Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

বন্ধুত্ব নিয়ে ক্যাপশন | বন্ধুদের মিস করা নিয়ে কিছু কথা

Online Desk

Published

on

বন্ধুত্ব নিয়ে বিখ্যাত কবিতা

জানি জীবনে অনেক বন্ধু-বান্ধব আসবে,
কিন্তু সবাই তোমার মত হবে না।

সব বন্ধুত্ব আজীবন থাকে না,
কেউ শুকনো পাতার মতো ঝরে পড়ে যাবে,
আবার কেউ আজীবন বন্ধু থেকেই যায়,
কেউ নিজের স্বার্থের জন্য দূরে সরে যায়।

আমরা পৃথিবীতে সব সময় থাকার জন্য আসিনি,
মৃত্যু কখন হবে কেউ বলতে পারে না।

সবাই আবার বন্ধুদের সময় দিতে পারে না ,
কারণ সবাই সবার কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকে।
একদিন তো টাকা পয়সা সব হবে,
ওই সময় মজা করার জন্য কেউ আর পাশে থাকবে না।

যখন কোন স্কুলের ছাত্র দেখবো – তখন তোমাদের কথা মনে পড়বে,
তোমাদের কথা ভেবে হাসতে হাসতে কান্না চলে আসবে।

মনে পড়ে যাবে আগের স্মৃতি গুলো, সবাই একসাথে স্কুল পালানোর কথা,
সবাই একসাথে বসে আড্ডা দেওয়ার কথা,

এক টেবিলে সবাই গাদা গাদি করে বসা, ক্লাস মিস দিয়ে আম চুরি করতে যাওয়া।
সবাই একসাথে খেলাধুলা করা

তোমাদের না দেখলে দিনটাই খারাপ যেত,

হয়তো সময়ের স্রোতে একদিন ঠিক হারিয়ে যাবো,
তাই সব সময় পাশে থাকিস – আমি না বললেও।

কারণ সময় তো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব না।

অবশেষে একটা কথাই বলতে চাই সেটা হল – তোমাদের সবাইকে অনেক ভালোবাসি
তাই তো অনেক অনেক মিসও করি, আজও।
ভালো থেকো বন্ধু।।

সম্পর্কিত ট্যাগ: বন্ধুত্ব নিয়ে ক্যাপশন , বন্ধুত্ব নিয়ে বিখ্যাত কবিতা, বন্ধু নিয়ে উক্তি, বন্ধুদের মিস করা নিয়ে কিছু কথা।

Advertisement
65 Comments
Subscribe
Notify of
65 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Md Ahasan Habib

nice…post.

Mizanur Rahman

বেচে থাকুক, বন্ধুত্ব

Koli Talukder

সুন্দর

jubair hossain

miss dst

jubair hossain

nc hoise

Ratul Foysal

পুরোনোদিনেরকথা মনে পড়েগেল

Md Sakib

Darun hoice

Mehedi Islam Noman

Nice

Mehedy Hasan

I miss my best friend still now

Tamim Ahmed Sakib

Gd

Tuber Jihad

Good

Abu Sufian

Gd

Fazle Rabbi

gd

Utsa Kumer

nice post

Sanjida Afrin

দারুণ

Sanjida Afrin

nice

Gourob Ghosh Durjoy

Nice post

Riton Sharma Sagar

অসাধারণ

ikram hossen

খুবই সুন্দর

ikram hossen

beautiful

abu bakkar

nice post

Mosarrof sarker

Amazing

ramal chakma

darun

Md Maruf

ধন্যবাদ।

firoz alam niloy

NC

Md.Nayeem islam

Nice

Nemon Rudra

এটাতো বন্ধুত্ব

Md Mithu Rahman

Amr o bondhu silo

Nourin Nishat

Great

Misti Islam

Nc

Md Motiur

nice

jakariya jakariya

Good

Mahade Hasan

Nice

Partha Kumar

Nice

Md Golam Mostàfa

পুরোনো দিনের কথা মনে পড়ে গেল।

Sharif Zindaneee

nice

Mawon Biswas

Nc

Shanjida Islam

Atai tw frndship😍

Sabina Akter

Vlo thakok proti ta bondo

Sujon Saikot

Apni to amake bondhur kotha mone koriye dilen

Md Khyrul

Nice

Mojammal Haque

Good

kawsar hasan

wow

Parvej Abir

বেঁচে থাকুক বন্ধুত্ব

Shanta Akter

Daru Post

Hridoy Khan

good

Aysha Binte

nice

Jahangir Alam

Onk valo

Anisur Rahman

wow

Hridoy Khan

wow

Emon Rafiq

I miss my friend

Abir Hasan

thik bolsen vai

লাইফস্টাইল

খোলা চুল নিয়ে উক্তি

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় করি। খোলা চুল নিয়ে উক্তি

চুল সৌন্দর্যের  এক অলংকার স্বরূপ। রেশমি ঘন কালো চুলে মুগ্ধ হয়ে কত কবি সাহিত্যিক  যে গান ,কবিতা রচনা করেছেন তার কোনো ইয়ত্তা নেই। তাই চুল এক ধরনের সম্পদ। চুল নারীদের ক্ষেত্রে তাই অলংকার স্বরূপ। লম্বা চুলের কদর রয়েছে তাই যুগ  যুগ ধরে, কালে কালে রয়েছে।তাই চুল নিয়ে নারীদের চিন্তার শেষ নেই। কত যত্ন যে করে থাকে লম্বা চুলের জন্য তার ইয়ত্তা নেই। তাইতো এখনো মানুষ লম্বা চুলের পাগল।

তবে চুল এমন এক সৌন্দর্যের প্রতীক যা প্রতীকী অর্থে কখনোই বর্ণনা করা যাবে না।নারীর রুপ এবং সৌন্দর্যের এক অন্যতম অংশ হলো চুল।চুলের সৌন্দর্য তাই চুল জানে। চুল তাই বাধা নয় খোলায় সুন্দর। বাধা চুলে কখনো চুলের আসল সৌন্দর্য বুঝা যায় না। চুলের আসল সৌন্দর্য রয়েছে তাই খোলা চুলে।স্নিগ্ধ বাতাসে যখন চুল ঢেউ খেলে যায় তখন সেই সৌন্দর্যের কোনো হিসাব খুঁজে পাওয়া যায় না।

নারীর খোলা চুল নিয়ে তাই কবির কাব্বিকতার কোনো শেষ নেই। খোলা চুল নিয়ে তাই গুণীজনদের উক্তির শেষ নেই। খোলা চুল এ মুগ্ধ হয়নি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।কেউ মুগ্ধ হতে রচনা করেছে কাব্য। কেউ কবিতা আর উক্তি।তাই নিচে খোলা চুল নিয়ে রচিত কিছু উক্তিসমূহ তুলে ধরা হলোঃ

উক্তি ১:
“হারানোর জন্য
তোমার খোলা চুল এবং চোখের কাজল যথেষ্ট”
উক্তি ২:

“কোনো এক পড়ন্ত বিকেলে বারান্দায় দাঁড়িয়ে
রেশমি কালো চুলের ঢেউ মুগ্ধ করে আমাকে “।

উক্তি ৩:

“খুলে দাও তুমি এই চুলের বাঁধন
অবাধ্য হয়ে না হয় সে বাতাসেই উড়ুক “।

উক্তি :৪
“ইচ্ছে হয় হাড়িয়ে যাই
ওই খোলা চুলের গভীরতায়”।

উক্তিঃ৫

“খোলা চুল তুমি বলে দাও
কেনো মুগ্ধ না হবে কেউ তোমার মায়ায়”।

সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে।ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading

গল্প

সাদিয়ার একটি বিড়াল ছিলো

Naeem Hassan

Published

on

সাদিয়া তার ছোট্ট বিড়ালটিকে প্রচন্ডভাবে ভালোবাসতো।
দেখা যেত দিনের বেশির ভাগ সময় বিড়ালটির সাথে সাদিয়ে খেলা করতো।সাদিয়ার বয়স মাত্র নয় বছর। দুপুরে খাওয়ার সময় বিড়ালটিকে তার পাশেই রাখতো সাদিয়া।নিজে খাওয়ার সাথে সাথে বিড়ালটিকেও মাছ খাওয়াতো,দুধভাত খাওয়াতো।যেন তার মুখে হাসি লেগেই থাকতো,ছোট বাবুটির সাথে বিড়ালটাও খুব ভালোভাবে মিশে গেছিলো।সাদিয়া বিড়ালটিকে প্রতিদিন গোসল করাতো,আর বিড়ালটিও ঘুরে ঘুরে সঠিক সময় চলে আসতো গোসলের জন্য।তারা অনেক খুশি ছিলো।
সাদিয়া তার বাবার একমাত্র মেয়ে।তো যাইহোক, এভাবেই দেখতে দেখতে ৬ মাস হয়ে গেলো।বলে রাখা ভালো সাদিয়ার পরিবার খুব দরিদ্র ছিলো যার কারনে তারা একটা বাসায় ভাড়া থাকতো।তো এভাবে চলতে থাকলো, একসময় বাসা ওয়ালা আন্টি এসে সাদিয়ার মাকে জানালো যে আপনাদের বিড়াল আমাদের বাসার মাছ চুরি করে খায়,আমাদের বাসায় রুম নোংরা করে,ইদুর খেয়ে বমি করে রাখে নানান অভিযোগ দিয়ে বললো যে বিড়ালটিকে বাসায় রাখা যাবেনা।এরপর সাদিয়া এটা শুনে কান্না শুরু করে দিলো,এই সুন্দর ফুটফুটে বাচ্চার চোখে জল কিভাবে দেখতো তার বাবা মা।অনেক রিকুয়েষ্ট করার পরও বাসাওয়ালা মানলো না।
বললো এমনি তো ২ মাসের ভাড়া পাওয়া যাবে,বাসা ভাড়া ঠিক সময় দেন না তারপর আবার বিড়াল রাখার এত শখ?তাহলে নিজে বাসা করে বিড়াল পোষেন।এই কথায় সাদিয়ার বাবা খুব আঘাত পেলো।তারপর সাদিয়ার বাবা ঠিক করলো রাতের অন্ধকারে বিড়ালটিকে অনেক দূর নিয়ে গিয়ে ফেলে দিয়ে আসবে।সাদিয়াকে জানাবেও না।যেমন ভাবা তেমন কাজ,ঘড়ি কাটায় কাটায় রাত ১২.০০ টা।একটা ছোট বস্তা নিয়ে বিড়ালটিকে ভরে নিলো,ঠিক সেই সময় বিড়ালটি ম্যাও ম্যাও করতে লাগলো সে কি ডাক,গম্ভির ডাক,কান্নার ডাক,সাধারণভাবে ম্যাও ম্যাও করছিলোনা বিড়ালটি,মোটা কন্ঠে,গভীর থেকে যেন বলতে চাচ্ছিলো আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছো?আমাকে নিয়ে যেও না,আমাকে থাকতে দাও।সাদিয়ার বাবাও বিড়ালটিকে অনেক ভালোবাসতো।
বিড়ালটির আর্তনাদে সাদিয়ার বাবার চোখ থেকে ঝর ঝর করে পানি ঝরতে লাগলো,সাদিয়ার মা বলে উঠলো,ওগো থাক না,আরেকবার বাসা ওয়ালাকে বলে দেখিনা? কিন্তু তারা ভালো করেই জানতো এরপর এ নিয়ে কিছু বলতে গেলে অপমানের সাথে সাথে বাসাটাও ছাড়তে হবে।সব কিছু বিবেচণা করে সাদিয়ার বাবা সাইকেল করে বিড়ালটিকে নিয়ে রওনা হলেন।আর চোখ মুছতে মুছতে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে এক জংগলের সামনে এসে দাড়ালেন।এবং বিড়ালটিকে ছেড়ে দিলেন।কিন্তু বিড়ালটি এক পা নড়লো না।সেই করুণ সুরে কান্নার মত করে ম্যাও ম্যাও করতে লাগলো এক সময় সাদিয়ার বাবার পা ঘেসা দিতে লাগলো।সাদিয়ার বাবা কষ্টে ফেটে পড়লো বসে পড়লো বিড়ালটির পাশে আর আদর করে কান্নায় বলতে লাগলো,আমি পারলাম নারে,আমি পারলাম না তোকে রাখতে।বলে উঠে সাইকেলে করে জোরে প্যাডেল করে চলে আসতে লাগলো আর বিড়ালের গম্ভির ডাক তখনো স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিলো।
কান্না করতে করতে বাসায় ফিরে আসলো।কিন্তু সাদিয়ার বাবা সেই রাতে ঘুমাতে পারলোনা।সকালে ঘুম থেকে সাদিয়া উঠেই দেখলো বিড়ালটি তার পাশে নেই যা আগে কখনো এমন হয়নি।সাদিয়া বলতে লাগলো আম্মু আমার বিড়াল কই?তুমি কি দেখেছো?এই প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দিবে ভাবতেই তার মায়ের চোখে জল চলে আসলো।বললো তুমি আসো খেয়ে নেও বিড়াল বাইরে কোথাও গেছে চলে আসবে।এই কথা বলে সাদিয়াকে শান্ত করলো।এভাবে দুপুরেও বিড়ালটি ফিরলোনা।সাদিয়া কান্না শুরু করে দিলো আম্মু আম্মু আমার বিড়াল এনে দাও না,ও আম্মু আমি তোমার সব কথা শুনবো,আম্মু তুমি যা বলবে তাই করবো আমার বিড়াল এনে দাও আম্মু।
তার মা সাদিয়ার কান্না সহ্য করতে পারছিলোনা।তাকে বুকে টেনে নিয়ে বললো তোমার বিড়াল চলে আসবে বাবা কাদেনা।দুপুরে সাদিয়া কিচ্ছু খেলো না কোনভাবেই,দরজা বন্ধ করে শুধু কান্না করতে লাগলো,এভাবে সে শুধু তার বিড়ালের স্মৃতি গুলো মনে করে কাদছিলো।তারপর এভাবে সাদিয়া ৩ দিন পর্যন্ত ভালো মতো খেলো কিছু।পরে এই অবস্থা দেখে সাদিয়ার বাবা বাসা ছেড়ে দেয়ার কথা ভাবলো।এই বাসায় থাকা চলে না।পরের দিনেই সাদিয়ার বাবা বিড়ালটি কে খুজতে বের হলো।
কিন্তু কোথাও খুজে পেলো না জংগলের আসে পাশে সব জাগায় খুজে ক্লান শরীর নিয়ে বাসায় ফিরে এলো।সাদিয়ার মুখের হাসিটা যেন কোথায় হারিয়ে গেছে ঠিক মত খায় না।ঘুমোই না,টিভিও দেখে না।মাঝে মাঝে কান্না করে,বিড়ালের খাবার দেয়া বাটি টা নিয়ে বসে থাকে।ছোট্ট মেয়েটির এই কষ্ট কোনভাবেই মেনে নিতে পারছিলোনা তার মা। তার মা গিয়ে সাদিয়ার বাবা কে বললো দেখো যেভাবে হোক বিড়াটা খুজে আনো।আমি আর নিতে পারছি।প্লিজ নিয়ে এসো প্লিজ।সাদিয়ার বাবা প্রচন্ড কষ্ট পেলো,আর ভাবতে লাগলো সে জীবনে কি করলাম? আমার মেয়েটাতো কোটি টাকার কিছু চাই নি।এই ছোট্ট জিনিসটাও তাকে দিতে পারলাম না ভেবে নিজেকে দোষারোপ করলে লাগলো নিজেকে ঘৃণা করতে লাগলো।আর বাসা ছেড়ে দেয়ার মাত্র ২ দিন বাকি।তারপর নতুন বাসায় চলে যাবে তারা।
সময় ঘনিয়ে আসলো।কিন্তু বিড়ালটি ফিরলো না।পরের দিন সকালে সাদিয়া উঠনে বসে সেই শীতল ভেজা চোখ নিয়ে। ঠিক তখনি একটা আওয়াজ আসলো ম্যাওওও!! কি অবাক দুর্দান্ত ব্যাপার বিড়াল টি ফিরে এসেছে,কিভাবে এসেছে কেউ জানেনা কিন্তু এসেছে সাদিয়া চিতকার করে উঠলো মা মা মা আমার বিড়াল উল্লাসে আনন্দে কেদে উঠলো।বিড়ালটিকে সাথে সাথে কোলে তুলে নিয়ে বুকে জড়িয়ে বলতে লাগলো কোথাই ছিলা তুমি আমাকে ছেড়ে কেনো গেছিলা তুমি?জানোনা তোমাকে ছাড়া আমার কত কষ্ট হয়।
এভাবে তার মা এই দৃশ্য দেখে তার মা পর্যন্ত কেদে ফেললো।দৌড়ে গিয়ে তার বাবাকে ফোন করলো।তার বাবা অফিস ছেড়ে একবারে ছুটে বাসায় চলে আসলো।এবং তারপর তার মেয়েকে জড়িয়ে বললো মা তোমার বিড়াল আর কোনদিন তোমায় ছেড়ে যাবে না মা, কোনদিন তোমায় ছেড়ে যাবেনা।
ভালোবাসা শুধু দুটি মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না,অনেক সময় নিজের অজান্তে আমরা ছোট ছোট প্রানীকে এত ভালোবেসে ফেলি যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

ঘরে বসে পারলারের মত ফেসিয়াল

Sharmin Akter

Published

on

ত্বকের যত্নে ফেসিয়াল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মাসে অন্তত পক্ষে ফেসিয়াল করানো উচিত । ফেসিয়াল করলে ত্বক গভীর থেকে পরিষ্কার হয়,মরা কোষ উঠে যেয়ে নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে,ব্লকহেডস, হোয়াইট হেডস দূর করে,কোলাজেন প্রডাকশন বৃদ্ধি করে (কোলাজেন মূলত বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে,বয়সের ছাপ পড়তে দেয়না),ত্বকের আদ্রর্তা ধরে রাখতে সাহায্য করে।তবে ফেসিয়াল টিনএজারদের না করানোই ভাল কারন এই বয়সে তাদের ত্বক গঠন হয় ত্বক অনেক সেনসিটিভ ও হয়।১৮ বছর হওয়ার পরই ফেসিয়াল করানো উচিত। তবে বাড়িতে বসে যদি কেউ প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে করে ফেসিয়াল করে তাহলে তো কোন কথাই নেই।বর্তমান করোনার পরিস্থিতিতে পারলারে যাওয়া মোটেও নিরাপদ নয় তাই বাড়িতে বসেই করে নিতে পারেন ফেসিয়াল, তাও আবার ঘরে থাকা উপকরন দিয়ে।তিন ধাপে ফেসিয়াল করা হয়।ক্লিনজিং করা, এক্সফোলিয়েট করা ,ফেসমাস্ক লাগানো।
ক্লিনজিং যেভাবে করবেনঃ প্রথমে ত্বকে মেকআপ থাকলে তা উঠিয়ে নেবেন।তারপর আপনার পছন্দ মত ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নেবেন।এক্ষেত্রে যদি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে চান তো কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে মুখে লাগান।পাঁচ মিনিট লাগিয়ে রাখুন।তারপর মুখ ধুয়ে ফেলুন।চাইলে বেসন,দুধ,সামান্য হলুদ মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ মাসাজ করে মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন।
এক্সফোলিয়েট যেভাবে করবেনঃ এই ধাপ টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এক্সফোলিয়েট করলে ত্বকে মরা চামড়া উঠে যায় ফলে ত্বক মসৃণ হয়,নতুন কোষ তৈরি হয়।তবে অতিরিক্ত এক্সফোলিয়েশন ও ভালো নয়। শুরুতে মুখে ভাপ নিতে পারেন এতে ত্বকের লোমকূপ খুলে যায় ফলে ত্বক ভেতর থেকে পরিস্কার হয়।এজন্য হালকা গরম পানিতে টাওয়াল ভিজিয়ে সেটি মুখে ধরে ভাপ দিন তবে ভাপটা যেন সহনীয় হয়। এই পর্বে চালের গুড়া,লেবুর রস, গুড়া দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন তারপর মুখে লাগিয়ে ৫মিনিটের মত মাসাজ করুন।স্ক্রাবার হিসেবে চালের গুড়া খুবই ভালো।মূলত এর দানা সূক্ষ হওয়ার কারনে খুব সুন্দর ভাবে মরা চামড়া উঠে যায়। আবার চিনি লেবুর রস, মধু ও কিন্তু দারুন স্ক্রাবার।তবে বড় দানাদার চিনি ব্যবহার না করায় ভালো এতে ত্বকের ক্ষতি হয়। মাসজ করার পর মুখ ধুয়ে ফেলুন
ফেসপ্যাক তৈরীঃএই ধাপে ত্বকের ধরন বুঝে প্যাক লাগাবেন।যদি ত্বক শুষ্ক হয় তবে ময়দা,দুধের সর,এক চিমটি হলুদ গুড়া মিশিয়ে নিতে পারেন।ত্বক তৈলাক্ত হলে মুলতানি মাটি,বেসনের গুড়া,গোলাপজল দিয়ে প্যাক তৈরি করে নিতে পারেন।এছাড়াও বেসন,টকদই য়ের প্যাক ও লাগাতে পারেন সৃ ত্বকের জন্য ভালো।প্যাক লাগিয়ে ১৫-২০মিনিট অপেক্ষা করুন তারপর হালকা হাতে ম্যাাসাজ করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তারপর ময়সচারাইজারা লাগাতে একদম ভুলবেন না কিন্তু।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট

MD LOKMAN HOSSAIEN
ব্যাক লিংক পেমেন্ট
Md Golam Mostàfa
Payment