★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

কেমনে ফিভারের এ কাজ করবেন? গিগ কেম্নে তৈরী করে?

ফাইবারে গিগ কি? এবং গিগ কিভাবে তৈরি করতে হয়। ফাইবার এ কত টাকা লাভ করা করা যাই?

গিগ হলো আপনার অফার করা কাজ এর নাম। প্রাথমিক ভাবে ফাইবার আপনার গিগটির মূল্য $10 ডলারে অফার বা বিক্রি করছে কাস্টমারের কাছে এবং আপনাকে গিগটি তৈরির সময় আপনার দেওয়া শর্ত অনুসারে সম্পন্ন করতে হবে। যেমন: যদি আপনি বলে থাকেন, আমি কাজটি একদিনের ভিতর শেষ করে দিবো তাহলে আপনাকে তা একদিনের ভিতর শেষ করতে হবে। আপনি যখন গিগ তৈরি করেছিলেন তখন এই উল্ল্যখ করেছেন যে, আমি আমার অফারটি দুই দিনের এর ভিতর বা পূর্বে শেষ করে দিব। যদি দুই দিন উল্ল্যেখ করে থাকেন তাহলে আপনাকে ৪৮ ঘন্টা একটি টাইমার দেখাবে। যদি একটি বায়ার আপনার গিগটি অর্ডার করে তাহলে আপনার হাতে আর কতটুকু সময় রয়েছে আর কতটুকু সময় পার হয়ে গিয়েছে তা এই টাইমার দেখলেই বুঝতে পারবেন।

কিভাবে গিগ তৈরি করতে হবে?



গিগ তৈরি করার জন্য লগ ইন করার পর ডান প্বাশে যেখানে আপনার আইডি যেখানে ওখানে My Sales থেকে Create A Gig, ক্লিক করুন। এখন নিচের মত একটি পেইজ দেখতে পাবেন। এখানে ছবি থাকবে এটা নাম্বারের সাথে ছবির নিচের বর্ননা গুলে একটু ভালো করে পড়ুন।

  1. গিগ টাইটেল/gig title: এখানে আপনি যে অফার বা সার্ভিসটি দিতে চাচ্ছেন তা বর্ণনা করবেন। যেমন: টাইটেলের শুরুতে I will শেষে for $5 এই কথাটি নিজে থেকে বসে যাবে। তাহলে যদি আপনি SEO, Forum Posting, facebook like,  Business Card ইত্যাদি যে ধরনের কাজ হয় তার উপর গিগ তৈরি করতে চান, তাহলে আপনি এরকম একটি বাক্য তৈরি হবে এবং ফাইবারে ক্লাইন্ট এভাবে দেখতে পাবে “I Will design your professional Business Card for $5 ” আপনি যা নিয়ে ভালো পারেন টা নিয়ে আপনি আপনার টাইটেল লিখুন।
  2. ক্যাটাগরি/Category: এখানে আমরা ক্যাটাগরি সিল্কেট করবো। আপনার গিগটি যে ধরনের কাজ ভালো পারবেন এবং আপনি ওই কাজ এ অনেক দক্ষ আছেন ওই কাজ আপনি সিলেক্ট করবেন। এখানে Category দুই ভাবে ভাগ করা আছে, প্রথমে মেইন Category select করবেন এরপর মেইন ক্যাটাগরি থেকে সাব-ক্যাটাগরি সিল্কেট করবেন। একবার সিলেক্ট করে নিলে আবার পরে আরেকটা সিলেক্ট করতে পারবেন।
  3. গিগ গ্যালারি/Gig Gallery: এখানে আমরা মিনিমাম একটি ও মেক্সিমাম ৩টি ছবি দিতে পারবো তবে অবশ্যই ছবি গুলোর স্কিন রেজুলেশন ওয়াইডথ-৬৮২ পিক্সেল ও Height-৪৫৯ পিক্সেল হতে হবে। আপনি ফটো এডিটর দিয়ে খুব সহজে এটি করতে পারেন।
  4.  বর্ণনা/Description: এখানে আপনার গিগের সার্ভিস সম্বন্ধে লিখবেন। আপনি কি সার্ভিস দিবেন তা কিভাবে দিবেন, আপনি কত দক্ষ, যত ধরনের সুবিধা যা আপনি এই গিগ দিয়ে দিতে চান তা উল্ল্যেখ করবেন। আপনি সবার শেষে উল্ল্যখ করে দিতে পারেন তা হল, অবশ্যই গিগটি অর্ডার করার পূর্বে আপনাকে যেন একটি মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেয় তা করলে আপনার জন্য কাজ টি করতে সুবিধা হবে। আপনি কাজ টা পারলে বা না পারলে বায়ার কে অবশই জানাবেন মেসেজ দিয়ে।
  5. ট্যাগ/Tags: আপনার গিগটি যে ধরনের কাজের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে সে ধরনের কাজের উপর ৫টি ওর্য়াড র্নিধারন করবেন এবং সর্বনিম্ন ৩টি করতে হবে। যেমন: আপনি যদি SEO গিগ তৈরি করে থাকেন তাহলে, এরকম Keyword দিতে পারেন। এর ফলে ক্লাইন্ট আপানার গিগটি সহজে খুজে পাবে এবং অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে।
  6. সমকাল/Duration: এখানে আপনি কত দিনের ভিতর সার্ভিসটি করতে পারবেন তা সিল্কেট করবেন। আপনি যে সার্ভিসের উপর গিগ তৈরি করতে চাচ্ছেন প্রথমে তা ভেবে নিবেন, আপনার সার্ভিসটি সম্পন্ন করতে কতটুকু সময় লাগবে বা অন্যরা একই সার্ভিস কতটুকু সময়ের মধ্যে ডেলিভারি দিচ্ছে তা দেখে নিবেন। আপনি এখানে ১দিন থেকে ২৯দিন পর্যন্ত সময় নিতে পারবেন ডেলিভারি দেওয়ার জন্য। এখন বেশিরভাগ গিগ ১ থেকে ২ দিনের ভিতরই ডেলিভারি হয়ে থাকে। তাই আপনার কাজ টি দেখে যুদি আপনি ১ থেকে ২ দিনে পারেন তাইলে ঐটা সিলেক্ট করবেন।
  7. ক্রেতার জন্য নির্দেশনা/Instruction For Buyer: এখানে কাজ করার জন্য বায়ারের কাছ থেকে কি কি প্রোয়জন পড়বে তা উল্ল্যেখ করতে হবে। যেমন ধরুন ইউজার, লেআউট, পাসওয়ার্ড, ইমেজ, কনটেন্ট ইত্যাদি। অনেক সময় দেখা যায় বায়ার গিগে অর্ডার দিয়ে থাকে কিন্তু তার থেকে কি কি লাগবে তা নেওয়া হয়নি তার কারণ এ আপনাকেই ডেলিভারি দিতে অসুবিধা হবে।
  8. শংরক্ষন করুন এবং চালিয়ে জান/Save & Continue : সর্বশেষ এখানে ক্লিক করবেন। এখানে আপনার গিগ এর জন্য ভিডিও চাবে তা থাকলে দিবেন নাইলে Skip এ ক্লিক করে পরর্বতি পেইজে চোলে জান। তাপর পরবর্তি পেইজে গিয়ে PUBLISH GIG করুন। এরপর আপনার গিগ তৈরি করা হয়ে যাবে।

একটি গিগ দিয়ে আপনি হয়ত অনেক ইনকাম করতে পারেন যত বড়ো কাজ বা যত বেশি টাকা দেওয়া হবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। কাষ্টমার আসবে অর্ডার করবে আর আপনি তা ডেলিভারি দিবেন। আপনি নতুন হলেও আসতে আসতে কাজ করতে করতে আপনার অভ্যাস হয়ে যাবে আর আপনি অনেক দক্ষতা অর্জন করবেন। মাস এ ১০ হাজার টাকার উপর পেতে পারবেন। আশা করি আপনাদের এটা ভালো লেগেছে।