Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস – পৃথিবীতে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা

Published

on

পৃথিবীতে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা এতো বেশি যে, বলে শেষ করা যায়নাএকজনের কাছে বন্ধুত্ব একরকমতো অন্যজনের কাছে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা অন্যরকমবন্ধুত্বের একটি সংজ্ঞা নিয়েই হতে পারে বিশালবইআবার হতে পারে দীর্ঘ বক্তৃতাহতে পারে আমার বিরক্তিকর লেখাতবে মনে হয় জনহেএর এই সংজ্ঞাটা না দিলে বন্ধুত্ব বুঝা যায়নাবন্ধুত্ব হলো জীবনের সূর্যোদয়
সত্যি অবাক করার বিষয়, তিনি তার বন্ধুদের কতো বড় করে দেখছেনগোটা পৃথিবীর কাছে তুমি একজন মানুষ মাত্রবন্ধুর কাছে তুমি গোটা পৃথিবীভালো বন্ধু সেযে মনে করে, তুমি একটা ভালো ডিম, যদিও সে জানে ডিমটা খানিকটা ফাটা
আবার বন্ধুত্ব হচ্ছে চুইংগামের মতো হৃদয়ের কাছাকাছি, যা একবার মনে স্থান করে নিলেই হলো, ছাড়তে চাইলেও তা সম্ভব হয় না।
বন্ধুত্ব তিন ধরনের
(১) খাবারের মত, যাদের ছাড়া চলে না।
(২) ঔষধের মত, যাদের মাঝে মাঝে দরকার হয়।
(৩) অসুখের মত, যাদের কেউ চায় না।
‘তুমি যদি ৫শ’ বছর বেঁচে থাকো, আমি যেনো একদিন কম বাঁচি, যাতে তোমায় একদিনের জন্যেও মিস না করি।’বন্ধুত্ব নিয়ে সুবচনের শেষ নেই। আবার বন্ধুত্বের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞাও নেই। তবে এটা অস্বীকার করার কোনো জো নেই যে, বেঁচে থাকতে হলে অবশ্যই ভালো বন্ধু প্রয়োজন।
ভালো বন্ধুর মাধ্যমে তুমি আর কিছু না বুঝ বা না পাও কিন্তু তুমি কেমন, তোমার ভুলটা সে দেখাবে, আবার তোমাকে তোমার ভালো কাজের প্রশংসাও সেই করবে।
“তোমার ভালো বন্ধু সে-ই যে তোমার মধ্যকার সর্বোত্তম গুণটা বের করে আনবে।”-হেনরি ফোর্ড। বন্ধুত্ব হচ্ছে দু’জনের পরস্পরের প্রতি গ্রহণযোগ্য ও প্রত্যাশিত আচরণ। বন্ধুত্ব হচ্ছে ‘বিশ্বাস’। বন্ধুত্ব হচ্ছে ‘দু’দেহ একমন।’ — এরিস্টটল।
বন্ধুরা জানে এবং মানে তারা পরস্পরের ক্ষতি করবে না। এটা সত্যি যে, বন্ধুত্ব গড়ে উঠে কিছু প্রদর্শিত মূল্যবোধের ওপর, যার মধ্যে রয়েছে বন্ধুর বেলায় সবচেয়ে ভালোটাই ঘটুক এ প্রত্যাশার লালন, সহানুভূতি ও একাগ্রতা, সত্যবাদিতা, সততা ও পারস্পরিক সমঝোতা। মানব সভ্যতাই গড়ে উঠেছে বন্ধুত্বের ছায়ায়। একজন ভালো বন্ধু সবারই কাম্য। একজন সৎ বন্ধুর কাছে বা তার সানিধ্য পেতে সবাই ব্যাকুল থাকে।
কবি এ এস বলেছেন
“সত্যিকার বন্ধুত্বে সত্যবাদিতা চাই-ই চাই।” একজন সত্যিকার ও সত্যবাদী বন্ধু তোমাকে ভালোবাসবে আবার তোমার মন্দ কাজগুলোর সরাসরি সমালোচনাও করবে। তবে অনেক বন্ধুই আছে সুদিনের!! যাদের দুর্দিনে খুঁজে পাওয়া যায় না বা চাইলে ও পাওয় যায় না। সত্যিকারের বন্ধু সম্পর্কে অস্কার ওয়াইল্ড লিখেছেন, “যে তোমাকে পেছনে থেকে নয়, সামনে থেকে ছুরি মারতে পারে সে-ই।” কী ভয়ানক উক্তি। তবে এই কথার অন্তরালে অনেক ভালো কথা লুকিয়ে আছে। বন্ধুত্বের রশিটা সব সময়ই জৈব সীমার উর্ধে রাখা উচিত।
বয়স ও অর্থ দিয়ে বন্ধুকে পরিমাপ করা উচিত নয়। বন্ধুত্বের জায়গাটা মনের মধ্যে বিশাল করা দরকার। বর্তমান সময়ের বন্ধুত্ব কেমন এবার তা নিয়ে একটু আলোচনা করি। যুগ বদলাচ্ছে। এটা বেশ পুরোনো কথা। যুগের সঙ্গে বদলাচ্ছে সবকিছু এটাও সবার জানা।
তেমনি বদলে যাচ্ছে বন্ধুত্বের আবেগ-অনুভূতি, গতি-প্রকৃতি। নদীর নাব্যতার মতো কমে যাচ্ছে বন্ধুর গভীরতা। বন্ধুত্বে সৃষ্টি হয়েছে অনেক বিভাজন। আমাদের এখন অনেক বন্ধু। স্কুলের বন্ধু, কলেজের বন্ধু, অফিসের বন্ধু, ক্লাবের বন্ধু, কিংবা পার্টির বন্ধু, এফ বির বন্ধু। অনেক ধরনের বন্ধু আমাদের। যার কাছে স্বার্থ নেই সেই আমাদের বন্ধু। কিন্তু প্রকৃত বন্ধু? কমে যাচ্ছে সেই সংখ্যা। কারও কারও নেই বললেই চলে।
এই সময়ে শিশু-কিশোরদের বড় বন্ধু কে?সরাসরি উত্তর-কম্পিউটার। শতকরা ৮৫ ভাগ শহুরে শিশুর ক্ষেত্রে এটা সত্যি। তাদের প্রিয় বন্ধুর নাম মহান কম্পিউটার। হবেই তো কম্পিউটার, কারণ এর সঙ্গেই তো তারা বেশি সময় কাটাচ্ছে। তারা খেলতে পারছে না। ঘুরতে পারছে না। বাবা মাও বন্ধু হচ্ছে না। কারণ বাবা-মাকে ঠিকমত কাছে পাচ্ছে না তারা। আর তাদের এসব চাহিদা পূরণে সর্বদাই নিয়োজিত মহান বন্ধু কম্পিউটার।
কম্পিউটারে খেলছে, গান শুনছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘুরছে পৃথিবী। কম্পিউটারই তাদের প্রকৃত বন্ধু। বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। আমাদের আবেগ কোন্ স্তরে তা উদাহরণ দিয়ে বুঝতে হবে না। অপরদিকে বন্ধুত্ব পুরোটাই আবেগ নির্ভর। সুতরাং বর্তমানে প্রকৃত বন্ধুত্বের অস্তিত্ব যে হুমকির মুখে এটা সবারই জানা। প্রযুক্তি নির্ভর সময়ে এসে আমাদের বন্ধুত্ব বাড়ছে কিন্তু গুণ ও মান কমছে। ফেস বুক সবারই পরিচিত। বন্ধু বানানোর বিশাল ফ্যাক্টরী হলো ফেসবুক বা বন্ধু বানানোর মেশিন। এই মেশিনটি এমনই ক্ষমতাধর যে, রোজ লক্ষ কোটি বন্ধু তৈরি হচ্ছে। একবার ঢুকলেই আপনার বন্ধুর সংখ্যা হবে অগণিত। ছোট-বড়, ধনী-গরিব ভেদাভেদহীন। সবাই সবার বন্ধু হচ্ছে। হাত বাড়ালেই বন্ধু।
মার্ক টোয়েনের একটি উক্তি হলো
“যে কোনো মানুষের ক্ষেত্রে তার বন্ধু তার জন্য সম্পদ স্বরূপ।” সে হিসেবে ফেসবুকের সবাই বিশাল সম্পদশালী। এজন্যে তারা সম্পদশালী কারণ তাদের অনেক বন্ধু। বিষয়টি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু বিপত্তিটা এখানে যে, অনেকের অভিযোগ ফেস বুকের বন্ধুত্ব প্রকৃতপক্ষে কোনো বন্ধুত্বই নয়। বিষয়টি শুধুই মজা করা।
দুএকটি ব্যতিক্রম বাদে ফেস বুকের বন্ধুত্ব ফেসবুকেই সীমাবদ্ধ থাকে।
ফেসবুক , মোবাইল ও ইমেই মাধ্যামে প্রতিনিয়তই বন্ধুত্বের পাল্লা ভারী হচ্ছে। কিন্তু আগের বন্ধুর মতো প্রকৃত বন্ধু এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন মানুষের বন্ধুর অভাব হয় না। অভাব হয় প্রকৃত বন্ধুর। যতোই আমরা প্রযুক্তির দিকে ধাবিত হচ্ছি, ততোই আমাদের মাঝে রোবটিকতা কাজ করছে। আর কমে যাচ্ছে প্রকৃত বন্ধু। সঙ্কুচিত হচ্ছে আমাদের আবেগ। ‘গোলাপ যেমন একটি বিশেষ জাতের ফুল, বন্ধুও তেমন একটি বিশেষ জাতের মানুষ।’-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাস্তবিকভাবে একজন বন্ধুর কাছে একজন বন্ধুর অবস্থান এমনই হওয়া উচিত!!!
Keyword:
বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস, স্বার্থপর বন্ধু স্ট্যাটাস, বন্ধুত্ব ও স্বার্থপরতা, বন্ধুত্ব কি, বেইমান বন্ধু উক্তি, স্বার্থপর বন্ধু চেনার উপায়, স্বার্থপর বন্ধু উক্তি, প্রকৃত বন্ধু, স্বার্থপর বন্ধু নিয়ে উক্তি, বন্ধু নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস, বন্ধু নিয়ে কিছু উক্তি, বন্ধুত্ব নিয়ে কবিতা, বন্ধু নিয়ে ছন্দ, বন্ধু নিয়ে কিছু কথা, বন্ধুত্বের ছোট কবিতা, স্বার্থপর বন্ধু কবিতা, স্বার্থপর বন্ধু sms, বন্ধুদের নিয়ে কিছু কথা, বন্ধুদের নিয়ে কবিতা|

লাইফস্টাইল

কোরিয়ান স্কিন কেয়ারঃ চালের জাদু

Published

on

কোরিয়ান স্কিন কেয়ারঃ চালের জাদু

  • কোরিয়ান দের স্কিন এত স্মুথ,শাইনি,গ্লোয়ি।
    তাদের স্কিন কেয়ার এ চালের ব্যবহার অনেক আগে থেকে।
    চালের পানিঃ
    এটা তিনভাবে ব্যবহার করা যায়
    ১.আমরা যেটা কে মাড় বলি সেটা ফেসমাস্ক,এমনকি সরাসরি ব্যবহার করা যায়।মুখে দিয়ে না শুকানো পরজন্ত রাখবেন।
    ২.চাল পানিতে ভিজিয়ে ৩০ মিনিট রেখে সেই পানি যেকোনো জার এ রেখে ব্যবহার করতে পারবেন।
    এটা টোনার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
    যেকন মাস্ক বানানো তে পানির বদলে ব্যবহার করা যাবে।
    ৩.আরেকটা করা যাবে চাল ভিজিয়ে সারারাত রেখে ওই পানিটা জার এ রেখে ফ্রিজ আ রেখে ব্যবহার করা যাবে।
    এটা ও ব্যবহার করা যাবে টোনার হিসেবে।
    যেকন মাস্ক বানাতে।
    এই পানি বাহির থেকে এসে দিলে ও আরাম পাবেন।
    স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার ঃ
    চালের গুঁড়া স্ক্রাব হিসেবে অসাধারণ।
    চালের গুঁড়া + গ্রিন টি
    চালের গুঁড়া + মধু
    চালের গুঁড়া + কফি + মধু
    চালের গুঁড়া +কাচা দুধ
    চালের গুঁড়া +টক দই
    বডি স্ক্রাব বানানো ঃ
    চালের গুঁড়া
    টমাটো
    বেসন
    আর কাচা দুধ /টক দই দিয়ে বানানো স্ক্রাব কাল দাগ দূর করে।
    ফেস মাস্ক বানাতেঃ
    এক চামচ ভাত+এক চামচ টক দই
    চালের গুঁড়া +অটস+
    দুধ
    চুলের যত্নঃ
    ভাতের মাড় চুলে দিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলবেন শাম্পু দিয়ে।
    এমনকি যেকোন হেয়ার মাস্ক এ ব্যবহার করতে পারবেন।
    চালের গুঁড়া আর পানি দুটো ই আন্টি এইজিনং
    গুন আছে।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

রোদ নিয়ে খেলা☀☀

Published

on

  1. সানস্ক্রিন এর ব্যবহার অনেকেই ঠিকমতো করেন না।
    স্কিন টাইপ অনুযায়ী সানস্ক্রিন বিভিন্ন টাইপ এর হয়ে থাকে।
    আগে জানতে হবে আপনার স্কিন টাইপ কি?
    খুব সহজে পারবেন এটি
    সকালে ঘুম থেকে উঠে ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধোয়ার আগে যদি দেখেন নরমাল পানিতে মুখ ধুবেন
    নরমাল স্কিনঃ
    মুখ এ শুস্ক আর অয়েলি নেস বেশি না।
    অয়েলি স্কিনঃ
    মুখ টা কে শাইনি লাগবে। টিস্যু দিয়ে চেপে ধরলে পুরা টীসু তেই অয়েল থাকবে।
    কম্বিনেশন স্কিনঃ
    টী জোন মানে কপাল,নাক,থুতনিতে অয়েল থাকবে র বাকি জায়গার শুস্ক থাকবে।
    এখন বাজারে আপনার স্কিন টাইপ অনুযায়ী কিনবেন।
    কিভাবে দিবেনঃ
    মুখ ধুয়ে বের হবার ৩০ মিনিট আগে দিতে হবএ হাত দিয়ে চেপে চেপে ঘসা দিয়ে দেয়া যাবে না। এরপর আপনি আপনার পছন্দের ক্রিম দিয়ে সামান্য পাউডার দিয়ে সেট করবেন।

    আর নরমালি সানস্ক্রিন ২ বা ৩ ঘঘন্টা পর পর দিতে হয় যদি বাইরে থাকেন।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সানস্ক্রিন উঠনো।
    এটা কে মেকাপ ক্লীনজার দিয়ে তুলে এরপর ফেসওয়াস দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
    মেকাপ ক্লিনজার না থাকলে যেকোনো অয়েল দিয়ে তুলতে হবে।তা না হলে মুখে অনেক ধরনের প্রব্লেম হবে।
    বাংলাদেশ এর আবহাওয়া তে ৩০ এর উপর এস পি এফ লাগে।
    শুধু মাত্র মুখে দিলে কিন্তু হবে না আপনার খোলা অংশ এ দিতে হবে।
    সূর্য রশ্মি সবচেয়ে বেশি খারাপ সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৪ তা পরযন্ত
    সাথে ছাতা ও সানগ্লাস মাস্ট।
    রোদ আমাদের স্কিন কে বুড়িয়ে দেয়।
    বিভিন্ন স্কিন কান্সার এর জন্য দায়ী।
    তাই এখন হতেই সাবধানতা।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

পায়ের হালচাল (যত্ন)

Published

on

সারাদিন পা দু খানির উপর কম ধকল সইতে হয় না।

যত্নের অভাবে দিন দিন তা রুক্ষ হয়ে যায়। ঘরে বসেই সহজ ভাবে পেডিকিওর করা সম্ভব
সময় -৪০ মিনিট😇
১.প্রথমে হাল্কা কুসুম গরম পানিতে, লবন, লেবু দিয়ে পা দুটি কে ১০ মিনিট ভিজাবেন।
২.বাজারে কিনতে পাওয়া ঝামা দিয়ে পায়ের মরাকোষ তুলে ফেলবেন।
৩.কফি ১ চামচ+২ চা চামচ চিনি+১ চামচ মধু+১ চামচ লেবু দিয়ে বানানো এই জিনিস টি ভালো মত ১০ মিনিট মাসাজ করবেন।
৪.একটা ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুছে এবার ২ চামচ নারিকেল তেল+১ চামচ লেবুর রস দিয়ে মাসাজ করবেন ১০ মিনিট।
৫.ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে এবার ২ চামচ বেসন ২ চামচ দই +১ চামচ লেবুর রস দিয়ে ১০ মিনিট মেখে ধুয়ে ফেলবেন।

শেষে যেকোন লোশন লাগাবেন।
মাসে একবার করলেও ফিরে পাবেন আপনার সুন্দর পা খানি❤

পায়ের যত্ন

Continue Reading
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন