স্বাগত বক্তব্যের নমুনা, কিভাবে উপস্থাপন করবেন

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আনেক ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদেরকে স্বাগত বক্তব্যের নমুনা, স্বাগত বক্তব্য কিভাবে উপস্থাপন করবেন । তো আর দেরি না করে চলুন শুরু করা যাক।


তো আজকের পোস্টে আমরা কিছু প্রচলিত স্বাগত বক্তব্য নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি। স্বাগত বক্তব্য কথাটা বেশি একটা পরিচিত না হলেও আমরা সবাই কমবেশি অনেকবার তা শুনেছি বা দেখেছি। তাহলে এই স্বাগত বক্তব্য কি? আমরা অবশ্যই আলোচনা সভায়, কোনো বক্তৃতায় কিংবা কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছি। মূলত কোনো অনুষ্ঠান কিংবা বিদ্যালয়ের প্রধান অতিথি বা বিশেষ অতিথির আগমনে যে বক্তব্য দেওয়া হয় সেটিই হচ্ছে স্বাগত বক্তব্য। তো কোনো ব্যক্তি এসকল স্থানে কথা বলা শুরুর আগে এই স্বাগত বক্তব্য দিয়ে নেয়।

এটি কেন দেওয়া হয়? বর্তমানে এটি একটি বক্তৃতার অংশ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এটি মূলত দেওয়া হয় বক্তব্যটি শুরু করার জন্য। অর্থাৎ মূল অংশ বা মূল কথা বলার পূর্বে কিছু অতিরিক্ত কথা। কিন্তু অনেকক্ষেত্রে স্বাগত বক্তব্যই মূল বক্তব্য। যেমনঃ নববর্ষের শুভেচ্ছা। তো এই স্বাগত বক্তব্য কিভাবে দেয়? এটি অনেকটাই নির্ভর করে কোন বিষয়ের উপর আপনি বক্তব্যটি দিতে যাচ্ছেন। কিন্তু মেইন বেইস একই। নিচে স্বাগত বক্তব্যের কতিপয় নমুনা দেওয়া হলো।

আমরা প্রায় সবাই স্কুলে স্বাগত বক্তব্য শুনেছি। কোনো বিশেষ দিনে, স্কুলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে কিংবা বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতার দিন। তো এসময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিংবা বিদ্যালয় বোর্ড কমিটির প্রধান স্বাগত বক্তব্য দেয়।
মনে করুন, আপনি হচ্ছেন ‘ক’ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আপনার বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎসবে আপনার স্থানীয় জেলা প্রশাসক ও এম.পি. এসেছেন। এখন আপনি একটি স্বাগত বক্তব্য দিবেন।

স্বাগত বক্তব্যের নমুনা

“বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। আসসালামু আলাইকুম সুধীবৃন্দ। কেমন আছো সবাই? আশা করি সবাই অনেক ভালো আছো। আমিও তোমাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি। আজ ‘গ’ জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের একটি আমাদের বিদ্যালয় ‘ক’ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮০ বছরে পা দিয়েছে। আজ এই মহান বিদ্যালয়ের শুভ মূহুর্তে আমাদের সাথে রয়েছেন আমাদের প্রধান অতিথি, ‘গ’ জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব জাহিন খান। আর বিশেষ অতিথি হিসেবে আছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী জনাব ড. সাহেদ মিয়া (এম. পি.)। তাদের জন্য জোড়ে হাতে তালি হোক। তাদের সহায়তায় আজ আমাদের বিদ্যালয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যেতে পেরেছেন। আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
এখন আমি আমাদের প্রধান অতিথি জনাব জাহেদ খান সাহেবকে স্টেজে আসার জন্য ও তার বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাবো।

তো এই ছিল স্বাগত বক্তব্যের নমুনা। পোস্টটি কেমন লাগলো দয়া করে কমেন্টে জানাবেন, যদি ভাল লেগে থাকে তাহলে অবশ্যয় শেয়ার করবেন, পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এমন সব দারুন দারুন পোস্ট পেতে Grathor এর সাথেই থাকুন এবং গ্রাথোর ফেসবুক পেইজ ও ফেসবুক গ্রুপ এ যুক্ত থাকুন, আল্লাহ হাফেজ।

Related Posts

2 Comments

মন্তব্য করুন