Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

আমাদের লাইফস্টাইলে কেন রুটিন মানবো? এর উপকারিতা বা প্রয়োজনীয়তা কি?

Eshrad Ahmed

Published

on

আমাদের কেন রুটিন মানতে হবে? আসলে রুটিন মানার কথা অনেকেই বলেন। মোটিভেশনাল ভিডিও থেকে শুরু করে মানসিক চিকিৎসক, এমনকি সফল ব্যক্তিত্ব যারা আছে সবাই বলেন- দৈনন্দিন কাজের একটা পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। সেই অনুযায়ী রুটিন করে চলা উচিত।

 

রুটিন মেনে চলার উপকারিতা:
১। কাজের একটা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা থাকে।
২। সব কাজ গোছানো থাকে আর কোনটা জরুরী এবং কোন কাজটা করার জন্যে হাতে সময় আছে সেটা জানা থাকে।
৩। কাজের ফলে সৃষ্ট মানসিক চাপ কম হয়।
৪। কাজের সময় তাড়াহুড়ো করতে হয় না। এমনকি ডেইটলাইন বা নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাবার ভয় থাকে না।
৫। মন থেকে ভয় দূর হয় এবং আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।
৬। পূর্বপ্রস্তুতি নেয়া এবং পরিকল্পনা করার মতো পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়।
৭। এছাড়া কাজের বাইরে কতটুকু অবসর পাওয়া যায় এবং সেই সময়টাকে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সেই সম্পর্কে ধারণা করা যায়।

 

এখন আরেকটা প্রসঙ্গ হচ্ছে সফল ব্যক্তিরা কেন রুটিন মানতে বলেন? এখানে কোনো যাদুকরী বিদ্যা নেই আর যারা সফল বা বিখ্যাত হয়েছেন তারাও সেটা একদিনে অর্জন করেননি। রুটিন শুধু করলেই হবে না বরং সেটাকে নিয়মিত দেখতে এবং আপডেট করতে হবে। একদিনে সময় সবার জন্যেই ২৪ ঘন্টা। কিন্তু কে কিভাবে সময়টাকে কাজে লাগাচ্ছে তার উপর কাজের সফলতা অনেকখানি নির্ভর করে। আর পরিকল্পনা করা না থাকলে যে কোনো কাজের জন্যে গড়ে অনেক বেশি সময় আর পরিশ্রম দিতে হয় গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

 

অনেকে বলে থাকেন- প্রতিদিন রুটিন করা হয় না কিংবা আগের দিন যা পরিকল্পনা করি, পরদিন সেইমতো কাজ করা হয় না। এটা হতেই পারে। সেইক্ষেত্রে রুটিনটা বদল করে নিতে ভুলবেন না। তাছাড়া প্রতিদিন কাজের তালিকা চেক করতে ভুলবেন না। আর তাড়াতাড়ি হতাশ হবেন না।

 

দিন, তারিখ, সময়ের হিসেব রাখুন। একদিন করতে না পারলে পরদিন সেটা পুষিয়ে দেবার চেষ্টা করুন। এটা অবশ্য অভ্যাসের ব্যপার। একদিনে রুটিন মানার অভ্যাস করা সম্ভব নয় এটা ধ্রুব সত্য। বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের ছোট ছোট কাজের প্রতিদিনের রিপোর্ট রাখে। বিক্রি, আয়, ব্যয়, বিনিয়োগ সবকিছুর হিসেব রাখা হয়। পরবর্তীতে সাপ্তাহিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং জমা করা হয়। তারা এই কাজটি করে যাতে কাজের হিসেব এবং পরিস্থিতি দুটো সম্পর্কেই অবগত থাকা যায়।

 

প্রতিদিনের কাজের পাশাপাশি খরচেরও একটা তালিকা করা যেতে পারে যাতে বাড়তি খরচ অনেকাংশে কমানো যায়। মোটিভেশনাল ভিডিওগুলো এই কথাগুলোই বারবার বলে যাতে আপনি বা আপনারা নিজেদের কাজের সাথে সম্পৃক্ত রাখতে পারেন এবং মানসিকভাবে ভেঙ্গে না পারেন। রুটিন করে কাজ করলে দেখবেন কাজের গতি এবং গুণগত মান অনেকখানি বেড়ে গেছে। যদি কাজের মাঝে বিরতি রাখেন সেটাও তালিকাতে উল্লেখ করতে পারেন।

 

সবাইকে ধন্যবাদ এই আর্টিকেলটি পড়ার জন্যে। সবাই ভালো থাকবেন এবং চেষ্টা করবেন প্রতিদিনের কাজের একটি করে তালিকা রাখতে। এতে দিনশেষে যে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন বা ফেলতে পারবেন, তার সাথে পৃথিবীর কোনোকিছুরই তুলনা হয় না!

লাইফস্টাইল

সে দিনের কথা মনে পড়লে আজও কান্না চলে আসে

sijan Ahammed

Published

on

শৈশবের সেই সুখ মাখা স্বৃতি গুলো এখন দীর্ঘশ্বাস হয়ে বেরিয়ে আসে,, চলো আর একটি রার ফিরে আসি সেইদিন গুলো থেকে

চলো একবার ক্লাসরুমে বসে উদগ্রীব হয়ে কান পেতে থাকি দপ্তরির হাতের হাতুড়ি আর পেতলের থালার সংঘর্ষের অপেক্ষায়।
চলো এক মুহুর্তের জন্য ভুলে যাই মার্কার পেনের কালো রক্তে ক্ষতবিক্ষত হোয়াইট বোর্ডের উপর ভেসে উঠা বিদঘুটে গাণিতিক সমীকরণ।
চলো ব্ল্যাক বোর্ডের উপর আগের মতো ভাঙ্গা চক চালাই, আর কাঠের ডাস্টার দিয়ে ভুল গুলো মুছে মুছে সরল অংক সমাধান করি।
চলো সাদা রঙ্গের ময়লা কামিজে বল পয়েন্টের আঁকিবুঁকি নিয়ে ভয়ে ভয়ে আরো একবার মায়ের সামনে দাড়াই।
চলো নীল ডাউন হই, চলো আরেকবার মিথ্যে শপথ বাক্যটি পাঠ করি “দেশ ও জাতির মঙ্গলে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিবো”
চলো স্কুল পালাই,
চলো নতুন বই এর মসৃণ পৃষ্ঠায় নাক গুঁজি, নতুন বছরের, নতুন বৈশাখী আমের মুকুল আর নতুন বই এর সুঘ্রাণে মাখামাখি হই।
চলো সন্ধ্যেরাতে ঢুলুঢুলু চোখে পড়া মুখস্ত করতে করতে রবের কাছে লোডশেডিং এর বায়না ধরি।
চলো রস,কষ,সিঙ্গারা বুলবুলি খেলি কিংবা নিউজপ্রিন্ট কাগজের উপর কাটাকাটি।
চলো বিকেল বেলা, বই কাঁধে ক্লান্ত শরীরে বাড়ি ফিরি।
চলো আগামি ডিসেম্বরের শেষ দিনে মার্কসীড হাতে নিয়ে ফাঁসীর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মতো নতজানু হয়ে বাবার সামনে দাড়াই।
চলো মনে মনে এই অতৃপ্ত জীবনকে অস্বীকার করে নিয়ে,মিথ্যে করে হলেও একবার ভাবি “শৈশবের প্রিয় সহপাঠীদের মুখ।চলো শীতের সময় চড়ুইভাতি খাওয়ার আনন্দে মেতে উঠি আবার খেলার সাথীদের সাথে, চলো ২ টাকার হাওয়াই মিঠাই খাওয়ার জন্য ন্যাকা কান্না করে মায়ের হাতের সেই থাপ্পড় টা আবার খাই,চলো বউ পুতুলের বিয়ে দিয়ে নিজেকে জাহির করি কনের মা হিসেবে আর একটি রার,
শৈশব প্রত্যেকটা মানুষেরি সুন্দর হয় নির্ভেজাল এই জিবন টা আমরা সবাই খুব মিস করি, কখনো এই দিন গুলোকে মনে করে হাসি পায় আবার কখনো এই দিন গুলো কে মনে করে আবার স্বৃতির পাতায় ফিরে যাওয়ার জন্য আকুল হয়ে মন কষ্টের কালো মেঘে ছেয়ে যায়, শৈশবের দিনের কথা মনে হলে একটি গানি বেজে ওঠে প্রাণে,,পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়,
ও সে চোখের দেখা মনের কথা সে কি ভোলা যায়

আজ এ পর্যন্ত আবার আবার আসবো কোনো লেখোনি নিয়ে আপনাদের মাঝে
আল্লাহ হাফিজ

Continue Reading

লাইফস্টাইল

মশা কেন মানুষের রক্ত খায়

Bd Blogger

Published

on

আপনি কি জানেন মশা রক্ত খায় কেন? মানবদেহের রক্ত পান করার বিষয়টি মশার এলই বা কোথায়? বিজ্ঞানীরা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছেন। তবে কারণটি বেশ অবাক। বলা হচ্ছে, প্রথমদিকে মশারা রক্ত পান করতে অভ্যস্ত ছিল না। পরে এটি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।
বলা হচ্ছে, মশা শুকনো অঞ্চলে বসবাস করার কারণে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের রক্ত পান শুরু করে। যখনই আবহাওয়া শুষ্ক থাকে এবং মশা তাদের পুনরুত্থানের জন্য জল পান না, তারা মানব বা পশুর রক্ত খেতে শুরু করে।নিউ জার্সির প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা আফ্রিকার অ্যাডিস এজিপ্টি-এর মশা নিয়ে গবেষণা করেন। এই মশার কারণে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এর কারণেই ডেঙ্গু এবং পীত জ্বরও হয়।
নিউ সায়েন্টিস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে আফ্রিকার মশার মধ্যে নানান ধরনের এডিস এজিপ্টি মশা রয়েছে। সব মশা প্রজাতির মশা রক্ত পান করে না। তাঁরা অন্য কিছু খেয়ে বা পান করে বেঁচে থাকে।তারপরে তারা কীভাবে রক্ত পান করে তা বোঝার জন্য তাদের একটি ল্যাব বক্সে রেখে দেওয়া হয়। তারপরে দেখা যায় বিভিন্ন প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি মশার খাবার সম্পূর্ণ আলাদা।নোহ জানিয়েছেন, সমস্ত মশাই যে রক্ত খায়, এধারনা ভুল। যে অঞ্চলে বেশি খরা বা উত্তাপ রয়েছে বা জল কম রয়েছে সেখানকার মহাই রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রজননের জন্য আর্দ্রতার প্রয়োজন মেটাতেই তাঁরা রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ই পরিবর্তনটি কয়েক হাজার বছর ধরে মশার মধ্যে রয়েছে। শহরটি বিকাশ অব্যাহত রেখে বিপুল সংখ্যক জলের মশা কমতে শুরু করে এবং তারা মানবদেহ এবং অন্যান্য প্রাণী থেকে রক্ত খেতে শুরু করে।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

ব্যর্থতাকে এড়ানো যাবে না। বরং মেনে নেয়া শিখতে হবে

Eshrad Ahmed

Published

on

ব্যর্থতা আমাদের লাইফস্টাইলেরই অন্তর্গত। আমাদের জীবনে সফলতার বিপরীতে ব্যর্থতা আছে বলেই তার গুরুত্ব বেড়ে গেছে। যদি তুলনা করার জন্যে ব্যর্থতা না থাকতো, তাহলে মানুষ সফলতার পেছনে এতখানি ব্যস্ত হয়ে ছুটতো না!

 

এই ব্যর্থতাকে মেনে নিতে আমাদেরকে অনেকেই বলেছেন। বিখ্যাত মানুষেরা সফল হবার আগে ব্যর্থ হতে বলেন। কারণ ব্যর্থ না হলে কোথায় ভুল হচ্ছে বা ঘাটতি আছে সেটা শেখা যাবে না। কিন্তু এখানে একটা ব্যপার আছে। ছোটবেলা থেকেই আমাদের এমনভাবে বড় করা হয় যে, আমরা শুধু সফল হতেই শিখি। মুদ্রার উল্টো পিঠে ব্যর্থতাকে চিনতে পারি না। মেনে নিতে পারি না।

 

অনেকেই বলেন- সফল হবার পূর্বশর্ত হচ্ছে ব্যর্থ হতে হবে। একবার ব্যর্থ হওয়া মানে কাজ ছেড়ে দেয়া যাবে না। বরং আরও বেশি পরিশ্রম আর বুদ্ধি প্রয়োগ করতে হবে। লেগে থাকতে হবে। ধৈর্য্য ধরতে হবে। এই অসফলতা সবাইকেই ভোগ করতে হয়। এর উর্দ্ধে আমরা কেউ নই। একটা সময়ের পর মনে হবে এই ব্যর্থতা থেকে অনেক কিছু শিখেছি। একবারেই সফল হয়ে গেলে সমস্যা বা ঝামেলাগুলোর সাথে হয়তো পরিচয় ঘটতো না।

 

ব্যর্থতাকে এড়ানো যাবে না এটা ধ্রুব সত্য। কিন্তু হতাশ হলে বা থেমে গেলে চলবে না। সবসময় মুদ্রার অপর পিঠটা দেখার বা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। জীবনধারণ করতে গিয়ে প্রতিটি জায়গায় কেউই কখনো সফল হতে পারে না! কিছু কিছু জায়গায় অথবা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থতা থেকেই শিখতে হয়। এর মানে পিছিয়ে পড়া নয় বরং নতুন করে শেখার দ্বার উন্মুক্ত হওয়া।

 

কি করতে পারেন?

১। ব্যর্থ হলেও নিজেকে উৎসাহ দিন।
২। কিছুটা সময় নিয়ে আবার কাজে লেগে পড়ুন।
৩। লিপিবদ্ধ করতে পারেন ব্যর্থতার ঘটনাগুলো এবং তার কারণ খোঁজার চেষ্টা করুন।
৪। আশাহত হবেন না। অন্ধকার কাটিয়েই ভোর হয়। তেমনি ব্যর্থ হওয়া মানে আপনি সফলতার খুব কাছাকাছি আছেন।

 

মনস্তাত্বিক এক গবেষণায় দেখা গেছে- বর্তমানে মানুষ খুব বেশি বিচার করতে চায়। বিচারের মাপকাঠিও বদলে গেছে। এখন প্রতিযোগিতা এত বেশি যে, আরেকজনকে দমানোর জন্যে তার ব্যর্থতার ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি করে। উৎসাহ দেয়ার বদলে নিরুৎসাহিত করছে।

 

আমাদের জীবনযাত্রা অনেক জটিল হয়ে গেছে একথা সত্য। আর সেইসাথে আমাদের চিন্তাধারাও বদলে যাচ্ছে। ব্যর্থতা আর হতাশার দুঃখ কাটাতে অনেকেই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছেন সাময়িক প্রশান্তির জন্যে। কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান বের করতে পারছেন না।

 

তাহলে উপায় কি? উপায় হলো- প্রতিদিনের কাজের তালিকা রাখুন আর নিজেকে নিজেই বিচার করুন। আপনার সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করুন। আর কোনো কাজে ব্যর্থ হলে তার কারণ খুঁজতে চেষ্টা করুন। দেখবেন অনেক কিছু শিখতে পারবেন। এরপর সফলতা অর্জন করাটা সহজ হয়ে যাবে।

 

আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট