Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

প্রেমে পরলে মেয়েদের যে অনুভূতি হয়

Shawkat Shimanto

Published

on

প্রেম মানব জাতির এমনই একটা অঅনুভুতি যার অন্য কোন কিছুই সাথে তুলনা হয় না। প্রেম যা নিয়ে রচিত অনেক স্যাহিতিক দের অনেক স্যাহিত্য। প্রেম যার জন্য মানুষ কে হাসতে হাসতে জীবন দিতে পারে । প্রেম যা মানুষকে ত্যাগ করতে শেখায় ত্যাগ করতে।
প্রেম এমনই একটা অঅনুভুতি যা এক বার কেউ অনুভব করলেই মানুষ নিজের সব দিয়ে দিতে পারে। সত্যিকারের প্রেমকে পৃথিবীর সর্ব শ্রেষ্ঠ সুন্দর অনুভুতি ধরা হয়েছে। প্রেম কে পৃথিবীর সব থেকে পবিত্র অঅনুভূতি এবং সৃষ্টিকর্তার দেওয়া আর্শীবাদ বলে মনে করা হয়।প্রেম মানুষকে দিয়ে সব করাতে পারে। প্রেম এমন একটা অঅনুভুতি যা পথের ভিকারি থেকে বড় বড় রাজা মহারাজা সবাই অনুভব করে।
প্রেম ধনি, গরিব, জাতি ধর্ম কিছুর বাধা মানে না।প্রেম যার জন্য সবাই পাগল। এই প্রেম যা মানুষকে কাদায় কষ্ট দেয় কিন্তু তাও মানুষ শত কষ্ট সহ্য করে কিন্তু প্রেম ভুলতেই পারে না। প্রেম যা সৃষ্টি শুরু থেকে রয়েছে। যার মাধ্যমে এই পৃথিবীর চলে। প্রেমের মাধ্যমেই মানুষ অনুভব করে। প্রেম যা মানুষকে এতে দেয় পৃথিবীর সব শান্তি। ইতিহাসের দিয়ে তাকালেই দেখা যায় পৃথিবীর অঅধিকাংশ যুদ্ধ হয়েছে প্রেমকে নিয়ে। প্রেম সৃষ্টিকর্তা মানুষকে সসর্বশ্রেষ্ঠ উপহার।
এই প্রেম যা হয় দুটি মানুষের ভিতর দুটি আন্তার ভিতর। প্রেম যা এক করে দুটি মানুষকে। প্রেম একটা অঅনুভুতি সেটা অনুভব করলে
মানুষকে নিজের নিয়ন্ত্র থাকে না। প্রেম যা দুটি মনের একত্র হওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়। এর পর যারা প্রেম পরে তারা চিরকালের জন্য হয় দুজ দুজনার। কিন্তু সাভাবিক ভাবে এর এক জন নারী এবং অরেক জন পুরুষ হয়।
এতে অনুভুতি ত আলাদা হয়। সত্যিকেরের ভালোবাসলে
একটা মেয়ে যখন প্রেমে পরে তার মনের অবস্থা তখন অনেক টা মিশ্রত থাকে অনেক টা খুশি, কিছু ভয়, কিছু চিন্তা, ইত্যাদি মিসে থাকে। সে প্রেথম প্রেথম প্রায় কিছুই বুঝতে পারে না। এর পর সে যার প্রেমে পরে তার প্রতি একটা গভীর ভালোবাসা অনুভব করে। সে কাছে থাকলে ভালোলাগে দূরে গেলে কষ্ট। তাকে ঘীরে মেয়ে টার পৃথিবী হয়ে যায়। তাকেই পৃথিবীর সব থেকে সুন্দর সব থেকে ভালো বলে মনে হয়। সব সময়ই তার কথা মনে আসে। সে যেন রক্তের ম মধ্যে মিশে যায়। এমন মনে হয় তাকে ছাড়া পৃথিবীতে অন্য কেউ নেই। সে থাকলে সব খুশি থাকবে।তখন তার ভালোলাগা নিজের ভালো লাগা হয়ে যায়। তার খুশিকেই নিজের খুশি ভাবতে শুরু করে মেয়েরা।
তাকে নিয়ে থাকে সব কিছু। এভাবেই মেয়েদের ভালোবাসার মানুষ হয়ে ওঠে তাদের পৃথিবী।
একটা মেয়ে নিজের সব কিছু দিয়ে চেষ্টা করে তার মনে থাকার কারণ সেই পৃথিবীর।
তার দেওয়ার সব কিছু সহ্য করতে রাজি থাকে শুধু একটু ভালোবাসার জন্য। তাই যখন একটা মেয়ের ভালোবাসা তাকে ছেরে যার পুরো পৃথিবীর তাকে ছেরে যার। আর তাই ভালো ছেড়ে যায়। তাই মেয়ে রা তখন এত ছটফট করে। একটা মেয়ের কাছে এই কষ্ট মৃত্যুর সমান হয়। পুরো পৃথিবীর টা অন্ধকার হয়।

একটা মেয়ে নিজের সব সুখ ভালো লাগে ত্যাগ করে দেয় নিজের ভালোবাসার জন্য।
এটা মেয়ে তার। সত্যিকারের ভালো বাসার জন্য জীবন দিয়ে দেয় হাসিমুখে। এটা ভেবে যে তাহলে তার ভালোবাসার মানুষ টা ভালোথাকবে।
আর এটা প্রমান করে একটা মেয়ের ভালোবাসা কতটা পবিত্র।

এই ছিল আজ আমার প্রেমে পরলে মেয়ে যা অনুভব করে সেই বিষয় নিয়ে কিছু কথা আশা করি সবার ভালো লাগবে।



লাইফস্টাইল

ভালোবাসা নিয়ে কিছু বাস্তব কথা

Bd Blogger

Published

on

ভালোবাসা নিয়ে প্রথমে ইংলিশ লেখক টমাস মুলার এর একটি বিখ্যাত উক্তি দিয়ে শুরু করি, ভালো ভাসতে শেখো, ভালোবাসা দিতে শিখো, তা হলে তোমার জীবনে ভালবাসার অভাব হবে না।

এ কথাটি চরম সত্য। আসলে ভালোবাসার নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই। ভালোবাসা হতে পারে প্রকৃতির সাথে,প্রানীর সাথে, প্রেমিকার সাথে, বিধাতার সাথে। মানুষের হৃদয়ের একটি অনুভূতি হল ভালোবাসা। যে অনুভূতি কাউকে দেখাতে পারেন না,অনুভব করে বুঝে নিতে হয়। ভালোবাসা হতে হবে নিখুঁত। 

ভালোবাসা মানুষের একটি মহৎ গুণ। যা নিজের মনের ভেতর লালন করতে হয়। নিজেকে নিজে ভালোবাসতে হয়। যে নিজেকে নিজে ভালোবাসতে পারে না,সে অন্য কাউকে ভালবাসতে পারবে না।

বলা হয় ভালোবাসা সবার জন্য সমান। কিন্তু বাস্তবে তা আমরা দেখতে পাই না। বর্তমানে আমাদের সমাজে ধনী গরীবের মাঝে ভালোবাসা হয় না। উচ্চ শ্রেণীর আর নিম্ন শ্রেণীর মানুষের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য। ধনী গরীবের প্রেম ভালোবাসা শুধুমাত্র সিনেমায় দেখা যায় বাস্তবে নয়।



 জীবনে বেঁচে থাকার জন্য অবশ্যই ভালোবাসা প্রয়োজন।কিন্তু ভালোবাসা সারা জীবনে অনেক কিছু প্রয়োজন রয়েছে।যেমন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা এই মৌলিক বিষয়গুলো বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেনের মত প্রয়োজন। আরো বড় বাস্তবতা হচ্ছে, ভালোবাসা দিয়ে কখনো পেট ভরে না, ক্ষুধা দূর হয় না। জীবনে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলা। তবে জীবনে অবশ্যই ভালোবাসা প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু নয়। সেক্সপিয়র এজন্য বলেছিলেন, অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায় ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

মধ্যবিত্ত নিয়ে উক্তি

Bd Blogger

Published

on

মধ্যবিত্তরাই পৃথিবীর সবচেয়ে অবহেলিত। পারেনা ধনীদের সাথে মিশতে পারে না গরিবদের সাথে তালে তাল মিলিয়ে চলতে। মধ্যবিত্তদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত অভিনয় করে পথ চলতে হয়। আমি নিজের মধ্যবিত্ত তাই মধ্যবিত্তের বৃত্ত ও ব্যাসার্ধ আমি ভালো করেই বুঝি। বুকে জমানো হাজারটা কষ্ট নিয়ে অন্যদের কাছে হাসিমুখে থাকতে হয়।

লোকদের মুখে শোনা যায়, এককালে ধনীরা গরিব হয় আর গরীবরা ধনী হয়ে যায়। কিন্তু মধ্যবিত্তরা সবার অগোচরে থেকে যায়। মধ্যবিত্তরা আজীবন মধ্যবিত্ত। ভাবছি আজ মধ্যবিত্ত নিয়ে কয়েকটি উক্তি আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো।

* মধ্যবিত্ত একটি ছোট্ট। কিন্তু এই শব্দটি এতটাই অর্থবহুল যা কখনো একটা অভিধানে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

*মধ্যবিত্তদের উড়ানোর মত টাকাকড়ি নেই,কিন্তু ২ টাকা পকেটে নিয়ে হাসি দেখার মত রয়েছে অলৈাকিক ক্ষমতা।



*মধ্যবিত্তরা পৃথিবীতে জন্মায় অভিনয় করে,সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার জন্য।

*মধ্যবিত্তদের কখনো স্বপ্ন দেখতে নেই,তারা স্বপ্ন দেখতে ভয় পায়,কারন স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট খুব বেদনাদায়ক।

*মধ্যবিত্তদের জীবনটা হল ঘরপোড়া গরুর মত তারা সিঙ্গুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়।

*মধ্যবিত্তদের একটা যাদুকরী গুন রয়েছে,সেটা হল নিজের কষ্টগুলো চাপিয়ে রাখার ক্ষমতা।

*দুই শ্রেনীর মানুষ পৃথিবীতে থাকা উচিত। একটি ধনী অপরটি গরিব। মধ্যবিত্ত নামে কনো শ্রেনী থাকা উচিত নয়।

*মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই ধরণীর আসল রূপ দেখতে পায়-হুমায়ূন আহমেদ।

* মধ্যবিত্তদের জীবনে  অনেক চাওয়া পাওয়ার মাঝে লুকিয়ে রাখা একটি শব্দ “থাক লাগবেনা”।

*মধ্যবিত্ত হয়ে জন্মানো চেয়ে ফকির হয়ে জন্মানো ভাল। ফকিরদের অভিনয় করতে হয়না কিন্তু মধ্যবিত্তদের সুখে থাকার প্রতিনিয়ত অভিনয় করে যেতে হয়।-হুমায়ূন আহমেদ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

বাইক নিয়ে ক্যাপশন

Bd Blogger

Published

on

বর্তমানে আমাদের সমাজে তরুণ প্রজন্ম বাইক চালানো একটা নেশা হয়ে গেছে। বিশেষ করে ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সী ছেলে গুলো বাইক নিয়ে মাস্তানি করে বেড়ায়। বাইক নিউ ফ্যাশন করতে গিয়ে তা মে কততা ঝুঁকির মধ্যে করতে হয় তা এ যুগের ছেলেরা ধারণা রাখে না। বাইক নিয়ে ক্যাপশন –

প্রতিবছর এ দেশে মোটরসাইকেল অ্যাক্সিডেন্টে মারা যায় অনেক মানুষ। যানবাহনের মধ্যে যত প্রকার অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বিপদজনক এক্সিডেন্ট বাইক এক্সিডেন্ট। নয়তো মৃত্যু হয় তো পঙ্গু। একটা সাজানো গোছানো জীবন চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও বাইক অ্যাক্সিডেন্ট হচ্ছে। পত্র-পত্রিকা চোখ রাখলেই এই ভয়াবহ খবর দেখতে পাওয়া যায়। অনেক পিতা মাতার আসেন তাদের আদরের ছেলেকে অল্প বয়সে মটর বাইক কিনে দেন। এটি মারাত্মক ভুল সিদ্ধান্ত।

এই অল্প বয়সে বাইক কিনে দিলে ছেলেগুলো যদি এক্সিডেন্ট না হয় তবে তারা নানা ধরনের বিপদে পরিচালিত হয়। পড়ালেখা বাদ দিয়ে পাড়ায় পাড়ায় মাস্তানি করে ঘুরে বেড়ায়। মেয়েদের ইভটিজিং করে। এক বাইকে তিন,চারজন বসে হাইস্পিডে চলে যায়। একটু এদিক সেদিক হয়েছে তারা শেষ। একটি দুর্ঘটনা যেন সারা জীবনের জন্য কান্না। নিজের,পিতা মাতা স্বপ্ন এক নিমিষেই শেষ হয়ে যায়।

আমাদের উচিত পাড়ার ছেলেপেলে গুলোকে বাইক চালানো নিয়ে সতর্ক দেয়া। অনেক ছেলে আসে তারা বাইক ব্যবহারের সময় হেলমেট পরে না, ট্রাফিক আইন মেনে চলতে চায় না।



এই বিষয়গুলো নিয়ে এখনি সবারই সচেতন হওয়া দরকার। যারা এভাবে বাইক কিনে দেন  আমি সমস্ত অভিভাবকদের অনুরোধ করবো, আপনারা আপনাদের সন্তানকে সবসময় খোঁজ রাখুন, কোথাও অযথা ঘুরে বেড়াচ্ছে কিনা, ছেলে মাদকাসক্ত হচ্ছে কিনা, কোন মেয়েকে ইভটিজিং করছে কিনা, খারাপ ছেলে মেয়েদের সাথে মিশছে কিনা এসব বিষয়গুলো সবসময় খোঁজ খবর রাখা দরকার।

Continue Reading