Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

জীবনে সে সকল ব্যক্তির অবদান বা উপকার কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয়।

Md Golam Mostàfa

Published

on

আচ্ছা! আপনার জীবনে কখনো কি এমন হয়েছে যে, আপনি রাস্তায় কোন কিছুর সাথে হোঁচট খেয়ে টাল সামলাতে না পেরে পড়ে যাচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় কোনও এক অজানা অচেনা লোক আপনাকে জাপটে ধরে আপনাকে পড়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেছেন!! শুধু পড়ে যাওয়া থেকে নয়, হয়ত অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার হাত থেকেও সে আপনাকে বাঁচিয়েছেন। এমন ব্যক্তিটিকে কি আপনি চাইলেই ভুলে যেতে পারবেন? পারার কথা নয়, যদি আপনার মনুষ্যত্ববোধ বলতে কিছু থেকে থাকে।

আজকে আমি এমন কিছু ব্যক্তির কথাই বলতে চাই, আমাদের জীবনে যাদের অবদান অনস্বীকার্য্য।

১। তাঁর অবদান ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়, যিনি রাস্তায় হোঁচট খেয়ে ঠিক পড়ে যাওয়ার আগের মুহূর্তেই এগিয়ে এসে জাপটে ধরে, পড়ে যাওয়া থেকে বাঁচিয়ে দেন।

২। সেই চিকিৎসকের অবদান ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়, শরীরে মারণ ব্যাধি বাসা বেঁধেছে জেনেও যখন চিকিৎসক বলে উঠেন, “ভয়ের কোনো কারণই নেই, একদম ঠিক হয়ে যাবেন, আমি তো আছি আপনার পাশেই, কোনো ভয় নেই”।

৩। সেই ভিক্ষুকের অবদান ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়, খুচরো নেই বলে, পাশ কাটিয়ে চলে আসার পরে ও রাস্তার পাশে বসে থাকা যে ভিক্ষুক, দু’হাত তুলেই মঙ্গল কামনা করেন।

৪। তাঁর অবদান ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়, আপনি হতাশাগ্রস্থ বেকার জেনেও যিনি বলে উঠেন, “শুধু সময়ের অপেক্ষা করতে হবে, দেখবে খুবই ভালো চাকরী হবে তোমার”।

৫। পরীক্ষায় ফেল করার পরে ও যখন কেউ বলেন, “ভালো হয়েছে, আগামী বছর আরো অনেক ভালো রেজাল্ট করবে, আমি জানি”, তাঁর অবদান ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়।

৬। কেউ স্বল্প বেতনের চাকরী করেন জেনেও যিনি, তাঁকে বলে উঠতে জানেন, “গ্রেট! কম বেতনের চাকরী হলেও, পর মুখাপেক্ষী তো নও, স্বাবলম্বী তো!!”, তাঁকে ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়।

৭। তাঁর অবদান কি করে ভুলে যাবেন, গায়ের রং কালো বলে বিয়ের প্রস্তাব বাতিল হয়ে যাচ্ছে জেনেও যিনি বলে উঠতে জানেন, “গায়ের রং কালো নিয়েই অনেকেই জীবনে সুখে শান্তিতে সংসার করেছেন, স্বীয় যোগ্যতায় খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছেছেন”।

৮। তুমুল ঝড় বৃষ্টির রাতে যখন পাশের বাড়ীর কেউ জানালা খুলে, গলা ফাটিয়ে চিৎকার করেই আশ্বস্ত করেন, “ভয় পাবেন না, আমরা আছি, কোনো ভয় নেই”, তাঁর অবদান কখনই ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়।

৯। যিনি আপনার করা ভুল, ত্রুটির ক্ষেত্রে, নিজেই স্বেচ্ছায় সময় ব্যয় করে তা সংশোধন করে দিয়ে, সঠিক পরামর্শ প্রদান প্রয়োজন মনে করেন, তাঁর অবদান ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়।

১০। আপনার বাড়ীর কাজে সাহায্য করার লোকটি যখন পরিবারের সুখে, দু:খে, সবার সাথে একসাথেই হেসে বা কেঁদে উঠেন, তাঁর অবদান ভুলে যাওয়া কি উচিৎ?

আর… … আর?

১১। সেই মহৎ ব্যাক্তিকে ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়, যিনি একদমই অচেনা, অদেখা কাউকে আত্মহননে উদ্যত দেখে, নিজের জীবন বাজি রেখেই চলতে থাকা ট্রেনের সামনে লাফিয়ে পড়তে জানেন। নিজের বুক দিয়ে আগলে ধরে রেখেই, অন্যলোকে পাড়ি দেয়ার অটল সিদ্ধান্তকে স্থগিত করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

অন্যের উপকার স্বীকার করুন। কারোও উপকার করতে না পারলেও আপনার দ্বারা যেন কেউ ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেই বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

আল্লাহ্‌ আমাদের সহায় হউন, আমীন।

Advertisement
2 Comments
Subscribe
Notify of
2 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Maria Hasin Mim

okay

লাইফস্টাইল

এইবার ফেল করলে, তোকে রিক্সাওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দিব – দ্বিতীয় পর্ব।

Md Golam Mostàfa

Published

on

আল্পনা তার রিক্সাওয়ালা স্বামীকে একদম সহ্য করতে পারে না। রাতে কল্পনার ঘরে এসে থাকে আর সারারাত কাঁদে আর বিলাপ করে বলে –

“কল্পনা, এ আমার কি হয়ে গেল রে! আমার বয়ফ্রেন্ড ছিল সরকারি বড় কর্মকর্তা, আর আমার বিয়ে হলো কিনা একটা রিকশা‌ওয়ালার সাথে!! আমি এখন কি করবো রে!! হায়! আমার কপাল! আমার কি সর্বনাশ হয়ে গেল রে!!”

বড় বোনকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা কল্পনার জানা নেই। সামনে তারও ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার রেজাল্ট। সে নিজেই খুব আতংকে দিন কাটাচ্ছে। কি জানি কি হয়। পাশ করতে পারে কি না তা আল্লাহ্‌ই ভাল জানে। আল্লাহ্‌ না করুন, যদি ফেল করে যায়, হয়তো তার বর হবে এক অটো‌ওয়ালা। তারপর দুই ভায়রা – ভাই প্রতিদিন সকালে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একজন অটো নিয়ে বের হবে একজন রিকশা নিয়ে! এদিকে তারা দুই বোন কখনো প্রাইভেট কার ছাড়া কোথাও যায় না। কি একটা বিশ্রী অবস্থা! দুঃশ্চিন্তায় শিউরে উঠে কল্পনা। আর সেই রাতে তার একটুও ঘুম হয় না। চিন্তায় চিন্তায় তার দু’চোখের নিচে কালি পড়ে যাচ্ছে।

এদিকে কল্পনার বিদেশ থাকা ফুপী খবর পেয়ে দেশে চলে আসেন। বাসায় এসেই সে কি চিল্লাচিল্লি! বড় ভাইকে বলছেন, “এইটা তুমি কি করলে? কেউ নিজের মেয়ের এত বড় ক্ষতি করে? তারচেয়ে বরং তুমি ওকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিতে, আমি কি মরে গিয়েছিলাম? হায়, হায়! আমরা এখন সমাজে মিখ দেখাবো কি করে? নিজের পায়ে নিজে এভাবে কেউ কুড়াল মারে?”

এসব বলতে বলতে মেয়ের জামাইর কাছে গিয়ে রাগী গলায় ফুফু বললেন, “you scoundrel! How dare you? I will see you!!”

জবাবে মেয়ে রিক্সাওয়ালা জামাই বললেন, “You can’t do that! because she is my legal wife. And whatever, I have not made any mistake actually!!”

কল্পনার ফুফুসহ পরিবারের সবাই জামাই এর কথা শুনে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে! “এ আসলে কে? এতো খুব ভাল ঘরের এবং শিক্ষিত ছেলে মনে হচ্ছে!” এদিকে জামাই বলতে থাকে,

ঃ “আমিও ভালো ঘরেরই সন্তান। আমার বাবারও সমাজে অনেক নাম ডাক আছে। তিনিও এক কথার মানুষ। আমি পড়াশুনায় ভালই ছিলাম কিন্তু অংকে খুবই দূর্বল ছিলাম। কি সব প্যাঁচালো সূত্র টুত্র এগুলো আমার মাথায় ঢুকতো না। আমি পর পর দুই বার ইন্টারমিডিয়েট ফেল করার পর, তৃতীয়বারের সময় বাবা সোজা বলে দিলেন –

ঃ “এবার ফেল করলে আর পড়া শোনা করার দরকার নাই। আর এই মেধা নিয়ে তো কোন চাকরি বাকরী জুটবে না। তাই একটা রিক্সা কিনে তোমাকে আলাদা করে দিব। নিজের রাস্তা নিজে দেখতে হবে এই আমার শেষ কথা”।

আমার কপাল খারাপ ছিল সেই বছরও ঐ অংকেই ফেল করলাম। আমার আব্বুও তার কথা রেখে আমাকে রিকশা কিনে দিলো! তারপরের কাহিনী তো আপনাদের সকলেরই জানা …… ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

এইবার ফেল করলে, তোকে রিক্সাওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দিব – প্রথম পর্ব।

Md Golam Mostàfa

Published

on

“এবারই শেষ চান্স, এবার যদি ফেল করিস তাহলে তোকে কোনও রিক্সাওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দিব”।

কোন মেয়ে যদি একাধিকবার এস, এস, সি কিংবা এইচ, এস, সি পরীক্ষায় ফেল করে স্বভাবতই তার বাবা রাগ করে এমন কথা বলে থাকেন। অপর দিকে ছেলেদের বাবারাও তো কম যান না! তারাও বার বার ফেল করা ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলে থাকেন, “এবার যদি ফেল করিস তাহলে তোর পড়া – লেখা বন্ধ। একটা রিক্সা কিনে দিব, নিজের রাস্তা নিজে দেখে নিবি”।

কিন্তু কথা হলো গিয়ে, কেউ কি শুনেছেন বাবা রেগে গিয়ে পরীক্ষায় ফেল করা মেয়েকে রিক্সাওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন? কিংবা ছেলেকে রিক্সা কিনে দিয়ে আলাদা করে দিয়েছেন এমন ঘটনা ঘটেছে কোথাও? মনে হয় এমন কথা কেউ শুনেন নি বা দেখেন নি। কিন্তু আজ আমি আপনাদের এমনই একটি ঘটনার কথা বলতে যাচ্ছি। আসলে এটিকে ঘটনা না বলে কাহিনী বলাটাই শ্রেয়। কারন এটি রূপকথার কল্প – কাহিনীকেও হার মানাবে!

তো কথা না বাড়িয়ে চলুন ঢুকে যাই মূল কাহিনীতে –

কল্পনার আব্বু এক কথার মানুষ। তিনি তার কথা রেখেছেন। তিন তিনবার ইন্টারমিডিয়েট ফেল করার পর কল্পনার বড় বোন আল্পনাকে এক রিকশা‌ওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। তিনি যে তার কথা এভাবেই রক্ষা করবেন তা কল্পনা, আল্পনা তো দূরের কথা তাদের মা পর্যন্ত ভাবতে পারেন নি!! সে যাই হোক ঘটনা কিন্তু যা ঘটার ঘটে গেছে।

রিকশা‌ওয়ালা দুলাভাইকে নিয়ে কল্পনা তো মহা বিরক্ত। যখন তখন লোকজনের মধ্যে এসে কল্পনার সাথে শালী শালী বলে ঢং করে, যেটা তার কাছে খুবই বিরক্ত লাগে।

এদিকে কল্পনা একটু ভয়ও পেয়ে যায়। কি জানি তার বেলায়ও যদি এমনটি ঘটে! ভয়ে ভয়ে সে ভালোভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যায়। কারন, সে ফেল করতে চায় না। সে কোন রিকশা‌ওয়ালাকে বিয়ে করতে আগ্রহী ন‌য়।

কল্পনার দুলাভাইয়ের পারিবারিক ইতিহাস বা অবস্থা তারা কেউই জানতো না। তার বাবা একদিন ঐ রিক্সাওয়ালার রিকশায় বাজার থেকে ফিরছিলেন। তখন উনি কল্পনার আব্বুর সব বাজার নিজে হাতে করে বাসায় পৌছে দিয়ে যান। যা দেখে কল্পনার আব্বু মুগ্ধ হয়েছেন। যার ফলস্বরূপ ওনার সাথে তার বোনের বিয়ে। কিন্তু ওনার ফ্যামিলির সাথে কল্পনাদের এখনো দেখাই হয়নি। দুলাভাই সারাদিন রিকশা চালিয়ে এসে বাসায় এসে ঘাম মুছতে মুছতে ডাকেন,”ও ব‌উ! কই গেলা? ও শালী! এক গ্লাস পানি দেও।”

মনের দুঃখে আল্পনা কয়েকবার আত্নহত্যা করতে চেষ্টা করেছিল। কিন্তু প্রতিবার‌ই বাবার হাতে জোরসে থাপ্পড় খেয়ে রণে ভঙ্গ দিয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন পরের পর্বের জন্য ……

Continue Reading

লাইফস্টাইল

ভণ্ড + আমি = ভণ্ডামি কত প্রকার ও কি কি?

Md Golam Mostàfa

Published

on

ভণ্ডামি /প্রতিশব্দ/ কপটতা; ভান; মিথ্যা জাহির; দাবি; জুয়াচুরি; ধর্মধ্বজিতা; ছুতা; কাপট্য;

/noun/ hypocrisy; pretense; false pretenses; pretension; imposture; charlatanism; dissembling; pharisaism; pretence; insincerity;

এই যে কতগুলো শব্দ বাংলায় ইংরেজিতে লিখে আপনাদের জ্ঞান দিতে চেষ্টা করছি, এটাও একধরনের ভণ্ডামির বহিঃ প্রকাশ। কারন, এগুলো তো আপনাদের জানা কথা তাই না? তারপরেও নিজের জ্ঞান গরিমা প্রকাশের একটু সুযোগ পেতেই তার সদব্যবহারে উঠে পড়ে লেগে গেলাম! আপনাদের দৃষ্টিতে এটাকে কি বলা যায়?

চেহারায় এমন একটা গোবেচারা ভাব, যেন ভাজা মাছটি উলটে খেতে পারি না। অথচ, সুযোগ পেলে শুধু ভাজা মাছ নয়, মাছের বাজারসহ উধাও করে দিতে পারি!

বেস্টফ্রেন্ডের কাছে যৌন আকর্ষনটা সব সময় গোপন করে সুবোধবালক হয়ে থাকি। অথচ নিষিদ্ধ পল্লীতে নিশিকন্যাদের ছোঁয়া না পেলে আমার রাতে স্বপ্নদো* হয়। এটাকে আপনি কি বলবেন? ভন্ডামি!!

সমাজের উঁচু মহলে ভদ্র, বিনয়ী, মার্জিত রুচি সম্পন্ন আমি। সেই আমি রিক্সায় চড়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর পরে বৃদ্ধ রিক্সাওয়ালা ১০ টাকা বেশী দাবী করলে তার বাপ – দাদাসহ চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করতে একটুও পিছপা হই না!

রাস্তায় একজন ভিক্ষুক দুইটা টাকা চাইলেই; কেন ভিক্ষা করছিস? কাজ করে খেতে পারিস না? এমন জোয়ান তাজা শরীর নিয়ে রাস্তায় ভিক্ষা করছিস, লজ্জা করে না? ইত্যাদি ইত্যাদি সদুপদেশ দাতা আমি। যখন আমার কোন ফাইল বড় কোন অফিসার (শিক্ষিত, মার্জিত, সুদর্শন ও অবশ্যই নাদুস নুদুস) দিনের পর দিন বিনা কারনে আটকে রাখে বা রাখতে চায়, তখন তাকে সুন্দরভাবে বিনয়ের সাথে বলি, “স্যার, চিন্তা করবেন না, আপনি আমার দিকটা দেখবেন, আমি আপনার দিকটা।“

যখন কোন দিন মজুর বা খেটে খাওয়া মানুষ আমার রেস্টুরেন্টে খাওয়া শেষে বিল পরিশোধের সময় পকেটে টাকা কম আছে বলে দুই চার টাকা কম দেয়ার বাহানা করে, তখন “বেটা! পকেটে টাকা নাই তো রেস্টুরেন্টে খেতে এসেছিস কেন?” বলা আমি। সেই আমি, এলাকার বড় ভাই, নামকরা লোক কিংবা বড় ব্যবসায়ী আমার রেস্টুরেন্টে মোরগ পোলাও, রোষ্ট, বিরিয়ানী, সফট ড্রিংক পান শেষে বিল দিতে গেলে, “স্যার, কি করেন কি করেন? এটা তো আপনারই প্রতিষ্ঠান। টাকা দিয়ে আমাকে পর করে দিবেন না স্যার!”

চুড়ান্ত ভন্ড আমি।

কয়েক বছর আগে, আমার এলাকায় সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহারের দাবীতে একটি সংগঠন তৈরী হয়। আর আমাকে করা হয় তার সভাপতি।

পায়জামা পাঞ্জাবী পড়ে, কাঁধে সাইড-ব্যাগ ঝুলিয়ে, এখানে ওখানে বাংলা ভাষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে, সভা-সমিতি, মিছিল মিটিং পরিচালনা করি। এলাকায় কেউ ইংরেজীতে কথা বলছেন, শুনলেই রে, রে, করে উঠি। তার ইংরেজির বঙ্গানুবাদ করে, তাকে বাংলায় সেটা বলতে বাধ্য করি। আন্দোলনের তীব্রতা এতটাই উচ্চতায় পৌঁছে যায় যে, ইংরেজি হঠাও, বাংলা বাঁচাও অভিযানের কার্য-সূচী হিসেবে, ইংরেজিতে লেখা সাইনবোর্ড আলকাতরা দিয়ে মুছে দিয়ে, বাংলাভাষায় সাইনবোর্ড বানাতে বাধ্য করি।

আর, আর … …

রোজ কাক ডাকা ভোরে ঘুম থেকে উঠে, মেয়েকে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বাসে উঠিয়ে দিয়ে আসি, আমি … !!!

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট