Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

গল্প

আপনি কি অন্য গ্রহের মানুষ

Mahfuzur Rahman

Published

on

বাবার ভালোবাসা

তখন আমি স্কুল এ পড়ি আমার বয়স ১৭, একদিন স্কুল থেকে বাসায় ফিরছিলাম। আকাশ টা কালো মেঘে ঢাকা ছিল, বিকাল কে সন্ধ্যা মনে হচ্ছে। একখুনি বৃষ্টি নামলো বলে, আমি তখন ও রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছি তখন বৃষ্টি আস্তে আস্তে পড়তে শুরু করলো তাড়াতাড়ি বাড়ী ফেরার জন্য আমি শুরু করলাম দৌড়, ‍কিন্তু দৌড় দিয়ে কোন লাভ হলো নাহ, তৎক্ষনাত পবল বেগে বৃষ্টি পড়তে শুরু করলো, কিছু দূর দৌড়ানের পর একটা বাড়ী দেখতে পেলাম , বাড়ী বললে ভুল হবে কারন বাড়ীতে দরজা জানালা থাকে, কিন্তু সেখানে শুধু উপরে টিনের ঘর রয়েছে।

যাই হোক আমি গিয়ে রওনা হলাম আমার শরীর কিছুটা বিজে গেছে, বসার মত কিছু নেই চার কোনাই চারটা খুটি আর উপরে টিন শেড রয়েছে। আমার কাদ থেকে বেগ টা নামিয়ে খুটির সাথে রাখলাম, তখন দেখি একটি লোক আমি যেখানে আশ্রয় নিয়েছি সেখানে আসছে, আমি উনাকে এত গুরুত্ব দি নি। কারণ উনি আমার মত আশ্রয়কারী উনি পুরো বিজে গেছে।

বৃষ্টির সাথে হালকা বাতাস বয়ছে, বাতাস টা পুরো শিতল, ইচ্ছা করছে এক্ষুনি ঝালমুরি নিয়ে বসি, বৃষ্টির সময় এ ঝাল চানাচুর, মুরি পেয়াজ দিয়ে কড়া করে ঝালমুরি  ভানিয়ে খেতে ধারুন মজা লাগে। বৃষ্টি কমাগত বাড়ছে, লোকটির আচারণ বড় অবাক করার মত , এত বারী বুষ্টিতে উনি দৌডাতে শুরু করলেন। আমি ভাবলাম হয়তো উনার তাড়া আছে তাই তিনে চলে যাচ্ছেন।

বৃষ্টি পড়া বন্ধ হওয়া মাত্র আমি বাসার দিকে রওনা হই, কিছু দূর যাওয়ার পর আমি আবার লোকটিকে দেখতে পাই, আমি দেখে পুরো আশ্চার্য কারন, লোকটি গাছের নিছে আশ্রয় নিয়েছে তার পড়নে কাপড় একদম শুকনো,  আর যে গাছের নিছে দাড়িয়ে ছিল সে গাছের মাটি পুরো বিজা ছিল, তাহলে উনার কোথায় ছিল আশে পাশে তোহ আশ্রয় নেয়ার মত সে রকম কোন গাছ নেই, আর উনি যে গাছের নিচে দাড়িয়ে ছিল তা ওনেক আগের পুরনো। আমি একটু বয় লাগে কিনা কি আবার। আমি দৌড়ে বাসায় গিয়ে পৌছায়। তার পরের দিন থেকে স্কুল থেকে বাসায় ফিরার পথে লোকটিকে আমি দেখি টিনশেড ঘরে অথবা ওই গাছের নিছে দাড়িয়ে আছে। ‍উনাকে দেখে আমার অন্যরকম লাগে দেখে মনে হয় উনি কারোর জন্য অপেক্ষা করছে।

বেশ কয়েক দিন দেখার পর দেখি উনি বে পাত্তা, উনাকে দেখা যায় না। বিগত কয়েক সাপ্তাহ পর উনাকে দেখলাম একটা দোকানে বসে চা খাচ্ছে, তার পাশের দোকানে আমি ডিটারজেন্ট কিনার জন্য গিয়েঠিলাম, উনি আমাকে দেখে চমকে গেলেন, আমাকে দেখে কাছে ঠাকলেন, তখন আমি বয় পাচ্ছি নাহ তার কারন হল আমার আশেপাশে ওনেক মানুষ আছে, সে সাহস নিয়ে আমি সামনের দিকে এগুই, উনি আমাকে দেখে বলেন কেমন আছ। উত্তরে বল্লাম ভাল, উনি আমাকে বলে আমাকে চিনতে তোমর অসুবিধা হয়নি তোহ, উনার এমন কথা শুনে আমার মনে ভয় লাগে মনে মনে বলি লোকটি কি বলে, আমি উত্তর না দিয়ে অন্য দিকে তাকাই, তারপর উনি আমাকে বলে যাও বাসায় যাও। আমি কি না বুজে বাসায় চলে যাই।

তার পর খবর নিয়ে জানতে পারি মানসিক ভাবে আগাত পাপ্ত, খুব অল্প বছর বয়সে তিনি তার ছেলে কে হারান। তিনি তার ছেলে কে খুব ভালোভাসতেন, তাকে সব সময় হাসিখুশি রাখতেন, তার কোন জিনিস লাগবে তা বলার আগে তার সামনে হাজির করে দিতেন, ৭ বছর বয়ছে ছেলের একটি রোগ ধরা পড়ে তাতে মৃত্যু বরণ করে। আবার হঠাৎ রাস্তায় লোকটিকে আবার দেখলাম দেখার পর উনাকে আমি ডাকলাম। বল্লাম আংক্লে আপনার নাম কি, লোক হেসে বলে তুমি ভালো আছ।

উত্তরে বলার হে আছি ভালো, আপনি থাকেন কোথায়, লোকটি আমার কোন প্রশ্ন এর উত্তর না দিয়ে বলল তোমার কোন সমস্যা হলে আমাকে বলবা । আমি তোমাকে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করবো। আমিঃ আজিব তোহ! আপনি আমার প্রশ্ন উত্তর গুলো দিচ্ছেন না কেন। আপনি কি বিন গ্রহের মানুষ নাকি । তৎক্ষনাত লোকটি চলে গেল। কয়েক পা হাটার পর আবার পিছনে ফিরে আমার দিকে তাকিয়ে একটি মৃদু হাসি দিল।

তখন আমি বুজলাম প্রতিটি বাবা তার সন্তান এর জন্য কিছু না কিছু করতে চায়। বাবা হল সন্তান একটা ডাল যা শত আগাত সহ্য করে আর সন্তান কে তার শুখ টা ভাগ করে দেয়।

Advertisement
Click to comment

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

গল্প

স্কুল জীবনের ভালোবাসার গল্প

SAZOL HOSSEN

Published

on

ছেলেটির নাম রাকিব ছেলেটি খুবই সরল ও চঞ্চল ৷ব্যাবসায়ি বাবার একমাএ ছেলে ছোট বেলায় মা মারাযান সেই থেকে রাকিব  তার বাবার কাছে বড় হয়েছে ৷ছোট থেকে মায়ের আদোর না পেলেও বাবা খুব আদোরে বড় করেছে ৷

রাকিব এখন মাধ্যমিকে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ে ৷সহপাঠিদের সাথে আড্ডা দেয়ার সময় রাকিব একটি মেয়েকে দেখে আর তার দিক থেকে চোখ সরাতে পারছিলোনা ৷ কিছু সময় পরে  রাকিব তার বন্ধুদের কাছে জিঙ্গাসা করলো  মেয়েটি কে উত্তরে রাকিবের বন্ধু আশিক বলে মেয়েটি আমাদের স্কুলে নতুন ভতি হয়েছে ৷

কথাটি বালার পর রাকিব আশিকে জড়িয়ে ধরে নাচতে থাকে এটি দেখে রাকিবের বন্ধুরা হাসতে থাকে ৷তারপর দিন রাকিব দ্রুত স্কুলে আসে ৷এবং সেই মেয়েটির অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকে।রাকিব তার জন্য দাড়িয়ে আছে ৷

কিছুক্ষণ পর মেয়েটি স্কুলে আসে ৷রাকিব মেয়েটি কে ডাকলো মেয়েটি রকিবের ডাকে উত্তর দিয়ে বল্লো ডাকছো কেন ৷রাকিব বল্লো স্কুলে নতুন ৷উত্তরে মেয়েটি বল্লো হ্যা কেন কি হয়েছে মেয়েটি এ কথা বলার পর ৷রাকিব উত্তরে বল্লো কিছু না এমনি ৷তারপর দুজনে গল্প করতে করতে করতে ক্লাসের ভিতর গেল ৷এভাবে দুজনের ভিতোর বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয় ৷তারপর থাকে রাকিব প্রতিদিন স্কুলে দ্রত আসতো ৷

মেয়েটি ও রাকিবের জন্য অপেক্ষা করতো ।রাকিব ও মেয়েটির ভেতর ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠতে শুরু করে ৷তারপর একদিন রাকিব মেয়েটি কে ভালোবাসার প্রস্তাব জানায় এবং মেয়েটি প্রস্তাবে রাজী হয়ে যায় ৷সেই দিন রাকিব খুব খুশি হয় ৷তারপর থেকে রাকিবের ও মেয়েটির প্রেম খুব ভাল চলতে লাগলো ৷

কিছু দিন পর রাকিব ও মেয়েটি পরিক্ষা দিলো এবং ভাল রেজাল্ট করলো ।তারপর রাকিবের সাথে কথা বলা বন্দ করে দেয় ৷রাকিব খুব রাগ করে ৷তবুও মেয়েটি রাকিবের সাথে কথা বলতো না ৷তারপর একদিন মেয়েটি রাকিব কে স্কুলের পাশে আম বাগানে ডাকে ৷ডেকে মেয়েটি রাকিবকে জানায় যে মেয়েটির বাবা তার বিয়ে অন্য জায়গায় ঠিক করেছে ৷এ কথা রকিব দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় ৷

এরপর রাকিব স্কুল শেষে বাড়িতে যায় এবং রাকিব তার বাবা কে সব কিছু যানায় ৷রাকিবের বাবা বলেন আমি কালকে মেয়েটির বাসায় যাব তুমি নিশ্চিন্তে থাক তোমার বিবাহ আমি ওই মেয়ের সাথেই দিব ৷এ কথা বলে রাকিবের বাবা রাকিব কে দুপুরের খাবার খেয়ে ঘুমাতে বলে ৷তারপর রকিব রাতে বাবা কে আবার জানায় যে বাবা কালকে তুমি যাবে তো।উত্তরে বাবা বলেন হ্যা আমি যাব ৷

তারপর দিন সকালে রাকিবের বাবা মেয়েটির বাসায় যায় গিয়ে রাকিবের বাবা সবকিছু মেয়েটির বাবা কে জানায় ৷মেয়েটির বাবা রাকিবের বাবা কে বলে তাহলে বিয়ে কবে ঠিক করলেন ৷রাকিবের বাবা উত্তরে বলেন ৷যতদিন না ছেলে সাবলম্বি হচ্ছে ৷তারপর এভাবে সাত বছর কেটে গল ৷

রাকিব বড় হয়েছে এখন রাকিব তার ভালোবাসার সাথে বিবাহ করতে প্রস্তুত ৷রাকিবের বাবা মেয়েটির বাড়িতে গেল এবং মেয়েটির বাবা কে বল্লো যে কালকে বিবাহ নিশ্চিত করো উত্তরে মেয়েটির বাবা বল্লো হ্যা কলকেই বিবাহ সম্পন্ন করা হোক ৷এবং শেষ পয্ন্ত রাকিব তার ভালোবাসাকে বিবাহ করতে পারলো৷

Continue Reading

গল্প

কয়েকটি হাস্যকর ও মজার গল্প (২)

Maruf Ahmed

Published

on

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। কেমন আছেন সবাই? আপনাদের দোয়ায় ও আল্লাহর অশেষ রহমতে আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আপনাদের সামনে চলে এলাম কয়েকটি মজার গল্পের দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে। চলুন দেখা যাক, মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া সেসব হাস্যরসাত্মক গল্পগুলো কেমন হতে পারে…

গল্প-১:- তিন বন্ধু মিলে জঙ্গলে হাঁটছিলো। হঠাৎ তাদের
সামনে একটা পরী এলো।
পরী : তোমরা একটা করে ইচ্ছার কথা বল, আমি তোমাদের সেই ইচ্ছা পূরণ করে দেব।
বন্ধু ১ : আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর আর বড়লোক বানিয়ে দাও।
পরী : এই নাও এক্ষুণি দিলাম।
বন্ধু ২ : আমাকে দুনিয়ার সবচেয়ে হ্যান্ডসাম
ছেলে আর কোটিপতি বানিয়ে দাও।
পরী : হুম, দিলাম।
বল্টু : এই দুইজনকে আবার আগের মত করে দাও..

গল্প-২:- খুব দূরন্তপনা এক ছেলে ছিলো এ শহরে; নাম ফাহাদ (ছদ্মনাম)। বয়স এখনো ২০ পেরোয়নি, তার বিয়ে করার শখ জেগেছে। তার পরিবার,সমাজ, কেউই এখন মানবেনা তার বিয়ের ব্যাপারটা। কারণ, ছেলে একটা ভালো পজিশনে চাকরী করতে না পারলে এ সমাজ মনে করে তার কপালপোড়া; বিয়ে/টিয়ে তো অনেকদূরের কথা।

কিন্তু ফাহাদ সেটা মানতে রাজি নয়। সে তার সহকারী হিসেবে তার কয়েকটা বন্ধুকে রাজি করায়, সে কোর্ট ম্যারেজে করবে আর তাকে সাহায্য করতে হবে।

যথাসময়ে তার পছন্দ করা মেয়েটিকে নিয়ে হাজির হলো কোর্টে। বন্ধুদের আসার জন্য ফোন করছে ফাহাদ। কিন্তু কারও সাড়া নেই। তাহলে এখন কি হবে! কিভাবে সাক্ষী ছাড়া বিয়েটা হবে!

যা হোক, সে তার হবু বউকে বলছে,
তোমার কোন পরিচিত নেই?
হ্যাঁ আছে তো।
তাহলে তাদের মধ্য থেকে কাউকে অন্তত আসতে বলো, যারা আমাদের বিশ্বাস ভাঙবেনা..
আমার পরিচিত বলতে যে আছে, তাকে ফোন দেব?
হ্যাঁ দাও.. এক্ষুনি একটা দরকার আছে বলে ডাক দাও..
দেখো, আবার ক্ষতি হতে পারে..
আরে কিসের ক্ষতি! আসতে বলো..
দেখো, তিনি কিন্তু এসে আবার সমস্যাও করতে পারেন, বয়সে বড় আমাদের।
আরে ডাকো তো.. বেস্ট ফ্রেন্ড তো তোমার? নাকি অন্যকিছু?
আরে হ্যাঁ, বেস্ট ফ্রেন্ডই তো.. অনেকদিনের ভালো সম্পর্ক আমাদের…
আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে, ফোন দাও উনাকে। বাকিটা আমি দেখবো..
আচ্ছা ঠিক আছে।

ফোন দেওয়ার মিনিট বিশেকের মধ্যেই এসে পৌঁছালো হবু বউয়ের বেস্ট ফ্রেন্ড; তার বাবা..

গল্প-৩:- সদ্য বিবাহিত গ্রামের ছেলেটা তার শহুরে বউয়ের সাথে সকাল বেলার নাস্তা খাচ্ছিলো। খাওয়া দাওয়া শেষে উচ্ছিষ্টাংশগুলো ফেলতে যাচ্ছিলো। কিন্তু দেখা যায় যে, সে বাড়িতে কোন ডাস্টবিন নেই। কি আর করার, এখন তো বাড়ির বাইরেই সেগুলো ফেলে আসতে হয়…

ময়লাগুলো নিয়ে বাইরে যাবে ওইসময় ছেলের মা তাকে ডেকে বলে, “বউমা, মানুষজন দেখেশুনে ময়লা ফেলিও..”

অতঃপর শহুরে বউ বাড়ির বাহিরে যায় ময়লা ফেলতে। হঠাৎ বাড়ির ভেতরের লোকেরা কিছু কথা কাটাকাটি শুনতে পায় বাহিরে…

তাড়াতাড়ি গিয়ে দেখে, ছেলের বউ ময়লাগুলো এলাকার এক মুরুব্বীর গা বরাবর ফেলেছে..

এমন বেয়াদবি কেন করলো জানতে চাইলে বউটা বলে, “মা, আপনিই তো বললেন মানুষজন দেখে মারতে। আমি আপনার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করলাম..”
শাশুড়ি বলে, “বুঝেছি মা, বুঝেছি। শুধুমাত্র বই-পুস্তকের জ্ঞানই মানুষকে জ্ঞানী বানায়না..”

Continue Reading

গল্প

কয়েকটি হাস্যকর ও মজার গল্প

Maruf Ahmed

Published

on

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। কেমন আছেন সবাই? আপনাদের দোয়ায় ও আল্লাহর অশেষ রহমতে আমিও বেশ ভালো আছি। আজ অনেকদিন পর আপনাদের সামনে চলে এলাম কয়েকটি মজার গল্প নিয়ে। চলুন পড়ে দেখি, মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া সেসব হাস্যরসাত্মক গল্প…

গল্প-১: একটা জায়গার নাম ছিলো মাইগপাড়া। নামটা শুনতে একটু খারাপ লাগলেও ওই পাড়ার মানুষেরা খুবই ভালো এবং ভদ্র ছিলেন। তবে কেন ওই জায়গার নামটা এমন? জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে এখানে পতিতালয় ছিলো। ব্রিটিশ বাহিনী ও তৎকালীন কমান্ডারেরা এখানে রোজ আসতো। কিন্তু বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে এই নামটা তো মেনে নেওয়া যায়না! অতি শীগগির এই এলাকার নাম পাল্টাতে হবে…

বহুদিন ধরে এই ব্যাপার নিয়ে চিন্তিত ছিলেন এলাকার মুরুব্বীরা। শেষে সিধান্ত নেওয়া হয়, সমাজের সকলের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা তোলা হবে এবং সেই চাঁদা দিয়ে বড় করে একটা খাওয়ার আয়োজন করা হবে। সে আয়োজনে এলাকাবাসী এবং এলাকার আশে পাশের সবাই উপস্থিত হবে। মনের আনন্দে সবাই খাবে এবং সবাইকে ডেকে বলে দেওয়া হবে, এলাকার নাম মাইগপাড়া থেকে মল্লিকপাড়া করে দেওয়া হবে।

যথাসময়ে সকলে উপস্থিত হলো। সবাই পেট পুরে খেলো। সবাইকে ডেকে মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হলো, অত্র এলাকার নাম আজ থেকে “মল্লিকপাড়া”। সবাই সেটা সমঃস্বরে মেনে নিলো। আজ থেকে এ পাড়ার নাম ” মল্লিকপাড়া”।

একটু পর সবাই যার যার এলাকায় চলে গেলো। অতঃপর এক লোক আরেক লোককে ডেকে বলছে,
“কিরে মনার বাপ! মাইগপাড়ায় যাওনাই খাইতে? খুব ভালো রান্না হইছে কিন্তু…”
আরেক লোক তার সহযাত্রীকে ডেকে বলে, “আইজ কিন্তু বেজায় খানা চইলছে মাইগপাড়ায়! কি বলো তমিজের বাপ..”

অতঃপর মল্লিকপাড়া -নামটা মুছেই গেলো সকলের মন থেকে…

গল্প-২: এক বন্ধু তার আরেক বন্ধুকে ম্যাসেজ দিয়ে বলছে,
মামা, আজ কিন্তু মেয়ে দেখতে যাচ্ছে আমার মা..
কি বল মামা! তোর বিয়ে তাহলে হয়েই যাচ্ছে এই মাসে!
হাঁ দোস্ত..
দোস্ত, পেয়ে গেলে একলা খাইছনা…
মানে?
সারাজীবন তো পড়ে আছে, আমারেও একটু দিছ তোর বউটা…
কেন মামা?
আরে মামা বুঝোসনা.. তোর বউ মানে তো আমারও বউ, তাইনা?
আরে বেটা কথা পুরোটা শুনবি তো..
হাহা! বল.. বল..
আমার মা তোর বাসায় যাচ্ছে; তোর মেঝ বোনকে আমার জন্য দেখবে..

গল্প-৩: রাতের বেলায় দুই বন্ধু আম চুরি করতে গিয়েছে কবরস্থানের পাশের গাছটাতে। প্রথম বন্ধু গাছে উঠলো। কয়েকটা আম পেড়ে বস্তাতে নিলো। কয়েকটা আম নিচে দাঁড়িয়ে থাকা দ্বিতীয় বন্ধুকে খেতে দিলো।

ওইসময় কবরস্থানের পাশ দিয়ে একটা লোক যাচ্ছিলো। বাজার থেকে কয়েকটা মুরগি নিয়ে বাড়ির দিকে এগোচ্ছিলো। সে একজন দর্জি ছিলো। হঠাৎ তার মোবাইলে কল আসে কর্মচারীর,
দাদা, জামাটা কিভাবে বানাবো বুঝতেছিনা..
দর্জি বলে, “হাত দুইটা কেটে রাখ, আর গলাটা অল্প কেটে রাখিছ। আমি আসছি পুরোটা কাটতে..”

এই শুনে আম গাছের উপরে থাকা প্রথম বন্ধুটা ভাবে তাদেরকে ভূতে পেয়েছে! কিসব হাত পা কাটার কথা বলছে! নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সে উপর থেকে পড়ে যায় মাটিতে!

হাতে থাকা আমগুলো থেঁতলে গিয়ে কিছুটা রক্তের মতো লাগছিলো তার গায়ে..
আর বিকট আওয়াজ শুনে দর্জি এসে দেখে একটা কিছু মাটিতে পড়ে রক্তমাখা হয়ে আছে। তাকে ভূত মনে করে সেও অজ্ঞান হয়ে যায়!

আর নিচে দাঁড়িয়ে থাকা দ্বিতীয় বন্ধুটা তাড়াতাড়ি গিয়ে প্রথম বন্ধুকে দেখে রক্তমাখা হয়ে পড়ে আছে! একটু দূরে দর্জিকে দেখে, দর্জির পাশে থাকা কাটা মুরগির ব্যাগটা থেকে মুরগির রক্ত ঝরার কারণে মনে হচ্ছিলো সে আদমখোর!

এসব দেখে দ্বিতীয় বন্ধুটাও জ্ঞান হারায়!

তাদের এসব ঘটনা দেখে সত্যিকারের ভূতগুলো প্রচুর হাসছিলো! সেই সাথে আমি আপনিও হাসছি… 😃

কেমন লেগেছে গল্পটা, কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেননা কিন্তু। সামনে আরও অনেক গল্পের ঝুলি নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হবো আমি মারুফ আহমেদ… দোয়া করবেন…

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট