Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

টিপস এন্ড ট্রিকস

হয়ে যাও উদ্যোক্তা

Published

on

একটা ভালো আইডিয়া , একটি ভালো পরিকল্পনা তৈরি তে সহায়তা করে । আর একটি সঠিক পরিকল্পনা ই পারে জীবন কে বদলে দিতে । আইডিয়া সঠিক সময়ে সঠিক  পরিকল্পনায়  রুপান্তরিত করলে এবং পরিকল্পনা কে বাস্তবায়ন এর উদ্যোগ নিলেই সম্ভব ভালো কিছু করে দেখানো । প্রায় সময় আমাদের মাথায় আইডিয়া গিজ গিজ করে । কিন্তু সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে তা আবার অচিরেই হারিয়ে যায় । সবসময় কিন্তু আইডিয়া মাথায় আসে না , একথা মনে রাখতে হবে । আর যখন ই মাথায় কোনো আইডিয়া আসবে , তখন তা নিয়ে ভাবতে হবে । যদি কোনো ব্যস্ততা থেকে থাকে তাহলে আইডিয়ার কথা লিখে রাখতে হবে , যাতে পরবর্তীতে এ বিষয়ে ভাবা যায় । ভালো আইডিয়া হতে পারে তোমার চিন্তা  ভাবনার ক্রিয়েটিভিটি এর বহিঃপ্রকাশ । তোমার চিন্তা ভাবনার উপর নির্ভর করবে তোমার সৃজনশীলতা ।

সফলতার মুখ দেখা অন্যতম সেরা বিজনেস আইডিয়া এর বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে  “নিউজ ক্রেড” , এটি একটি কন্টেন্ট মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান । মার্কেটিং এর সম্ভাব্য তা চিন্তা করে প্রতিষ্ঠান টির উদ্যোগ নেয়া হয় । বিশ্বের জনপ্রিয় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান উন্নত মানের কনটেন্ট এর জন্য নিউজ ক্রেড এর উপর নির্ভর করে । নিউজ ক্রেড একটি বাংলাদেশী কন্টেন্ট মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান । তুমি ও চাইলে এরকম ই একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারো !  তবে  আরো ও অনেক বিজনেস আইডিয়া রয়েছে যেগুলো প্রতি নিয়ত আমাদের মাথায় আসে । এটি একটি উদাহরণ মাত্র , কিভাবে একটি বিজনেস আইডিয়া কে বিজনেস প্ল্যান করে বাস্তবায়ন করা যায় । আর এভাবেই নতুন নতুন উদ্যোগ তৈরি হবে । আর প্রতি টি উদ্যোগ এর সফলতা নির্ভর করবে আইডিয়া এর জন্য প্রণীত পরিকল্পনা এর উপর । শুধু আইডিয়া নয় , আইডিয়া বাস্তবায়নের জন্য আইডিয়া এর সাথে সঠিক পরিকল্পনার ও প্রয়োজন ।

একটি ভালো আইডিয়া পেয়েছি সুতরাং আমি একটি বিজনেস এর উদ্যোগ নিয়ে সফল হতে পারব এটা ভূল ধারণা । কারন শুধু ভালো আইডিয়া দিয়ে বিজনেস এ সফল হওয়া যাবে না , আইডিয়া টি বাস্তবায়নের জন্য,  আইডিয়া অনুযায়ী কিভাবে তা বাস্তবায়ন করা যায় , কিভাবে মূলধন যোগান দিতে হবে , কিভাবে প্ল্যান টি নিয়ে কাজ করতে হবে , কিভাবে উদ্যোগ টি সঠিক ভাবে সম্পন্ন করা যাবে , তার জন্য একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে । মনে রাখতে হবে যে , পরিকল্পনা হচ্ছে রোড ম্যাপ এর মতো এটি একজন পাইলট এর জন্য নীল নকশা ও বটে , যা দিয়ে সে সামনে এগোতে পারে । একজন উদ্যোক্তা এর জন্য পরিকল্পনা ও ঠিক এমন যা তাকে ব্যবসায়ীক পথ দেখাবে ।  আর এ জন্য অবশ্যই আইডিয়া অনুযায়ী একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে । যা উদ্যোগ কে আলোর মুখ দেখাবে ইনশাল্লাহ । সকল উদ্যোক্তা কে উদ্যোগ নেয়ার আগে এসব বিষয় বিবেচনায় নেয়া জরুরি ।

Advertisement
Click to comment

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

টিপস এন্ড ট্রিকস

ছাত্র অবস্থায় অর্থ উপার্জন এর ৫টি উপায় !

Published

on

আমাদের স্কুল জীবনের গন্ডি পার হয়ে যায় ক্লাস এ প্রথম হওয়ার প্রতিযোগিতায় । যখন আমরা স্কুল জীবন শেষ করে কলেজ লাইফে প্রবেশ করি তখন আমাদের মাথায় একটা চিন্তা ঘুরে, আর সেটা হচ্ছে অর্থ উপার্জন এর । কিভাবে নিজের খরচ নিজে চালানো যায় সেই চিন্তায় মগ্ন থাকি আমরা বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে – মেয়েরা । এমন কি আমরা পার্ট টাইম জব খুঁজি ‌। কিন্তু সবাই সুবিধা মত পার্ট টাইম জব খুঁজে পায় না । আমাদের চিন্তা টা চিন্তায়  থেকে যায় । ছাত্র অবস্থায় যেভাবে  অর্থ উপার্জন করা যায় তার পাঁচ টি উপায়  নিয়ে এই আর্টিকেল টি ।

১. প্রাইভেট পড়ানো : ছাত্র অবস্থায় অর্থ উপার্জন এর প্রধান উপায় হলো প্রাইভেট পড়ানো/টিউশনি । বই কিংবা পড়া লেখার যত সান্নিধ্যে থাকা যায়, নিজের পড়া লেখা ও তত ভালো হয় ।  আমরা পড়া লেখার ফাঁকে অন্যান্য জব করতে গেলে সেটা হয়ে যায় অনন্য কাজের ফাঁকে পড়া লেখা ! কারন তখন অন্যান্য জব এর ব্যস্ততায় পড়া লেখা কে ভুলতে বসি, টাকার মোহে আকৃষ্ট হয়ে পড়া লেখার  আগ্রহ হারিয়ে যায় । কিন্তু আমরা যখন প্রাইভেট পড়ায়, পড়া লেখার সংস্পর্শে থাকি তখন পড়াশুনার প্রতি আগ্রহ দ্বিগুন বেড়ে যায় । তাই ছাত্র অবস্থায় অর্থ উপার্জন
এর মাধ্যম হিসেবে আমারা এটিকে নির্দ্বিধায় নিতে পারি । আর এটা আমাদের জন্য মঙ্গল জনক ও বটে ।

২. ইন্টার্নশিপ :  ইন্টার্নশিপ হচ্ছে আপনি যে বিষয়়ে পড়ালেখা করছেন, অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা তাদের প্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড এর ছাত্রদের অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য কাজের সুযোগ করে দেয় । কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ইন্টার্নশিপ এর জন্য অর্থ প্রদান করেন না । তবে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান অর্থ প্রদান করে । এতে আপনার যেমন কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন হবে তেমনি হাত খরচ এর অর্থের ব্যবস্থা ও হবে ।

৩. আর্টিকেল লেখা : আমাদের অনেকের ই লেখার হাত অনেক ভালো । আমি হাতের লেখা সুন্দর এর কথা বলছি না । আমি বলছি ভালো চিন্তা ভাবনার কথা যা আমরা লিখতে পারি । আমরা অনেকেই ডায়রি লিখি যা আমাদের জন্য প্লাস পয়েন্ট । আমাদের লেখার অভ্যাস ও সক্ষমতা কে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ওয়েব সাইট এ ফ্রিল্যান্সার কন্টেন্ট/আর্টিকেল রাইটার হিসেবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারি । প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ওয়েব সাইট তৈরি হচ্ছে, যেগুলো তে প্রচুর পরিমাণে কন্টেন্ট/আর্টিকেল রাইটার প্রয়োজন আপনি সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন ।

৪. আউটসোর্সিং : আউটসোর্সিং বর্তমানে জনপ্রিয় একটি পেশা । আপনার মধ্যে কম্পিউটার এর ব্যসিক জ্ঞান থাকলে ( এমএস ওয়ার্ড, এমএস এক্সেল, এমএস পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদি ) এবং আর্টিকেল লেখার অভ্যাস থাকলে আপনি আউটসোর্সিং সাইট গুলোতে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন । তবে এক্ষেত্রে ধৈর্যৈর প্রয়োজন । কারন নতুন অবস্থায় কাজ পেতে দেরি হয়ে ।

৫. ইউটিউবিং : ইউটিউব বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও এন্টারটেইনমেন্ট প্লাটফর্ম । এই সাইটটি সম্পর্কে সবাই জানে, তবে এই সাইটটিতে অর্থ উপার্জন করতে হলে ভালো মানের ভিডিও আছে দিতে, আর এতে ভিজিটর আকর্ষীত হবে, তাহলে সহজেই ভেরিফিকেশন পেয়ে যাবেন এবং আয়ের পথ সুগম হবে ।  ধন্যবাদ পুরো আর্টিকেল পড়ার জন্য ।

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

একজন ভালো লেখক হবার কৌশল

Published

on

By

লিখতে হয়তো সবাই পারে কিন্তু ভালো লেখক হওয়া সকলের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। একজন লেখক শুধু লিখা প্রকাশ করে না বরং তার লেখায় ফুটে ওঠে অক্ষরের মায়াজাল যে জালে পাঠকেরা আটকে থাকতে চায় বছরের পর বছর। একজন গুণী লেখক তার শব্দভাণ্ডারের কল্পনা রাজ্য তৈরী করে।

একজন লেখক বেঁচে থাকে তার পাঠকের মাঝেই। লিখালিখি একধরণের সৃষ্টি। প্রতিটি শব্দ ,বাক্য ,লাইনের মিলন মেলায় পরিণত করে একজন লেখকের রচনা। একজন প্রকৃত লেখক কেউ এমনি এমনি হয়ে উঠে না। তার জন্য দরকার অনেক সাধনা ,অনেক পরিশ্রম। একজন লেখক হবার গুণাবলী সমূহ সংক্ষিপ্ত আকারে নিচে প্রকাশ করা হলো :

১.লিখালিখি শুরু করুন উচ্চাকাঙ্খা নিয়ে : লিখালিখি শুরু করতে হবে কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে। কারণ উদ্দেশ্যহীন গন্তব্যে কখনো সফলতায় আহরণ করা যায়না। তাই একজন লেখক হতে হলে আপনার কিছু উদ্দেশ্য থাকতে হবে।

২.বাক্যচয়ন সংক্ষিপ্ত করুন : একজন প্রকৃত লেখক হতে হলে আপনার বাক্যচয়ন এর দিকে দৃষ্টিপাত করতে হবে। প্রতিটি বাক্য হতে হবে সংক্ষিপ্ত ও মাধুর্যপূর্ণ।

৩.সংক্ষিপ্ত এবং দীর্ঘ বাক্যের সংমিশ্রণ : সংক্ষিপ্ত বাক্যের পাশাপাশি দীর্ঘ বাক্যের যুগল বন্দি লেখায় ফুটিয়ে তুলবে মাধুর্য।

৪.ব্যবহার করতে হবে সঠিক শব্দটি : প্রকৃত শব্দটি ফুটিয়ে তুলতে হবে আপনার লেখায়। যে সকল শব্দ বাড়াবে আপনার লেখার সৌন্দর্য।

৫.নিজের লিখাটি শেষ করবার আগে পড়ুন : যখন লিখাটি শেষ হবে অবশ্যই নিজে একবার পরে নিবেন। মানুষ মাত্রই ভুল। ভুলক্রটি থাকবেই। কিন্তু যেই লিখা আপনার কাছেই পড়তে আকর্ষণীয় হবে না। তা আপনার পাঠকের কাছে উপস্থাপন করা বৃথা চেষ্টার সামিল।

৬.উপসংহার এ আনুন মাধুর্য : মনে রাখবেন আপনার লিখার উপসংহার তা হবে প্রতিটি পাঠকের কাছে একটা বার্তা যা আপনি পুরা লিখাটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করেছেন। তাই আপনার লিখার পরিসমাপ্তি সুন্দর করে উপস্থাপন করে তুলতে চেষ্টা করুন।

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

একজন সফল উদ্যোক্তা হবার মন্ত্র

Published

on

By

আমাদের মাঝে অর্জন হচ্ছে ডিজিটাল সেক্টর এর বেসিকগুলো। পাশাপাশি বিজনেস, চাকরির জন্য মানুষ অর্জন করেছে দরকারি দক্ষতা। এখন প্রায় অনেকের মনেই জেগেছে  নিজের জন্য কিছু করার বাসনা। তবে  শুধুমাত্র টাকা থাকলে হবে না হবেনা কোন ইচ্ছা থাকলেও।

তার জন্য মাথায় রাখতে হবে নিচের ৯ টি জিনিস। নিজেকে দক্ষ করতে হবে এই ৯ টি জিনিসের উপর।

১.যোগাযোগ:   একজন উদ্যোক্তা হতে হলে অবশ্যই আপনাকে যোগাযোগ  ব্যাবস্থাপনায় দক্ষ হতে হবে। আর সেটা হতে হবে অবশ্যই সকল প্রকার মানুষের সাথে। সামাজিক এবং যোগাযোগ ব্যাবস্থাপনায় দক্ষ হয়ে জেনে নিতে হবে সকলের মনের খবর।কারণ  আপনাকে নিজের জন্য কিছু শুরু করতে হলে যেনে নিতে হবে অন্যকে।

২.ফাইন্যান্স: আপনাকে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলে অবশ্যই ফাইন্যান্স এ দক্ষ হতে হবে। আপনাকে জানতে হবে কিভাবে এবং কোথায় কোথায় কি পরিমানে টাকা খরচ করতে হবে। প্রোডাক্টিভিটির কস্ট থেকে শুরু করে সকল বিষয় সময় ধারনা থাকতে হবে।

৩. নিজের ব্র‍্যান্ডিং: আপনি যা শিখবেন+আপনি যা দেখবেন+আপনার বিবেচিত নিজের মতামত অভিজ্ঞতা =নিজের ব্র‍্যান্ডিং। একমাত্র ব্যাপক অভিজ্ঞতা আপনাকে দিতে পারে একটি সফল ব্র‍্যান্ডিং এর স্বাদ।

৪.ডিজিটাল মার্কেটিং:  আপনাকে জানতে হবে এই লেভেল এর বেসিক থেকে ইন্টারমিডিয়েট লেভেল অব্দি ।আর কাজ করতে করতে হয়ে যাবেন প্রফেশনাল ।

৫.নেটওয়ার্ক: এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনাকে নিজেকে জানা অজানার প্ররিধি বাড়াতে হবে। সাহায্য করতে হবে সবাইকে। সবার পাশে থাকতে হবে। তাহলে অন্তত আপনার খারাপ সময়ে একজনকে হলেও পাশে পাবেন ।

৬.অটোমেশন: আপনার কাজের স্বয়ংক্রিয়তা বাড়াতে হবে। একটি কাজ বার বার করার তুলনায় যেই কাজ খুবই অল্প সময়ে সফটওয়্যার এর মাধ্যমে করা যায় সেটিই হল অটোমেশন। এতে কাজ শেষ হবে তাড়াতাড়ি  ভুল হবে কম।

৭.ডিজাইন: একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলে আপনাকে ডিজাইনিং এ দক্ষ হতে হবে। ধারণা রাখতে হবে গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা বিজনেস মডেল সম্পর্কে।

৮. টেকনিকেল বিষয়সমূহ: টেকনিকেল বিষয়গুলোতে আপনাকে হতে হবে হক্ষ।কম্পিউটার, হার্ডওয়্যার জিনিসগুলো থেকে শুরু করে আপনাকে জানতে হবে কি করে ওয়েবসাইট বানাতে হবে কি করে তা লঞ্চ করতে হয়।

৯.শিক্ষা: শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। প্রতিদিন নতুন কিছু শিখার চেস্টা করুন। দেখবেন আপনার সফলতা কেউ আটকাতে পারবেন না ।

আমারা সকলে সফল হতে চাই। কিন্তু সফলতা খুব সহজে  ধরা দিবে না। তার জন্য রাতদিন পরিশ্রম করতে হবে। আপনি যদি নিজের কাজের প্রতি সৎ, নিষ্ঠাবান, নিজের কাজের প্রতি দ্বায়িত্ববান হয় তাহলে আপনার সফলতা কেউ আটকাতে পারবে না ।আশাকরি উপরের বিষয়গুলা আপনাদের সেই ক্ষেত্রে সাহায্যের চাবিকাঠি হবে। সকলের সফলতা এবং মজ্ঞল কামনা করি।

Continue Reading