Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

শিক্ষা

জেনে রাখুন নোবেল পুরষ্কার ২০১৯ বিজয়ীদের তালিকা

Saiful Islam

Published

on

বিশ্বের সবচেয়ে সন্মানজনক পুরষ্কার হচ্ছে নোবেল পুরষ্কার। ১৯০১ সাল থেকে এ পুরষ্কার দেওয়া হচ্ছে।

  • চিকিৎসা বিজ্ঞান
চিকিৎসা ক্ষেত্রে নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন
ক। অধ্যাপক স্যার পিটার র‍্যাটক্লিপ (যুক্তরাজ্য)
খ । উইলিয়াম ক্যালিন (যুক্তরাষ্ট্র)
গ। গ্রেগ সেমেঞ্জা (যুক্তরাষ্ট্র)।
কোষ কিভাবে অক্সিজেনেব উপস্থিতি টের পায় ও স্বল্প অক্সিজেনে কিভাবে কোষ নিজেদের মানিয়ে নেয় সেসব বিষয় আবিষ্কার করে তারা এই পুরষ্কার অর্জন করেন।
  • পদার্থ বিজ্ঞান
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতো পদার্থ বিজ্ঞানেও নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন। এরা হলেন –
ক। জেমস পিবলস (কানাডা)
খ। মাইকেল মেয়র (সুইজারল্যান্ড)
গ। দিদিয়ের কুলোজ (সুইজারল্যান্ড)
সৌরজগতের বাইরে একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়নমান গ্রহ আবিষ্কার করে এ পুরষ্কার পান।
  • রসায়ন বিজ্ঞান
ক। জন গুডেনো (যুক্তরাষ্ট্র)
খ। স্টানলি হুইটিংহ্যাম (যুক্তরাষ্ট্র)
গ। আকিবা ইউশিনো (জাপান)।
লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি উদ্ভাবনের জন্য তারা নোবেল পুরষ্কার পান।
  • শান্তি
নোবেল পুরষ্কারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুরষ্কার বলা যায় শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পাওয়া। এ বছর এ পুরষ্কার পান আবি আহমেদ আলী ( ইথিওপিয়া)। পার্শ্ববর্তী দেশ ইরিত্রিয়ার সাথে শান্তিচুক্তির মাধ্যমে ২০ বছরের যুদ্ধাবস্থার অবসান।
  • সাহিত্য
অস্ট্রিয়ান লেখক পিটার হান্দক।
গত বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। তাই সে পুরষ্কার এ বছর দেওয়া হয়েছে। এ বছর ২০১৮ সালের সাহিত্যে নোবেল জয়ী হচ্ছেন লেখক ওলগা তোকারজুক (পোল্যান্ডের নাগরিক)।
  • অর্থনীতি

১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঐ বছর সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয় অর্থনীতিতে। অর্থনীতিতে এ বছর নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন। তারা হলেন –

ক। অভিজিৎ ব্যানার্জি (ভারতীয় বংশোদ্ভুূত বাঙালি)
খ। অ্যাস্থার ডাফলো (ফ্রান্স, ইনি অভিজিৎ ব্যানার্জীর স্ত্রী)
গ৷ মাইকেল ক্রেমার (যুক্তরাষ্ট্র)।
উন্নয়ন অর্থনীতির মধ্য দিয়ে দারিদ্র বিমোচনে অবদানে ভূমিকা রেখে এ পুরষ্কার পান।

গল্প

শুভকামনা কি? আমরা কেন শুভকামনা জানাই?

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

“শুভকামনা।”
শুনে মজা লাগে, তাই না? আমাদের হয়তো অনেকেই ধারনা নেই,শুভকামনা আসলেই কি? আমরা কেন শুভকামনা জানাই?
অনেকেই ভালোবেসে চান, ভাল জিনিস আপনার সাথে ঘটুক,খারাপ কিছু যেন না হয়। আমরা এই সৌভাগ্যের প্রাপ্য হতে পারি আবার নাও হতে পারি, তবে কেউ আমাদের জন্য ভালো কিছু কামনা করছে তা জেনে নিশ্চয় আনন্দিত হই।

“ভাগ্য” শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে সাফল্য বা ব্যর্থতা স্পষ্টতই কারও নিজের ক্রিয়াকলাপের পরিবর্তে সুযোগ দ্বারা নিয়ে আসা। যখন আপনি কাউকে “শুভকামনা” বলছেন, আপনি তার সাফল্যের জন্য নিজের ইচ্ছাকে প্রকাশ করছেন।

ঠিক , ভাগ্য একটি সুযোগের এলোমেলো ঘটনা। যদি এটি এমন কিছু হয় যা সুযোগ মতো বা এলোমেলোভাবে ঘটে থাকে তবে লোকেরা কেন অন্য কাউকে শুভকামনা জানায়?

ভাগ্যকে সংজ্ঞা দেওয়া হয় “সাফল্য বা ব্যর্থতা কারও নিজের ক্রিয়াকলাপের বদলে সুযোগ দ্বারা আনীত”। ভাগ্য ভাল বা খারাপ হতে পারে এবং সম্পূর্ণ এলোমেলো – এটি কার সাথে হয় তা চয়ন করে না। এই সংজ্ঞায়, ভাগ্য আপনি কে সেদিকে খেয়াল নেই।

আপনার ভাগ্য খারাপ হলে আপনি কী করবেন? আপনি কি হাল ছেড়ে দেন? তুমি কি বিশ্বকে অভিশাপ দেবে? আপনি কি বিরক্ত হয়ে কিছু “সৌভাগ্য” হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন?

যাইহোক, আমি স্বীকার করার চেয়ে বেশি সময় পরে, আমি বুঝতে পেরেছি, ভাগ্যক্রমে, আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না এমন কোনও কিছুর জন্য / ভরসা / প্রত্যাশা করছেন …

যদি আপনি খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করেন, তবে আপনি খারাপ অবস্থার মধ্যে রয়েছেন এবং কীভাবে এটি থেকে বেরিয়ে আসা যায় তা আপনি জানেন না। আপনি পরাজিত, উদ্বিগ্ন এবং নিরাশ বোধ করতে পারেন। আপনি আটকে গেছেন এবং আপনি অবাক হয়ে ভাবছেন কেন এই আপাতদৃষ্টিতে এলোমেলো ঘটনাটি আপনার সমস্ত লোকের সাথে ঘটেছে।
এবং আমরা এখানে আটকে পড়েছি – আমাদের দুর্ভাগ্যকে কেন্দ্র করে এতটা পরিস্থিতি উন্নতির কোনও বিকল্প নেই বলে আমরা অনুভব করি না।
এ কারণেই আমি কখনই লোকদের “ভাগ্য” কামনা করি না। পরিবর্তে, আমি তাদের “ইচ্ছা” কামনা করি।
এখন, অবশ্যই “আমি আপনাকে” ইচ্ছা “” বলার সময়টি অদ্ভুদ মনে হয়, তবে আসুন এতে ডুব দেই।

ভাগ্য এলোমেলো এবং নিয়ন্ত্রণহীন – ইচ্ছাই এমন কিছু যা প্রত্যেকের হাতে রয়েছে।
ইচ্ছা এমন একটি বিষয় যা আমরা নিজের এবং আমাদের অবস্থার উন্নতি করতে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহার করতে পারি।
ইচ্ছার গুরুত্বপূর্ণ কারণ, যখন দুর্ভাগ্য ঘটে তখন আপনার চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার দরকার হয়। কাউকে ইচ্ছা করার ধারণা তাদের যে কোনও কিছুর মধ্য দিয়ে লড়াই করার ক্ষমতা দিতে পারে।
যখনই আমরা মন খারাপ করে থাকি, বা হতাশ হই বা চাপে থাকি তবে সহজ কাজটি করা ছেড়ে দেওয়া। আমরা জিমে যাওয়া বন্ধ করতে পারি, প্রকল্পে কাজ করা বন্ধ করতে পারি, বা আমাদের সম্পর্কের বিষয়ে কাজ বন্ধ করতে পারি।
কী, যদি সেই অন্ধকার এবং চ্যালেঞ্জের সময়ে, আমরা এমন কাউকে স্মরণ করি যিনি আমাদের ইচ্ছায় ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন – আমাদের পরিস্থিতিটি সম্পাদন করার এবং পরিবর্তনের দক্ষতা। আমরা অন্য কেউ এটি করার অপেক্ষায় না হয়ে পরিস্থিতিটি উন্নত করার চেষ্টা করতে ও উন্নতি করতে সেই ইচ্ছাটি ব্যবহার করতে অনুপ্রাণিত হতে পারি।
পরের বার আপনি কাউকে “ভাগ্য” চান, তার পরিবর্তে তাদের “ইচ্ছা” কামনা করুন।
অবশ্যই তারা আপনাকে মজার দেখবে। আপনি তাদের জন্য সর্বোত্তম চান তা ব্যাখ্যা করুন বা হয় তা হয়ে যাওয়ার দ্বারা বা এটিকে ঘটানোর মাধ্যমে। আপনি তাদের খারাপ সময়ে কাটিয়ে ওঠার ইচ্ছা পোষণ করছেন, যা আমাদের যখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তখনই হয়।
লোকেরা যত বেশি অভিনয় করার ক্ষমতায়িত বোধ করবেন তত বেশি তারা অভিনয় করবেন।
তাদের কেবল সময়ে সময়ে একটি অনুস্মারক প্রয়োজন।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

২মিনিটে ঘুমিয়ে পড়ার কিছু টেকনিক

Asfak Khan

Published

on

আমাদের অনেকের ক্ষেত্রেই একটি কমন সমস্যা দেখা যায় , সমস্যাটা এমন যে আপনি সারাদিন কাজ করার পর বাসায় আসলেন ফ্রেস হলেন ,খাবার খেলেন  তারপর বিছানায় ঘুমাতে গেলেন কিন্তু কিছুক্ষন আগেও আপনার চোখে যে ঘুম তাড়া করছিল তা বিছানায় যাওয়ার সাথে সাথে চলে গেল। আপনি বিছানায় এদিক ওদিক হচ্ছেন ,আরামদায়ক পজিশন এ শুলেন তাও ঘুম আসলো না।।ঘড়ির কাটা যত বাড়ছে আপনি ততোই ভাবছেন রাত এ ঘুম না হলে আপনার দিনটি খুবই খারাপ যাবে।।খুব লক্ষ করলে দেখবেন আপনি যখন ক্লাস এ থাকেন বা কোন কাজের মধ্যে থাকেন তখন খুবই ঘুম আসে কিন্তু রাতে ঘুমাতে গেলেই যত সমস্যা।।আপনি যদি এই সমস্যায় পরে থাকেন তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য।। আমি আপনাকে এমন কয়েকটি উপায় বলব যাতে আপনার ২ মিনিটে ঘুম আসবেই।। কথা না বারিয়ে এখন কাজের কথায় আসি।।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনি ৭টি টিপস মানতে পারেন

১)ঠান্ডা যায়গায় ঘুমাতে যাওয়া

আপনার চারপাশের পরিবেশ যদি গরম হয় তাহলে আপনার ঘুমে বেঘাত ঘটবে।আপনার রুমে যদি পর্যাপ্ত বাতাস না প্রবাহ হয় তাহলে আপনার ঘুমএ প্রভাব পরবে । স্বাভাবিক ভাবে ঘুমানর জন্য আপনার শরীরের তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস ত্রাস পেতে হয়।। ঘুমানোর জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।।

)ঘুমানোর আগে গরম পানি দিয়ে গোসল করা

শুনতে অবাক লাগলেও গরম পানি দিয়ে গোসল করলে আপনার শরীরের ভেতরে ঠান্ডা হতে থাকে যা আপনার ঘুমের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

৩)ঘড়িকে দূরে রাখুন

বার বার ঘড়ি দেখে ঘুমাতে গেলে আপনার ঘুম ভাল হবে না কারন আপনার মনে ঘুম থেকে উঠার একটা প্রবনতা থাকবে যা আপনার ঘুমে প্রভাব ফেলবে।

৪)ঘুমের আগে কফি , চকলেট বা নিকটিন থেকে দূরে থাকুন

ঘুমানোর আগে কফি,চকলেট বা সিগারেট পান করলে আপনার ঘুমে তা প্রভাব ফেলবে।।

৫) শারিরীক ব্যায়াম

ঘুমানোর আগে শারিরীক ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ন ।।আপনি যদি নিয়মিত সকালে ব্যায়াম করুন তাহলে সারাদিন যেমন আপনার শরীর ভাল থাকবে তেমনি রাত এ আপনার ঘুম ভাল হবে।

৬) দুপুরের ঘুম ৩টার আগে সেরে ফেলুন দুপুরে যদি ৩টার পর ঘুমাতে যান তাহলে আপনার রাত এর ঘুম ভাল হবে।

৭)মোবাইল দূরে রাখুন

ঘুমানোর আগে মোবাইল ব্যবহার করার ঘুম এর জন্য খুবই ক্ষতিকর।।তাই ঘুমানোর আগে মোবাইল আপনার থেকে দূরে রাখুন।

এখন আপনাদের আরেকটি উপায় বলব যেটি সামরিক বাহিনীতে ব্যবহার করা হয়। এতেকরে আপনি দুই মিনিটে ঘুমিয়ে পড়তে পারবেন।।

১)নিজেকে রিল্যাক্স করুন

২)গভির শ্বাস নিন

৩)চোখ বন্ধ করুন

৪) মনোযোগ মুখমন্ডল এর দিক নিন

৫)আস্তে আস্তে শরীরের অঙ্গ কে রিল্যাক্স পজিশন এ নিন।

৬)এমন ভাবে শ্বাস নিন যেন প্রশান্তি সৃষ্টি হয়।

৭)অনুভব করুন আপনার চোখের মনি চক্ষু কোটরে ঢুকে যাচ্ছে।

আপনার যদি ঘুম না হয় তাহলে আপনি উক্ত কাজ গুলো করতে পারেন ।।আশাকরি আমার লিখাগুলো আপনার কাজে আসবে।।

ধন্যবাদ

 






Continue Reading

শিক্ষা

দেশ উন্নয়নে নারী সমাজের ভূমিকা

sijan Ahammed

Published

on

উন্নয়নে নারী সমাজে সময়ের ব্যবধানে রান্নাঘরের শিকলবন্ধী জীবন থেকে নারীর পদচারণা আজ রাজপথে। বর্তমানে নারীরা শুধু ঘরের চার দেয়ালে বন্দী থাকতে আগ্রহী নন। পরিবর্তনের সাথে সাথে নারীরা নারীর অবস্থান ও মানসিকতা ও পরিবর্তন হয়েছে। দেখা যায় যে গত 20 বছরে নারীরা পেশা গ্রহণের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে নারীরা দেশ গঠন ও সমাজসেবায় যে ভূমিকা রেখেছেন তা আজ সমগ্র জাতির সম্মান প্রদর্শন করে। প্রীতিলতা, কল্পনা দত্ত, লীলা নাগ, আশা লতা সেন, মনোরম বসু, বেগম রোকেয়া, বেগম শামসুন্নাহার মাহমুদ জিয়া কামাল প্রমুখ মহীয়সী নারীরা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে পুরুষের সহযাত্রীর যেমন ছিলেন, তেমনি আবার নারী স্বাধীনতা ও নারীর অধিকার প্রসঙ্গে ব্যাপক গণসচেতনতা ও সংগ্রামের দুর্গ গড়ে তুলেছেন। দেশ ও জাতি গঠনে তাদের যে অবদান তারই ফল এখন আমরা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখতে পাই।

আমাদের বাংলাদেশের নারী সমাজ আজ জামা-কাপড় সেলাই, সূচি কাজ, বাঁশ ও বেতের নানা ধরনের সামগ্রী তৈরি করে পরিবারের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করছে। একদিকে যেমন ব্যাপক হারলেন নারী কর্মজীবনের জড়িয়ে পড়ছে অন্যদিকে তেমনি সব ধরনের পেশায় নারীরা রাখছে তার সফলতার স্বাক্ষর। বিমানের পাইলট থেকে শুরু করে লেখিকা,ডাক্তার,মডেলিং, ইঞ্জিনিয়ার, জজ, ম্যাজিস্ট্রেট, উকিল, দারোগা, পুলিশ, আর্মি, শিক্ষক, চলচ্চিত্র নির্মাণ, সাংবাদিক ব্যবসায়ী,প্রশাসক ইত্যাদি এমন কোন পেশা নাই যেখানে নারীরা তাদের মর্যাদাপূর্ণ উপস্থিতিতে ঘোষণা করে নাই। আমাদের বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুজন নারী তারা দুজনই জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ১৯৯১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন করছে। কাজেই এখানে বলা যায় যে হাত দোলনা দোলায় সে হাত বিশ্ব শাসন করে। তাই নারীকে আজ আর অমর্যাদা দৃষ্টিতে এবং ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই।

মূলত নারী এবং পুরুষের মাঝে প্রকৃতিপ্রদত্ত পার্থক্য স্বাভাবিক। আজ নারীরা আত্মবিশ্বাস ও কার্যক্রম সত্যতা পেয়েছে। আজকে এ সফলতা নারীর দীর্ঘ আত্মবিশ্বাস ও সংগ্রামের ফলে নারীদের কষাঘাতে ও নারীরা পিছিয়ে নেই বরং দারিদ্র কে পেছনে ফেলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পৌঁছেছেন এবং এমন নারীর সংখ্যাও কম নয় উদাহরণ হিসাবে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার চড়খালি গ্রামের কুলসুম বেগম, নেত্রকোনা দুর্গাপুর উপজেলার গ্রামের আয়েশা বেগম এবং রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার পাড়া গ্রামে স্বামী পরিত্যাক্তা আরজিনা খাতুন। সহায়-সম্বলহীন এই সকল নারীরা সামান্য পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করে আজ সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশ ও সমাজ গঠনের নারীদের অবদান আজ আর লোকচক্ষুর অন্তরালে নেই বর্তমানে আজ সবদিকে ঘোষিত হচ্ছে নারী জাগরণের জয় গান।

➡বিশ্ব প্রেক্ষাপট

সমাজ গতিশীল। তাইতো সমাজ এগিয়ে চলছে। আর এ সময় মানবসম্পদ হিসেবে নারীকে কাজে লাগাতে হবে। তাহলে নারীর সত্যিকারের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। নারীদের উন্নয়ন ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয়তা পৃথিবীর সব দেশেই স্বীকৃত। তাই বিষয়টি শুধু জাতীয় পর্যায়ে বিবেচনা করলেই চলবে না বরং সারাবিশ্বে বিবেচনায় আনতে হবে। বিশ্বব্যাপী নারী উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সর্বোতভাবে সহযোগিতা জাতিসংঘ। নারীর মর্যাদা ও অধিকার বিষয়টিকে জাতিসংঘ সত্তরের দশক থেকে বিষয় গুরুত্ব দিয়ে আসছে। ↘১৯৭৫↙সালের বিশ্ব নারী বর্ষ হিসেবে ঘোষণা এবং ১৯৭৫ সালে পালনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই প্রক্রিয়া।
.
নারী দশক পালনের উদ্দেশ্য ছিল নারী উন্নয়ন, পরিবারে ও সমাজে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা, কর্মক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতা ও মর্যাদা বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী নারীদের শিক্ষা স্বাস্থ্যসহ সার্বিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটানো।
.
জাতিসংঘের সহায়তায় ১৯৭৫ সালে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন। ১৯৮০ সালে কোপেনহেগেন হাজার ১৯৮৫ সালের নারী এবং ১৯৯৫ সালের বেইজিংয়ের যথাক্রমে দ্বিতীয় তৃতীয় ও চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
.
➡জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি:

১৯৯৭ সালের ৮ই ই মার্চ জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ঘোষণা করা হয়। এ নীতির সফল করার জন্য প্রয়োজন জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো নিম্নরূপ।

  • ১. নারীর মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার বাস্তবায়ন।
  • নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ সমাপ্তি ও বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা
  • নারীর মানবাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়ন করা
  • সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সাধন এবং সেই লক্ষ্যে। নতুন আইন প্রণয়ন করা
  • শিশু বিশেষ করে মেয়ে শিশুর দূরীকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিশেষ করে গুরুত্ব দেওয়া
  • নারীর প্রতি সকল ধরনের নির্যাতন বন্ধ করা।
  • সশস্ত্র সংঘর্ষ ও নারীর সহঅবস্থান।
  • শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ।
  • নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন।
  • নারীর প্রশাসনিক ক্ষমতায়ন।
  • স্বাস্থ্য ও পুষ্টি
  • নারীর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা
  • নারী ও গণমাধ্যমের সংযোগ
  • দুর্দশাগ্রস্ত নারীদের সমস্যা গুলো তাড়াতাড়ি সমাধান করার চেষ্টা করা





Continue Reading