Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর বাস্তবিক ব্যবহার

Rajib Saha

Published

on

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি রিলেটেড আজকে যেই টপিকটি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর বাস্তবিক প্রয়োগ বা বাস্তবে এর ব্যবহার নিয়ে।পুরো আর্টকেলটি পড়লে  অনেক কিছুই জানতে পারবেন।তো চলুন শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেল।

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর  নাম হয়তো আমরা সবাই শুনেছি। এটি বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ  শাখা।জিন জীবদেহের বংশগতি ধারণ করে।আর জিন  বহন করে DNA। সুতরাং বলা যায় DNA এর  মধ্যে প্রাণীজগৎের প্রাণীদের  বংশগতি বিষয়ক তথ্য সংরক্ষিত থাকে,যা নিয়ে আমি গত কোন এক আর্টিকেলে লিখেছি,যেটি ছিল DNA Computer নিয়ে,সেটা পাড়লে পড়ে নিতে পারেন।যাহোক আজকে আর সেদিকে গেলাম না।এখন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং আসলে কী?
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো কোন জীবকোষ থেকে কোন সুনির্দিষ্ট জিন নিয়ে অন্যকোনো জীবকোষে স্থাপন ও কর্মক্ষম করা বা নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির জন্য জীবের DNA তে পরিবর্তন ঘটানোকেই  বলে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বর্তমান বিশ্বে ব্যাপক ভাবে আর বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে।এতদিন হয়তো ভাবতাম শুধু মেডিসিন সায়েন্স বা চিকিৎসা ক্ষেত্রেই এটি ব্যবহৃত।কিন্তু আসলে তা নয়।জেনেটিক  ইঞ্জিনিয়ার যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় সেগুলো হলো মৎস উন্নয়ন,কৃষি ক্ষেত্রে,পরিবেশ সুরক্ষা,ভাইরাসনাশক বা ভ্যাকসিন তৈরিতে,ফার্মাসিউটিক্যালে,হরমোন তৈরিতে ইত্যাদি ক্ষেত্রে।

মৎস উন্নয়নেঃএখন আমরা অনেক বড় ধরনের রুই মাছ,তেলাপিয়া,কার্প ইত্যাদি দেখে থাকি, এছাড়াও আগে  বাজারে  অনেক মাছ দেখতাম  যেগুলো আগে ছোট ছিল কিন্তু ইদানীং সেই মাছগুলো আশ্চর্যজনক ভাবে একটু বড় দেখায়।আসলে এসবই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জাদু।

কৃষি ক্ষেত্রেঃকৃষিক্ষেত্রে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভূমিকা ব্যাপক।উন্নত মানের ফসল,সহনশীল জাত,বৈচিত্রতা সবই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফলে হয়েছে। বর্তমানে পোমাটো নামের একটি উদ্ভিদ আছে যে  উদ্ভিদে একই সাথে টমোটো ও আলু উভয়ই উৎপন্ন হয়।

পরিবেশ সুরক্ষাঃজেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের ব্যাক্টেরিয়া তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।যেগুলোর  পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

ভাইরাসনাশক তৈরিঃমানুষের কোষ থেকে এক ধরণের রসকে কাজে লাগিয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিয়াররা ভাইরাসনাশক তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছেন।

হরমোন তৈরিঃজেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর সুফলে গ্রোথ হরমোন তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।যার ফলে মানুষ বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়।

ফার্মাসিউটিক্যালঃজেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে জিনের ক্লোনিং করে তা ফার্মেসি শিল্পে ব্যবহৃত।যারা ডায়বেটিস রোগী আছেন বা  যাদের পরিবারের কেউ ডায়াবেটিস রোগী থেকে থাকলে  তারা সবাই ইনসুলিনের সাথে পরিচিত।আসলে এই ইনসুলিন কোথা থেকে আর কীভাবে অাসে?
এই ইনসুলিন মানব দেহের অগ্নাশয়ের আইলেটস্   অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স কোষ থেকে জিন ক্লোনিং এর মাধ্যমে আসে।সুতরাং বলাই যেতে পারে এই ক্ষেত্রে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর অবদান যে কতটুকু।

  1. অনেক ক্ষেত্রে সন্তান মার পেটে থাকলে সন্তানের অনেক ত্রুটি দেখা যায়।জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফলে এসব ত্রুটি সন্তান পেটে থাকলেই সংশোধন করা যায়।ফলে, সন্তান কোন রকমের ত্রুটি ছাড়াই জন্মগ্রহণ করে।
    অতএব,বোঝাই যাচ্ছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভূমিকা কতটুকু।আশা করি অনেক নতুন তথ্যই জানতে পেরেছেন।
    সময় নিয়ে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন।

Advertisement
29 Comments

29 Comments

  1. Koli Talukder

    Koli Talukder

    May 22, 2020 at 7:49 pm

    Nice

  2. Fatiha tus ilma

    Fatiha tus ilma

    May 22, 2020 at 8:09 pm

    Good

  3. Maria Hasin

    Maria Hasin

    May 22, 2020 at 8:17 pm

    Good

  4. Arshia joya

    Arshia joya

    May 22, 2020 at 9:20 pm

    News ta valo

  5. Muktadir Hasan

    Muktadir Hasan

    May 22, 2020 at 9:21 pm

    good

  6. Md Ahsan Habib

    Md Ahsan Habib

    May 22, 2020 at 9:52 pm

    Nice

  7. Mojammal Haque

    Mojammal Haque

    May 23, 2020 at 12:11 am

    Valo

  8. Abdullah Khan

    Abdullah Khan

    May 23, 2020 at 7:40 am

    Nice

  9. Md Ruhul Amin

    Md Ruhul Amin

    May 23, 2020 at 8:49 am

    good

  10. Md Rakib

    Md Rakib

    May 23, 2020 at 10:13 am

    gd

  11. Tanvir hossen

    Tanvir hossen

    May 23, 2020 at 10:53 am

    Good

  12. Asadullah Jilani

    Asadullah Jilani

    May 23, 2020 at 12:04 pm

    Valo

  13. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    May 23, 2020 at 12:30 pm

    Valo

  14. Riad Hasan

    Riad Hasan

    May 23, 2020 at 12:32 pm

    Nice

  15. Riad Hasan

    Riad Hasan

    May 23, 2020 at 12:33 pm

    Good

  16. Liyana Rasa

    Liyana Rasa

    May 23, 2020 at 2:03 pm

    Gd

  17. Sabina Akter

    Sabina Akter

    May 23, 2020 at 2:25 pm

    Osadaron

  18. Anisur Rahman

    Anisur Rahman

    May 23, 2020 at 2:33 pm

    good

  19. Shahin Shan

    Shahin Shan

    May 23, 2020 at 3:16 pm

    gd post

  20. Emon Rafiq

    Emon Rafiq

    May 23, 2020 at 9:08 pm

    Okay

  21. Rick Vinsent Peris

    Rick Vinsent Peris

    May 23, 2020 at 9:21 pm

    Nice

  22. Mehedi Islam Noman

    Mehedi Islam Noman

    May 23, 2020 at 9:26 pm

    গুড

  23. Trisad Saha

    Trisad Saha

    May 23, 2020 at 10:14 pm

    Gd

  24. Albi Chy

    Albi Chy

    May 23, 2020 at 10:41 pm

    ভালো পোস্ট। ধন্যবাদ

  25. Khairul Kabir

    Khairul Kabir

    May 24, 2020 at 1:28 am

    জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অসাধারণ প্রক্রিয়া।

  26. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    May 24, 2020 at 7:06 am

    nice

  27. MD Rahul

    MD Rahul

    May 24, 2020 at 3:50 pm

    wow

  28. Avijit Sharma

    Avijit Sharma

    May 24, 2020 at 11:59 pm

    nice

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আবাহাওয়া বিপদ সংকেত সম্পর্কে জেনে নিন

Rajib Saha

Published

on

আজ একটি অন্যরকম টপিক নিয়ে কথা বলব আজ আমি যে টপিকটি নিয়ে কথা বলবো তা আবহাওয়া সম্পর্কিত আর শিরোনাম দেখেই আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে,কী নিয়ে আজ আমি কথা বলতে চাচ্ছি।আজকের আর্টিকেলটি তাই অনেকেরই জানা প্রয়োজন।তো চলুন শুরু করা যাক।

আমরা অনেকেই টিভিতে আবহাওয়ার বিপদ সংকেত দেখতে পাই যেমন ১ নম্বর, ২ নম্বর,৩ নম্বর ইত্যাদি।কিন্তু আমরা হয়তো অনেকেই এই বিষয়টি সম্পর্কে এতটা জানি না যে কী এই আবহাওয়া বিপদ সংকেত ।অনেকেই হয়তো বিষয়টি জানতে আগ্রহী।গত কয়েকদিন আগে  ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ভয়াবহতার কথা আমরা সবাই জানি।আর ওইসময়টাতে টিভি খুললেই দেখা যেত যে ৯ নম্বর বিপদ সংকেত, ৯ নম্বর বিপদ সংকেত।আসলে কী  এই  ৯ নম্বর বিপদ সংকেত?সেটাই জানবেন ক্রমে ক্রমে,তো ১ নম্বর বিপদ সংকেত থেকে শুরু করা যাকঃ

১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত :- এর অর্থ বঙ্গোপসাগরের কোন একটা অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বইছে এবং সেখানে ঝড় সৃষ্টি হতে পারে৷অর্থাৎ এটি ভয়াবহ বিপদ সংকেতের প্রকাশক নয়।সাধারণ ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে এটি ভবিষ্যৎদ্বানী দেয়  এক্ষেত্রে একটি লাল পতাকা চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত :-  এই সংকেত দ্বারা বোঝায় যে সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে৷ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলেই  বার্তা হিসেবে এউ সংকেত দেয়া হয়।

৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত :- এটি দ্বারা বোঝায় যে দমকা হাওয়া সম্মুখীন ৷অর্থাৎ দমকা হাওয়া বন্দর বা সৈকতের দিকে ধেয়ে আসছে  এক্ষেত্রে সংকেত হিসেবে দুইটি লাল পতাকা ব্যবহৃত হয়।

৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত :- এটি দ্বারা বন্দর ঝড়ের সম্মুখীন হচ্ছে বোঝায়, তবে এটি ততটা বিপদজনক হয়  অর্থাৎ এমন নয় যে চরম নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে,আর সবাইকে ঘরবাড়ি ফেলে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হবে।

৫ নম্বর বিপদ সংকেত :- এর অর্থ হচ্ছে অল্প বা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঝড়টি  বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে(চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে)। অন্য বন্দরের বেলায় অন্য দিক থেকেও আসতে পারে।

৬ নম্বর বিপদ সংকেত :- এটি দ্বারা অল্প বা মাঝারী ধরনের ঝড় হবে এবং আবহাওয়া দুযোগপূর্ণ থাকবে তা বোঝায়৷ ঝড়টি উপকূল অতিক্রম করতে পারে এমন বোঝায়।

৭নম্বর বিপদ সংকেত :- এটি দ্বারা অল্প অথবা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড় হবে এবং এজন্য আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে, তা নির্দেশ করে৷ ঘূর্ণিঝড়টি সমুদ্রবন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷ সংকেত হিসেবে তিনটি লাল পতাকা ব্যবহৃত হয়।আর বাতাসের গতিবেগ হবে ৬২-৮৮ K.M per hour.

৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত :- যখন প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় হবে এবং বন্দরের আবহাওয়া খুবই দুর্যোগপূর্ণ থাকবে,তখনই এই সংকেত ব্যবহৃত হয়৷

৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত :- এটি দ্বারা বোঝায় যে প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করবে।এইক্ষেত্রে  ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে।

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত :- এর অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া ভয়ানকভাবে দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঘূর্ণিঝড়টির বন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷

১১ নম্বর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত :- ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাথে সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে এই সংকেত ব্যবহৃত হয়। আবহাওয়া সর্বোচ্চ চরম পর্যায়ে পৌঁছে  গেলে এই সংকেত দেওয়া যায়।এক্ষেত্রে আবহওয়া খুবই, খুবই খারাপ থাকবে।

আশা করি বিপদ সংকেত সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।কোথাও ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাদৃষ্টিতে দেখবেন।
সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন,ধন্যবাদ।

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

কাগজের দিন শেষ এখন মোটর ইন্সুরেন করে হাতে নিন স্মার্ট কার্ড, আয় করুন প্রতি দিন।

Md Sayful Islam

Published

on

বর্তমান সড়ক পরিবহন আইন অমান্য করার শাস্তি পূর্বের চেয়ে একট ভিন্ন । বিআরটিএ সড়ক পরিবহন আইন এর আওতায় মোটর ইন্সুরেন্স করা বাধ্যতামূলক। যদি কোন মোটর গাড়ির ইন্সুরেন্ না থাকে তাহলে জেল জরিমানা ছাড়াও নানা রকম ঝামেলায় পড়তে পারেন। তাই মোটর রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনি অবশ্যই মোটর গাড়িটির ইন্সুরেন্স করে নিবেন।

এখন আসি কিভাবে করবো ইন্সুরেন্সঃ- 

আপনি ঘরে বসেই আপনার ইন্সুরেন্সটি করে নিতে পারবেন। বাংলাদেশে এই প্রথম নিটল ইন্সুরেন্স কম্পানি অনলাইন ভিত্তিক ডিজিটাল ইন্সুরেন্স ফরম ফিলআপ সম্পন্ন করার পর স্মার্টকার্ড প্রদান করে আসছেন। অন্যান্য কম্পানি কাগজের হার্ডকপি দরিয়ে দিয়ে থাকে কিন্তু নিটল কম্পানি আপনাকে দিচ্ছে স্মার্ট কার্ড। যাহা আপনি আপনার মনি ব্যাগে রাখতে পারবেন। বৃষ্টিতে বেজঁবে না।

ইন্সুরেন্স স্মার্ট কার্ড ফিঃ –

এই সেবায় আপনি www.nitol insurance এ লগিং করে আপনার গাড়ির   প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফরম ফিলআপ করে সাবমিট দিলে আপনার কাছ থেকে বিকাশ কিংবা রকেটে টাকা পেমেন্ট দিতে বলবে। আপনি বিকাশে টাকা পেমেন্ট করার পর একটি হার্ড কপির পিডিএফ ফাইল অপেন হবে। কপিটি প্রিন্ট করে নিবেন। এবং ফরম পূরনের সময় অবশ্যই প্রয়োজনীয় সব তথ্য যেন সঠিক ভাবে লিখা হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। আপনার ঠিকানা ৩টি কর্ম দিবসের মধ্যে কম্পানি কুরিয়ারের মাধ্যম একটি স্মার্ট পাটাবে । আপনি অবশ্যই   নিকটবর্তী কুরিয়ারে যোগাযোগ রাখতে হবে। কাম্পানি আপনার বা ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে স্মার্টকার্ডের জন্য আলাদা কোন ফি নিবে না।

ঘরে বসে ইন্সুরেন্স করে আয়ঃ-

কেউ ইচ্ছা করলে একটি কম্পিউটার ও নেটকানেকশন থাকলে এই সেবাটিকে আয়ের রাস্তা হিসেবে নিজেকে কাজে লাগাতে পারেন। প্রতিদিন ৫টি করেও যদি ইন্সুরেন্স করেন তাহলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজের বিনিময় হিসেবে কমপক্ষে ৫০ টাকা করে দিলেও ২৫০ টাকা ইনকাম হবে। আপনি হয়তো ভাবছেন কাস্টমার আপনাকে কেন দিবে ৫০ টাকা। হে দেওয়ার কারন আছে। ক্লায়েন্ট যদি কোন একটি ইন্সুরেন্স অফিসে গিয়ে ইন্সুরেন্সটি করে তাহলে উনাকে লাইনে দাড়াতে হবে এবং অফিসে আসা যাওয়া সময় দিতে হবে। কিন্তু আপনারে এখানে তিনি খুব কম সময়ে লাইনে না দাড়িয়ে উনার কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন। আরও একটি বিষয় হলো বাংলাদের সকল ইন্সুরেন্স কম্পানি কিন্তু এখনো স্মার্টকার্ড দিতে পারে না।  যেহতু কম্পানি স্মার্ট কার্ডে র জন্য আলাদা কোন ফি নেন নাই সেহতু  কাস্টমার আপনার কাছ থেকেই ইন্সুরেন্সটি করবে ।

প্রচার প্রসারঃ- 

কাস্টমারকে বুঝাতে হবে আপনার সেবা গুলি। এরই সাথে স্যোসাল মিডিয়া ব্যবহার করে আপনি আপনার প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাবেন। তাহলে অর্ডার আরও বেশি বেশি পেতে থাকবেন।

নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ সর্ব তথ্য পেতে সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

 

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ওয়্যারলেস চার্জারেরও ব্যবস্থা আছে এই সাউন্ড বক্সে

Rajib Saha

Published

on

টেকনোলজি রিলেটেড এখন একটি খুব ইন্টারেস্টিং ডিভাইস নিয়ে কথা বলব।কী সেই ডিভাইস আর কেন এটি ইন্টারেস্টিং এই নিয়েই আজকের লেখালেখি।তো শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেল।

আমরা সবাই সবকিছুতেই বেশী বেশী সুবিধা চাই,আবার অনেক সময় সুবিধা পেয়েও যাই,অনেক সময় পাই না। আবার এমন সুবিধা চাই যেটা হয়তো কল্পনাতেই থাকে আবার এমন অনেক সুবিধা আছে যা আমরা ভাবতেও পারিও না।যাহোক,আজকে যেই ডিভাইসটির কথা বলব সেটি আর কিছুই না সেটি একটি সাউন্ডবক্স।তবে এটাকে যদি নরমাল সাউন্ড বক্স বলে উড়িয়ে দেন তাহলে সেটা অবশ্যই ঠিক না।অর্থাৎ এই সাউন্ডবক্সের কিছু দিক আছে যার জন্য এই বক্সটিকে নিয়ে আজকের লেখা,যদি নরমাল সাউন্ড বক্স হতো তাহলে তো আর শুধু শুধু কষ্ট
করে আর্টিকেল লিখতে বসতাম না। তো কী এটার এমন বিশেষত্ব?সরাসরি উত্তরটা পরে দেই, ধরুন আপনি চাচ্ছেন আপনার সাউন্ড বক্সটি বাজাতে কিন্তু ফোনেও চার্জ নেই এখন কী করবেন?

খুবই সহজ আরেকটি প্লাগে চার্জ দেবেন আর আরেকটিতে সাউন্ড বক্সের কানেকশন দেবেন। তবে কেমন হতো যদি এই দুটি কাজই একসাথে করা যেত?অর্থাৎ আপনি সাউন্ড বক্স বাজাচ্ছেন আর ওই বক্স থেকেই চার্জও দিচ্ছেন।

,ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং না?এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো। আর যে ডিভাইসটির জন্য এটি সম্ভব হচ্ছে তা হলো SOUNDFORM ELITE SMART SPEAKER যেটি Belkin কোম্পানি তৈরি করেছে।এটির মাধ্যমে আপনি আবার ওয়্যারলেস ব্যবস্থায়ও চার্জ দিতে পারবেন। আর চার্জ ও হবে অতি দ্রুত এবং আপনার ফোনও সেফ থাকবে।

এবার আসি সাউন্ডবক্সটির কিছু খুঁটিনাটি নিয়ে কথা বলব,সাউন্ডবক্সটি Wireless,ব্লুটুথ এবং ওয়াইফাই ব্যবস্থা আছে।এটির মাধ্যমে খুব Smooth আর High Quality’র মিউজিক বা অডিও শুনতে পারবেন।এটি ৬.৪ ইঞ্চি প্রশ্বস্তবিশিষ্ট,লম্বায় ৬.৬৩ ইঞ্চি এবং এটির ওজন ১ কেজি ২৫০ গ্রাম।ওজনেও এটি ওতটা ভারী নয়।এটি বাজারে সাদা আর কালো রঙে পাওয়া যাচ্ছে।

এটিতে আরও ফিচার যুক্ত আছ যেমন এটির সাথে Voice assistant হিসেবে Google Assistant কে যুক্ত করা হয়েছে,ফলে এই সাউন্ডবক্সের মাধ্যমে আপনি গুগলকে নানান প্রশ্ন করতে পারবে,অর্থাৎ এই বক্সে আবার Google Assistant এর সুবিধাও পাচ্ছেন।

সুতরাং বোঝই যাচ্ছে যে, এই সাউন্ডবক্সটি অন্যান্য সাউন্ড বক্সের থেকে আলাদা আর বিশেষ ফিচারযুক্ত।তবে একটি বিষয় জেনে রাখা দরকার,সেটি হচ্ছে এই স্মার্ট ফাস্ট চার্জিং এর সুবিধা আপনি আইফোন,গুগলফোন আর স্যামস্যং এ পাবেন,অন্যান্য ফোনে খুব সম্ভবত নাও পেতে পারেন।

আশা করি আজকের আর্টিকেলটি ভালো লেগেছে।কোথাও ভুল হলে ক্ষমাদৃষ্টিতে দেখবেন।মনযোগ দিয়ে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন।

Continue Reading