Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

টিপস এন্ড ট্রিকস

অনলাইনে কারো সাথে ঘনিষ্ঠতার ক্ষেত্রে কী কী বিষয় মাথায় রাখা উচিত?

Md Golam Mostàfa

Published

on

আজকাল ইন্টারনেটের কল্যাণে পুরো দুনিয়া আপনার হাতের মুঠোয়। দুনিয়াতে এমন কি আছে, যা অনলাইনে পাওয়া যায় না? এমন কি এখন প্রেমও অনলাইনে করা যায়! প্রথমে অনলাইনে অচেনা বন্ধুর সাথে চ্যাট, দিনে দিনে চেনা – জানা, তারপর প্রেম, এরপর দুজনে সাক্ষাত। আরোও কত কি!

আবার এই অনলাইনে কিন্তু আপনি প্রতারণার শিকারও হতে পারেন! হারাতে পারেন ধন, সম্পদ, মান – সম্মান, এমন কি সাধের জীবনটা পর্যন্ত!! অতএব, সাধু সাবধান!!!

সাবধানতার কথা যখন চলেই এলো, তাহলে চলুন দেখা যাক অনলাইনে যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ থেকে রক্ষা পেতে কি কি করা যেতে পারে।

অনলাইনে অপরিচিত ব্যক্তি, ভালো বা খারাপ দু’রকমই হতে পারে। তাই যতক্ষন না সেটা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে, ততক্ষণ চ্যাট বা চ্যাটের সূত্রে বন্ধুত্বের সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে –

১। নিজের প্রকৃত নাম, ঠিকানা, বয়স, ই-মেইল আইডি ইত্যাদি অপর পক্ষকে জানানো উচিৎ হবে না। (পরবর্তীতে যদি এটা বুঝা যায় যে অচেনা বন্ধুটি প্রকৃতপক্ষেই ভালো, তখন তাঁকে নিজের সম্পর্কে সবকিছু বলা যেতে পারে। এক্ষেত্রে, প্রথম দিকে এই সতর্কতা অবলম্বন করাকে, তিনি অর্থাত্‍ অচেনা বন্ধু অবশ্যই সাধুবাদ জানাবেন।)

২। নিজের ছবি, নিজের ঘনিষ্ঠ কারোর ছবি, কিংবা কোন তথ্য কোনো অবস্থায়ই তাকে দেয়া ঠিক হবে না। (কারণ, ছবির ব্যবহার কী পর্যায়ে হবে, সেটা আপনি নিশ্চিত নন।)

৩। অচেনা বন্ধুর কাছ থেকে প্রাপ্ত কোনো লিংকে (আপাতদৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলেও) ঢোকা উচিৎ নয়।

৪। অচেনা বন্ধুর প্রোফাইল অতি বিচক্ষণতার সাথে বিবেচনা করুন। প্রোফাইলে আত্মকথার বর্ণনায় যদি আত্ম প্রচারের সুর থাকে, তবে, খুবই সন্তর্পণে এগোন। প্রোফাইলে কোনো অসামঞ্জস্য আছে কি না, সেটা বিশ্লেষণ করুন।

৫। লক্ষ্য রাখুন, কোন কোন ব্যাপারে অচেনা বন্ধুটি উৎসাহ প্রকাশ করছেন।প্রথম দিকেই যদি ব্যক্তিগত বিষয়ে তার উৎসাহ থাকে, তাহলে সন্তর্পণে এগোনো দরকার।

৬। অচেনা বন্ধু যে সব ব্যাপারে উৎসাহ দেখাচ্ছেন, সে সব ব্যাপারে নিজের উৎসাহ থাকলেও, সেটা প্রকাশ না করে, নিরুৎসাহ প্রকাশ করে দেখুন কী প্রতিক্রিয়া হয়। ভালো বন্ধু হলে, তিনি আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ, অপছন্দের মর্যাদা দিবেন।

৭। বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিন্ন করার অভিনয় করুন। অচেনা বন্ধুর থেকে সম্পর্ক বজায় রাখার ব্যাপারে উৎসাহের আতিশয্য, সন্দেহের কারণ হতে পারে।

৮। অচেনা বন্ধুর থেকে কোনোরূপ উপহার গ্রহণ করার ব্যাপারে, অবশ্যই সতর্ক থাকুন। (উপহার সামগ্রী পাঠানোর ছলে ডেলিভারী চার্জের কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা কিন্তু অহরহ ঘটছে!)।

৯। যতক্ষণ না বন্ধুর সততা সম্পর্কে নিশ্চিত হচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার নিজের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য প্রদানে বিরত থাকুন।

১০। সামনা সামনি দেখা করার ক্ষেত্রে অচেনা বন্ধুর নয়, বরং নিজের পছন্দের স্থানটিই নির্বাচন করুন। দেখা করার সময়, অপ্রত্যাশিত বিপদের মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন এবং অবশ্যই নিজের ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত জনদের পরোক্ষ নজরদারির ব্যবস্থা রাখুন। যাতে প্রয়োজণে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

আপনার জীবন পূর্ণ থাকুক অনাবিল হাসি আর আনন্দে এই প্রত্যাশায়, আল্লাহ্‌ হাফিজ।

Advertisement
1 Comment
Subscribe
Notify of
1 Comment
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments

টিপস এন্ড ট্রিকস

কোর্ট ম্যারেজ এর নমুনা কপি ডাউনলোড লিংক

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় ব্যক্ত করি।

বিবাহ একটি পবিত্র এবং সুন্দর সামাজিক বন্ধন বলে বিবেচিত হয় আমাদের এই সমাজে। প্রাপ্ত বয়ষ্ক ছেলে মেয়ে তাদের পারিবারিক আত্নীয়দের উপস্থিতিতে কাজী সাহেব এর সম্মতিতে বিয়ে হয়ে থাকে। এটি একটি সর্বজন স্বীকৃত উপায়।কিন্তু বর্তমানে যুগ পাল্টেছে। তাই আজকাল কার ছেলেমেয়েরা প্রেম ভালোবাসাত সমীকরণে জড়িয়ে যায়।আর বাবা মা যদি তাদের এই পছন্দ মেনে না নেয় তখন তারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে।পালিয়ে গিয়ে বিয়ে দুইধরনের রয়েছে।
১.কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে
২. কোর্টে গিয়ে বিয়ে যা  কোর্ট ম্যারেজ নামে পরিচিত।
কাজী অফিসে বিয়ে কথা আমরা অনেকেই জানি। আজ আমি আপনাদের সামনে কোর্ট ম্যারেজ নিয়ে আলোচনা করব। আশা করি আপনারা সাথেই থাকবেন।

আজকাল অনেকের মুখে একটি কথা প্রায় শুনা যায় তা হলো কোর্ট ম্যারেজ। সাধারণত ম্যাজিস্ট্রেট এর উপস্থিতিতে বর এবং কনের মধ্যে বিবাহ বন্ধনে আবোধ্য হওয়াকে বলা হয় কোর্ট ম্যারেজ।হবু বড় এবং হবু কনে ২০০ টাকা সমমূল্যের একটি হলফনামা কিনে কোর্টে মেজিস্ট্রেদের উপস্থিতিতে সাক্ষর দেওয়ার মাধ্যমে মাধ্যমে এই বিবাহ সম্পন্ন হয়।  একটি হলফনামায় বর্ণিত থাকে বিবাহের প্রমাণ।  যার বাস্তবিক কোনো ভিত্তি নেই। অর্থাৎ কোর্ট ম্যারেজ এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। সেই সাথে মুসলিম আইন ,হিন্দু আইন কিংবা অন্যানো যেকোনো আইনের ক্ষেত্রে কোর্ট ম্যারেজ বৈধতার কোনো ধরণের প্রমান পাওয়া যায় নি। তাই এক কোথায় বলতে গেলে কোর্ট ম্যারেজ অবৈধ।

এতসব ঝামেলার পরও তরুণ তরূনীরা আবেগের বসে এসে কোর্ট ম্যারেজ করে বসে।কোর্ট ম্যারেজ করার জন্য তাই প্রথমে প্রয়োজন হবে একটি স্ট্যাম্প কিংবা হলফনামা। যা আপনাকে কিনে নিতে হবে। পরে আপনাকে নিচের লিংকে ফরম পূরণ করলেই বিবাহ সম্পন্ন হবে।

কোর্ট মেরেজ করার জন্য একটি হলফনামার প্রয়োজন হয় ,সেই হলফনামার ডাউনলোড লিংক :

http://www.forms.gov.bd/site/view/form-page/8d3904bd-1c88-4b5a-90d6-95dcd1088d3b/%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%AE%20%E0%A6%A8%E0%A6%82-%E0%A7%A7%E0%A7%AC%E0%A7%A6%E0%A7%A7%20(%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%20%E0%A6%98)%20%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE

এই সাইটে ধুকলে ” ফরম নং -১৬০১( ফরম ঘ) নিকাহনামা ”
নামে একটি লিখা আসবে।সেই লিখায় আপনাকে ক্লিক করতে হবে।সেই ফরম টি ডাউনলোড করে পুরণ করলে কাজ শেষ হবে।

সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে।ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

ঘরে বসেই তৈরি করুন অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

Shanta Akter

Published

on

অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের যাদুকরী গুণ সম্পর্কে আমরা প্রায় সবাই-ই জেনে থাকি। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে এটি খুবই জনপ্রিয় এবং প্রয়োজনিয়। এটি ওজন কমাতে এবং চুল পরা রোধ করতে বেশ উপকারি। এগুলো ছাড়াও অনেক কাজে ব্যবহার করা হয় এই অ্যাপেল সিডার ভিনেগার।

  • অ্যাপেল সিডার ভিনেগার আমাদের দেশে এখনও সব জায়গা তে সহজলভ্য নয়। তাই বিশেষ প্রয়োজনের সময় চাইলেও আমরা ব্যবহার করতে পারিনা। মুলত সুপার শপ গুলোতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার এভেইলেবল থাকে। শুরু করা যাক প্রস্তুত প্রনালী।

উপকরণঃ
১. অ্যাপেল (পরিমান মতো)
২. সুগার (অর্গানিক সুগার হলে বেশি ভালো হয়)
৩. কাচের জার বা বয়াম (আবশ্যকিয়)

প্রস্তুত প্রণালীঃ আপনি যে পরিমাণ বানাতে চান তার উপর নির্ভর করে আপেল নিতে হবে। আমি এখানে দুটি আপেলের মেজারমেন্ট নিয়ে আলোচনা করবো।

প্রথমে আপেল দুটো কে ভালোভাবে ধুয়ে শুকনো কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে নিতে হবে। যাতে আপেলের গায়ে পানি লেগে না থাকে।এরপর আপেল গুলো কে পাতলা স্লাইস করে কাটতে হবে। একটি কাচের বয়াম নিন। সেখানে আপেল গুলো রেখে,বয়ামের গলা অব্দি পানি ঢালুন। পানি টা অবশ্যই ফুটিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে। ১ চামচ অর্গানিক সুগার ঢেলে একটি কাঠের কাঠির সাহায্য নেড়ে দিন।

মনে রাখবেন, সিলভার বা স্টিল জাতীয় কিছু দিয়ে নাড়বেন না। তাহলে পর্যাপ্ত ব্যাকটেরিয়া জন্মাবে না। তারপর একটি কাপড় বা ভারি টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে নিবেন, যাতে ভিতরে বাতাস প্রবেশ করতে পারে। বয়াম টি গরম স্থানে রাখতে হবে, যাতে ফাঙ্গাস না পড়ে। চাইলে চুলার পাশেও রাখতে পারেন।

এক সপ্তাহ পর বয়ামের মুখ খুলে আরও এক টেবিল চামচ সুগার এড করে নিবেন এবং নেরে দিবেন। আবার কাপড় মুড়িয়ে রেখে দিবেন।

এভাবে এক সপ্তাহ পরপর তিন সপ্তাহ পর্যন্ত সুগার এড করতে হবে। প্রায় চার সপ্তাহ পর হয়ে যাবে পারফেক্ট অ্যাপেল সিডার ভিনেগার উইথ মাদার। চতুর্থ সপ্তাহে দেখতে পারবেন আপেলর রং বদলে কমলা কালার হয়ে গেছে এবং আপেল গুলো খুবই নরম কোমল হয়ে গেছে।

বয়ামের মুখ খুলে একটি ছাকনি দিয়ে আপেল থেকে পানি টা আলাদা করে নিতে হবে। পানিটা একটি কাচের বয়ামে রেখে দিন এক মাসের জন্য। একমাস পর যখন মুখে দিবেন দেখবেন রস টা টক এবং ঝাঁঝালো মনে হচ্ছে। যদি এরকম মনে হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার রেসিপি টি পারফেক্ট ভাবে বানানো হয়েছে। একমাস পরেও যদি রস টা হালকা মিস্টি লাগে তাহলে আরও এক সপ্তাহের জন্য রেখে দিন।
ধন্যবাদ 💕

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

জিপি ওয়েলকাম টিউন বন্ধ করার নিয়ম

Maria Hasin Mim

Published

on

 

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় ব্যক্ত করি।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরে বিপ্লব ঘটেছে। বাংলাদেশে টেলিকমিউনিকেশন সেক্টর এগিয়েছে বহুদূর। গ্রাহকসংখ্যার দিক দিকে গ্রামীনফোন এগিয়ে আছে অন্য সকল টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানিগুলো থেকে। গ্রাহকদের জন্য নানান ধরণের অফার এবং সেই সাথে নিরবিচ্ছিন্ন গ্রাহকসেবার দিক চিন্তা করে গ্রামীনফোন অনন্য এবং অদ্বিতীয়।

গ্রাহকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে সবসময় নানান ধরণের অফার নিয়ে হাজির হয় গ্রামীনফোন। গানপ্রেমী গ্রাহকদের জন্য গ্রামীনফোন নিয়ে এসেছিলো ওয়েলকাম টিউন। আপনি চাইলে আপনার পছন্দতমতো যেকোনো টিউন সেট করতে পারবেন আপনার মোবাইল ফোনে সেই কথা এখন সবার জানা। যদি আপনি আপনার মোবাইল ফোনের অয়েল টিউন সেট করে থাকেন তাহলে আপনাকে যে কল করবে সে যতক্ষণ কল বাজবে ততক্ষন গান শুনতে পারবেন।

কিন্তু অনেক সময় এই নিয়ে খানিকটা ঝামেলায় পড়তে হয়। আপনি যদি কোথায় জব করে থাকেন তখন আপনার উপরস্থ কোনো কর্মকর্তা ফোন দিলে খানিকটা বিপদে পড়তে হয়। তাই এই ক্ষেত্রে ওয়েলকাল টিউন বন্ধ রাখার কথা মাথায় আসতে পারে। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে কিভাবে ওয়েলকাম টিউন বন্ধ রাখতে হয়। আজ তাই কিভাবে গ্রামীনফোনের ওয়েলকাম টিউন বন্ধ রাখতে হয় সেই বিষয় সম্পর্কে পোস্ট নিয়ে আমি হাজির হয়েছি আপনাদের সামনে।আশা করি আপনাদের উপকার হবে।

আপনি যদি ওয়েলকাল টিউন সাময়িক বন্ধ রাখতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে :

১.প্রথমে আপনাকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে যেতে হবে।
২.মেসেজ অপশনে গিয়ে ON /OFF লিখে ২4000নাম্বারে পাঠিয়ে দিতে হবে।
৩.কিন্তু সাময়িক বন্ধ করলেও আপনাকে সাবস্ক্রিশন ফি প্রদান করতে হবে।

যেহেতু সাময়িকভাবে বন্ধ করলেও আপনাকে ফি দিতে হচ্ছে।এর থেকে আপনাকে পুরোপুরি বন্ধ করাটাই শ্রেয়।একখন আসি যদি আপনি স্থায়ী ভাবে ওয়েলকাম টিউন বন্ধ রাখতে চান  সেইজন্য আপনাকে নিচের দিকগুলো অনুসরণ করতে হবেঃ

১.প্রথমে আপনার হ্যান্ডসেটে মেসেজ অপশনে যেতে হবে।
২.মেসেজ অপশনে গিয়ে STOP লিখে পাঠিয়ে দিতে হবে 24000নম্বরে।
৩.এভাবেই সার্ভিসটি স্থায়ীভাবে ববন্ধ হয়ে যাবে এবং সাথে আপনি একটি কনফার্মেশন মেসেজ পেয়ে যাবেন।

সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে। ধন্যবাদ সবাইকে।
ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট