Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

স্বাস্থ্য

ডিম এর স্বাস্থ্যকরী উপকারিতা

Shat rong

Published

on

ডিম খেতে কম বেশী সকলেই পছন্দ করে। নানা ধরনের নাশতা , কেক ,বিস্কুট প্রভৃতি তৈরি করতে ডিমের তুলনা হয় না ।
ডিম সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি এর রয়েছে হরেক রকম স্বাস্থ্যকরী উপকারিতা । আজকের পোস্টে ডিমের নানাবিধ উপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নিই সুস্বাস্থ্যের জন্য ডিম এর উপকারিতা সম্পর্কে।

🔷ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে : ডিম ভিটামিন ডি এর প্রাকৃতিক খাদ্য উৎসের মধ্যে অন্যতম। ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য অপরিহার্য এবং সর্বোত্তম হাড়ের স্বাস্থ্যের বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। মানুষের দেহের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে হাড় রক্ষা করতে  ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

🔷প্রোটিনের চাহিদা পূরণে: একটা বড় ডিম এ ছয় গ্রাম এর মতো উচ্চ মানের প্রোটিন ও বিপুল পরিমাণে অত্যাবশকীয় পুষ্টি উপাদান থাকে । কাজেই প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে ডিম এর গুরুত্বপূর্ণ অপরিসীম।

🔷লৌহের ঘাটতি পূরণে : রক্তে লৌহের অভাবজনিত কারণে অনেক মানুষ ক্লান্তি, মাথাব্যাথা এবং বিরক্তির অস্পষ্ট উপসর্গের সম্মুখীন হয়ে থাকেন । লৌহ রক্তে অক্সিজেন বহনকারী হিসেবে এবং শরীরের মধ্যে শক্তি বিপাক এবং অন্যান্য অনেক ফাংশন এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।সুতরাং লৌহের ঘাটতি পূরণে ডিমের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক।

🔷 সুস্থ চুল এবং নখ এর জন্য:চুল এবং নখে শরীরের অনেক বায়োকেমিক্যাল ভারসাম্য এবং সংকট প্রতিফলিত হয় । ডিম সুস্বাস্থ্য ও নখের উন্নয়নে সাহায্য করতে পারে , কারণ এতে সালফার-অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ বিস্তৃত রয়েছে । কাজেই সুস্থ চুল এবং নখ এর জন্য  বিশেষজ্ঞগণ খাদ্য তালিকায় ডিম যোগ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ।

🔷 দেহের ওজন নিয়ন্ত্রন করতে :
মানুষের দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে ডিমের ভূমিকা অনেক। যারা পেশির ওজন বৃদ্ধি করতে চান তাদের জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ ডিম উপযুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে যে ডিম মানবদেহে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগাকে কমিয়ে দিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। কাজেই
দেহের ওজন নিয়ন্ত্রন করতে ডিম খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি খাদ্য ।
এছাড়াও ডিমের আরো অনেক উপকারিতা রয়েছে।

পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Advertisement
22 Comments

22 Comments

  1. Md Ruhul Amin

    Md Ruhul Amin

    May 22, 2020 at 10:49 am

    good

  2. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    May 22, 2020 at 11:33 am

    Good Post

  3. Maria Hasin

    Maria Hasin

    May 22, 2020 at 12:19 pm

    Good

  4. Shat rong

    Shat rong

    May 22, 2020 at 1:07 pm

    Thanks

  5. Sakib khan

    Sakib khan

    May 22, 2020 at 1:12 pm

    Gd

  6. Istiak Ahmed

    Istiak Ahmed

    May 22, 2020 at 1:40 pm

    Gd

  7. Shat rong

    Shat rong

    May 22, 2020 at 1:51 pm

    Tnx

  8. Rajib Saha

    Rajib Saha

    May 22, 2020 at 2:00 pm

    Helpful

  9. Mehedi Islam Noman

    Mehedi Islam Noman

    May 22, 2020 at 2:13 pm

    Valo post

  10. Wasif Sifat

    Wasif Sifat

    May 22, 2020 at 2:48 pm

    Gd

  11. MD Rahul

    MD Rahul

    May 22, 2020 at 3:57 pm

    valo post

  12. Md Rakib

    Md Rakib

    May 22, 2020 at 3:58 pm

    tnx

  13. Shat rong

    Shat rong

    May 22, 2020 at 4:12 pm

    Thanks to all

  14. Md jahidul islam shakil

    Md jahidul islam shakil

    May 23, 2020 at 10:40 am

    ধন্যবাদ

  15. Khairul Kabir

    Khairul Kabir

    May 24, 2020 at 1:31 am

    dim amar posondo !!

  16. Md Ruhul Amin

    Md Ruhul Amin

    May 24, 2020 at 9:24 am

    nice

  17. Mainul islam Robin

    Mainul islam Robin

    May 24, 2020 at 11:11 am

    Best wrote

  18. Shat rong

    Shat rong

    May 24, 2020 at 3:33 pm

    Thanks…..

  19. Ratul Foysal

    Ratul Foysal

    May 26, 2020 at 11:42 pm

    Gd

  20. firoz alam niloy

    firoz alam niloy

    May 27, 2020 at 9:45 am

    Nice

  21. Shat rong

    Shat rong

    May 28, 2020 at 1:36 am

    Thanks.

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

স্বাস্থ্য

এমন কিছু মিথ্যা কথা যা আমরা ছোট বেলা থেকে সত্য বলে ভেবে আসছি

Ankon Meer

Published

on

স্বাভাবিক ভাবেই আমারা ছোট বেলা থেকেই যেসকল গল্প শুনে থাকি তা আমরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে ফেলি কুসংস্কার হওয়া সত্ত্বেও। কিন্তু বাস্তবে তা ভুল। আমাদের আজকের আর্টিক্যালে আমরা এমনই কিছু মিথ্যার উদঘাটন করতে চলেছি যা আপনারা সত্য বলে বিশ্বাস করে আসছেন।
১. সেভিং:
আপনারা হয়তো শুনে থাকবেন যে বেশি বেশি সেভ করলে দাড়ি ঘন এবং তারাতাড়ি বাড়ে। এরই জন্য আমরা অনেকেই ছোট বেলা থেকেই সেভ করা শুরু করে থাকি। কিন্তু বাস্তবে তা মিথ্যা। দাড়ি ঘন, কালো বা তারাতাড়ি বাড়া সম্পুর্নটাই নির্ভর করে নিজেদের শারীরিক অবস্থার উপর। যার গ্রোথ যেমন হয় তার দাড়ি চুল তেমনই হয়।
২. কাছ থেকে টিভি দেখা:
বেশিরভাগ মানুষ এটা মনে করে থাকে যে বেশি কাছ থেকে টিভি দেখলে চোখের ক্ষতি হয়। কিন্তু বাস্তবে আমাদের এই ধারার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। এবং কোনো বৈজ্ঞানিক আজ পর্যন্ত টিভি খুব কাছ থেকে দেখা সম্পর্কে চোখের কোনে ক্ষতি খুঁজে পায়নি। কিন্তু খুব কাছ থেকে টিভি দেখা বাচ্চাদের জন্য খুবই খারাপ অভ্যাস। তাই বাচ্চাদের থেকে এই অভ্যাস ত্যাগ করার জন্য মা বাবা এইসব কথা বলে থাকেন। কিন্তু আমরা এগুলোকে চোখের ক্ষতির সাথে তুলনা করে ফেলেছে। এবং সত্যও ভেবে ফলে। কিন্তু বাস্তবে তা মিথ্যা।
৩. ব্যায়াম করার সময় খাওয়া:
আমরা অনেকেই বিশ্বাস করে থাকি যে ব্যায়াম করার সময় কিছু খেলে শরীরের ক্ষতি হয়। তাই আমরা ব্যায়াম করার সময় খাবার দাবার থেকে দূরে থাকি। কিন্তু আমাদের এই ধারনা ভুল। অলিম্পিকে যারা খেলে তারাও ব্যায়াম করার সময় নিজেদের খাবার দাবার ঠিক রাখে। হ্যা কিছু কিছু খাবার আছে যা ব্যায়াম করার সময় খেলে শারীরিক ক্ষতি
হতে পারে। এবং এমন কিছু খাবার আছে যা খেলে শরীরের আরো উপকার হয়।
৪. সাবান ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস করে:
আমরা প্রতিনিয়ত টিভি তে বিভিন্ন সাবানের বিজ্ঞাপন দেখতে পাই। আর এইসকল বিজ্ঞানে বলে থাকে যে সাবান ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস করে। কিন্তু সত্য কথা হলো সাবান কোনদিনই এইসকল ব্যাক্টেরিয়া মারতে পারে না। তবে তারা পুরোপুরি ভাবে মিথ্যা বলে না। সাবান আমাদের শরীরের এবং হাতের ব্যাক্টেরিয়া ওয়াস করতে পারে

আজকের জন্য এইটুকুই আমাদের পরের আর্টিক্যালে আমরা এরকম আরো কিছু মিথ্যা নিয়ে আলোচনা করবো যা আমরা সত্য বলে ভেবে আসছি

Continue Reading

স্বাস্থ্য

গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা হতে মুক্তি পেতে জেনে নিন কতগুলো কার্যকরী টিপস

Shat rong

Published

on

গ্যাস্ট্রিক কিংবা অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন না এমন মানুষ নেহাৎ কম পাওয়া যাবে । আজকাল গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটি যেন মানুষের নিত্যদিনের সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অনেকেই এই সমস্যার জন্য ঔষধ খেতে খেতে বিরক্ত। তবে কিছু  টিপস ফলো করলে অনেকটাই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে নিজেকে দূরে রাখা সম্ভব। তাহলে চলুন জেনে নিই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে নিজেকে দূরে রাখার উপায়গুলো সম্পর্কে ।

♦ নিয়মমত সঠিক সময়ে খাবার খাবেন । এজন্য আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন খাবারের নির্দিষ্ট সময়।

♦ খাবার খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো করে না গিলে , আস্তে আস্তে চিবিয়ে খাবার খাবেন । এতে খাবার ভালভাবে ডাইজেস্ট হতে পারবে।

♦ সকালে খালি পেটে কয়েক গ্লাস পানি পান করুন ।

♦ অতিহার বা অনাহার পরিহার করুন ।

♦ একবারে বেশী পরিমাণ খাবার খাবেন না ।এতে হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে । তারচেয়ে অল্প অল্প খাবার কয়েকবারে খেতে পারেন।

♦ পঁচা , বাঁসি, খাবার খাবেন না । একবেলার রান্না করা খাবার বাসি হয়ে গেলে তা অন্য বেলায় খাবেন না ।

♦ পেট খালি রাখবেন না । পেট খালি না রাখতে কিছু সময় পরপর অল্প অল্প করে খাবার  খান।

♦ প্রতি বেলায় খাওয়ার পর একটু হাঁটাহাটি করার অভ্যাস করুন। রাতে খাবার খাওয়ার পর সাথে সাথে শোয়ার জন্য যাবেন না । কিছুক্ষন হাঁটাহাঁটি করে শুতে যাবেন ।

♦ তেল, চর্বিজাত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন । রান্নার সময় যতটা সম্ভব কম তেল ও মশলা ব্যবহার করুন।

♦ বেশি আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন । এক্ষেত্রে নানা ধরনের শাক-সব্জি খেতে পারেন।

♦ লাউ কিংবা কাঁচাপেপের তরকারি খেতে পারেন । লাউ ও কাঁচা পেপের তরকারী গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যাকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

♦ ভাজা-পোড়া জাতীয় খাবার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়িয়ে দেয় । তাই ভাজা-পোড়া জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।

♦ প্রতিদিন কমপক্ষে আট গ্লাস পানি পান করুন।

♦ ইসুভগুলের ভূষি খেলে পেট ভালো থাকে। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ইসুভগুলের ভূষির শরবত পান করুন।

♦ দুশচিন্তা মুক্ত থাকুন । দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে যোগ ব্যায়াম করতে পারেন।

♦ ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় যেমন চা, কফি প্রভৃতি যতটা সম্ভব কম পান করবেন ।

♦  ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলুন । এছাড়া রাস্তার ধারের অস্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন না ।

♦ সুষম খাবার খাবেন। ফলমূল খাবেন।

♦ পরিমিত ঘুমাতে হবে । বেশী রাত জাগার অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করুন ।

উপরিউক্ত টিপসগুলি মেনে চললে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে নিজেকে অনেকটাই দূরে রাখা সম্ভব হবে ।

তবে কারো যদি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা
খুব বেশি থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ঔষধ খাবেন।

সবাই ভাল থাকুন । ধন্যবাদ।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

মুখে দুর্গন্ধ? নিয়ে নিন চমৎকার একটি সমাধান!

Priyam Biswas

Published

on

দেখে নিন কিভাবে মুখের দুর্গন্ধ দূর করবেন:
কেমন আছেন সবাই আশা করছি সকলেই ভাল আছেন।
আমাদের অনেকেই মুখের দুর্গন্ধজনিত সমস্যায় ভুগে থাকে, আর এটি নিরাময় নিয়ে নিন ঘরোয়া একটি সহজ সমাধান তাও আবার সহজলভ্য বেকিং পাউডার দিয়ে। বেকিং সোডা মুখের উচ্চ অ্যাসিডিক স্তরকে কমিয়ে দেয় । এটি দাঁত, মাড়ি বা হাড়ের কোনো ক্ষতি করে না। চলুন তবে দেখিনা কিভাবে এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে:

আমরা প্রতিদিনই টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করে থাকি আর সেই টুথপেস্টের সাথে যদি আধা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন এবং এটি দিয়ে ব্রাশে নিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন। এই পদ্ধতি অবলম্বন করে প্রায় সাত দিন ধরে দাঁত ব্রাশ করে দেখুন, দেখবেন মুখের দুর্গন্ধ অনেকটাই কমে যাচ্ছে দিন দিন। এই টুথপেস্ট দাঁত এবং মুখের গহ্বর পরিষ্কার এবং দুর্গন্ধযুক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য যাদুর মতো কাজ করে।

কুমকুম গরম পানিতে আধা চামচ সোডা যুক্ত করুন এবং কিছু সময় অপেক্ষা করুন যাতে সম্পূর্ণ সূরাটি গরম পানিতে দ্রবীভূত হয়ে মিশে যেতে পারে এবং এই মিশ্রণটি মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করুন।এটি সবচেয়ে সহজ মাউথওয়াশ যা আপনার মুখ থেকে দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। তাছাড়া এই মিশ্রণটি মুখে সকল ব্যাকটেরিয়াকে কোনো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ছাড়াই মেরে ফেলতে সক্ষম।
এছাড়াও বেকিং সোডা লেবুর সাথে মিশিয়ে দুর্গন্ধ প্রতিরোধে একটি কার্যকর মিশ্রণ তৈরি করে ফেলতে পারেন। 1 কাপ পানির সাথে 1 চা চামচ বেকিং সোডা, একটি সম্পূর্ণ লেবুর রস এর সাথে ভালো করে মিশিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন দুর্গন্ধ দূর করার একটি কার্যকর মিশ্রণ। লেবুতে এসিটিক এসিড সমৃদ্ধ আর এই অ্যাসিড দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কে নির্মূল করতে সক্ষম। এই মিশ্রণটি অবশ্যই মুখের ভিতর থেকে তিন মিনিট পরিমাণ রেখে দিয়ে এরপর ভাল করে মুখ দুই থেকে তিনবার ধুয়ে নিবেন সপ্তাহে এই মিশ্রণটি দুই থেকে তিন দিন ধরে দিবেন।
তবে লবণের সাথে বেকিং সোডা মিশিয়ে আপনি চাইলে দুর্গন্ধ প্রতিরোধে মিশ্রণে তৈরি করতে পারেন। কারণ ব্যাকটেরিয়া একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পিএইচ পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে আর লবণ এবং বেকিং সোডা মিশ্রণে যে উৎপন্ন হয় তা ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলতে অত্যন্ত কার্যকর কারণ এই মিশ্রণের ফলে তৈরি পিএইচ ব্যাকটেরিয়া সহ্য করতে পারে না এটি ব্যাকটেরিয়ার কেবিনে চলতে পারে। আর এই মিশ্রণ তৈরি করার জন্য এক চামচ লবণ আর এক চামচ বেকিং সোডা ভালো করে মিশিয়ে পানির সাথে গারগেল করুন। ধরে এই পদ্ধতি সপ্তাহে অন্তত 3 দিন প্রয়োগ করুন দেখবেন ভাল ফল পাবেন। ধন্যবাদ।

Continue Reading