Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

টিপস এন্ড ট্রিকস

কাস্টমস থেকে নিলামে গাড়ি কিনার উপায়

Anwar Jahid

Published

on

কাস্টমস থেকে অনেকেরই রিকন্ডিশন গাড়ি কেনার প্রয়োজন হয়। নিলামের উদ্দেশ্য রাজস্ব আদায় বা বৃদ্ধি নয় বরং পোর্টের গুদাম বা জায়গা খালি করা। নিলামে অংশ নিতে হলে কেবল একটা আয়কর সনদ থাকতে হবে। এটা এআইটি জমা দেয়ার জন্য ও পরে গাড়ি রেজিস্ট্রশনের জন্য লাগবে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের নিলামে জাতীয় পরিচয়পত্রও লাগে। কীভাবে কিনবেন কাস্টমস নিলামের গাড়ি?

যে কাস্টম হাউস বা স্টেশন থেকে থেকে নিলামে গাড়ি বা পণ্য কিনার প্রয়োজন সেখানকার ক্যাটালগ (লটভিত্তিক গাড়ির তালিকা) কিনতে হবে। সংযুক্তিতে ২৫৬টির গাড়ির ক্যাটালগ রয়েছে। এটা সরকারি নিলামকারীর কাছে থাকে। সব কাস্টমস অফিসে একজন নিলামকারী থাকে। ক্যাটালগের দাম ৫০-১০০ টাকা হতে পারে। নিলামে অংশ নেয়ার সরকারি নিলামকারীর কাছ থেকে শিডিউল কিনতে হবে (প্রতি লটের জন্য একটা শিডিউল কিনতে হয়)। তিনটা গাড়ির জন্য বিড করলে তিনটা শিডিউল কিনতে হবে।

শিডিউলে বর্ণিত ফিল্ডের তথ্যগুলো স্পষ্ট করে বাংলায় লিখতে হবে। যে লটটি কেনার প্রয়োজন, সেটি ক্যাটালগের কত নম্বর সেটা পণ্যের বর্ননাসহ উল্লেখ করতে হবে। যে লটটি যত মূল্যে বিড কারার প্রয়োজন সে কোটেশন মূল্যের উপর ১০% হারে জামানত পেঅর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট শিডিউলের সাথে জমা দিতে হবে। শিডিউলে পণ্যের মূল্য অংকে ও কথায় স্পষ্টাক্ষরে লিখতে হবে। বিডের সাথে অবশ্যই আয়কর সনদপত্র জমা দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রও জমা দিলে ভালো। কাস্টম হাউজগুলোতে সচরাচর প্রতি মাসে একবার নিলাম করা হয় ।

মনে রাখতে হবে, শিডিউল জমার নির্ধারিত দিনক্ষণে বিড বা দর প্রস্তাব জমা দিতে হবে। দিনক্ষণ শিডিউল কেনার সময় নিলামকারীর কাছ থেকে জানতে হবে। পছন্দের লটটির সর্বোচ্চ দরদাতা হলে এবং সর্বেোচ্চ দর প্রথম নিলামে এই গাড়িটির সংরক্ষিত মূল্যের (সাধারণত ডিউটি পেইড ভ্যালু) ৬০% হলে, দ্বিতীয় নিলামের দর প্রথম নিলাম থেকে বেশি হলে, তৃতীয় নিলামে যা-ই দর উঠুক ওই মূল্যে বিক্রি করে দেয়া হবে।

তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে বা কারো কথায় পড়ে নিলামে দর দেলে পছন্দের জিনিসটা হারানোর সম্ভাবনা থাকে। অবশ্যই গাড়ি বা পণ্যটি নিজে দেখতে হবে। গুনগত মান বিচার করতে হবে। বাজার দর আন্দাজ করতে হবে।  যে নিলামে গাড়িটি বিড হবে সেটি ওই গাড়ির প্রথম নিলাম না হলে আগের নিলামে এর দর কখন কত পড়েছে খোঁজ নিতে হবে।

পারিপার্শ্বিক দিকগুলো বিবেচনায় এনে নিজের আন্দাজ খাটিয়ে দর প্রস্তাব করতে হবে। সিপি দরকার বা শর্তযুক্ত গাড়ির জন্য বিড না করাই ভালো। সিপি নিতে গিয়ে ঝামেলা পোহাতে ভালো নাও লাগতে পারে।

নিলাম করতে গিয়ে কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে সংশ্লিষ্ট কাস্টম হাউজ বা স্টেশনের নিলাম সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনারের কাছে জানার ব্যবস্থা রয়েছে।কেউ ভয় দেখালে বা অভিযোগ থাকলে ওই হাউজ বা স্টেশনের কমিশনারতক জানানো যেতে পারে।

টিপস এন্ড ট্রিকস

ম্যাজিক সবজি সম্পর্কে জেনে নিন

Lamisa Naaz

Published

on

আমরা সবাই এখন করোনার নিয়ে আতংকিত! এই ভাইরাস প্রাণঘাতী। আর এই ভাইরাস থেকে বাচতে হলে আমাদের শরিরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো দরকার। আজ আমি এমন একটি সবজি নিয়ে কথা বলব যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়াবে, কোষ্টকাঠিন্য দূর করে, বদ হজম নিরাময় সহ লিভারজনিত রোগ নিরাময় করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রক!
আর এতক্ষন ধরে এত গুণাবলি বলা সবজি টি যদি বলি আপনার হাতের নাগালে, আর যদি বলি খুব ই সুলভ মুল্যে পাবেন নিশ্চয় সবাই খুশি হবেন।
জি হ্যা!!

আমি ঢেঁড়সের গুণাবলি বললাম এতক্ষণ।

এটি আমাদের অনেকের ই প্রিয়। সবাই শরির সুস্থ রাখতে সব্জি খাবেন বেশি পরিমানে।যা আপনার শরিরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক গুন বাড়িয়ে দিয়ে আপনাকে সুস্থ রাখবে।আর আপনি সুস্থ থাকা মানে আপনি আপনার পরিবারকে সুস্থ রাখছেন।।

সবাই ভালথাকুন সুস্থ থাকুন।আর একে অপরের জন্য দোয়া করুন।আর আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শোকরিয়া জানান যে আপনি এখনো করোনা মুক্ত আছেন।

আমরা সবাই এখন করোনার নিয়ে আতংকিত! এই ভাইরাস প্রাণঘাতী। আর এই ভাইরাস থেকে বাচতে হলে আমাদের শরিরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো দরকার। আজ আমি এমন একটি সবজি নিয়ে কথা বলব যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়াবে, কোষ্টকাঠিন্য দূর করে, বদ হজম নিরাময় সহ লিভারজনিত রোগ নিরাময় করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রক!
আর এতক্ষন ধরে এত গুণাবলি বলা সবজি টি যদি বলি আপনার হাতের নাগালে, আর যদি বলি খুব ই সুলভ মুল্যে পাবেন নিশ্চয় সবাই খুশি হবেন।
জি হ্যা!!

আমি ঢেঁড়সের গুণাবলি বললাম এতক্ষণ।

এটি আমাদের অনেকের ই প্রিয়। সবাই শরির সুস্থ রাখতে সব্জি খাবেন বেশি পরিমানে।যা আপনার শরিরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক গুন বাড়িয়ে দিয়ে আপনাকে সুস্থ রাখবে।আর আপনি সুস্থ থাকা মানে আপনি আপনার পরিবারকে সুস্থ রাখছেন।।

সবাই ভালথাকুন সুস্থ থাকুন।আর একে অপরের জন্য দোয়া করুন।আর আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শোকরিয়া জানান যে আপনি এখনো করোনা মুক্ত আছেন।

ম্যাজিক দেখে নিন ঢেড়সের একটি মজাদার রেসিপি।

 

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

এবার প্রিয়জনকে উইশ হবে ইচ্ছা মত।

Tanvir Hossin

Published

on

  • আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় পাঠক-পাঠিকা ভাই ও বোনেরা আশা করি সবাই ভালো আছেন। অবশ্য গ্ৰাথরের মেম্বার রা সব সময় ভালই থাকে। আজকে আমি আপনাদেরকে সম্পূর্ণ একটা নতুন টিপস দিচ্ছি।যেটা জানার মাধ্যমে আপনি এখন থেকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে এসএমএস করতে পারবেন।কারন এটি আমি ব্যবহার করে খুব উপভোগ করছি। তাহলে চলুন শুরু করি।
  • এটি করার জন্য প্রথমে আপনাকে গুগোল প্লে স্টোরে গিয়ে bd go sms লিখে সার্চ করতে হবে। এরপর অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিতে হবে। এরপর অ্যাপস টি ওপেন করে আপনাকে নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়ে গেলে আপনি আপনার নাম দিয়ে একাউন্টটি ওপেন করবেন। পরের বার লগইন করার সময় নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করবেন। পুরো কাজটি সম্পন্ন হয়ে গেলে আপনি অ্যাপসটি তে লগইন করে লিখতে পারবেন।
  • এসএমএস করার জন্য আপনাকে যাকে এসএমএস করবেন তার নাম্বার দিবেন। এরপর নিচের বক্সে টেক্সট লিখবেন। লেখার পরে আপনি সেন্ড অপশনে ক্লিক করে দিবেন। তাতেই আপনার এসএমএস সেন্ড হয়ে যাবে। এই এসএমএস সেন্ড করলে আপনার কোন টাকা কাটা হবে না। এবং আপনার নাম্বার পুরোপুরি গোপন থাকবে। এর কারণ এটি একটি IP সিস্টেম।যেটা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনাকে সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
  • তবে এই এসএমএস পাঠাতে আপনাকে কয়েন ব্যবহার করতে হবে। তবে সেটা টাকা দিয়ে ক্রয় করা লাগবেনা। আপনি প্রতিদিন ডেইলি বোনাস অনুসারে ৭৫ কয়েন এবং ভিডিও দেখার মাধ্যমে ৫ কয়েন পাবেন। এই কয়েনগুলি আপনার এসএমএস প্রদান করার সময় ব্যবহৃত হবে। এই অ্যাপটির এসএমএস পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ফ্রী।
  • এর মাধ্যমে আপনি আরো যে সুবিধাটি পাবেন সেটা হল এসএমএস করলে আপনার নাম্বারটি যাকে এসএমএস করছেন সে দেখতে পারবেনা। কারণ এখানে একটি ইন্টারনেট প্রোভাইড নাম্বার দেয়া হয় যেটাতে কখনোই কল করা সম্ভব না।
  • এই সিস্টেম টিতে অসুবিধা টি হল আপনি যাকে এসএমএস করছেন সে আপনাকে রিপ্লাই করতে পারবে না। এই অ্যাপটির আরেকটি সুবিধা হল আপনি ইচ্ছে করলে এসএমএস সেন্ড করার একটি সময় নির্ধারণ করে দিতে পারবেন।
  • ব্যাপারটা এইরকম যে বন্ধুর জন্মদিনে রাত ১২ টা ১ মিনিটে তাকে উইশ করবেন। কিন্তু কোন ব্যস্ততার কারণে হয়তো ভুলে যেতে পারেন। তাই আপনি সিডিউল ঠিক করে মেসেজ সেন্ড করে রাখতে পারেন। ফলে আপনি যদি ভুলেও যান তবুও আপনার উইশ আপনার বন্ধুর কাছে পৌঁছে যাবে। তাহলে সেও খুশি আপনিও খুশি।
  • এছাড়াও আপনার ভালোবাসার মানুষটাকে ও নির্দিষ্ট সময়ে মেসেজ পৌঁছে দিতে পারবেন। তাহলে তার ভালোবাসা আপনার জন্য একটু হলেও বেড়ে যেতে পারে। অতএব আর দেরী না করে চলুন যে যত পারি সবাইকে এসএমএস করি।
  • আজ এ পর্যন্ত। সকলেই ঘরে থাকুন।, ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন।আল্লাহ হাফেজ। ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

যে পদ্ধতিতে ঘরে বসেই আপনার ভিসা (ডেবিট/ক্রেডিট) কার্ড থেকে সরাসরি আপনার বিকাশ একাউন্টে টাকা আনবেন….

Mojammal Haque

Published

on

যে পদ্ধতিতে আপনার ভিসা (ডেবিট/ক্রেডিট) কার্ড থেকে সরাসরি আপনার বিকাশ একাউন্টে টাকা আনবেন…. বিস্তারিত জানুন।

 

যেকোনো ব্যাংকের ভিসা কার্ড থেকে বিকাশ একাউন্টে টাকা আনুন অনায়াসে, কোনো চার্জ ছাড়াই!- এই মর্মে একটি এ্যাড অনেক দিন ধরেই বিভিন্ন দেখে আসছেন সবাই। করোনাকালীন সময়ে এটি নিঃসন্দেহে এটি একটি দারুন সুযোগ গ্রাহকদের জন্য। বিকাশে টাকা লোড করার জন্য বাইরে যেতে হয় না। এর বিস্তারিত জেনে নিন।

 

এখন আপনার থাকা যেকোনো ব্যাংকের ভিসা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড থেকে আপনার বিকাশ একাউন্টে টাকা আনতে পারবেন খুব সহজ কয়েকটি ধাপে। এতে আপনাকে বাড়তি কোনো খরচও দিতে হবে না। শুধু তাই নয় একবার ভিসা কার্ড থেকে টাকা আনার পর কার্ডের তথ্যও সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন।

 

প্রথমে আপনাকে বিকাশ অ্যাপ ডাইনলোড করে ইন্সটল করতে হবে। তথ্য দিয়ে একাউন্ট একটিভ করতে হবে। বিকাশ এপ থেকে ‘অ্যাড মানি’ আইকনে ট্যাপ করতে হবে। তারপর,

‘কার্ড টু বিকাশ’ ট্যাপ করে ‘ভিসা’ সিলেক্ট করে নিতে হবে।

 

আপনার বিকাশ একাউন্ট নাম্বার শুরু থেকেই দেয়া থাকবে তাই নতুন করে আপনার একাউন্ট নম্বর টাইপ করতে হবে না। আর যদি আপনি অন্য কারো নাম্বারে টাকা পাঠাতে চান তাহলে সেই বিকাশ একাউন্ট নাম্বারটি দিতে হবে। তারপর টাকার পরিমাণ দিতে হবে।

 

এরপর আপনার ভিসা কার্ডের পেছনে থাকা ৩ বা ৪ সংখ্যার ভেরিফিকেশন কোড দিন। আপনি চাইলে পরবর্তী সুবিধার জন্য কার্ডের তথ্য সেভ করে রাখতে পারেন। আপনার নাম্বারে যে ওটিপি কোডটি পাঠানো হয়েছে তা দিয়ে আপনার লেনদেন সম্পন্ন করুন।

 

তবে মনে রাখবেন যে, প্রত্যেকটি সেবা কোম্পানির সেবা দানের কিছু শর্ত থাকে। বিকাশের শর্তগুলো হলোঃ

 

১/ একটি বিকাশ একাউন্টে দৈনিক সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত অ্যাড মানি করা যাবে।

 

২/ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ বার অ্যাড মানি করতে পারবেন।

 

৩/ এভাবে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২৫ বার অ্যাড মানি করতে পারবেন।

 

৪/ এভাবে, সর্বমোট ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত অ্যাড মানি করতে পারবেন।

আপনি যে যে ধরনের সমস্যায় পড়তে পারেনঃ

লেনদেন সফল হয়নি বা অ্যাড মানির পরিমান একাউন্ট / কার্ড থেকে কেটে নেওয়া হয়েছে কিন্তু বিকাশ একাউন্টে যোগ করা হয়নি।

 

সমাধান হলোঃ

সমস্যাটি সমাধানের জন্য বিকাশ কর্তৃপক্ষ ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করবে। আশা করি আপনার অর্থ ৭ দিনের মধ্যে আপনার একাউন্টে ফেরত দিয়ে দিবে। ৭ দিনের মধ্যে টাকা ফেরত না আসলে অাপনি নিজেই ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন। আশা করি ব্যাংক আপনাকে ১০ দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দিবে।

সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন। সবাই সবার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ হাফেজ

Continue Reading