদের প্রিয় বন্ধুর নাম মহান কম্পিউটার। হবেই তো কম্পিউটার, কারণ এর সঙ্গেই তো তারা বেশি সময় কাটাচ্ছে। তারা খেলতে পারছে না। ঘুরতে পারছে না। বাবা মাও বন্ধু হচ্ছে না। কারণ বাবা-মাকে ঠিকমত কাছে পাচ্ছে না তারা। আর তাদের এসব চাহিদা পূরণে সর্বদাই নিয়োজিত মহান বন্ধু কম্পিউটার।
কম্পিউটারে খেলছে, গান শুনছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘুরছে পৃথিবী। কম্পিউটারই তাদের প্রকৃত বন্ধু। বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। আমাদের আবেগ কোন্ স্তরে তা উদাহরণ দিয়ে বুঝতে হবে না। অপরদিকে বন্ধুত্ব পুরোটাই আবেগ নির্ভর। সুতরাং বর্তমানে প্রকৃত বন্ধুত্বের অস্তিত্ব যে হুমকির মুখে এটা সবারই জানা। প্রযুক্তি নির্ভর সময়ে এসে আমাদের বন্ধুত্ব বাড়ছে কিন্তু গুণ ও মান কমছে। ফেস বুক সবারই পরিচিত। বন্ধু বানানোর বিশাল ফ্যাক্টরী হলো ফেসবুক বা বন্ধু বানানোর মেশিন। এই মেশিনটি এমনই ক্ষমতাধর যে, রোজ লক্ষ কোটি বন্ধু তৈরি হচ্ছে। একবার ঢুকলেই আপনার বন্ধুর সংখ্যা হবে অগণিত। ছোট-বড়, ধনী-গরিব ভেদাভেদহীন। সবাই সবার বন্ধু হচ্ছে। হাত বাড়ালেই বন্ধু।
মার্ক টোয়েনের একটি উক্তি হলো
“যে কোনো মানুষের ক্ষেত্রে তার বন্ধু তার জন্য সম্পদ স্বরূপ।” সে হিসেবে ফেসবুকের সবাই বিশাল সম্পদশালী। এজন্যে তারা সম্পদশালী কারণ তাদের অনেক বন্ধু। বিষয়টি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু বিপত্তিটা এখানে যে, অনেকের অভিযোগ ফেস বুকের বন্ধুত্ব প্রকৃতপক্ষে কোনো বন্ধুত্বই নয়। বিষয়টি শুধুই মজা করা।
দুএকটি ব্যতিক্রম বাদে ফেস বুকের বন্ধুত্ব ফেসবুকেই সীমাবদ্ধ থাকে।
ফেসবুক , মোবাইল ও ইমেই মাধ্যামে প্রতিনিয়তই বন্ধুত্বের পাল্লা ভারী হচ্ছে। কিন্তু আগের বন্ধুর মতো প্রকৃত বন্ধু এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন মানুষের বন্ধুর অভাব হয় না। অভাব হয় প্রকৃত বন্ধুর। যতোই আমরা প্রযুক্তির দিকে ধাবিত হচ্ছি, ততোই আমাদের মাঝে রোবটিকতা কাজ করছে। আর কমে যাচ্ছে প্রকৃত বন্ধু। সঙ্কুচিত হচ্ছে আমাদের আবেগ। ‘গোলাপ যেমন একটি বিশেষ জাতের ফুল, বন্ধুও তেমন একটি বিশেষ জাতের মানুষ।’-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাস্তবিকভাবে একজন বন্ধুর কাছে একজন বন্ধুর অবস্থান এমনই হওয়া উচিত!!!
Keyword:
বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস, স্বার্থপর বন্ধু স্ট্যাটাস, বন্ধুত্ব ও স্বার্থপরতা, বন্ধুত্ব কি, বেইমান বন্ধু উক্তি, স্বার্থপর বন্ধু চেনার উপায়, স্বার্থপর বন্ধু উক্তি, প্রকৃত বন্ধু, স্বার্থপর বন্ধু নিয়ে উক্তি, বন্ধু নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস, বন্ধু নিয়ে কিছু উক্তি, বন্ধুত্ব নিয়ে কবিতা, বন্ধু নিয়ে ছন্দ, বন্ধু নিয়ে কিছু কথা, বন্ধুত্বের ছোট কবিতা, স্বার্থপর বন্ধু কবিতা, স্বার্থপর বন্ধু sms, বন্ধুদের নিয়ে কিছু কথা, বন্ধুদের নিয়ে কবিতা|

লাইফস্টাইল

বৃদ্ধি করুন মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা

Published

on

By

প্রতিটি মানুষ আলাদা তেমনি প্রতিটি মানুষের কার্যক্ষমতা ও আলাদা।আজকাল প্রায়ই সকলের মাঝে একটা কথা খুবই শোনা যায়।

তা হল অনেকে সব কিছু ভুলে যায়। কোন সাধারণ ব্যাপার মনে থাকে না। আগে যাদের সব মনে থাকতো তাদের ও এই সমস্যা খুব বেশি হচ্ছে।

এই সমস্যা অনেকে খামখেয়ালি করে। কিন্তু এই সামান্য সমস্যা থেকে হতে পারে অনেক বিরাট কিছু। তাই সময় থাকতে এখনি সতর্ক হওয়া খুবই বেশি জরুরি।

পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ যেমন আলাদা ঠিক তেমনি এদের  অসুখ ও আলাদা। ঠিক তেমনি অসুখ সাড়ানোর ঔষধ ও আলাদা। আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা আমাদের খাবারের এর উপর নির্ভর করে। আমরা কি খাই,

কেমন ধরনের খাবার খাচ্ছি তা যেমন আমাদের শরীরের উপর প্রভাব ফেলে, তেমনি আমাদের মস্তিষ্কের উপর ও প্রভাব ফেলে। তাই আমাদের মস্তিস্কের সুস্থতা নিশ্চিত করতে আমাদের কিছু ডায়েট অনুসরণ করা উচিত।

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ডায়েটসমূহ:

১. মাইন্ড ডায়েট : এই ডায়েট সাধারণত  ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া বার্ধক্য জনিত কারনে মস্তিষ্কের  কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। এই ডায়েট ডায়বেটিক,  রক্তচাপ, হার্ট এর বিভিন্ন রোগের আক্রমণ এর ঝুঁকি কমায়।

২.মেডিটেরিয়ান ডায়েট :  মেডিটেরিয়ান ডায়েট মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিত করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নিচে মেডিটেরিয়ান ডায়েট এর কিছু দিক তুলে ধরা হল :

  •  প্রচুর পরিমানে সবুজ শাক সবজি এবং শর্করা জাতীয় খাবার খেতে হবে।
  • এছাড়া খাবারে আমিষ জাতীয় খাবার রাখতে হবে।
  • রেড মিট বা লাল মাংশ পরিহার করতে হবে।
  • মিষ্টি, জাংক ফুড  এবং তেলে ভাজা জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে।

৩. ড্যাশ ডায়েটঃ ড্যাশ ডায়েট এমন একটি ডায়েট প্রক্রিয়া যা শুধু  সুস্থ মানুষের রক্তচাপ কমায় না বরং উচ্চ রক্তচাপ এ আক্রান্ত রোগীর ও রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

নিচে এই ডায়েটের উপকারী দিক তুলে ধরা হল :

  • ১.এই ডায়েট উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্ট এর রোগ কমাতে সাহায্য করে থাকে।
  • এই ডায়েট অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • এই ডায়েট ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা পালন করে।

এখন জেনে নেওয়া  যাক  এসকল ডায়েট এর মূল উদ্দেশ্য কি কি :

  • প্রচুর পরিমানে  ফলমূল  এবং সবুজ শাকসবজি খেতে হবে।
  • প্রচুর পরিমানে কার্বোহাইড্রেড যুক্ত খাবার খেতে হবে।
  • অতিরিক্ত লবন এবং চিনি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে।
  • চর্বিহীন মাছ মাংস খেতে হবে।

তাছাড়া মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিত করতে বাদাম খুবই উপকারী একটি জিনিস। বাদাম মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  প্রতিটি মানুষের উচিত বাদাম খাওয়া। তাছাড়া আপনি সকালে  ঘুম থেকে উঠেই নিয়মিত ৭ টি বাদাম খাবেন। এটি মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে খুবই উপকারী একটি জিনিস।

এসকল ডায়েট অনুসরণ করার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করবেন। ব্যায়াম আপনাকে শারিরীক এবং মানুষিক ভাবে সুস্থ রাখবে।

এছাড়াও আপনি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত দাবা খেলতে পারেন।                      মস্তিষ্ক মানব শরীরের  খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। তাই মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিত করতে হবে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে উপরের ডায়েট অনুসরণ করতে হবে।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

রুক্ষ শীতে চুলের যত্ন

Published

on

By

শীতকাল সকলের অতি প্রিয় একটি ঋতু। কিন্তু এই শীতকালে ঝামেলা পোহাতে হয় অনেক বেশি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় চুল।                                                                                                                                         শীতকালে বাতাসের আদ্রতা কমে যায়। আবহাওয়া হয়ে যায় শুষ্ক ও রুক্ষ। তাই আমাদের চুল হয়ে যায় রুক্ষ। পাশাপাশি বাইরের ধুলাবালির প্রভাব আমাদের চুলের উপর পরে সবচেয়ে বেশি। যার ফলে খুশি থেকে শুরু করে নানা ধরণের চুলের সমস্যা দেখা যায়।                                                                                                         তাই চুলের যত্নের জন্য কিছু করণীয় তুলে ধরা হলো:                                                                                          ১.শীতকালে চুলকে রুক্ষতার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে সপ্তাহে তিন দিন চুলকে গরম তেল দিয়ে মালিশ করতে হবে। ২ এছাড়া চুলের যত্নে তেলের সাথে কেস্টার অয়েল একসঙ্গে গৰম করে দিতে পারেন। ভিটামিন এ কেপসুল ভেঙে বা ডিমের কুসুম মিশিয়ে লাগাতে পারেন।                                                                             ৩.শীতকালে চুলের আগা ফেটে গেলে চুল রুক্ষ হয়ে যায় এবং যা চুল বৃদ্ধিতে সমস্যা করে থাকে।তাই ওই ভঙ্গুর আগা যতসম্ভব কেটে ফেললে চুলের বৃদ্ধি তে আর কোনো ধরণের সমস্যা থাকবেনা।                            ৪.রাতে ঘুমানোর আগে যথাসম্ভব চুল আঁচড়িয়ে হালকা করে চুল বেশে ঘুমাবেন। এতে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। ঘুমানোর জন্য যথাসম্ভব সিল্কের বালিশের কাভার ব্যবহার করবেন।                                                          ৫.শীতকালে খুশকির সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই চুলের যত্নে এক মুঠো জবা পাতা এবং সমপরিমাণ মেহেদী পেস্ট জোরে সাথে ১ টেবিল চামুচ লেবুর রস ভালোভাবে লাগাতে পারেন।                                                          ৬.চুলে শীতকালে উন্নত ৩ দিন মাথায় তেল ব্যবহার করুন।                                                                            ৭.চুলে ধুলোবালি হাত থেকে বাঁচাতে বাইরে বের হবার আগে ছাতা অথবা স্কার্ফ ব্যবহার করুন।                      ৮.শীতকালে মেহেদী পরিহার করুন। আপনার চুলের সাথে মানানসই কোনো শ্যাম্পো কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।                                                                                                                                                                 ৯.চুলের যত্নে প্রচুর পরিমানে পানি ,সুষম খাবার খান।                                                                                             ১০ তাছাড়া মানুসিক চিন্তা চুল পড়ার কারণ হতে পারে। তাই যথাসম্ভব মানুষিক চিন্তা মুক্ত থাকবার চেষ্টা করুন।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

যে অভ্যাস গুলো বদলে দিবে জীবন

Published

on

 

মানুষ অভ্যাসের দাস । প্রতিনিয়ত আমরা নানা বিষয়ে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি  । কিছু ভালো অভ্যাস আর কিছু বদ অভ্যাস এর মিশেলে আমাদের জীবন  । প্রতিদিন রাত জেগে চ্যাটিং করা আমাদের অনেকের ই অভ্যাসে পরিণত হয়েছে । আর এ অভ্যাস টি অত্যন্ত ভয়ংকর ! আমরা চাইলেই কিছু ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি যা আমাদের জীবন কে বদলে দিতে পারে । এমন ই কিছু অভ্যাস নিয়ে এই আর্টিকেল টি । আমাদের জীবন বদলাতে যে অভ্যাস গুলো গড়ে তোলা প্রয়োজন ……….

১. নামাজ পড়া : দুনিয়ার মধ্যে নামাজ পড়া ছাড়া উত্তম কাজ কি হতে পারে ? নামাজ মানুষ কে শান্তির পথে পরিচালনা করে । নামাজ মানুষ এর মনকে কলুষিতমুক্ত রাখে । শ্রেনী ভেদ  থাকে না । তাছাড়া গবেষণা ও বলছে নামাজ স্বাস্থ্যের পক্ষে অতি উত্তম ।

২. বই পড়া : একটি ভালো বই ই পারে একজন মানুষ কে বদলে দিতে । বই ই হচ্ছে মনন গঠনের অন্যতম মাধ্যম । বই পড়া অনেকের কাছে বিরক্তির কারণ ও বটে । কিন্তু  আসল কথা হচ্ছে জীবন কে বদলাতে জ্ঞানের বিকল্প নেই । আর জ্ঞান অর্জন এর জন্য বই অপরিহার্য । একবার  বিল গেটস কে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, আপনি যদি সুপার পাওয়ার পান তাহলে কি করবেন ? উত্তরে বিল গেটস বলেছেন “তাহলে আমি পৃথিবীর সব বই পড়ে শেষ করে ফেলতাম” । বই পড়া তার একটা প্রিয় অভ্যাস ও বটে । বই পড়ার মাধ্যমে নিজেকে নতুন রুপে আবিষ্কার করা যায় ।

৩. সোশ্যাইল মিডিয়ায় সময় কমানো : আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ( ফেসবুক, টুইটার, ইনস্ট্রাগ্রাম, ইউটিউব ইত্যাদি ) এ প্রচুর সময় ব্যয় করি ।  সোশ্যাইল মিডিয়ায় সময় কমিয়ে অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যয় করতে হবে ।  এই যুগে আমরা মাঠে গিয়ে খেলা ধুলা ভুলেই গেছি, কারন এখন এসব স্মার্ট ফোন এ সম্ভব ।

৪. প্রকৃতির সান্নিধ্যে আসুন : বর্তমান পৃথিবী টা ই হয়ে উঠেছে যান্ত্রিক । যেখানে আমরা যন্ত্র মানব এর মতো, এখন আর আমাদের সকলের সূর্যদোয় দেখা হয় না, কারন আমরা ঘুম থেকে ই উঠি সকাল ৮-৯ টাই । এখন আমরা স্মার্ট ফোন নিয়েই ব্যস্ত থাকি, বিকেল হলে ব্যাট, বল নিয়ে মাঠে যাওয়া কিংবা প্রকৃতির মাঝে থাকা অনেক টা রুপকথার মতো শোনায় । আমরা ইট, ধুলো – কনার মধ্যে আবদ্ধ হয়ে পড়েছি । আমাদের উচিত প্রকৃতির মাঝে হাঁটা । সময় পেলে প্রকৃতির মাঝে বেড়াতে যাওয়া ।

৩. নিজের ভূল নিজে ধরার চেষ্টা : আমরা নিজেদের ভূল গুলো সবসময়  এড়িয়ে চলি । নিজেদের ভূল স্বীকার করতে চাই না । আমরা যদি নিজেদের ভূল নিজেরা ধরি, ও ভূলের কারন গুলো খুঁজে বের করি এবং ভূল সংশোধন করি । তাহলে পরবর্তী তে আমাদের দ্বারা ভূল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে । যা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

‌‌ ধন্যবাদ পুরো আর্টিকেল টি পড়ার জন্য ।

আরো পড়ুন :

Continue Reading



বিজ্ঞাপন