Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

বিষন্নতা,দুঃখ,হতাশা,একাকীত্ব অনুভব করছেন তার কিছু কারণ ও বাচাঁর উপায় জেনে নিন

Sayem Ahmed

Published

on

হেলো বন্ধুরা আসা করি ভালো আছেন।আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি।তো আজকে আপনাদের মাঝে নিয়ে এলাম এমন একটি পোস্ট যা থেকে আমরা বিষন্নতা,দুঃখ,হতাশা,একাকীত্ব অনুভব করছেন তার কিছু কারণ ও বাচাঁর উপায় বলবো।তো কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আজকের এই পোস্টটি।

জীবনে দুঃখ,কষ্ট,হতাশা,ডিপ্রেশন,ফ্রাস্টেশন ও বেদনা এসকল কিছুর প্রধান কারণ আমরাই।এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে কীভাবে?তো চলুন জেনে নেই কীভাবে আপনি বা আমরা এসকল কিছুর মূলে রয়েছি।আপনি ডিপ্রেশন এ ভুগছেন,আপনার জীবনে যে সুখ বলতে একটি জিনিস ছিল তা ভুলে গেছেন,জীবনে একাকীত্বই আপনার পরম বন্ধু,আবার দেখেন আপনার প্রিয় মানুষের সাথে বিচ্ছেদের কারণে নিজের মাথায় প্রচন্ড রাগ জমে রয়েছে যার ফলে ফ্যামিলির সাথে খারাপ আচরণ করছেন।এসব করার পাশাপাশি নিজের পিতা-মাতার মন খারাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

Place your ad code here

এবার একটু ভালোভাবে চিন্তা করেন এই যে এত কিছু হলো তাতে আপনার লাভ কী কোনো লাভ নেই বরং আপনার হাসিখুশি জীবনের বারোটা বাজিয়ে নিজেকে একঘরে করে রাখলেন।অপরদিকে আপনার পিতা-মাতাও অসুখে পড়ে গেল।

এসব ঘটণার মূল কারণ আপনার অধৈর্য্যতা।অধৈর্য্যতা কিন্তু ধ্বংসের মূল করাণ।আপনি একজনকে ভালোবাসেন সে কি আপনাকে ভালোবাসে সে কি আপনার যোগ্য না বুজে কাউকে ভালো লাগলে Realtion এ চলে যান।পরে তাকে ছাড়া আপনি বাচঁবেন না জীবনটা শেষ করে ফেলেন।এসব ভালোবাসা করার আগে দেখে-চিন্তে করবেন তাহলে লাইফ আর ডিপ্রেশনে ও হতাশার লাইফ হবে না।আর যারা ধৈর্য ধরে তারা জীবনে হতাশ হয় না ও ধৈর্যের ফল মিষ্টি হয়।তো সবসময় ধৈর্য ধরে দেখেশুনে কাজ করবেন।

আশা করছি টিউটোরিয়ালটি আপনাদের ভালো লেগেছে ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন কোথা কোন ভুল থাকলে মার্জিত ভাষায় ধরিয়ে দিবেন এবং অবশ্যই আপনাদের বন্ধু-বান্ধব এবং ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যে শেয়ার করবেন যাতে তারা উপকৃত হতে পারে। আজকের মত এখানেই বিদায় ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন খোদা হাফেয ইনশাল্লাহ পরবর্তীতে আবারও দেখা হচ্ছে।আর সবসময় গ্রথোরের সাথে থাকবেন।

Advertisement
8 Comments
Subscribe
Notify of
8 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Mojammal Haque

Hmm

Sanjida Afrin

Nc

Maria Hasin Mim

ধন্যবাদ

Md Golam Mostàfa

ভাল থাকবেন।

Anamul Hasan

ধন্যবাদ

Tisha Taslima

Hmm..

md safin ahmed

good

লাইফস্টাইল

ত্বকের সুরক্ষায় সানস্ক্রিন ব্যবহার

Jarin Nur

Published

on

গরমের দিনে বাইরে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলে যাবেন না। নাহলে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ত্বক। আমরা অনেকেই সানস্ক্রিন সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখি না। তাই ব্যবহার ও করি না। কিন্তু আমাদের ত্বক কে রক্ষা করতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । তাই যদি দীর্ঘ সময়ের জন্যে বাইরে থাকতে হয় তাহলে সানস্ক্রিন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। এতে আপনার ত্বক ‘ইউভি-এ’ এবং ‘ইউভি-বি’ নামক ক্ষতিকর রশ্মি থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

সানস্ক্রিন ব্যবহারের ফলে ত্বকে অকালে বয়সের ছাপ পড়া থেকে রক্ষা পায়, ত্বক উজ্জ্বল থাকতে সাহায্য করে,সান ট্যান থেকে রক্ষা করে। আসুন দেখে নেই এর কিছু উপকারিতা-
* অতিরিক্ত রোদে পুড়ে ত্বকে দ্রুত বয়সের ছাপ পরতে থাকে। এজন্যে নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।
*ইউভি-এ এবং ইউভি-বি রশ্মির প্রভাবে ত্বকে্র প্রতিরক্ষা স্তর ক্ষতগ্রস্ত হয়। সানস্ক্রিন ব্যবহার করার মাধ্যমে এই ক্ষতি থেকে ত্বক কে সুরক্ষা দেয়া যায় ।
*তীব্র রোদে পুড়ে ত্বকে সান বার্ন, সান ট্যান ইত্যাদি নানান সমস্যা দেখা দেয়। এসব সমস্যা থেকে সুরক্ষা দেয় সানস্ক্রিন।
* ত্বক কে ধুলা বালি থেকে রক্ষা করে।

সানস্ক্রিন সাধারণত ২-৩ ঘণ্টা পরপর লাগাতে হয়। বাজারে অনেক ব্র্যান্ড এর সানস্ক্রিন পাওয়া যায়।অবশ্যই এর উপাদান ও মেয়াদ দেখে কিনতে হবে। লক্ষ্য রাখবেন আপনার সানস্ক্রিনে যেন টাইটেনিয়াম ডাই-অক্সাইড এবং জিঙ্ক অক্সাইড থাকে। আমাদের দেশের আবহাওয়া অনুযায়ী এসপিএফ-৪০ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।

Place your ad code here

আপনার ত্বক এর ধরণ অনুযায়ী সানস্ক্রিন কিনতে হবে। তৈলাক্ত ত্বক হলে জেল বেসড সানস্ক্রিন কিনতে পারেন। আর যদি শুস্ক ত্বক হয় তাহলে ময়েসচারাইজার বেসড সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন।
আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে শীতকালে ও কি সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে ? উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ। কারন শীতকালে রোদের দেখা না মিললেও ইউভি-এ এবং ইউভি-বি রশ্মি ঠিকই ত্বকের ক্ষতি করতে পারে।

নিজের যত্ন নিন। ভালো থাকুন।

Continue Reading

অন্যান্য

বাসায় বানান রেস্টুরেন্টের মতো কোল্ড কফি

Iqbal Hossain

Published

on

cold coffee

হ্যালো বন্ধুরা, আপনার মাঝে নিয়ে আসলাম কোল্ড কফির এক অনন্য রেসিপি।
আপনি কি বাসায় বসে রেস্টুরেন্টের মতো কোল্ড কফি বানাতে চাচ্ছেন? কিন্তু কোনো ভাবেই রেস্টুরেন্টের মতো স্বাদ আনতে পারছেন না?
তাহলে একটি বার এই রেসিপি চেষ্টা করে দেখুন। এই রেসিপি অনুসরণ করে আপনি সব থেকে সহজে বাসায় বসে বানাতে পারবেন আপনার পছন্দের এবং প্রিয় কোল্ড কফি।

কোল্ড কফি বানাতে যা যা লাগবে

  •  ২ কাপ দুধ
  • ১/২ চা চা চামচ কফি
  • ২ কাপ আইস কিউব (যত বেশি আইস কিউব ব্যবহার করবেন ততবেশি ফেনা হবে)
  • পরিমাণমতো চিনি

অতিরিক্ত উপকরণ (পছন্দ মতো)

Place your ad code here
  • টেবিল চামচ আইসক্রিম
  • ১ টেবিল চামচ মধু

দেখে নিই প্রস্তুত প্রণালি –
প্রথমে একটি ব্লেন্ডারে আইসক্রিম বাদে বাকিসব উপকরণ ঢেলে দিন। তারপর ব্লেন্ড করুন। মনে রাখবেন, বেশিক্ষণ ব্লেন্ড করা যাবে না। যখন আপনার কাছে মনে হবে কোল্ড কফির ঘনত্ব ঠিক আছে, তখন ব্লেন্ডার বন্ধ করে দিবেন। সময় নির্ভর করবে আপনার ব্লেন্ডার কি পরিমান কাজ করে তার উপর। সাধারণত ৩-৪ মিনিট ব্লেন্ড করলেই নিখুঁত কোল্ড কফি পাওয়া যায়।

আপনার বাসায় যদি ব্লেন্ডার না থাকে তাহলে একটি অ্যালুমিনিয়ামের গ্লাসে সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে নিতে পারেন চামচ দিয়ে। তবে এই পদ্ধতিতে সময় বেশি লাগবে।

কোল্ড কফি বানানো হয়ে গেলে এবার একটি গ্লাসে ঢেলে নিন। উপরে আইসক্রিম এবং চকোলেট সিরাপ যুক্ত করতে পারেন। চাইলে বাদাম, কিসমিস দিয়েও সাজিয়ে নিতে পারেন।

ব্যস ঝটপট তৈরি হয়ে গেলো রেস্টুরেন্টের মতো কোল্ড কফি। পাবেন রেস্টুরেন্টের নিখুঁত স্বাদও। তাহলে আর দেরি কেন! এখুনি বানিয়ে ফেলুন আর উপভোগ করুন আপনার পরিবারের সাথে। মজার সেই অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন আমাদের সাথেও যেন আমরা আরো সুন্দর সুন্দর রেসিপি আপনাদের কাছে উপস্থাপন করতে পারি।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

হলিউড ও হলিউড অভিনেতাদের নিয়ে কিছু চমকপ্রদ তথ্য পর্ব-২

Kahhar Siddiquee Nayeem

Published

on

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠকবৃন্দ। আশা করবো সবাই ভাল আছেন। আমাদের অবসর বিনোদন হিসেবে সিনেমাই হচ্ছে সবচেয়ে উপযুক্ত বিনোদন মাধ্যম। আর সারা বিশ্বে সিনেমা ভক্তদের সংখ্যা নেহাৎ কমও নয়। কারণ ছোট-বড় সবাই সিনেমা দেখতে ভালোবাসে। তাই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিগুলো আমাদের চাহিদার ষোল কলা পূর্ণ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি ও অভিনেতাদের নিয়ে পর্ব-১’এ আলোচনা করার পর আজ দ্বিতীয় পর্বে আপনাদের আরো কিছু চমকপ্রদ তথ্য জানাবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

• জগৎবিখ্যাত “টাইটানিক” মুভির কথাতো আমরা সবাই জানি। এই সিনেমাটি ১১ টি অস্কার জিতেছে, তবে অদ্ভুত ব্যাপার হলো অভিনয়ের জন্য কোন ক্যাটাগরিতেও অস্কার জিততে পারেনি।

• ভারতীয় কমেডিয়ান গুরু ব্রহ্মানন্দমকে স্মরণ হয়? যার মুভিগুলোতে হাজারও থাপ্পড় খাবার দৃশ্য দর্শকরা দেখেছে। যার কান্না করার দৃশ্য দেখলেও হাসতে হাসতে লুটিয়ে পড়তে হয়। হ্যাঁ, ইনিই ব্রহ্মানন্দম; যার এক হাজারেরও বেশি ছবিতে অভিনয় করার রেকর্ড রয়েছে এবং এটি একটি বিশ্ব রেকর্ড।

Place your ad code here

• একশন থ্রিলার জগতের অন্যতম চরিত্র জেমস বন্ডকে সিনেমা প্রেমিরা না চিনে থাকতে পারবেন না। আর জেমস বন্ডের চরিত্রে যিদি অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, তিনি হলেন শন কনারি। জেমস বন্ডের সমস্ত সিনেমায় শন কনারি একটি পরচুলা পরেছিলেন। কারণ তার ২১ বছর বয়স থেকেই চুল পড়ে যেতে শুরু করেছিলো ।

• আমাদের শৈশবের মনোমুগ্ধকর স্মৃতির পাতায় নিশ্চয়ই হ্যারি পটার মুভি সিরিজগুলোর নাম থাকবে। তবে না জেনে থাকলে জেনে রাখুন, প্রথম ‘হ্যারি পটার’ মুভিটি প্রকাশের পর থেকে ৫০০ জনেরও বেশি মেয়ে তাদের পছন্দের চরিত্র হারমায়োনি নাম নিজেদের নামে রেখেছিলো।

• হলিউডে রাজ করা কিছু অভিনেতাদের মধ্যে ব্র্যাড পিট অন্যতম। কারণ ছবির প্রতি তার প্যাশন,ডেডিকেশন সত্যিই অবিশ্বাস্য। ব্র্যাড পিটকে “তিব্বতে 7 বছর” সিনেমায় অভিনয়ের জন্য চীন থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

• সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কোন মুভি সিরিজের যদি নাম বলতেই হয়, তবে “লর্ড অফ দ্য রিংস: রিটার্ন অফ কিং” আসবেই। মুভিটি-র স্ক্রিনে ৮৩৬ টি মৃত্যুর হিসাব আপনাকে গুণতে হবে যা যেকোনও চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

• অভিনেতা জন হার্ট; ভি ফর ভেনডেট্টা, এলিয়েন, স্পেসবলস, হেলবয় সহ ৪০ টিরও বেশি বিভিন্ন সিনেমায় মারা যাওয়ার রেকর্ড করেছেন।

• চোখ ধাঁধানো একশন মুভি “ম্যাড ম্যাক্স: ফিউরি রোড” মুভিতে ফ্লেম-শ্যুটিং গিটারটির ওজন ১৩২পাউন্ড এবং বাস্তবে আগুনের শিখাগুলো তৈরি করে চিত্র ধারণ করা হয়েছিলো।

• সর্বপ্রথম থ্রিডি চলচ্চিত্রটি ছিল “দ্য পাওয়ার অফ লাভ”, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়েছিলো এবং এটি ছিলো একটি সাইলেন্ট(নিঃশব্দ) চলচ্চিত্র।

 

• ভিন্ন ধারার চলচিত্র  “ব্যাক টু দ্য ফিউচার” ট্রিলজিতে বিফ টানেন চরিত্রটি ছিলো ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে অনুপ্রাণিত।

• বায়োগ্রাফি মুভি “চ্যাপলিন(১৯৯১)” এ চার্লি চ্যাপলিনের মেয়ে তার মা’এর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

• অসাধারণ সব সিনেমায় স্মরণীয় সব চরিত্রে অভিনয়ের জন্য টম হ্যাঙ্কসের নামটি কোনদিনও ভোলা যাবে না। সারা বিশ্বে ভক্তদের থেকে তিনি অনেক ভালোবাসা পেয়েছেন। তবে কিছু অদ্ভুত ভালোবাসার নমুনাও রয়েছে। ২০০৪ সালের টম হ্যাঙ্কসের মুভি “দ্য টার্মিনাল”থেকে অণুপ্রাণিত হয়ে এক ব্যক্তি চার্লস ডি গল বিমানবন্দরের লঞ্জে ১৮ বছর অতিবাহিত করেছিলেন

• বর্তমানে স্টার ওয়ারস মুভি সিরিজের অ্যাকশন তারকা লিয়াম নিসন ১৯৯৪ সালে জেমস বন্ডের চরিত্রে অভিনয় করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। কারণ তিনি অ্যাকশন মুভিতে অভিনয় করতে আগ্রহী ছিলেন না।

“সেভিং প্রাইভেট রায়ান” সিনেমাটি এতটা বাস্তববাদী করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিলো যে ,কিছু দর্শকরা এটি দেখে পোস্টট্রোম্যাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার ভুগেছিলেন।

• পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসন স্পাইডার ম্যান চরিত্রের অনেক বড় একজন ভক্ত ছিলেন। তিনি একবার মার্ভেল কমিক্স কেনার চেষ্টা করেছিলেন যাতে তিনি নিজস্ব প্রোডাকশন সিনেমায় স্পাইডার ম্যান চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন।

• ও.জে. সিম্পসনকে প্রায় টার্মিনেটর সিনেমায় অভিনয় করানোর সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়ে নেওয়াই হয়েছিলো। কিন্তু জেমস ক্যামেরন ভেবেছিলেন যে তাঁর ব্যক্তিত্ব ডার্কনেস ভাবটা ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়ে উঠবে না। তাই শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছিলো।

• ২০১৭ সালে, “লা লা ল্যান্ড” -র পরিচালক ড্যামিয়েন চ্যাজেল ৩২ বয়সে সর্বকনিষ্ঠতম সেরা পরিচালক হিসেবে অস্কার বিজয়ী হয়েছিলেন।

• ক্রিস ফারলে হ’ল ‘শ্রেক’ এনিমেটেড মুভিরএর আসল ভয়েস এক্টর। তবে মুভিটির ৮৫% ভয়েস রেকর্ডিংয়ের পরেই তিনি মারা গিয়েছিলেন।

“দ্য ম্যাট্রিক্স” মুভিটির স্ক্রিপ্ট লিখতে পাঁচ বছর সময় লেগেছিলো।

• স্যামুয়েল এল জ্যাকসনকে দর্শকরা একটি বিশেষ কারণে মনে রাখবে। তিনি গালিকে বিখ্যাত করে দেবার জন্য সবার কাছেই পরিচিত। তিনি ২৭ টি বিভিন্ন সিনেমাতে ১৭১ বার “মাদারফা**র” গালিটি মুখ দিয়ে ছেড়েছেন। বলতে গেলে গালিটিকে এক শৈল্পিক অবস্থানে নিয়ে এসেছেন তিনি।( দৃষ্টিকটু লাগলে দুঃখিত)

সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের পর্ব এখানে শেষ করছি। আশা করি সকলের সাপোর্টে এগিয়ে যেতে পারবো। ধন্যবাদ ।

 

প্রথম পর্বের আর্টিকেলটি পড়তে ক্লিক করুন [-হলিউড ও হলিউড অভিনেতাদের নিয়ে কিছু চমকপ্রদ তথ্য পর্ব-১]

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট