Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

ডায়েট ও মেটাবলিজম বৃদ্ধির উপায়সমূহ

Marzia Rahman

Published

on

আধুনিক বিশ্বে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে নিজেকে আকর্ষণীয় রাখা বিশেষ দরকার। আর তাই অনেকেই এখন পুস্টি বিশেষজ্ঞের পরামর্শে নিজেদের শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডায়েট করে থাকেন।
বর্তমান সময়ে ডায়েট বলতে কেবল না খেয়ে থাকা বোঝায় না। নানান রকম খাবার যাচাই বাছাই করে পরিমিত আকারে তা গ্রহণ করাই হচ্ছে এখনকার ডায়েট। এক্ষেত্রে অনেক নতুন নতুন ধারা গবেষণার মাধ্যমে তৈরি হয়েছে। তেমনই আধুনিক ডায়েটে অন্যতম একটি ধারা হলো, মেটাবলিজম বৃদ্ধি।
সাধারণ কিছু কাজ বা অভ্যাসের মাধ্যমে মেটাবলিক রেট বাড়িয়ে স্বাস্থ্যকর ডায়েট সম্ভব। নিচে মেটাবলিজম বাড়ানোর উপায়সমূহ বর্ননা করা হলোঃ
(১) প্রতিটা ভারী খাবারে প্রোটিন থাকতে হবে। সেটা ডিম, দুধ, দই, মাছ বা মাংস যেকোন প্রোটিন সোর্স হতে পারে।
(২) পানি খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। প্রতিদিন সর্বনিম্ন ২ লিটার পানি পান করা দরকার।
(৩) High Intensity workout মেটাবলিজম বাড়াতে অনেক কার্যকর।ফ্যাট বার্ণ করে মেটাবলিক রেট বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। আবার ওয়েট ট্রেনিং এ ক্যালরি বার্ন বেশি না হলেও এটি মেটাবলিক রেট বাড়তে সক্ষম, এতে করে মাসলের স্ট্রেংথ লেভেল বৃদ্ধি পায়। অন্তত ৩০ মিনিট হিট /ওয়েট ট্রেনিং প্রতিদিনের রুটিনে রাখা আবশ্যক।
(৪) ১ ঘন্টা কাজ করলে এরপরে ২ মিনিট উঠে একটু পায়চারি করে, এরপর আবার কাজে মনোনিবেশ করতে হবে। এতে করে ব্রেনে বেশি চাপ পড়ে না। একারণেও মেটাবলিজম বাড়ে।
(৫) মশলা জাতীয় খাবার প্রতিদিনের একটা মিলে অবশ্যই রাখা প্রয়োজন। মরিচ, ক্যাপসিকাম, আদা, রসুন, পেয়াজ, দারুচিনি, এলাচ এসব মসলা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
(৬) মেটাবলিজম বাড়ানোর অন্যতম উপায় হলো নিয়মিত ঘুম। সর্বোচ্চ চেষ্টা করে হলেও ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে; কেননা মানুষের শরীরের জন্য ঘুম অনেক জরুরি।
(৭) বিভিন্ন খাদ্য উপাদান,যেমন, ফাইবার, ফ্যাট এসব ব্যালেন্স করে খেতে হবে। বিভিন্ন ফলমূল, বাদাম এসব খাদ্য তালিকায় সপ্তাহে ৫-৬ দিন রাখার চেষ্টা করতে হবে।
ছোট ছোট এই কাজগুলো খুব ধীরে হলেও একজন মানুষকে ফিট করে তুলতে সাহায্য করে। তাই রোগমুক্ত ও সুন্দর থাকার জন্য এসকল কাজ নিয়মিত করা উচিত।

Place your ad code here

Advertisement
14 Comments
Subscribe
Notify of
14 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Maria Hasin Mim

Humm

Md Golam Mostàfa

গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট।

Mahfuzur Rahman

Ji

Saima Lima

NICE

Saima Lima

thanks

Toyobur Rahman Aiman

অসাধারণ পোস্ট।

Sayem Ahmed

Good tips

Jahangir Alam

Hmm

Kahhar Siddiquee Nayeem

Informative post

md safin ahmed

good

Mahfuzur Rahman

ধন্যবাদ ভাইয়া

Pingky Akther

ঠিক

Pingky Akther

good

লাইফস্টাইল

রাগ নিয়ন্ত্রণের কার্যকরী কিছু উপায় | এখনি চেষ্টা করে দেখতে পারেন

Md Ruhul Amin

Published

on

Angry

আপনি শেষ কবে রাগ করেছেন? আগামীকাল বা আজ কিংবা ধরুন আপনি রাগই করেন না, কি! এমনটাও কি হতে পারে! এমন বিষয় আসলেই বিরল। এমন অনেকেই আছেন যারা নিজেদের রাগ নিয়েই রাগান্বিত। বিষয়টা অনেকের কাছে হাস্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি। অনেকে চাইলে সহজে রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। আজ তাদের জন্যই নিয়ে আসলাম কিছু টিপস। যেগুলোর এক বা একাধিক পদ্ধতি মেনে চলার মাধ্যমে আপনি আপনার রাগকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন।

রাগ হলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন কিভাবে? এ বিষয়ে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা নানা ধরনের পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন। রাগ সবার হয়, এটা আসবে যাবে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু এটিকে সঠিকভাবে প্রকাশ করতে জানতে হবে। অনুতপ্ত হওয়ার কোন দরকার নেই, সঠিকভাবে রাগের প্রকাশ করতে হলে আগে এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আর নিয়ন্ত্রণ করতে হলেও রাগের প্রকাশ থাকতে হবে। প্রকাশ না করলে ওই রাগটা জমে থাকবে এবং সেটা একসময় না একসময় বেরিয়ে আসবে। গ্লাসের পানি ধারণের জন্য একটি ক্ষমতা থাকে ঠিক তেমনি একজন মানুষের রাগ ধারণেরও নির্দিষ্ট ক্ষমতা থাকে।

কেউ যখন রেগে যায় তখন তার ভেতর কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়, যেমন তার শরীরের পেশী গুলো শক্ত হয়ে যায়, তার হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় এমনটা হলে যা করতে হবে সেটি হচ্ছে শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে হবে। সেটা কিভাবে করবেন? ১ থেকে ৫ গুনতে গুনতে শ্বাস ধরে রাখতে হবে, আর তারপর ১ থেকে ৫ গুনতে গুনতে শ্বাসটা মুখ দিয়ে ছাড়তে হবে। এভাবে পরপর তিনবার করুন। যদি আপনার মনে হয় রেগে যাচ্ছেন তাহলে আপনি সঙ্গে সঙ্গে এক থেকে দশ পর্যন্ত গুনতে শুরু করুন, এতে মন অন্যদিকে স্থানান্তরিত হবে এবং রাগটাও ধীরে ধীরে কমে আসবে। এছাড়া যে স্থানে দাঁড়িয়ে বা বসে আছেন সেখান থেকে সরে যান, বারান্দায় চলে যান বা দরকার হলে অন্য কোনো রুমে চলে যান। যদি রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাহলে আরেকটি কার্যকরী উপায় হতে পারে বরফ চেপে ধরা। রাগের সময় হাতের নিকটে যদি বরফ পেয়ে যান তাহলে সাথে সাথে হাত দিয়ে বরফ চেপে ধরুন।

Place your ad code here

বরফ মেজাজ শীতল করতেও বেশ কার্যকরী। যদি সম্ভব হয় তাহলে যে কাপড় পড়ে আছেন সেই কাপড় পড়ে গোসল করে ফেলুন, এতে রাগের মাত্রা অনেকটাই কমে যাবে। অনেকের ক্ষেত্রেই রাগ হলে কান্না পায় সেটিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন? সেক্ষেত্রে কান্নাকে নিয়ন্ত্রণ না করে কেঁদে ফেলুন। কারণ এটা আপনার রাগ কমাতে অনেকটা সাহায্য করবে। অনেক সময় দেখা যায় এমন সব ব্যক্তির উপর রাগ হয় যাদের কিছু বলা সম্ভব হয় না, যেমন পরিবারের বয়োজোষ্ঠ ব্যক্তি কিংবা অফিসের বস। সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিকে যা বলতে চান তা কাগজে লিখে ফেলুন এবং পরে তা ছিঁড়ে ফেলুন কিংবা ঐ ব্যক্তির একটি ছবি আঁকুন বা তার নামটি কাগজে লিখুন, দরকার হলে খুব জোর দিয়ে লিখুন যাতে কাগজটি ছিড়ে যায় তাতে কোনো সমস্যা নেই। এই পদ্ধতিগুলো রাগ কমাতে অনেকটা সাহায্য করে।

বল থেরাপি নামে একটি বিষয় রয়েছে যেটিও রাগ কমাতে সাহায্য করে। মানুষ রেগে গেলে তার মধ্যে এক ধরনের শক্তি তৈরি হয়, এক্ষেত্রে কিছু নরম বল আছে যেগুলোকে হাতে নিয়ে চাপ দিলে ওই শক্তি স্থানান্তরিত হয়, যার কারনে রাগ কমে যায়।

রাগ কমানোর জন্য যোগ ব্যায়াম করা যেতে পারে এটি শরীর এবং মনকে সতেজ রাখে যা ভবিষ্যতে রাগ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া অনেকের ক্ষেত্রে ধর্মচর্চাও রাগ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া মনকে অন্যদিকে ব্যস্ত করতে ভালো লাগে এমন নানা ধরনের কাজ করার চেষ্টা করতে পারেন। কারো সাথে রাগের কারণ শেয়ার করতে পারেন কিংবা শরীরচর্চা করতে পারেন। রাগ যখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে তখন রাগের কারণটা ভেবে দেখতে হবে যে আসলেই রাগ করাটা ঠিক হয়েছে কিনা অথবা রাগ করার পেছনে আসলেই কোনো কারণ আছে কি না।

বেশিরভাগ সময় দেখা যায় যে রাগের কারণ ভেবে দেখতে গেলে তেমন কোনো কারণে পাওয়া যায় না সেক্ষেত্রে সমাধানটা হয়েই যায়। কিন্তু যদি আসলেই কোনো কারণ পাওয়া যায় তাহলে যার ওপর আপনার রাগ হয়েছিল তাকে ভাল করে বুঝিয়ে বলতে হবে। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন, পরিস্থিতি যাতে আপনার নিয়ন্ত্রনে থাকে এবং যে ব্যক্তিকে আপনি বুঝিয়ে বলছেন সে যাতে উল্টে আপনার উপর রেগে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

রাতে ঘুমের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খেতে পারেন এই খাবারগুলো

Md Ruhul Amin

Published

on

Sleep Problem

অনেকেই অনিদ্রারোগে ভোগেন। রাতে ঘুমাতে গেলে সহজে ঘুম আসতে চায় না। বিছানায় পাশ কাটতে সময় চলে যায়। যা শারীরিক ও মানসিক নানান সমস্যার সৃষ্টি করে। স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাপন করা দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। ফলে একঘেয়েমি বেড়ে যায়। অনেকে আবার ঘুমের সমস্যা থেকে রক্ষা পাবার জন্য ওষুধ খায়। কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, ঘুমের ওষুধের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনে। তাহলে উপায় কি এই সমস্যার কোনো সমাধান নেই? আছে!

ভারতীয় সংবাদপত্র জি নিউজ-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু সাধারণ খাবার ঘুমের ওষুধের বিকল্প হতে পারে। সেসব খাবারের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আপনি নির্ভয়ে এবং ঘুমের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে এই খাবারগুলি খেতে পারেন। তো চলুন জেনে নেয়া যাক খাবার গুল সম্পর্কে-

হালকা গরম দুধঃ হালকা গরম দুধ ঘুমের ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে। যারা রাতে ভাল ঘুমাতে পারে না বা বিছানায় পাশ কাটাতে কাটাতে সময় নষ্ট করছেন তারা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটু গরম দুধ খেয়ে নিতে পারে। দুধে ট্রাইপটোফান এবং অ্যামিনো এসিড থাকে, যা শরীরে ঘুমের আবেশ ঘটায়। উপরন্তু, দুধের ক্যালসিয়াম মস্তিষ্কে ট্রাইপটোফান ব্যবহার করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস দুধ পান করলে মানসিক চাপ কমে যায় এবং শরীরকে কিছুটা শিথিল করে। তাই ঘুম সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ হয়ে যায়।

Place your ad code here

কলাঃ কলা খাওয়ার ফলে রাতে ঘুম ভাল হয়। কলায় ম্যাগনেসিয়াম আছে, যা পেশী শিথিল করে। এছাড়া কলা খেলে মেলাটোনিন এবং সেরোটোনিন হরমোন নির্গত হয় যার ফলে সহজেই ঘুম আসে। তাই যারা ঘুমের সমস্যা ভুগছেন তারা রাতে কলা খেয়ে ঘুমাতে পারেন।

মধুঃ মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে, যা মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে এবং ঘুম বিঘ্নিত করে। রাতে ঘুমানোর আগে মধু খাওয়ার ফলে মস্তিষ্কে গ্লুকোজ প্রবেশ করে এবং ওরেক্সিন উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়, যা দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে।

আলুঃ রান্না করা আলু একটি ভাল ঘুমের জন্য সহায়ক খাবার হতে পারে। আলু খাওয়ার ফলে ট্রাইপটোফানের সাহায্যে হাই তোলায় বাধা সৃষ্টিকারী এসিড ধ্বংস হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, মস্তিষ্ককে দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে।

ওটমিলঃ যাদের ওজন বৃদ্ধিজনিত সমস্যা আছে তারা সাধারণত ওটমিল খায়। ওটমিলে রয়েছে মেলাটোনিন, যা ঘুমাতে সাহায্য করে। সুতরাং, রাতে আপনি ওটমিল খেতে পারেন। এতে করে আপনার ঘুম সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা যায়।

চিনাবাদামঃ রাতের ঘুমের জন্য আরেকটি দরকারী খাবার হলো চিনাবাদাম। যাদের রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয় তারা প্রতি রাতে ১০-১২টি বাদাম খেতে ঘুমাতে পারেন।

আর একটি বিষয় অবশ্যই মেনে চলবেন সেটি হলো বিকাল চারটা পর চা বা কফি থেকে দূরে থাকা চেষ্টা করুন। চা বা কফিতে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্ককে জাগ্রত রাখতে সাহায্য করে।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

সুস্থ্য ও ফুরফুরে থাকতে এই শীতে আপনার ডায়েট, ঘুম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোসহ নিজের লাইফস্টাইল পরিবর্তন করুন।

Mojammal Haque

Published

on

একই সাথে সকল চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের ভাষ্য মতে, স্বাস্থ্যকর জীবনের মূলমন্ত্র তিনটি। সেগুলো হলোঃ ‘সঠিক খাদ্যাভ্যাস’, ‘পরিমিত ঘুম’ ও ‘স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন’। যেকোনো মৌসুমে এই তিনটি অভ্যাস ঠিক রাখলে সুস্থ্য থাকবেনই।

আমাদের দেশের সব জেলায় খুব বেশি শীত না পড়লেও উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু জেলায় ইতিমধ্যে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। অন্যান্য এলাকায় উত্তুরে ঠাণ্ডা হিমেল হাওয়া ও সাথে হালকা শরীরে কাঁপুনি জানান দিচ্ছে হেমন্তকাল পেরিয়ে ইতিমধ্যে আমাদের মাঝে শীতকালের আগমন ঘটে গেছে। বাঙালির শীতকাল মানেই হলো বিভিন্ন উৎসবের মৌসুম। এ কারনেই বাঙালির জীবনচর্চায় অনিয়ম আরও বেড়ে যায়।

শীতের এই সময়ে প্রত্যেক বয়সী নারী পুরুষ শিশু বৃদ্ধ সবারই নিয়ম মেনে পরিমাণমতো পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। অসচেতনতার দরুণ শীতের এ সময়ে শারীরিক অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সমস্যাগুলোর মধ্যে বিভিন্ন রকমের ত্বকের সমস্যা, অ্যালার্জি, হজমের গণ্ডগোল, ক্ষত ইনেফেকশনের সমস্যা উল্লেখযোগ্য যা প্রায়জনের লেগেই থাকে।

Place your ad code here

অন্যান্য বছরের শীতের তুলনায় এ বছরের শীত অন্য রকম ও অসুখ বিসুখেট ধরণও অন্যরকম। করোনা ভাইরাস মহামারিতে এ সময় প্রত্যেকের মানুষের জীবনযাত্রায় কিছুটা হলেও পরিবর্তন এসেছে। এ বছর শীতকালিন উৎসবের আমেজ থাকলেও সাথে রয়েছে মনের মধ্যে বিষণ্ণতার এক সুর। খাবার ঘুম থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষা নিয়ে সবাই এখন চিন্তিত।

বহুকাল ধরেই রোগ নিরাময় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন সি এর ভূমিকা বিশেষ ভাবে স্বীকৃত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও বাড়িয়ে তোলার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে ডায়েট পালন করার বিকল্প নেই। এর মধ্যে, প্রতিদিনের ডায়েট এবং ঋতু বিশেষের ডায়েটের মধ্যে কিছু ভিন্নতা থাকবে। প্রতিটি মৌসুমভেদে এই ডায়েট এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও বলিষ্ঠভাবে গড়ে তোলা যাবে। শীতকালে এমনিতেই আমাদের শরীরের কর্মক্ষমতা অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় অনেকটাই কম থাকে।

এই মৌসুমে সাধারণত টক জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করাটা শরীরের জন্য ভালো। আবার শীতকালে মানুষের ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। টক জাতীয় খাদ্য খেলে সেই খাদ্যের মধ্যে ভিটামিন সি এর উপাদানসমূহ ত্বকের যত্ন নেয় এবং ত্বক ভালো রাখে। কাঁচা আমলকি এদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ভূমিকা রাখতে পারে।

এছাড়াও রয়েছে মৌসুমি ডাল, গমের আটা, নতুন চাল, ভুট্টা, আখ, গুঁড় ইত্যাদি। এই ধরণের খাবারগুলোতে যথেষ্ট পুষ্টি উপাদান রয়েছে। অপরদিকে, প্রোটিন জাতীয় খাদ্য যেমন দুধ, ডিম ইত্যাদি নিয়ম করে খেলেও শরীর ও স্বাস্থ্য ঠিক থাকে। এই শীতে হাল্কা মশলাযুক্ত ও গরম খাবার গ্রহন করা শরীরের পক্ষে ভাল।

ত্বকের ক্ষেত্রে, আপনার ত্বক যাতে কোমল, নরম, মোলায়েম ও উজ্জ্বল থাকে সে জন্য প্রতিদিন গোসল ও হাত মুখ ধুয়ার পর তেল এবং ক্রিম ব্যবহার করবেন। যেহেতু করোনার এই সময়টাতে বাইরে এত বেশি যাওয়া ঠিক নয় সেহেতু চেস্টা করুন বাড়িতেই রূপচর্চা করতে।
এক্ষেত্রে কাঁচা হলুদ বাটা, চন্দন বাটা এবং অ্যালোভেরা জেল মিলিয়ে মিশ্রন বানিয়ে সপ্তাহে কমপক্ষে দু’দিন মুখে ও ত্বকে লাগান। এতেই এই শীতে আপনার ত্বক অনেক উজ্জ্বল দেখাবে।

বিশেষ করে, শীতের মৌসুমে সূর্যের মিঠা আলো ত্বকের জন্য খুবই ভাল। কারণ, এটি আপনার ত্বকে ভিটামিন ডি এর চাহিদা মেটায়। সূর্যের আলোয় থাকা ভিটামিন ডি শরীরের জন্য অপরিহার্য।

ভালো থাকুক আপনাদের শীতকাল। ঘরেই থাকার চেস্টা করুন। আর, শরীর ও ত্বকের যত্ন নিন। বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট