grathor-ads

বর্তমানে সবথেকে লাভজনক ১০ টি গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের ভিতরে আপনাদের সাথে আমি গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করব। তাহলে আসুন আজকে আমরা আমাদের এই আর্টিকেলের ভিতরে জেনে নেই গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে A TO Z বিস্তারিত সকল তথ্য।


📢 Promoted post: বাংলায় আর্টিকেল লেখালেখি করে ইনকাম করতে চান?

১. বিউটি পার্লার

আপনারা যদি সৌখিন হয়ে থাকেন আর গ্রামে বসেই ১টি স্মার্ট ব্যবসা শুরু করে দিতে চান তাহলে কিন্তু আপনাদের জন্য বিউটি পার্লার হতে পারে প্রথম পছন্দ।

👉Read more: ফুল নিয়ে ক্যাপশন (সাদা ফুল, কৃষ্ণচূড়া ফুল, সূর্যমুখী, সরষে ফুল, রঙ্গন ফুল) উক্তি, স্ট্যাটাস

আমি দেখেছি যে গ্রাম এর বিয়েতে মেয়েরা অনেক দূর হতেই বিউটি পার্লার এর কর্মী বাড়িতে এনে থাকে আর তারপরে নিজেদের সৌন্দর্যের কাজ করে থাকে। সেই ক্ষেত্রে যিনি সাজিয়ে দিতে আসে তার আসা যাওয়ার ভাড়া সহ দেওয়া লাগে আর তার কাজের মজুরি তো দিতেই হয়।

আপনারা একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখেন আপনারা যদি কয়েকটা গ্রাম টার্গেট করে তারপরে আপনার গ্রামে ১টি বিউটি পার্লার দিতে পারেন তাহলে এই বিষয়টা কি রকমের হয়। সেবা আর মান ঠিক যদি রাখতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনারা অনেক কম সময়ের ভিতরেই আপনাদের ব্যবসার সুনাম ছড়িয়ে যাবে সকল দিকে।

grathor-ads

২. দর্জির ব্যবসা

দর্জির ব্যবসা হল কিন্তু ১টি পুরাতন ব্যবসা। অতীতে ও এর থেকে শক্ত অবস্থান ছিল, বর্তমান সময়ে কিন্তু এখন এরকমের আছে। আপনারা ইচ্ছা করলে কিন্তু, গ্রামে বসেই ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন।
কারন হল মানুষেরা মানুষ বেঁচে থাকলে জামা-কাপড় পড়তে হবেই। আপনারা নিজেরা যদি কাজ না জেনে থাকেন, তাহলে কর্মচারী রেখে দিতে পারেন। আর তাছাড়া ও কিন্তু, জামা কাপড় সেলাই এর সাথে সাথে আপনারা নতুন জামা কাপড় বিক্রি করার কাজ ও করতে পারেন।

৩. মেমরি কার্ড লোড এর দোকান দিতে পারেন

গ্রামের ভিতরে অনেক ছেলে মেয়ে আছে যারা তাদের মোবাইল ফোন এর ভিতরে গান লোড করে থাকে। আর তার কারন হল গ্রামে কিন্তু ওয়াইফাই নেই যে তারা ওয়াইফাই ব্যাবহার করবে। আর তাই আপনারা কিন্তু এই Problem টা সমাধান করার জন্য বিজনেস শুরু করে দিতে পারেন।
আবার অনেকে আছে যাদের কাছে স্মার্ট ফোন নেই তারা সাধারন মোবাইল ফোন ব্যাবহার করে মানে বাটন ফোন ব্যাবহার করে থাকে।

📢 Promoted Link: Unlimited Internet Package Teletalk 2022 3G, 4G

আপনারা এই বিজনেস করতে চাইলে একটা দোকানের দরকার হবে আর একটা কম্পিউটার এর দরকার হবে। আর তারা কিন্তু ইচ্ছা করলে এমবি কিনে গান লোড দিতে পারবে না। আর তাই সেই জন্য কিন্তু তাদেরকে আপনাদের কাছে আসা লাগবেই।

আপনারা আপনাদের কম্পিউটার এর ভিতরে ভিডিও গান, Audio Song, Movie, Natok,Game,Cartoon ,Funny Video, গজল , ওয়াজ। এক কথায় যদি বলি বিনোদন এর জন্য যা আছে আরকি সব কিছু আপনারা আপনাদের কম্পিউটার এর ভিতরে রাখবেন।

১০০০ জিবি এর Hard Disk এর ভিতরে যদি রাখেন তাহলেই হবে। আর আপনারা এই সকল কিছু একেবারে লোড দিয়ে আনতে পারবেন কিন্তু অনেক কম টাকার বিনিময়ে। আর তারপরে কেউ যখন আপনাদের কাছে আসবে মোবাইল ফোনে মানে মেমরি কার্ডের ভিতরে গান বা অন্য কিছু লোড করতে তখন আপনারা সেটা তাদেরকে দিয়ে দিবেন।

আপনাদের কাছে তারা এসে যা যা ভরে দিতে বলবে আপনারা দিবেন। আর আপনারা প্রতি জিবি মেমরি লোড এর জন্য কিন্তু ২০ টাকা করে নিতে পারেন। কেউ যদি ৫ জিবি লোড করে নিয়ে থাকে তাহলে আপনারা তার কাছ থেকে ১০০ টাকা নিবেন , এইভাবেই কিন্তু আপনাদেরকে এই কাজটা করা লাগবে।

কেউ যদি বলে mp3 দিতে তাহলে তাদের mp3 দিবে আর যারা hd মানে mp4 চাইবে তাদেরকে সেটা দিবেন। আর আপনারা যদি প্রতিদিন ১০০ জিবি করে লোড দিয়ে দিতে পারেন , তাহলে কিন্তু খুব সহজেই আপনাদের প্রতিদিন ২০০০ টাকা রোজগার হয়ে যাবে। আর প্রতি মাস শেষে দেখা যাবে যে ,অনায়াসেই ৬০,০০০ টাকা হয়ে যাবে।

আর হে একটা কথা আপনারা এটা আবার ভাববেন না যে, আপনি একজনকে মনে করুন ১০ টা ছবি দিলেন আর তারপরে সেইগুলো আর কাউকে দিতে পারবেন না। আপনারা যদি এটা ভাবে থাকেন তাহলে কিন্তু আপনারা ভুল করবেন।

কারন হলে আপনারা একই জিনিস বার বার একেক জনকে দিতে পারবেন। আপনারা একটা গান কিন্তু চাইলে ১০০ জন কেও দিতে পারবেন, কোন সমস্যা নেই। আশা করি যে, আপনারা এই বিষয়টা একেবারে ক্লিয়ার হয়ে গেছেন। আর যদি কোথায় ও বুজতে সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানিয়ে দিতে পারেন।

৪. অটো গাড়ি ভাড়া দিতে পারেন

আপনাদের কাছে যদি বেশি পরিমানে টাকা থাকে তাহলে আপনারা অটো গাড়ি কিনে সেটাকে ভাড়া দিতে পারেন। আপনারা যদি ৫ টা গাড়ি কিনেন, আর প্রতি গাড়ি থেকে যদি ৭০০ টাকা করে ও নেন তাহলে কিন্তু প্রতি মাসে ৩৫০০০ টাকা পেয়ে যাবেন।

তবে একটা কথা হল এখানে এই বিজনেস করতে হলে আপনাদের অনেক বেশি মূলধন এর দরকার হবে। একটা অটো গাড়ি যদি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা লাগে কিনতে তাহলে কিন্তু ৫ টা গাড়ি কিনতে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা লেগে যাবে।

১টা কথা সত্যি যে আপনারা যদি কিছু পেতে চান তাহলে আপনাদেরকে কিছু দিতে হবে। দুনিয়াটাই হল, Give And Take. কিছু দিবেন তাহলেই আপনারা কিছু পাবেন। আর আপনাদের কাছে যদি এতো টাকা না থাকে,তাহলে আপনারা প্রথমে ১টা বা ২টা কিনে নিতে পারেন। তারপরে আস্তে আস্তে টাকা জমিয়ে গাড়ির সংখ্যা বাড়াতে পারেন।

৫. জুতার বিজনেস শুরু করতে পারেন

গ্রামের মানুষেরা কিন্তু বেশির ভাগ দেখা যায় যে , জুতা কেনার জন্য শহরে গিয়ে থাকে। আর তার কারন হল যে, গ্রামে সে রকম ভাবে ভাল কোন দোকান না থাকার কারনে। আর তাই আপনারা যদি গ্রামে একটি ভাল জুতার দোকান দিতে পারেন তাহলে কিন্তু বেশ ভালোই চলবে।

আর আপনারা দোকানের সামনে একজন বা ২ জন মুচি রেখে দিতে পারেন তাহলে কিন্তু সেখান থেকে ও কিছু টাঁকা আসবে। আর আপনারা মুচিদেরক প্রতি মাসে অল্প কিছু টাকা দিয়ে দিলেই হবে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা দিয়ে দিলেই হবে। গ্রামে কিন্তু অনেকেই আছেন যারা জুতা সেলাই করে থাকে আর তাই আপনারা কিন্তু ইচ্ছা করলে জুতা বিক্রি করার সাথে সাথে জুতা সেলাই করার বিজনেস ও শুরু করে দিতে পারেন।

৬. ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র সারতে পারেন

গ্রাম আর তার সাথে সাথে কিন্ত ছোট শহরে ইলেকট্রনিক জিনিস এর ব্যবহার করার পরিমান আস্তে আস্তে বেড়েই যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই কিন্ত সেই সমস্ত জিনিস খারাপ হয়ে গেলে মানুষদেরকে শহরে যাওয়া লাগে মেরামত করার জন্য। আপনারা যদি কাজ শিখে থাকেন তাহলে কিন্তু উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিয়ে আপনাদের গ্রামেই এ রকমের ১টি দোকান খোলেন তা হলে ভাল লাভ হবার সম্ভাবনা আছে।

৭. জৈব চাষ

মানুষদের ভিতরে কিন্তু পরিবেশ সচেতনতা আর স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাবার সাথে সাথেই বেড়ে যাচ্ছে জৈব কৃষিজাত পণ্য এর চাহিদা। আপনাদের গ্রামে খুব অল্প জায়গার ভিতরেই কিন্তু এই ব্যবসা শুরু করে দিতে পারবেন। আর তার জন্য কিন্তু খুব বেশি পুঁজির ও কোন ও দরকার নেই।

৮. বেকারির ব্যবসা

পাঁউরুটি কিন্তু এখন প্রায় সব বাড়িতেই খেয়ে থাকে আর তা খুব বেশি দিন রেখে দিয়ে সেটাকে খাওয়া যায় না। আর তাই আঞ্চলিক ভাবে কিন্তু পাঁউরুটি বানালে এলাকা এর চাহিদা মেটানো যেতে পারে। টাটকা পাঁউরুটি সরবরাহ যদি করতে পারেন তাহলে কিন্তু আর মানুষেরা বাহিরের পাউরুটি গিয়ে কিনবে না।

আর তার সাথে সাথে কেক, বিস্কুট ইত্যাদি ও বানানো শুরু করে দিতে পারেন। আর এটা কিন্তু ১টি উত্পাদনমুখী ব্যবসা হবার কারনে প্রাথমিক বিনিয়োগ খানিক অনেকটাই বেশি। ১টি কারখানা তৈরি আর তাতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি রাখা লাগবে। তবে ১ বার ব্যবসা চালু যদি হয়ে যেতে পারে তাহলে কিন্তু প্রচুর পরিমানে লাভ হতে থাকবে এই বিজনেস থেকে।

৯. কাঁচামাল ব্যবসা

ঢাকা শহর এর প্রায় সকল ধরনের কাঁচামাল আর সবজি কিন্তু গ্রাম হতেই আসে। আর তাই, আপনারা যদি গ্রামেই থাকেন তাহলে কিন্তু , এটা আপনাদের জন্য সবথেকে উত্তম ব্যবসা হবে।

আপনারা ইচ্ছা করলে কিন্তু গ্রাম হতে পাইকারি কিনে গ্রামেই খুচরা ব্যবসা করা শুরু করে দিতে পারেন। শহর এর সঙ্গে ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা যদি থাকে, তাহলে কিন্তু শহরের পাইকারি দরে কাঁচামাল বিক্রি করার কাজ শুরু করে দিতে পারেন। স্বল্প পুঁজিতেই কাঁচামাল ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন।

১০. চা-শিঙাড়ার দোকান দিতে পারেন

আপনারা যদি গ্রামে বসে বিজনেস করতে চান তাহলে কিন্তু এই বিজনেসটা শুরু করে দিতে পারেন, গ্রামে বসে যদি এই বিজনেস করেন তাহলে কিন্তু বেশ ভাল ভাবেই চলবে এই বিজনেস। অনেকেই আছে যারা দোকানে গিয়ে চা সিঙ্গারা খেতে পছন্দ করেন। তারপরে আপনারা কিন্তু চা সিঙ্গারার সাথে সাথে অন্য খাবারে আইটেম ও রাখতে পারেন।

আমাদের শেষ কথা

তাহলে আমাদের আজকের এই আর্টিকেলর ভিতরে আপনাদের সাথে আমি যে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করলাম সেটা হল, গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া গ্রামে বসে আপনারা কি কি ব্যবসা করতে পারবেন সেই বিষয় নিয়েই আপনাদের সাথে আমি আজকে আলোচনা করলাম।

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি কেমন লেগেছে সেটা কমেন্ট করে জানাবেন আর আমাদের লেখার ভিতরে কোন কিছু বুজতে না পারেন তাহলে সেটা আমাদেরকে কমেন্ট করে জানিয়ে দিতে পারেন, আমরা সেটার উত্তর দিয়ে দিব।

Related Posts

6 Comments

মন্তব্য করুন