Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

স্বাস্থ্য

অনুশীলন ও ফিটনেস যা বদলে দিবে আপনার জীবন

Naeem Hassan

Published

on

যদি কোনভাবে সম্ভব হয় অনুশীলনের তবে সেই সুযোগ কখনোই হাতছাড়া করবেন না।মনে রাখবেন প্রতিদিন নিয়মিত অনুশীলন করা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ কাজ স্বল্পমেয়াদে, অনুশীলন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করতে, মেজাজ বাড়ায় এবং ঘুমকে উন্নত করতে সহায়তা করে। দীর্ঘমেয়াদে এই অনুশীলনটি আপনার বিভিন্ন ধরণের রোগ,অসুখ যেমন ঃ হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, ডিমেনশিয়া, হতাশা এবং এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করতে চরমভাবে সাহায্য করে।

  • আপনি কি জানেন নিয়মিত চলাচলের ফলে আপনার ক্যান্সারের মৃত্যু পর্যন্ত কমতে পারে

পাঁচ বছরের গবেষণার ফলাফলের পরে,গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে শারীরিক ব্যায়াম,হাটাহাটি এবং ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার বেশি ঝুঁকির মধ্যে একটি সমিতি খুঁজে পেয়েছে। সর্বোপরি, এটা বলা যায় যে, লোকেরা যত চলাচল করেন,ক্যান্সারে তাদের ঝুঁকি তত কম।সুতরাং বুঝতেই পারছেন এই অনুশীলন ও ব্যায়াম বা হাটাহাটি কতটা পরিমানে গুরুত্বপূর্ণ।অনুশীলন বলতে হাটাহাটি সবচেয়ে ভালো অনুশীলন হিসেবে ধরা হইয়ে থাকে।এক পা রেখে অন্য পা সামনে রাখাই হ’ল স্বাস্থ্য বেনিফিটগুলির একটি সহজ কনসেপ্ট।

নিয়মিত যথা প্রয়োজনীয় পদচারণগুলি এলডিএল (খারাপ) কোলেস্টেরল কমাতে যেমন সহায়তা করে; ঠিক তেমনি রক্তে শর্করাকেও নিয়ন্ত্রণ করে; এবং উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। ব্রিস্ক ওয়াকগুলি পেশী শক্তিশালী করে, ক্যালোরি পোড়ায় এবং মেজাজ উত্তোলন করে।ফলে আপনি সম্পুর্ণরূপে সুস্থ সবল থাকতে পারেন।

  • ক্যালোরি নিয়ে ভাবনা চিন্তা বন্ধ করেন

আমরা অনেকেই জানি যে আমাদের বিশেষজ্ঞরা শিখছেন যে ক্যালোরির মধ্যে ক্যালরির পুরানো ধারণাটি অগত্যা সঠিক।আর এটা কোনভাবে ওজন হ্রাস করার সর্বোত্তম উপায় হতে পারে না।এমনকি ক্যালোরি নিয়ে ভাবনা চিন্তা সর্বদা অন্যরকম অভিন্ন ফলাফল দেয় না।

কোনও ব্যক্তির শরীর কীভাবে ক্যালোরি পোড়ায়,সেই ব্যক্তির খাওয়ার ধরণ কেমন বা তার বিপাক এবং অণুজীবের উপস্থিতি সহ আরো অনেক কিছুই বিভিন্নধরনের কারণের উপর নির্ভর করে। সত্যটি হ’ল দু’জন ব্যক্তি একই পরিমাণে ক্যালোরি খেতে পারলেও তাদের ওজনের ক্ষেত্রে কিন্তু এটির ভিন্ন ফলাফল এসে থাকে।তাই কোনভাবেই ক্যালোরি নিয়ে চিন্তা ভাবনা করার দরকার নেই বরং নিজের অনুশীলন ও ফিটনেসের দিকে নজর দেয়া ভালো।

  • আপনার অনুশীলনকে বাড়ান এবং অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন

আমরা যদি বাংলাদেশের বাইরে একবার নজর ঘুরিয়ে আনি তাহলে দেখবো যে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি বলেছে,যে আমেরিকানদের প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১৫০ মিনিটের মাঝারি অনুশীলনের চেয়েও বেশি অনুশীলন করা অবশ্যক আর শুধু তাই নয় বরং ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য অ্যালকোহলকে পুরোপুরি ভাবে ছেড়ে দিতে হবে।আশা করি বুঝতে পেরেছেন,আমার এই পয়েন্টেও অনুশীলন রয়েছে।

সর্বোপরী, দিনে কমপক্ষে ৬০ মিনিট ধরে ক্রিয়াকলাপ করতে হবে এবং, যার বেশিরভাগটি বায়বীয় অনুশীলনে উত্সর্গ করা উচিত।আর বাচ্চাদের ক্ষেত্রে যদি বলতে হয় তো তবে বাচ্চাদের কমপক্ষে সপ্তাহে তিন দিন জোরালো অনুশীলন এবং শক্তি প্রশিক্ষণ যেমন পুশ-আপ বা জিমন্যাস্টিক্স করা উচিত।

 

তাই,নিজের ক্রিয়াকলাপের দিকে নজর দিন দেখবেন সব কিছুই রঙ্গিন লাগছে।

 

Advertisement
10 Comments
Subscribe
Notify of
10 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Shanta Akter

Informative post

Muntasir Nahiyan

The stucture of your article was good and the information you gave was so important to know.

Anisur Rahman

well

Md Golam Mostàfa

তথ্যবহুল লিখা।

Maria Hasin Mim

thik bolechen

MD. SADAQUL ISLAM

তথ্যবহুল

টিপস এন্ড ট্রিকস

শীতে শরীর ও ত্বক ভালো রাখার ১০ টি টিপস ।

mim hiya

Published

on

winter skin care

শীতের কথা বলতেই রুক্ষ, শুষ্ক, অনাদ্র , ইত্যাদি শব্দগুলো আমাদের মাথায় আসে , অথচ কিছু করনীয় আছে যেগুলো মেনে চললে শীতেও আপনার ত্বক থাকবে সুস্থ্য , সুন্দর , ও প্রাণবন্ত । সারাবছর অনেকেই ত্বকের যত্ন নেয় নানাভাবে কিন্তু, শীতের সময় আলসেমি বা সঠিক তথ্যের অভাবে তেমন যত্ন নেওয়া হয়ে ওঠে না , ফলাফলঃ- নির্জীব ত্বক । শীতে একটু সচেতন হলে , পেতে পারেন প্রাণবন্ত , সুন্দর ত্বক ।  নিচের ১০ টি  টিপস অনুসরন করলে আশা করি নিরাশ হবেন নাঃ-

১/ পানি পানঃ- জলবায়ু অনাদ্র থাকার কারনে , পানির কমতি হলে অনায়াসেই আপনার শরীর আদ্রতা হারিয়ে হয়ে ওঠবে অনাদ্র , রুক্ষ । আলসেমি অথবা শীতের কারনে অধিকাংশ মানুষ কম পানি পান করে থাকেন , এই বদ অভ্যাস ত্যাগ করুন । শীতেও আপনাকে দিনে  আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করতে হবে এতে শরীরের অন্য অন্য অংশ ভালো থাকার পাশাপাশি ত্বক ও ভালো থাকবে । ঠান্ডা পানির বদলে কুসুম গরম পানি ও পান করতে পারেন , মনে রাখবেন  শীতে পানি বেশি করে পান করতে হবে ।

২/গোসলঃ- শীত মানেই তো ঠান্ডা , আর ঠান্ডায় গরম পানি দিয়ে গোসল ভাই এটাই তো নিয়ম ! জ্বী না এটা নিয়ম না , পানির হিম কমানোর জন্য সাথে গরম পানি মেশাতে পারেন তবে সেটা খুব কম পরিমানে , যদি আপনি বেশি গরম পানি দিয়ে গোসল করেন তাহলে অবশ্যই সেটা ভালো ফল বয়ে আনবে না শরীরের আদ্রতা ক্রমশ হ্রাস পাবে । গোসলের আধঘন্টা আগে শরীর ও মুখে মেখে নিন অলিভ অয়েল , যদি আপনার পক্ষে অলিভ অয়েল ব্যয় সাপেক্ষ হয়ে থাকে তবে শুধু মুখেই মেখে নিতে পারেন , এবং শরীরে খাটি নারিকেল তেল অথবা সরিষার তেল । এতে করে সহজে আদ্রতা হারাবে না ।

৩/ গোসলের পরেঃ- গোসলের পর পর ই শরীরে লোশন মেখে নিন এতে করে ভালো ফলাফল পাওয়া যায় , এবং মুখে অবশ্যই অয়েল বেসড ময়শ্চরাইজার ।

৪/বাহিরে বের হলেঃ- শীতে রোদ থাকে প্রখর ফলে খুব সহজেই ত্বকে প্রভাব ফেলতে পারে , বাহিরে বের হলে অবশ্যই অবশ্যই সান স্ক্রিন মেখে বের হবেন ।এই সময় ধুলোবালি খুব সহজেই লেগে যায় ফেরার পর  ডিপ ক্লিঞ্জার দিয়ে মুখ ধুয়ে নিবেন আরো ভালো হয় যদি , মুখ ধোয়ার পর পানিতে গোলাপজল মিশিয়ে মুখটাকে পুনরায় ধুয়ে নিতে পারেন ।

৫/ রাতের রুটিনেঃ-রাতে ত্বকের সঠিক যত্ন করা অতি জরুরী , সারাদিনের ক্লান্তিতে ত্বকের বারোটা বেজে যায়! রাতে ত্বকের কোষগুলো প্রাণবন্ত হওয়ার সুযোগ পায় এক্ষেত্রে সঠিক যত্নের আব্যশক রয়েছে । আল্যোভেরার সাথে ই ক্যাপসুল মিশিয়ে মুখে দিলে আশ্চর্যজনক ফল পাবেন , তবে তা নিয়মিত দিতে হবে । এই ট্রিকস টা অনুসরন করে দেখতে পারেন , শীতে এর থেকে ভালো ত্বকের যত্নের জুরি মেলা ভার !

৬/ ঠোট ভালো রাখতেঃ- অনেকেই অনেক পরামর্শ দিয়ে থাকেন এক্ষেত্রে তবে আমি প্যাট্রোলিয়াম জেলি ব্যাবহার করতে নিষেধ করবো , কারন এটা ঠোটকে কালচে বানিয়ে ফেলে,ঠোট গোলাপী ও ভালো রাখতে প্রতিদিন রাতে গ্লিসারিন মেখে ৫ মিনিট হাল্কা ঘষুন তারপর শুকনো কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে  লিপবাম লাগান । ১৫ দিনের মধ্যে আশানূরুপ ফলাফল পাবেন ।

৭/হাতের যত্নেঃ- হাতের যত্নে লোশন তো মাখবেন ই , তার পাশাপাশি যদি লোশন মাখের আগে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে নিতে পারেন তবে আর চিন্তা করতে হবে না , শীতভর হাত থাকবে সুন্দর , প্রাণবন্ত।

৮/পায়ের যত্নেঃ -পা  ফাটা অনেকের সংগী বিশেষ করে শীতের সময় , এটা দূর করতে প্রথম থেকেই রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পায়ে নারিকেল তেল মেখে ৫ মিনিট অপেক্ষা করবেন এবং এর পরপরই প্যাট্রোলিয়াম জেলি মাখবেন ।

৯/ চুলের যত্নেঃ- শীতের সময় কখনোই গরম পানি মাথায় দেবেন না , সাথে গরম পানি মিশিয়ে হিম ছাড়িয়ে মাথায় দিতে পারেন । শীতে অধিক শ্যাম্পু করা থেকে বিরত থাকুন , তা নাহলে চুলে খুশকি হওয়ার পাশাপাশি চুল রুক্ষ হয়ে যাবে ।  চুলে যথাসম্ভব তেল দিন , তেল দিতে অনাগ্রহি হলে শুধু অগ্রভাগে দিন তারপর ও দিন ।

১০/শরীরের সুস্থ্যতায়ঃ- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান , পাশাপাশি মৌসুমি শাকসবজি তো আছেই ।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

সুস্থ্য থাকতে ও সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত চা পান করুন , জেনে নিন চায়ের কিছু আশ্চর্যকর সুফল ।

mim hiya

Published

on

চায়ের উপকারিতা সম্পর্কে না জেনেই অনেকে নাক সিটকায় , চা পানকে অনেকেই আবার বিলাসিতা বলে নামকরন করেন , কিন্তু জানেন কি ? দৈনিক চা পানে আপনার শরীর থাকতে পারে সুস্থ্য ও সতেজ ! আসুন জেনে নেই চায়ের কিছু আশ্চর্যজনক সুফলঃ-

লাল চা ☕—-

ক্লান্তি দূর করতে বা সময় পার করতে আমরা অনেকেই চা পান করি , অনেকে দুধ চা পান করতে বেশি পছন্দ করি , কিন্তু জানেন কি ? দুধ চায়ে তেমন উপকার মেলে না ! লাল চায় বা রঙ চায়ে রয়েছে অনেক বেশী গুনাগুন ।লাল চায়ে থাকা থিয়োফিলাইন শরীরকে সতেজ ও ঝরঝরে করে , এর ফলে আপনি ক্লান্তি ও একঘেয়েমি থেকে রেহাই পেতে পারেন ।ব্যস্তময় ও ক্লান্তিকর জীবনে দৈনিক চায়ের অভ্যাস অনেক বেশি ফলপ্রসু , এতে থাকা এম্যাইনো এসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধে অনেক  কার্যকর । যদি আপনার নিত্যদিনের সঙ্গি লাল চা হয়ে থাকে তাহলে সুসংবাদ আপনি পারকিনস রোগ হতে মুক্ত থাকবেন । এছাড়াও যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তাদের জন্য লাল চা অত্যন্ত উপকারী ।

সবুজ চা ☕—-

সাস্থ্য নিয়ে যারা সচেতন , সবুজ চা তাদের জন্য পরিচিত শব্দ । শরীরের মেদ নিয়ে লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে অনেককেই পরতে হয় , তাছাড়া বাহ্যিক সৌন্দর্য ঠিক রাখতে  সবুজ চায়ের গুনাগুন শেষ করা যাবে না । সবুজ চা শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে , হালকা পাতলা মেদহীন শরীর যদি আপনার প্রত্যাশা হয়ে থাকে তবে দেরী না করে আজ থেকেই দু বেলা পান করা শুরু করে দিন সবুজ চা , এটি শরীরের মেদ কমানোর পাশাপাশি শরীরকে করে তুলবে সুন্দর ও ঝলমলে , বয়সের ছাপ দূর করতেও সবুজ চায়ের কার্যকর প্রভাব রয়েছে । এছাড়া মানসিক সাস্থ্য ঠিক রাখতে দিনে অন্ত্যতপক্ষে দুইবার সবুজ চা পান করুন ।

লেবু চা ☕—-লেবু চা অনেক বেশী উপকারি । যাদের বদহজমের সমস্যা আছে তারা অবশ্যই লেবু চা খেয়ে দেখবেন এতে করে অনেকটা উপকার পাবেন বলে নিশ্চয়তা দেয়া যায় , লেবুতে থাকা সাইট্রিক এসিড হজমে উপকার করে । উচ্চরক্ত চাপের সমস্যা থেকে থাকলে লেবু চা আশানুরূপ ফল দেবে , কারন লেবু রক্তে কোলেস্টোরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে । ঠান্ডা অথবা কাশি হলে লেবু চায়ের সাথে আদা যোগ করে নিলে দ্রুত ফলাফল পাবেন ,  এছাড়া লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ত্বক সুন্দর করে ।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

যেভাবে চুল পড়া বন্ধ করতে পারেন !

Naeem Hassan

Published

on

কিভাবে চুল পড়া রোধ করা করা যায় তা নিঃসন্দেহে তীব্র চুল পড়া যে কোন মানুষের জন্য উদ্বেগের ব্যাপার।আর এই চুল যে পড়া এটাতে যে কেউ মানে, যুবক, বৃদ্ধ, পুরুষ এবং স্ত্রীলিঙ্গের শিকার হতে পারে। আমরা সকলেই প্রতিদিনই কিছু স্ট্র্যান্ড চুল হারিয়ে ফেলছি যা আমাদের জন্য মোটেও সুবিধাজনক ব্যাপার না।এখন আমি আপনাকে বলতে পারি আপনি যদি নিয়মিত ছোট চুল হারিয়ে ফেলেন তবে আপনার উদ্বেগ হওয়ার দরকার নেই।

গবেষণায় দেখা গেছে যে আমাদের দেহের সুস্থতার জন্য প্রাণশক্তি প্রয়োজন।আপনি কি জানেন আপনার চুলের স্বাস্থ্য ইয়িন শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
আর এই ইয়িন এনার্জিযুক্ত খাবারগুলি হ’ল মাংস, বাদাম, ফল, শসা, কলা, সয়াবিন, টমেটো, ইত্যাদি।আপনি যদি চুল পড়া কমাতে চান এবং এটা থেকে বাচতে চান তবে আপনাকে বার্গার, ফ্রাইড চিকেন, পিজ্জা এবং অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে।

আচ্ছা চুল পড়ার কারনে আসা যাক,চুল পড়ার মূল কারণ হ’ল ডিহাইড্রোটেস্টোস্টেরন (ডিএইচটি) এর মাত্রা বৃদ্ধি। ডিএইচটি হরমোন এর ফলে চুল পড়া শুরু হয়।তবে আপনি কুমড়োর বীজ সেবন করে ডিএইচটি এর মাত্রাটা কমিয়ে আনতে পারেন, কারণ এগুলিতে ম্যাগনেসিয়ামও দস্তা রয়েছে,আর এই দুটি প্রয়োজনীয় খনিজগুলি এনজাইমগুলি ব্লক করে যা ডিএইচটি উত্পাদন করতে থাকে, যার ফলে চুল পড়া কমে যায়।

বলে রাখা ভালো যে খাদ্যদ্রব্য গ্রহণের মাধ্যমে আপনার দেহে যে পরিমাণ পুষ্টি সরবরাহ করা হবে তা ব্যবহার করে আপনার শরীর ক্রিয়াশীল হবে। তেল এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবারগুলি এড়িয়ে চলতে শুরু করুন, কারণ তারা চুল পড়ার মাত্রাকে আরো বাড়িয়ে দেয়।পরিবর্তে, মাংস, বহু-ভিটামিনের মতো  দস্তা এবং উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়া শুরু করুন,কারণ তারা চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।

হয়তো জেনে থাকবেন হতাশা, দূষণ এবং স্ট্রেস চুল পড়ার কারণ হিসাবে এটি একটি সুপরিচিত অনস্বীকার্য সত্য।আর সাধারণত এই কারণগুলি আপনার মাথার ত্বকের পেশী সংকোচিত করে এবং চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বন্ধ করে দেয় যার ফলে চুল পড়ে। রক্তে প্রয়োজনীয় পুষ্টি থাকে যা চুলের বৃদ্ধিতে উত্সাহ দেয় এবং তাদের আরও শক্তিশালী করে তোলে। যদি রক্ত চুলের শিকড়গুলিতে না পৌঁছায় তবে আপনার চুলের ফলিকগুলি চূড়ান্তভাবে মারা যাবে, ফলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এখন ভাবছেন কিভাবে তাহলে সুন্দর ঘন কালো চুল পাওয়া যায়,তবে আপনাকে আমি বলতে পারি,যে আপনি পোড়া গাছের পাতা থেকে এক্সট্রাক্টটি বের করে রাতে আপনার মাথার ত্বকে লাগাবেন। বার্ন প্ল্যান্ট এক্সট্রাক্টে সুপার অক্সাইড বরখাস্ত নামক একটি এনজাইম থাকে।যা সাধারণত গ্যাস উত্পাদন করে থাকে।আর এই গ্যাস চুলের পুনঃ বিকাশকে উদ্দীপিত করে এবং আপনাকে সুন্দর সিল্কি ও ঘন কালো চুলে সহায়তা করে।

তাই অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার ত্যাগ করুন,আর উপরের দেয়া কিছু উপায় ও নির্দেশনা কার্যকর করার চেষ্টা করুন ইনশাআল্লাহ চুল পড়া রোধ হবে।

 

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট