Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

স্বাস্থ্য

যেভাবে চুল পড়া বন্ধ করতে পারেন !

Naeem Hassan

Published

on

কিভাবে চুল পড়া রোধ করা করা যায় তা নিঃসন্দেহে তীব্র চুল পড়া যে কোন মানুষের জন্য উদ্বেগের ব্যাপার।আর এই চুল যে পড়া এটাতে যে কেউ মানে, যুবক, বৃদ্ধ, পুরুষ এবং স্ত্রীলিঙ্গের শিকার হতে পারে। আমরা সকলেই প্রতিদিনই কিছু স্ট্র্যান্ড চুল হারিয়ে ফেলছি যা আমাদের জন্য মোটেও সুবিধাজনক ব্যাপার না।এখন আমি আপনাকে বলতে পারি আপনি যদি নিয়মিত ছোট চুল হারিয়ে ফেলেন তবে আপনার উদ্বেগ হওয়ার দরকার নেই।

গবেষণায় দেখা গেছে যে আমাদের দেহের সুস্থতার জন্য প্রাণশক্তি প্রয়োজন।আপনি কি জানেন আপনার চুলের স্বাস্থ্য ইয়িন শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
আর এই ইয়িন এনার্জিযুক্ত খাবারগুলি হ’ল মাংস, বাদাম, ফল, শসা, কলা, সয়াবিন, টমেটো, ইত্যাদি।আপনি যদি চুল পড়া কমাতে চান এবং এটা থেকে বাচতে চান তবে আপনাকে বার্গার, ফ্রাইড চিকেন, পিজ্জা এবং অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে।

আচ্ছা চুল পড়ার কারনে আসা যাক,চুল পড়ার মূল কারণ হ’ল ডিহাইড্রোটেস্টোস্টেরন (ডিএইচটি) এর মাত্রা বৃদ্ধি। ডিএইচটি হরমোন এর ফলে চুল পড়া শুরু হয়।তবে আপনি কুমড়োর বীজ সেবন করে ডিএইচটি এর মাত্রাটা কমিয়ে আনতে পারেন, কারণ এগুলিতে ম্যাগনেসিয়ামও দস্তা রয়েছে,আর এই দুটি প্রয়োজনীয় খনিজগুলি এনজাইমগুলি ব্লক করে যা ডিএইচটি উত্পাদন করতে থাকে, যার ফলে চুল পড়া কমে যায়।

Place your ad code here

বলে রাখা ভালো যে খাদ্যদ্রব্য গ্রহণের মাধ্যমে আপনার দেহে যে পরিমাণ পুষ্টি সরবরাহ করা হবে তা ব্যবহার করে আপনার শরীর ক্রিয়াশীল হবে। তেল এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবারগুলি এড়িয়ে চলতে শুরু করুন, কারণ তারা চুল পড়ার মাত্রাকে আরো বাড়িয়ে দেয়।পরিবর্তে, মাংস, বহু-ভিটামিনের মতো  দস্তা এবং উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়া শুরু করুন,কারণ তারা চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।

হয়তো জেনে থাকবেন হতাশা, দূষণ এবং স্ট্রেস চুল পড়ার কারণ হিসাবে এটি একটি সুপরিচিত অনস্বীকার্য সত্য।আর সাধারণত এই কারণগুলি আপনার মাথার ত্বকের পেশী সংকোচিত করে এবং চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বন্ধ করে দেয় যার ফলে চুল পড়ে। রক্তে প্রয়োজনীয় পুষ্টি থাকে যা চুলের বৃদ্ধিতে উত্সাহ দেয় এবং তাদের আরও শক্তিশালী করে তোলে। যদি রক্ত চুলের শিকড়গুলিতে না পৌঁছায় তবে আপনার চুলের ফলিকগুলি চূড়ান্তভাবে মারা যাবে, ফলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এখন ভাবছেন কিভাবে তাহলে সুন্দর ঘন কালো চুল পাওয়া যায়,তবে আপনাকে আমি বলতে পারি,যে আপনি পোড়া গাছের পাতা থেকে এক্সট্রাক্টটি বের করে রাতে আপনার মাথার ত্বকে লাগাবেন। বার্ন প্ল্যান্ট এক্সট্রাক্টে সুপার অক্সাইড বরখাস্ত নামক একটি এনজাইম থাকে।যা সাধারণত গ্যাস উত্পাদন করে থাকে।আর এই গ্যাস চুলের পুনঃ বিকাশকে উদ্দীপিত করে এবং আপনাকে সুন্দর সিল্কি ও ঘন কালো চুলে সহায়তা করে।

তাই অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার ত্যাগ করুন,আর উপরের দেয়া কিছু উপায় ও নির্দেশনা কার্যকর করার চেষ্টা করুন ইনশাআল্লাহ চুল পড়া রোধ হবে।

 

Advertisement
5 Comments
Subscribe
Notify of
5 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Maria Hasin Mim

nice tips

Md Golam Mostàfa

আহারে! চুল একটা বড় সমস্যা মনে হচ্ছে।

Azfar Mustafiz

উপকারী লেখা

স্বাস্থ্য

সবার জন্য উন্মুক্ত হলো করোনার ভ্যাকসিন

Md Ruhul Amin

Published

on

Corona Vaccine

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে করোনার টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাজ্য। আগামী সপ্তাহ থেকে দেশটিতে ফাইজার এবং বায়োয়েনটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি ভ্যাকসিনটির প্রয়োগ শুরু হবে। করোনার বিরুদ্ধে ৯৫ ভাগ কার্যকর এমন দাবি নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে আলোচনায় মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফাইজার এবং জার্মান কোম্পানি বায়োয়েনটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি ভ্যাকসিনটি। বুধবার ভ্যাকসিনটি জরুরি ভিত্তিতে নিজ দেশে ব্যবহারের অনুমোদন দিল যুক্তরাজ্য। এর মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম কোন দেশ হিসেবে ব্যবহারের অনুমোদন দিল দেশটি। সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রথমবার কোনো করোনার ভ্যাকসিন পেল বিশ্ব। এম.এইচ.আর.এ এর সিদ্ধান্তটি জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রী। তিনি বলেন আগামী সপ্তাহ থেকেই শুরু হবে টিকাদান।

আগামী সপ্তাহ থেকে নিজ দেশে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু করবে যুক্তরাজ্য। এই সময়ের মধ্যেই ফাইজারের ৮ লাখ ডোজ টিকা পৌঁছে যাবে দেশটির হাতে, যার উৎপাদন প্রক্রিয়া চলছে বেলজিয়ামে। ২১ দিনের ব্যবধানে ভ্যাকসিনটির দুটি প্রদান করতে হবে। সবার আগে বয়স্ক এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের টিকা দেবে ব্রিটিশ সরকার। এরই মধ্যে ফাইজারের ভ্যাকসিনটির চারকোটি ডোজের অর্ডার দিয়েছে যুক্তরাজ্য। জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের অনেক দেশ ফাইজারের টিকার অগ্রিম অর্ডার দিয়েছে। সেই লক্ষ্যে আগামী বছরের মধ্যে ১৩০ কোটি ডোজ টিকা তৈরি করে বলে জানিয়েছে বায়োয়েনটেক। যুক্তরাজ্য ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে টিকার অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে ফাইজার, অক্সফোর্ড এবং মডার্না।

চূড়ান্ত অনুমোদনের দৌড়ে এগিয়ে ছিল বেশ কয়েকটি করোনা প্রতিরোধক ভ্যাকসিন। তবে সবাইকে ছেড়ে বাজিমাত করলো মার্কিন ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফাইজার এবং জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োয়েনটেকের প্রতিষেধক। বুধবার সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য এর অনুমোদন দেয় যুক্তরাজ্যের ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা পণ্যের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এম.এইচ.আর.এ। ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে দুই কোটি মানুষের জন্য তারা কিনেছে চার কোটি ডোজ যার এক কোটি মিলবে এবছরই। অবশ্য দামের হিসাবে সবচেয়ে সুলভ মূল্য অক্সফোর্ডের টিকা (৪ ডলার)। অন্যান্য গুলোর দাম ডোজ প্রতি ১০ থেকে ৩৩ ডলার পর্যন্ত।

Place your ad code here

অন্যদের থেকে কেন আলাদা টিকাটি? বলা হচ্ছে ডলারর্সফোর্ড কয়েকটি কর চূড়ান্ত ট্রায়ালে ৪১ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন যাতে দেখা যায় তরুণদের পাশাপাশি ষাটোর্ধ্ব দের ক্ষেত্রেও ৯৫% কার্যকরী এটি। তাছাড়া এর নেই পার্শপ্রতিক্রিয়া স্বাস্থ্যঝুঁকিও। দামও রয়েছে হাতের নাগালে। কিন্তু সমস্যা একটাই আর তাহলো এর সংরক্ষণ পদ্ধতি। কিভাবে কাজ করবে এই ভ্যাকসিনটি? গবেষকদের দাবি টিকাটি মানব শরীরের জেনেটিক পদ্ধতি গুলোকে মূলত প্রশিক্ষণ দেবে। কিভাবে করোনার বিরুদ্ধে ঢাল তৈরি করা যায় সেই খাপ খাওয়ানোর ব্যাপারটিই শেখাবে শারীরিক কাঠামোকে। সাধারণত একটি ভ্যাকসিনের পরীক্ষা শেষ হতেই লাগে বছরের পর বছর, সেখানে মাত্র ১০ মাসেই ফাইজার ও বায়োয়েনটেক পেয়েছে সাফল্য। এটাই এখন পর্যন্ত ধারণা থেকে বাস্তবে রূপ পাওয়া প্রথম ভ্যাকসিন।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

নিয়মিত কিসমিস খেলে ক্যান্সার সহ যেসকল কঠিন রোগসমূহ প্রতিরোধ করা সম্ভব তা দেখে নিন এক নজরে

Sayem Ahmed

Published

on

হেলো বন্ধুরা আসা করি ভালো আছেন।আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি।এই করোনাকালে আমরা সবাই রীতিমতো বাড়িতে বসে রয়েছি ফলে আমরা সবাই গ্রাথরপ প্রতিনিয়ত কিছু নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হচ্ছি। তো আজকে আপনাদের মাঝে নিয়ে এলাম এমন একটি পোস্ট যা দিয়ে আপনি কিসমিসের উপকারিত সম্পর্কে জানতে পারবেন।তো কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আজকের এই পোস্টটি।

আমাদের মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার হলো কিসমিস।কিসমিস খেলে আপনার শরীরের রক্ত স্লপতা দূর হবে,কিসমিস আপনার পেটের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার এছাড়া আরো নানা উপকার আছে এই কিসমিসে নিচে তার সম্পর্কে দেওয়া হলোঃ

Place your ad code here

১.পেটের জন্য উপকারীতাঃ
৩.৭ গ্রাম ফাইবার থাকে কিসমিসে প্রতি একশ গ্রাম কিসমিসে যা আমাদের পেটের জন্য অত্যন্ত উপকারী এছাড়াও এই ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্যে করে থাকে।

২.রক্তশূন্যতা রোধঃ
প্রতি একশত গ্রাম কিসমিসে আয়রণ থাকে ১.৮৮ মিলিগ্রাম ও কপার থাকে ০.৩২ মিলিগ্রাম যা আমাদের শরীরে রক্ত তৈরি করতে সহায়তা করে।

৩.এসিডিটি কমানোর জন্য কিসমিসের সহায়তাঃ
কিসমিসে ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রণের ক্ষার ধর্মের জন্য এরা এসিডিটি কমাতে কার্যকর।

৪.হৃদরোগ এর ঝুকি কমায়ঃ
পটাসিয়াম এ্যান্টঅক্রিড সমৃদ্ধ হওয়ায় কিসমিস খেলে নিয়মিত হৃদরোগের ঝুকি কমানো সম্ভব বলে জানা যায়।

৫.ব্লাড সুগার ও দাঁতের জন্য কিসমিস এর উপকারিতাঃ
কিসমিসে চিনি থাকে তবুও প্রতিদিন কিসমিস খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ণ্তিত থাকে ও ওলিওনলি,লিনোলিক এ্যাসিডের জন্য দাঁতের ক্ষয় রোধ হয়।

৬.ক্যান্সার প্রতিরোধ ও ত্বকের সুরক্ষাঃ
ক্যান্সার প্রতিরোধে কিসমিসের অ্যান্টঅক্যিড ও ভিটামিন সি ও সোলেমিক এসিড থাকায় ত্বক সুরক্ষিত থাকে।

হেলো বন্ধুরা আসা করি ভালো আছেন।আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি।এই করোনাকালে আমরা সবাই রীতিমতো বাড়িতে বসে রয়েছি ফলে আমরা সবাই গ্রাথরপ প্রতিনিয়ত কিছু নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হচ্ছি। তো আজকে আপনাদের মাঝে নিয়ে এলাম এমন একটি পোস্ট যা এবার যেকোনো ওয়াইফাইকে হাইড করে নিজের ইচ্ছামতো ইউজার কন্ট্রোল করুন।তো কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আজকের এই পোস্টটি।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

দুশ্চিন্তার আগাছা গুলোকে গোড়া থেকেই কেটে ফেলুন

Farhan Mahabub

Published

on

একটা বিষাক্ত সাপ আপনার সামনে, কি করবেন? হয় সাপটিকে মেরে ফেলবেন।নয়তো আপনি পালিয়ে জীবন বাঁচাবেন।কিন্তু মৃদুবিষধর সাপের মত দুশ্চিন্তা প্রতিনিয়ত আপনাকে দংশন করে যাচ্ছে।ওত বিষধর নয় ভেবে আপনি এটাকে হেলাফেলা করে যাচ্ছেন।কিন্তু মৃদুবিষধর সাপের ন্যায় দুশ্চিন্তা অবিরত আপনাকে দংশন করে বিষাক্ত সাপকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।সে সম্পর্কে আপনার কি কোনো ধারণা আছে?
যদি দুশ্চিন্তার আগাছাগুলোকে গোড়া থেকে ছেটে ফেলতে চান।তবে আজকের পোস্টটি আপনার জন্য।
দুশ্চিন্তা শব্দটির সাথে পরিচিতি নেই এমন মানুষ খোঁজে পাওয়াই দুষ্কর। প্রাত্যহিক জীবনে আমরা কম বেশি দুশ্চিন্তার মুখোমুখি হয়ে থাকে।কিন্তু হেলাফেলা করার কারণেই সেটা অতি বিপজ্জনক রুপ ধারণ করে।
তো চলুন দেখা যাক,কিভাবে দুশ্চিন্তাকে সম্পূর্ণরূপে দূর করবেনঃ

১।কাগজে লিখুন:
আপনার দুশ্চিন্তার কারণ গুলো কী কী তা একটি কাগজে লিখে ফেলুন।চিন্তা করুন,এ দুশ্চিন্তাগুলো থেকে বের হয়ে আসার উপায় কী।এবার, দুশ্চিন্তা দূরীকরণে প্রতিবন্ধক কারণগুলো সনাক্ত করে, সেগুলোকে কিভাবে প্রতিহত করা যায় ভাবুন।দেখবেন অতি সহজে আপনি আপনার দুশ্চিন্তাকে পরাজিত করতে পারবেন।

২।মেডিটেশন করুন:
সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে,অতিরিক্ত মানুসিক চাপ দূর করতে মেডিটেশনের বিকল্প নেই।আপনি একটি জলন্ত মোমবাতি সামনে রেখে তার উজ্জ্বল শিখার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকুন।আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ শিখার উপর রাখুন।এভাবে দুই-তিন মিনিট তাকিয়ে থাকলে আপনার দুশ্চিন্তা অতিদ্রুত চলে যাবে।আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

Place your ad code here

৩।শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন:
দুশ্চিন্তা দূর করতে রিলাক্সেশন ব্যায়াম উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।মাত্রাতিরিক্ত মানুসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে আপনি ধীরে ধীরে দম নিয়ে ধীরে ধীরে দম ছাড়ুন।এভাবে ৫-৭মিনিট করলে আপনি নিজেই পরিবর্তনটা বুঝতে পারবেন।

৪।আত্ম-সম্মোহন করুন:
দুশ্চিন্তা দূর করার সবচেয়ে উপযোগি কাজ হচ্ছে আপনার মনকে অন্যদিকে ঘুরানো।অতিরিক্ত চিন্তা ক্রমান্বয়ে মানসিক চাপ বাড়াতে থাকে।তাই মনকে অন্যদিকে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সম্মোহন।
আপনি নির্দিষ্ট বস্তুর উপর আপনার দৃষ্টি স্থাপন করুন।এবার ১-১০০ উল্টো দিক থেকে গনণা করার চেষ্টা করুন।যখন দেখবেন বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকাতে আপনার চোখে জল চলে আসছে।তখন চোখ বন্ধ করে ফেলুন।কল্পনায় ঐ বস্তুর দিকেই তাকিয়ে থাকুন।

৫।ব্যায়াম করুন:
অতিরিক্ত চিন্তার ফলে আমাদের শরীরের মাংসপেশি গুলো সংকুচিত হতে থাকে।যার ফলে পেশিগুলোতে ব্যথার উদ্ভব ঘটে।ব্যায়ামের ফলে পেশিগুলো আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে এবং মানসিক চাপ অনেকটাই লাঘব হয়।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট