Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

মুক্ত মতামত

যারা আমাদের হাতে বাংলাদেশকে তুলে দিয়ে গেছিল আমরা কি রক্ষা করতে পেরেছি এদেশকে

Mehedy Hasan

Published

on

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন আপনারা? আশা করি অনেক ভাল আছেন আমিও ভালো আছি। আজকে এমন কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলব আমাদের এই বাংলাদেশ সম্পর্কে যা অনেকেই জানে আবার অনেকেই জানেনা।

১৯৭১ সালের 16 ডিসেম্বর আমাদের এই দেশ স্বাধীন হয়েছিল পাকিস্তানের হাত থেকে। টানা নয় মাস যুদ্ধের পর আমাদের এই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন এই নয় মাস বাঙালিদেরকে অনেক কিছু সম্মুখীন হতে হয়েছে, তার মধ্যে সবথেকে কষ্টের মর্মাহত বিষয় হলো বাবা-মার সামনে মেয়েকে রাজাকাররা এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা ধর্ষণ করেছিল। ভাইয়ের সামনে তার ছোট বোনকে ধর্ষণ হতে দেখেছিল কিন্তু কিছুই বলার ছিল না। কারণ তখন কিছুই করার ছিলনা ক্ষমতা পাকিস্তানিদের হাতে তারা তাদের ইচ্ছেমতো এ দেশকে শাসন করেছে।

কিন্তু বর্তমানে এর থেকেও খারাপ সময় যাচ্ছে 2020 সালের আজকের 24 দিনে প্রায় ত্রিশটির কাছাকাছি ধর্ষণের অভিযোগ এসেছে। বাবা মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এসেছে এর থেকে খারাপ আর কিছু হতে পারে না। বর্তমানে আমাদের এই দেশ নরপশুদের হাতে চলে গেছে আমরা কিছু করতে পারছি না। একবার ভাবুন তো আপনার বোনকে যদি কেউ ধর্ষণ করত তাহলে আপনার কেমন লাগতো। আসলে আমরা কখনো নিজেকে অন্যের জায়গায় বসিয়ে দেখিনা যদি দেখতাম তাহলে কখনো ধর্ষনের মত এমন খারাপ কাজ কখনো করতাম না। আমাদের দেশের বর্তমানে একটা সময় চলছে যেখানে মেয়ে হলে জন্মালে দর্শন হতে হবে আর না হয় রোড এক্সিডেন্টে মরতে হবে। আমাদের করণীয় কি কেউ কি উত্তর দিতে পারবে? জানি কারো কাছে উত্তর নেই সবাই নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন নয় মাস যুদ্ধ করে যারা আমাদের হাতে দেশ তুলে দিয়েছিল আমরা তাদেরকে কি দিলাম এই কি তার প্রতিদান?

আসুন আমরা সবাই মিলে এদেশকে পাল্টায় আমাদের নিজেকে পাল্টায় তাহলে দেশ সুন্দর হবে আমাদের জীবনটা সুন্দর হবে সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Advertisement
6 Comments

6 Comments

  1. Nila Islam

    Nila Islam

    February 13, 2020 at 7:38 am

    hmmm…nice

  2. Istiak Ahmed

    Istiak Ahmed

    February 13, 2020 at 7:46 pm

    হাইরে বেক্কল এমন পোস্ট এও নাইচ কমেন্ট করে

  3. Abu Sufian

    Abu Sufian

    February 14, 2020 at 7:53 am

    🤙🤙

  4. Shanta Akter

    Shanta Akter

    October 23, 2020 at 10:38 pm

    বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে বলা যায়, ধর্ষন দৈনন্দিন জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে।

  5. Saima Lima

    Saima Lima

    October 25, 2020 at 8:11 pm

    hmm..obossoi

  6. Maruf Ahmed

    Maruf Ahmed

    December 6, 2020 at 3:51 am

    জয় বাংলা

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

গল্প

বাংলাদেশে ধর্ষণ যে কারণে হয়।

Hasibur Rahman

Published

on

সাম্প্রতিক বিশ্ব যখন কোভিড-১৯ নিয়ে মোকাবিলা করতে হিমশিম খাচ্ছে তখন বাংলাদেশ পরিচিত  হচ্ছে নতুন এক মহামারি, ধর্ষণের  সাথে। যেদিকে দুচোখ  যায় শুধু  ধর্ষণের চিত্র  এসে পড়ে। এই ধর্ষণের শিকার হচ্ছে নারী, শিশু সকলে। বিশ্ব মহল যখন করোনার ভ্যাকসিন এর মাধ্যমে বাঁচার স্বপ্ন  দেখছে করোনাভাইরাস থেকে  তখন  কিনা বাংলাদেশের নারী মহল আক্রান্ত হচ্ছে রেপ-২০ এর সাথে। কোভিড-১৯ এর কবলে পড়ে  বিশ্ব অর্থনীত ধসে পড়েছে। অপরদিকে  রেপ-২০ তে আক্রান্ত নারীদের জলাঞ্জলি দিতে হচ্ছে তাদের সতীত্ব  ও নারীত্বকে। এ থেকে বাচার উপায়???? নাকি বাংলাদেশও আবিস্কার করবে রেইপ ভ্যাকসিন!!!

বলছিলাম রেপ কেন হয়। মূলত পুরুষদের দ্বারায় রেপ সংগঠিত হয়ে থাকে। শুধু কি পুরুষের জন্যেই ধর্ষণ হয়ে থাকে??গ্রাম্য প্রবাদে আছে বিনা বাতাসে নদীর পানিও লড়েনা। বেহায়াপনা আর অশ্লীলতা হচ্ছে রেপের মূলমন্ত্র। কি, চমকে গেলেন!!

হ্যাঁ, এর জন্যে সংগঠিত হচ্ছে অহরহ রেপ। পশ্চিমাদের মতো আমাদের দেশেও এখন দেহ প্রদর্শন চর্চা লক্ষণীয়। আধুনিকতার নামে নারীরা এখন তাদের দেহকে বানিয়ে ফেলছে  বাজারের প্রডাক্ট। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিশেষ করে ফেসবুকে নিজেদেরকে পরিচিত করতে ফলোয়ার, লাইক, কমেন্ট পাওয়ার 

আশায় আপলোড করছেন নগ্নতায় ভরা সফটকোর এবং হার্ডকোরের মতো অশ্লীল ছবি। তাদের  এসব অশ্লীল পোস্টগুলো  যুব সমাজকে  ধর্ষণের দিকে প্রভাবিত করে। মেয়েরা হয়ত বলবেন স্বাধীন দেশে বসবাস করি, যা মন চাই তাই করব। আপনারা কি ভাবছেন দেশে শুধু হিজড়ার বসবাস??? রাস্তায়  বাসি খাবার পড়ে থাকলে কুকুর আসবে  এটায় স্বাভাবিক!!!! বড় বড় ধর্ষক যাদের দ্বারা তৈরি হচ্ছে হাজারো রেইপ প্লাটফর্ম, যারা ছড়িয়ে দিচ্ছে রেইপ ভাইরাস!! সেই মড়েল তারকারাই হচ্ছে তাদের নৈতিক আদর্শের বাহক। কি, চমকে গেলেন আবারো!!!!! বলতে পারেন তাদের     এই সুকর্মের জন্যে তো সরকারিভাবে পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সরকার?? কিন্তু সরকার তো ধর্ষণ নির্মূল করতে নানান প্রদেক্ষপ গ্রহণ করছেন এবং ধর্ষকের জন্যে আইন রদবদল করে সর্বোচ্ছ শাস্তি ফাঁসি কার্যকর করছেন। তাহলে আমাদের সরকারের  অবস্থা কি লেফাফাদুরস্থির মতো??

এইতো সঠিক জায়গায় ঢিল মারতে পেরেছেন। কিভাবে রক্ষা পাব এই মহামারি থেকে??? এ থেকে বাঁচতে হলে আমাদের অবশ্যই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে এবং সকলে সাধ্য অনুযায়ী ইসলামী জিন্দেগী গড়ে তুলতে হবে। পরিশেষে বিদ্রহী কবির সাথে একাগ্রতা পোষণ করে বলবো:

কোন কালে হয়নিতো ধর্ষণ শুধু পুরুষের কাম্য দোষে

উৎসাহ দিয়েছে সাড়া দিয়েছে কলংক সতী নারী।

পরিশেষে বলতে পারি ধর্ষণ প্রতিরোধ করতে হলে সর্ব প্রথম আমাদের মন মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়ে হবে। নারীদেরকে যথাযত সম্মান দেখাতে হবে। আর নারীদেরকে বলছি আপনারাও আপনাদের চাল চলন চলা ফেরা উঠা বসা বদলান। তবেই বদলে যাবে সমাজ বদলে যাবে বাংলাদেশ বদলে যাবে এ ধরণী।

Continue Reading

মুক্ত মতামত

ছেলেদের বাইক ফ্যাশন নিয়ে মেয়েদের মন্তব্য | বাইক নিয়ে উক্তি

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠকগণ। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই ব্যক্ত করি।

বর্তমানে আজকাল কার ছেলেদের মাঝে বাইক একটি ফ্যাশন হয়ে দাড়িয়েছে।প্রায় একটু বড় হলে ছেলেরা তাদের বাবা মার কাছে বাইক চেয়ে বসে। অনেক বাবা মা ছেলের মনের আশাপুরনের জন্য বাইক কিনে দিলেও আবার অনেক বাবা মা বাইক কিনে দেয় না। এই নিয়ে প্রত্যেকটা ছেলের ঘরেই নানান ধরণের ঝামেলা বিদ্যমান রয়েছেই।কিন্তু ছেলের স্বপ্নপূরণের আশায় বাবা মা ভুলে যায় যে এই বাইকেই হতে পারে ছেলের মৃত্যুর পথ। কারণ শুধুমাত্র বাইক এক্সিডেন্ট করেই প্রতিবছর অনেক ছেলে মারা যাচ্ছে।
চলুন জেনে আসি বাইকের অপকারিতাঃ

১.আজকালের ছেলেরা বাইককে একধরণের ট্রেন্ড মনে করে থাকে ফলে বাইক কেনার পর তাদের অহংকার বেড়ে যাতে থাকে।

২.অনেকেই বাইক চালাতে গেলে কোন নিয়মকানুন এর তোয়াক্কা করে না। যার ফলে বাইকের জন্য নানান ধরণের আইনি জটিলতায় পড়তে দেখা যায় আজকালকার ছেলেদের।

৩.প্রতিবছর নানান ধরণের অক্সিডেন্ট হয়ে থাকে শুধুমাত্র বাইকের জন্য।

৪.বাইক দিয়ে অনেক সময় মেয়েদের ইভটিজিং এর মতো অপরাধ করে থাকে।

এছাড়াও আরও নানান ধরণের অপকর্মের সাক্ষী হয়ে থাকে এই বাইক।
অনেক ছেলে আবার শুধুমাত্র মেয়েদেরকে ইম্পপ্রেস করার জন্য বাইক কিনে থাকে। প্রত্যেক বাইকধারি ছেলের স্বপ্ন থাকে যে তার পিছের সিটে একজন মেয়ে বসবে। অনেক ছেলেরা ভাবে মেয়েরা বাইকওয়ালা ছেলেদের বেশি পছন্দ করে থাকে। কথাটি কিন্তু সত্য নয়।

কারণ সকল মেয়েরা কিন্তু বাইকওয়ালা ছেলেদের তেমন একটা পছন্দ করে না। কিছু কিছু মেয়েদের বাইক পছন্দ থাকতে পারে। আবার অনেকের বাইক খুবই অপছন্দ।অনেক মেয়েই আবার বাইকওয়ালা ছেলেদের বখাটে ছেলে ভেবে থাকে। আবার অনেক মেয়েই শুধুমাত্র ছেলের বাইক দেখে তার উপর ক্রাশ খেয়ে থাকে।

ছেলেদের একটা বয়স পরই বাইক একটি ফ্যাশন হয়ে দাড়িয়েছে। এই বাইক ফ্যাশনের জন্য নানান ধরণের অপকর্মের সংঘটিত হয়ে থাকে।আবার এই বাইকের ফ্যাশনের জন্য অনেক ছেলের মন ভাংতেও দেখা যায়।

বাইক কতটা উপকারী কতটা উপকারী না সেই তর্কে না যাই। কিন্তু বাইকের যাতে ক্ষতিকর সাইডগুলো কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সেই জন্য কাজ করা উচিত।ছেলেদের বাইক নিয়ে আজকাল কার মেয়ে ধারণা পাল্টেছে। তাই ছেলেদের উচিত মেয়েদের পছন্দকে সম্মান দেওয়া। ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading

মুক্ত মতামত

গাছ লাগানো নিয়ে উক্তি | গাছ লাগানো নিয়ে মোটিভেশান

Maria Hasin Mim

Published

on

গাছ লাগানো নিয়ে উক্তি

আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন।বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে বাসায় ছোট বড় সকলেই খুব আতঙ্কের মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করতে হচ্ছে।আগামীকাল কি হবে সকলে এই নিয়ে ভয়াবহতার মধ্যে দিয়ে দিন পার করছে।কিন্তু আমরা চাইলে এই সময়ে গাছ লাগিয়ে নিজেদের আশেপাশের অবস্থা পরিবর্তন করতে পারি। জি হ্যাঁ ঠিক শুনেছেন। গাছ আমাদের পরম বন্ধু। আমাদের খাবারের উৎস যেমন বৃক্ষ ঠিক তেমনি আমাদের বাঁচবার উৎসও বৃক্ষ।বৃক্ষ আমাদের নানান ধরণের উপকার করে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে আমাদের দেশের বনাঞ্চল রক্ষায় প্রায় ২৫ ভাগ বৃক্ষ আমাদের এই বনাঞ্চল সরবরাহ করে থাকে।কিন্তু বাকি ৭৫ ভাগ ঘাটতি থেকেও যাচ্ছে।

বৃক্ষের গুরুত্বের কথা বলে শেষ করা যাবে না।চলুন জেনে আসি গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে।গাছের গুরুত্বঃ
১.গাছ থেকে আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পেয়ে থাকি।গাছ আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে সেই সাথে কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে থাকে।

২.আমাদের খাদ্যের উৎস হিসেবে পরিচিত হলো গাছ।আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকার ৮০ ভাগ খাদ্য বৃক্ষ থেকে সরবরাহ করা হয়।

৩.গাছ আমাদের বিভিন্ন ধরণের আসবাবপত্র তৈরি করতে সাহায্য করে থাকে।

৪.শুকনো গাছের বাকল, নুড়ি আমরা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে থাকি।

৪..প্রতিবছর বিভিন্ন ধরণের প্রাকৃতিক দূর্যোগগুলোতে বৃক্ষ আমাদের রক্ষা করে থাকে।

৫.বৃক্ষ আমাদের শুধুমাত্র খাবারের উৎস হিসেবে ফল নয় সৌন্দর্যের উৎস হিসেবে ফুলও দিয়ে থাকে।

৬.নানান ধরণের গাছ বিভিন্ন দুরারোগ্য রোগের ঔষুধি হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।

৭.বৃক্ষ পথচারীদের ছায়া প্রদান করে।

৮.আমাদের জলবায়ুর পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে গাছ।

গাছের এত্ত এত্ত গুণের কথা একদিনে বলে শেষ করা যাবে না।গাছ আমাদের বন্ধুর মতো সাহায্য করে থাকে।বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে।সেই সাথে সেই পরিবর্তনে উষ্ণতা বাড়ছে।চলুন জেনে আসি তাহলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণগুলোঃ

১. মানুষ গাছ কেটে ঘরবাড়ি বানাচ্ছে।
২.গাছ কেটে বনাঞ্চল ধ্বংস করে দিচ্ছে।
৩.পাহাড় কেটে আবাসিক এরিয়া তৈরি করছে।

নিজেদের প্রয়োজনে প্রাকৃতিক উৎসকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।এই সব প্রাকৃতিক বিপর্যয় এর সবথেকে বড় কারণ হিসেবে দেখা দিচ্ছে বৃক্ষের অবক্ষয়। এই সব কারণেই এখন সারা বছরই লেগে থাকছে ঘূর্ণিঝড়,জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প এর মতো ঘটনাও।তাই সময় এসেছে সচেতন হবার।সময় এসেছে এই সব সমস্যার সমাধান করার।এই সকল সমস্যার একটাই সমাধান হলো বৃক্ষরোপন করা।অন্তত প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে একটা হলেও বৃক্ষরোপন করা।বৃক্ষরোপনে সকলকে উৎসাহিত করতে হলে কিছু কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।যেমনঃ

১.প্রত্যেকেকে বৃক্ষরোপন করতে হবে।

২.যাদের বাগান করার মতো অত জায়গা নেই তাদেরকে ছাদ বাগানে উৎসাহিত করা যেতে পারে।

৩.প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং সোশ্যাল মিড়িয়াতে বৃক্ষরোপনে উৎসাহিত করে বিভিন৷ ক্যাম্পেইন আয়োজন করা।

৪.এই মহামারীতে প্রত্যেকের ঘরে ঘরে বাগান করে তুলা।

৫.ছোটবেলা থেকে বাচ্চাদের বৃক্ষরোপনে উৎসাহিত করে গড়ে তোলা।

গাছ শুধুমাত্র আমাদের বন্ধু নয় গাছ আমাদের সম্পদও বটে।আপনি যদি একটি গাছ রোপন করে থাকেন বড় হয়ে সেই গাছ আপনাকে ফুল,ফল কিংবা কাঠ দিয়ে হলে আপনার বিপদের দিনে পাশে দাড়াবে।বিভিন্ন কাঠ গাছ রোপন করলে আপনি সেই গাছ থেকে যেমন আসবাবপত্র বানাতে পারবেন ঠিক সেই সাথে সেই গাছ বিক্রি করে টাকাও উপার্জন করতে পারবেন। তাই প্রত্যকেরই উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপনে এগিয়ে আসা।প্রকৃতিকে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। বিনা প্রয়োজন গাছ কেটে বনাঞ্চল ধ্বংস না করা।ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট