Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

অন্যান্য

একটি কলমের আত্মকথা

Published

on

আমি একটি ছোট্ট কলম। এতকাল আমি অন্যের কথা বলেছি। লিখেছি তাদের সুখের কথা,ও দুঃখের কাহিনী। উওর লিখেছি ছাএ ছাএীর পরিক্ষার খাতায়। ডাক্তার, উকিল, মাস্টার, কেরানি, জজ-ব্যারিস্টার আমাকে দিয়ে লিখেছেন কত বিচিত্র বিষয়ে। গল্প, কবিতা লিখিয়েছেন কেউ বা আমাকে দিয়ে।আমি সারাটা জীবন মানুষের মনের কথা লেখলাম কিন্তু কেউ আমার কথা লিখল না। আমি নিতান্তই ভাষাহীন। তবু আমারও তো জীবন বলে একটা কিছু আছে। কলম হলেও আমার জন্মের একটি ইতিহাস আছে। সেই ইতিহাস খুব গৌরবের নয়। কিন্তু  শিক্ষা ও সভ্যতা বিকাশে আমার বংশের অবদান  কেউ অস্বীকার করতে পারবে না।আমার কর্মের গুণেই আজ আমি মানুষের নিত্যসঙ্গী। আমাকে ছাড়া শিক্ষিত, সভ্য মানুষের একমুহূর্তও চলে না। আমার এই অনিবার্য ভূমিকার কথা বলছি বলে,কেউ মনে করবেন না যে,  আমি নিজের মূল্য ও মর্যাদার কথা বাড়িয়ে বলছি। এতদিন মানুষ আমাকে দিয়ে নিজের মনের কথা লিখেছে। আমার কথা ভুলেও কেউ মনে করেনি। গান শেষে বাণী যেমন পড়ে থাকে মাটিতে অনাদরে, তেমনি অবস্থার শিকার আমিও। সবাই আমাকে কাজেই লাগিয়েছে কেউ আমাকে নিয়ে ভাবেনি। আমার কথা কারো মুখে আসেনি। তাই আজ নিজেই আমার কথা বলব। মন খুলে বলব। হৃদয় উজাড় করে বলব আমার জীবনকথা। আমি ছিলাম একটা দোকানের শো-কেসের ভেতরে। লাল একটা সুন্দর প্লাস্টিকের বাক্রে। অনেকদিন পড়েছিলাম এ অবস্থায়। একদিন সুবেশধারী এক ভদ্রলোক আমাকে তুলে নিলেন। পছন্দ হতেই কিনে নিলেন। আমাকে বাক্যসহ রেখে দিলেন ব্যাগে। বাড়িতে এসে তিনি বড়ছেলেকে উপহার হিসেবে দিলেন। ছেলেটি আমাকে পেয়ে খুব খুশি হলো। পার্কার কলম,অনেক দামি। দেখতেও খুব সুন্দর। ভদ্রলোক হেসে বললেন, খোকা সামনে তোমার পরীক্ষা। ভালো কলম দিয়ে লিখলে তোমার পরীক্ষা ভালো হবে। এবাভে আমি ছেলেটির ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেলাম। পরদিন খোকা আমাকে স্কুলে নিয়ে গিয়ে তার বন্ধুদের দেখালো। সবাই আমাকে নেড়েচেড়ে দেখল। বলল,বেশি দামি কলম দেখতেও কী সুন্দর। খোকা আমাকে যত্নে বুকপকেটে আটকে রেখে রোজ স্কুলে যায়। কতরকম লেখা লেখে। গদ্য -পদ্য প্রশ্নের উওর। ইংরেজি, বাংলা,কখনো অঙ্কক বা জ্যামিতি। এভাবে লিখতে লিখতে আমার প্রতি খোকার বেশ মায়া জন্মে গেল। একদিন ক্লাসের এক শিক্ষকও আমাকে ধরে নেড়েচেড়ে লিখে দেখে বেশ প্রশংসা করলেন। খোকাকে বললেন,সাবধানে রেখো যেন হারিয়ে না যায়। ইতোমধ্যে আমার প্র অনেকের নজর পড়ল। একদিন টিফিন পিরিয়ডে খোকা আমাকে ভুলে টেবিলে রেখে পানি খেতে যায়। এমন সময় একটি দুষ্ট ছেলে আমাকে নিয়ে গেল। লুকিয়ে ফেলল তার প্যান্টের পকেটে। আমাকে হারিয়ে খোকার মন খারাপ হয়ে গেল। অস্থির হয়ে সে ক্লাসের আনাচে কানাচে, বন্ধুদের কাছে অনেক খোঁজাখুঁজি করল। তারপর খোকা কলম হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাটা তার স্যারকে জনালো। স্যার ক্লাসে কলম হারানোর ঘটনায় বেশ রেগে গেলেন। এতে দুষ্ট ছেলেটি খুব ভয় পেয়ে গেল। সবার অজান্তে সে আমাকে নিচে ফেলে পা দিয়ে আস্তে ঠেলে দিল খোকার পায়ের দিকে।আমি খোকার পায়ের কাছে গড়িয়ে গিয়ে পড়ে থাকলাম। মনে মনে বললাম, খোকা এই তো আমি,আমাকে কুড়িয়ে তুলে নাও। কিন্তু আমার কথা খোকার কানে যয়না। একসময় খোকার পায়ের সাথে লাগতেই সে নিচু হয়ে আমাকে তুলে নিল। আনন্দে সে বলে উঠল স্যার এই তো আমার কলম। এতে খোকা যেমন খুশি হয়েছিল, তেমনি খুশি হয়েছিল তার স্যার। খোকা একসময় আমাকে ফেলে রাখল এক ময়লা ফেলা জুড়িতে। কিন্তু আমার একটাই সার্থকতা যে আমি একজন মানুষের লাখি কলমের সম্নান পেয়েছি। আশাকরি এই কলমের আত্মকথা সকলের ভালো লেগেছেব।সবাইকে কলের আত্মকথা গল্পটি পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।

Advertisement
Click to comment

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

অন্যান্য

পড়াশুনার পাশাপাশি চাকরি

Published

on

By

আমাদের দেশে বর্তমানে অনেকে ভাবেন যে পড়াশুনা শেষ করার পর চাকরি পেয়ে যাবেন। কিন্তু বর্তমানে বেশির ভাগ চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে দক্ষতা চায় ,চায় পূর্বে কাজ করার অভিজ্ঞতা।

কিন্তু যেখানে আপনার পড়াশুনা করতে করতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষে সেখানে চাকরির প্রতিযোগিতায় নামলে অনেকের এ তখন হিমশিম খেতে হয়। কারণ তখন আমাদের না থাকে কোথাও কাজ করার অভিজ্ঞতা না থাকে কোনো প্রকার স্কিল। তাই চাকরি তখন আমাদের কাছে অধরাই থেকে যায়।

এক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের শিক্ষার্থীরা অনেক এগিয়ে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর তারা বিভিন্ন জায়গায় খণ্ডকালীন কাজ খুঁজতে শুরু করে। কেউবা গ্রীস্মকালীন অথবা শীতকালীন ছুটিতে দুই থেকে এক মাসের জন্য কোনো খণ্ডকালীন চাকরিতে ঢুকে পড়েন।

আবার তাদের মাঝে কেউবা আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে টিচার এসিসট্যান্ট অথবা গবেষণা সহকারী এই ধরণের কোনো কাজে ঢুকে পড়েন। তেমনি আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা যদি পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করে তাহলে তাহলে তাদের যেমন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে ঠিক তেমনি তারা স্বনির্ভর হতে পারবে। পাশাপাশি পড়াশোনার পর আর চাকরি খোঁজা নিয়ে দৌড়া দৌড়ি করতে হবেনা।

সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় এর দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় বর্ষের শিক্ষাথীরা খন্ডকালীন চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে এই ক্ষেত্রে যোগ্যতা হিসেবে ধরা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়রত নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে ,কম্পিউটারে পারদর্শী হতে হবে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড,ডিজাইন ইত্যাদিতে টুকটাক ধারণা থাকা ,ইংরেজিতে লিখা ও বলার দক্ষতা যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে খণ্ডকালীন চাকরি করার ক্ষেত্রে আপনার আমার কতগুলো বিষয় মনে রাখতে হবে।

১.আপনাকে অবশ্যই পড়াশোনাকে সবার আগে গুরুত্ত দিতে হবে। পড়াশোনা চালিয়ে যদি সম্ভব হয় তবেই খণ্ডকালীন পেশায় আসতে পারেন।

২ .আপনাকে অবশ্যই একটি আকর্ষণীয় সিভি তৈরী রাখতে হবে।

৩.আবেদন করার পূর্বে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যাচাই বাছাই করে নিবেন।

৪.রাস্তাঘাটে বিজ্ঞাপন থেকে আৱেদন না করে শ্রেয়।

৫.আপনার পরিচিতরা কোথায় কাজ করছে ,তাদের মাধ্যমে আপনি ও পেতে পারেন খণ্ডকালীন কাজ।

৬.আপনি লিংকডিন এ প্রোফাইল তৈরী করে চাকরি পেতে পারেন।

৭.তাছাড়া সবসময় যত্ন কিছু শিক্ষার চেষ্টা করবেন। বিভিন্ন শিক্ষামুলুক ওয়েবসাইট বিনামূল্যে কোর্স করতে পারেন। এতে চাকরি পাবার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেন। তাই ভবিষতে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হলে পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরির বিকল্প নেই।

Continue Reading

অন্যান্য

বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৪২জন কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ

Published

on

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ০৭-০৭-২০১৯ ইং তারিখে ৪৬. ০০. ০০০০. ০১৮. ০৪. ০০১. ১৭ – ২৩৪ এবং ০৮-০৭-২০১৯ ইং তারিখের ৪৬. ০০. ০০০০. ০১৮. ০৪. ০০১. ১৭- ২৩৪৫ নং স্মারকমূলে প্রদত্ত ছাড়পত্র মোতাবেক বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে “হিসাব সহকারী- কাম- কম্পিউটার অপারেটর” পদে সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগের লক্ষ্যে নিম্ন বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত আহবান করা যাচ্ছে।

পদের নাম : হিসাব সহকারী-  কাম – কম্পিউটার অপারেটর

পদের সংখ্যা – ৪২ (বিয়াল্লিশ) টি

বেতন স্কেল : ৯৩০০ – ২২৪৯০ /- টাকা (জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫) (গ্রেড-১৬)

আবেদন করতে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা – কোন স্বীকৃত বোর্ড হতে বাণিজ্য বিভাগে অনূন্য দ্বিতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ – তে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট অথবা সমমানের জিপি – এ তে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট অথবা সমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ,

উক্ত পদে আবেদন এর জন্য অবশ্যই আপনার কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে এবং কম্পিউটার টাইপিং এ প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন গতি বাংলা ভাষায় ২০ (বিশ) ও ইংরেজি তে ২০ (বিশ) শব্দ হতে হবে।

আবেদনকারী প্রার্থীকে অবশ্যই জন্মসূত্রে বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক ও বাগেরহাট জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

প্রার্থীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রবর্তিত এক পাতার নির্ধারিত আবেদন ফরম এ অথবা বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ওয়েবসাইট হতে আবেদন ফরম ডাউনলোড করে স্বহস্তে পূরণ করে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে জেলা প্রশাসক, বাগেরহাট বরাবরে ইস্যুকৃত যে কোন তফসিলী বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকর ব্যাংক ড্রাফট/ পে অর্ডার (অফেরৎযোগ্য) সযুক্ত করতে হবে। ট্রেজারী চালানা বা পোষ্টাল অর্ডার কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নই। পূরনকৃত আবেদন ফরম ও উল্লেখিত সকল কাগজপত্রাদি আগামী ০৬-১০-২০১৯ ইং তারিখ থেকে ০৫-১১-২০১৯ ইং তারিখ অফিস চলাকালীন (ছুটির দিন ব্যতীত) ডাকযোগে জেলা প্রশাসক,  বাগেরহাট বরাবর পৌছাতে হবে। আবেদন কারীর বয়স ০৫-১১-২০১৯ তারিখে ১৮ হতে ৩০ (মুক্তিযোধ্যা কোটা ৩২) বছর হতে হবে। মহিরা প্রার্থী গণ যদি স্বামীর ঠিকানা ব্যবহার করে তবে সেক্ষেত্রে প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মেয়র/ কাউন্সিলর / ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান কর্তৃক  স্বাক্ষরিত সনদপত্র দাখিল করতে হবে।

আবেদনপত্রের সাথে সকল সার্টিফিকেট এর ফটোকপি ও তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সত্যায়িত করে পাঠাতে হবে। কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিতে হবে। নাগরিকত্ব সনদ ও জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রেরণ করতে হবে। ৯*৪ সাইজের ফেরত খাম ১০ টাকার ডাকটিকেট সহ আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীন্ন প্রাথীকে ব্যাবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার সময় সকল কাগজপত্রের মূল কপিসেঙ্গে আনতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ন প্রার্থীগণ কম্পিউটার বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

চাকুরির বিষয়ে যে কোন ধরনের তদবির/ সুপারিশ প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসাবে বিবেচিত হবে।প্রার্থীদের লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোন প্রকার টিএ/ ডি এ প্রদান করা হবে না।

সোর্স

Continue Reading

অন্যান্য

নারী মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত

Published

on

By

বাংলাদেশের নারী মুক্তি আন্দোলনের প্রথম অগ্রদূত কুমিল্লার লাকসামের নওয়াব ফফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী।নারী শিক্ষার প্রসার ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ড অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র মুসলিম নারী হিসেবে বৃটেনের মহারাণী ভিক্টোরিয়া কতৃক নওয়াব উপাধি পেলেও রাষ্ট্র থেকে কোন ধরনের   সম্মান পাননি ফয়জুন্নেছা।    উপমহাদেশের একমাত্র নারী নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী নারী জাগরণের উজ্জল নক্ষত্র। বেগম রোকেয়ার জন্মের ৪৬ বছর আগে কুমিল্লার লাকসামের পশ্চিমগাঁও এলাকায় ১৮৩৪ সালে নবাব ফয়জুন্নেছা জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমান সময়ে মহয়সী নারী বেগম রোকেয়া জন্মের ৭ বছর আগে তিনি ইংরেজি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন।                                                    নওয়াব ফয়জুন্নেছা ছিলেন জমিদার আহমদ আলী চৌধুরী ও আরফান্নেছা চৌধুরীর প্রথম কন্যা।রক্ষনশীল সমাজ জমিদার বাড়ির কড়া নিয়মনীতির মাঝে বেড়ে ওঠলেও কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করলেও তিনি বাংলা আরবি,ফারসি ও সংস্কৃত ভাষায় বেশ পারদর্শী। আনুমানিক ১৮৬০- ১৮৬১ সালে কুমিল্লার ডাউকসারের জমিদার মোহাম্মদ গাজীর চৌধুরীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেও দুই কন্যা সন্তার জন্মের পর ১৮৬৬ সালে তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেন ঘটে।                                                      জীবনের শেষ ৩০ বছর তিনি নারী শিক্ষার প্রসারে অনন্য অবদান রাখেন।বাংলাদেশ অথা  উপমহাদেশের তিনিই একমাত্র নারী যিনি চিন্তা করেছিলেন উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া ছাড়া নারী মুক্তি সম্ভব নয়।সেই উদ্দেশ্য সামনে রেখে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ফয়জুন্নেছা উচ্চ ইংরেজি বালিকা বিদ্যালয় সেটা বর্তমানে ফয়জুন্নেছা বালিকা উচচ বিদ্যালয় নামে প্রতিষ্ঠিত। ১৯০১ সালে তিনি একটা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন বর্তমানে যা লাকসাম ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ নামে প্রতিষ্ঠিত।তিনি লাকসামে  বি এন স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।নারী স্বাস্থ্যসেবায় তিনি ১৮৯৩ সালে নবাব ফয়জুন্নেছা মহিলা ওয়ার্ড প্রতিষ্ঠা করেন।১৮৯৯ সালের দেশের ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের নির্মাণ কাজে তৎকালীন ১০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন।শিশুদের শিক্ষা বিস্তারে তিনি পশ্চিমগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা করেন।                        স্বাধীনতা পরবর্তী বিভিন্ন নির্বাচিত সরকারের আমলেও নওয়াব ফয়জুন্নেছা তার কর্মের স্বীকৃতি পাননি। আন্তর্জাতিক নারী দিবসেও অবহেলিত থেকে যাচ্ছেন তিনি।ইতিহাসকে বাদ দেবার ফল কখনো শুভ হয়না।তাই সঠিক ইতিহাসকে তুলে ধরা মজ্ঞলজনক।যিনি সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন তাকে সম্মান দেয়া নিজে থেকে সম্মান পাওয়ার শামিল। আশাকরি সরকার এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন।

Continue Reading
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন