Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

আউটসোর্সিং

ফ্রিল্যান্সিং এর কিছু উপদেশ

Published

on

১) ফ্রিল্যান্সিং এ হতাশার সর্ব প্রথম এবং প্রধান কারণটি হচ্ছে ফ্রীল্যান্সিং সম্পর্কে ভালোমতো না জেনে/বুঝে অন্ধের মতো ঝাঁপ দেয়া।
—> আমার লাইফের শুরুতে ৩৫০০০-টাকা ধরা খাইলাম এই ফ্রীল্যান্সিং শিখতে যেয়ে। এই জন্য আমি নিজেকেই দায়ী করি বা আমি নিজেই দায়ী। কারণ আমি আসলে না জেনে/বুঝে এবং চটকদার বিজ্ঞাপনে দেখ বিচার-বিবেচনা না করেই অন্ধের মতো ফ্রীল্যান্সিংয়ে ঝাঁপ দিছিলাম আর ফলাফল ব্যর্থতা। ইনস্টিটিটউ তো বাজে ছিলোই আর ট্রেইনারের কথা না হয় আর নাই বা বললাম। যাইহোক ঠকবাজরা ঠকাতে চাইবে তবে আমার বিচার-বিদ্ধু খাটিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে বোকার মতো যদি সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠকে গেলে তখন আর ঠকবাজদের দোষ দিয়ে লাভ নাই। তবে আমি পরবর্তীতে আশা ছেড়ে না দিয়ে এগিয়ে গেছি এবং সফলতা পেয়েছি।
উপদেশ –> আজকাল ব্যাঙের ছাতার মতো ফ্রীল্যান্সিং ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট এবংট্রেইনার বের হইছে যাদের মধ্যে ৯০%-ই ভুয়া। এইসব চটকদার বিজ্ঞাপনে যথেষ্ট মিথ্যা প্রলোভন থাকে। মিথ্যা প্রলোভনে আকৃষ্ট না হয়ে বিচার-বিবেচনা করে এবং নিজের পছন্দ বা আগ্রহ আছে এমন বিষয়ে ট্রেনিং নেন এবং অবশ্যই ভালো কোন প্রতিষ্ঠান এবং ট্রেইনারের কাছে শিখবেন। আর অবশ্যই জীবনে মাগনা কোনো কিছুর আশা করবেননা মনে রাখবেন মাগনা এই পৃথিবীতে কোনো কিছু নাই সো যতো দ্রুত এই বিষয়টা বুঝতে পারবেন ততো ভালো।
২) বিষয় নির্বাচন।
অমুকে তমুক ক্ষেত্রে ফ্রীল্যান্সিং করে কোটিপতি হয়ে গেছে। এখন অমুকের তমুক বিষয় আপনাকে স্যুট নাও করতে পারে সো এই ক্ষেত্রে নিজে কি শিখবেন বা আপনার কোনো বিষয়ে আগ্রহ আছে অথবা আপনার পক্ষে কোন বিষয়ে ট্রেনিং নেয়াটা সুবিধাজনক বা সম্ভব মনে হয় ওই বিষয়টাতেই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন। অন্ধের মতো অমুকের তমুক বিষয়ের পিছনে সময়, শ্রম এবং টাকা নষ্ট করার কোনো মানে হয়না এমন করলে হয়তো মাঝপথে যেয়ে মনে হবে আমিতো বিরানী প্রিয় মানুষ হুদাই কেন অন্যের বুদ্ধিতে চাইনিজ খেতে আসলাম।
৩) মাইন্ড সেট।
আপনি কি শিখতে চান কেন শিখতে চান এবং এর পিছনে আপনার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য কি? খুব গুরুত্ব সহকারে এই বিষয়টি বিবেচনা করেন এবং সেই অনুযায়ী কোনো বিষয় বা ক্ষেত্রে ট্রেনিং নিবেন বা শিখবেন সেটা নির্ধারণ করেন এবং একটি নির্দিষ্ট সময় বা লক্ষ্য নির্ধারণ করুন –> যেমনঃ- আমি ওয়ার্ডপ্রেস/এসইও/গ্রাফিক্স-ডিজাইন/ডিজিটাল মার্কেটিং/অন্যান্য (যেকোনো ১/২-টি) শিখবো, আগামী ৬/৮-মাসের মধ্যে শিখবো/ ১০-মাস/১-বছর থেকে আমি ইনকাম করা শুরু করবো।
৪) স্কিলের চাইতে টাকা ইনকাম করাকে অধিক গুরুত্ব না দেয়া।
ভুলেও কখনোই স্কিলের চাইতে টাকা ইনকাম করাটাকে অধিক গুরুত্ব বা প্রাধান্য দিবেননা কারণ অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী। আপনি হয়তো হালকা কিছু কাজ শিখেই ইনকাম শুরু করতে পারবেন কিন্তু সেটা পার্মানেন্ট হবেনা আমি পরবর্তী সময়ে কাজের ক্ষেত্রে আটকে যাবেন বা কাজ পাবেননা অথবা আপনার পক্ষে বড় বা কঠিন কাজ করা সম্ভব হবেনা। আপনি যেই ক্ষেত্রেই কাজ করেননা কেন আপনাকে মনে রাখতে হবে ফ্রীল্যান্সিংয়ে আপনাকে সারা বিশ্বের বাঘা বাঘা দক্ষ এবং অভিজ্ঞ লোকদের সাথে পাল্লা দিয়ে কাজ করতে হবে সুতরাং আপনার নির্দিষ্ট বিষয়/ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই সর্বোচ্চ লেভেলের দক্ষ এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হবে।
৫) ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা।
ইংরেজিতে দক্ষতা আপনাকে জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রেই অকল্পনীয় এডভ্যান্টেজ দিবে। আমার এক ম্যাডাম ক্লাস সিক্সে পড়ার সময় আমাকে বলছিলো নিজেকে স্মার্ট মানুষদের (পুরুষ) লিস্টে অন্তুর্ভুক্ত করার জন্য কিছু যোগ্যতা/দক্ষতা থাকা বাধ্যতামূলক যেমনঃ- ১) উচ্চ শিক্ষা/কর্মমুখ কারিগরি শিক্ষা ২)সাঁতার জানা ৩) ড্রাইভিং জানা ৪) ইংরেজিতে কথা বলতে পারা। ইংরেজিতে ভালো দক্ষতার কারণে জীবনে অনেক জায়গায় এক প্রকার বলতে পারেন বিভিন্ন ভাবে অন্যায় সুবিধাই পাইছি এমন হইছে যে কাজ পারিনা কিন্তু ইংরেজিতে দক্ষতার কারণে কোনো না কোনো ভাবে ক্লায়েন্টকে কনভিন্স করে কাজ নিয়ে নিছি। পরে দেখা গেছে যে হয় কাজ শেষ করতে পারিনি অথবা অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করিয়ে জমা দিছি আমি যদিও এখন আর এমন করিনা তবে অনেকেই হয়তো এখনো এমন করে।
৬) মার্কেট প্লেস সম্পর্কে ধারণা / দক্ষতা / অভিজ্ঞতা।
নতুন অবস্থায় অভিজ্ঞতা থাকবেনা এইটাই স্বাভাবিক সো এইটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। কাজ করতে করতে অভিজ্ঞতা এমনিতেই চলে আসবে। ক্লায়েন্ট যখন নতুন কাউকে কাজ দেয় তারা জানেই যে এই লোকের অভিজ্ঞতা থাকবেনা কারণ সে নতুন আর নতুনদের অভিজ্ঞতা থাকেনা এইটা যে সাইন্স এইটা তারা বুঝে। বুঝিনা শুধু আমরা বাঙালীরা।
দক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেটা আপনার থাকতেই হবে হুদাই মার্কেট প্লেস লাফ দিবেননা। আপনার নির্দিষ্ট বিষয়ে যথেষ্ট পরিমান দক্ষতা অর্জন করেন প্র্যাক্টিস করেন এবং কনফিন্ডলী মার্কেট প্লেস ঝাঁপ দেন। এমন যেনো না যে, বায়ো তে লিখছেন আমি এক্সপার্ট উপরের পার্ট কিন্তু কাজ পাওয়ার পরে আপনার অমুক ভাই তমুক ভাইয়ের কাছ দৌড়া-দৌড়ি করতে হয়ে –> ভাই এইটা কি? ভাই ঐটা কি? এইটা কেমনে? ঐটা কেমনে?
অবশ্যই মার্কেট প্লাসে যাওয়ার আগে বিভিন্ন বেসিক বিষয় সম্পর্কে একদম ক্লিয়ার-কাট ধারণা রাখবেন প্রয়োজনে ইউটিউব এর ভিডিও দেখবেন গুগল করে ইনফো জেনে নিবেন। সিনিয়রদের সাহায্য নিবেন।
এক্সট্রা টিপস —> অধ্যবসায় এবং পরিশ্রম।
সফলতার ক্ষেত্রে অধ্যবসায়ের (বার বার চেষ্টা করা) বিকল্প নাই। নিয়মিত পরিশ্রম করতে হবে কাজ এবং শেখা উভয় ক্ষেত্রে কারণ —> পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি।
ধন্যবাদ সবাইকে এবং হ্যাপি ফ্রীল্যান্সিং।

আউটসোর্সিং

পেশা যখন আউটসোর্সিং

Published

on

By

বর্তমানে আউটসোর্সিং অথবা ফ্রীল্যান্সিং আমাদের দেশে খুবই পরিচিত এবং জনপ্রিয়। আমাদের দেশে বর্তমানে অনেক ওয়েব ডেভেলাপার ,গ্রাফিক্স ডিজাইনার ,রাইটার ,মার্কেটার বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। আবার অনেক নতুন নতুন ফ্রীল্যান্সার এই পেশায় আগ্রহী হয়ে এই পেশার দিকে ঝুঁকছেন। আপনি চাইলে আউটসোর্সিংকে পার্টটাইম অথবা ফুলটাইম দুভাবেই পেশা হিসেবে নিতে পারেন। তবে আপনি যেভাবে আউটসোর্সিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান না কেন শুরুর দিকে আপনাকে এটার পিছনে প্রচুর পরিমান সময় ব্যয় করতে হবে। সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করতে হবে কাজ শিখার সময় শুধুমাত্র কাজ শিখে দক্ষ হয়েই এই পেশায় নাম মঙ্গলজনক। তাহলে আপনাকে আর পিছে ফিরে তাকাতে হবে না। আউটসোর্সিং এ সফল ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে প্রথমে আপনাকে কতগুলো জিনিস মাথায় রাখতে হবে। ১.আপনাকে প্রথমে আউটসোর্সিং সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে হবে। জেনে নিতে হবে এখানে কোন ধরণের কাজের কেমন চাহিদা রয়েছে।
২.মার্কেটপ্লেস এ কাজের ধরণ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আপনাকে এই পেশায় আসতে হবে।চাহিদানুযায়ী যে কোনো পছন্দমতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলবেন। ৩.মনে রাখবেন যেই কাজ শিখা সহজ সেই কাজের রেট তুলুনামূলক কম। তাই অন্তত ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে কষ্ট করে ভালো মানের কাজ শিখুন।
৪.বর্তমানে আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ,গ্রাফিক্স ডিজাইন ,সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান এর চাহিদা প্রচুর। উল্লেখিত বিষয়সমূহে প্রশিক্ষন নিয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলুন।
আপনি ইচ্ছে করলে অনলাইনে ইন্টারনেট এর মাধমে আউটসোর্সিং শিখতে পারেন। তাছাড়া সিডি অথবা ভিডিও দেখে ও শিখতে পারেন। তাছাড়া কোর্স এর মাধ্যমে আপনি আউটসোর্সিং শিখতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে যেই বিষয়ে কোর্স করতে চান ওই বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান আগে থেকে অর্জন করার চেষ্টা করবেন। এতে যেমন আপনার কোর্স এর পড়া বুঝতে বেশি সুবিধা হবে ঠিক তেমনি আপনি কোর্স চলাকালীন সময়ে কাজ শুরু করে দলের ইনকাম করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। আউটসোর্সিং এ কাজ পাওয়ার জন্য অনেক ভালো ভালো মার্কেটপ্লেস রয়েছে। ঠিক তেমনি রয়েছে অনেক ভুয়া সাইট। তাই জেনে বুঝে কাজ করার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিবেন। আউটসোর্সিং এর ক্ষেত্রে সাফল্যের মূলমন্ত্র হলো দক্ষতা। তাই জেনে বুঝে দক্ষ হয়ে এই পেশায় নিজেকে যুক্ত করতে পারলে সফল ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন

Continue Reading

আউটসোর্সিং

লাইক কমেন্ট করে বিকাশে টাকা তুলুন সহজে

Published

on

বন্ধুরা আপনারা সকলেই ফেসবুক ব্যবহার করেন কিন্তু কেউতো সেখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারেননা, কিন্তু এবার এমন একটি সাইট সম্পর্কে বলব যেটা সোশ্যাল মিডিয়া সাইট, এটি সম্পূর্ণ ফেসবুকের মত একটি সাইট, এই সাইট থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন, এই সাইটে ইনকাম করতে হলে প্রথমে নিচের লিংক থেকে রেজিষ্ট্রেশন করুন। রেজিষ্ট্রেশন করার সময় আপনার ইমেইল, নাম, ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, পোষ্ট কোড, ঠিকানা, বর্তমান পেশা, মোবাইল নম্বর, জেন্ডার সঠিক ভাবে দিবেন। কোন প্রকার ভূল তথ্য দেয়া থেকে বিরত থাকবেন, ভূল তথ্যের কারনে আপনি পেমেন্ট না পেতে পারেন, রেজিষ্ট্রেশন এর ১ম ধাপের পর আপনার প্রোফাইল ছবি দিন, কোন প্রকার স্পাম ছবি দিবেননা। রেজিষ্ট্রেশন শেষ করার পর আপনার ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে সঠিকভাবে লগ ইন করুন, পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা হারিয়ে গেলে রিসেট করে নিবেন। লগ ইন করার পর ফেসবুকের মত হোমপেজ দেখতে পাবেন, সেখানে বিভিন্ন বন্ধুদের নাম পাবেন, ফেসবুকের মত এখান থেকে বন্ধু যোগ করে নেবেন। এরপর ফেসবুকের মত বন্ধু দের পোষ্ট দেখতে পাবেন। ঐ পোষ্টগুলো লাইক ও কমেন্ট করবেন। প্রতিটি লাইকের জন্য ২ পয়েন্ট আপনার ক্রেডিট ব্যালেন্স এ যোগ হবে, আর কমেন্ট করলেও ২ পয়েন্ট যোগ হবে। এভাবে বন্ধুদের সকল পোষ্ট গুলোতে লাইক ও কমেন্ট করবেন। আর আপনি যদি নিজের ছবি বা কোন লেখা পোষ্ট করেন তাহলে ২ পয়েন্ট যোগ হবে। এভাবে আপনি প্রতিদিন ২০০ পয়েন্ট বা তার বেশি ও ইনকাম করতে পারবেন। আর্নিং পয়েন্ট সিস্টেম প্রায় পরিবর্তন হয় তাই সাইটের টপ পোষ্ট ও নোটিফিকেশন গুলো দেখবেন। আপনার সেটিংস অপশন থেকে আর্নিং দেখতে পারবেন। সর্বনিম্ন .২০ সেন্ট হলে রিচার্জ এর মাধ্যমে ইউথড্র করতে পারবেন, ০.২০ সেন্ট থেকে ০.৫০ সেন্ট পর্যন্ত মোবাইল রিচার্জ এর মাধ্যমে টাকা উঠাতে পারবেন, মোবাইল রিচার্জ ২৪ ঘন্টা থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পেয়ে যাবেন, নিচের লিঙ্কে আপনি আমার পেমেন্ট প্রুফ ও পাবেন। আর ১ ডলার হলে বিকাশ রকেট পেপাল বিটকয়েন ওয়েস্টার্ন মানি সহ অন্যান্ন মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন। এসব মাধ্যমের টাকা ৪৮ ঘন্টা থেকে ১ সপ্তাহের মধ্যে পেমেন্ট করে। এছাগা আপনার বন্ধুদেরকে এই সাইটে ব্যাবহার করিয়ে আপনার রেফার করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন, সেটিংস এর আর্নিং অপশন থেকে এ্যাফ্লিয়েট আর্নিং অপশনে ক্লিক করে আপনার রেফার লিংক পাবেন। আর টাকা ইউথড্র করার সময় যেভাবে ইউতড্র দিবেন তা হলো আপনার বিকাশ রকেট বা রিচার্জ নম্বর দিয় / বিকাশ বা রকেট ইংরেজিতে লিখে এটদারেট দিয়ে জিমেইল ডট কম লিখে ডলার দিয়ে সাবমিট করবেন। কোন কিছু বুজতে সমস্যা হলে এসপাইটাইম ডট কম এর সাইটের এডমিন আমির বিন হামজা স্যারবে সরাসরি ম্যাসেজ করতে পারবেন। তাই আপনার অব্যবহৃত সময়টুকু ব্যায় করে প্রতিদিন সহজে এসপাইটাইম সাইট থেকে কিছু টাকা ইনকাম করে নিন। এছাড়া বিভিন্ন আর্নিং এর সঠিক ধারনা পেতে এই সাইটে নিয়মিত ভিজিট করুন।
ধন্যবাদ সবাইকে।

https://www.espytime.com/register?ref=jakaria96bd

Continue Reading

আউটসোর্সিং

এ্যাফ্লিয়েট করে ইনকাম করুন যত খুশি তত ডলার

Published

on

প্রথমে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন. bit.ly/2oCu8rs এরপর Affiliate Program অপশনে ক্লিক করুন।ক্লিক করার পর রেজিষ্ট্রেশন অপশনে follow this link অপশনে ক্লিক করুন। সেখানে আপনি আপনার ইউজার আউডি, ইমেইল, পাসওয়ার্ড ও যেসব তথ্য চাহিত সেগুলো দিবেন। এসব দেওয়ার পর নিচের বিভিন্ন রূলসের টিক মার্ক গুলো দিয়ে দিন এরপর রোবট ক্যাপচা পূরণ করুন।

এরপর ইপনার মেইলে একটা মেইল যাবে। সেখান থেকে ভেরিফাই করে দিন। ভেরিফাই করার পর Affiliate Program অপশনে ক্লিক করুন এবং লগইন করুন। ইগ ইন এর সময় পূর্বে ব্যবহৃত আপনার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনার রোবট পূরন করে লগ ইন করুন। লগইন করার পর মানি ইউথড্র অপশন থেকে পেমেন্ট মেথড সেট করে নিবেন।

এর পর ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার https://www.bestchange.com/?p=125954 এরকম একটা লিংক দেখতে পাবেন। এই লিঙ্ক আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন। আপনার বন্ধুরা এই লিঙ্কে ক্লিক করলে আপনি প্রতি ক্লিকে ০.০৪ সেন্ট ডলার পাবেন। তবে অনেক সময় এটা কম বেশি হতে পারে।

আর ইউথড্র করতে আপনার একাউন্ট ব্যালেন্স মিনিমাম ১ডলার হতে হবে। ইউথড্র দেওয়ার ৫দিনের মধ্যে আপনার পেমেন্ট একাউন্টে টাকা পৌছে যাবে। এটা একটা ডলার এক্সচেঞ্জ সাইট এবং সারা বিশ্বের মধ্যে নাম্বার ওয়ান সাইট তাই এই সাইটে আপনি একটু চেষ্টা করলে প্রতিদিন ইচ্ছামত ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

কোনও অনুমোদিত অ্যাকাউন্টের অভ্যন্তরীণ কাঠামো সম্পর্কে জানতে, আপনি ব্যবহারকারীর নাম এবং পাসওয়ার্ড উভয় হিসাবে সিস্টেমে লগইন করতে পারেন।

এই লিঙ্ক ফেসবুক, ইমেইল, টুইটার, ইমো সহ আপনার সকল পরিচিত জনকে ইনভাইট করবেন। মনে রাখবেন প্রতি ৯০ দিনের মধ্যে একটি ডিভাইস থেকে একবার ভিউ কাউন্ট হবে। একই মোবাইল দিয়ে বার বার চেষ্টা করবেনা। এছাড়া আপনি যেকোন সাহায্য পেতে ইউটিউবে বা গুগলে সার্চ করলে সবকিছু পেয়ে যাবেন।

এদের আর্নিং সিস্টেমটা একটু দেখে নিন-

এক দর্শনার্থীর জন্য আইটেমগুলি বিভিন্ন পৃথক পরিমাণে গঠিত:

বেসিক হার – $ 0.04।
যদি ব্যবহারকারী আপনার দ্বারা নিযুক্ত থাকে:

এক্সচেঞ্জার মনিটরিং পরিষেবা ব্যবহার করে, আপনি অতিরিক্ত $ 0.01 x 9 পাবেন;
3 দিনে সাইটে ফিরে আসে, আপনি অতিরিক্ত $ 0.02 পান;
7 দিনে সাইটে ফিরে আসে, আপনি অতিরিক্ত $ 0.03 পান;
14 দিনে সাইটে ফিরে আসে, আপনি অতিরিক্ত $ 0.04 পান;
30 দিনে সাইটে ফিরে আসে, আপনি অতিরিক্ত $ 0.06 পান;
60 দিনের মধ্যে সাইটে ফিরে আসে, আপনি অতিরিক্ত $ 0.09 পান;
90 দিনে সাইটে ফিরে আসে, আপনি অতিরিক্ত $ 0.13 পাবেন;
120 দিনের মধ্যে সাইটে ফিরে আসে, আপনি অতিরিক্ত $ 0.15 পান;
অংশীদার হিসাবে নিবন্ধিত, আপনি আমাদের সিস্টেমে তাদের আয়ের 30% উপার্জন করেন;
অংশীদার হিসাবে নিবন্ধিত এবং অন্য অংশীদারকে নিযুক্ত করে, আপনি আমাদের সিস্টেমে পরের আয়ের 10% উপার্জন করেন।

তাই দেরি না করে এখনি কাজ শুরু করে দিন। ধন্যবাদ সবাইকে। সকলে আমার রেফারে একাউন্ট করবেন।

Continue Reading
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন