Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

মুক্ত মতামত

ফেসবুক এর উপকারিতা ও অপকারিতা।

Mokta akter

Published

on

‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর নামে। প্রথমে আমি আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করছি ফেসবুকে উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে।ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগ এর মাধ্যম।এর মাধ্যমে আমরা বিশ্বের সকল মানুষের সাথে এক সূএে বেঁধে আছি।বর্তমানে ইন্টারনেট ফেসবুকের মাধ্যমে আমরা পুরো বিশ্বকে একটা আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি।আর এই জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টা খুবই সহজ হয়ে উঠছে।আমরা যদি বাংলাদেশে থেকে কোনো আমেরিকান বন্ধুর সাথে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে কথা বলি তখন আমাদের মনেই হয় না, যে আমরা বাংলাদেশে আছি।আমাদের সব সময় মনে হয়, আমরা একসাথে আছি।

ফেসবুক এর দ্বারা আমরা অনেক উপকারিত হয়ে থাকি।ঠিক তেমনি অপকারিতাও হয়ে থাকি। ফেসবুক এর মাধ্যমে বর্তমানে অনেক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।অনেকে এর মাধ্যেমে সামাজিক ব্যাধি ঘটায়। মিথ্যা- কুপ্রচার সৃষ্টি করে।আর এইসব বিঘ্ন ঘটিয়ে ফেসবুক এর নাম খারাপ করে দিচ্ছে।আর এর ফলে বতর্মান মানুষ ফেসবুক চালাতে ভয় পায়।

আবার অনেকে দেখা গেছে সব কিছু বাদ দিয়ে ফেসবুক এর পিছে পড়ে থাকে।কিন্তু কেউ একবার ও ভাবে না। এখনি সব শেষ নয়। এর পরেও আরো রয়েছে। ফেসবুক এর পিছে পড়ে থেকে মানুষ মরণকে ভুলে গেছে।ফেসবুক এর মধ্য অযথা বিঘ্ন ঘটিয়ে সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট করছে।

যারা ফেসবুক এ এইসব খারাপ কাজ করছে,ব্যাভিচার করছে। তারা একটু পরেই টের পাবে। কোনটা আসল আর কোনটা নকল।তাদের জন্য আমার আফসুস তারা অধপতনের শীর্ষে তলিয়ে যাচ্ছে। হয়তো একদিন সবাই বুঝবে।কিন্তু তখন অনেক দেরী হয়ে যাবে।

তাদের উদ্দেশ্য একটা কথাই বলবো যদি এইসব পাপ কাজ থেকে মুক্তি পেতে চাও।তাহলে এইসব অনাচার- অবিচার বাদ দিয়ে ফিরে এসো ইসলামের পথে।ইসলামকে আপন করে নাও।নিজের মা- বাবা পরিবারকে আপন করে নাও। তাহলেই তো সবার জীবনে বয়ে আনবে চির-কল্যাণ,,,।

ইতিহাসে গড়বে তুমি ফেসবুকে সুমহান।

Advertisement
3 Comments

3 Comments

  1. Sakib khan

    Sakib khan

    February 6, 2020 at 8:04 am

    Nc

  2. abu bakkar

    abu bakkar

    March 13, 2020 at 12:58 am

    nice

  3. Partha Kumar

    Partha Kumar

    May 26, 2020 at 3:59 pm

    Nice

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

মুক্ত মতামত

আমরা মধ্যবিত্ত! করোনা থেকে লড়াইয়ে জিতলেও,অর্থের লড়াইয়ে জিততে পারবো কি ?

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

করুনার ভাইরাসের কবলে পড়ে পুরো পৃথিবী স্তব্ধ। সারা বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠান কলকারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত সবকিছুই বন্ধ। বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। মাত্রই এই দুই-তিন মাসে পুরো অর্থনীতি চাকা উল্টোপথে ঘুরতে শুরু করেছে। জানিনা এর ভবিষ্যৎ কি হবে?

ইতিমধ্যেই ভয়াবহ ধ্বংসের মুখে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতির অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ বিশ্ব অর্থনীতি এখন বেহাল অবস্থা। আরেকটি সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে চাকরির বাজার। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর মতে,কোন ভাইরাসের এই মহামারীর কারণে সমগ্র বিশ্বে প্রায় ৭ কোটি মানুষ চাকরি হারাবে। যদি আমরা বাংলাদেশের দিকে তাকায় তাহলে এর করুন অবস্থা আমরা দেখতে পায় অলরেডি বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক চাকরি হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছে।

বিশ্বের অর্থনীতিবিদ বিশ্লেষকেরা বলছেন, করোনা ভাইরাস এর এই মহামারি’র কারণে যত ধরনের অর্থনৈতিক মন্দা সৃষ্টি হবে তার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে মধ্যবিত্তদের উপর। আপনারা নিজেরাই একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা।

এরা না পারে কারো কাছ থেকে সাহায্য চাইতে,না পারে মুখ খুলে কিছু বলতে। সরকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চবিত্তদের জন্য প্রণোদনা দিচ্ছে,গরীব মানুষেরা কিছুটা হলেও আর্থিক সাহায্য পাচ্ছে কিন্তু মধ্যবিত্তদের কথা ভাবার কেউ নেই?

এই করুন পরিস্থিতিতে হঠাৎ উপার্জন বন্ধ হওয়া তার ওপর আরো বাড়িওয়ালাদের বাড়তি বাসা ভাড়ার চাপ। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা। অবশ্যই ঢাকা শহরের অনেক মানবিক বাড়িওয়ালা তাদের বাড়া মকুব করেছেন কিন্তু তারা কতজন? প্রয়োজনের তুলনায় তারা খুবই সামান্য। একইভাবে সব বাড়িওয়ালাদের বাড়ি ভাড়া মওকুফের জন্য কেউ অনুরোধ করছে না। আমরা অনেক পরিবারকে দেখেছি যারা বাসা ভাড়া দিতে না পেরে নির্যাতিত হয়ে বসা থেকে তাদের বের করে দেয়া হয়েছে।

আর কতদিন? হয়তো আমরা এক সময় খেতে না পেয়ে মরে যাবো। বিভিন্ন মিডিয়ায় এবং পত্র-পত্রিকায় বড় বড় করে হেডলাইন চাঁপা হবে হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে বা বড় কোনো অসুখে মারা গেছে।

কারণ আমি নিজেই মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে। এই মধ্যবিত্তের ব্যাস ও ব্যাসার্ধ আমি ভালো করেই বুঝি।

Continue Reading

মুক্ত মতামত

একটা বাজে মেয়ের সন্ধানে

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

শুভেচ্ছা বন্ধুরা, আজকে আমি এই লেখাটি লিখছি একটা বাজে মেয়ের সন্ধানে। আজকে আমি সমাজে সেই বাজে মেয়ে গুলো নিয়ে কথা লিখব।

আপনারা কখনো ভেবে দেখেছেন,নিজের ঘরের মেয়েকে যদি কেউ বাজে বলে, তাহলে হবে সর্বনাশ কিন্তু পাশের বাড়ির মেয়েকে বাজে কথা বলা যাবে। পাশের বাড়ির মেয়েটা যদি বাজে হয় তাহলে সেটা একটা বিনোদনের মত বিষয় তাই না?

এজন্য তো আমাদের সমাজে সেই বাজে মেয়ে গুলোকে নিয়ে বারবার কথা ওঠে,চুপি চুপি বদনাম করে,বলে সেই মেয়েটা একদম ভালো না, বাজে মেয়ে একটা।

বাজে মেয়ে কাকে বলছি আমরা?

আমাদের এই সমাজ,রাষ্ট্র মেয়েদেরকে বড় যেভাবে দেখছে,পুরুষতান্ত্রিক সমাজ যেভাবে মেয়েদেরকে বড় হতে শিখিয়েছে,তার বাহিরে গিয়ে কোন মেয়ে কি কিছু একটা করে বসলে তখন বলা হয় বাজে মেয়ে। সমাজ সেসব বাজে মেয়েকে একটা বিশাল বড় সংজ্ঞা দিয়ে দেয়।

এমন কিছু বাজে মেয়ে আছে,সমাজে যাদের নিয়ে সিনেমা হয়, যাদের নিয়ে গল্প হয়, এবং হাজার হাজার মেয়ে সেই বাজে মেয়েকে দেখে মুগ্ধ হয়ে তারা নিজে বাজে মেয়ে হতে চেষ্টা করে।

 এই লেখাতে যদি কোন বাজে মেয়ে বাজে ছেলেকে চাও বা কনো বাজে ছেলে যদি বাজে মেয়েকে চাও তাহলে এই কবিতাটি তোমার জন্য…

                    “একটা বাজে মেয়ের সন্ধানে”

                     এমনই একটা বাজে মেয়ে চাই

যার গায়ে চরিত্রহীনতার তকমা লেগে আছে।

       পাড়ায় ছেলে-চোকড়াদের আড্ডায় সাইজ নিয়ে অনেক কোথায় হয়

           কিন্তু সামনে এসে দাঁড়ালে মাথা নিচু করে নেয়।

       কাকিমারা এর বাড়ি ওর বাড়ি গেলে যার চাল-চলন হয়ে যায় 

                         হট টপিক…

               অথচ কারোর তাকে বলার সাহস নেই

         বুড়ো বামগুলো যার জামা কাপড়ের দিকে হা করে

     তাকিয়ে লালা ফেলতে ফেলতে সেটাকে আলোচনার বিষয় বানিয়ে

                 দেশের ভালোর কথা বলে…

        পাড়ার অন্যান্য মেয়েরা যে মেয়েটার স্বাধীনতার প্রতি 

                      হিংসা করে।

             এমনই একটা বাজে মেয়ে চাই….

                 এমনই একটা বাজে মেয়ে চাই 

               যে মেয়েটা রাত করে বাড়ি ফেরে,কাজ থেকে..

                    ইচ্ছে মতন ঘুরে বেড়ায়,

                     বাইরে রাত কাটায়,

                 একলা চলতে ভয় করে না।

                   নিজের মতোই থাকে,

                   কারোর ধার ধারেনা।

            যে প্রতিটা কথায় সপাটে জবাব দেয়

                    খিস্তি খেউর করে

                   সব যুক্তি দিয়ে মাপে।

              হকের জিনিষ ছিনিয়ে নিতে জানে।

                পিছুু হটা যার স্বভাব নেই ।

                এমনই একটি বাজে মেয়ে চাই….

              যার চোখে কাজল না থাকলেও চলবে

                      তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকুক।

              যার হাতে চুরি না থাকলেও চলবে

                     কলম থাকুক।

              যার ঠোঁটে লিপস্টিক না থাকলেও চলবে

                    উলঙ্গ সত্যতা থাকুক।

             যে মেয়েটা ঠাকুর ঘরে পুজা দেয়না

                    যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়।

               যে মেয়েটা রান্না ঘরে রান্না করেনা 

                   মানুষ গড়ার দায়িত্ব নেয়।

               যে মেয়েটা অন্যায় হলে চেঁচায়

                   প্রতিবাদী হয়ে দাঁড়ায়,

                 লড়াই করতে জানে…।

                 এমনই একটি বাজে মেয়ে চাই….

               আমি দেখতে চাই তার বুকের ভেতর

                    দেশলাই কাঠি জ্বেলে

                কতটা লাভা ফুঁটছে তার ভেতর।

              এ জীবন সংগ্রাম,সংসার নয়,

               তাই এখানে সহধর্মিনী নয়

              এমনি এক সহ যোদ্ধা চাই

             একসাথে লড়াই করবো না হয়।

                                      – নিঃস্বার্থ পথিক

Continue Reading

মুক্ত মতামত

নীল আকাশের পরি যাকে কোন দিন ভোলা যায় না

Md Asadullah

Published

on

আমি সেদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছি এই সময় আমাকে কেউ আসাদুল আসাদুল বলে ডাকছিলো।আমি পিছনে ফিরে তাকায় দেখি একটা সুন্দর মেয়ে আমাকে ডাকছে।মেয়েটাকে দেখতে একদম নিল আকাশের পরির মতন লাগছিলো।মেয়েটি পরে ছিল একটা নীল রঙের জামা।দেখতে অনেক সুন্দরর লাগছিলো।আমি দেখেই প্রেমে পরে যায়।তার পর আমি দাঁড়িয়ে যাই। আমি মেয়েটার কাছে জিজ্ঞেস করলাম কে তুমি আর আমাকে নাম দরে ডাকছো কেনো।মেয়ে টা বললো আমি হলাম নিশি আর আমি তোমাকে চিনি তুমি আর আমি এক বয়সী।একই ক্লাসে পড়ি।এখন চলো আমি তোমাদের বাড়ি যাব। আচ্ছা নিশি তুমি কে আর আমমাকে চেনো কি ভাবে।আমি তোমার মামার স্ত্রীর বোনের মেয়ে।আর তুমি আমাকে চেনো কি ভাবে।তোমার মামার বিয়ের সময় আমি তোমাকে দেখেছি। কিন্তু তুমি আমাকে এক বার খেয়াল করো নি।এখন চলো তাহলে।আমি একবার দেখেই নিশির প্রেমে পড়ে যাই।ওকে না দেখে যেনো থাকতে পারছি না। আমি লুকিয়ে লুকিয়ে ওকে দেখছি।আর একবার দেখার সময় আমি ধরা খেয়ে যাই। ওকে দেখছি এমন সময় ও আমার দিকে তাকায়।আমাদের দুজনের চোখে চোখ পড়লে আমি একটু ভয় পাই ও যদি কিছু বলে।কিন্তু ও কিছু বললো না। কিছুক্ষন পর ও আমাকে জিজ্ঞেস করে তুমি সে সময় আমার দিকে তাকিয়ে ছিলে কেনো।

আমি বললাম আমি তোমাকেই দেখে ভাল বেসে ফেলিছি।আমি তোমাকে প্রথম দেখেই পছন্দ করছি।নিশি শুনে কিছু বললো না। আমি বাড়ি গেলাম মা আমাকে দেখে আর আমার সাথে নিশি দেখে জিজ্ঞেস করলো কে ও আর তোর সাথে কি করছে। আমি মাকে সব বুঝিয়ে বললাম।মা বললো আমার তো কোন মেয়ে আজ থেকে ও আমার মেয়ে। রাতে নিশি এসে আমাকে ডেকে ছাদে নিয়ে গেলো।তুমি আজ স্কুল থেকে আসার সময় যে কথা টা বলেছো।আমার ব্যাপারে কিছু না জেনেই এটা বলা তোমার ঠিক হয় নি।তাহলে তুমি বলো তুমি কে।আমার কোন মা নেই। আমি বললাম আমি জানি সেটা। আমি আমার বাড়ি থেকে নেমে এসেছি।আমি জানি সেটা মামা আমাকে সব বলেছে।আমি জানতাম তুমি আসলেই এখানে আসবে।এখন আমার উত্তর দেও।আমি তোমাকে ভালবাসি।এবার নিশি তোমার উত্তর দেও।নিশি বললো আজ না কাল রাতে। পরের দিন আমি স্কুল থেকে এসে কোথাও দেখলাম না। আমি সারা বাড়ি খুজে দেখলাম।ও কোথাও নেই।এর পর আমি আর কিছু খেলাম না আমি সোজা গিয়ে শুয়ে পড়লাম।আমি ঘুমিয়ে পড়ি।আমাকে কেউ ঘুম থেকে ডেকে উঠাল।আমন  চেয়ে দেখি নিশি।আমাকে বললো ছাদের উপর চলো।তোমার উত্তরটা দিবো।আচ্ছা চলো বলে ওর সাথে ছাদে গেলাম।ও বললো আমি তোমাকে ভালবাসি। আমি তোমাকে প্রথম যেদিন দেখে ছিলাম সেদিনই আমি তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি।আমি বললাম আমি আজ খুব খুশি।






Continue Reading