Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

শিক্ষা

জেনে রাখুন নোবেল পুরষ্কার ২০১৯ বিজয়ীদের তালিকা

Published

on

বিশ্বের সবচেয়ে সন্মানজনক পুরষ্কার হচ্ছে নোবেল পুরষ্কার। ১৯০১ সাল থেকে এ পুরষ্কার দেওয়া হচ্ছে।

  • চিকিৎসা বিজ্ঞান
চিকিৎসা ক্ষেত্রে নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন
ক। অধ্যাপক স্যার পিটার র‍্যাটক্লিপ (যুক্তরাজ্য)
খ । উইলিয়াম ক্যালিন (যুক্তরাষ্ট্র)
গ। গ্রেগ সেমেঞ্জা (যুক্তরাষ্ট্র)।
কোষ কিভাবে অক্সিজেনেব উপস্থিতি টের পায় ও স্বল্প অক্সিজেনে কিভাবে কোষ নিজেদের মানিয়ে নেয় সেসব বিষয় আবিষ্কার করে তারা এই পুরষ্কার অর্জন করেন।
  • পদার্থ বিজ্ঞান
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতো পদার্থ বিজ্ঞানেও নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন। এরা হলেন –
ক। জেমস পিবলস (কানাডা)
খ। মাইকেল মেয়র (সুইজারল্যান্ড)
গ। দিদিয়ের কুলোজ (সুইজারল্যান্ড)
সৌরজগতের বাইরে একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়নমান গ্রহ আবিষ্কার করে এ পুরষ্কার পান।
  • রসায়ন বিজ্ঞান
ক। জন গুডেনো (যুক্তরাষ্ট্র)
খ। স্টানলি হুইটিংহ্যাম (যুক্তরাষ্ট্র)
গ। আকিবা ইউশিনো (জাপান)।
লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি উদ্ভাবনের জন্য তারা নোবেল পুরষ্কার পান।
  • শান্তি
নোবেল পুরষ্কারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুরষ্কার বলা যায় শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পাওয়া। এ বছর এ পুরষ্কার পান আবি আহমেদ আলী ( ইথিওপিয়া)। পার্শ্ববর্তী দেশ ইরিত্রিয়ার সাথে শান্তিচুক্তির মাধ্যমে ২০ বছরের যুদ্ধাবস্থার অবসান।
  • সাহিত্য
অস্ট্রিয়ান লেখক পিটার হান্দক।
গত বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। তাই সে পুরষ্কার এ বছর দেওয়া হয়েছে। এ বছর ২০১৮ সালের সাহিত্যে নোবেল জয়ী হচ্ছেন লেখক ওলগা তোকারজুক (পোল্যান্ডের নাগরিক)।
  • অর্থনীতি

১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঐ বছর সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয় অর্থনীতিতে। অর্থনীতিতে এ বছর নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন। তারা হলেন –

ক। অভিজিৎ ব্যানার্জি (ভারতীয় বংশোদ্ভুূত বাঙালি)
খ। অ্যাস্থার ডাফলো (ফ্রান্স, ইনি অভিজিৎ ব্যানার্জীর স্ত্রী)
গ৷ মাইকেল ক্রেমার (যুক্তরাষ্ট্র)।
উন্নয়ন অর্থনীতির মধ্য দিয়ে দারিদ্র বিমোচনে অবদানে ভূমিকা রেখে এ পুরষ্কার পান।

শিক্ষা

বিসিএস প্রস্তুতি, পর্ব-১ ।

Published

on

১. বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী  সরকারের সচিবালয় ছিল- ৮ থিয়েটার রোড় , কলকাতা।
২.স্বাধীন  বাংলা বেতার কেন্দ্রের ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ও স্ক্রিপ্ট লেখক – এম আর আকতার মুকুল ।
৩. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সাথে যেসব দেশের পতাকার মিল রয়েছে – জাপান ও পালাউ ।
৪. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রুপকার – চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান ।
৫. শাপলা ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম – Nymphaea Nouchali .
৬. বাংলাদেশে বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা – ১৬৬ ।
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশী চা চাষ হয় ? – মৌলভীবাজার ।
৭. বাংলাদেশে ৬ষ্ঠ আদমশুমারি কত সালে অনুষ্ঠিত হবে – ২০২১ সালে ।
৮. বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশী রফতানি আয় অর্জন করে – ইউরোপীয় ইউনিয়ন জোটভুক্ত দেশ থেকে ।
৯. বাংলাদেশের সরকারী বানিজ্য মন্ত্রনালয় এর ওয়েব সাইট  – www.mincom.gov.bd .
১০. ফ্রেডরিক দ্য গ্রেট যে রাজত্বের রাজা ছিলেন – প্রুশিয়ান ।
১১. Red Army কোন দেশের সন্ত্রাসী বাহিনী – জাপান ।
১২. সর্বপ্রথম ৩৬০° কোণের প্রচলন করেন – অ্যাসেরীয়রা ।
১৩. বার্লিন দেয়ালের নির্মাণ কাজ শুরু হয় – ১৯৬১ সালে ।
১৪. রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয় – ১৯১৭ সালে ।
১৫. ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর সীমান্ত বাহিনীর নাম – ফ্রন্টেক্স ।

১৬. “ইনকা” সভ্যতা গড়ে উঠেছিল – পেরুতে ।
১৭. Dirty Dozen কি ? – কয়েকটি বিপজ্জনক রাসায়নিক ।
১৮. গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড এর সদর দপ্তর অবস্থিত – দক্ষিণ কোরিয়ায় ।
১৯. Third Agriculture Revolution এর আরেক নাম কি ? – সবুজ বিপ্লব ।
২০. আসিয়ান গঠিত হয় – ১৯৬৭ সালে ।
২১. ইউরো মুদ্রার জনক কে ? – রবার্ট মুন্ডেল ।
২২. APEC এর সদর দপ্তর কোন দেশে অবস্থিত ?- সিঙ্গাপুর এ ।
২৩. কোন দেশ সর্বপ্রথম রেডক্রস এর পরিবর্তে রেডক্রিসেন্ট শব্দ টি ব্যবহার করে ? – তুরস্ক ।
২৪. জামাল খাসোগি যে দেশের নাগরিক – সৌদি আরব ।
২৫. পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন কে ? – আলেক্সান্ডার ফ্লেমিং ।
২৬. নক্ষত্রের গ্রহ সমুহ তার চার পাশে ঘুরে কেন ? – নক্ষত্রের আকর্ষণ এর জন্য ।
২৭. পানি ও খনিজ লবণ পাতায় বহন করে – জাইলেম কলা ।
২৮. বিশ্বের প্রথম টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় – ইংল্যান্ড এ ।
২৯. বায়ু মন্ডলের কোন স্তরে বজ্রপাত ঘটে ? –  Troposphere .
৩০. যার সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয় – শব্দের প্রতিধ্বনি ।

৩১. বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থানের নাম – লালপুর, নাটোর ।
৩২. ওজন স্তর এর রং হলো – গাঢ় নীল ।
৩৩. পৃথিবীতে চাপ বলয় রয়েছে কতটি ? – ৭ টি ।
৩৪. “ইরাতোখিনিস” ছাঁকনির সাহায্যে কোন সংখ্যা সহজে নির্ণয় করা যায় ? – মৌলিক সংখ্যা ।
৩৫.  বাংলাদেশের দ্বিতীয় সার্চ ইঞ্জিন  হলো – চরকি ।

Continue Reading

শিক্ষা

পড়তে চাই পুরকৌশলে

Published

on

By

পুরকৌশল কতটি শুনে অনেকে হয়তো গাবড়ে গেছেন। কথা বলছি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে। উচ্চমাধ্যমিক পাশের পর শিক্ষার্থীরা অনেকে বুঝে উঠতে পারেনা যে তিনি কোনো বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন। তাই আজকের আলোচনার বিষয় হলো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং হলো ডিজাইন ,কনস্ট্রাকশন এবং রক্ষনাবেক্ষন এর প্রকৌশলী বিজ্ঞান। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংকে প্রকৌশলী বিদ্যার মা বলা হয়। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং হলো সবচেয়ে পুরানো ,বড় এবং সকল প্রকৌশলী জ্ঞানের সমন্বয়ে গঠিত। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর অনেক ভাগ রয়েছে। নিচে সেই সকল ভাগগুলো দেয়া হলো :

১.মৃত্তিকা প্রকৌশল।

২.স্ট্রাকচারাল প্রকৌশল

৩.পরিবহন প্রকৌশল

৪.পানি সম্পদ প্রকৌশল

৫.পরিবেশ প্রকৌশল

৬.ভূমিকম্প প্রকৌশল

৭.নগর উন্নয়ন বা নকশা প্রকৌশল

সাধারণত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কাজ হলো পরিকল্পনা ডিজাইন ,গঠন এবং রক্ষনাবেক্ষন করা। সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা মাঝে মাঝে জরিপের কাজ ও করে থাকে,প্রতিবেদন আদান প্রদান করে আবার প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের পরিসর বাড়ছে। যার প্রতিফলনে তাদের কর্মক্ষেত্রে নতুন নতুন কর্মপরিসর যুক্ত হচ্ছে।

বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর দিকে ঝুঁকছে। দেশে বিদেশে সিভিল ইঞ্জিনিয়াদের কর্মক্ষেত্রে রয়েছে বিরাট সম্ভাবনার দ্বার। একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বেতন ৩০০০০ থেকে ৪০০০০ হাজার থেকে শুরু হয়। অভিজ্ঞতা এবং যোগ্যতা অনুসারে বেতন পরিধি আরো বাড়তে পারে। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রতিটি ক্ষেত্রে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ এর হাতছানি। যত্ন কিছু করে দেখানোর সুযোগ।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে হলে অবশ্যই গণিত এবং পদার্থবিজ্ঞান এ ভালো দক্ষতা থাকতে হয়। তাছাড়া বিভিন্ন কাজে কিছু কিছু নকশা বা ডিজাইন সম্পর্কিত সফটওয়্যার এ দক্ষ হতে হয়। যেমন :

১.অটোক্যাড

২.অটোক্যাড সিভিল ৩ ডি

৩. রেভিট

৪.ইন্ফ্রাওয়ার্ক

৫.স্যাপ ২০০০ ইত্যাদি।

এছাড়াও একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়তে চাইলে কারিগরি জ্ঞানের পাশাপাশি কিছু কিছু দক্ষতাও থাকতে হয়। যেমন :

১.আপনার মাঝে সৃজনশীলতা থাকতে হবে।

২.ড্রয়িং বা আঁকাআঁকিতে পারদর্শী হতে হবে।

৩.আপনার মাঝে কোনো কিছুই ব্যাপক আকারে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা থাকতে হবে।

আপনি যদি উপরোক্ত বিষয়গুলোতে দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন বলে মনে হয় তাহলে দেরি না করে আজই ভর্তি হতে পারেন পুরকৌশল বা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ।

Continue Reading

শিক্ষা

জ্ঞানার্জনের সেরা ৪ কৌশল

Published

on

আজ আপনাদের একজন চল্লিশোর্ধ শিক্ষার্থীর কথা শোনাবো! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। এই বয়সে এসেও আমেরিকার সারাজিবো নগরে বসবাসকারী আলেকজান্ডার হেমন অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে প্রতিনিয়ত শিখছেন, আর তার শেখাকে কাজেও লাগাচ্ছেন। পেশায় সাংবাদিক হেমন ৪৪ বছর বয়সে তার জন্মস্থান সারাজিবো থেকে চলে আসেন শিকাগোতে। স্বভাবতই নতুন জায়গায় এসে তাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। ইংরেজিতে দক্ষ না হওয়ায় তাকে নতুন করে  ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা আনতে হয়। খুব কম সময়ের ভিতর তিনি এই ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেন এবং ৫ বছর পরেই ইংরেজি ভাষায় একটি পূর্ণাঙ্গ আর্টিকেল লিখেন যা প্রকাশিত হয় নামকরা এক ম্যাগাজিনে। 

 

একজন বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করতে করতে তিন বছরের ভিতরেই তিনি ইংরেজি ভাষাটা রপ্ত করে ফেলেন। এখন, আলেকজান্ডার হেমন লিখছেন নিউ ইয়র্কার, দ্যা প্যারিস রিভিউ এবং দ্যা নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতো প্রকাশনী প্রতিষ্ঠানগুলোতে। শুধু তাই নয়, অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী উপন্যাস লেখা সহ লেখালেখির মাধ্যমে তিনি বাগে নিয়েছেন বেশ কয়েকটি ফেলোশিপ। 

 

বুড়োরা নতুন কিছু শিখতে পারে না- এই ধারণাই ভুল প্রমাণিত করে দিয়েছেন জনাব হেমন। পড়া কিংবা জ্ঞান অর্জন শুধু তরুণ বয়সী কাজ বললে ভুল হবে। বরং বলা চলে এটি একটি অশেষ প্রক্রিয়া। 

 

এখনকার পৃথিবীতে নলেজ বা জ্ঞানার্জন খুব মূল্যবান এক বিষয়। এখনকার নলেজ ইকোনমি আমাদের সে কথাই বলে। বিশেষকরে নিত্যনতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন বিদ্যা আত্মীকরণে জ্ঞানার্জনের বিকল্প নেই। আর সে কারনেই, বিদ্যজনের মতে, জ্ঞানার্জনের জন্য বিনিয়োগ আমাদের সময়ের সবচেয়ে সেরা বিনিয়োগ। 

 

জ্ঞানার্জনের সেরা কৌশল  

 

আপনার হয়ত মনে হতে পারে, জ্ঞানার্জনের জন্য আমাদের আইকিউ এর সক্ষমতা আর কত সময় আমরা অধ্যয়ন করছি- মোটামুটি এই জিনিসগুলোই বেশি দরকার। তবে, বিদ্যজনদের মতে, ‘কীভাবে আমরা পড়ছি’ বা ‘কি কি কৌশল ব্যবহার করছি পড়া’র’ ক্ষেত্রে – এই বিষয়গুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। 

 

এ ব্যাপারে ‘মেটাকগনিশন’ নামে একটি কার্যপ্রক্রিয়ার কথা গবেষকরা বলেছেন। যাকে বলা হয় ‘থিংকিং অ্যাবাউট থিংকিং’। এই প্রক্রিয়ায় পরিকল্পনা, পর্যবেক্ষণ ও প্রতিফলনের মাধ্যমে আমাদের শেখা আরও উন্নত হতে পারে। ইনস্টিটিউশন ফর মেটাকগনিশন রিসার্চ -এর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিচালক মারসেল ভেনম্যাণ আবিষ্কার করেন যে, নতুন কিছু শেখার ক্ষেত্রে যারা মেটাকগনিশনে জড়িত তারা উচ্চ আইকিউ স্তরের ব্যক্তিকেও হারিয়ে দেয়! 

 

শেখা বা জ্ঞানার্জনের ৪ কৌশলঃ 

 

১) রিপিটিশন বা পুনরাবৃত্তি 

 

নতুন কিছু শেখার ক্ষেত্রে রিপিটিশন বা পুনরাবৃত্তি একটি দারুন কৌশল। পুনরাবৃত্তির কারণে আপনার শেখা জিনিসটি মস্তিষ্কে গেঁথে যায়। বিশ্ববিখ্যাত বই ‘ব্রেন রুলস’এর লেখক জন মেদিনা বলেন, মস্তিষ্কে শেখা জিনিস সংরক্ষণে সবচেয়ে শক্তিশালী উপায় হচ্ছে পুনরাবৃত্তিকরণ। ‘স্পেইশড রিপিটিশন’ নামে একটি প্রক্রিয়া রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি প্রতিনিয়ত একটি রুটিনের মাঝে থেকে নতুন কিছু শেখার প্রক্রিয়া চালু রাখতে পারেন। যেমন, ধরুন ২০২০ সালে আপনি ফ্রেঞ্চ ভাষা শিখতে চাচ্ছেন। এখন ‘স্পেইশড রিপিটিশন’ প্রক্রিয়ায় প্রতি রাতে আপনি শেখার জন্য একটি সময় নির্ধারিত করবেন। তারপর ব্যাকরণ ও ভাষাগত খুঁটিনাটি বিষয়ের জন্য আরও কিছু সময় রাখবেন। মনোযোগ হারানোর আগ পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। ঘুমানোর আগে আপনার পুরো প্রক্রিয়াটি রিভিউ করার জন্য বাকি সময়টা দিতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় চলতে থাকলে কিছুদিনের মধ্যেই আপনার শেখার ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আপনি নিজেই আবিষ্কার করতে পারবেন। 

 

২) রিফ্লেকশন বা প্রতিফলন

 

প্রডাক্টিভিটি এক্সপার্ট স্কট ব্যারি কাউফম্যান ২০১৬ সালে এক গবেষণায় খুঁজে পান যে ৭২ শতাংশ মানুষ শাওয়ার নেওয়া অবস্থায় ক্রিয়েটিভ আইডিয়াগুলো খুঁজে পায়! এধরণের অপ্রাসঙ্গিক ও অপ্রস্তুত মুহূর্তে দারুন সব আইডিয়া মাথায় চলে আসার ব্যাপারটি আসলেই অভিনব। কারন আমাদের মস্তিষ্ক আদতে মূল বিষয়টি নিয়ে সবসময়েই ভাবতে থাকে। তবে এধরণের অপ্রস্তুত মুহূর্ত আসলেই মস্তিষ্কের সাথে এর সংযোগ ঘটে যায়। আর ব্যাপারটিই হচ্ছে মস্তিষ্কের রিফ্লেকশন বা প্রতিফলন। এ কারনেই বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মচারীদের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠায় অধিকতর ভালো সার্ভিস বা অভিনব আইডিয়া পাওয়ার আশায়। এছাড়া এক্ষেত্রে নিয়ম মেনে ঘুমানোরও পরামর্শ দেওয়া হয়। বিদ্যজনের মতে এধরনের বিশ্রাম আমাদেরকে নতুন নতুন আইডিয়া তৈরিতে সাহায্য করে এবং নতুন কিছু শেখার প্রক্রিয়ায় রসদ দেয়।     

 

৩) শিক্ষকতা কিংবা শেখানো 

 

নিজের জ্ঞান বা বুদ্ধি নিজের মাঝে রেখে বসে থাকার মানে নেয়। বরং আপনার জ্ঞান শেখানোর মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মাঝে নিজেই উপকৃত হবেন। নিজের লব্ধ জ্ঞান অন্যকে শেখাতে গিয়ে অনেক ধরণের নতুন চিন্তা ও ভাবনার উদ্রেক ঘটে। সাথে সাথে নিজের জানাটাও আরও পরিপক্ব হয়।    

 

৪) ক্ষেত্র বদল 

 

মাল্টি টাস্কার ইয়ন মাস্কের জীবনী ঘাটলে দেখা যায়, উনি প্রতিনিয়ত উনার পেশার ও শেখার ক্ষেত্র পরিবর্তন করতেন। এক জায়গায় বসে না থেকে বিভিন্ন টেক কোম্পানিতে উনি ঘুরে বেড়িয়েছেন এবং রপ্ত করেছেন টেক ইন্ডাস্ট্রির খুঁটিনাটি সব কিছুই। যা তার লব্ধ জ্ঞান ও শিক্ষাকে আরও পাকাপোক্ত করেছে এবং নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছে। তাই নতুন নতুন বিষয় শেখার ক্ষেত্রে জ্ঞানের ক্ষেত্র বদল করাটা খুবই ভালো এক পন্থা।   

 

এটা আসলে কোন কাকতালীয় ঘটনা নয় যে বিশ্বের সফল ব্যক্তিরা সারা জীবনই নতুন নতুন বিষয় শেখার ক্ষেত্রে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। এখনকার পৃথিবী যে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে সেই গতি ধরতে আমাদেরকে সফল ব্যক্তিদের মতোই নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে সমালোচনামূলকভাবে চিন্তা ও পর্যালোচনা করবার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আর এক্ষেত্রে শেখা বা জ্ঞানার্জনের কৌশলগুলো হতে পারে সহায়ক মাধ্যম। 

Continue Reading