Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

গল্প

রাতের আকাশ নিয়ে স্ট্যাটাস

Bd Blogger

Published

on

দিন শেষে রাত নামবে এটাই পৃথিবীর নিয়ম। দিনের শত ব্যস্ততাকে ছুটি দিয়ে চারদিক নিশ্চুপ হয়ে রাত নামে। পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা সুন্দর জিনিষের মধ্যে আমার কাছে রাত একটি। আমি রাতকে খুব গভীর ভাবে উপভোগ করি।রাত আমার খুব পছন্দের।রাতের বেলায় যখন পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়বে জোনাকিরা যখন মিটমিট করে জ্বলে পাহারা দেবে তখন আমি হারিয়ে যাই অন্য জগতে। যে জগতকে হৃদয় দিয়ে উপলব্দি করা ছাড়া বাস্তবে দেখা সম্ভব নয়।

আমি মাঝে মাঝে  ভাবি,পথ চলতে চলতে যদি জীবন কখনো থেমে যায়,যদি পৃথিবীর কাছ থেকে বিদায় নিতে হয় তবে আমার ৫টি জিনিসের জন্য মনটা খুব কাঁদবে।

১. কাঁশবনের জোৎস্না

২.বর্ষায় বেঙের ডাক



৩.পৃর্ণিমা চাঁদের আলো

৪.রাতের জোনাকি

৫.কালবৈশাখী ঝড়

মানুষ মরনের পর কোথায় যায় আমি জানিনা। অনেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করে অনেক কিছু চায়,কিন্তু আমি কিছু চাইনা, আমি শুধু  বিধাতার কাছে একটি জিনিষ চায় তা হলো – কি করে রাতের আকাশ হওয়া যায়। কি ভালো কাজ করলে জোনাকির সাথে কথা বলা যায়,তারাদের সাথে লুকোচুরি খেলা করা যায়।

জীবনে কত রাত যে একা নির্ঘূম কাটিয়েছি তা একমাত্র ঈশ্বর জানে। যখনি আমার মন খারাপ হয় তখন রাতের আকাশ দেখি,তারাদের সাথে কথা বলি। নিশাচর কিছু পাখি এসে গান শুনিয়ে যায় মাঝে মাঝে। মনে শান্তি পাই,ইচ্ছে জাগে আরো যুগ যুগ ধরে পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকার শত কষ্টের মাঝেও। যে রাতে আকাশ দেখি সে রাত অন্য রকম অনুভূতি নিয়ে ছুয়ে যায় আহত-হৃদয়। মন ভালো করার জাদুকারী মন্ত্র হলো রাতের আকাশ। তোমাকেও বলি প্রিয়, তুমিও রাতের আকাশ দেখো।

আজো মনে পড়ে কনো একদিন রাত নেমেছিল। ঘনকালো রাত। নিজেকে নিজে দেখার অবশিষ্ট আলো ছিলনা তখন।তুমি ভয় পেয়ে গেছিলে সেদিন প্রথম আমার হাতটা ধরেছিলে। বৃষ্টি তখনো নামেনি কাঁদো কাঁদো ভাব। এই বুঝি আকাশ কেঁদে পেলবে। আমি তোমার হাত ধরে হেঁঠে চলেছি দুজনে‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘ কি আকন্ঠ ভালো লাগার ছোঁয়া। দুঁজনে হেঁটে চলেছি সেদিন অজানা ঠিকানায়। ইচ্ছে করেছিল,একই সুতো ধরে পাড়ি দেই আরো অনেকটা পথ। জানিনা আর কবে সেদিনের মত আরো একসাথে হাটবো…

তবে এটুকু শুধু জানি আমিও হয়তো একদিন রাতের আকাশ হবো।

রাতের আকাশ নিয়ে স্ট্যাটাস

Advertisement
2 Comments

2 Comments

  1. mahirul islam

    mahirul islam

    February 23, 2021 at 3:03 pm

    sundor

  2. Kazi Akash

    Kazi Akash

    February 25, 2021 at 10:19 pm

    sundor

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

গল্প

ছোটবেলার স্মৃতি নিয়ে স্ট্যাটাস

Bd Blogger

Published

on

প্রিয় বন্ধুরা, সবাইকে একরাশ ভালোবাসা। আজ আমি আপনাদের মাঝে আমার ছোটবেলার স্মৃতি নিয়ে কয়েকটি বাক্য লিখতে চলেছি। সেই ফেলে আসা অতীতের স্মৃতিগুলো আজ ভীষণ ভাবে মনে পড়ছে। তাই ভাবলাম আপনাদের মাঝে শেয়ার করি।

জীবনটা আসলে স্মৃতিময়। জীবনটা যেন পদ্মপাতায় এক বিন্দু শিশিরের মত। সময়ের সাথে সাথে হারিয়ে যায়। জীবনে কি করে যে এতগুলো বছর পার করেছে এসেছি ভাবতে অবাক লাগে।

আজকে আমি সেই এক যুগ আগের ছোট্ট শিশু নই। যৌবনে পা বাড়িয়েছি কয়েক বছর আগে। আজো আমি সেই ছোটবেলায় ফিরে যাই মাঝে মাঝে। ছোট বয়সেই প্রতিটা দিন প্রতিটা মুহূর্ত কত আনন্দ এবং সুখের ছিল তা সামান্য লেখায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

ছোটবেলা থেকেই বৃষ্টি আমার ভীষণ প্রিয়। ছোটবেলা বৃষ্টিতে ভিজার অভ্যাস আমার এখন ও রয়ে গেছে। আমি খুব বৃষ্টিতে ভিজতে পারি। বৃষ্টিতে ভিজতে গিয়ে অসংখ্যবার মার কাছ থেকে পিটুনি খেয়েছি। তখন পুব আকাশে মেঘ জমতো আমার আনন্দের সীমা থাকতো না, এদিক সেদিক লুকোচুরি খেলতাম। মার কাছ থেকে লুকিয়ে পাড়ার ছেলেপেলেদের সাথে দৌড় দিতাম। বৃষ্টি হলেই কাঁদামাটিতে নেমে পড়তাম হা ডু ডু খেলতে। বৃষ্টির পানি আর কাঁদামাটির গন্ধ কি যে এক তীক্ষ্ণ অনুভূতি। এখনো সেই গন্ধ আমার নাকে লেগে আছে।



প্রবল বৃষ্টির বাতাসে আম গাছের আমগুলো এদিক ওদিক দোলনার মত ঢুলতো। আমরা অপেক্ষা করতাম কখন টুক করে ঝড়ে পড়বে। ঝড়ে পড়ার সাথে সাথে আমরা সবাই দৌড় দিতাম কে আগে আমটি ধরতে পারে। যদিও আমি সেই লোভী প্রতিযোগিতায় একবারও জিততে পারিনি। মনে ভীষণ কষ্ট পেতাম। মিনিট পাঁচেক বন্ধুদের সাথে কথা বলতাম না। 

এখন আর সেই আগের দিন নেই। বিকেল বেলা খেলাধুলা,হাসি আড্ডা, ঝগড়াঝাঁটি এগুলো খুব মিস করি। সেই ছোটবেলা বন্ধুদের সাথে অনেকদিন দেখা-সাক্ষাৎ হয় না আর। সবাই যার যার পরিবার ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত। ইচ্ছে করলেই আগের মত তাদের সাথে কথা বলতে পারিনা। মানুষ পরিবর্তন শীল। সময়ের সাথে সাথে তারা বদলে যাচ্ছে। কিন্তু আমি যে বদলাতে পারিনি এখনো আগের মতই রয়ে গেছি।

এখনো আমি একা বৃষ্টিতে ভিজি, বাচ্চাদের সাথে মার্বেল খেলি,ঘুড়ি ওড়াই। সন্ধ্যায় ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক শুনি। রাতের জোছনা দেখি। তারাদের সাথে কথা বলি।

একলা ভাবি আহা! যদি আরো একবার ছোটবেলা দিনগুলো ফিরে পেতাম!

Continue Reading

গল্প

জিয়াউল হক পলাশ এর জীবনের গল্প

Bd Blogger

Published

on

বর্তমানে তরুণদের জনপ্রিয় মুখ জিয়াউল হক পলাশ ওরফে কাবিলা। তিনি খুব অল্প সময়ে তরুণদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। বর্তমানে শ্রেষ্ঠ ৫ অভিনেতা মধ্যে তিনি অন্যতম। তার নাম পলাশ হলেও সবাই থাকে কাবিলা বলে তাকে। কেননা জনপ্রিয় নাটক ব্যাচেলর পয়েন্ট এর জন্য কাবিলা নামে পরিচয় লাভ করেন।

পলাশের জীবনের গল্প: জিয়াউল হক পলাশ পড়ালেখায় খুব একটা ভালো ছিল না। কিন্তু সবার সাথে হাসিমুখে মেলামেশা ছিল তার জন্মগত স্বভাব। ছোটবেলা থেকেই তিনি মানুষের সাথে হাসিমুখে কথা বলতেন।

২০০৯ সালে গভমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলেন পলাশ। কিন্তু তার বন্ধু-বান্ধবীরা পাশ করলেও পলাশ পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনি। তার মা বাবা সেদিন বেদনা, দুঃখ ভরা মনে স্কুল থেকে ফিরে আসে। পলাশের মা সেদিন অঝোরে কাঁদেছিলেন। পলাশ সেদিন জীবনের প্রথম ধাক্কাটা খায়। তার পরের বছর ২০১০ সালে এসএসসি পাস করে।

এইচএসসিতে পলাশ আবারো ফেল করে। একচান্সে পাশ করতে পারেনি। অবশেষে ২০১৩ সালে তিনি এইচএসসি পাস করেন। এইচএসসি পাস করার পর তার প্রিয় বান্ধবীর সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পলাশ ইঞ্জিনিয়ার বিভাগে পড়তে ইচ্ছুক আর তার বান্ধবী মেডিক্যালে।



কিন্তু পলাশের ইঞ্জিনিয়ারিং শেখা হয়ে ওঠেনি। ধারণা করা হয়, এজন্য তার বান্ধবী তাকে ফেলে চলে যায়। তখন নেমে আসে পলাশের জীবনের মন খারাপের দিন। তবুও পুলিশ নিজেকে একটু ঘষে তিতুমীর কলেজ থেকে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয়ে অনার্স পাস করেন।

এই মন খারাপ নিয়ে তিনি বেরিয়ে পড়েন নাটকে। কাবিলাখ্যাত পলাশ ছোটবেলা থেকেই প্রচুর নাটক এবং সিনেমা দেখতেন। সেই ছোটবেলা থেকেই তার মনে নির্মাতা, অভিনেতা হওয়ার ইচ্ছা জাগে। সেই ইচ্ছা শক্তি পলাশকে আজকে এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।

কোন এক নির্মাতা তাকে অভিনয় করার জন্য প্রস্তাব দেয়, পলাশ সে সুযোগটি হাতছাড়া করেনি বরং সেই নাটকটি অভিনয় করে পলাশ প্রচুর মানুষের মন জয় করেছিলেন। আর সেই নাটকটি টিভিতে প্রচার হওয়ার পর দারুন সাড়া পেতে থাকে। পলাশের প্রথম অভিনীত নাটকের নাম হল ট্যাটু। সেই নাটকের চাপাবাজি চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের কাছে পরিচিত লাভ করে এই অভিনেতা।

নাটকে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি নিজেই নাটক বানানো। সম্প্রতি তিনি ঘরে ফেরা নামে একটি নাটক তৈরি করেছেন। সেখানে অভিনয় করেন দুই জনপ্রিয় তারকা আফরান নিশো এবং মেহজাবিন চৌধুরী। পলাশ নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষা দিয়ে মানুষের আকর্ষণ সৃষ্টি করে। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা একজন ইঞ্জিনিয়ার। বর্তমানে পলাশের দুটি বাড়ি আসে। একটি গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীতে আরেকটি ঢাকায়। তার মাসিক আয় প্রায় ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা।

Continue Reading

গল্প

বিয়ে নিয়ে হাসির উক্তি

Bd Blogger

Published

on

বিয়ে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নারী ও পুরুষ একসাথে সুখের সংসার সাজায়। এই বিয়ে নিয়ে বিখ্যাত মনিষীরা নানা মজার উক্তি করে গেছেন। সেগুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।

* তোমরা যে বল দিবস-রজনী ‘বিবাহ করমু বিবাহ করমু’

সখী, বিবাহ কারে কয়/সে তো কেবলি যাতনাময় সে তো কেবলি চোখের জল?

সে কি কেবলি দুখের শ্বাস?



লোকে তবে করে কী সুখেরি তরে এমন দুখের আশ।

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

* শালা শালির হাতে মানিব্যাগ বিলিয়ে দেওয়া বিপজ্জনক কিন্তু বৌকে বিশ্বাস করে নিজের অতীত প্রেমের কথা খুলে বলা আরও বেশি বিপজ্জনক।

-আব্রাহাম লিংকন

* যে বৌয়ের কথায় তাল মিলিয়ে চলতে পারে সে বুদ্ধিমান পুরুষ। – মার্ক টোয়েন

* আমি আপনাকে কখনো গার্লস কলেজের সামনে ঘোরাঘুরি না করতে বলে সরাসরি প্রপোজাল পাঠিয়ে বিয়ে করতে বলি। কারণ বিয়েতে হয় আপনি বাঁচবেন না হয় মরবেন। কিন্তু সারাদিন গার্লস কলেজের সামনে ঘোরাফেরা করে আপনি না পারবেন পটাতে, না পারবেন বিয়ে করতে।

-এডলফ হিটলার

* বিবাহ মানেই ধোঁকা। আমাকে পারু ধোঁকা দিয়ে আরেক জায়গায় বিবাহ করে ফেলছে। আমার অনেক কষ্ট। ভাই, একটু গরম পানি হবে?

– শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়বিয়েটা একটা রোমাঞ্ছকর উপন্যাস, যার প্রথম

পরিচ্ছেদেই নায়কের মৃত্যু হয়ে থাকে।।

-সেক্সপিয়র

*মেয়েরা বিয়ের আগে কান্নাকাটি করে আর

ছেলেরা বিয়ের পর।।-পোলিশ প্রবাদ

*স্ত্রীর সঙ্গে বীরত্ব করে লাভ কি?আঘাত করলেও

কষ্ট, আঘাত পেলেও কষ্ট।।

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

* ‘আমি স্প্যামিং, হ্যাকিং কিংবা ভাইরাস ভয় পাই না,

কিন্তু কাবিননামায় সই করতে বড্ড ভয় পাই?’

-আলেকজান্ডার

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট