Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ক্রিকেট

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান

MST.REKHA KHATUN

Published

on

বাংলার নবাব,বাংলার অহংকার, ক্রিকেটের রাজ্য জয় করে আনা, তার নাম সাকিব আল হাসান। বিশ্বের সেরা ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে জ্যাক ক্যালিস কিংবা শচীন টেন্ডুলকারের মতো খেলোয়াড় ১০০ বছরে একবার জন্মায়। কিন্তু সাকিবের মতো খেলোয়াড় ১০০০০ বছরে একবার জন্মায়।

শুধু বাঙালিদের কাছে সাকিব বেয়াদব সার্থপর আর‌ও অনেক কিছু। কিন্তু ভিনদেশিদের কাছে ছেলেটা প্রসংশায় উচ্চমুখ।

 

ব্যাক্তিগত পরিচয়:



২৪শে মার্চ ১৯৮৭ সালে মাগুরা জেলায় জন্মগ্রহণ করে। পূর্ণনাম: সাকিব আল হাসান। ডাকনাম : সাকিব, ফয়সাল,ময়না।

উচ্চতা: ৫ফুট ৯ইন্চি।

 

জাতীয় দলে অভিষেক:

টেস্ট অভিষেক: ১৮ই মে ২০০৭ বনাম ভারত।

শেষ টেস্ট খেলেছেন: ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৯ বনাম আফগানিস্তান।

 

ওডিআই অভিষেক: ৬ই আগস্ট ২০০৬ বনাম জিম্বাবুয়ে।

শেষ ওডিআই ম্যাচ খেলেছেন: ১০শে অক্টোবর ২০১৯ বনাম আফগানিস্তান।

 

T20 অভিষেক: ২৮শে নভেম্বর ২০০৬ বনাম জিম্বাবুয়ে।

T20 শেষ ম্যাচ খেলেছেন: ১৮ই অক্টোবর ২০১৯ বনাম আফগানিস্তান।

 

খেলোয়াড় জীবনে ব্যাটিং পরিসংখ্যান::

 

টেস্ট:ম্যাচ:৫৫ রান:৩৮০৭ ব্যাটিং গড়:৩৯.৬৫। ১০০/৫০: ‌৫/২৩ সর্বোচ্চ রান:২১৭।

ওডিআই: ম্যাচ: ২০৬ রান:৬,৩২৩ ব্যাটিং গড়:৩৭.৮৬ ১০০/৫০:৯/৪৭ সর্বোচ্চ রান:১৩৪*।

T20: ম্যাচ:৭২ রান:১,৪৭১ ব্যাটিং গড়: ২৩.৩৪ ১০০/৫০:০/৬ সর্বোচ্চ:৮৪।

 

খেলোয়াড় জীবনে বলিং পরিসংখ্যান::

 

টেস্ট: ম্যাচ: ৫৫ উইকেট: ২০৫ বোলিং গড়:৩১.৩৯ 5উইকেট: ১৮বার ১০উইকেট: ২বার সেরা বোলিং: ৭/৩৬।

ওডিআই: ম্যাচ: 206 উইকেট:২৬০ বোলিং গড়: ৩০.২১ 5উইকেট: ২বার সেরা বোলিং: ৫/২৯।

T20: ম্যাচ:৭২ উইকেট: ৮৮ বোলিং গড়: ২১.১৭ ৫উইকেট:১ বার সেরা বোলিং: ৫/২০।

সাকিব আল হাসান একজন যোদ্ধা। তিনি প্রতিবাদি। সাকিব দূরনিতির বিপক্ষে প্রতিবাদ করলে সে খারাপ।

সাকিব যদি খেলা না করে তাহলে তার চলবে। কিন্তু সে তো সেটা করে না, সে কিন্তু খেলা চালিয়ে যাচ্ছে। তার একটাই আশা,২৩ বিশ্বকাপ টা যেনো ভালোভাবে পার করতে পারে।আর একটা জয় ছিনিয়ে আনতে পারে।

গত বঙ্গবন্ধু টুর্নামেন্ট এ খারাপ খেলার জন্য সবাই সাকিব কে গালিগালাজ করছে। কিরন্তু শকুনের অভিশাপে তো গরু মরে না।

সাকিব দীর্ঘ ১বছর না খেলার জন্য খারাপ খেলছে।সে তো ভালো করার চেষ্টা করছে।ব্যাটে খারাপ খেললেও বলে ভালো করেছে। উইকেটে না পেলেও বোলিং ইকোনমি ভালো।

গত বিশ্বকাপে সাকিব যেটা করেছে , সেটি কারোর মনে নেই। সাকিব বিশ্বসেরা ১নং অলরাউন্ডার। আমরা তো শোভাগ্গো, মে কিনা আমাদের দেশে একজন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব।

সাকিব কে নিয়ে সবাই বাজে মন্তব্য করে। সাকিব প্রতিবাদ করে এজন্য কী সাকিব বেয়াদব। সাকিব মাঠে প্রতিবাদ করে এজন্য কী সাকিব বেয়াদব। আমরা মানুষ, এজন্য অন্যের ভালো দেখতে পারি না।

সাকিব আল হাসান রাজা,সে আবার ক্রিকেটে এ ফিরছে, তার রাজ্য দখল করার জন্য। সাকিব তুমি এগিয়ে যাও, আমরা তোমার পাশে ছিলাম,আছি আর থাকবো।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

ক্রিকেট

এক নজরে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেটের ২০২১ সালের ব্যস্তসূচী।

Mojammal Haque

Published

on

বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম চলতি ২০২১ সালে অন্তত ১৫টি ওডিআই ও ৩১টি টি-২০ ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে ৩ টি ওডিআই ম্যাচ। এর বাইরেও আরো বেশকিছু দ্বিপাক্ষিক সিরিজ রয়েছে যা বিসিবি আয়োজন করতে যাচ্ছে।

আসুন এবার দেখে নিই চলতি ২০২১ সালে ওয়ানডে ও টি-২০ ম্যাচের তালিকাঃ

জানুয়ারি- ফেব্রুয়ারিঃ
নিজেদের ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩টি ওয়ানডে যা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি- মার্চঃ
সুদুর তাসমান পাড়ে নিউজিল্যান্ডে ৩টি ওডিআই ও ৩টি টি-২০ ম্যাচ খেলতে গতকালই নিউজিল্যান্ডের ক্রাইজচার্জে পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।



এপ্রিলঃ
নানা জল্পনা কল্পনা ও নাটকীয়তা শেষে অবশেষে এপ্রিলে ৩টি ওডিআই ম্যাচ খেলতে শ্রীলঙ্কা যাবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

মেঃ
এপ্রিল মাসের মধ্যে শ্রীলঙ্কা সিরিজ শেষ করে টিম ফিরে আসবে দেশের মাটিতে। তারপর মে মাসের মাঝামাঝি শ্রীলংকার বিপক্ষে আবারো ঘরের মাটিতে ৩টি ওডিআই ম্যাচের আয়োজন করবে বিসিবি।

জুনঃ জুন মাসে বসবে এশিয়া মহাদেশীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর এশিয়া কাপ।

জুন-জুলাইঃ
ছোট্ট একটা বিরতি শেষে জিম্বাবুয়ে সফর করবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। তাদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ একটি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সেখানে থাকবে ৩টি ওডিআই, ৩টি টি-২০ ও ২টি টেস্ট ম্যাচ।

সেপ্টেম্বরঃ
সেপ্টেম্বর মাসে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে আথিতেয়তা দেবে বাংলাদেশ। তাঁদের বিপক্ষে ৩টি টি-২০ ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর-অক্টোবরঃ
অস্ট্রেলিয়ার সাথে টোয়েন্টি সিরিজ শেষ করতে না করতেই ইংল্যান্ড দল আসবে বাংলাদেশে। তাঁদের বিপক্ষে ৩টি ওয়ানডে ও ৩টি টি-২০ খেলবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

অক্টোবর- নভেম্বরঃ
টি-২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা রয়েছে ভারতের মাটিতে। অন্তত ৮টি টি-২০ ম্যাচ খেলার আশা করতেই পারে বাংলাদেশ।

নভেম্বর- ডিসেম্বরঃ
টি-২০ বিশ্বকাপ শেষ করে নিজেদের মাটিতে পাকিস্তানকে আথিতেয়তা দেবে বাংলাদেশ। তাদের বিপক্ষে বাংলাদেশ খেলবে ৩টি টি-২০ ও ২টি টেস্ট ম্যাচ।

শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Continue Reading

ক্রিকেট

সবথেকে আন্ডাররেটেড ক্রিকেটার – ডেমিয়েন রিচার্ড।

Jawadur Rafid

Published

on

ডেমিয়েন রিচার্ড মার্টিন

 

অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের ৩৫৩তম টেস্ট ক্রিকেটার “ডেমিয়েন রিচার্ড মার্টিন”

১৯৯২ সালের নভেম্বরের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে জাতীয় দলে অভিষেক, অভিষেকের দুই বছর পড়েই দল থেকে বাদ পড়া এবং ২০০০ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের বাইরে থাকা। দেখতে গেলে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুটা সুখকর ছিল না।



তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি ছিলেন অদম্য। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অভিষেক মৌসুমেই ৫২ গড়ে ৮২২ রান করে নির্বাচকদের নজরে এসেছিলেন। ১৯৯৪ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সেই ওয়েস্টার্ন এর অধিনায়কত্ব পান। ঘরোয়া লীগে তার নামের পাশে রয়েছে ৩ টি শেফিল্ড শিল্ড ট্রফি এবং ৩ টি ওয়ানডে কাপ ট্রফি। ক্যারিয়ার শেষে তার সংগ্রহে ছিল ২১৪ প্রথম শ্রেণির ম্যাচে প্রায় ৫০ গড়ে ১৪,৬৩০ হাজার রান। সাথে ৪৪ শতক এবং ৭৩ অর্ধশতক। সর্বোচ্চ ইনিংস ২৩৮। লিস্ট এ ক্যারিয়ারে ২৯৯ ম্যাচে করেছেন ৮,৬৪৪ রান। গড় প্রায় ৪৩। ৬১ টি ফিফটির পাশাপাশি রয়েছে ১০ টি সেঞ্চুরি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার স্বর্ণযুগটা শুরু হয় ২০০০ সালের পরে। এসময় তিনি তার ব্যাটিং টেকনিকে কিছু পরিবর্তন আনেন এবং অফসাইডে শট খেলার দিক থেকে সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানরুপে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। এতেই ধরা দেয় সাফল্য। অভিষেকের প্রায় ৯ বছর পরে, অর্থাৎ ২০০১ সালে তিনি তার প্রথম টেস্ট শতকের দেখা পান। সেই বছরে উইজডেনের নির্বাচিত সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন ডেমিয়েন মার্টিন। এরপর তাকে আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০০৬ সালে অবসরের আগ পর্যন্ত ছিলেন জাতীয় দলের নিয়মিত মূখ।

জাতীয় দলের হয়ে ৬৭ টেস্ট ম্যাচ খেলা এই ব্যাটসম্যানের মোট রান ৪,৪০৬। গড় ৪৬.৩৭। টেস্ট ক্যারিয়ারে মোট ১৩ টি সেঞ্চুরির সবকটিই এসেছে ক্যারিয়ারের শেষ ৫ বছরের।
ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২০৮ ম্যাচে ৪১ গড়ে করেছেন ৫,৩৪৬ রান। যার মধ্যে ৪৭ টি ফিফটি এবং ৫ টি সেঞ্চুরি রয়েছে।
কোন আন্তর্জাতিক টি২০ না খেললেও ২০১০ আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

পুরো ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ৩৩,০০০ এর বেশি রান, ৭২ সেঞ্চুরি এবং সব ফরমেটে ৪০উর্ধ গড়ের মালিক এই ক্রিকেটারের জন্ম হয় ১৯৭১ সালের ২১এ অক্টোবর। তার জন্মস্থান অস্ট্রেলিয়ার নর্দান টেরিটোরির ডারবিন শহরে। তবে মাত্র তিন বছর বয়সে তিনি পরিবারসহ ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহরে চলে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করেন গিরাওহেন সিনিয়র স্কুল থেকে। সেখানেই তার ক্রিকেটে হাতেখড়ি হয় এবং তিনি এডিলেড ক্রিকেট একাডেমিতে ভর্তি হন। এরপর তিনি আবার পার্থে ফিরে আসেন এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার মাধ্যমে তার ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিষেক হয়।
বর্তমানে তিনি ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

Continue Reading

ক্রিকেট

সৌম্য সরকারকে কেন ৭ নাম্বারে ব্যাটিং করানো হচ্ছে?

Azaharul Islam Pulok

Published

on

বাংলাদেশ ক্রিকেটে দলের অন্যতম পাওয়ার হিটার, ক্লাসিক ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার। পাওয়ার হিটার তকমাটাই হয়ত কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে সৌম্য সরকারের জন্য কারণ সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো

সৌম্যকে ইনিংসের শেষে ব্যাটিং করাতে চাইছেন বা করাচ্ছেন। এই সিদ্ধান্তের পেছনে তিনি যুক্তি দিচ্ছেন,”সৌম্য পাওয়ার হিটার, সে যদি মাহমুদু্ল্লাহ রিয়াদের সাথে ইনিংসটা শেষ করে আসতে পারে তাহলে আমাদের জন্য এটা অনেক বড় পাওয়া হবে”।

আবার বাংলাদেশ দলের বর্তমান ওডিআই অধিনায়ক তামিম ইকবালের কাছে এই  প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন,”সৌম্যকে আমরা ৫-৬ মাস আগেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছি। এখন সবচেয়ে বড় কথা হলো সৌম্য কি সত্যি তৈরি এই পজিশনে ব্যাট করার জন্য? তার যথেষ্ট যোগ্যতা আছে এই পজিশনে ব্যাটিং করার?

যদি সৌম্য ৭ নাম্বারে ব্যাটিং করে তবে কি আমরা সৌম্য সরকারের স্কিলগুলো দেখতে পবো? এর আগে যতবার সৌম্যকে টপ অর্ডার থেকে নিচের দিকে ব্যাটিং করানো হয়েছে প্রত্যেকবার ব্যর্থ হয়েছে। তাহলে তাকে নিয়ে এতো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কি ঠিক হবে? সৌম্য সরকার এমন একজন প্লেয়ার যে নিজের দিনে প্রতিপক্ষের যে কোনো বোলারের রাতের ঘুম হারাম করতে পারে।



ক্রিকেট বোর্ড হয়ত যুক্তি দিতে পারে হার্ডিক পান্ডিয়াকে ইন্ডিয়া, বেন স্টোককে ইংল্যান্ড তৈরি করেছে, তবে আমরা কেন সৌম্যকে তৈরি করতে পারব না? ইন্ডিয়া বা ইংল্যান্ড বছরে যে ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ তার অর্ধেক ম্যাচ খেলে।

তার মানে ওরা এই পজিশনে ব্যাটিং করার জন্য  দুইবার সুযোগ পাবে, আর আমাদের ব্যাটসম্যানরা সুযোগ পাবে একবার। সৌম্যকে টপ অর্ডারে ব্যাট করালে সমস্যাটা কী? হয়তো ধারাবাহিক না,তবে অন্যদের থেকে অনেক ভালো।

বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটাররা এই ব্যাপারটা নিয়ে একই কথা বলেছেন, তারা বলেন যদি সৌম্য সরকারকে একাদশে সুযোগ না দেওয়া যায় তবে তাকে দলের বাইরে রাখা হওক, তবুও ৭ নাম্বার পজিশনে ব্যাটিং নয়, এতে সৌম্যের ক্যারিয়ার ঝুকির মধ্যে পড়বে। হয়ত সৌম্য এই পজিশনে ভালো করবে  কিন্তু এই কাজটা সৌম্যের জন্য অনেক কঠিন।

ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গত সিরিজে সৌম্য যদিও প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটিং করার সুযোগ পাইনি তবে সে শেষ ম্যাচে ব্যাটিং করার সুযোগ পায়। ঐ দিন ব্যাটিং এ সৌম্যকে বেশ নার্ভাস লাগছিল। আবার ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ টেষ্টে সৌম্যকে দলে ডাকা হলো।

তাকে ব্যাটিং করার সুযোগ দেওয়া হলো ওপেনিং-এ, অথচ দলে ডাক পাওয়ার আগ মূহুর্ত পর্যন্ত সে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সৌম্য ওডিআইতে ৭ নাম্বার পজিশনে ব্যাটিং এর জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলো ঠিক এমন সময় টেস্টে ওপেনিং করার কাজটা  মনে হয় খুব কঠিন ছিলো। তবে যাই হওক ক্রিকেট বোর্ড এই বিষয়গুলো নিয়ে ভালো বুঝে, যা করার তারাই করবে ইনশাআল্লাহ।।

Continue Reading