Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

গল্প

নীলিমার শুভ্রতা

Published

on

ভালবাসা পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের মনে দাগ কেটে নেওয়ার মত একটি শব্দ। আচ্ছা ভালোবাসা মানেই হলো দুটি মানুষের কাছে আসা? ভালবাসা মানেই কি একটি সুন্দর সম্পর্কের সফল পরিণতি। কিছু কিছু সম্পর্কে তা হয়ে উঠে না। একসময় সুধু অনুভুতিগুলো টিকে থাকে সৃতি হয়ে, কিন্তু পাশের মানুষটিকে আর পাওয়া হয়ে উঠেনা।

আমাদের আজকের গল্পটি কোন রুপকথা নয়। আজকের গল্পটি যাদের ঘিরে তারা হল শুভ্র আর নীলিমা। নীলিমার জীবনে যেমন প্রেম সম্পর্কে কোন ধারনা ছিল না। ঠিক তেমনি শুভ্রও কোনদিন প্রেম নিয়ে মাথা ঘামায়নি। তাই তাদের দুজনের কাছে প্রেম শব্দটি নাটক, সিনেমা, বন্ধু বান্ধবীর প্রেমের গল্প শোনার মধে সীমাবদ্ধ ছিল।

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ফেইসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের শুত্রপাত এই দুজনের। দুজনের ডিপার্টমেন্ট এক হলেও ভার্সটি ভিন্ন ভিন্ন। তাই তাদের প্রথম কথাই হলো এই ডিপার্টমেন্ট এর সাবজেক্ট নিয়ে। একদিন ল্যাব রিপোর্ট করার প্রাক্কালে নীলিমা কৌতহল বসত টেক্সট করে শুভ্রকে। সেটাই ছিল তাদের প্রথম কথা বলা। যদিও প্রথম কথপোকথন ততটা দীর্ঘ ছিল না তবে প্রথম কথপোকথনে শুভ্রের দেয়া টেক্সটগুলো নীলিমাকে কেমন জানি একটা অচেনা মায়ায় আবদ্ধ করে ফেলল।

প্রথম কথপোকথন এর পর ঠিক দুই দিন শুভ্রের কোন খোজ পাচ্ছিল না নীলিমা। তারপর হঠাৎ নীলিমা শুভ্রকে অনলাইনে পেয়ে টেক্সট করল। শুভ্রের কাছে জানতে চাইল হঠাৎ সে কোথায় হারিয়ে গেল? বিনিময়ে শুভ্রের সহজ সরল উত্তর তার ফেইসবুক ভাল লাগেনা তবে মাঝে মাঝে হোয়াটসঅ্যাপে থাকে।

পরবর্তীতে নীলিমাও শুভ্রের সাথে হোয়াটসঅ্যাপ এ এড হয়ে নিল। ঠিক সেই দিনের পর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ যেন মেয়েটির বসবাসের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠল। শুভ্র খুব কম কথা বলত আর নীলিমা ঠিক তার উল্টো প্রকৃতির। হয়ত এজন্য বেশ জমত তাদের। এভাবে কথা বলতে বলতে কেমন জানি এক অদ্ভুত মায়ায় জড়িয়ে পড়ল তারা। নীলিমা নিজেই বুঝতে পারছিল না তার সাথে কি হচ্ছে? কেন হচ্ছে? তাই নীলিমা হঠাৎ করেই শুভ্রের সাথে দুই দিন সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিল।

ঠিক ওই সময়টায় নীলিমা উপলব্দি করল শুভ্র শুধু তার মায়া নয়, শুভ্রের শুভ্রতা তার মনে ভালবাসার সঞ্চার করেছে। নীলিমা উপলব্ধি করল সে শুভ্রের প্রেমে পড়ে গেছে। কিন্ত শুভ্র ছিল তার এই আবেগ থেকে পুড়াই অজানা।নীলিমা যদিও বলার চেষ্টা করত কিন্ত কথা না হবার ভয়ে তা বলার সাহস তার হয়ে ওঠেনি।এভাবে মাসের পর মাস যেতে লাগল।কিন্ত মজার ব্যাপার হল তারা তখনো কেউ কাউকে দেখেনি,মোবাইল ফোনেও তাদের কথা হয়নি।

শুভ্র সমসময় তার কাজের প্রতি সিরিয়াস থাকত।তাই তার পড়াশোনা বা কোন ধরনের কাজে সে প্রায় ব্যস্ত থাকত।কিন্ত যখনই সময় পেত যতটুকু সময় পেত নীলিমার সাথে কথা বলত।নীলিমার  ও অপর দিকে শুভ্রের কাজের প্রতি ডেডিকেশান থেকে আরোও মুগ্ধতা  বাড়তে লাগল।

একদিন হঠাৎ আসল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ যখন শুভ্র নীলিমাকে তার অনূভুতির কথা জানায়।তখন নীলিমার আনন্দ আর কে দেখে। শুভ্রের শুভ্রতা নীলিমাকে যেন সর্গ সুখে ভাসাচ্ছিল।

শুভ্র নীলিমার প্রত্যেকটি কাজে নীলিমাকে খুব সাপোর্ট করত। শুভ্র যেমন খুব সাপোর্টটিভ তেমনি খুব কেয়ারিং।নীলিমার ছোট বড় সকল সমস্যায় শুভ্র পাশে থাকার চেষ্টা করত। শুভ্র নীলিমার প্রেমিক থেকেও ভালো একজন বন্ধু, নীলিমার একজন বেস্ট ফ্রেন্ড হয়ে উঠল। একজন সত্যিকারের লাইফ পার্টনারের মধ্যে যে সকল গুন থাকা দরকাল প্রায় সবটুকু গুণ নীলিমার মধ্যে বিদ্যমান।

আর এভাবেই শুরু হলো নিলয় আর শুভ্রের পথচলা। আর এভাবেই তারা সুখে দুঃখে একজন আরেকজনের নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠল।

সারাদিন শুধু ভালবাসি বললে ভালবাসা হয়ে উঠেনা। কাউকে প্রকৃত ভালোবাসতে হলে সেই ভালবাসার মানুষটির পাশে থাকার চেষ্টা করুন।তার সুখে দুঃখে যদি আপনাকে পাশে পায় তাহলে সে মানুষটি যে কোনো ধরনের যুদ্ধ জয় করার সাহস রাখে।

Advertisement
Click to comment

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

গল্প

একটি বাস্তব ভৌতিক গল্প

Published

on

By

“ভূত” এমন একটি শব্দ যেই শব্দ শুনলে যে কোন বয়সের ব্যক্তির হাত পা কেঁপে উঠে। কেউ ভুত বিশ্বাস করুক আর নাই করুক ভুত অথবা ভৌতিক কিছু শুনলে হাত পা কেঁপে উঠায় স্বাভাবিক।আজ কোনো গল্প নয় বরং বাস্তব কাহিনী তুলে ধরবো আপনাদের সামনে।                                                                                 আজ যেই ঘটনার কথা তুলে ধরবো তা আমার সাথে ঘটে যাওয়া বাস্তব একটি ভৌতিক কাহিনী। সেই ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের দিকে ঘটে যাওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভৌতিক কাহিনী আজ আপনাদের সাথে বলবো।                                                                                                                                       ঘটনাটা শীতের মাঝামাঝিতে। আমি আর আমার কিছু বন্ধবান্ধব মিলে পাশের ঘরে খেলা দেখতে গিয়েছিলাম। গ্রামে প্রায়ই শীতকালে বিভিন্ন টুর্নামেন্ট এর আয়োজন করা হয়। ঠিক তেমনি একটি টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা দেখতে গিয়েছিলাম। যেহেতু ফাইনাল খেলা তাই খেলা শেষ হতে হতে সন্ধ্যা হয়ে গেলো। ঘটনাটাও ঘটেছিলো ঠিক সন্ধ্যার পরই। আমি আমার বন্ধু রেদোয়ান ,মাহি ,আরাফ আমরা খেলা দেখে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। আগেই বলে রাখি আমাদের বাড়ি একদম গ্রামের শেষ মাথায়। বাজার আমাদের গ্রাম থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে।বাজার ছাড়া আশেপাশে তেমন দোকান ও নাই। তাই সন্ধ্যার পর গ্রামের বাজার বেশ জমে উঠে। তাই খেলা দেখে পাশের গ্রাম থেকে ফেরার পথে আমি আমার বন্ধুরা বাজারে গেলাম। চা খেতে খেতে কখন সময় পার হয়ে যাচ্ছে খবর এ নাই। হটাৎ করে দোকানের টিভিতে খবর দেখতে পেয়ে বুজলাম রাত ৮ টা বাজে বন্ধুদের থেকে বিদায় নিয়ে আমি বাজির পথে রওনা দিলাম। গ্রামের বাজার থেকে আমার বাড়ি ফেরার পথে একটা বিশাল জঙ্গল পরে। যেই জঙ্গল নিয়ে অনেক কাহিনী শোনা যায়। কখনো এসব বিশ্বাস করিনি .
বিশ্বাস হয়ত কখনো করতাম না যদিনা সেই ভৌতিক ঘটনাটি আমার সাথে ঘটে থাকতো। যাই হউক আমি বাড়ির দিকে রওনা দিয়ে জঙ্গল এর দিকে পা বাড়ালাম। রাত তখন ৯ টা প্রায়। শীতকাল চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। আসে পাশে কোনো জনমানবের চিহ্ন পর্যন্ত নেই। বার বার মনে হচ্ছিলো কেউ একজন হয়তো আমার পিছে আসছে। আমি বার বার পিছে ফিরে তাকাচ্ছি কিন্তু কাউকে দেখতে না পেয়ে আবার হাত শুরু করলাম।হাঁটা শুরু করলে শরীর মনে হচ্ছে নিস্তর হয়ে যাচ্ছে। তবুও মনে সাহস রেখে কিছুদূর এগুতেই কেউ একজন আমার নাম ধরে ডাকছে। আমি হাঁটার কারণে ঠিক মতো শুনতে পাচ্ছিলাম না। আবার কিছুদূর এগুতে আবার কেউ একজন আমার নাম ধরে ডাকছে শুনতে পেলাম। খেয়াল করতে আমার মনে হলো আমার বন্ধু রেদওয়ান এর কণ্ঠ। কিন্তু তখনি মনে আসলো ও এখনো বাজারে তাহলে কে আমাকে ডাকছে? বার বার জোরে জোরে আমার নাম ডাকার পর আমার আর বুজতে বাকি রইলোনা কি ঘটতে যাচ্ছে আমার সাথে। আমি তাই মাথা না বেঁকে পুরো শরীর সোহো সামনে ফিরলাম। সামনে যা দেখলাম তার জন্য আমি মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না। সামনে সাদা কাপড় পরিহিতি কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে আমার সামনে। যার কোনো মুখ দেখা যাচ্ছেনা। আমি শুধুই থর থর করে কাঁপছি। আমি যতই হাঁটার চেষ্টা করছি হাটতে পারছিনা,মুখ থেকে কোনো আওয়াজ বের হচ্ছেনা। ওই অশরীর আত্মা আমার দিকে বার বার এগিয়ে আসছে। আমি কি করবো বুজে উঠতে পারছিনা। ভয়ে পুরো শরীর নিথর হয়ে গিয়েছিলো আমার। এভাবে কতক্ষন যাবার পর আমি আমার সৃষ্টিকর্তার নাম নিলাম। আমি আমার কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে দোয়া পড়া শুরু করলাম। মনে হচ্ছে দোয়া পড়া শুরু করতেই অশরীর আত্ত্বাটির কিছু একটা হচ্ছে। কিছু না ভেবে শরীরের যত শক্তি ছিল তা নিয়ে পালতে শুরু করলাম। কিছুদূর যেতেই আমি আমার জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। সকালে গ্রামের লোকেরা আমাকে উদ্দার করে।

Continue Reading

গল্প

পরিণতি : একটি সত্য ঘটনা

Published

on

আব্বাসীয় খিলাফতের শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন বাগদাদের খলিফা হারুন অর রশিদ।

তার সময়ের একটা ঘটনা উল্লেখ করছি।

৮০২ সালে রোমান সাম্রাজ্যের কোষাধ্যক্ষ নাইসিফোরাস সম্রাজ্ঞী আইরিনকে হটিয়ে রোমান সাম্রাজ্য দখল করেন৷ ক্ষমতা হাতে নিয়েই নাইসিফোরাস রোমান সাম্রাজ্যকে অদ্বিতীয় সাম্রাজ্য হিসেবে পরিণত করতে পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেন৷ তার মধ্যে প্রথম পদক্ষেপ ছিল বাগদাদের সাথে চুক্তি বাতিল করে কর প্রদান বন্ধ করা। ক্ষমতা দখলের পরের বছরই তিনি এক দুঃসাহস দেখান৷ হারুন অর রশিদের কাছে এক রাজকীয় পত্রে নাইসিফোরাস দম্ভোক্তি করেন এভাবে, রোমান শাসক নাইসিফোরাসের পক্ষ হতে আরব শাসক হারুন অর রশিদের প্রতি,

“আমার পূর্বতন সম্রাজ্ঞী আইরিন আপনাকে অনর্থক মর্যাদা দিয়ে বছরের পর বছর রাষ্ট্রের মূল্যবান অর্থ আপনাকে দান করে গিয়েছেন। এটা ছিল তার নারীসুলভ দুর্বলতা মাত্র। তাই আপনি এই পত্র পাওয়া মাত্রই আপনাকে দেয়া অর্থ তার দ্বিগুণ হিসেবে ফিরিয়ে দিবেন। তা না হলে তরবারি আপনার ও আমার মধ্যে ফয়সালা করবে”

নাইসিফোরাসের এমন ঔদ্ধত্য আর অপমানজনক বাক্যে খলিফা অত্যন্ত ক্রোধান্বিত হন। ঐতিহাসিকতরা তার এমন অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তুলেছেন এভাবে যে, এ সময় খলিফা এতটাই রাগান্বিত হন যে ভয়ে তার মুখের দিকে কেউ তাকাতেও সাহস করেনি। তার ক্রোধের পরিমাণ বুঝতে পেরে সভাসদগণ ভয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। নাইসিফোরাসের চিঠির অপর পৃষ্ঠায় খলিফা জবাবে লিখেন,

” হারুন অর রশিদের পক্ষ থেকে রোমানদের কুকুর নাইসিফোরাসের প্রতি, আমি তোমার পত্র পাঠ করেছি। এর উত্তর চোখে দেখবে, কানে শুনতে হবে না।”

এর পরের কাহিনী সবাই জানে। রোমান রাজের চিঠি পাওয়ার দিনই রণসাজের সাথে রোমান সাম্রাজ্য গুড়িয়ে দিতে এক বিশাল বাহিনী নিয়ে রওনা হয়ে যান খলিফা। পথে কোথাও বিরতি না নিয়েই তিনি সরাসরি হেরাক্লিয়ায় যান এবং সেখানে রোমানদের মোকাবেলা করেন৷ সেখানে ভয়ংকর এক যুদ্ধ সংঘটিত হয়। শেষপর্যন্ত রোমান সম্রাট শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয় এবং আগের চেয়ে আরো বেশি কর প্রদানের শর্তে খলিফার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন৷ খলিফা তার অংগীকারের ভিত্তিতে ক্ষমা করে রাজধানীতে প্রত্যাবর্তন করেন। কিন্তু খলিফা রাজধানীতে পৌছার কয়েকদিনের মাথায় নাইসিফোরাস চুক্তি ভঙ্গ করে বিদ্রোহ করে বসেন। এবারো খলিফা নিজে যুদ্ধযাত্রা করেন। যুদ্ধে আবারো নাইসিফোরাস পরাজিত হন এবং ৪০ হাজার রোমান সৈনিক নিহত হয়৷ এ সময় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত রোমান সম্রাট আবারো ক্ষমা প্রার্থনা করলে হারুন অর রশিদ অতিরিক্ত কর প্রদানের শর্তে ফের তাকে ক্ষমা করে রাজধানীতে ফিরে যান। ৮০৬ সালে আবার নাইসিফোরাস চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে আব্বাসী সীমান্তে লুটতরাজ চালাতে থাকেন। খলিফা ট্রান্সওক্সিয়ানার বিদ্রোহ দমনে ব্যস্ত ছিলেন বলে রোমান সম্রাট আরো বেশি হিংস্র হয়ে উঠেন। এবার খলিফা প্রায় দেড় লক্ষ সৈন্য নিয়ে নাইসিফোরাসকে আক্রমণ করেন এবং যথারীতি বিজয়ী হোন৷ কিন্তু এ সময় হারুন অর রশিদ বিরাট ভুল করে বসেন৷ নাইসিফোরাস আবার ক্ষমা প্রার্থনা করলে তিনি তাকে ঐ আগের শর্তে আবারো ক্ষমা করে দেন। ঐতিহাসিকরা তার এই ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেছেন। বারবার ক্ষমা না করে তিনি বরং রোমান সাম্রাজ্য দখল করতে পারতেন।

ক্ষমা মহৎ গুণ। ভুলের ক্ষমা হয়। কিন্তু অপরাধের ক্ষমা থাকতে নেই। অপরাধীকে ক্ষমা করলে পরাধ প্রবণতা বাড়ে। নেপোলিয়ন বোনাপার্ট বলেছেন,”শত্রু পরে গেলে হেসো না,”তবে তাকে তুলতেও যেও না।”

Continue Reading

গল্প

একটি লড়াকু ভালোবাসার গল্প

Published

on

By

ভালোবাসা হলো স্পর্শকাতর এক তীব্র অনুভূতির নাম। ভালোবাসা একনি একটি শব্দ যা কিনা সকলের জীবনের সাথেই কোনো না কোনো ভাবে জড়িত। কারো গল্পটি হয়তো সুখের আবার কারো গল্পটি বেদনায় ভরা। আর কারো কারো গল্পটি হয়তো এখন শুধুই স্মৃতি। আমাদের আজকের গল্পটি কোনো স্মৃতি নয় ,নয় কোনো কল্প কাহিনী। আজকের গল্পটি একটি হার না মানা সাহসী গল্প।                                                                কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছেন ? কতটুকু ভালোবেসেছেন ?কি করেছেন তার জন্য ?ভালোবাসার মানুষটির জন্য কয়জন এ বা লড়তে পারে। আজ আমরা জন্য ভালোবাসার জন্য লড়াই করা এক সাহসী প্রেমিকের গল্প। যিনি তার ভালোবাসার মানুষটিকে দেননি হারাতে। আগলে রেখেছেন মমতায়। ভালোবাসার স্নিগ্ধ ছায়ায়।                                                                                                                                                            আজকের গল্পের নায়ক সাইফ আর গল্পের নায়িকা তৃষা। তৃষা এমন একটি মেয়ে যে কিনা বই ছাড়া কখনো বাইরের দুনিয়াটা ও ঘুরে দেখেনি। যার কাছে হাসি ভালোবাসা শুধুই বই। আর সাইফ হলো পুরো তৃষার উল্টোটা। যা কাছে রোমাঞ্চ ছিল ঘুরাঘুরি ,কখনো তা এক দেশ থেকে আরেকদেশ।                                       গল্পের শুরু ২০০৭ সালে। সাইফ লন্ডনে থাকতো আর তৃষা পড়াশুনা করতে লন্ডনে গেলো। ২ জন দেখা তা কাকতালীয় তাও আবার প্লেনে।পাশাপাশি সিট হওয়ায় ২ জন এর মধ্যে কথোপথন জমলো। তৃষা যেহেতু প্রথমবার লন্ডন যাচ্ছে আর সাইফ লন্ডন এর সেটেল তাই সাইফ তৃষা সব দিক এ খুব সাহায্য করলো। তাদের গল্পের শুরুটা হলো বন্ধুত্ব দিয়ে। এভাবে বই এর প্রেমে পড়া মানুষটি সাইফ এর প্রেমে পরে গেলো। একদিন ইস্ট লন্ডনের গ্লাসগো ইউনিভার্সিটি সাইফ তৃষা কে তার ভালোবাসার নিবেদন করলো। ২ জন এর সম্পর্ক খুব ভালো ভাবে আগাচ্ছিলো।                                                                                                                                    তারা সিদ্ধান্ত নিলো তারা বিয়ে করবে। তাই তারা দুজন তাদের পরিবার কে জানালো। তৃষার পরিবারে কোনো বিপত্তি না থাকলেও বাধা হয়ে দাঁড়ালো সাইফ এর পরিবার। সাইফ এর পরিবার এই বিয়ের জন্য সম্মতি দেয়নি। এইসাইফ অনেক চেষ্টা করে তার পরিবারকে বুঝতে কিন্তু সে বার বার ব্যর্থ হয়। তাই কিছু ভেবে না পেয়ে e তারা গোপনে বিয়ে করে লন্ডন চলে যায়                                                                                                             । দীর্ঘ ৮ বছর পর সাইফ এর পরিবার সম্মতি দিলো। এবং তাদের ভালোবাসা পূর্ণতা পেলো। হয়তো তাদের ভালোবাসা অনেক আগেই শেষ হয়ে যেত। কিন্তু সাইফ যেভাবে দায়িত্ত্ব নিয়েছে এভাবে এ আর কয়জন এ বা পারে দায়িত্ব নিতে? কাউকে ভালোবাসলে হয় না তার জন্য নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য তাদের দায়িত্ব নিতে হয়। তার পাশে থাকতে হয়। তাকে ভালোবেসে আগলে রাখতে হয় সারাটা জীবন।

Continue Reading