Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

ভ্রমন নিয়ে ক্যাপশন

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই?আশা করি ভালো আছেন।লকডাউনে থেকে সবাই খুব বিরক্ত হয়ে পড়ছেন তাই না?তার মধ্যে অনেকেই আবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ঘুরতে যাওয়ার জন্য প্ল্যান করছেন। মানুষ বরাবরই নিজের মতো করে চলতে পছন্দ।তাইতো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেনঃ
“থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে দেখবো এবার জগতটাকে
কেমন করে ঘুরছে মানুষ জুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে
দেশ হতে দেশান্তরে ছুটছে তারা কেমন করে”

ভ্রমন নিয়ে ক্যাপশন

মানুষ বরাবরই চায় অজানাকে জানতে, অদেখাকে দেখতে।আমাদের দেশ ষড়ঋতুর দেশ। প্রকৃতির অপার রূপে মুগ্ধ হয়ে মানুষ ছুটে যায় এক দেশ থেকে আরেক দেশে।আমরা বাঙালি জাতি বরাবরই ঘুরতে খুব পছন্দ করি।কিন্তু বর্তমান তরুণ সমাজ এই ঘুরতে যাওয়াকে তাদের নেশা বানিয়ে ফেলেছে।প্রতিবছর দুই থেকে তিনটা ট্যুর না দিলে তাদের মনে হয় চলেইনা।তবে ঘুরলে আপনার শরীর মন দুটোই খুব প্রশান্তি পায় তা নতুন করে বলার আর কোন অপেক্ষা রাখেনা।তবে এইটুকুতে শেষ নয়। ভ্রমণের রয়েছে আরও নানান ধরণের উপকারীতা।চলুন তাহলে জেনে আসি ভ্রমণের উপকারী দিকগুলো নিয়েঃ

১.জ্ঞানী গুণী জন বলেছেন “ভ্রমণ হলো জ্ঞানসমুদ্রের সন্ধান।ভ্রমনে মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি পায়।

২.পাঠ্যবইয়ে নিয়ে ডুবে থাকলে জ্ঞানী হওয়া যায়না ।তাই নতুন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হলে অবশ্যই আপনাকে অবশ্যই ভ্রমণ করতে হবে।

৩.ভ্রমনে আপনার এক ধরণের মানসিক প্রশান্তি আসবে যা আপনাকে নতুন উদ্যোমে কাজ করতে সাহায্য করবে।

৪.ভ্রমণের ফলে আত্নবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।

৫.গবেষনায় দেখা গেছে যারা খুব বেশি ভ্রমণবিলাশি তারা খুব সুখি হয়ে থাকে।

৬.ভ্রমনের ফলে মানুষের বুদ্ধি সচল থাকে।

ভ্রমনের এত্তসব গুণাবলি থাকা সত্ত্বেও এখন নিশ্চয়ই মন চাচ্ছে কোথাও থেকে ঘুরে আসতে।ঘুরতে সবারই ভালো লাগে।তবে ঘুরতে যাবার আগে আপনার অবশ্যই কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে।তা হলোঃ

১.আপনি যে যায়গায় ঘুরতে যাবেন সেই জায়গা সম্পর্কে ভালো ভাবে জেনে নিবেন।

২.আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং ঔষুধ সাথে নিয়ে যাবেন।

৩.সর্বদাই লোকাল গাইডকে সাথে করে নিয়ে যাবেন।

৪.ন্যাশানাল আইডি কার্ড,পাসপোর্ট, ভার্সিটি আইডি কার্ড অবশ্যই সাথে রাখবেন।

৫.আপনি যে যায়গায় ঘুরতে যাবেন সেই জায়গায় অবশ্যই থানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি এন্ট্রি করে নিবেন।এতে আপনার কোন ধরণের বিপদ আপদে পুলিশের সহায়তা খুব দ্রুত পাবেন।

৬.অবশ্যই আবাহাওয়া সম্পর্কে জেনে নিবেন।যাতে আপনার ভ্রমণ অভিজ্ঞতায় কোন ধরণের অসুবিধা না হয়।

৭.সাথে অবশ্যই ক্যাশ টাকা রাখবেন।না হলে বিপদে পড়তে পারেন।

৮.অবশ্যই গুগল ম্যাপের অনলাইন এবং প্রয়োজনে অফলাইন ম্যাপ অন করে রাখবেন। এতে করে হারিয়ে যাবার বিরম্ভনা পোহাতে হবে না।

৯.ভ্রমনে যাবার আগ অবশ্যই একটা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে রাখবেন এতে আপনার সময় এবং অভিজ্ঞতা দুটিই ঠিক থাকবে।

১০.কখনো সাতার না জানলে কোন সমুদ্রে ট্রলারে উঠবেন না।হঠাৎ আবাহাওয়া খারাপ হলে আপনার প্রাণের ঝুঁকি বাড়বে।

আশা করি আজকের পোস্টটির মাধ্যমে ভ্রমণ নিয়ে আপনাদের নানান ধরনের জিজ্ঞাসা এবং প্রয়োজনীয় দিকসমূহ তুলে ধরেছি।আশা করি এই সকল বিষয়সমূহ মাথায় রাখলে আপনাদের ঝামেলা কিছুটা হলেও কমবে।আজ এইটুকুই।ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Advertisement
8 Comments

8 Comments

  1. এনামুল হক

    July 31, 2020 at 10:25 am

    Apnar সাথে বন্ধুত্ব করে অনেক কিছু জানতে পারলাম।

  2. Anik Sutradhar

    Anik Sutradhar

    July 31, 2020 at 1:07 pm

    good

  3. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    July 31, 2020 at 3:51 pm

    Nice Post.

  4. Sayem Ahmed

    Sayem Ahmed

    August 1, 2020 at 1:21 pm

    Wow

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

ভালোবাসা কী চিনে নাও

Trimiti Chakma

Published

on

ভালবাসা কে না চায়। আমরা সবাই ভালবাসার পিপাসু। প্রত্যেক ভালবাসার আলাদা আলাদা রূপ আছে। সব ভালোবাসার সম্পর্ক আলাদা।
মা-বাবার ভালোবাসা যেমন একরকম, ভাই বোনের সম্পর্কে আলাদা ভালোবাসা। মা বাবার পর আমাদের সবচেয়ে যে কাছের মানুষ সে হল আমাদেরকে লাইফ পার্টনার। আসলে লাইফ পার্টনার মানে কী! তোমরা কেউ কী এখনও লাইফ পার্টনারের আসল অর্থ বুঝতে পেরছো! লাইফ পার্টনার হল সে যে জীবনের প্রত্যেক খারাপ সময়ে পাশে থাকবে সাহস হয়ে। খুশির দিনকে করে তুলবে রঙ্গিন। কষ্টে কাছে এসে হাত ধরে বলবে আমি আছি,আমি থাকব।
কিন্তু বর্তমান ইয়াং জেনারেশন লাইফ পার্টনার খুজে না। খুজে টাইম পাস করার জন্য কাউকে। এইতো বোরিং লাগছে ওর সাথে একটু টাইম পাস করি। কেন বোরিং লাগলে অন্যের ফিলিংস নিয়ে খেলা এইটা কি ঠিক! ভুলতা আমাদেরই সবাইকে এক ভাবি আমরা। দেখেও না দেখার ভান করে থাকি। কারণ সামনের মানুষতার প্রতি আমরা অতি বেশি দূর্বল হয়ে যায়।
কাউকে ভলোবাসার আগে একটুও ভেবে দেখি না যে যাকে এতটুকু ভালোবাসা দিচ্ছি সেও কী সেভাবে ভালোবাসে।

আরে পাগল কাউকে ভালোবেসে পাগল হওয়ার আগে জেনে তো নাও সে তোমাকে কতটুকু ভালবাসে। তুমি তার জন্য এতটা দূর্বল হচ্ছ সেও কী তোমরা জন্য অতটা দূর্বল। সত্যি কারের ভালোবাসা চিনে নাও। প্রতিদিন আই লাভ ইউ বলা ভালোবাসা না।ভালোবাসা হল সেটা, যে তোমার চুপচাপ দেখে তোমার মন খারাপ এইতা বুঝে যাবে। ভালোবাসা হল সেটা যেখানা একে অপরের ফোন চেক করতে হবে না। ভালোবাসা হল একটু কেয়ার। ভালোবাসা হল তোমার প্রেমিক/প্রমিকার স্পেশাল ডে মনে রাখা।রোজ দেখা করা ভালোবাসা। ভালোবাসা হল তোমার প্রেমিকার পিরিয়ডের ডেট মনে রেখে তাকে একটু যত্ন নেওয়া।

কাউকে টকিও না প্লিজ সামনের মানুষটা হয়তো তোমাকে নিয়ে তার জীবনের রঙ্গিন স্বপ্ন সাজিয়ে ফেলেছে। যদি ভাল নাই বেসে থাকে তাহলে বলে দাও। নিজের টাইম পাসের জন্য সামনের মানুষের মন নিয়ে খেলো না। ভালোবাসার সঠিক দাম দিতে শেখো। নাহলে তুমি একদিন হয়তো সে কাষ্টাই পাবে।

আর মনে রাখবে কাউকে ভালোবাসার আগে সিউর হয়ে নাও সেওকি তোমাকে ততটা ভালবাসে! এরকম কষ্ট জীবনে কেউ যদি পেয়ে থাকে তাকে বলছি দুঃখ করনা লোকসান তোমার হয়নি তার হয়েছে,কারণ সে একজন সত্যিকারের ভালাবসা পেয়েও রাখতে জানেনি।

কিছু ভুল বললে মাপ করবেন।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

প্রতারণা নিজে না করি, অন্যকে না শিখাই।

Md Golam Mostàfa

Published

on

আসসালামু আলাইকুম, বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন, সুস্থ আছেন। সুস্থতার কথা যেহেতু আসলোই, তাহলে একটি কথা না বললেই নয়। সুস্থতা হচ্ছে বান্দার প্রতি আল্লাহ তায়ালার এক বিশেষ নিয়ামত। এখন কথা হচ্ছে, সুস্থতা বলতে আমরা কি বুঝি? শারীরিক সুস্থতাই কি আসল সুস্থতা?

শারীরিক সুস্থতা বলতে আমরা শরীর রোগ মুক্ত থাকার পাশাপাশি সুঠাম দেহ, কর্মঠ ও উদ্যমকেই বুঝি। এর পাশাপাশি মনেরও সুস্থতা বলতে একটা ব্যাপার আছে, যা আমরা অনেকেই চিন্তা করি না। শরীর ঠিক আছে কিন্তু মন ঠিক নাই, এমন পরিস্থিতিতে পড়লে কি যে একটা অবস্থা হয় তা ভুক্তভোগীরাই টের পান।

আজ আমি এমনই একটি বিষয় নিয়ে আপনাদের সাথে কিছু কথা বলতে চাই। আজকাল ফেসবুক, টুইটার, ইন্সট্রাগ্রাম, লিংকদিন, এমন কি গ্রাথোরেও এমন কিছু পোষ্ট দেখি, যা দেখলে নিজের কাছেই নিজেকে অসহায় মনে হয়।

একটু খোলাসা করেই বলি। আজ একটি পোষ্ট দেখলাম, “কিভাবে বন্ধুর মেসেজ আপনার মোবাইলে নিয়ে আসবেন”।

আচ্ছা, বলুন তো বন্ধুর মেসেজ আপনার মোবাইলে কেন নিয়ে আসতে হবে? কেনই বা সেটা অন্যকে প্রকাশ্যে শিক্ষা দিতে হবে? বন্ধুর ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে আপনাকে কেন টানাটানি করতে হবে? এই ধরনের নোংরা মানসিকতা সম্পন্ন লোকদেরকেই আমরা বলি মানসিকভাবে অসুস্থ লোক। এরা দেখতে সুস্থ হলেও আসলে এরা ভীষণ অসুস্থ। শুধু অসুস্থই নয় এরা সমাজ তথা দেশের জন্য ক্ষতিকর।

কিভাবে অন্যের ফেসবুক আইডি হ্যাক করবেন।

কিভাবে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করবেন।

অন্যের ওয়াইফাই ব্যাবহার করুন পাসওয়ার্ড ছাড়াই।

নিজের নম্বর গোপন করে বন্ধুকে মেসেজ দিয়ে চমকে দিন।

কিভাবে মেইল  বা মোবাইল নম্বর ছাড়াই আনলিমিটেড ফেসবুক আইডি তৈরী করবেন। ইত্যাদি ইত্যাদি চটকদার শিরোনামে আজকাল ছেলে মেয়েদের কি শিখানো হচ্ছে সেটা কি একবারও ভেবে দেখেছেন। আশা করি এরপরে অন্তত একবার হলেও ভেবে দেখবেন। আমি নিজে অন্যের সাথে প্রতারণা করছি। শুধু তাই নয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে সেই প্রতারণা সমাজ এবং রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছে দিচ্ছি!! এর জন্য দায়ী কে? দায়ী আমাদের অসুস্থ নোংরা মানসিকতা।

আর আমরা এমনই এক হতভাগা জাতি যে, কোন কিছুর ভাল মন্দ বিচার না করেই এসব চাটুকারিতা পূর্ণ লেখাগুলো হাভাতের মত গোগ্রাসে গিলছি। একটি বারের জন্যও ভাবছি না, আমি কি করছি বা অন্যকে দিয়ে কি করাচ্ছি!! কালের বিবর্তনে নিজের বিবেক, বুদ্ধি, সততা, বিনয়, নম্রতাকে বিসর্জন দিয়ে কোন ডিজিটাল সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা? আপনার বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইলো।

কাউকে আঘাত দেয়ার জন্য এই পোষ্ট নয়। তারপরেও কেউ যদি এটি পড়ে মনে কষ্ট পান, তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুক শারীরিক ও মানসিকভাবে। আল্লাহ হাফিজ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

প্রিয় বান্ধবীকে নিয়ে স্ট্যাটাস

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই ?আশা করি সকলে যে যার অবস্থানে সুস্থ আছেন এবং ভালো আছেন। সবাই যে যার অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় করি।

প্রিয় বান্ধবীকে নিয়ে স্ট্যাটাস

বন্ধু ছাড়া আমাদের এক মূহুর্ত থাকা অসম্ভব। কারণ আমাদের জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে একজন বন্ধুর খুব বেশি প্রয়োজন। একজন বন্ধু থাকে ছায়ার মতন। যে আপনাকে ভালোবাসা ,শাসন এবং দিক নির্দেশনার মাধ্যমে সাহায্য করবে। আপনাকে খারাপ দিনে আপনার পাশে থাকবে। আপনার সুখের দিনে আপনার খুশিতে শামিল হবে। প্রকৃত বন্ধুর লক্ষণ কিন্তু এটাই।

এমনিতে ছেলেদের জীবন তা অগোছালো থাকে। তারা ছোটবেলা থেকে একটু বেখেয়ালি ধরণের হয়। খুব কম  ছেলে একদম ছোট বেলা ঠেকে নিজের কাজ নিজে করতে পারে। আর সেই জন্যই হয়তো প্রত্যেক ছেলের জীবনে একজন বন্ধুর খুব বেশি প্রয়োজন।

আজ আমি আমার জীবনের সেই একজনের কথাই তুলে ধরবো আপনাদের  সামনে। আশা করি আপনারা আমার সাথে থাকেবন। আমার নাম রিদোয়ান। ফেনীতে জন্ম হলেও বের হয়ে উঠা আমার চট্টগ্রাম এ। সেই সুবাদে আমার শিক্ষাজীবন শুরু হয় চট্টগ্ৰাম শহরে। চট্টগ্রাম সান শাইন  এ শুরু হয় আমার শিক্ষাজীবন। সেই সুবাদে কিছু বন্ধু গড়ে উঠে। তার মধ্যে স্নৃতি ছিল একজন। যে মেয়ে সেই ছেলেবেলা থেকেই আমাকে পড়াশোনার বেপারে নানান ধরণের সাহায্য করতে থাকে।আমার জন্য জায়গা রাখা ,বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বেপারে খবর নেয়া সেই সাথে সেইগুলোতে অংশগ্রহণ এর জন্য পেরে দেয়া। এমন আরো নানান ধরণের অসাধারণ কাজের মাদ্ধমে খুব প্রায় মানুষ হয়ে উঠে।

আমার প্রতিটি ভালো অভ্যাসে  আমাকে অনুপ্রাণিত করা এবং সেই সাথে আমার প্রতিটি খারাপ অভ্যাসে আমাকে শাসন করে ছিল তার স্বভাব। এভাবে আমাদের দিনগুলো খুব ভালোই কাটছিলো সেই সাথে পড়াশোনা এবং আমাদের বন্ধুত্ব ভালো চলছিল। কিন্তু হটাৎ একদিন আমার সেই বান্ধবীটি পড়াশোনার জন্য বিদেশ চলে যায়। শুরু হয় আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিনতম অধ্যায়। কারণ মিমি যাওয়ার পর আমার জীবন এর গতিটি পাল্টে সেটে থাকলো। আমি চেষ্টা করেও কোনো কাজে যেমন নিয়ে যেমন ব্যাস্ত থাকতে পারছোনা সেই সাথে পারছিনা  পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে।

চারপাশটা যেন  অন্ধকার হতে লাগলো। কারণ আমি শুধু আমার বন্ধু কেনা আমার মেন্টর ,আমার গাইড, আমার সুখ দুঃখের সাথী হারিয়ে ফেলেছিলাম। এভাবেই দিন কাটছিলো। কলেজে তেমন সুবিধার রেজাল্ট না থাকায় ভর্তি হলাম  প্রথম শাড়ির এক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঘটনা চক্রে মিমিও সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়।আবার সেই আগের মতো আমাদের বন্ধুত্ত শুরু হয়। মিমির অনুপ্রেরণায় আমি এখানেও ভালো ফলাফল করতে লাগলাম। মিমি আমার জীবনের একটা আশীর্বাদ স্বরূপ। সব সময় তেমন এ থাকুক সেটাই চাওয়া। আজ তাহলে এই পর্যন্তই। ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading