Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

পৃথিবীর ৩৩ তম ধনী ব্যক্তি

Bipon 360

Published

on

বার বার ফেল করেও যেভাবে তিনি এখন পৃথিবীর ৩৩ তম ধনী ব্যক্তি ?

দুইবার ফেল, মাধ্যমিকে তিনবার ফেল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষায় তিনবার ফেল, চাকরির জন্য পরীক্ষা দিয়ে ৩০ বার ব্যর্থ হয়েছি আমি।
প্রাইমারিতে দুইবার ফেল, মাধ্যমিকে তিনবার ফেল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষায় তিনবার ফেল, চাকরির জন্য পরীক্ষা দিয়ে ৩০ বার ব্যর্থ হয়েছি আমি।চীনে যখন কেএফসি আসে তখন ২৪ জন চাকরির জন্য আবেদন করে৷ এর মধ্যে ২৩ জনের চাকরি হয়৷ শুধুমাত্র একজন বাদ পড়ে, আর সেই ব্যক্তিটি আমি।
[the_ad_placement id=”content-720″]
এমনও দেখা গেছে চাকরির জন্য পাঁচ জন আবেদন করেছে তন্মধ্যে চার জনের চাকরি হয়েছে বাদ.পড়েছি শুধুই আমি। প্রত্যাখ্যানের পর প্রত্যাখ্যানই দেখেছি আমি।হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ১০বার আবেদন করে ১০বারই প্রত্যাখ্যাত হয়েছি।এতক্ষণ যার কথা বলেছি তিনি হলেন পৃথিবীর অন্যতম বড় অনলাইন ভিত্তিক কোম্পানি আলিবাবা ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান জ্যাক মা। তার জন্ম চীনের জিজিয়াং প্রদেশে।
ফোবর্স ম্যাগাজিনের হিসেবে জ্যাক মা পৃথিবীর ৩৩ তম ধনী ব্যক্তি। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার।জ্যাক মার জীবনে এতবার ব্যার্থ হওয়ার পরও বড় হওয়ার,প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আশা থেকে বিন্দু মাত্র পিছপা হন নি। অবিরাম চেষ্টা চিলিয়ে তিনি আজকের অবস্থানে এসেছেন।
যেই জ্যাক মা চাকরির জন্য ৩০ বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন সেই জ্যাক মার প্রতিষ্ঠান আলিবাবা ডটকম চীনে নতুন করে ১৪ মিলিয়ন চাকরি তৈরি করেছে।জ্যাক মা যখন আলিবাবা প্রতিষ্ঠা করেন তখন সবাই তাকে পাগল বলত৷ টাইম মেগাজিনে জ্যাক মা কে পাগল জ্যাক বলে অভিহিত করেছিল।কিন্তু জ্যাক মা আশাহত হন নি। তিনি চলেছেন আপন গতিতেই৷ তার সেই গতিই তাকে পৌঁছে দিয়েছে সফলতার দ্বার প্রান্তে।

 

তিনি বলেন, যুবকদের সামনে রয়েছে অফুরন্ত সময়৷ আর সেই সময়কে কাজে লাগিয়ে তারাও হতে পারে পৃথিবী বাসির কাছে অনুসরণীয় ব্যাক্তিত্ব৷ ইচ্ছা করলেই নিজেকে উদাহরণের প্রতীক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।জ্যাক মার একটি বিখ্যাত উক্তি, তিনি বলেছিলেন “আমার মনে হয় পাগল হওয়াই ভাল। আমরা পাগল কিন্তু নির্বোধ নই ”

Advertisement
3 Comments

3 Comments

  1. Noyon Kumar

    Noyon Kumar

    May 29, 2018 at 10:34 pm

    wow

  2. Mehedi Islam Noman

    Mehedi Islam Noman

    February 24, 2020 at 6:06 pm

    ওয়াও

  3. Rafi t

    Rafi t

    May 15, 2020 at 11:02 am

    Good

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

তারকাদের বিয়ে নিয়ে গল্পকথা

Utsa Kumer

Published

on

 

হেই বন্ধুরা,,,সবাই কেমন আছেন।
আজ একটা নতুন বিষয়ে লিখলাম।

আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব কলকাতার কয়েকজন জনপ্রিয় অভিনেতা এবং অভিনেত্রীর বৈবাহিক জিবন নিয়ে।যেকোনো চলচিত্রে আমরা তারকাদের যেমন অভিনয় দেখি,তাদের বাস্তবিক জীবন কি সেরকম? তাদের দাম্পত্য জীবন কি সাধারণ মানুষদের মতো?
চলুন জেনে নেওয়া যাক,,,,
শুরুতেই থাকছে কলকাতার এক নাম্বারে থাকা অভিনেতা প্রসেনজিত।
এই তারকার অভিনীত সবকয়টি সিনেমা সুপারহিট তবে তার বৈবাহিক জীবনে ততটায় ছন্দহীন।যদিও কোটি কোটি মানুষকে আনন্দ দিয়ে থাকলেও তার নিজের জীবনে ততটায় বেদনায় ভরা।
এই অভিনেতা সর্বপ্রথম ১৯৯২ সালে অভিনেত্রী দেবশ্রীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।যদিও তারা প্রেম করে বিবাহ করেছিল তবুও তাদের সম্পর্কে টানাপোড়ন সৃষ্টি হয়।এবং ১৯৯৫ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।এতে প্রসেনজিত এবং দেবশ্রী উভয়ের সম্মতি ছিল।

পরবর্তিতে ১৯৯৭ সালে তিনি বিবাহ করেন অপর্ণা গুহ কে।তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের ছিল কিন্তু হঠাৎ করে ২০০২ সালে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়।এতে করে তিনি ভেঙে পরেন।এবং এই কষ্ট থেকে মুক্তি লাভের আশায় নিজের ক্যারিয়ারের দিকে মনোযোগী হন।

পরবর্তীতে অর্পিতা পালকে বিয়ে করেন।এবং বর্তমান তাদের একটি ছেলে সন্তান আছে।

শ্রাবন্তী- এই তারকা সবার প্রিয়। তবে তার বিবাহিত জীবনে যথেষ্ট ছন্দপতন লক্ষণীয়। ২০১৩ সালে তিনি চলচিত্র নির্মাতা রাজীব কুমার বিশ্বাস কে বিবাহ করেন। এসময় তার একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু সন্দেহজনক কারনে ২০১৬ সালে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়।তবে মজার বিষয় হলো,ডিভোর্সের এক মাস পর শ্রাবন্তী দ্বিতীয় বিবাহ করেন, কিন্তু এই সম্পর্ক বেশি দিন স্থায়ী ছিলনা।
২০১৯ সালে তিনি রওশন সিংকে পুনরায় বিবাহ করেন।বর্তমানে স্বামীর সাথে সুখেই আছেন।

রচনা ব্যানার্জী- এমন কোন মানুষ নেই যে এই অভিনেত্রী কে জানেনা।তার অভিনীত প্রতিটি ছবি প্রশংসনীয়।
সিনেমা জগতে পা দেওয়ার পরেই সিদ্ধার্থ মহাপাত্রের প্রেমে পড়েন।এবং এক পর্যায়ে তারা বিয়ে করেন।কিন্তু পরকিয়ার জের ধরে এক বছরের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।
তার কিছুদিন পর প্রবাল বসুকে বিয়ে করেন।এবং এক সন্তানের জন্ম দেন। বর্তমানে তিনি সন্তান ও স্বামী নিয়ে সুখে আছেন।

স্বস্তিকা মুখার্জী- এই তারকা ১৯৯৮ সালে প্রমিত সেন কে বিয়ে করেন।তবে ২০০৪ সালে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়।এরপর জীৎ এর সাথে বিয়ের গুন্জন ওঠে কিন্তু সেটা চাপা পড়ে যায়।তিনি পরপর অনেকের সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। বর্তমানে তিনি সুমন মুখোপাধ্যায় এর সাথে লিভিং রিলেশনশিপে আছেন।

পরিশেষে বলতে চাই “যদিও তাদের দাম্পত্য জীবনে ছন্দের অভাব দেখা যায়, কিন্তু তাদের অভিনয় সবসময় আমাদের আনন্দ দিয়ে এসেছে “।

পোষ্ট টি পড়ার জন্য ধন্যবাদ সবাইকে।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

ছোটবেলার ঈদ vs বড় বেলার ঈদ

Liyana Rasa

Published

on

ঈদ মানে খুশি ঈদ মানে আনন্দ। এই কথাটি আমরা সবাই জানি। বড় হওয়ার পর মনে হয় ছোটবেলার ক্ষেত্রে মনে হয় এ কথাগুলো একদম পারফেক্ট ছিল। বড় হওয়ার পর ঈদ উদযাপনে অন্যরকম হয়ে যায়।

ছোটবেলার ঈদ
ছোটবেলায় ঈদের আগের দিন অনেক মজা করতাম। চাঁদ দেখার জন্য অনেক ব্যাকুল থাকতাম। অনেক কৌতুহল কাজ করত। কাজিনদের সাথে ছুটে যেতাম মাঠে ঈদের চাঁদ দেখার জন্য। ভাবতাম মাঠে গেলে মনে হয় সত্যি সত্যিই চাঁদ দেখতে পারবো। চাঁদ দেখার পর্ব শেষ হলে মেহেদি দেওয়ার পর্ব শুরু হতো। তারপর কাজিনদের সাথে অনেক মজা করতাম। চেষ্টা করতাম চাঁদরাতে সবাই একসাথে ঘুমানোর। একজন আরেকজনের নতুন ড্রেস দেখার জন্য অনেক চেষ্টা করতাম। কিন্তু কেউ কাউকে নতুন ড্রেস দেখাতাম না। ভাবতাম নতুন ড্রেস দেখলে মনে হয় eid শেষ হয়ে যাবে, ঈদ হবে না। তখন আমাদের ভিতরে এ রেওয়াজটা কাজ করতো। রাতে ৫০০ এসএমএস কিনে রাখতাম এবং ১২ টা বাজার অপেক্ষায় থাকতাম। ১২ টা বাজলে কে আগে মেসেজ দিতে পারে সেটা নিয়ে কম্পিটিশনে যেতাম।

তারপর আসলো ঈদের দিনের কথা। খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতাম। সবার আগে গোসলটা সেরে ফেলতাম। তারপর নতুন ড্রেস পরতাম। তারপর কাজিনদের সাথে দেখা করতাম। আর কুরবানী ঈদের ক্ষেত্রে গরু জবাই দেখার জন্য প্রস্তুতি নিতাম। তারপর আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় যেতাম, সালামি নিতাম। সালামি নিয়েও কাজিনদের ভিতর দারুণ উত্তেজনা কাজ করত। তারপর দোকানে গিয়ে অনেক খাওয়া দাওয়া করতাম। বিশেষ করে আইসক্রিম এবং ফুসকা খেতাম। কে বেশি সালামি পেলাম সেটা নিয়েও নিজেরা হিরো/হিরোইন হতাম। আমিতো মাঝে মাঝে বাড়িয়ে বলতাম 🙂 যাতে top লেভেলে থাকতে পারি। আরও কত কিছুই না করতাম।

বড় বেলার ঈদ 
চাঁদ দেখা নিয়ে তেমন কোন প্ল্যান থাকে না। সন্ধ্যায় হাতে মেহেদী পরি,তাও সব ঈদে পরা হয়না। রাতে সোশাল মিডিয়াতে ফ্রেন্ডদের কে ঈদ মোবারক জানাই। রাতে তারাতাড়ি ঘুমিয়ে পরি। নতুন ড্রেস নিয়েও তেমন মাথা বেথা থাকেনা। কোন ঈদে নতুন ড্রেসও পরা হয়না।

খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠি। ফ্রেশ হয়ে আম্মুকে কিচেনে হেল্প করি। গরু জবাই নিয়ে কোন ফিলিংসই কাজ করে না। কাজ শেষ করে গোসল, খাওয়া-দাওয়া করি। তারপর দিব্বি ঘুম দেই। এভাবেই ঈদের দিন কাটে।

এই হচ্ছে আমার ঈদের দিন।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

মন ভালো রাখুন কাজ ভালো করুন

rijbj jakir

Published

on

মন ভালো রাখুন কাজ ভালো করুন

মন ভালো রাখুন কাজ ভালো করুন।ফ্রেন্ড এই বিষটি ভালো সবাই জানি একটি বিষয় ।একজন সুস্থ মানুষ মাএই একটি সুস্থ মন প্রয়োজন।আর এটাঈ স্বাভাবিক বিষয় একজন সুস্থ মানুষ এই কেবল কোন কাজে ভালো ভাবে মনযোগি হতে পাড়ে ।আর সে সকল কাজ নির্ভুল ভাবে করতে পাড়ে।।আর এই সুস্থ মন কেবল কাজ করার জন্য জরুরি নয় ।শরির ভালো রাখার জন্য এটিই আবশ্যিক।কেননা আত্যাদিক ডিপ্রশনে মানুষ যখন সাইকোলজিস্ট ডাক্তার এর কাছে যায় ।তখন ডাক্তার তাদের সবাইকে প্রফুল্ল থাকার জন্য কিছু টিপস এবং মেডিসিন দিয়ে থাকে ।যাতে তাদের মন প্রফুল্ল হয় ।আর তারা যেন সুস্থ হয়ে উঠে।খেয়াল করুন ফ্রেন্ড একজণ মানুষ সুস্থ হওয়ার জন্য তার মন প্রফুল্ল করা জরুরি ।তাই মন ভালো রাখুন আর থাকুন সব সময় প্রফুল্ল মেজাজে ।তাহলে আপনি যে কোন কাজ ভালো কাজ করতে পারবেন ।চাই আপনার জব স্টাডি বা আন্যন্য যে কোন কাজ আপনি সহজেই শেষ করতে পারবেন।ফ্রেন্ড আসুন একজন ডাক্তার এর মতামত কি এই ব্যপারে ।আমার আত্নীয় হওয়ার কারনে তার সাথে এই বিষয় নিয়ে ব্যক্তিগত ভাবে কথা বলা ।তার ব্যক্তিগত মতামত চাওয়ার পর ।সে একটি কথাই বললেন ।মানুষ এর সুস্থতার ৫০% তার মানসিক প্রফুল্ল থাকার উপর ।আর ফ্রেন্ড আমি চিকিৎসা করার সময় এর গুরুত জিজ্ঞেস করলে বললেন।রোগি মানসিক ভাবে যত মজবুত থাকে ।তার চিকিৎসা তত সহজ হয় ।আর তারাতারি সুস্থ হওয়ার আশা থাকে ।আরো বলেন তার আভিজ্ঞতার কথা ডাক্তার রা যখন বড় বড় আপারেশন করেন। তখন তাদের জন্য জরুরি হয়।তাদের প্রতি রোগির আস্থা।ফ্রেন্ড আমার এসব কথা বলার কারন ।আমার কথার গুরত আপনাদের অনুধাবন করান।ফ্রেন্ড খেয়াল করুন একজন ডাক্তার মতামত কি।একজন মানুষ এর সুস্থতা ৫০% তার মানসিক প্রফুলতার উপর ।তাই ফ্রেন্ড সব সময় মানসিক প্রফুল্ল থাকুন ।সব কাজে মাথা নরমাল রাখুন ।কেননা মাথা নরমাল রাখলে শরির ভালো থাকবে আর সমাধান এর পথ সহজ বের করতে পারবেন।আর তা না হলে ভুল সিধান্ত আর অনেক ক্ষতির শিকার আপনি হতে পারেন।তাই আমি বলেছি মন ভালো রাখুন কাজ ভালো করুন।কারন জীবন এর একটি ভুল সিধান্ত হতে পারে জীবন এর এমন ক্ষতির কারন ।যে ক্ষতি কারনে আপনি সারাজীবন অনুশোচনার কারন হতে পাড়ে।আর আপনার একটি সঠিক সিধান্ত বদলে যেতে পাড়ে আপনার পুরো জীবন ।তাই জীবন এর সকল কঠিন মুহুর্ত মন ভালো রাখুন ।তাতে আপনার একান্তই যদি ভালো কিছু না হয়।অন্তত এতটুকু ভালো হবে।আপনার দারা কোন ভুল বা ক্ষতি হবে না।ফ্রেন্ড জীবন একবার পাবেন।আর জীবন গড়ার সুযোগ একবারিই পাবেন।আজ আপনি ছাএ ।আজ আপনি চাইলে কালকের জীবন পরিবর্তন সম্ভব ।আর আর আপনি যেই পজিশনে থাকুন না কেন।নরমাল থাকুন জীবন এ ভালো কিছু আপনিও করতে পারবেন।বিষয়টি আরো সহজ ভাবে বুঝাতে আমি আরেকজন সাইকোলজিস্ট এর মতামত আমি আপনাদের মাঝে বলছি ।তার কথা আমি হবুহু লিখার চেস্টা করছি ।একজন মানুষ ততক্ষন পর্যন্ত সুখ অনুভব করেন না ।যতক্ষন পর্যন্ত সে মানসিক প্রশান্তি অনুভব না করে ।আর এই প্রশান্তি নিজের সম্পদ আর টাকা পয়সার মাধোমে পায় না।কারন সম্পদ জীবন এ প্রয়োজন আপনজন না।আর সম্পদ দারা ততক্ষন তৃপ্তি লাভ হয় যতক্ষন এর প্রয়োজন খুব বেশি থাকে জীবন এ।সেই সুখটাও অনুভব ক্ষনিক সময় এর জন্য ।আর সেই সুখ তখনি মানুষ পায় ।যখন সে সত্যিকারের ভালোবাসা অনুভব করে।যখন কোন ভালো কাজ করে সে শান্তি অনুভব করে ফ্রেন্ড ।এভাবে লিখতে থাকলে অনেক লম্বা আর্টিকেল হয়ে যাবে।ফ্রেন্ড আমার কথার মর্ম কি আশা করি আমি বুঝাতে পেরেছি।

Continue Reading