Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

বিনোদন

এখনি উত্তম সময় লেংগুড়ার গনেশ্বরী নদী ঘুড়ে বেড়ানোর

Emon Hajong

Published

on

 

গনেশ্বরী নদী

ভারতের মেঘালয় থেকে বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা থানার লেংগুড়া ইউনিয়নে এসে নেমেছে অপূর্ব সুন্দর এক নদী নাম তার গনেশ্বরী । ভারত থেকে বাংলাদেশের যে স্থানটিতে এসে প্রবাহিত হয়েছে গনেশ্বরী অর্থাৎ একেবারে ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের “নো ম্যান্স ল্যান্ড” সেখানে অবস্তথিত ১৯৭১ সালে শহীদ হওয়া ৭ শহীদের মাজার । এ যেন এক বিশাল মেহগনী গাছে আবৃত নিরব স্বর্গ রাজ্য । নেই কোন গাড়ির শব্দ নেই মানুষের কোলাহল । সব সময় পূবালী বাতাস বয়ে চলে সেই যায়গায় আর পাখীর কলকাকলী তো আছেই । সেখানে বসে খানিকখন দেখে নিতে পারেন মেঘালয়ের পথ ঘাট পাহাড় ও বিশাল বিশাল মেহগনী গাচ্ছের সারি, সাথে গনেশ্বরী নদীর স্বচ্ছ পানির কলকলানী শব্দে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে পারেন প্রকৃতির মাঝে । ইচ্ছে হলে সেই স্বচ্ছ পানিতে নেমে ভিজিয়ে নিতে পারেন নিজের কোমল পা দুখানী । গনেশ্বরী নদী যখন ভারত থেকে নেমে এসেছে তখন সে একা আসেনী সাথে করে নিয়ে এসেছে সিলিকা বালি ও নূরি পাথর যা কিনা সবসময় বিদ্যমান সেই নদীর বুকে । নদীর পার ঘেষে আছে সরূ পাকা রাস্তা হাটতে পারেন সেই পথ ধরে । খানিক হাটলে ফুলবাড়ি বাজার তার ঠিক পূর্ব পাশে আছে কিছু টিলা ,ফুলবাড়ি পার্ক বা মমিন টিলা, শশ্মান খলা টিলা, খার খাওয়া ঘাট , সেখানে বিশাল সিলিকা বালুর চড়, যদি সময়টা হয় বিকেল বেলা তাহলে আপনি মনের অজান্তেই বসে পরবেন সেই বলুর চড়ে । যদিওবা লেংগুড়া ইউনিয়নে রাতে থাকার মত কোন হোটেল নেই । তবুও যদি সম্ভব হয় সময়টা যদি চাঁদনী রাত হয় তাহলে কষ্টকরে খানিক সময় কাটিয়ে আসতে পারেন গনেশ্বরী নদীর বালুর চড়ে । শুনশান নিরবতা আপনাকে কিছু দিতে পারুন আর না পারুন খনিকের জন্য কবি, গায়ক বা গায়িকা বানিয়ে দিবে এটা হলপ করে বলতে পারি । সেই নদীতে কিছু কিছু স্থানে অনেক গভীর জলরাশি আবার কোথাও হাটু জল । দুপুর বেলা যদি সেখানে গিয়ে থাকেন, তাহলে গোসোল করে হালকা করে নিতে পারেন ক্লান্ত দেহখানী । সিলাকা বালীর নদীর স্বচ্ছ পানি সকল ক্লান্তি ধুয়ে দিবে আপনার শরীল থেকে । বলা চলে এখনই সময় গনেশ্বরী নদীর ভরা যৌবনের , বছরের প্রায় অধিকাংশ সময়ই গনেশ্বরী নদী তার বিভিন্ন রুপ ধারন করে, কখনো উজান থেকে নেমে আশা ঘুলা জন দিয়ে ভরে রাখে নিজেকে, কখনো স্বচ্ছ পানি দিয়ে মাঝা মাঝি ভরে রেখে নিজের গৌরবকে ধরে রাখে । একটা যায়গা আছে যেখানে সব সময় বিশ থেকে ত্রিশ ফুট পানি থাকে  , সেই যায়গাটাকে (লস্করের ডুবা) বা বেলতলী বলে আবার কখনো হাটু পানিও থাকে না । তখন বালি দিয়ে বাধ দিয়ে স্থানীয় কৃষকেরা তাদের কৃষিকাজ সম্পন্ন করে । কিন্তু অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এই তিন মাস গনেশ্বরী নদী নিজেকে যেন তার যৌবনের সৌন্দর্যে আরো সৌন্দর্য মন্ডিত করতে থাকে । সাথে স্থানীয় খেটে খাওয়া মানুষের মাঝ বাড়িয়ে দেয় তার সাহায্যের হাত । কেও পাথর তুলে কেও তুলে বালি ।

সাত শহীদ মাজার (নো ম্যান্স ল্যান্ড)

সাত শহীদ মাজার (নো ম্যান্স ল্যান্ড)

এখানে সেখানে দেখতে পাবেন পুরুষ-মহিলা ভেদাভেদ ভুলে পাথর তুলছে গ্রমের মেহনতি মানুষ । ইচ্ছে করলে ঘুড়ে বেড়াতে পারেন নদীর পাড়ের আদিবাসী হাজং সম্প্রদায়ের গ্রামে । সেখানে আদিবাসী হাজং পাড়ার নামগুলোও ভিন্ন ধরনের গ্রাম একটা হলেও পাড়া হিসাব করে দেখা যায় নয়া পাড়া, চাউকোনা, খার খাওয়া, দাহাপাড়া নামের স্থান বিদ্যমান আদিবাসী হাজং সম্প্রদায়ের পাড়াটিতে । দেখে নিতে পারেন আদিবাসী হাজং সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি জীবন ধাঁরা ।।

কিভাবে যাবেনঃ দেশের যে কোন স্থান থেকে প্রথমে ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহর, সেখান থেকে সিএনজি অথবা বাস যোগে বিরিশিরি, বিরিশিরি থেকে মোটর সাইক্যাল অথবা অটো করে সরাসরি লেংগুড়া ।

অথবা ময়মনসিংহ থেকে বাস যোগে নেত্রকোনা , সেখান থেকে বাস অথবা মোটর সাইক্যাল যোগে কলমাকান্দা , কলমাকান্দা থেকে সরাসরি লেংগুড়া ।

বলে রাখা ভাল লেংগুড়াতে থাকার কোন ব্যবস্থানেই । তাই যদি থাকতে চান তাহলে নেত্রকোনা হয়ে গেলে কলমাকান্দা আর দূর্গাপুর হয়ে গেলে দুর্গাপুর অথবা বিরিশিরি থাকতে হবে । ধন্যবাদ ।

বিনোদন

যেই ৫টি সিনেমা বিশ্ব কাঁপিয়েছিলো হলিউডের বাইরে থেকেও

Md. Ashif

Published

on

হলিউডের মারমার কাটকাট অ্যাকশন, থ্রিলার, রোমান্টিক, কমেডি কিংবা বিশাল বাজেটের সাইফাই সিনেমার বাইরেও যে বিশাল সিনেমার জগত আছে সেটা আমরা ক’জন জানি? তবে এটা স্বিকার করতে দ্বিধা নেই যে, বিশ্বের সবথেকে মেধাবি আর প্রতিভাবান পরিচালক, অভিনেতা কিংবা টেকনিশিয়ানরা কাজ করেন হলিউডে। বিগ বাজেটের সিনেমাগুলো এখানেই নির্মিত হয়। কিন্তু বাজেট বা ভালো অভিনয় এগুলোই কি শুধু ভালো সিনেমার প্রধান শর্ত? চলুন আজ হলিউডের বাইরে এমন ৫টা মাস্টার পিস সিনেমার গল্প আপনাদের শোনাবো যার পরে আপনি নিজেই বলবেন হলিউডের লোকজন আসলে সিনেমাই বানাতে পারেনা। আর এতদিন কি বোকার স্বর্গেই না বাস করেছেন এই সিনেমাগুলো না দেখে।

৫। দক্ষিণ করিয়ার সিনেমা “ট্রেন টু বুসান” কে দিয়েই শুরু করা যাক। ট্রেন ভর্তি একদল মানুষ। সবাই যাচ্ছে বুসান শহরে। একেকজনের একেকটা উদ্দেশ্য। বাচ্চা একটা মেয়ে বাবার সঙ্গে যাচ্ছে তার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে। গর্ভবতী একজন মহিলা তার স্বামীর সাথে ভ্রমণ করছেন। হাইস্কুলের একটা বেসবল টিম ও আছে সাথে। আছে ঘরছাড়া একজন আধপাগল মানুষ। সেই ট্রেনেই হলো জম্বি অ্যাটাক। যাকেই কামড় দিচ্ছে সেই পরিণত হচ্ছে জম্বিতে। জীবন বাঁচাতে হলে পৌঁছাতে হবে বুসানে। কিন্তু বুসানে কি যেতে পারবে ট্রেনের আরোহিরা? নাকি তার আগেই খতম হয়ে যাবে? এমন চমৎকার একটি গণ্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে “ট্রেন টু বুসান” নামের সিনেমাটি। এক কথায় বলতে গেলে মাস্টারপিস। থ্রিলার সিনেমা বানানোর দিক থেকে হলিউড যে কোরিয়ানদের কাছে শিশু সেটা যেন প্রমাণ করে দিয়েছে সিনেমাটি। অসাধারণ নির্মাণ আর দুর্দান্ত অ্যাকশন আর থ্রিলার মিলে অন্যন্য হয়ে উঠেছে “ট্রেন টু বুসান”।

৪। এবার এক ভারতীয় সিনেমার গল্প। ভারতীয় মানেই কিন্তু বলিউড নয়। “বাহুবালী” হচ্ছে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা। একটা দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা হয়েও পুরো ভারত কাঁপিয়েছে বাহুবালীর ২টা খণ্ড। ২য় টা তো পুরো ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমাই হয়ে গেছে। বিগ বাজেট, বড়-সড় স্টারকাস্ট আর কোটি কোটি রুপি খরচ করে দারুন সব লোকেশনে চমৎকার সেট বানিয়ে শুটিং করা হয়েছে সিনেমায়। বাহুবালি সিরিজ ভারতীয় সিনেমাকে অন্যরকম একটা স্ট্যান্ডার্ড সেট করে দিয়েছে। যেসব ভিএফএক্স এর কাজ বাহুবালীতে দেখানো হয়েছে সেগুলো হলিউডেই দেখা যায়। বলিউডের জন্য লোকে একটাসময় ভারতীয় সিনেমাকে চিনত। এখন বাহুবালীর জন্য সেই যায়গাটা দখল করেছে দক্ষিণি সিনেমা।

৩। এবার এক বিখ্যাত বায়োপিকের কথা বলা যাক। অ্যাকশনের ভক্ত হলে ‘ইপম্যানের’ নাম শোনার কথা। চীনা এই ভদ্রলোক ছিলেন বিখ্যাত সুপারস্টার ব্রুস-লীর গুরু। ব্রুসলীকে মার্সাল আর্ট শিখিয়েছিলেন তিনি। সেই ইপম্যানের জীবনের গল্প নিয়েই তৈরী হয়েছে এই সিনেমা। সফলতার মুখ দেখায় একে একে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি সিকুয়্যাল। শুধু অ্যাকশন সিনেমা ভাবলেই ভুল করবেন, “ইপম্যান” আসলে একটা অন্যরকম জীবনসংগ্রামের গল্প। তুখার অ্যাকশন আর চাইনিজ মার্শাল আর্টের পাশাপাশি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পাকে পড়ে সবকিছু হারিয়ে ফেলা একটা মানুষ কিভাবে ঘুরে দাড়ায় সেই গল্প বলা হয়েছে “ইপম্যানে”। সমাচলকরা দারুন প্রশাংসা করেছেন সিনেমাটার। চীনের নিয়ন্ত্রণে থেকেও হংকং এর সিনেমা যে কতদুর এগিয়ে গেছে সেটা বোঝার জন্য এক ‘ইপম্যান’ই যথেষ্ট।

২। এবার বলব এক ইন্দোনেশিয়ান অ্যাকশন ফিল্মের কথা। সন্ত্রাসী আর মাফিয়াদের ডেরায় হানা দিয়ে বেড়ানো সোয়াটের একটা দল আচমকায় এক মাফিয়া লিডারের আস্তানায় গিয়ে ফাঁদে পড়ল। সন্ত্রাসী আর মাফিয়াসের সেই আড্ডা থেকে প্রাণ নিয়ে ফেরার অসাধারণ এক গণ্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটা। অনেকের চোখেই মার্শাল আর্ট আর ফিজিক্যাল ভায়োলেট নিয়ে এযাবৎকালের সেরা সিনেমা হচ্ছে “দি রেইড”। এই সিনেমা মুক্তির পরে এতই জনপ্রিয় হয়েছিল যে হলিউডের বিখ্যাত সনি পিকচারস নেটওয়ার্ক চড়া দামে সিনেমাটার শর্ত কিনে নিয়েছিল। পরের কিস্তিটার প্রযোজনাও করেছিল তারা। ভাবুন সিনেমার শক্তি থাকলে স্বয়ং হলিউড ই এসে ধরা দেবে আপনার কাছে।

১। প্রিয় পাঠক, কোটি কোটি টাকা তো দিতে পারবোনা আপনাকে, তবে ক্রাইম থ্রিলালের ভক্ত হয়ে থাকলে “এলিট স্কোয়াড” সিরিজের সিনেমাটা যে কারো জন্য দেখা অনস্বিকার্য। বিশেষ করে “এলিট স্কোয়াড” দ্যা এনিমি উথিন সিনেমাটা তো দেখতেই হবে। তবে প্রথম সিনেমা “এলিট স্কোয়াড” না দেখলে গল্প বা চরিত্র বুঝতে একটু অসুবিধা হতে পারে। ব্রাজিলিয়ান এই সিনেমার গল্প এগিয়েছে রিয়োডি জিনিয়েরো শহরে। সন্ত্রাস-দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিশেষ পুলিশ বাহিনীর মারাত্মক অসাধারণ মিশন। তবে সিনেমাটা দেখার পর অনেকক্ষণ মাথা ঘোরাবে আপনার। অবাক হয়ে ভাববেন কী দেখলাম এতক্ষণ? ২ ঘণ্টা খরচ করে সিনেমাটা দেখলে সময়টা নষ্ট হবেনা সেই গ্যারান্টি দিচ্ছি। টানটান উত্তেজনা সিনেমার সাথে রয়েছে খুবই শক্তিশালি সিনেমার গল্প। ব্রাজিলের শুধু নেইমার, রোনালদোকে তো চিনলেই হবেনা? তাদের সিনেমাকেও তো চিনতে হবে?

বন্ধুরা আগামি দিনে হাজির হবো আরো ৫ টি মারাত্মক সিনেমা নিয়ে। সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন সেই কামনা করছি।

Continue Reading

বিনোদন

ফেসবুকে যেভাবে চালু করবেন “কেয়ার ইমোজি”??

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

“কেয়ার ইমোজি”নামে একটা নতুন ইংরেজি চালু করেছে ফেসবুক। গুগল প্লে স্টোর থেকে ফেসবুক অ্যাপ নতুন করে আপডেট করে এই কেয়ার ইমোজিটি উপভোগ করতে পারবেন।

করোনা ভাইরাসের মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নির্ভর হয়ে পড়েছে। আমরা যেকোনো তথ্য খবরা-খবর সবার আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হতে পেয়ে থাকি। এই মহামারী পরিস্থিতি বিবেচনা করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নতুন একটি রিএকশন ইমোজি চালু করেছে। সাধারণত মেসেঞ্জার এবং ফেসবুক অ্যাপ এর মাধ্যমে এই নতুন ইমোজি ব্যবহার করা যাচ্ছে।

ফেসবুক এই নতুন ইমোজি চালু করল কেন?

ফেসবুক মেসেঞ্জারে আরো একাধিক কেয়ার ইমোজি প্রস্তুত করা হয়েছে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানায়,করোনায় এই কঠিন সময়ে বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবার পরিজনের প্রতি আরও সহজে সহানুভূতি এবং সমর্থন জানানোর জন্যই এই নতুন ইমোজি চালু করেছে বলে জানায় ফেসবুক।

আগে ফেসবুকে মেসেঞ্জারে অনেকগুলো ইমোজি রয়েছে বিশেষ করে লাইক,লাভ,ওয়াও,হাহাহা,দুঃখ ও রাগের অনুভূতি প্রকাশ করা হতো কিন্তু এবারে মানুষের সহানুভূতি এবং সমর্থন জানানোর জন্য ফেসবুক নিয়ে এলো কেয়ার ইমোজি।

আপনারা যদি এই কেয়ার ইমোজি না পেয়ে থাকেন এখনই আপনার ফেসবুক এবং মেসেন্জার নতুন করে আপডেট করে নিন তাহলে এই ইমোজি অটোমেটিক চলে আসবে আপনার মোবাইলে।

ধন্যবাদ।

Continue Reading

বিনোদন

বন্ধুর বিয়ে নিয়ে স্ট্যাটাস

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

বিয়ে মানুষের জীবনে একবারই হয়। বিয়ে প্রতিটা মানুষের জীবনে খুবই আবেগময় এবং অত্যন্ত স্মৃতিময় একটি দিন কেননা বিয়ের দিনের অনুভূতি অন্যান্য দিনের থেকে একদমই আলাদা। তাইতো বন্ধু-বান্ধব পাড়াপড়শি থেকে শুরু করে সবাই চারদিকে এক ধরনের হৈচৈ পড়ে যায়। নিজের পরিচিত আপনজন বন্ধুবান্ধব বিয়ে নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করে বসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুকে তারা শখের বশে হোক কিংবা কিছুটা দুষ্টামি করে নানা রকম মজার মজার স্ট্যাটাস দেন তো বন্ধুরা আসুন তাহলে জেনে নেই সেরকম বন্ধুর বিয়ে নিয়ে স্ট্যাটাস।

* বন্ধু তাহলে কী বিয়ে করে ফেললা, এবার নিশ্চয়ই তোর আপন বন্ধুদেরকে ভুলে যাবে তাই না?

* বন্ধু আমারও মন চায় তোর মতো আমিও বিয়ে করে ফেলি কিন্তু মনের মত মেয়ে যে পাইলাম না রে…

*বন্ধু বিয়ে তো করতে যাচ্ছিস, জেল থেকে আমি বলছি ই।

*খাট টা বদ্ধ বেশি শব্দ করে কালকেই নাটগুলোকে খাঁটি সরিষার তেল দিতে হবে

*আহারে বিয়ে করে বেচারার জীবনটা পানসে হয়ে গেল সব রুটিনমাফিক এখন।

*যাক বন্ধু অবশেষে তো একজন ঘর গোছানোর মানুষ পেয়ে গেলি

*বন্ধু, তুই ঘুমানোর সময় যে নাক ডাকিস, আমার মনে হয় বাসর রাতে মেঝেতে ঘুমাতে হবে তোর

*বন্ধু বিয়ের প্রথম রাতেই ঠিকভাবে বিড়াল মারতে শেখো তা না হলে কিন্তু পরে পস্তাতে হবে।

*বন্ধু, তুমি তো কালকে থেকে বিবাহিত পুরুষ। দুঃখ রইলো মনে তোর সাথে আর কোনদিন গালগল্প হবে নারে।

* উফ্ফ্… বন্ধু তোমার বিয়ে আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না।

*বন্ধু বিয়ের পর আমাদের ভুলে যাস না,আমাদের মনে রাখিস।

* বিয়ে করতে যাচ্ছিস, তোর পুরনো প্রেম সখিনার কি হবে গো?

* বন্ধু অবশেষে তো খুব সুন্দর একটা বউ ফেলি, তুমি সত্যিই খুব ভাগ্যবান।

* তুই কি জানিস তুই যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছিস, তাকে নিয়ে আমি একসময় গভীর প্রেমে মগ্ন ছিলাম।

* দোয়া করি বন্ধু তোদের চিরজীবনের বন্ধন যেন অটুট থাকে।

*ভাবিকে কিন্তু দেখতে খুবই জটিল অবশ্যই তোমার সাথে মানায়নি, আমার সাথে ভালো মানাতো।

* দোস্ত, তোমার শ্যালিকাকে , আমরা দুজন বন্ধু থেকে ভাইরাভাই হবো।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট

MD LOKMAN HOSSAIEN
ব্যাক লিংক পেমেন্ট
Md Golam Mostàfa
Payment