Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

টিপস এন্ড ট্রিকস

সন্তানের জেদ সামলাতে মা-বাবার করণীয়

kamrum naher123

Published

on

ছেলে – মেয়েদের বায়না সামলাতে কমবেশি সব মা-

বাবাদের হিমশিম খেতে হয়। খুব বকাঝকা করব, না

আদর দিয়ে বোঝাব বা ভুলিয়ে রাখবো? এই দোটানায়

সমস্যা আরও জটিল হয়ে যায়। একদিকে বকাঝকা

করতে ভয় লাগে, কারণ ছোট শিশুদের মনে অভিমান

জাগে। আর অন্যদিকে তাদের আদর করে বায়না

জিনিসটা দিতে দ্বিধা হয়, কারণ এতে শিশুটা জেদি

হয়ে যায়। শিশুদের সাথে কিভাবে ব্যবহার করলে

এই দুটো সমস্যার সমাধান করা যায় তা নিয়ে থাকল

আপনাদের জন্য কিছু টিপস,,,,,,,

১। প্রথম টিপসটা হলো আপনাদের জন্যই। হ্যাঁ ঠিক

পড়লেন মা-বাবা দের জন্যই। এখন যেহেতু বেশিরভাগ

মা-বাবাই চাকরি করে, সন্তানদের সময় দিতে পারি

না এই অপরাধবোধে আমরা সারাক্ষণ ভুগি। তাই ছোট

থেকে সন্তান যা যা চায় আমরা তা সাথে সাথে দিয়ে

ফেলি। কিংবা তাদের দামী দামী জিনিস দিয়ে তাদের

অভাব পূরনের চেষ্টা করি। এটা আসলে কোন সমাধান

না। তাই বলে আমি বলছি না, সন্তানদের কোন

জিনিস দেবেন না। কিন্তু একটু মনে রাখুন , ভালোবাসা

মূল্যবোধ এগুলো ভেতর থেকে এমনিই গড়ে উঠবে।

জিনিস দিয়ে সেটার রিপ্লসমেন্ট হয় না। তাছাড়া

আপনিও তো বড় হয়েছেন, কোন জিনিস না পেয়ে

কেদেছেন। তারপর সব ঠিক হয়ে গেছে। এই প্রসেসে

আপনিও বড় হয়েছেন। আপনি শুধু আপনার সন্তানের

পাশে থাকুন আর যত্ন নিন।

২। ছোট থেকে আপনার সন্তানের মধ্যে ভালো অভ্যাস

গড়ে তুলার চেষ্টা করুন ।ভালো অভ্যাস মানে ঠিক

সময় খওয়া আর ঘুম নয়। এর বাহিরেও একটু ভাবুন।

ধরুন আপনার বাসায় আপনার ননদের মেয়ে এসেছে।

আর ওর সাথে আপনার ছেলেও খেলছে। দুজনে

মিলে খেলার সময় ও যেন তার বোনকে তার খেলনা

দেয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। ভাই বা বোনের মধ্যে

ভাগাভাগির মানসিকতা গড়ে তুলুন।

৩। তাকে পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য ভালো প্রোজেক্ট

এ জড়ানোর চেষ্টা করুন যাতে তার মেধা বৃদ্ধি পায়।

৪। ছুটির দিনগুলোতে সন্তানের ঘুরতে নিয়ে যান। এতে

ঘুরাঘুরির আগ্রহ হারবে এবং বায়না বা জেদের হার

কমবে।

৫। সন্তানকে নিজের মত করে ভালো ভাবে বোঝান।

সুস্থ থাকুন
ঘরে থাকুন

Advertisement
8 Comments
Subscribe
Notify of
8 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Md Golam Mostàfa

শিশুকে বকাঝকা করলে সে মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পরে।

Maria Hasin Mim

thik bolechen

Shanta Akter

Nice post

Anisur Rahman

good

টিপস এন্ড ট্রিকস

শীতে শরীর ও ত্বক ভালো রাখার ১০ টি টিপস ।

mim hiya

Published

on

winter skin care

শীতের কথা বলতেই রুক্ষ, শুষ্ক, অনাদ্র , ইত্যাদি শব্দগুলো আমাদের মাথায় আসে , অথচ কিছু করনীয় আছে যেগুলো মেনে চললে শীতেও আপনার ত্বক থাকবে সুস্থ্য , সুন্দর , ও প্রাণবন্ত । সারাবছর অনেকেই ত্বকের যত্ন নেয় নানাভাবে কিন্তু, শীতের সময় আলসেমি বা সঠিক তথ্যের অভাবে তেমন যত্ন নেওয়া হয়ে ওঠে না , ফলাফলঃ- নির্জীব ত্বক । শীতে একটু সচেতন হলে , পেতে পারেন প্রাণবন্ত , সুন্দর ত্বক ।  নিচের ১০ টি  টিপস অনুসরন করলে আশা করি নিরাশ হবেন নাঃ-

১/ পানি পানঃ- জলবায়ু অনাদ্র থাকার কারনে , পানির কমতি হলে অনায়াসেই আপনার শরীর আদ্রতা হারিয়ে হয়ে ওঠবে অনাদ্র , রুক্ষ । আলসেমি অথবা শীতের কারনে অধিকাংশ মানুষ কম পানি পান করে থাকেন , এই বদ অভ্যাস ত্যাগ করুন । শীতেও আপনাকে দিনে  আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করতে হবে এতে শরীরের অন্য অন্য অংশ ভালো থাকার পাশাপাশি ত্বক ও ভালো থাকবে । ঠান্ডা পানির বদলে কুসুম গরম পানি ও পান করতে পারেন , মনে রাখবেন  শীতে পানি বেশি করে পান করতে হবে ।

২/গোসলঃ- শীত মানেই তো ঠান্ডা , আর ঠান্ডায় গরম পানি দিয়ে গোসল ভাই এটাই তো নিয়ম ! জ্বী না এটা নিয়ম না , পানির হিম কমানোর জন্য সাথে গরম পানি মেশাতে পারেন তবে সেটা খুব কম পরিমানে , যদি আপনি বেশি গরম পানি দিয়ে গোসল করেন তাহলে অবশ্যই সেটা ভালো ফল বয়ে আনবে না শরীরের আদ্রতা ক্রমশ হ্রাস পাবে । গোসলের আধঘন্টা আগে শরীর ও মুখে মেখে নিন অলিভ অয়েল , যদি আপনার পক্ষে অলিভ অয়েল ব্যয় সাপেক্ষ হয়ে থাকে তবে শুধু মুখেই মেখে নিতে পারেন , এবং শরীরে খাটি নারিকেল তেল অথবা সরিষার তেল । এতে করে সহজে আদ্রতা হারাবে না ।

৩/ গোসলের পরেঃ- গোসলের পর পর ই শরীরে লোশন মেখে নিন এতে করে ভালো ফলাফল পাওয়া যায় , এবং মুখে অবশ্যই অয়েল বেসড ময়শ্চরাইজার ।

৪/বাহিরে বের হলেঃ- শীতে রোদ থাকে প্রখর ফলে খুব সহজেই ত্বকে প্রভাব ফেলতে পারে , বাহিরে বের হলে অবশ্যই অবশ্যই সান স্ক্রিন মেখে বের হবেন ।এই সময় ধুলোবালি খুব সহজেই লেগে যায় ফেরার পর  ডিপ ক্লিঞ্জার দিয়ে মুখ ধুয়ে নিবেন আরো ভালো হয় যদি , মুখ ধোয়ার পর পানিতে গোলাপজল মিশিয়ে মুখটাকে পুনরায় ধুয়ে নিতে পারেন ।

৫/ রাতের রুটিনেঃ-রাতে ত্বকের সঠিক যত্ন করা অতি জরুরী , সারাদিনের ক্লান্তিতে ত্বকের বারোটা বেজে যায়! রাতে ত্বকের কোষগুলো প্রাণবন্ত হওয়ার সুযোগ পায় এক্ষেত্রে সঠিক যত্নের আব্যশক রয়েছে । আল্যোভেরার সাথে ই ক্যাপসুল মিশিয়ে মুখে দিলে আশ্চর্যজনক ফল পাবেন , তবে তা নিয়মিত দিতে হবে । এই ট্রিকস টা অনুসরন করে দেখতে পারেন , শীতে এর থেকে ভালো ত্বকের যত্নের জুরি মেলা ভার !

৬/ ঠোট ভালো রাখতেঃ- অনেকেই অনেক পরামর্শ দিয়ে থাকেন এক্ষেত্রে তবে আমি প্যাট্রোলিয়াম জেলি ব্যাবহার করতে নিষেধ করবো , কারন এটা ঠোটকে কালচে বানিয়ে ফেলে,ঠোট গোলাপী ও ভালো রাখতে প্রতিদিন রাতে গ্লিসারিন মেখে ৫ মিনিট হাল্কা ঘষুন তারপর শুকনো কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে  লিপবাম লাগান । ১৫ দিনের মধ্যে আশানূরুপ ফলাফল পাবেন ।

৭/হাতের যত্নেঃ- হাতের যত্নে লোশন তো মাখবেন ই , তার পাশাপাশি যদি লোশন মাখের আগে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে নিতে পারেন তবে আর চিন্তা করতে হবে না , শীতভর হাত থাকবে সুন্দর , প্রাণবন্ত।

৮/পায়ের যত্নেঃ -পা  ফাটা অনেকের সংগী বিশেষ করে শীতের সময় , এটা দূর করতে প্রথম থেকেই রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পায়ে নারিকেল তেল মেখে ৫ মিনিট অপেক্ষা করবেন এবং এর পরপরই প্যাট্রোলিয়াম জেলি মাখবেন ।

৯/ চুলের যত্নেঃ- শীতের সময় কখনোই গরম পানি মাথায় দেবেন না , সাথে গরম পানি মিশিয়ে হিম ছাড়িয়ে মাথায় দিতে পারেন । শীতে অধিক শ্যাম্পু করা থেকে বিরত থাকুন , তা নাহলে চুলে খুশকি হওয়ার পাশাপাশি চুল রুক্ষ হয়ে যাবে ।  চুলে যথাসম্ভব তেল দিন , তেল দিতে অনাগ্রহি হলে শুধু অগ্রভাগে দিন তারপর ও দিন ।

১০/শরীরের সুস্থ্যতায়ঃ- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান , পাশাপাশি মৌসুমি শাকসবজি তো আছেই ।

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

দারাজে একাউন্ট খোলার নিয়ম

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগণ। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।আপনারা সকলেই নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই ব্যক্ত করি।

বর্তমানে সারা বিশ্বব্যাপি ই -কমার্স সাইটের জয় জয়কার।মানুষ এখন বাইরে গিয়ে কেনাকাটা করার চাইতে ঘরে বসে অনলাইন শপিং করাকে পছন্দ করে।গ্রাহকদের এই পছন্দকে এবং গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই ই- কমার্স সাইটের জন্ম।বাইরের দেশগুলোতে ই- কমার্স সাইট অনেক দূর এগিয়ে গেলেও বাংলাদেশ সেই তুলনায় খানিকটা পিছিয়ে।কিন্তু তবুও অনেক ই কমার্স সাইট গ্রাহকদের মন্র বিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে সচেষ্ট।

সময়েরা সাথে সাথে বাংলাদেশে অনেক ই কমার্স সাইট গড়ে উঠেছে। দারাজ তাদের মধ্যে অন্যতম।এই সাইটে আপনি আপনার পছন্দমতো যেকোনো পণ্য পাবেন আপনার সাধ্যের মধ্যেই। হাজার হাজার দেশি বিদেশি পন্যের সমাহার রয়েছে দারাজে।দারাজে আপনি শুধুমাত্র যে পন্য কিনতে করতে পারবেন তা কিন্তু নয়। বরং আপনি আপনার ব্যবসার কাজ করতে পারবেন দারাজ এ।দারাজ এ তাই দুই ধরনের একাউন্ট খোলা হয়। দারাজে একাউন্ট খোলার নিয়ম :

১.ক্রেতা একাউন্ট
২.সেলার একাউন্ট।

আজ আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব কিভাবে আপনি দারাজে একাউন্ট খোলতে হয়।তাহলে দেরি না করে শুরু করে দেই আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু।

১.ক্রেতা একাউন্টঃআপনাকে দারাজে ক্রেতা একাউন্ট খুলতে হলে সবার আগে দারাজের এপটি আপনার মোবাইলে ইন্সটল করতে হবে।নিচে আমি এপ লিংক দিয়ে দিচ্ছিঃ
লিংকঃ
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.daraz.android

প্রথমে এই লিংকে গিয়ে প্রথমে আপনাকে গুগল প্লে স্টোর থেকে এপটি ইন্সটল করতে হবে।এপ ইনস্টল করা হলে আপনাকে এপটি ওপেন করতে হবে।এপটি ডাউনলোড হবার পর এপটি ওপেন করে নিচে একাউন্ট অপশনে যাবেন।গিয়ে আপনি ফেইসবুক এবং গুগল এর সাহায্য একাউন্ট খুলতে পারেন।তার পর আপনাকে আপনার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার দিয়ে ফরম পূরন করলে একাউন্ট খোলা হয়ে গেলো।

২.সেলার একাউন্টঃসেলার একাউন্ট খোলার জন্য সবার আগে  আপনাকে নিচের লিংকে যেতে হবেঃ
লিংকঃ

https://sellercenter.daraz.com.bd

এই লিংকে গিয়ে ক্রিয়েট একাউন্ট এ যাবেন।ক্রিয়েট একাউন্ট এ গিয়ে আপনার নাম,ইমেইল আইডি,মোবাইল নাম্বার, আপনার শপ ডিটেলস কোড সহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি পূরণ কর‍তে হবে।আপনার একাউন্ট খোলার কিছুক্ষনের মধ্যেই দারাজ কতৃপক্ষ আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি জানিয়ে দিবে।

আশা করি আজকের পোস্টটির মাধ্যমে দারাজ একাউন্ট খোলার বিস্তারিত তথ্যাদি সম্পর্কে জানাতে সক্ষম হয়েছি।সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে। ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

কোর্ট ম্যারেজ এর নমুনা কপি ডাউনলোড লিংক

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় ব্যক্ত করি।

বিবাহ একটি পবিত্র এবং সুন্দর সামাজিক বন্ধন বলে বিবেচিত হয় আমাদের এই সমাজে। প্রাপ্ত বয়ষ্ক ছেলে মেয়ে তাদের পারিবারিক আত্নীয়দের উপস্থিতিতে কাজী সাহেব এর সম্মতিতে বিয়ে হয়ে থাকে। এটি একটি সর্বজন স্বীকৃত উপায়।কিন্তু বর্তমানে যুগ পাল্টেছে। তাই আজকাল কার ছেলেমেয়েরা প্রেম ভালোবাসাত সমীকরণে জড়িয়ে যায়।আর বাবা মা যদি তাদের এই পছন্দ মেনে না নেয় তখন তারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে।পালিয়ে গিয়ে বিয়ে দুইধরনের রয়েছে।
১.কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে
২. কোর্টে গিয়ে বিয়ে যা  কোর্ট ম্যারেজ নামে পরিচিত।
কাজী অফিসে বিয়ে কথা আমরা অনেকেই জানি। আজ আমি আপনাদের সামনে কোর্ট ম্যারেজ নিয়ে আলোচনা করব। আশা করি আপনারা সাথেই থাকবেন।

আজকাল অনেকের মুখে একটি কথা প্রায় শুনা যায় তা হলো কোর্ট ম্যারেজ। সাধারণত ম্যাজিস্ট্রেট এর উপস্থিতিতে বর এবং কনের মধ্যে বিবাহ বন্ধনে আবোধ্য হওয়াকে বলা হয় কোর্ট ম্যারেজ।হবু বড় এবং হবু কনে ২০০ টাকা সমমূল্যের একটি হলফনামা কিনে কোর্টে মেজিস্ট্রেদের উপস্থিতিতে সাক্ষর দেওয়ার মাধ্যমে মাধ্যমে এই বিবাহ সম্পন্ন হয়।  একটি হলফনামায় বর্ণিত থাকে বিবাহের প্রমাণ।  যার বাস্তবিক কোনো ভিত্তি নেই। অর্থাৎ কোর্ট ম্যারেজ এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। সেই সাথে মুসলিম আইন ,হিন্দু আইন কিংবা অন্যানো যেকোনো আইনের ক্ষেত্রে কোর্ট ম্যারেজ বৈধতার কোনো ধরণের প্রমান পাওয়া যায় নি। তাই এক কোথায় বলতে গেলে কোর্ট ম্যারেজ অবৈধ।

এতসব ঝামেলার পরও তরুণ তরূনীরা আবেগের বসে এসে কোর্ট ম্যারেজ করে বসে।কোর্ট ম্যারেজ করার জন্য তাই প্রথমে প্রয়োজন হবে একটি স্ট্যাম্প কিংবা হলফনামা। যা আপনাকে কিনে নিতে হবে। পরে আপনাকে নিচের লিংকে ফরম পূরণ করলেই বিবাহ সম্পন্ন হবে।

কোর্ট মেরেজ করার জন্য একটি হলফনামার প্রয়োজন হয় ,সেই হলফনামার ডাউনলোড লিংক :

http://www.forms.gov.bd/site/view/form-page/8d3904bd-1c88-4b5a-90d6-95dcd1088d3b/%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%AE%20%E0%A6%A8%E0%A6%82-%E0%A7%A7%E0%A7%AC%E0%A7%A6%E0%A7%A7%20(%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%20%E0%A6%98)%20%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE

এই সাইটে ধুকলে ” ফরম নং -১৬০১( ফরম ঘ) নিকাহনামা ”
নামে একটি লিখা আসবে।সেই লিখায় আপনাকে ক্লিক করতে হবে।সেই ফরম টি ডাউনলোড করে পুরণ করলে কাজ শেষ হবে।

সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে।ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট