Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

মশা কেন মানুষের রক্ত খায়

Bd Blogger

Published

on

আপনি কি জানেন মশা রক্ত খায় কেন? মানবদেহের রক্ত পান করার বিষয়টি মশার এলই বা কোথায়? বিজ্ঞানীরা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছেন। তবে কারণটি বেশ অবাক। বলা হচ্ছে, প্রথমদিকে মশারা রক্ত পান করতে অভ্যস্ত ছিল না। পরে এটি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।
বলা হচ্ছে, মশা শুকনো অঞ্চলে বসবাস করার কারণে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের রক্ত পান শুরু করে। যখনই আবহাওয়া শুষ্ক থাকে এবং মশা তাদের পুনরুত্থানের জন্য জল পান না, তারা মানব বা পশুর রক্ত খেতে শুরু করে।নিউ জার্সির প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা আফ্রিকার অ্যাডিস এজিপ্টি-এর মশা নিয়ে গবেষণা করেন। এই মশার কারণে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এর কারণেই ডেঙ্গু এবং পীত জ্বরও হয়।
নিউ সায়েন্টিস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে আফ্রিকার মশার মধ্যে নানান ধরনের এডিস এজিপ্টি মশা রয়েছে। সব মশা প্রজাতির মশা রক্ত পান করে না। তাঁরা অন্য কিছু খেয়ে বা পান করে বেঁচে থাকে।তারপরে তারা কীভাবে রক্ত পান করে তা বোঝার জন্য তাদের একটি ল্যাব বক্সে রেখে দেওয়া হয়। তারপরে দেখা যায় বিভিন্ন প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি মশার খাবার সম্পূর্ণ আলাদা।নোহ জানিয়েছেন, সমস্ত মশাই যে রক্ত খায়, এধারনা ভুল। যে অঞ্চলে বেশি খরা বা উত্তাপ রয়েছে বা জল কম রয়েছে সেখানকার মহাই রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রজননের জন্য আর্দ্রতার প্রয়োজন মেটাতেই তাঁরা রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ই পরিবর্তনটি কয়েক হাজার বছর ধরে মশার মধ্যে রয়েছে। শহরটি বিকাশ অব্যাহত রেখে বিপুল সংখ্যক জলের মশা কমতে শুরু করে এবং তারা মানবদেহ এবং অন্যান্য প্রাণী থেকে রক্ত খেতে শুরু করে।



Advertisement
2 Comments

2 Comments

  1. Shanta Akter

    Shanta Akter

    January 16, 2021 at 9:17 pm

    Nice post

  2. MAHFUZ RP

    MAHFUZ RP

    January 19, 2021 at 12:02 pm

    Good Post

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

ভালোবাসা নিয়ে কিছু বাস্তব কথা

Bd Blogger

Published

on

ভালোবাসা নিয়ে প্রথমে ইংলিশ লেখক টমাস মুলার এর একটি বিখ্যাত উক্তি দিয়ে শুরু করি, ভালো ভাসতে শেখো, ভালোবাসা দিতে শিখো, তা হলে তোমার জীবনে ভালবাসার অভাব হবে না।

এ কথাটি চরম সত্য। আসলে ভালোবাসার নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই। ভালোবাসা হতে পারে প্রকৃতির সাথে,প্রানীর সাথে, প্রেমিকার সাথে, বিধাতার সাথে। মানুষের হৃদয়ের একটি অনুভূতি হল ভালোবাসা। যে অনুভূতি কাউকে দেখাতে পারেন না,অনুভব করে বুঝে নিতে হয়। ভালোবাসা হতে হবে নিখুঁত। 

ভালোবাসা মানুষের একটি মহৎ গুণ। যা নিজের মনের ভেতর লালন করতে হয়। নিজেকে নিজে ভালোবাসতে হয়। যে নিজেকে নিজে ভালোবাসতে পারে না,সে অন্য কাউকে ভালবাসতে পারবে না।

বলা হয় ভালোবাসা সবার জন্য সমান। কিন্তু বাস্তবে তা আমরা দেখতে পাই না। বর্তমানে আমাদের সমাজে ধনী গরীবের মাঝে ভালোবাসা হয় না। উচ্চ শ্রেণীর আর নিম্ন শ্রেণীর মানুষের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য। ধনী গরীবের প্রেম ভালোবাসা শুধুমাত্র সিনেমায় দেখা যায় বাস্তবে নয়।



 জীবনে বেঁচে থাকার জন্য অবশ্যই ভালোবাসা প্রয়োজন।কিন্তু ভালোবাসা সারা জীবনে অনেক কিছু প্রয়োজন রয়েছে।যেমন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা এই মৌলিক বিষয়গুলো বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেনের মত প্রয়োজন। আরো বড় বাস্তবতা হচ্ছে, ভালোবাসা দিয়ে কখনো পেট ভরে না, ক্ষুধা দূর হয় না। জীবনে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলা। তবে জীবনে অবশ্যই ভালোবাসা প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু নয়। সেক্সপিয়র এজন্য বলেছিলেন, অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায় ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

মধ্যবিত্ত নিয়ে উক্তি

Bd Blogger

Published

on

মধ্যবিত্তরাই পৃথিবীর সবচেয়ে অবহেলিত। পারেনা ধনীদের সাথে মিশতে পারে না গরিবদের সাথে তালে তাল মিলিয়ে চলতে। মধ্যবিত্তদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত অভিনয় করে পথ চলতে হয়। আমি নিজের মধ্যবিত্ত তাই মধ্যবিত্তের বৃত্ত ও ব্যাসার্ধ আমি ভালো করেই বুঝি। বুকে জমানো হাজারটা কষ্ট নিয়ে অন্যদের কাছে হাসিমুখে থাকতে হয়।

লোকদের মুখে শোনা যায়, এককালে ধনীরা গরিব হয় আর গরীবরা ধনী হয়ে যায়। কিন্তু মধ্যবিত্তরা সবার অগোচরে থেকে যায়। মধ্যবিত্তরা আজীবন মধ্যবিত্ত। ভাবছি আজ মধ্যবিত্ত নিয়ে কয়েকটি উক্তি আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো।

* মধ্যবিত্ত একটি ছোট্ট। কিন্তু এই শব্দটি এতটাই অর্থবহুল যা কখনো একটা অভিধানে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

*মধ্যবিত্তদের উড়ানোর মত টাকাকড়ি নেই,কিন্তু ২ টাকা পকেটে নিয়ে হাসি দেখার মত রয়েছে অলৈাকিক ক্ষমতা।



*মধ্যবিত্তরা পৃথিবীতে জন্মায় অভিনয় করে,সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার জন্য।

*মধ্যবিত্তদের কখনো স্বপ্ন দেখতে নেই,তারা স্বপ্ন দেখতে ভয় পায়,কারন স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট খুব বেদনাদায়ক।

*মধ্যবিত্তদের জীবনটা হল ঘরপোড়া গরুর মত তারা সিঙ্গুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়।

*মধ্যবিত্তদের একটা যাদুকরী গুন রয়েছে,সেটা হল নিজের কষ্টগুলো চাপিয়ে রাখার ক্ষমতা।

*দুই শ্রেনীর মানুষ পৃথিবীতে থাকা উচিত। একটি ধনী অপরটি গরিব। মধ্যবিত্ত নামে কনো শ্রেনী থাকা উচিত নয়।

*মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই ধরণীর আসল রূপ দেখতে পায়-হুমায়ূন আহমেদ।

* মধ্যবিত্তদের জীবনে  অনেক চাওয়া পাওয়ার মাঝে লুকিয়ে রাখা একটি শব্দ “থাক লাগবেনা”।

*মধ্যবিত্ত হয়ে জন্মানো চেয়ে ফকির হয়ে জন্মানো ভাল। ফকিরদের অভিনয় করতে হয়না কিন্তু মধ্যবিত্তদের সুখে থাকার প্রতিনিয়ত অভিনয় করে যেতে হয়।-হুমায়ূন আহমেদ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

বাইক নিয়ে ক্যাপশন

Bd Blogger

Published

on

বর্তমানে আমাদের সমাজে তরুণ প্রজন্ম বাইক চালানো একটা নেশা হয়ে গেছে। বিশেষ করে ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সী ছেলে গুলো বাইক নিয়ে মাস্তানি করে বেড়ায়। বাইক নিউ ফ্যাশন করতে গিয়ে তা মে কততা ঝুঁকির মধ্যে করতে হয় তা এ যুগের ছেলেরা ধারণা রাখে না। বাইক নিয়ে ক্যাপশন –

প্রতিবছর এ দেশে মোটরসাইকেল অ্যাক্সিডেন্টে মারা যায় অনেক মানুষ। যানবাহনের মধ্যে যত প্রকার অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বিপদজনক এক্সিডেন্ট বাইক এক্সিডেন্ট। নয়তো মৃত্যু হয় তো পঙ্গু। একটা সাজানো গোছানো জীবন চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও বাইক অ্যাক্সিডেন্ট হচ্ছে। পত্র-পত্রিকা চোখ রাখলেই এই ভয়াবহ খবর দেখতে পাওয়া যায়। অনেক পিতা মাতার আসেন তাদের আদরের ছেলেকে অল্প বয়সে মটর বাইক কিনে দেন। এটি মারাত্মক ভুল সিদ্ধান্ত।

এই অল্প বয়সে বাইক কিনে দিলে ছেলেগুলো যদি এক্সিডেন্ট না হয় তবে তারা নানা ধরনের বিপদে পরিচালিত হয়। পড়ালেখা বাদ দিয়ে পাড়ায় পাড়ায় মাস্তানি করে ঘুরে বেড়ায়। মেয়েদের ইভটিজিং করে। এক বাইকে তিন,চারজন বসে হাইস্পিডে চলে যায়। একটু এদিক সেদিক হয়েছে তারা শেষ। একটি দুর্ঘটনা যেন সারা জীবনের জন্য কান্না। নিজের,পিতা মাতা স্বপ্ন এক নিমিষেই শেষ হয়ে যায়।

আমাদের উচিত পাড়ার ছেলেপেলে গুলোকে বাইক চালানো নিয়ে সতর্ক দেয়া। অনেক ছেলে আসে তারা বাইক ব্যবহারের সময় হেলমেট পরে না, ট্রাফিক আইন মেনে চলতে চায় না।



এই বিষয়গুলো নিয়ে এখনি সবারই সচেতন হওয়া দরকার। যারা এভাবে বাইক কিনে দেন  আমি সমস্ত অভিভাবকদের অনুরোধ করবো, আপনারা আপনাদের সন্তানকে সবসময় খোঁজ রাখুন, কোথাও অযথা ঘুরে বেড়াচ্ছে কিনা, ছেলে মাদকাসক্ত হচ্ছে কিনা, কোন মেয়েকে ইভটিজিং করছে কিনা, খারাপ ছেলে মেয়েদের সাথে মিশছে কিনা এসব বিষয়গুলো সবসময় খোঁজ খবর রাখা দরকার।

Continue Reading