Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

নতুন জীবন নতুন লাইফস্টাইল

Sumaya Islam

Published

on

লাইফস্টাইল হলো মুলত একটা মানুষ কিভাবে জীবনযাপন করছে।তার নিত্যদিনের অভ্যাস, কাজ,চিন্তাধারা এসবই হলো লাইফস্টাইল।লাইফস্টাইল সম্পর্কে বিভিন্ন মানুষের মতামত ভিন্ন হয়।একেকজন মানুষ একেক ধরনের লাইফস্টাইলে নিজেকে রাখতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। শুধু তাই নয়,নিজের পছন্দসই জীবনধারা নিয়ে অন্যের জীবন বিবেচনা করে।

আমরা আমাদের লাইফস্টাইল নিয়ে ইদানীং খুব গুরুত্ব দিচ্ছি।কেমন হতে হবে,কিভাবে পরিবর্তন করা যাবে ইত্যাদি। আসলে আমরা একটা মানুষকে সবার আগে বিবেচনা করি তার লাইফস্টাইল দিয়েই।একটা মানুষ কিভাবে চলাফেরা করছে,কি পোশাক পড়ছে,কোথায় যাচ্ছে এসব নিয়েই আমরা তাকে বিবেচনা করি।কথাটা কিছুটা অন্য রকম হলেও কিন্তু সত্য।প্রয়োজনে নিজের দিকে তাকিয়ে দেখতে পারেন।আপনি আপনাকে নতুন পরিচয় দিতে চাইলে সবার প্রথমে নিজেকে নতুন জীবনধারা বা লাইফস্টাইল এ অভ্যস্ত করুন।খাওয়ার অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারেন,কথা বলার ধরন পরিবর্তন করতে পারেন,চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করতে পারেন।আপনার চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করতে সক্ষম হলে আপনি খুব সহজেই নতুন জীবনধারা বা লাইফস্টাইলে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবেন।সবসময়ই নিজেকে নিয়ে উত্তম কিছু চিন্তা করবেন,ব্যর্থতায় হতাশ হবেন না,ধৈর্য্য হারাবেন না।যাকে আমরা সাধারণত বলি পজিটিভিটি।আপনি নিজেকে নিয়ে যতটুকু পজিটিভ থাকবেন,আপনার জীবন ততই সহজ হবে এবং লাইফস্টাইল ততই উত্তম হবে।

চারিদিকের পরিবেশকে আপনার পজিটিভিটি দিয়ে প্রভাবিত করতে পারবেন।এটা খুব কঠিন নয়,আপনার জীবনের অনুকরণ করে আপনার চারপাশের মানুষ ঠিক একইভাবে নিজেকে রাখতে চাইবে।কারণ মানুষ হলো অনুকরণপ্রিয়।আপনি নিজেকে নতুন পরিবেশে খাপ খাওয়াতে চাইলে নতুন লাইফস্টাইল এ নিজেকে অভ্যস্ত করুন।তবে বিরক্ত হলে চলবে না কারণ কোনো জীবনধারায় অভ্যস্ত হতে হলে কিছুটা সময় অবশ্যই প্রয়োজন।তাই ধৈর্য্য হারালে চলবে না।নিজেকে পরিবর্তন করতে হলে লাইফস্টাইল পরিবর্তন করুন।

এবার আসি মুল কথায়।আপনার লাইফস্টাইল কীরুপ হতে পারে?এই প্রশ্ন সাধারণত সবার মনেই থাকে যে আমার লাইফস্টাইল কেমন হওয়া উচিত। প্রথমত আপনার নিত্যদিনের বাজে অঅভ্যাসগুলো পরিত্যাগ করুন এবং ভালো অভ্যাসে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।এজন্য প্রথমে লক্ষ্য করুন যে আপনার মধ্যে কি কি বাজে অভ্যাস রয়েছে এবং কি কি অভ্যাস পরিবর্তন করা উচিত।দ্বিতীয়ত আপনার শরীরের বিশেষ যত্ন নিন।সুন্দর একটা জীবনযাপন করতে হলে অবশ্যই শরীর সুস্থ রাখতে হবে।পরবর্তী পদক্ষেপ হলো নিজেকে সবসময়ই পজিটিভ রাখুন এবং আশেপাশের মানুষকেও প্রভাবিত করতে পারেন। পোশাক এবং আচরণ পরিবর্তন করুন।মানুষের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলান।



অর্থাৎ মুলকথা হলো আপনি আপনার অভ্যাস পরিবর্তন করুন,দৃষ্টিভঙ্গি বদলান,নিজেকে সর্বদা পজিটিভ রাখুন।প্রতিদিন এইভাবে জীবনযাপন করতে থাকলে খুব সহজেই আপনি আপনার নতুন লাইফস্টাইলে নিজেকে অভ্যস্ত করতে পারবেন।

Advertisement
6 Comments

6 Comments

  1. Ahmadur Rahman

    Ahmadur Rahman

    January 24, 2021 at 11:21 pm

    Hmm

  2. Mashudur Rahman

    Mashudur Rahman

    January 26, 2021 at 11:05 pm

    Nice Post

  3. Arbin zara

    Arbin zara

    February 2, 2021 at 8:14 pm

    most important

  4. Jui Chowdhury

    Jui Chowdhury

    February 22, 2021 at 5:49 pm

    Very Important.

  5. Raian Ratin

    Raian Ratin

    February 24, 2021 at 9:54 pm

    vlo laglo

  6. Kazi Akash

    Kazi Akash

    February 24, 2021 at 10:23 pm

    খুব সুন্দর হয়েছে।

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

ভালোবাসা নিয়ে কিছু বাস্তব কথা

Bd Blogger

Published

on

ভালোবাসা নিয়ে প্রথমে ইংলিশ লেখক টমাস মুলার এর একটি বিখ্যাত উক্তি দিয়ে শুরু করি, ভালো ভাসতে শেখো, ভালোবাসা দিতে শিখো, তা হলে তোমার জীবনে ভালবাসার অভাব হবে না।

এ কথাটি চরম সত্য। আসলে ভালোবাসার নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই। ভালোবাসা হতে পারে প্রকৃতির সাথে,প্রানীর সাথে, প্রেমিকার সাথে, বিধাতার সাথে। মানুষের হৃদয়ের একটি অনুভূতি হল ভালোবাসা। যে অনুভূতি কাউকে দেখাতে পারেন না,অনুভব করে বুঝে নিতে হয়। ভালোবাসা হতে হবে নিখুঁত। 

ভালোবাসা মানুষের একটি মহৎ গুণ। যা নিজের মনের ভেতর লালন করতে হয়। নিজেকে নিজে ভালোবাসতে হয়। যে নিজেকে নিজে ভালোবাসতে পারে না,সে অন্য কাউকে ভালবাসতে পারবে না।

বলা হয় ভালোবাসা সবার জন্য সমান। কিন্তু বাস্তবে তা আমরা দেখতে পাই না। বর্তমানে আমাদের সমাজে ধনী গরীবের মাঝে ভালোবাসা হয় না। উচ্চ শ্রেণীর আর নিম্ন শ্রেণীর মানুষের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য। ধনী গরীবের প্রেম ভালোবাসা শুধুমাত্র সিনেমায় দেখা যায় বাস্তবে নয়।



 জীবনে বেঁচে থাকার জন্য অবশ্যই ভালোবাসা প্রয়োজন।কিন্তু ভালোবাসা সারা জীবনে অনেক কিছু প্রয়োজন রয়েছে।যেমন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা এই মৌলিক বিষয়গুলো বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেনের মত প্রয়োজন। আরো বড় বাস্তবতা হচ্ছে, ভালোবাসা দিয়ে কখনো পেট ভরে না, ক্ষুধা দূর হয় না। জীবনে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলা। তবে জীবনে অবশ্যই ভালোবাসা প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু নয়। সেক্সপিয়র এজন্য বলেছিলেন, অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায় ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

মধ্যবিত্ত নিয়ে উক্তি

Bd Blogger

Published

on

মধ্যবিত্তরাই পৃথিবীর সবচেয়ে অবহেলিত। পারেনা ধনীদের সাথে মিশতে পারে না গরিবদের সাথে তালে তাল মিলিয়ে চলতে। মধ্যবিত্তদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত অভিনয় করে পথ চলতে হয়। আমি নিজের মধ্যবিত্ত তাই মধ্যবিত্তের বৃত্ত ও ব্যাসার্ধ আমি ভালো করেই বুঝি। বুকে জমানো হাজারটা কষ্ট নিয়ে অন্যদের কাছে হাসিমুখে থাকতে হয়।

লোকদের মুখে শোনা যায়, এককালে ধনীরা গরিব হয় আর গরীবরা ধনী হয়ে যায়। কিন্তু মধ্যবিত্তরা সবার অগোচরে থেকে যায়। মধ্যবিত্তরা আজীবন মধ্যবিত্ত। ভাবছি আজ মধ্যবিত্ত নিয়ে কয়েকটি উক্তি আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো।

* মধ্যবিত্ত একটি ছোট্ট। কিন্তু এই শব্দটি এতটাই অর্থবহুল যা কখনো একটা অভিধানে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

*মধ্যবিত্তদের উড়ানোর মত টাকাকড়ি নেই,কিন্তু ২ টাকা পকেটে নিয়ে হাসি দেখার মত রয়েছে অলৈাকিক ক্ষমতা।



*মধ্যবিত্তরা পৃথিবীতে জন্মায় অভিনয় করে,সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার জন্য।

*মধ্যবিত্তদের কখনো স্বপ্ন দেখতে নেই,তারা স্বপ্ন দেখতে ভয় পায়,কারন স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট খুব বেদনাদায়ক।

*মধ্যবিত্তদের জীবনটা হল ঘরপোড়া গরুর মত তারা সিঙ্গুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়।

*মধ্যবিত্তদের একটা যাদুকরী গুন রয়েছে,সেটা হল নিজের কষ্টগুলো চাপিয়ে রাখার ক্ষমতা।

*দুই শ্রেনীর মানুষ পৃথিবীতে থাকা উচিত। একটি ধনী অপরটি গরিব। মধ্যবিত্ত নামে কনো শ্রেনী থাকা উচিত নয়।

*মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই ধরণীর আসল রূপ দেখতে পায়-হুমায়ূন আহমেদ।

* মধ্যবিত্তদের জীবনে  অনেক চাওয়া পাওয়ার মাঝে লুকিয়ে রাখা একটি শব্দ “থাক লাগবেনা”।

*মধ্যবিত্ত হয়ে জন্মানো চেয়ে ফকির হয়ে জন্মানো ভাল। ফকিরদের অভিনয় করতে হয়না কিন্তু মধ্যবিত্তদের সুখে থাকার প্রতিনিয়ত অভিনয় করে যেতে হয়।-হুমায়ূন আহমেদ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

বাইক নিয়ে ক্যাপশন

Bd Blogger

Published

on

বর্তমানে আমাদের সমাজে তরুণ প্রজন্ম বাইক চালানো একটা নেশা হয়ে গেছে। বিশেষ করে ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সী ছেলে গুলো বাইক নিয়ে মাস্তানি করে বেড়ায়। বাইক নিউ ফ্যাশন করতে গিয়ে তা মে কততা ঝুঁকির মধ্যে করতে হয় তা এ যুগের ছেলেরা ধারণা রাখে না। বাইক নিয়ে ক্যাপশন –

প্রতিবছর এ দেশে মোটরসাইকেল অ্যাক্সিডেন্টে মারা যায় অনেক মানুষ। যানবাহনের মধ্যে যত প্রকার অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বিপদজনক এক্সিডেন্ট বাইক এক্সিডেন্ট। নয়তো মৃত্যু হয় তো পঙ্গু। একটা সাজানো গোছানো জীবন চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও বাইক অ্যাক্সিডেন্ট হচ্ছে। পত্র-পত্রিকা চোখ রাখলেই এই ভয়াবহ খবর দেখতে পাওয়া যায়। অনেক পিতা মাতার আসেন তাদের আদরের ছেলেকে অল্প বয়সে মটর বাইক কিনে দেন। এটি মারাত্মক ভুল সিদ্ধান্ত।

এই অল্প বয়সে বাইক কিনে দিলে ছেলেগুলো যদি এক্সিডেন্ট না হয় তবে তারা নানা ধরনের বিপদে পরিচালিত হয়। পড়ালেখা বাদ দিয়ে পাড়ায় পাড়ায় মাস্তানি করে ঘুরে বেড়ায়। মেয়েদের ইভটিজিং করে। এক বাইকে তিন,চারজন বসে হাইস্পিডে চলে যায়। একটু এদিক সেদিক হয়েছে তারা শেষ। একটি দুর্ঘটনা যেন সারা জীবনের জন্য কান্না। নিজের,পিতা মাতা স্বপ্ন এক নিমিষেই শেষ হয়ে যায়।

আমাদের উচিত পাড়ার ছেলেপেলে গুলোকে বাইক চালানো নিয়ে সতর্ক দেয়া। অনেক ছেলে আসে তারা বাইক ব্যবহারের সময় হেলমেট পরে না, ট্রাফিক আইন মেনে চলতে চায় না।



এই বিষয়গুলো নিয়ে এখনি সবারই সচেতন হওয়া দরকার। যারা এভাবে বাইক কিনে দেন  আমি সমস্ত অভিভাবকদের অনুরোধ করবো, আপনারা আপনাদের সন্তানকে সবসময় খোঁজ রাখুন, কোথাও অযথা ঘুরে বেড়াচ্ছে কিনা, ছেলে মাদকাসক্ত হচ্ছে কিনা, কোন মেয়েকে ইভটিজিং করছে কিনা, খারাপ ছেলে মেয়েদের সাথে মিশছে কিনা এসব বিষয়গুলো সবসময় খোঁজ খবর রাখা দরকার।

Continue Reading