Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস – পৃথিবীতে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা

Bipon 360

Published

on

পৃথিবীতে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা এতো বেশি যে, বলে শেষ করা যায়নাএকজনের কাছে বন্ধুত্ব একরকমতো অন্যজনের কাছে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা অন্যরকমবন্ধুত্বের একটি সংজ্ঞা নিয়েই হতে পারে বিশালবইআবার হতে পারে দীর্ঘ বক্তৃতাহতে পারে আমার বিরক্তিকর লেখাতবে মনে হয় জনহেএর এই সংজ্ঞাটা না দিলে বন্ধুত্ব বুঝা যায়নাবন্ধুত্ব হলো জীবনের সূর্যোদয়
সত্যি অবাক করার বিষয়, তিনি তার বন্ধুদের কতো বড় করে দেখছেনগোটা পৃথিবীর কাছে তুমি একজন মানুষ মাত্রবন্ধুর কাছে তুমি গোটা পৃথিবীভালো বন্ধু সেযে মনে করে, তুমি একটা ভালো ডিম, যদিও সে জানে ডিমটা খানিকটা ফাটা
আবার বন্ধুত্ব হচ্ছে চুইংগামের মতো হৃদয়ের কাছাকাছি, যা একবার মনে স্থান করে নিলেই হলো, ছাড়তে চাইলেও তা সম্ভব হয় না।
বন্ধুত্ব তিন ধরনের
(১) খাবারের মত, যাদের ছাড়া চলে না।
(২) ঔষধের মত, যাদের মাঝে মাঝে দরকার হয়।
(৩) অসুখের মত, যাদের কেউ চায় না।
‘তুমি যদি ৫শ’ বছর বেঁচে থাকো, আমি যেনো একদিন কম বাঁচি, যাতে তোমায় একদিনের জন্যেও মিস না করি।’বন্ধুত্ব নিয়ে সুবচনের শেষ নেই। আবার বন্ধুত্বের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞাও নেই। তবে এটা অস্বীকার করার কোনো জো নেই যে, বেঁচে থাকতে হলে অবশ্যই ভালো বন্ধু প্রয়োজন।
ভালো বন্ধুর মাধ্যমে তুমি আর কিছু না বুঝ বা না পাও কিন্তু তুমি কেমন, তোমার ভুলটা সে দেখাবে, আবার তোমাকে তোমার ভালো কাজের প্রশংসাও সেই করবে।
“তোমার ভালো বন্ধু সে-ই যে তোমার মধ্যকার সর্বোত্তম গুণটা বের করে আনবে।”-হেনরি ফোর্ড। বন্ধুত্ব হচ্ছে দু’জনের পরস্পরের প্রতি গ্রহণযোগ্য ও প্রত্যাশিত আচরণ। বন্ধুত্ব হচ্ছে ‘বিশ্বাস’। বন্ধুত্ব হচ্ছে ‘দু’দেহ একমন।’ — এরিস্টটল।
বন্ধুরা জানে এবং মানে তারা পরস্পরের ক্ষতি করবে না। এটা সত্যি যে, বন্ধুত্ব গড়ে উঠে কিছু প্রদর্শিত মূল্যবোধের ওপর, যার মধ্যে রয়েছে বন্ধুর বেলায় সবচেয়ে ভালোটাই ঘটুক এ প্রত্যাশার লালন, সহানুভূতি ও একাগ্রতা, সত্যবাদিতা, সততা ও পারস্পরিক সমঝোতা। মানব সভ্যতাই গড়ে উঠেছে বন্ধুত্বের ছায়ায়। একজন ভালো বন্ধু সবারই কাম্য। একজন সৎ বন্ধুর কাছে বা তার সানিধ্য পেতে সবাই ব্যাকুল থাকে।
কবি এ এস বলেছেন
“সত্যিকার বন্ধুত্বে সত্যবাদিতা চাই-ই চাই।” একজন সত্যিকার ও সত্যবাদী বন্ধু তোমাকে ভালোবাসবে আবার তোমার মন্দ কাজগুলোর সরাসরি সমালোচনাও করবে। তবে অনেক বন্ধুই আছে সুদিনের!! যাদের দুর্দিনে খুঁজে পাওয়া যায় না বা চাইলে ও পাওয় যায় না। সত্যিকারের বন্ধু সম্পর্কে অস্কার ওয়াইল্ড লিখেছেন, “যে তোমাকে পেছনে থেকে নয়, সামনে থেকে ছুরি মারতে পারে সে-ই।” কী ভয়ানক উক্তি। তবে এই কথার অন্তরালে অনেক ভালো কথা লুকিয়ে আছে। বন্ধুত্বের রশিটা সব সময়ই জৈব সীমার উর্ধে রাখা উচিত।
বয়স ও অর্থ দিয়ে বন্ধুকে পরিমাপ করা উচিত নয়। বন্ধুত্বের জায়গাটা মনের মধ্যে বিশাল করা দরকার। বর্তমান সময়ের বন্ধুত্ব কেমন এবার তা নিয়ে একটু আলোচনা করি। যুগ বদলাচ্ছে। এটা বেশ পুরোনো কথা। যুগের সঙ্গে বদলাচ্ছে সবকিছু এটাও সবার জানা।
তেমনি বদলে যাচ্ছে বন্ধুত্বের আবেগ-অনুভূতি, গতি-প্রকৃতি। নদীর নাব্যতার মতো কমে যাচ্ছে বন্ধুর গভীরতা। বন্ধুত্বে সৃষ্টি হয়েছে অনেক বিভাজন। আমাদের এখন অনেক বন্ধু। স্কুলের বন্ধু, কলেজের বন্ধু, অফিসের বন্ধু, ক্লাবের বন্ধু, কিংবা পার্টির বন্ধু, এফ বির বন্ধু। অনেক ধরনের বন্ধু আমাদের। যার কাছে স্বার্থ নেই সেই আমাদের বন্ধু। কিন্তু প্রকৃত বন্ধু? কমে যাচ্ছে সেই সংখ্যা। কারও কারও নেই বললেই চলে।
এই সময়ে শিশু-কিশোরদের বড় বন্ধু কে?সরাসরি উত্তর-কম্পিউটার। শতকরা ৮৫ ভাগ শহুরে শিশুর ক্ষেত্রে এটা সত্যি। তাদের প্রিয় বন্ধুর নাম মহান কম্পিউটার। হবেই তো কম্পিউটার, কারণ এর সঙ্গেই তো তারা বেশি সময় কাটাচ্ছে। তারা খেলতে পারছে না। ঘুরতে পারছে না। বাবা মাও বন্ধু হচ্ছে না। কারণ বাবা-মাকে ঠিকমত কাছে পাচ্ছে না তারা। আর তাদের এসব চাহিদা পূরণে সর্বদাই নিয়োজিত মহান বন্ধু কম্পিউটার।
কম্পিউটারে খেলছে, গান শুনছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘুরছে পৃথিবী। কম্পিউটারই তাদের প্রকৃত বন্ধু। বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। আমাদের আবেগ কোন্ স্তরে তা উদাহরণ দিয়ে বুঝতে হবে না। অপরদিকে বন্ধুত্ব পুরোটাই আবেগ নির্ভর। সুতরাং বর্তমানে প্রকৃত বন্ধুত্বের অস্তিত্ব যে হুমকির মুখে এটা সবারই জানা। প্রযুক্তি নির্ভর সময়ে এসে আমাদের বন্ধুত্ব বাড়ছে কিন্তু গুণ ও মান কমছে। ফেস বুক সবারই পরিচিত। বন্ধু বানানোর বিশাল ফ্যাক্টরী হলো ফেসবুক বা বন্ধু বানানোর মেশিন। এই মেশিনটি এমনই ক্ষমতাধর যে, রোজ লক্ষ কোটি বন্ধু তৈরি হচ্ছে। একবার ঢুকলেই আপনার বন্ধুর সংখ্যা হবে অগণিত। ছোট-বড়, ধনী-গরিব ভেদাভেদহীন। সবাই সবার বন্ধু হচ্ছে। হাত বাড়ালেই বন্ধু।
মার্ক টোয়েনের একটি উক্তি হলো
“যে কোনো মানুষের ক্ষেত্রে তার বন্ধু তার জন্য সম্পদ স্বরূপ।” সে হিসেবে ফেসবুকের সবাই বিশাল সম্পদশালী। এজন্যে তারা সম্পদশালী কারণ তাদের অনেক বন্ধু। বিষয়টি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু বিপত্তিটা এখানে যে, অনেকের অভিযোগ ফেস বুকের বন্ধুত্ব প্রকৃতপক্ষে কোনো বন্ধুত্বই নয়। বিষয়টি শুধুই মজা করা।
দুএকটি ব্যতিক্রম বাদে ফেস বুকের বন্ধুত্ব ফেসবুকেই সীমাবদ্ধ থাকে।
ফেসবুক , মোবাইল ও ইমেই মাধ্যামে প্রতিনিয়তই বন্ধুত্বের পাল্লা ভারী হচ্ছে। কিন্তু আগের বন্ধুর মতো প্রকৃত বন্ধু এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন মানুষের বন্ধুর অভাব হয় না। অভাব হয় প্রকৃত বন্ধুর। যতোই আমরা প্রযুক্তির দিকে ধাবিত হচ্ছি, ততোই আমাদের মাঝে রোবটিকতা কাজ করছে। আর কমে যাচ্ছে প্রকৃত বন্ধু। সঙ্কুচিত হচ্ছে আমাদের আবেগ। ‘গোলাপ যেমন একটি বিশেষ জাতের ফুল, বন্ধুও তেমন একটি বিশেষ জাতের মানুষ।’-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাস্তবিকভাবে একজন বন্ধুর কাছে একজন বন্ধুর অবস্থান এমনই হওয়া উচিত!!!
Keyword:
বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস, স্বার্থপর বন্ধু স্ট্যাটাস, বন্ধুত্ব ও স্বার্থপরতা, বন্ধুত্ব কি, বেইমান বন্ধু উক্তি, স্বার্থপর বন্ধু চেনার উপায়, স্বার্থপর বন্ধু উক্তি, প্রকৃত বন্ধু, স্বার্থপর বন্ধু নিয়ে উক্তি, বন্ধু নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস, বন্ধু নিয়ে কিছু উক্তি, বন্ধুত্ব নিয়ে কবিতা, বন্ধু নিয়ে ছন্দ, বন্ধু নিয়ে কিছু কথা, বন্ধুত্বের ছোট কবিতা, স্বার্থপর বন্ধু কবিতা, স্বার্থপর বন্ধু sms, বন্ধুদের নিয়ে কিছু কথা, বন্ধুদের নিয়ে কবিতা|

Advertisement
19 Comments
Subscribe
Notify of
19 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Utsa Kumer

onek sundor

Rahman Sc

Nice

Muktadir Hasan

ok

Sabina Akter

অসাধারণ

Partha Kumar

Nice

Hmm

Shanjida Islam

Gd

Mojammal Haque

Hmm

Mayra Islam

সুন্দর

Rez wana

ভালো

Asadullah Jilani

ভালো

sorna islam

ওহ

Rakib molla

Good

Md Golam Mostàfa

Life is impossible without friends.

Shahed Ahamed

done

Koli Talukder

ভালো

Mahfuzur Rahman

Vlo

Farhana liza Farhana liza

ভালো লাগলো

kamrum naher123

অনেক সুন্দর

লাইফস্টাইল

বাস্তবতা নিয়ে লেখালেখি। পর্ব ২: বাস্তবতার সাথে সময়ের সম্পর্ক।

Naimul Islam

Published

on

 

বাস্তবতাকে আপনি দুঃখ কস্ট, অথবা সুখ-শান্তি দিয়ে পরিমাপ করতে পারবেন না। এটা তার সামান্য উপাদান মাত্র। প্রথমে বুঝতে শিখুন সময়কে। কেননা বাস্তবতা সময়েরই আংশিক রুপ। সৃষ্টিকর্তার তৈরি এ সময় খুবই বৈচিত্রময়। একেক জায়গার সময় একেক রকম। একই ভাবে সেখানকার বাস্তবতাও একেকরকম। যেমনঃ সময় মানুষ ও সকল প্রাণীর ভবিষ্যৎ বয়ে আনে, আবার অতীতকে আগলে রাখে,একই ভাবে বর্তমান সূচকও এই সময়। বর্তমানই বাস্তবতার আরেক নাম। কিন্তু কীভাবে? বাস্তবতায় আমরা সরাসরি সদৃশ করি যেকোনো সম্ভব ঘটনাকে। যেটা দুনিয়ার সাথে সম্পৃক্ত। আবার এ বাস্তবতাই হলো সময়ের একটি উপাদান। মনে রাখবেন, এ কথাগুলো সমগ্র আমার গবেষণা। আর এসব কথার ভিত্তি আমার কাছেই আছে। আমি শুধুমাত্র আমার কথাগুলোর যথার্থতা আপনাদের মাঝে প্রকাশ করছি। সময় একই সাথে চলমান,আবার একই সাথে বর্তমানকে অতীত করে দিচ্ছে। কিন্তু কিভাবে? যেমনঃ ধরুন আপনি ভাত খাচ্ছেন। এখন ভাত খাওয়া শেষ, খাওয়া শেষে পানি পান করছেন। সে ভাত খাওয়া পর্বটি কিন্তু অতীত হয়ে গেল। এরকম প্রতিটি বর্তমান থাকা সেকেন্ড একে একে অতীত হয়ে যাচ্ছে। ধরুন, আপনি এরকম একটা চিন্তা করলেন যে, যতবার শ্বাস নিবেন ততবার তা গুণে রাখবেন। এরকম ১০ পর্যন্ত গুনবেন। ১ নম্বর শ্বাস গুনে নেয়ার পর, ২ নম্বর শ্বাসটা গুনলেন, সাথে সাথে অই ১ নম্বর গুনে রাখা শ্বাস অতীত হয়ে গেল। এখন বাস্তবতা তো অতীত নয়, তাইনা? কাজেই এটা বর্তমান। কিন্তু বর্তমানের কি কোনো ক্ষণস্থায়ীত্ব আছে? মানে বর্তমান কত মিনিট? বা কত সময়? এর উত্তর অসংজ্ঞায়িত। কেননা প্রতি মিলি সেকেন্ড,মাইক্রো সেকেন্ড পার হয়ে গেলেই সেটা অতীত। বর্তমানের স্থায়ীত্ব কিভাবে বলব। বাস্তবতার সাথে সময়ের সম্পর্ক কি আছে, নাকি নেই? এটা নিয়ে আমি নিজেও হতাশ! কমেন্ট করে বলুন বাস্তবতার সাথে সময়ের কোনো রকমের সম্পর্ক আছে কিনা?

 

যাই হোক আমি বাস্তবতার ব্যাপারেই আবার ফিরে আসি। বাস্তবতা হলো সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত সময়ের একটা আংশিক রুপ। যেমনঃ একেক সময়ের বাস্তবতা একেক রকম। যেমনঃ এখন এ যুগের বাস্তবতায় এটাই দেখি যে, মানুষ শিক্ষার পিছনে দৌড়াচ্ছে। শিক্ষা ছাড়া জীবন অচল। আবার বিশ্বায়নের যুগে মানুষের জীবনমান অনেক উন্নত হয়েছে। আর বলা চলে এটা ইন্টারনেটের যুগ! কিন্তু আজ থেকে হাজার হাজার বছর আগে মানুষ ইন্টারনেট তাদের বাস্তবতায় দেখতে পেতো না। তাদের কেঊ রুপকথায়ও এটা চিন্তা করতে পারে নি যে সময়কে বা যেকোনো ঘটনাকে ক্যামেরা বন্দি করে সেটা যখন দরকার তখন দেখে নেয়া যায়। যেমনটা আমরা এখন ছবি তুলে বা ভিডিও করে সেটা দেখছি। আবার কয়েক যুগ আগে মানুষ কল্পনা করত, আকাশপথে ভ্রমণ করবে। তখন এটা নিছক কল্পনা ছাড়া কিছুই ছিল না,কেননা তখনকার বাস্তবতায় এটা সম্ভব ছিল না। কিন্তু এখনকার বাস্তবতায় এটা সম্ভব এবং এটাই বাস্তব। হয়তো রুপকথার গল্পে, ভুল হয়েছে! বলা উচিত ছিল সায়েন্স ফিকশন গল্পে যে অসম্ভব বিষয় দেখছি, যেমনঃ টাইম ট্রাভেল, সেটা এখনকার বাস্তবতায় নেই। কিন্তু ভবিষ্যত বাস্তবতায় থাকতেও পারে। তাহলে সময়ই কি ঠিক করে দেয় বাস্তবতা কেমন হবে? বাস্তবতাকে চিনতে আরো এক ধাপ সহায়তা করবে এ নিয়ে লেখা আমার প্রথম পর্বটি। শীঘ্রই দেখে আসুনঃ  বাস্তবতা নিয়ে লেখালেখি। পর্ব ১: বাস্তবতা কি আদৌ কঠিন?  

চলবে….

Continue Reading

লাইফস্টাইল

বাস্তবতা নিয়ে লেখালেখি। পর্ব ১: বাস্তবতা কঠিন নয়।

Naimul Islam

Published

on

বাস্তবতা মানে এই জগৎ সংসার যাকে ধরা যায়। কথাটা শুনেই হয়তো মনে হলো কি বাংলা সাহিত্যিকের মতো বক বক করছি। কিন্তু না একটু পড়লেই অনেক কিছুই জানবে। বাস্তবতা কখনো মানুষ আর মানুষের মনকে চিনে না। এটি চিনে রাখা চলমান সময় আর প্রকৃতিকে। প্রকৃতি কখনো পরিবর্তন হয় না! পরিবর্তন হয় এর রুপ। একই ভাবে বাস্তবতায় রূপের পরিবর্তন হলেও বাস্তবতার নিজস্ব কোনো পরিবর্তন নেই। যেমনঃ বাস্তবতায় তার রুপ কখনো আলোকোজ্জল আবার কখনো ভয়ংকর গাড় অন্ধকার! তবে বাস্তবতার রুপে পরিবর্তন হলেও বাস্তবতার সংজ্ঞা এবং এর নিয়ম কানুন কখনো পরিবর্তন হয় না। এটা জীবন ও জীবিকার  মাঝে মিল বন্ধন টেনে দেয়। যেখানে আপনি চাইলে পাখির মতো উড়ে বেড়াতে পারবেন না। এখানে রুপকথার গল্পের মতো অনেক দূরে ছুটে যেতে পারবেন না, এখানে এমন কোনো উড়ন্ত ঝাড়ু নেই, যেটি ব্যবহার করে যেখানে দরকার উড়ে যাবো। এর কারণ কি জানেন, প্রকৃতি! প্রকৃতি এটা সমর্থন করে না। প্রকৃতিতে মানুষ স্বভাবতই উড়তে জানে না (বিমানে উড়ে যাবো, এটা অন্য ব্যাপার)। 

 

যাই হোক বাস্তবতার সাথে আমাদের কিছুটা পরিচয় দরকার। যেমনঃ আপনি বাস্তবে ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার মন চাইলেই হয়ে যেতে পারবেন না। অথবা কোটি কোটি টাকা জাদুর জিনির কাছে আবদার করে নিয়ে নিতে পারেন না। কারণ এদুটির জন্যই প্রয়োজন পরিশ্রম। যেটা বাস্তবতা সমর্থন করে। বাস্তবতার নিয়মে এই রুলটা লিখা আছে যে, যে কেউ চাইলে পরিশ্রম আর মেধার গুণে নিজের ভাগ্য বদলাতে পারে। আসলে বাস্তব বড় কঠিন! এ কথায় কখনোই বিশ্বাস করবেন না। কেননা মানুষ স্বভাবতই কল্পনা করতে ভালোবাসে, “সে অমুক হবে,  এত টাকার মালিক একদিন হবেই ” এ নিয়ে স্বপ্ন আকতে ভালোবাসে। দাড়ান, এ স্বপ্ন দেখছেন ঠিক আছে। কিন্তু বাস্তবতার আংগিনায় ফিরে আসুন। আমাদের মনুষ্য ব্রেইনে কল্পনা করার ব্যবস্থা আছে, ঠিক একইভাবে সেটা প্রকাশ করার জন্য আছে বাস্তবতা। কল্পনার আশক্তিতে পড়লেই বাস্তবতাকে কঠিন মনেই হবে। যেমনটা গেমে আশক্তি আছে কারো কাছে পড়াশুনাকে কঠিন আবার গেমকে সহজই মনে হয়।

 

 তুমি বাস্তবতার রুলস গুলো মেনে চলো, তাহলেই বাস্তবতা তোমাকে মেনে চলবে। রুলস আবার কি? যেমনঃ ধর,কাউকে মারলে সেও একই ভাবে আমাকে মারবে। ব্যক্তিবিশেষে এটা ভিন্ন কেননা কেউ কেউ মার খেয়ে ভয়ে পালায়। বাস্তবতার রুলস গুলোর সাথেও এটার মিল আছে। যেমনঃ যদি আমরা বাস্তবতার রুলস গুলোকে না মানি, বাস্তবতাও আমাকে মানবে না তথা সহায়তা করবে না। আবার কখনো বাস্তবতাকে তোয়াক্কা করলে বাস্তবতায়ই নিঃশ্বেষ হয়ে পালাবে মানে মৃতুয়। সড়ক পাড়াপাড়ে একটা দ্রূতগতির গাড়ি গেলে আমরা হয় সড়ক পাড় হবো না, নইলে পরে পাড় হবো। গাড়ির সাথে তাল মিলিয়ে যদি আমরা সড়ক পাড় করতে যাই তাহলে তো সেটা রুপকথাগল্পের মত এমন হবে না যে, গাড়িটি আমাকে বাচাতে উড়ে যাবে। অথবা গাড়িটি আমার সাথে ধাক্কা খেয়ে উড়ে যাবে,কিন্তু আমার কিছু হবে না। এটা বাস্তবতা। এর নিজস্ব রুলস আছে। যেমনঃ তুমি চলন্ত গাড়ির সাথে ধাক্কা খেলে মারা যাবে। এই মরার সম্ভাবনা গাড়ির গতি এবং ভরের উপর নির্ভর করে।

চলবে…

 

Continue Reading

লাইফস্টাইল

খোলা চুল নিয়ে উক্তি

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় করি। খোলা চুল নিয়ে উক্তি

চুল সৌন্দর্যের  এক অলংকার স্বরূপ। রেশমি ঘন কালো চুলে মুগ্ধ হয়ে কত কবি সাহিত্যিক  যে গান ,কবিতা রচনা করেছেন তার কোনো ইয়ত্তা নেই। তাই চুল এক ধরনের সম্পদ। চুল নারীদের ক্ষেত্রে তাই অলংকার স্বরূপ। লম্বা চুলের কদর রয়েছে তাই যুগ  যুগ ধরে, কালে কালে রয়েছে।তাই চুল নিয়ে নারীদের চিন্তার শেষ নেই। কত যত্ন যে করে থাকে লম্বা চুলের জন্য তার ইয়ত্তা নেই। তাইতো এখনো মানুষ লম্বা চুলের পাগল।

তবে চুল এমন এক সৌন্দর্যের প্রতীক যা প্রতীকী অর্থে কখনোই বর্ণনা করা যাবে না।নারীর রুপ এবং সৌন্দর্যের এক অন্যতম অংশ হলো চুল।চুলের সৌন্দর্য তাই চুল জানে। চুল তাই বাধা নয় খোলায় সুন্দর। বাধা চুলে কখনো চুলের আসল সৌন্দর্য বুঝা যায় না। চুলের আসল সৌন্দর্য রয়েছে তাই খোলা চুলে।স্নিগ্ধ বাতাসে যখন চুল ঢেউ খেলে যায় তখন সেই সৌন্দর্যের কোনো হিসাব খুঁজে পাওয়া যায় না।

নারীর খোলা চুল নিয়ে তাই কবির কাব্বিকতার কোনো শেষ নেই। খোলা চুল নিয়ে তাই গুণীজনদের উক্তির শেষ নেই। খোলা চুল এ মুগ্ধ হয়নি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।কেউ মুগ্ধ হতে রচনা করেছে কাব্য। কেউ কবিতা আর উক্তি।তাই নিচে খোলা চুল নিয়ে রচিত কিছু উক্তিসমূহ তুলে ধরা হলোঃ

উক্তি ১:
“হারানোর জন্য
তোমার খোলা চুল এবং চোখের কাজল যথেষ্ট”
উক্তি ২:

“কোনো এক পড়ন্ত বিকেলে বারান্দায় দাঁড়িয়ে
রেশমি কালো চুলের ঢেউ মুগ্ধ করে আমাকে “।

উক্তি ৩:

“খুলে দাও তুমি এই চুলের বাঁধন
অবাধ্য হয়ে না হয় সে বাতাসেই উড়ুক “।

উক্তি :৪
“ইচ্ছে হয় হাড়িয়ে যাই
ওই খোলা চুলের গভীরতায়”।

উক্তিঃ৫

“খোলা চুল তুমি বলে দাও
কেনো মুগ্ধ না হবে কেউ তোমার মায়ায়”।

সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে।ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট

MD LOKMAN HOSSAIEN
ভুয়া ওয়েবসাইট
Mohammad Ariful Islam
সাইটের লোডিং স্পিড
Naimul Islam
পোস্ট published না করা