Connect with us

গ্রাথোর ফোরাম

Please or Register to create posts and topics.

গ্রাথোর ফোরামে পোস্ট করে আয় করুন

12

ধেয়ে আসছে করোনার wave 2 ভার্সন।বাইরের দেশে ইতিমধ্যে করোনার wave 2 দেখা দিয়েছে।এখন দেখার বিষয় হলো কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে করোনার wave 2।

ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের করোনার আক্রমণ প্রথম দফায় আঘাত এনেছে।করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে কতোশত পরিবার সন্তান হারা হয়েছেন কতশত পরিবার মা বাবাহীন নিঃশ হয়েছেন তার হিসাব নেই।

তাই সকলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বএ সতর্ক থাকুন।সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। বের হবার পর নিয়মিত মাস্ক পরিধান করুন ,জীবানুনাশক স্প্রে ব্যবহার করুন ।সর্বএ নিজে এবং পরিবারকে সুস্থ রাখুন।

ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন

সুস্থ থাকুন

 

Uploaded files:
  • received_378046510024668.jpeg

রুলস জানিয়ে দিলে আমাদের জন্য খুব বেশি সুবিধা হবে। আর এটা একটা ভাল উদ্যোগ।

আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ

করোনায় আতঙ্ক না হয়ে

নিয়ম মেনে নিরাপদে থাকার চেষ্টা করা

উচিৎ....

আসন্ন শীতে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে করোনা ভাইরাস

ম.ম.রবি ডাকুয়া

অসন্ন শীতে সম্ভাব্য করোনায় মোকাবেলায় কতটা প্রস্তুত বিশ্ব। ঘনিভুত ভংগুর অর্থনীতি নিয়ে সব দেশকি পারবে সামাল দিতে ও সম্ভাব্য বিপদ মোকাবেলা করতে। এ প্রশ্ন এখন বিশ্ব ব্যপি।গরমে করোনার প্রকোপ কিছুটা দমে থাকলেও আসন্ন শীতে এর ভয়াবহতা আবার বাড়তে পারে বলে আশংকা করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

গত বছরে ২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহান শহর থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়েছে ধারনা হলেও এবং একটি এনিমেল মার্কেট এর উৎস্য মনে করা হলেও এর সত্যতা এবং নির্ভর যোগ্যতা নিশ্চিত নয় ততটা।যেহেতু এটার মাত্রা তারতম্য পরিলক্ষিত হয় বিজ্ঞানীদের মধ্যে কেউ কেউ ধারনা করছে এটা খুব স্বল্প মাত্রার কয়েক বছর আগে থেকে মানুষের শরীরে জন্ম লাভ ও বংশ বিস্তার করে থাকতে পারে।এবং এটা ধিরে ধিরে বংশ ও পূর্ণ শক্তি লাভ করে থাকতে পারে।এবং যা অতিরিক্ত মৃত্যু বরনে টনক নাড়িয়ে দেয়।অনেক আগে হয়তো মৃত্যু পরিলক্ষিত হয়নি তাই এ ভাইরাসের বিষয়ে অনুষন্ধান করেনি কেউ।

উপসর্গের পূর্ণ বিকাশ লাভ না হলে অনেক ক্ষেত্রে জানা সম্ভব নাও হতে পারে।জ্বর আর শুকনো কাঁশি করোনা রোগের প্রধান লক্ষন হলেও কিছু ক্ষেত্রে গলা ও মাথা ব্যথা ডায়রিয়ারও লক্ষন দেখা দিতে পারে।অনেকের আবার হাতে পায়ে ছোপ ছোপ দাগ দেখা গেছে যা বাংলাদেশ  সহ কিছু নাতিশীতষ্ণ দেশের চর্ম রোগ ও ঋতুর তারম্যের মধ্যে পড়ে দু চারটা লক্ষন।তাই এক দিকে যেমন অক্রান্তদের অতংকিত করে অন্য দিকে বিশেষজ্ঞরা রোগ চিহ্নিতে হিম শিম খাচ্ছে।অনেক রোগী হয়তো জানেই না তারা মাসের পর মাস এ ভাইরাস শরীরে বহন করে চলছে।আক্রান্তের ধরন হালকা,মাঝারি ও পরিপূর্ণ নানান শ্রেনী বিন্যাসে হওয়ায় দুর্ভেধ্যে হচ্ছে ভাইরাস টি।প্রানঘাতি হলেও রোগ সংক্রমন ক্যটাগরীতে এটা সর্দি জ্বর সম গোত্রের হওয়ার কারনে এর প্রতিশেধক উদ্ভাবন সম্ভাবনা শূণ্যের কোঠায় ধারনা করছে কিছু কিছু বিশেষজ্ঞরা।প্রাদুর্ভাবের মাত্রা ও লক্ষনের ধরন ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় এত ভিন্ন আইটেমে প্রতিশেধক তৈরী চিহ্নিত এবং প্রয়োগ অদৌ সম্ভব নয় বিধায় কোন কোন বিশেষজ্ঞরা হাত গুটিয়ে নিয়েছে।কোন কোন বিজ্ঞানীরা দু এক মাত্রার লক্ষন ও ধরন ভিত্তিক প্রতিশেধক ও প্রতিরোধক আবিস্কার করলেও তা সব মাত্রায় কাজ করতে নাও পারে।তাই আদৌ কোন প্রতিরোধক নিশ্চিত ভাবে তৈরী হয়নি বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের।এক মাত্র নিজ নিজ শরীরের প্রতিরোধক ক্ষমতাই কাউকে বাঁচিয়ে দিতে পারে।যা কিনা বয়স্ক রোগীর মধ্যে অধিক মৃত্যু প্রমান করে।

মাইকেল হলিক নামে মার্কিন মেডিসিন,ফিজিওলজি এবং বায়েফিজিক্স বিষয়ের অধ্যাপক করোনার অলৌকিক প্রতিরোধক ও প্রতিশেধকের অপেক্ষা বন্ধ করতে বলা এ আমেরিকান বোষ্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জন অধ্যাপক।তিনি নিশ্চিত করেছেন ভিটামিন ডি করোনার সংক্রমন থেকে ৫৪ শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে।আর সূর্যের তাপ থেকে যথেষ্ট ভিটামিন ডি পাওয়া সম্ভব যা শীত কালিন আবহাওয়ায় ব্যহত হয়।

সদা পরিবর্তনশীল এ ভাইরাসটি ।তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শনাক্ত করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এখনো।তাই উদ্ভাবিত সব শেষ ভ্যকসিন টিও কাজ না করতে পারে যা আগুনে জল ঢেলে দেয়ার মত হতাশা ব্যঞ্জক হবে।তাই বিভিন্ন দেশের আবিস্কৃত ভ্যকসিন কিছুটা সত্য কিছুটা মিথ্যা হয়ে দেখা দিয়েছে।

করোনা নামক মহামারী বিশ্ব দাপিয়ে কিছুটা স্থিমিত হলেও আসন্ন শীতে এর হামলা আশংকা পুরো পুরি উড়িয়ে দেয়া যায়না।এবং এর মোকাবেলায় পুরো পুরি প্রস্তুত থাকতে হবে বিশ্ববাসীকে মত বিশেষজ্ঞদের।

Uploaded files:
  • visual_v9.jpg

Allah vorsa

Quote from গ্রাথোর স্টাফ on August 29, 2020, 8:16 pm

এখন থেকে এই গ্রাথোর ফোরামে ছোটখাটো পোস্ট করলে প্রতি পোস্টে 0.5 থেকে 1 টাকা করে দেওয়া হবে।

আমি আজ একাউন্ট করলাম । আমার জন্য কোন উপদেশ আছে কি ?

12