Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

দেশের খবর

ফেব্রুয়ারিতে খুলতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

Eshrad Ahmed

Published

on

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে? আদৌ আগামী বছরে ক্লাসে যেতে পারবো? সকল শিক্ষার্থীর মনেই এই প্রশ্ন। অনলাইন ক্লাস আর কত? এবার শিক্ষামন্ত্রী জানালেন, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্যে মে পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। সেই হিসেবে ফেব্রুয়ারি হতে মে পর্যন্ত ক্লাস চলবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড:দিপুমনি আরও বলেন- সবকিছু অনুকূলে থাকলে সিলেবাস কমিয়ে এনে ২০২১ সালের এস এস সি আর এইচ এস সি পরীক্ষা নেয়া হবে। সম্ভাব্য সময় হিসেবে বলা হয়েছে জুন মাসে এস এস সি আর জুলাই অথবা আগস্টে এইচ এস সি পরীক্ষা নেয়া হবে। এদিকে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করার কাজ চলছে। যদি ফেব্রুয়ারিতে ক্লাস শুরু করা যায় তবেই বোর্ড পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের উপর নেয়া হবে। ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে সিলেবাস সম্পর্কিত বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়ে দেয়া হবে। মঙ্গলবার বিকেলে এক ভিডিও কনফারেন্সে এসব তথ্য জানান তিনি। যদিও সাধারণত ফেব্রুয়ারির একদম শুরুতে এস এস সি আর এপ্রিলে এইচ এস সি পরীক্ষা নেয়া হতো। কিন্তু এবার করোনার ধকল কাটিয়ে উঠতে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে বোর্ড পরীক্ষার সময়। তবে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী তথা পি এস সি আর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট তথা জে এস সি পরীক্ষা নেয়া হবে কিনা সেই বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিকে প্রায় নয় মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে করোনা মহামারির কারণে। অনলাইনের মাধ্যমে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ক্লাস- পরীক্ষা চালিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু বন্ধ রয়েছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। শিক্ষামন্ত্রী বলেন- পরীক্ষা ছাড়া পাশ মানে অটোপাশ দেয়ার কোনো নিয়ম আইনে নেই। কিন্তু একটি বিশেষ রিট জারি করে ২০২০ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা ছাড়াই পাশ দিয়ে দেয়া হবে। এক্ষেত্রে বিবেচনা করা হবে আগের বোর্ডপরীক্ষার ফলাফল। সেইজন্যে রিট তৈরি এবং ফলাফল প্রকাশের কাজ চলছে।

কিন্তু যদি পরিস্থিতি আবার খারাপের দিকে যায়, সেক্ষেত্রে সিদ্ধান্তে বদল আসতে পারে। এ বছরের মার্চের মাঝামাঝি সময়ে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর ধাপে ধাপে বন্ধ বাড়তেই থাকে। মাঝে একবার খোলার সম্ভাবনা থাকলেও পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় বন্ধ বাড়ানো হয়েছিলো। একইভাবে, এবার সবকিছু অনুকূলে থাকলে তবেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

উল্লেখ্য, সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয় মার্চে। এরপর ছুটিআর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয় মে মাসের শেষের দিকে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে ধীরে ধীরে অফিস- আদালত, সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, মার্কেট, রেষ্টরেন্ট, শপিং মল খুললেও বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এদিকে স্কুল- কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলেও সামাজিক দূরত্ব আর স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। তবে সব পরিস্থিতি বিবেচনা করে তবেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত করা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

Advertisement
8 Comments

8 Comments

  1. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    December 30, 2020 at 7:07 pm

    করোনা ভাইরাস যা আছে সব স্কুল কলেজেই ঢুকে বসে আছে।

  2. Eshrad Ahmed

    Eshrad Ahmed

    December 30, 2020 at 9:00 pm

    আপনার মতামত জানানোর জন্যে ধন্যবাদ

  3. Niloy Hossen

    Niloy Hossen

    December 31, 2020 at 9:10 am

    good

  4. Eshrad Ahmed

    Eshrad Ahmed

    December 31, 2020 at 10:16 am

    Thanks

  5. Puspita Helal

    Puspita Helal

    December 31, 2020 at 2:46 pm

    সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিলেই হয়

  6. Eshrad Ahmed

    Eshrad Ahmed

    December 31, 2020 at 3:06 pm

    Hmm.

  7. Masud rana

    Masud rana

    January 2, 2021 at 12:19 pm

    Hmm

  8. Eshrad Ahmed

    Eshrad Ahmed

    January 2, 2021 at 1:20 pm

    ধন্যবাদ

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

দেশের খবর

করোনা মোকাবেলায় টিকা আনার উদ্যোগ নিয়েছে দূতাবাসগুলো

Eshrad Ahmed

Published

on

গত বছরের শেষে এখনো আলোচনায় করোনা এবং করোনা টিকা। এখনো দেশে টিকা এসে পৌছায়নি। স্কুল- কলেজ বন্ধ রয়েছে অনেক দিন হলো। এর মধ্যে ঢাকায় অবস্থিত বিদেশী দূতাবাসগুলো টিকা আনার অনুমতি চেয়ে চিঠি দিয়েছে সরকারকে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- নিয়ম মেনে টিকা আনলে কোনো বাঁধা প্রদান করা হবে না।

 

এদিকে রাশিয়ার সরকার ঢাকায় অবস্থানরত রাশিয়ান নাগরিকদের টিকা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যে রুশ দূতাবাস এই তথ্য নিশ্চিত করে সরকারকে চিঠি দিয়েছে। যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসও একই ধরণের পদক্ষেপ নিতে সরকারের অনুমতি চেয়েছে। এছাড়া বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের কর্মচারীদের জন্যেও টিকা আনার উদ্যোগ নিয়েছে।

 

এসব টিকা বা ওষুধ আনার অনুমতি দিয়ে থাকে ওষুধ অধিদপ্তর। তারা জানিয়েছে- স্বাস্থ্য ভন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রুশ দূতাবাসের আবেদনপত্র তারা পেয়েছেন। এখন নিয়ম মানার শর্তে তারা টিকা আনার বিষয়ে আপত্তি করবেন না বলে জানান ওষুধ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

 

অন্যদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে- দূতাবাসে কর্মরত এবং রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অবস্থানরত রাশিয়ান নাগরিকদের জন্যে রুশ দূতাবাস রাশিয়ায় উদ্ভাবিত স্পুতনিক ভি টিকা আনাতে চায়। এইজন্য তারা আবেদন করেছেন।

 

সাধারণত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদনপ্রাপ্ত টিকা আনাতে সহজেই অনুমোদন দিয়ে থাকে ওষুধ প্রশাসন। কিন্তু রুশ বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত টিকা সেই অনুমোদন পায়নি। যদিও রাশিয়া, বেলারুশসহ একাধিক দেশে এই টিকা ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানা গেছে। তাহলে এই টিকা আদৌ এই দেশে অনুমোদন পাবে কিনা সেটা এখনো স্পষ্ট নয়।

 

রুপপুর পারমানবিক কেন্দ্রে আনুমানিক ১২ হাজারের মধ্যে চার হাজার রাশিয়ান, পাঁচ হাজার বাংলাদেশি আর বাকি ভারতীয় নাগরিক নিয়োজিত আছেন। এখন রুশ সরকার কি সবার জন্যই টিকা দিতে চায় নাকি শুধু রাশিয়ানদের জন্যে সেটা এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।

 

এদিকে টিকা এলে তা কিভাবে সংরক্ষণ করা হবে এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তা মোকাবেলায় কি উদ্যোগ নেয়া হবে, কি ব্যবস্থা রাখা হবে সেই বিষয়ে সরকারের সাথে আলোচনায় বসতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়া চীন দেশের অনেক নাগরিক বড় বড় প্রকল্পে এই দেশে কাজ করছেন। তাদের জন্যে চীনা দূতাবাসও টিকা আনাতে চায় কিনা সেই বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। এছাড়া ব্রাক তার কর্মীদের জন্যে টিকা আনার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে সরকারের কাছে। এই পর্যন্ত অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকা ভারত থেকে আনার অনুমতি পেয়েছে বেক্সিমকো যা দেড় কোটি মানুষকে দেবার পরিকল্পনা আছে সরকারের।

 

বেসরকারিভাবে টিকা আনার নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। নীতিমালায় টিকা দেয়ার প্রক্রিয়া এবং দামসহ উল্লেখ থাকবে। টিকা আমদানি করা নিয়ে নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। সবকিছু নিয়ম মেনেই পরিচালনা করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

Continue Reading

দেশের খবর

চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনা “কোরাইলার মুখ” যেন এক ভয়ংকর মৃত্যুফাঁদ

Kahhar Siddiquee Nayeem

Published

on

“চাঁদপুর ট্রায়াঙ্গেল” এই ভয়ঙ্কর মৃত্যুকূপে পড়লে আর হদিস মেলে না। ছোটবেলা থেকেই শুনেছিলাম বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের কথা। যাওয়া হয়নি কখনো আটলান্টিক মহাসাগরে। কিন্তু দেখলাম চাঁদপুর ট্রায়াঙ্গেল চারপাশ থেকে প্রবাহিত তীব্র স্রোত মাঝে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণপাক। ভয়ঙ্কর  এই ঘূর্ণিপাকে কিছু পড়লে তার হদিস মেলে না। এমনকি বড় বড় যাত্রীবাহী লঞ্চও তলিয়ে গেছে এখানে। যেগুলো সন্ধান কোনদিনই আর পাওয়া যায়নি।

তিন নদীর মোহনা

বলছি চাঁদপুর তিন নদীর সঙ্গমস্থলের কথা। স্থানীয়ভাবে “কোরাইলার মুখ” নামে পরিচিত। পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদী এসে মিলেছে এখানে। নদীগুলো তিন দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে মিশে যায়; সেখানে পানির বিশাল এক গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই ট্রাইএংগেলে পড়ে নিখোঁজ হয়েছে শত শত মানুষ, লঞ্চ, মালবাহী ট্রলার। তিন নদীর সঙ্গমস্থল যেন এক ভয়ঙ্কর মৃত্যুফাঁদ। মোহনাটি নদীর একেবারে তীরে অবস্থিত। সাধারণত নদীর তীর ওতটা গভীর হয়না।  তবে আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, নদীর তীরে হওয়া সত্ত্বেও এই মোহনা অনেক গভীর। বর্ষাকালে এটি রূপান্তরিত হয় মৃত্যুকূপে। এই মোহনা নিয়ে লোকমুখে অনেক গল্প প্রচলিত রয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কাউন্সিলর বলেন, দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। জেলে নৌকা, মাল বোঝাই ট্রলার ও যাত্রীবাহী ট্রলার দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। আমরা এসব দুর্ঘটনা এড়াতে সর্বদা কাজ করছি। তিনি বলেন, যতদিন নদীর বিপরীত পাশগুলো খনন করা না হবে ;ততদিন এখানে স্রোত কমবে না. স্রোতের কারণে শহররক্ষা বাঁধও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। স্রোতের গতিপথ পরিবর্তন হলে এখানে দুর্ঘটনা কমে আসবে। এদিকে বিপরীত পাশে চর জেগে উঠায় পদ্মা নদীতে ইঁলিশ ঢুকতে পারছে না। ইঁলিশের চাহিদা হুমকিতে রয়েছে। সব সময় প্রবল ঘূর্ণিঝড় যেতে থাকে, যার কারণে নৌযানগুলো দুর্ঘটনার শিকার হয়। এখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলেই আমরা সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করি। ঝুঁকি কমাতে এই স্থানের সর্তকতা জারি করা হয়। 

সর্বোপরি, বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী-বন্দর চাঁদপুরের এই “কোরাইলার মুখ” টি জনগণের জন্য এক আতঙ্কের নাম,  তা বলাই যায়। 

আগের আর্টিকেলটি পড়তে ক্লিক করুন।

Continue Reading

দেশের খবর

নতুন বছর উদযাপনে আনন্দের বন্যা

Eshrad Ahmed

Published

on

শেষ হয়ে গেলো আরেকটি বছর। অবশেষে বিদায় নিলো ২০২০। অনেকে একে অঘটনের বছরও বলছেন। সে যাই হোক, নতুন বছর চলে এসেছে। প্রতিবারের মতো এবারও আনন্দের ছাপ ছিলো চারদিকে। যদিও সীমিত পর্যায়ে সব আয়োজন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
 
বলা হয়ে থাকে, নতুন মঙ্গলের বার্তা বয়ে আনে। সেই সুন্দর দিনের আশাতেই সবাই মিলে বরণ করে নিয়েছে ইংরেজি নতুন বছর ২০২১কে। সময়টা কেমন যাবে, ভালো কি মন্দ, সেই হিসেব আপাতত তোলা থাক। তবে জনসমাগম নিষিদ্ধ করাসহ ইংরেজি নববর্ষ পালনে বেশ কিছু নিয়ম জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। তা সত্ত্বেও আনন্দ করতে তো আর বাঁধা নেই! ফানুস, আতশবাজি, পটকাসহ আলোর ঝলকানিতে সারা আকাশ ঝলমল করছিলো!
 
বিভিন্ন পাবলিক এরিয়া বা জায়গাগুলোতে জনসমাগম আর উৎসব, অনুষ্ঠান পালনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বাড়ির ছাদ তো রয়েছে। সেখানে থেকেই রাজধানী শহরের বেশিরভাগ বাসিন্দাদের আনন্দ করতে দেখা গেছে। তবে তাদের বক্তব্য ছিলো- এবার অন্যবারের তুলনায় কম শোরগোল ছিলো। বিগত বছরগুলোতে নাকি আরও বেশি মজা হতো। সেটা হতেই পারে কারণ মহামারির আতঙ্ক এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তাছাড়া সাবধানতা অবলম্বনের কোনো বিকল্প হতে পারে না।
 
সীমিত পর্যায়ে হলেও একটা খুব বাজে সময় পার করার পর সবার মনই যেন একটুখানি আনন্দ করতে চাইছিলো। খুশি হতে চাইছিলো। তাই এবারে যে যার যার মতো করে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে।এছাড়া বারবিকিউ পার্টি, নাচ, আড্ডা, চড়ুইভাতি, বনভোজন আর বছর শেষে ঘুরতে যাওয়া তো আছেই। বড় বড় হোটেল, রেষ্টুরেন্ট, কফিশপ আর ফুডকোর্টগুলোতে আজকে লোকসমাগম ছিলো। তারাও বলছেন- বিগত বছরগুলোতে আরও বড় করে আয়োজন করা হতো। এবারে স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে স্বল্প পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে। এমনকি বছর শেষে বিক্রি নিয়ে খুব বেশি সন্তুষ্ট নয় বিক্রেতারা। যদিও গত বছর অনেকটা সময় ছুটি বা বন্ধের মধ্য দিয়ে কেটেছে। তাই নতুন করে শীতের ছুটির আমেজ এবার আর পাওয়া যাচ্ছে না। তাছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাতে বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হবার পর ছুটির মজা, গ্রামে যাওয়া, নতুন ক্লাস, নতুন বই এসবের আনন্দ কিছুটা মলিন হয়ে গেছে। তবুও স্বস্তি পেতে চাইছে যেন সবার মন।
 
কথায় আছে- সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। অনেকগুলো দুঃসংবাদ আর অনেক খারাপ সময় পেরোনোর পর অবশেষে নতুন বছর এসেছে। এই বছরে যাতে মহামারির প্রকোপ থেকে পৃথিবী মুক্তি পেতে পারে এটাই সবার চাওয়া। অনেকে বলছে- মানুষ সামাজিক জীব। সেই হিসেবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাটা কারোর জন্যেই সহজ নয়। এমনকি স্বাভাবিক জীবনের ধারাটাও বদলে গেছে এই চলমান মহামারির কারণে। পুরো বছর জুড়েই চাকরি হারানো, লোকসান আর মৃত্যুর খবরে সয়লাব ছিলো পত্রিকার পৃষ্ঠাগুলো!
 
সবশেষে এতকিছুর পরেও সবার চাওয়া এটাই যে, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক পৃথিবী আর আমরা সবাই যেন আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারি!
 
সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট