Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

শিক্ষা

শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে অ্যাসাইনমেন্ট

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন সেই কামনায় করি।

শিক্ষাসফর প্রতিটি শিক্ষার্থীদের জীবনের এক মজার অভিজ্ঞতার নাম।প্রতি বছর প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বছরের প্রথম দিকে শিক্ষা সফরের তারিখ নির্ধারিত হয়।  প্রতিটি শিক্ষার্থী জীবনের তাই শিক্ষাসফর এক বহুল আকাঙ্খিত এক ভ্রমন। প্রতিটি শিক্ষার্থী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে এই দিনটির জন্য। শিক্ষার্থীরা শিক্ষাসফরের দিন নিজেদের পছন্দমতো পোশাক পরে নিজেদের পছন্দমতো সেজে মজার ,আনন্দ এবং হয় হুল্লোড় এর মাধ্যমে দিনটি অতিবাহিত করে। ঐদিন থাকেনা কোনো ক্লাসের পড়া ,থাকেনা কোনো পরীক্ষা ,শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে কোনো এক ঐতিহাসিক স্থানে ভ্রমণ করে খাওয়া দাওয়া ,জ্ঞান অর্জন করা এবং আনন্দ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দিনটি অতিবাহিত করে থাকে।

অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষাসফরের দিন শিক্ষার্থীদের তাদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানার জন্য এসাইনমেন্ট দিয়ে থাকে। উক্ত এসাইন্টমেন্টে তাদের শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করতে বলা হয়ে থাকে।শিক্ষা সফরের এসাইনমেন্ট এর জন্য চারটি জিনিস প্রয়োজন।তা হলোঃ
১.শিরোনাম
২.ধন্যবাদ জ্ঞাপন সুচনা
৩. বর্ননা
৪.উপসংহার
আজ আমি তেমনি একটি শিক্ষা সফরের এসাইন্টমেন্ট কিভাবে লিখতে হয় তার নমুনা আপনাদের জানাবো। আশা করি আপনারদের উপকার হবে।
শালবন বিহারে একদিন
সবার প্রথমে আমি আমার প্রতিদঠান এবং শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি আমাদের এমন একটি ঐতিহাসিক স্থানে ভ্রমণে নিয়ে গিয়ে আমাদের ইতিহাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য জন্য।

Place your ad code here

গত ১০ এ এপ্রিল আমি আমাদের প্রতিষ্ঠানের অধীনে শিক্ষা সফরে অংশগ্রহণ করি। আমাদের শিক্ষাসফরের স্থান নির্ধারিত ছিল কুমিল্লা শালবন বিহারে। আমরা যেহেতু ঢাকা থেকে রওনা দিয়েছিলাম তাই আমাদের প্রতিষ্ঠানের ৮ টি গাড়ি ঢাকা থেকে সকাল ৭ টায় সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে রওয়না দিয়েছিলাম শালবন বিহারের উদ্দেশ্যে।বাসে উঠেই আমাদের সবাইকে আমাদের সকালের খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল।

আমরা সারা গাড়িতে আনন্দ করতে করতে ১১ তার দিকে কুমিল্লা শালবন বিহারে পৌঁছেছিলাম। শালবন বিহারে পৌঁছে ধংসাবশেষ টিলা দেখার জন্য আমরা প্রথমের শালবন বিহার রাজপ্রাসাধে প্রবেশ এর জন্য লাইনে দাঁড়াই ।শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ সবার টিকেট সংগ্রহ করে সবাইকে ভিতরে নিয়ে গেলো। আমরা পুরাটা ধ্বংসাবশেষ ঘুরে ঘুরে দেখলাম। কতটা নিখুঁত স্থাপনা হলে এত্তটা বছর পরেও এই ধ্বংসাবশেষ এখনো টিকে থাকতে পারে তা দেখছি।

এটি মূলত ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো কতৃপক্ষের দিকনির্দেশনায় পদক্ষেপের কারণে এটি মাটি থেকে তুলে এনে সংরক্ষণ করা হয়। প্রতিটি টিলায় ঘুরছে আর সামনে থাকা প্রতিলিপি থেকে ইতিহাসগুলো পড়ছি। প্রায় ১.৩০ ঘন্টা ঘুরে আমরা ছবি তুলে পাশের জাদুঘরে যাই ,টিলায় ধ্বংসাবশেষ ত্রিপুরা রাজার ব্যবহার করা জিনিস পত্র ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করলাম।

আগের দিনের রাজারা কতটা সৌখিন ছিল তা তাদের জাদুঘরে গিলে দেখতে পাওয়া যায়। যতটা ঘুরছি ঠিম ততটাই বিমূহিত হচ্ছি। চারদিকের ধ্বংসাবশেষ যেন চিল্লিয়ে চিল্লিয়ে যানান দিচ্ছে যে কোনো এক সময়ে এই দিকে কতটা জমজমাট ছিল যে আজ শুধুই ধংশাবশেষ। এইসব দেখে আমরা একটা জিনিস শিক্ষা পাচ্ছিলাম সব কিছু মানুষ চীর জীবন নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারে না। সময়ের প্রয়োজনে তা হারিয়ে যায়।

তারপর আমরা দুপুরের খাবার খেয়ে খানিকটা বিশ্রাম নিয়ে আবার বেরিয়ে যায় শালবনের পথে। শালবনের ভিতরে যতই যাচ্ছি ভারী ভারী গাছপালা আমাদের ঠিক ততটাই মুগ্ধ করছে। নানান রকম ভারী গাছপালা দেখে আমাদের বিদায় নেবার সময় হলো । এই মনোমুগ্ধকর জায়গা ছেড়ে মন যেতে চাচ্ছিলোনা। কিন্তু আমরা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি তা সারাজীবন পাথেয় হয়ে থাকবে।

সামনে নতুন টপিক নিয়ে হাজির হব আপনাদের সামনে।ধন্যবাদ সবাইকে।
মাস্ক পড়ুন
সুস্থ থাকুন

Related keyphrase: শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে অ্যাসাইনমেন্ট, শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে রচনা, শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা অর্জনের বিবরণ,  শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে রচনা,  shikkha sofor assignment bangla, শিক্ষা সফরের বিষয় গুলো ধারাবাহিক ভাবে লিখে যথাযথ বর্ণনা দিতে হবে, শিক্ষা সফর নিয়ে পোস্ট, শিক্ষা সফরে গিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন, শিক্ষা সফরে গিয়ে অভিজ্ঞতা, শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা বর্ননা, শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা বিবরন, শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে অ্যাসাইনমেন্ট bangla, শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা বিবরণ লিপিবদ্ধ, শিক্ষা সফরে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা, sikkha sofor er oviggota, শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা প্রতিবেদন, শিক্ষা সফরে গিয়ে কি কি অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়, শিক্ষা সফর অভিগতা, শিক্ষা সফর এর ইংরেজি, shikkha sofor oviggota assignment, শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা রচনা সোনারগাঁও, শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা অতিথির স্মৃতি, শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে অ্যাসাইনমেন্ট pdf, সোনারগাঁও শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা, শিক্ষা সফরের বিষয় গুলো

Advertisement
8 Comments
Subscribe
Notify of
8 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Mojammal Haque

অসাম

Md Golam Mostàfa

বাহ! ভাল তো!!

Masud Rana

বাহ!! বেশ ভাল হয়েছে।।

md safin ahmed

nice

শিক্ষা

৯ম শ্রেণির ব্যবসায় উদ্যোগ ( পার্ট-৩, ৪র্থ সপ্তাহ) এ্যাসাইনমেন্টের সমাধান

Kahhar Siddiquee Nayeem

Published

on

আসসালামু আলাইকুম, সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৬ সপ্তাহের পরিকল্পিত এ্যাসাইনমেন্ট প্রোগ্রামে  আজকে নিয়ে এলাম এই সপ্তাহে চলমান নবম শ্রেণির ব্যবসায় উদ্যোগ ( পার্ট-৩,  ৪র্থ সপ্তাহ) এ্যাসাইনমেন্টের সমাধান। তাহলে শুরু করা যাক।

       

        (ক)  উত্তর: ব্যবসা পরিকল্পনা হলো একটি লিখিত পরিকল্পনা যা ব্যবসা শুরু করার পূর্বে তৈরি করা হয়। ব্যবসা পরিকল্পনা আমাদের ব্যবসা গুলিতে মনোনিবেশ করতে সহায়তা করে।

 

        (খ)  উত্তর: সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে গঠিত শিল্পকে শিল্প বলা হয়। যে ব্যবসায় সংগঠন স্বল্প মূলধন ও জনবল নিয়ে গঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে ক্ষুদ্র শিল্প বলে। 

          সেবামূলক ক্ষুদ্র শিল্পের মূলধন 5 লক্ষ থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আর সেবামূলক ক্ষুদ্র শিল্পের শ্রমিক সংখ্যা 10 থেকে 25 জন পর্যন্ত হতে পারে।

 

        (গ) উত্তর: রুহির দেখা বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন শিল্পের মধ্যে ঝুড়ি, কুলা , চেয়ার, দোলনা, ফুলদানি ইত্যাদি শিল্প কুটির শিল্পের অন্তর্গত। নিচে এই শিল্প সম্বন্ধে আলোচনা করা হলো।

         যে শিল্প পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় অল্প মূলধন ও সীমিত আওতায় গড়ে ওঠে, সে শিল্পকে কুটির শিল্প বলা হয়। জমি ও কারখানা ছাড়াও শিল্পের স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৫ লক্ষ টাকার কম হয়। এ শিল্পে শ্রমিক সংখ্যা পরিবারের সদস্যসহ সর্বোচ্চ ১০ জন। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অগ্রগতিতে কুটির শিল্পের ভূমিকা ইতিবাচক। দেশের প্রায় ৯৬ ভাগ শিল্প, কুটির শিল্পের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হচ্ছে কুটির শিল্পে। দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য, লালন ও বিকাশেও এ শিল্পের ভূমিকা অনেক। 

            অতএব বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কুটির শিল্পের অবদান অপরিহার্য।

 

           (ঘ)  উত্তর: অবশ্যই, উদ্দীপকে প্রদত্ত তথ্য মতে এ খাতের বিকাশ সম্ভব বলে মনে করি।

             বর্তমানে কুটির শিল্প খাতের বিকাশে নারী উদ্যোক্তাদের ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানত বিহীন ঋণ প্রদান করছে। কুটির শিল্পের বিকাশে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ নিশ্চিতরূপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাছাড়া এদেশের ৯৬ ভাগ কুটির শিল্পের আওতাভুক্ত বলে এ সব শিল্পে বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিকল্পনা থেকে পরিচালনা ও বিকাশে কিছু উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কাঁচামালের সহজলভ্যতা, চাহিদা প্রভৃতি ওই সব উপাদান এর অন্তর্ভুক্ত। কাঁচামাল সহজলভ্য হলে কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কাজ সহজ হয়ে যায়।আর শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদন ও পরিচালনা অব্যাহত রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ দক্ষ শ্রমিক প্রয়োজন। ফলে প্রতিষ্ঠানের সব কার্যক্রম সহজে সম্পন্ন হয় ও ব্যয় কমে যায়। আবার পণ্য শুধু উৎপাদন করলেই হয় না, এর বিপণনও জরুরি। এজন্য স্থানীয় বৈদেশি চাহিদা বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে। এছাড়াও শিল্পের বিকাশে পুঁজির সহজ্যলভ্যতা, পরিবহন সুবিধা, বাজারের নৈকট্য সহায়ক ভূমিকা রাখে। উপরোক্ত বিষয়গুলো মাথায় রেখে কাজ করতে পারলে বাংলাদেশের কুটির শিল্পের বিকাশে আমরা আরো বেশি ভূমিকা পালন করতে পারব। 

           পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের কুটির শিল্পের একটি বিশাল সম্ভাবনাময় শিল্প এতে কোন সন্দেহ নেই।

.

কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন এবং  পরবর্তী এ্যাসাইনমেন্টগুলো পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ। 

 

আগের পোস্টটি পড়তে ক্লিক  করুন।






Place your ad code here




Continue Reading

শিক্ষা

তৃতীয় সপ্তাহের সপ্তম শ্রেনির কৃ্ষিশিক্ষা এসাইনমেন্ট উত্তর

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই ব্যক্ত করি।

এসাইনমেন্ট সিরিজের উত্তর দেওয়ার ধারাবাহিকতায় আমি আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি সপ্তম শ্রেণির তৃতীয় সপ্তাহের কৃষিশিক্ষা এসাইনমেন্ট উত্তর। আশা করি আপনাদের উপকার হবে।

#কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট

(১)বাংলাদেশের মানুষকে কেন মাছে ভাতে বাঙালি বলা হয়?
উত্তরঃমাছে ভাতে বাঙালি কথাটি প্রকৃত অর্থেই সঠিক।মাছে ভাতের সাথে বাঙালিদের সম্পর্ক বহুকাল আগের।আদিমকাল থেকে মাছ খেতো বাঙালি। মাছের সাথে ভাতের সম্পর্ক নিবিড় হওয়ায় কারনটি হলো বাঙালির মূখ্য খাদ্য ভাত
এবং দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় প্রধান পদ মাছ।আরেকটা কারণ হলো বাংলাদেশ ননদীমাতৃক দেশ।ধান এবং মাছ দুটোই খুব সহজলভ্য আমাদের দেশে।আর খাদ্য উপাদানের সহজলভ্যতা কোন অঞ্চলের সংস্কৃতির মূল ভিত্তি তৈরি করে।যে অঞ্চলে খাবার উপাদান যতটা সহজলভ্য সেই অঞ্চলের খাবার উপাদানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে সেই অঞ্চলের পরষ্পর খাদ্য সমূহ।এর ফলে ভাত ও মাছ বাঙালির প্রধান খাদ্য হয়ে ঊঠে।আর সেই জন্য সমস্ত বাঙলি জাতির সাথে মাছে ভাতে বাঙা্লি কথাটি ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িয়ে আছে।

(খ)একটি সমাজ গঠন করতে কৃষি কিভাবে ভূমিকা পালন করে?
উত্তরঃসমাজ গঠনে কৃষি প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি কাজের মূল চালক হলো কৃষক।কৃষক মাঠে ফসল ফলায়, মাঠ থেকে ফসল সংগ্রহ করে বাড়ি নিয়ে আসে। পরবর্তীতে বাড়িতে সেই ফসল যত্ন করে সংরক্ষন করে রাখা হয়।তাছাড়া পুরুষের পাশাপাশি বাড়ির মহিলারাও হাঁস মুরগী পালন করে। এভাবেই মানুষের মাঝে শ্রম বিভাজন হয়। এতে করে একটি ঐক্যবদ্ধতা গড়ে ঊঠে।
প্রথমে যদিও সেই ঐক্যবদ্ধতা পরিবারের মাঝে গড়ে উঠে পরবর্তীতে সেই ঐক্যবদ্ধতা সামাজিক বন্ধনে রুপ নেয়।এই সামাজিক ঐক্যবদ্ধতা সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সভ্যতার গোড়ার দিকে মানুষ যখন গুহায় বসবাস শুরু করলো।পরবর্তীতে গুহা ছেড়ে মাটির ঘর বাড়ি তৈরি করলো ঠিক সেই সময়ে ঘর থেকে আসতে আসতে গ্রামের পান্ডন শুরু হলো। মানুষ তার বুদ্ধি এবং শ্রম দিয়ে কৃষিকে করেছে উন্নর থেকে উন্নতকর।ফলে কৃষি ক্ষেত্রে বেড়েছে উৎপাদন এবং সেই সাথে মানুষের মাঝে আস্থা ও মূল্যবোধ তৈরি হয়েছে।এভাবে সমাজ গঠনে কৃষি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

(গ) কিভাবে সেচের পানি অপচয় হয়?
উত্তরঃ
যেভাবে সেচের পানি অপচয় হয়ঃ
পানি সেচ কৃষিকাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এটি।এটির ঘাটতি হয় ফসল ঊৎপাদন অসম্ভব হয়।কিন্তু সেচে পানি অপচয় হয়।বিভিন্নভাবে সেচে পানি অপচয় হতে পারে।
১.বাষ্পীকরণ
২.পানি অভিস্রাবন
৩.পানি চুয়ানো
ফলগাছের গোড়া এবং শাক সবজিতে কোন পদ্ধতিতে সেচ দেওয়া হয়ঃ

ফল গাছের গোড়ার সেচ পদ্ধতিঃ
ফল গাছের গোড়ায় বৃত্তাকার সেচ পদ্ধতিতে সেচ দেওয়া হয়।এই পদ্ধতিতে সমস্ত জমিকে সেচ না দিয়ে শুধুমাত্র উপযুক্ত স্থানে সেচ দেওয়া হয়।বৃত্তাকার সেচ পদ্ধতিতে ফল বাগানের একদম মাঝ বরাবর একটি নালা কাটা হয় এবং তা প্রধান নালার সাথে সংযোগ দেওয়া হয়।বৃত্তাকার সেচ পদ্ধতিতে পানির অপচয় হয় না এবং সেই সাথে পানি নিয়ন্ত্রন করাও বেশ সহজ।

শাকসবজি জমিতে সেচ পদ্ধতিঃ
শাকসবজির ক্ষেত্রে ফোয়ারা পদ্ধতিতে সেচ দেওয়া হয়।এ পদ্ধতিতে ফসলের জমিতে বৃষ্টির মত সেচ দেওয়া হয়।আমাদের দেশে ঝাঝড়ি দিয়ে বীজতলায় কিংবা চারা গাছে ফোয়ারা সেচ দেওয়া হয়।

রুট স্টক ও সায়ন বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃরুট স্টক ও সায়নের জোড়া লাগানোর পদ্ধতিকে বলা হয় জোড়া কলম।জোড়া কলম প্রধানত দুই ধরণের হয়।যেমনঃযুক্ত জোড়া কলম এবং বিযুক্ত জোড়া কলম।জোড়া কলমের মাধ্যমে বর্তমানে আম,সফেদা,তেজপাতা প্রভৃতি গাছের বংশবিস্তার হচ্ছে।জোড়া কলমের প্রধান দুটি অংশ হলোঃ১.রুট স্টকঃঅনুন্নত যে গাছের জোড়া লাগানো হবে তাকে রুট স্টক বলে।২.সায়নঃযে অঙ্গে উন্নত গাছের স্টকের সাথে লাগানো হয় তাকে সায়ান বলা হয়।

(ঘ)দুটি সবুজ সারের নাম লিখ।
উত্তরঃকৃষিকাজের সবুজ সার তৈরি হয় উপড়ে ফেলা বা বপন করা ফসলের পরিত্যাক্ত অংশগুলো দিয়ে।
দুইটি সবুজ সারের নাম হলোঃ
১.জৈব সার বা কম্পোস্ট সারঃগোবর,কমপোস্ট আবর্জনা, খরকুটা,আগাছা পচিয়ে জৈব সার তৈরি করা হয়।
২.রাসায়নিক সারঃএই ধরনের সারে নাইট্রোজেন, ফসফরাস,পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম থাকে।

২(ক) সিয়ামের টবে কোন পুষ্টি উপাদানের ঘাতটি লেগেছে?
উত্তরঃসিয়ামের টবে মরিচের গাছগুলো আয়রনের অভাবে পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি লেগেছে। কারণ গাছ এ আয়রনের অভাব হলে গাছের পাতার সবুজ রঙ বিবর্ণ হয়ে যায় এবং পরে সমগ্র পাতায় ছড়িয়ে পড়ে।
আয়রণ ও লৌহ গাছের সবুজ কণিকা ক্লোরোফিল গঠন করে বীজ উৎপাদনে এর ফলে গুনগত মান বাড়ায় শিকড় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

(খ) সিয়ামের চাচার পরামর্শ মূল্যায়ন কর।
উত্তরঃসিয়ামের মরিচ গাছগুলোর অবস্থা দেখে তার চাচার সঠিক মাত্রায় সার প্রদান করা পরামর্শটি একদম যৌক্তিক।কারণ উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য গৌণ পুষ্টি উপাদান আয়রণ বা লৌহ,তামা দস্তা, বোরন অল্প মাত্রায় প্রয়োজন।তাই গাছের পরিপূর্ণ বৃদ্ধিতে সার প্রদান করা উচিত।

ধন্যবাদ সবাইকে
মাস্ক পড়ুন
সুস্থ থাকুন






Place your ad code here




Continue Reading

শিক্ষা

৯ম শ্রেণির রসায়ন ( পার্ট-৩, ৪র্থ সপ্তাহ) এ্যাসাইনমেন্টের সমাধান

Kahhar Siddiquee Nayeem

Published

on

আসসালামু আলাইকুম, সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৬ সপ্তাহের পরিকল্পিত এ্যাসাইনমেন্ট প্রোগ্রামে  আজকে নিয়ে এলাম এই সপ্তাহে চলমান নবম শ্রেণির রসায়ন ( পার্ট-৩,  ৪র্থ সপ্তাহ) এ্যাসাইনমেন্টের সমাধান। তাহলে শুরু করা যাক।

 

(ক)  কাপড় কাঁচার সোডার জলীয় দ্রবণ + লেবুর রস =? 

উত্তর: কাপড় কাঁচার সোডার জলীয় দ্রবণ + লেবুর রস = ট্রাইসোডিয়াম সাইট্রেট + কার্বন ডাই- অক্সাইড + পানি

 

(খ) ডিমের খোসা + লেবুর রস=?

উত্তর: ডিমের খোসা + লেবুর রস= ক্যালসিয়াম সাইট্রেট + কার্বন ডাই-অক্সাইড + পানি

 

                ১নং প্রশ্নের উত্তর:

i) কাপড় কাঁচার সোডার রাসায়নিক সংকেত= Na2CO3

 

ii) ডিমের খোসার রাসায়নিক সংকেত= CaCO3

 

iii) এবং লেবুর রস এর রাসায়নিক সংকেত=  C6H8H7

 

বিক্রিয়া দুটির সম্পূর্ণরূপে নিচে দেওয়া হল:

 

ক.  Na2CO3 + C6H8H7 = NaC6H8O7+ CO2+ H2O

 

খ. 3CaCO3 + 2C6H8H7 = Ca3(C6H5O7)2 + CO2 + H2O

 

বিক্রিয়া দুটি ধরন:

আমরা জানি লঘু এসিড ও ধাতব কার্বনেট বিক্রিয়া করে লবণ, পানি ও কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে। “ক” ও “খ” বিক্রিয়া দুটি মূলত একই রকম বিক্রিয়া। “ক” বিক্রিয়ার বিক্রিয়ক কাপড় কাঁচার সোডা অর্থাৎ সোডিয়াম কার্বনেট এবং “খ” বিক্রিয়ার বিক্রিয়ক ডিমের খোসা অর্থাৎ ক্যালসিয়াম কার্বনেট দুটোই ক্ষারীয় প্রকৃতির। অন্যদিকে দুটি বিক্রিয়াতেই অন্য বিক্রিয়ক হিসেবে সাইট্রিক এসিড বিদ্যমান। আমরা জানি যে যেসব বিক্রিয়ায় এসিড এবং ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি উৎপন্ন করে তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলা হয়।প্রশমন বিক্রিয়া একটি নন রেডক্স বিক্রিয়া। এখানে নতুন যৌগ উৎপাদ হিসেবে উৎপন্ন হলেও জারণ সংখ্যা তেমন কোনো পরিবর্তন হয় না। এবং আমরা লক্ষ্য করেছি যে দুটি বিক্রিয়া থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড, পানি ও ক্ষার উৎপন্ন হয়েছে যা প্রশমন বিক্রিয়ায় উৎপাদ হিসেবে উৎপন্ন হয়।

সুতরাং, উভয় বিক্রিয়াই প্রশমন বিক্রিয়ার অন্তর্গত।  

.

 

কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন এবং  পরবর্তী এ্যাসাইনমেন্টগুলো পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ। 

আগের পোস্টটি পড়তে ক্লিক  করুন।

 






Place your ad code here




Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট